Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জীবনে-সমাজে-সাহিত্যে – আহমদ শরীফ

    আহমদ শরীফ লেখক এক পাতা গল্প243 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    শাহ্ আবদুল লতিফ ভিটাই

    করাচী থেকে ট্রেনে করে হায়দরাবাদ রওয়ানা হলাম ভিটশাহ উদ্দেশে। মরু সিন্ধুর বুক চিরে ছুটে চলেছে ট্রেন। দুদিকে বসতি বিরল ও বসতিহীন প্রান্তর; এখানে ওখানে বাবলা গাছ, কাঁটা ঝোঁপ আর পাথুরে টিলা। প্রকৃতির এ রুক্ষতা ভাবিয়ে তোলে, বিস্মিতও করে। যেখানে সংগ্রাম সেখানেই বুঝি স্বাস্থ্য। নইলে প্রাচুর্যের দেশ বাঙলায় কেন জন ও জীব দুইই ক্ষুদ্রকায়। আর অনুর্বর অঞ্চলে মানুষে পশুতে কী পায় আর কী খায় যে সেখানে এরা আকারে বড় আর স্বাস্থ্যে সুষ্ঠু। ট্রেন চলেছে। একঘেয়ে দৃশ্য। তাই মন চলে গেছে সুদূর অতীতে। ইতিহাসের পাতা ভেসে উঠছে চোখের সামনে। এ মরুভূমিতে দেখা দিয়েছিল একদিন প্রাণ-বন্যা, উঠেছিল বিচিত্র জীবনের কলরোল। ময়েনজোদাড়োর বিস্ময়কর সংস্কৃতি-সভ্যতা সেই মুখর জীবনের প্রতীক। সিন্ধু উপত্যকার সভ্যতা প্রাচীন মানুষের অক্ষয় কীর্তি। দেখতে পাচ্ছি দাহিরের পরাজয় ও লাঞ্ছনাম্লান মুখ, মুহম্মদ বিন কাসিমের বিজয়দীপ্ত চেহারা, দৃপ্ত পদক্ষেপ। মুসলিমের বিজয় কেতন। পরে আরো কত পরাক্রান্ত দাম্ভিক বিদেশীর উদ্ধত পদধ্বনি। তারপর এই বিগত শতকে তালপুর বংশীয়রা সিন্ধু শাসন করেছেন। ১৮৩১ সনে বৃটিশের নজর পড়ল সিন্ধুর ওপর। তালপুরেরা সে শ্যেনদৃষ্টির সামনে টিকতে পারল না। ১৮৪৩ সনে সিন্ধু পড়ল বৃটিশ খপ্পরে।

    কতক্ষণ অতীতের ইতিহাসলোকে ছিলাম জানিনে, আবার যখন নিজের মধ্যে ফিরে এলাম, তখন দেখছি ট্রেন কোটরি স্টেশনে থেমেছে। কোটরি একটি ক্ষুদ্র শহর–সিন্ধুর আঞ্চলিক শাসন ও বাণিজ্য কেন্দ্র।

    এক ঘণ্টার মধ্যে হায়দরাবাদ পৌঁছলাম। হায়দরাবাদ প্রাক্তন সিন্ধু প্রদেশের রাজধানী, তখন আঞ্চলিক শাসনকেন্দ্র। বড় শহর। লোকসংখ্যা শুনলাম প্রায় তিন লক্ষের মতো। রাজধানীসুলভ সব প্রতিষ্ঠানই আছে। দু-তিনটে সিন্ধি ও উর্দু দৈনিক বের হয় এখান থেকে। আমরা সরকারি অতিথি। আমাদের দেখাশুনার ভার পড়েছে হায়দরাবাদের ইনফরমেশন বিভাগের উপর। ইনফরমেশন অফিসার ও তার দুই সহকর্মী জনাব হাজী আবদুর রহমান আর জনাব আলাড়ী দায়-সারানো সরকারি কাজ হিসেবে আমাদের ভার নেননি, বরং শ্রদ্ধেয় পারিবারিক অতিথি হিসেবেই বরণ করেছিলেন। তাঁদের সৌজন্য, আন্তরিকতা, যত্ন-আপ্যায়ন আমাদের অভিভূত করেছে। দু-দিন আমরা সেখানে ছিলাম। আমাদের প্রয়োজন মেটানোর জন্য তারা ছায়ার মতো আমাদের সঙ্গে থাকতেন। হালিম সাব সুদ্ধ এ চারজন সিন্ধি ভদ্রলোকের আচরণ সুপ্রাচীন আরবি ঐতিহ্যের কথা মনে পড়িয়ে দিল।

    প্রাণের স্পর্শে প্রাণ জাগবেই। তা প্রেমে হোক, প্রীতিতে হোক কিংবা সৌজন্যে হোক। তাঁদের আন্তরিক আতিথেয়তায় আমরাও তাই তাঁদের প্রতি অনুরক্ত হয়ে উঠলাম। ভুলে গেলাম যে তারা সরকারি কর্মচারী, কর্তব্য করছেন মাত্র, তাই বিদায়কালে আত্মীয় বিচ্ছেদের বেদনা অনুভব করেছি।

    হায়দরাবাদ থেকে বাসে ভিটশাহ্ যাত্রা করলাম। পাকা ঋজু রাস্তা চলে গেছে লাহোর পেশোয়ারে। দু-ধারে সবুজের সমারোহ। মনে হচ্ছে, বাঙলা দেশেরই কোথাও শরতে ক্ষেতের পাশ দিয়ে চলেছি। মনে হয় পানির স্পর্শে পাষাণ-প্রাণ অহল্যা জেগে উঠেছে। মরুতে সোনা ফলেছে। গম আর তূলা ক্ষেত। বাড়ন্ত ফলন্ত অবস্থা। দেখলে চোখ জুড়ায়।

    সিন্ধু জেগেছে। তার মাটি জেগেছে, তার মানুষ জেগেছে। প্রাণের পরশ মাটির ফসল সে উল্লাস ব্যক্ত করছে নৃত্যের তালে তালে। আর মানুষের আশাপ্রদীপ্ত প্রাণে দেখা দিয়েছে কর্মচাঞ্চল্য। মরু বালুকার বুকে যেমন জেগেছে জীবন-স্বপ্ন, তেমনি সিন্ধিরাও করেছে বৃহৎকে তাদের ধ্যানের বস্তু। দুটোই সম্ভব হয়েছে শুকুর ও গোলাম মোহাম্মদ বাঁধ প্রভৃতির মাধ্যমে সেচ ব্যবস্থার ফলে। প্রকৃতি-নিগৃহীত সিন্ধিরা এভাবে প্রকৃতিকে এনেছে বশে, আর তাদের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনাকে এগিয়ে নিচ্ছে বাস্তবায়নের পথে। এসবের আভাস পেয়েছি সাধক কবি শাহ আবদুল লতিফ ভিটাই-এর উরসের মেলায়। বসতি-বিরল সিন্ধুর জনসংখ্যা হচ্ছে মাত্র চল্লিশ লক্ষ।

    দূরদূরান্তর থেকে দুইদিনব্যাপী মেলায় এসেছে প্রায় দু-লক্ষের মতো লোক। চল্লিশ লক্ষের মধ্যে দু-লক্ষের উপস্থিতিতেই সাক্ষ্য দেয় যে, শাহ আবদুল লতিফ ভিটাই সিন্ধিদের হৃদয়-রাজ্যের রাজা ও জাতীয় মানসের প্রতীক। তাই আজ ভিটাই-বার্ষিকী দূরদেশের উরস মাত্র নয়, বরং জাতীয় মহোৎসব। এ উৎসবের মাধ্যমে সিন্ধু নিজেকে প্রকাশ করছে। স্থির করেছে নিজেদের আদর্শ ও লক্ষ্য। শাহ আবদুল লতিফের সাধনা ও বাণীর মাধ্যমে জাগছে তাদের জীবন-জিজ্ঞাসা। আর জীবনের দিশাও তারা খুঁজছে সেই আলোকে। আবদুল লতিফ ভিটাই ইতর-ভদ্র ও জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সবারই প্রিয়। অশিক্ষিতরা তাঁর কাছে যায় অভীষ্ট সিদ্ধির বাচ্ছা নিয়ে; আর শিক্ষিতেরা তার মধ্যে খোঁজে জাতীয় মানসের স্বরূপ। অশিক্ষিতের কাছে লতিফ ঐহিক জীবন-জীবিকার নিরাপত্তা-সহায় আর অধ্যাত্ম জীবনের পীর এবং শিক্ষিতের চোখে তিনি জাতীয় মনন ও সংস্কৃতির প্রভিভূ। অশিক্ষিতেরা করে উস আর শিক্ষিতেরা করে স্মৃতিবার্ষিকী। এভাবেই শাহ লতিফ হয়েছে সিন্ধিদের আশা-ভরসা ও লক্ষ্যের অবলম্বন। এক কথায় লতিফ National hero, সবাই তাঁর মধ্যে নিজেকে খুঁজে পায়। দেখেশুনে মনে হয়, লতিফের সাধনা ও বাণী আদর্শ করেই সিন্ধু জেগেছে, সিন্ধু জাগছে।

    এবার শাহ লতিফের পরিচয় দেব। মহৎ জীবনের উপর অলৌকিকতা আরোপ করা একটি মানবিক দুর্বলতা। শাহ লতিফ-চরিত্রও এই অলৌকিকতার প্রলেপ থেকে মুক্ত নয়। তাঁর শৈশব, বাল্য, কৈশোর সম্বন্ধে কয়েকটি অদ্ভুত কাহিনী চালু আছে। ভক্তজনের কল্পনাপ্রসূত এসব কাহিনী থেকে তথ্য ও সত্য উদ্ধার করা সহজ নয়। তাই আগে শাহ আবদুল লতিফের জীবনী লিখিত হয়নি। তবে যারা দশের উপরে বড় হন, তাঁদের জীবনে হয়তো কিছু অসামান্যতা থাকে। সে অসামান্যতাই ভক্তজনের চিত্তমুকুরে অলৌকিকতার রূপ ধরে প্রচার লাভ করে।

    ১৬৮৯ সনে হায়দরাবাদের হালাহাবেলী গ্রামের এক প্রখ্যাত সৈয়দ বংশে শাহ লতিফের জন্ম। তাঁর পিতার নাম শাহ্ হাবীব। প্রপিতামহ শাহ আবদুল করিম কবি ছিলেন। পীরালিই পারিবারিক পেশা। মেধাবী লতিফ অল্প বয়সেই আরবি, ফারসি ও ইসলামে ব্যুৎপত্তি লাভ করেন।

    হালাহাবেলী অঞ্চলে এক তায়মুরী পরিবার ছিল চেঙ্গিস-তৈমুরের বংশধর এবং দিল্লীর বাদশাহর জ্ঞাতি বলে সমাজে তাদের বিশেষ মর্যাদা ও আভিজাত্য ছিল। শাহ লতিফেরা ছিলেন তাদের পীর-পরিবার। একবার তায়মুরী পরিবারের প্রধান মীর‍্যা মুঘল বেগের কুমারী কন্যা অসুস্থ হয়ে পড়েন। নিরাময়ের জন্যে আল্লাহর নাম কালাম পড়ে দোয়া করবার জন্যে ডাক পড়ল পীর শাহ হাবীরের। তিনি কোনো কারণবশত যেতে পারলেন না, পাঠালেন কিশোর ছেলে লতিফকে। পীরের কাছে পর্দা নেই। কাজেই লতিফকে অন্দরে রোগীর শয্যাপাশে নেয়া হল। বয়োধর্মের গুণে লতিফ প্রথম দৃষ্টিতেই মেয়েটির রূপে মুগ্ধ হলেন। এবং তার হাত ধরে আত্যন্তিক আবেগে তাকে প্রেম নিবেদন করলেন। বললেন, সৈয়দের হাতের ছোঁয়া লেগেছে যার আঙুলে, সাগর তরঙ্গের সাধ্য নেই তাকে ছিনিয়ে নেয়। দেশজ প্রথায় এটা যথার্থই পাণিগ্রহণ। পীর-পুত্রের এই ঔদ্ধত্য সহ্য করা মীর‍্যা মুঘল বেগের পক্ষে কঠিন হল। কলঙ্কের ভয়ে তিনি এ কথা প্রকাশ করলেন না বটে, কিন্তু পীর-পরিবারের উপর নানাভাবে নিপীড়ন শুরু করলেন। ফলে শাহ্ হাবীব গাঁ ছেড়ে আত্মরক্ষা করলেন। এদিকে কিশোর লতিফ প্রণয়ে ব্যর্থতার আঘাতে উদ্ভ্রান্ত হয়ে ঘর ছাড়লেন এবং বিবাগী হয়ে, যোগী হয়ে সন্ন্যাসীদলে ভিড়ে দেশ-দেশান্তরে ঘুরে বেড়ালেন। এ সময়ে তিনি যোগশাস্ত্র ও সুফীমতের সঙ্গে বিশেষভাবে পরিচিত হন। কাবুল, কান্দাহার, হিংলাজ, যশশ্মীর, কচ্ছ, কাথিওয়ার, লাসবেলা, মাকরান প্রভৃতি অঞ্চল ভ্রমণ করলে তিনি নানা ধর্মমত ও বিচিত্র চরিত্রের মানুষের সংস্পর্শে আসেন। এ অভিজ্ঞতার প্রভাবে তিনি নতুন মানুষ হয়ে উঠলেন, নারী-প্রেম ভূমা-প্রেমে উন্নীত হল। ঐহিক কামনা পরমের সাধানায় রূপ পেল। তিনি হলেন যোগী সূফী এবং সাধক কবি। বিবাগী জীবনে তিনি স্বরচিত দোহরা গেয়ে বেড়াতেন। আমাদের পদাবলীর সঙ্গে দোহরার একদিকে মিল আছে; কেননা এগুলো মানবিক ও অধ্যাত্ম- এই উভয় প্রেমের গান হিসেবে উপভোগ করা চলে।

    বহুকাল পরে তিনি ঘরে ফিরলেন। এদিকে মীর‍্যা মুঘল বেগের পরিবারে বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। পীর-পরিবারের উপর পীড়ন করার ফলেই দুর্ভাগ্যের দুর্দিন দেখা দিয়েছে মনে করে অনুতপ্ত মীর‍্যা মুঘল বেগ লতিফের হাতে কন্যা সম্প্রদান করলেন। এ কাহিনী ছোট ভিটাই (ভিটাইয়ের দুলামিয়া) নামে আজো চালু আছে।

    এবার গৃহী সাধক লতিফ ইরানি সূফী কবিদের মতো পুরোনো লৌকিক প্রণয় গাথাগুলোকে জীবাত্মা ও পরমাত্মার মানুষ ও আল্লাহর প্রেমের রূপকে রূপান্তরিত করেন। এগুলোও রুচিমতো মানবিক প্রণয় কিংবা অধ্যাত্মপ্রেমের রূপক হিসেবে আস্বাদন করা যায়। এতে স্বদেশপ্রেম, সাহস প্রভৃতি ব্যবহারিক গুণের আলেখ্য আছে। এভাবে পুরোনো প্রণয় গাথাগুলোক তাঁর হাতে নতুন মহিমায় উজ্জ্বল ও জনপ্রিয় হয়ে উঠল। মুহনী মহিয়াল, শশীপুন্ন, হির ঝনঝা, মোমেল-রানু, লীলা-চানেসার, সোবথ দিয়া-বিজল, মা আরভি-মারুঙ্গ-উমর প্রভৃতি তাঁর অমর কীর্তি। কেউ কেউ বলেন, শাহ লতিফ ৩৬টি নাট্য-গাথার রচয়িতা।

    ১৮৬৬ সনে জার্মান পণ্ডিত Tremp-ই প্রথম শাহ লতিফের কাব্য-সগ্রহ বের করেন। পরের বছর বোম্বাই সরকারের শিক্ষা দফতর থেকেও একটি সংশোধিত ও বর্ধিত সংস্করণ প্রকাশিত হয়। ১৯৪০ সনে Dr.Surely তাঁর Shah Abdul Latif of Bhit Shah নামের গবেষণামূলক গ্রন্থে লতিফের জীবনকাহিনী ও তাঁর রচনার ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ করেছেন। হায়দরাবাদের সিন্ধু বিশ্ববিদ্যালয় শাহ লতিফের রচনার নির্ভরযোগ্য সিন্ধি সংস্করণ ও তার উর্দু তরজমা প্রকাশের দায়িত্ব নিয়েছেন। এ ছাড়াও, পাকিস্তানের বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষায় ও বোম্বাই প্রদেশে শাহ লতিফ সম্বন্ধে নানাভাবে আলোচনা হচ্ছে এবং সে সূত্রে তাঁর রচনার কিছু কিছু অনুবাদও হচ্ছে।

    শাহ লতিফ সাধনা ও কবিত্বের ঐতিহ্য ও উত্তরাধিকার জন্মসূত্রেই পেয়েছিলেন। পীরালি সূত্রে লোকসাধারণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের ঐতিহ্যও ছিল সুপ্রাচীন। তাই তিনি সহজেই জনগণকে আপন করে নিতে পেরেছিলেন, আর নিজেও হয়ে উঠেছিলেন তাদের আপন মানুষ। ধর্মমত প্রচারের বাহনরূপেই কিংবা রাষ্ট্র পরিচালনার ভাষা হিসাবেই চিরকাল মুখের বুলি সাহিত্যের শালীন ভাষায় উন্নীত হয়েছে। সিন্ধি-ভাষাও এর ব্যতিক্রম নয়। ঐতিহাসিক যুগে দেখতে পাচ্ছি, ধর্মের, দরবারের ও সাহিত্য-সংস্কৃতির ভাষা ছিল সংস্কৃত, তারপরে মুসলমান আমলে দরবার ও সংস্কৃতির ভাষা হল ফারসি, ইংরেজ আমলে হল ইংরেজি। তাই দেশের আঞ্চলিক বুলিগুলো স্বাধীন ও স্বাভাবিকভাবে বিকাশ লাভ করে শালীন সাহিত্যের ভাষায় উন্নীত হতে পায়নি। তবু এর মধ্যে গৌতমবুদ্ধ ও বর্ধমান মহাবীরের ধর্মপ্রচারের বাহন হয়ে পালি ও প্রাকৃত, রাজপুত রাজাদের প্রশাসনের মাধ্যমরূপে অবহট্ট, এবং মধ্যযুগের কলন্দর, রামানন্দ, কবীর, দাদু, রামদাস, রজব, নানক, চৈতন্য প্রমুখের মতপ্রচারের বাহন হয়ে আধুনিক সাহিত্যিক ভাষাগুলো গড়ে ওঠে। ধর্ম প্রচার ও রাষ্ট্র পরিচালনার সহায়ক ভাষারূপে তুর্কী আমলে একবার এবং ইংরেজ শাসনের গোড়ার দিকে আর একবার বাঙলা ভাষার বহুল চর্চা হওয়ার ফলেই বাঙলা অন্যান্য পাক-ভারতীয় আধুনিক ভাষাকে (রূপে ও সামর্থ্যে) অতিক্রম করে গেছে। কিন্তু সিন্ধি ভাষা এ সৌভাগ্য থেকে অনেক কাল বঞ্চিত ছিলো। প্রধান কারণ, সিন্ধু ভারতের সীমান্ত-মুখের দেশ হওয়ায় চিরকাল বিদেশী আক্রমণের কবলে পড়েছে, স্বাধীন বিকাশের সুযোগ পায়নি। দারা, আলেকজান্ডার, মুহম্মদ বিন কাসিম, মুহম্মদ গজনভী, মুঘল, নাদির শাহ, আহমদ শাহ প্রভৃতির আক্রমণের কবলে যে সিন্ধু প্রাণে মরেনি, তাই তা যথেষ্ট। সম্রাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর (১৭০৭ খ্রী.) পর কুলহুড় বংশীয় নূরমুহম্মদ-আধা স্বাধীনভাবে সিন্ধু শাসন করবার অধিকার পান। কুলহুড়রা ছিলেন সিন্ধিভাষী। দরবারি ভাষা ফারসি থাকা সত্ত্বেও এদের সময়েই সিন্ধি ভাষার বহুল চর্চা শুরু হয় এবং সাহিত্য সৃষ্টি হতে থাকে। অবশ্য পনেরো শতক থেকেই সিন্ধিরচনার কিছু কিছু নিদর্শন পাওয়া যায়। কুলহুড় বংশের পতনের পর তালপুর বংশীয়রা ১৮৪৩ সন পর্যন্ত সিন্ধুর শাসক ছিলেন। এরপর ইংরেজ শাসনে সিন্ধির কদর হ্রাস পায়।

    আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর সময় শাহ লতিফের বয়স ছিল আঠারো। কাজেই শাহ লতিফের বাকি জীবন কুলহুড় শাসনাধীনেই কেটেছে। শাহ লতিফের সূফীমত তার সিন্ধি ভাষায় রচিত গানগাথার মাধ্যমেই প্রচার লাভ করে। তখনো এ ভাষা ও সাহিত্যে লোকবুলিও লোকসাহিত্যের স্তরে উত্তীর্ণ হয়নি। বিশেষ করে শাহ লতিফের উদ্দিষ্ট শ্ৰেতাও ছিল অশিক্ষিত জনগণ। শাহ লতিফ মুখে মুখেই তার গান ও গাথা রচনা করেন। (জনশুতি এই যে, লতিফ লিখে লিখেই তাঁর গান ও গাথা রচনা করেন। কিন্তু অহংকার বিলুপ্তির জন্যে তিনি নিজের হাতেই তার পুথিগুলো কিরার হ্রদের পানিতে ফেলে দেন।) গাইয়ে শিষ্যরা তা শ্রুতিস্মৃতিতে জিইয়ে রেখেছে এবং পুরুষপরম্পরায় তা মুখে মুখে চালু রয়েছে। অবশ্য শিক্ষিত লোকের পড়বার জন্যে আঠারো শতকের একেবারে শেষের দিকে তার রচনাবলী লিপিবদ্ধ হয়। কাজেই ধরে নেয়া যেতে পারে যে, তাঁর রচনা অবিকৃতভাবে আমাদের হাতে পৌঁছায়নি। তবু ভাবে, ভাষায়, ছন্দে, সুরে, শব্দের চয়ন ও বিন্যাস-সৌন্দর্যে শাহ লতিফের রচনা সিন্ধিভাষায় অতুলনীয়। তাই আজো তিনি শ্রেষ্ঠ সিন্ধি কবি। তিনি একাধারে লোককবি, সাধক কবি এবং শালীন সাহিত্যের কবি-শিল্পী। এজন্যেই রসিক ও ভক্ত, পণ্ডিত ও মূর্খ, যোগী ও সূফী এবং হিন্দু ও মুসলমান সকলেরই তিনি প্রিয় কবি। আঙ্গিকের দিক দিয়ে সিন্ধি ভাষায় তাঁর বিশেষ দান ওয়াই-শ্রেণীর কবিতা। সোরথ, মা আরভি, আ-আরবি, দোথী, মা আয়ুরী হোসাইনী, সোহিনী, কোহিয়ারী (পাহাড়ী) প্রভৃতি সুরে শাহ লতিফের গান ও গাথা গীত হয়।

    পাঞ্জাবের বুলেহশাহ ও আমাদের লালন প্রভৃতি বাউল কবির সমগোত্রীয় ছিলেন লতিফ। সাধারণভাবে হয়তো বলা যায়–রুমী, জামী, হাফিজ প্রমুখ সূফী কবি এবং রামানন্দ, কবীর, দাদু। কলন্দর, রজব প্রভৃতির উত্তরসাধক ছিলেন শাহ আবদুল লতিফ ভিটাই। ভিট শব্দের অর্থ টিলা, আর টিলাবাসী বলে ভিটাই এবং শাহর টিলাই হল ভিটশাহ।

    সূফী বৈষ্ণবদের মতো পরমের বিরহবাধই শাহ লতিফের অধ্যাত্ম-প্রেরণার উৎস এবং পরমের সাথে মিলনই কবির সাধনার লক্ষ্য।

    বৈষ্ণব কবি বলেন :

    জনম অবধি হাম রূপ নেহারলু
    নয়ন না তিরপিত ভেল,
    লাখ লাখ যুগ হিয়ে হিয়ে রাখলু
    তব হিয়া জুড়ন ন গেল।

    লতিফও বলেন:

    প্রিয়তমা মোরে ছাড়িয়া গিয়াছে।
    হৃদয় আমার বিরহে বিধুর,
    প্রেম থেকে আমি বঞ্চিত তাই
    পরাণে বাজিছে বেদনার সুর।

    এবং প্রেমিকের গানে না-পাওয়ার সুর চিরকাল তাই ধ্বনিত হয়।

    কিংবা –

    আমার হৃদয় একটি বহ্নিশিখা
    অবিরাম জ্বলছে। সেই জ্বালিয়েছে
    শিখাটি যাকে আমি ব্যাকুল হয়ে
    খুঁজে চলেছি।

    রবীন্দ্রনাথও বলেন :

    আজিও কাঁদিছে রাধা হৃদয়-কুটিরে।

    সূফীরা প্রেমের রাহে ফানা হয়ে যেতে উপদেশ দেন। শাহ লতিফেও তাই পাই–হে পতঙ্গ, প্রেমের অনল তোমায় ইশারায় ডাকছে। ভয় পেও না তুমি, ঝাঁপ দাও নিঃসঙ্কোচে। সে-অনলে পুড়ে পুড়ে খাঁটি হবে তোমার চিত্ত।

    লতিফ আরো বলেন :

    আশেক মাশুকে কোনো ভেদ নেই। সাগর আর ঢেউ যেমন মূলত এক হয়েও দুইরূপে দেখা দেয়, কিংবা ধ্বনি ও প্রতিধ্বনি যেমন দুই সুরে বেজে উঠে, আত্মা ও পরমাত্মাও তেমনি ভিন্ন বলে প্রতীয়মান হয় মাত্র।

    লতিফ তাই বলেন :

    তুমি বৃথাই দূরের পথে যাত্রা করছ; চেয়ে দেখ, বন্ধু তোমার কাছে রয়েছে রয়েছে তোমার মেঝের উপর। যাকে পাওয়ার জন্যে এত দুঃখ পাচ্ছ, সে তো তোমার ভিতরেই বাস করে। তাকে নিজের হৃদয়ের মধ্যে খোজো। তোমার পায়ের পর্যটন থামাও। এবার হৃদয়পথে মন চালাও। কেননা, পায়ে হেঁটে কচ্ছদেশে পৌঁছার সে সাধ্য নেই।

    আমাদের বাউল কবিও তাই বলেন :

    লামে আলিফ লুকায় যেমন
    মানুষে সাঁই আছে তেমন।
    তা না হলে কি সব নূরের তন
    আদম তনকে সেজদা জানায়।

    অথবা—

    এ মানুষে আছে রে মন
    যারে বলে মানুষ রতন
    যারে আকাশ পাতাল খোঁজো
    এই দেহে তিনি রয়।

    কিংবা–

    দেহের মাঝে আছে সোনার মানুষ
    ডাকলে কথা কয়।

    অথবা —

    আছে তোরই ভিতর অতল সাগর
    তার পাইলি না মরম।
    তার নাই ফুলকিনারা শাস্ত্রধারা নিয়ম কী রকম।

    রবীন্দ্রনাথও বলেন

    আমার প্রাণের মানুষ আছে প্রাণে
    আমি তাই হেরি তায় সকল খানে।

    অথবা —

    ও তোরা আয়রে ধেয়ে দেখরে চেয়ে আমার বুকে
    ওরে দেখরে আমার দুনয়নে।

    কিংবা —

    আমার হিয়ার মাঝে লুকিয়ে ছিলে দেখতে আমি পাইনি,
    বাহির পানে চোখ মেলেছি হৃদয় পানে চাইনি।

    রুমীও বলেন

    আমি দেখলাম, তিনি আমার অন্তরেই আছেন, আর কোথাও নাই।

    লালনের —

    খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়।

    সিন্ধি মরমী কবি সাচালও বলেন–

    প্রিয়তম আমার হৃদয়েই আছেন, তিনি আমার দেহ-বাগের
    কোকিল, আমি প্রিয়তমকে আমার হৃদয়ের মধ্যেই দেখেছি,
    দিল-আলোকরা তিনি এসেছিলেন আমার চেতনার সীমার
    ভেতরে।

    আল্লাহ বলেন

    মো কো কহ ঢুড়ো বন্দে, র্মৈ তো তেরে পাসর্মে।
    সৈঁ দেবল, না মৈ মসজিদ, না কাবে কৈলাস মে। (কবীর)

    কলন্দর বলেন–

    নহো মোল্লা, নহে ব্ৰহমন দুই কো ছোড় কর পূজা
    হুকুম হৈ শাহ কলংরকা আনলক কহা তাজা।

    মদন বলেন–

    তোমার পথ ঢাইক্যাছে মন্দিরে মসজিদে।

    লতিফও বলেন —

    আল্লাহ হচ্ছেন প্রেমের বশ। তাই তিনি বলেন,
    তোমার হৃদয় কর আলিফের লীলাস্থল
    তাহলেই বুঝবে তুমি কেতাবী গানের অসারতা।
    জীবনকে দেখতে শেখো, তাহলে বুঝবে
    আল্লাহর নামই যথেষ্ট। প্রিয়ের মিলন আকাঙ্ক্ষা
    যার জেগেছে, সে কেবল প্রিয়তমের পাঠই পড়ে।

    কিংবা–

    প্রিয়তমের পথ অতি সরল ও প্রশস্ত।
    কেবল কামনা-বাসনার কাটাই তাকে আকীর্ণ করেছে।

    অথবা–

    নামাজ রোজা ভালো বটে
    কিন্তু প্রিয় মেলে অন্য বাটে।

    হাফিজও বলেন —

    ঢালো সুরা সখি সাজাও পেয়ালা শরম আছে কি তায়
    প্রেমের মরম তারা কি জানে লো ধরম যাহারা চায়।

    কবি সাচাল বলেন

    পাপ-পুণ্যের পথে আল্লাহকে কেউ জানতে পায় না।

    বেদিল বলেন —

    পুথি পড়ে কী হবে; কেবল ফানার তত্ত্ব শেখো।

    শাহ লতিফ বলেন

    আমার চোখদুটো দেখে কেবল দেখে।
    তারা দেখেছে প্রেমে এবং চিনেছে প্রেম
    আর তাই ফিরে এসেছে আমার কাছে।

    কিংবা

    প্রিয়তম তুমি যখন আমার তখন পৃথিবী আনন্দে গেয়ে ওঠে
    পথে পথে তৃণ-লতা-ফুল তোমাকে চুম্বন করে ধন্য হয়।
    তোমাকে দেখে আমার সকল আশা মুহূর্তে মিটে যায়।

    রবীন্দ্রনাথও বলেন–

    তোমার আমার মিলন হবে বলে
    এমন ফুল্ল শ্যামল ধরা…

    তাদের কথায় ধাঁধা লাগে।
    তোমার কথা আমি বুঝি,
    আমার আকাশ তোমার বাতাস।
    এই তো সবি সোজাসুজি।…

    আপনাকে এই জানা আমার ফুরাবে না
    এই জানারই সঙ্গে সঙ্গে তোমায় চেনা।

    উপরে আমরা দেখতে চেয়েছি, দুনিয়াব্যাপী সব মরমী সাধকের এক বোল এবং সাধনার লক্ষ্যও অভিন্ন; কেবল ভঙ্গিটি দেশ, কাল ও ব্যক্তিভেদে বিচিত্র। আমাদের বাউল গানে যতটা ব্যবহারিক জীবন ও সমাজ-চেতনা রয়েছে, সিন্ধি মরমী সাহিত্যে ততটা নেই। আবার বাউল গানে ছন্দোমাধুর্যের বিশেষ অভাব আছে, সুরের লালিত্য এবং বৈচিত্র্যও কম। কিন্তু শাহ লতিফের গান ও গাথা রবীন্দ্রনাথের গানের মতোই ছন্দোবদ্ধ কবিতা। শাহ লতিফ সচেতন সুরকার ও ছন্দকুশল শিল্পী। তার অধিকাংশ দোহরা, কাফী ও গাথার সুর তাঁর সৃষ্টি। সিন্ধিরা আজো তার দেয়া সুরে তাঁর সৃষ্ট রাগ-রাগিণীতে যে কেবল তাঁর রচিত গানই গায় তা নয়: অন্যন্য গান এবং গাথায়ও তার সাধা সুর প্রয়োগ করে। তাঁর অনেক গান ক্ল্যাসিক্যাল ঢঙে গীত হয়। মরুভূ সিন্ধুর লু হাওয়া যখন সিন্ধিদের দেহমন তপ্ত ও অশান্ত করে তোলে, তখন শাহ লতিফের দোহরার গীতমূৰ্ছনা তাদের। দেহেমনে স্বস্তি-শান্তির প্রলেপ বুলিয়ে দেয়। কিংবা যখন জীবন-জীবিকার নানা যন্ত্রণায় তারা মুষড়ে পড়ে, তখনো শাহ লতিফের গানের অনবদ্য প্রাণ-জুড়ানো সুরে ও ভাব-রসে বিভোর হয়ে তারা স্নিগ্ধ প্রশান্তি লাভ করে। এক কথায়, শাহ লতিফের রচনা সিন্ধিদের জীবনমরূর মরূদ্যান। তাই সুখে-দুঃখে, আনন্দে-বেদনায়, উৎসবে-পার্বণে, সাফল্যে-ব্যর্থতায় তারা শাহ লতিফের শরণ নেয়। সে শরণ তার রুহের দোয়ার, তাঁর গানের-তার বাণীর। দু-শ বছর আগের শাহ লতিফ আজো সিন্ধিভাষীর হৃদয়-মনের একচ্ছত্র রাজা। তিনি তাদের প্রাণ জুড়ে বিরাজ করছেন, তাদের মন মননের দিশা দিচ্ছেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপুষ্প বৃক্ষ এবং বিহঙ্গ পুরাণ – আহমদ ছফা
    Next Article স্বদেশ অন্বেষা – আহমদ শরীফ

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }