Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জীবন কাহিনি – শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু এক পাতা গল্প170 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জীবন কাহিনি – ৪

    ৪

    অসীম বস্তির মুখ থেকে বের হচ্ছে, পরনে একটা ভালো প্যান্ট, আর হাওয়াই শার্ট। পরেশের সঙ্গে দেখা হতে দাঁড়াল সে। পরেশ জল-কলের ঝামেলা, মারামারি চুকিয়ে এবার মায়ের গালাগালি খেয়ে বাজারের চেষ্টায় বেরিয়েছে। টাকা-পয়সার জোগাড় থাকে না ওর। রাস্তায় বের হয়ে যেভাবেই হোক ওটা সংগ্রহ করে ওরা!

    দু-চার টাকা যা হয়।

    তেমন কোনো মক্কেলের আশাতেই পথে দাঁড়িয়েছিল পরেশ, অসীমকে দেখে এগিয়ে আসে।

    —শুনছেন, ও দাদা!

    অসীম দাঁড়াল ওর ডাকে। দেখে চিনতে পারে ওকে, এ-পাড়ায় সেই মুকুটহীন সম্রাট পরেশ চন্দর।

    পরেশ এগিয়ে এসে সহজ ভাবেই হাতটা বাড়িয়ে দিয়ে বলে ওঠে,

    —গোটা দুয়েক টাকা দিন তো স্যার!…

    যেন এতে তার দাবি আছে এবং এটা ওর ন্যায্য পাওনা।

    অসীম একটু অবাক হয়! জানে, এই তাদের জুলুমবাজির শুরু। তাছাড়া টাকা দেবার মতো তেমন কিছু নেইও তার কাছে। বলে ওঠে অসীম,

    —টাকা তো নেই দাদা!

    পরেশ অবাক হয়—দুটো টাকা! অলি টু রুপিস, তাও নেই?

    মাথা নাড়ে অসীম—থাকলে নিশ্চয়ই দিতাম।

    বিরক্ত হয় পরেশ—ওকথা সবাই বলে—

    অসীম কি জবাব দিতে গিয়ে থেমে যায়। জানে, ওদের কথার জবাব দিলে কথাই বাড়বে। তাই সরে গেল চুপ করে।

    কানে ভেসে আসে পরেশের গজরানি।

    —কাপতান! শ্লা—এইবার দোব একদিন এইসা টাইট করে। সুট-শার্ট-পরা হয়েছে, কড়া মাঞ্জা দিয়ে চলেছে, আর দুটো টাকা দেওয়া গেল না! ছ্যাঃ—

    এমন সময় গদাইকে আসতে দেখে এগিয়ে যায় পরেশ। গদাইও অসীমকে দেখছে। বলে ওঠে ওর গতিপথের দিকে তাকিয়ে,

    —কী রে পরশা?

    পরেশ বিরক্ত হয়ে বলে ওঠে,

    —আর বলবেন না সরকার মশাই, সব লাইলন হয়ে গেছে, শ্লা। বাইরে দেখুন কেমন চকর-মকর, ইদিকে ট্যাকে ছুঁচোর ডন মারছে। বাবুর ওই চিকনচাকনই স্যার, ভেতরে খড়গোঁজা! দিন না—দুটো টাকা সরকার মশাই।

    গদাই সরকার হাসে

    —সেদিনের ছোঁড়াটা না?

    অসীমের দিকে তাকিয়ে থাকে গদাই। কি ভেবে পরেশের হাতে-দুটো টাকা বের করে এগিয়ে দেয়। ওটা তার নিজের কাজের জন্যই দেওয়া। টাকা দুটো পেয়ে পরেশ আজকের মত নিশ্চিন্ত হয়।

    সরকার মশাইকে তাই এত খাতির করে ওরা!

    লোকের দায়-দায়িত্ব বোঝে লোকটা।

    সরকার মশাই অসীমের দিকে তাকিয়ে থাকে। জিজ্ঞাসা করে পরেশকে,

    —এখনও যায়নি ছোঁড়াটা জীবনবাবুর বাড়ি থেকে? কে হয় ওদের?

    পরেশ একটু ধাতস্থ হয়ে একটি সিগারেট ধরিয়ে জবাব দেয়,

    —দাঁড়ান না, ওর ওখানে থাকা ঘুচোচ্ছি। শুনছিলাম, এমনি উটকো এসে জুটেছে ছোঁড়াটা, আপনজন’ কেউ নয় ওদের।

    সরকার মশাই-এর মনে সেইটাই ভয়ের কথা হয়ে দাঁড়াল। ভাবে,

    মেয়ের বয়সটা ভালো নয়, এই সময় অন্যজন আপন হতে দেরি লাগে না। নিজের টাক আর ভুঁড়ির দিকে তাকিয়ে একটু হতাশ হয় গদাইচরণ। চুল যে ক’গাছি আছে টাকের আওতা থেকে, তাতেও সাদা রং ধরেছে অনেক আগেই। জানে সরকার মশাই, জীবনবাবু তার হাতের মুঠোর মধ্যেই আছে। কয়েক মাসের ভাড়া বাকি পড়েছে তার, তাছাড়া ছোঁড়াটাকে কেন, দরকার হলে ঢুলিসুদ্ধ বিসর্জন দিতে পারে গদাই সরকার। জীবনবাবু সমেত ছোঁড়াকেও উৎখাত করতে ও পারে। তবু বাসন্তীর জন্যে ভয় হয়। ও কেমন হেঁয়ালি!

    কিন্তু তাতে কাজ হাসিল হবে না।

    ভালোমানুষের মতো গদাইচরণ বলে ওঠে,

    —ওসব করিস না পরশা। পাড়ায় হাঙ্গামা বেধে যাবে।

    পরেশ গজগজ করে। বলে,

    —হাঁ, কেবল তোমার জন্যই করতে পারি না, গদাইদা।

    গদাইচরণ খুশি হয় ওর কথায়। ওদের দিয়ে কাজ পাবে, তাই দায়ে-অদায়ে পোষে; টাকা দিয়ে সাহায্য করে।

    সে সময় এলে তখন কথাটা ভাবা যাবে!

    .

    অসীম আজ নতুন উৎসাহ নিয়ে ঘুরছে দু’এক জায়গায়। এর আগেও এমনি ঘুরেছে, বিভিন্ন জায়গায়। যে দু’এক জায়গায় চাকরির সন্ধান পেয়েছিল, সেসব জায়গাতে আবার গেছে অসীম। চাকরি একটা তার চাই-ই।

    সব আশা হারিয়ে যে একদিন তার প্রাণটা শেষ করতে গিয়েছিল, আজ নতুন করে আবার বাঁচতে চায় সেই অসীম।

    দুপুর রোদ ডালহৌসি স্কোয়ারের জলে কেমন উজ্জ্বল একটু আভাস এনেছে। চারিদিকে ট্রাম-বাসগুলো তাড়াতাড়ি করে এগিয়ে চলেছে। ঐ গতিবেগের সঙ্গে জড়ানো একটি জীবন।

    নীরব ছন্দে ওই পথের পরিক্রমায় বের হয়েছে অসীম।

    চারিদিকে একটা না একটা পথ বের করে কঠিন জীবনের পথে চলার চেষ্টা করে চলেছে মানুষ। খবরের কাগজওয়ালারা বসে আছে; ওদিকে কে ঘুরে-ঘুরে চিনেবাদাম বিক্রি করছে, এদিকে সারি-সারি গাড়ি—চারিপাশের বিরাট বাড়িগুলোর গহ্বরে কত মানুষ দৈনন্দিন সংগ্রাম করে চলেছে। বেঁচে থাকার জন্য, টিকে থাকার জন্য সংগ্রাম। সেই পথে আজ অসীমও এসে মিশতে চায়। জীবন-সংগ্রামে সে প্রাণপণ চেষ্টা করছে টিকে থাকার জন্যে।

    দু’এক জায়গায় আশ্বাসও পায় অসীম।

    .

    একজন ভদ্রলোক ওর দিকে তাকিয়ে থাকেন। দেখছেন চেহারাটা খুব খারাপ নয়। এই ঘরখানার অনুপাতে ও বেমানান নয়।

    চারিদিকে কয়েকটা টেবিল আর চেয়ার-ছড়ানো। বাতাসে টাইপ-রাইটার মেশিনের শব্দ কানে ভেসে আসে; কোথায় যেন টেলিফোন বাজছে?

    ভদ্রলোক কি ভেবে বলে ওঠেন,

    —একটা দরখাস্ত রেখে যান। সামনের সপ্তাহের শেষদিকে আমাদের লোকের দরকার হবে। বাড়ির ঠিকানায় চিঠি দেব বা আপনিও এসে খবর দিতে পারেন, আট-দশদিনের মাথায়।

    অসীম আশ্বাস পায় ওর কথায়। বলে ওঠে,

    —একটু চেষ্টা করবেন স্যার! এই বাজারে

    ভদ্রলোক কাজ করছিলেন, ওর কথায় কলম রেখে বলে ওঠেন,

    —আশা করি নিতে পারব আপনাকে। আচ্ছা নমস্কার।

    —নমস্কার।

    বের হয়ে এল অসীম।

    ডালহৌসি স্কোয়ারে তখনও বিকেলের আলো রয়েছে। লালদিঘির কালো জলের ওপরে মাথার আলোটুকু তখনও মোছেনি।

    আজ যেন আবার সেই আলো অসীমের মনের আঁধার দূর করেছে। জি-পি-ওর বড় ঘড়িটা বাজছে গুরুগম্ভীর শব্দে। জীবনের অনেক মুহূর্তই ও চিহ্নিত করেছে। আজ যেন নতুন করে একটি পরম ক্ষণকে প্রতিষ্ঠা করে ওই শব্দটা।

    ওই ঘড়ির সুরের রেশ ধরে গির্জার ঘড়িটা বাজছে একটানা সুরেলা শব্দে।

    অসীম আর-একটা জায়গায় আশ্বাস পেয়েছিল ক’দিন আগে, তাদেরও সময় হয়ে এসেছে। আজই একবার সেখানে ঘুরে যাবে। একটা বিলেতি মোটর কারখানায় চাকরির আশা পেয়েছে সে—ওই মোটর-চালানো বিদ্যেটা দিয়ে এতদিন বেসাতি করেনি, দরকার হয় তাই করবে এবার।

    পকেটে কত পয়সা আছে মনে মনে হিসাব করে নেয় অসীম। একটু ভরসা পায়। একবার ওইদিক হয়ে ঘুরে যেতে পারবে।

    সামনেই দক্ষিণগামী ট্রামটা–সেকেন্ড ক্লাসে উঠে পড়ে সে।

    তবু এতখানি হাঁটার পরিশ্রম এবং সময় বাঁচল।

    ঘড়িতে পাঁচটা বাজেনি। কারখানায় ফোরম্যান সাহেবের দেখা হয়তো এখনও পেতে পারে। কি একটা নীরব শপথ নিয়ে অসীম বের হয়েছে; দমবে না আর, যেমন করে হোক পথ একটা বের করবেই—দুনিয়ায় চলার মতো একটা পথ।

    .

    জীবনবাবু বৈকালে বাড়ি ফিরেছে এদিক-সেদিক ঘোরাঘুরির পর। ক’দিন কাজকর্ম টুকটাক করছে। দু’একটা কেস-এর জন্য হাঁটাহাঁটি, ঘোরাঘুরি আবার শুরু করেছে। কিন্তু জীবনবাবুর মনে ওই যে নগদ একটা থোক টাকার স্বপ্ন ঢুকেছে, ওটাই সব কাজ বানচাল করে দিয়েছে। মাথায় দিনরাত ঘুরছে, কি করবে তারপর টাকাটা হাতে পেলে। এই হিসাব তার মন ভরিয়ে রেখেছে।

    বাড়ি-ঘর করবে আবার। ভাবে, ব্যবসাটাকে জিইয়ে তুলবে না হয়। এইসব সাত-পাঁচ ভাবনায় আর কোনো কাজই হয়নি।

    তারপর মাথায় এতগুলো নতুন দেনা চাপিয়েছে, যদি গড়বড় কিছু হয়ে যায়, কি হবে তাহলে! সে ভাবনাতেও রাতে ঘুম আসে না। তবে বের হয়। জীবনবাবু বাড়ি ফিরে দেখে অসীমের তখনও দেখা নেই।

    সেই যে চাট্টিখানি নাকে-মুখে গুঁজে বের হয়েছে, আর দেখা নেই তারপর থেকে। ওর জন্য ভাবনায় পড়ে জীবনবাবু। বলে,

    –ফেরেনি এখনও অসীম?

    বাসন্তী জবাব দেয়—কই, না তো!

    ফস্ করে চটে উঠতে গিয়েও পারে না জীবনবাবু। মুখ সামলে নিল। কে জানে, যদি বাসন্তী আসল-ব্যাপারটা কিছু জেনে ফেলে! তাই রাগ-বিরক্তি প্রকাশ না করে বলে ওঠে,

    —দেখ দিকি, পইপই করে বল্লুম নতুন জায়গা, তা, বাবু বেরোলো তো এখনও ফেরার নাম নেই। দেখি—

    বাসন্তী বলে ওঠে—কোথায় চললে এই সন্ধের মুখে?

    জীবনবাবুর স্বস্তি নেই। গজগজ করে,

    —দেখি, পরের ছেলেটা আবার গেল কোথায়!

    গদাই সরকার কাল থেকে ওই ছোঁড়ার ব্যাপারে একটু ঘাবড়ে গেছে মনে মনে। মেয়েদের বিশ্বাস করে না সে।

    এত বয়সে অনেক দেখেছে, শুনেছে ও।

    সেইসঙ্গে ওই কথাটাও শুনেছে, আর নিজেও জেনেছে যে, মেয়েদের বিশ্বাস করা যায় না। শাস্ত্র-বাক্যও শুনেছে অনেকের কাছে।

    বাড়িতেই তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে গদাইচরণ।

    ঘরে বাইরে ওরা সবাই সমান। মাঝে-মাঝে মনে হয়, এসব ছেড়েছুড়ে চলে যাবে সোজা যেদিকে দু’চোখ যায়, কিন্তু তা আর হয়ে ওঠেনি।

    এখনও সেই চোখ-বাঁধা কলুর বলদের মতো ঘানির চারিপাশে ঘুরছে—ঘুরছে তো ঘুরছেই। শাস্তি আর পায়নি।

    তেমনি ঘুরতে ঘুরতে এসেছে সতেরো নম্বর বাড়ির টিনের বাড়িটায় গদাইচরণ অনেক আশা নিয়ে।

    আজ ট্যাক থেকে নগদ টাকা দিয়ে দু’খানা শাড়ি কিনেছে। মনে হয়, এবার ওর মুখে হাসি ফুটবে। সেদিন বলে এসেছিল, আজ তাই এখানে আসবার অজুহাতে সঙ্গে করে ও নিয়ে এসেছে সেটা

    এক-পা, এক-পা করে এগিয়ে যায় গদাইচরণ খাপরায় ছাওয়া ঘরগুলোর পাশ দিয়ে সন্তর্পণে। ।কোনো জানলা খোলা থাকলে ও সাবধান হয়। কেউ জানে, কে আবার সেই রাত্রের মতো পানের পিচ দিয়ে রাঙিয়ে না দেয় সারা গা।

    বাসন্তী বসে আছে দাওয়ায়।

    ভাবনা হয় অসীমের জন্য। কে জানে, নতুন জায়গায় এসে কোথাও হারিয়ে গেল কিনা, হয়ত ফিরবে না আর?

    দু’দিনের জন্য এসেছিল ছেলেটা, তাই ওকে ঠিক চিনতে পারেনি বাসন্তী। নিজের দুঃখ-দারিদ্র্য আর বঞ্চনার জ্বালা-ভরা মন নিয়ে সবকিছুকে দেখেছে সে। তাই জীবনের মাঝে যে একটু আনন্দের স্বাদ আছে, বেঁচে থাকার তৃপ্তি আছে, সেটা হঠাৎ আবিষ্কার করেছে বাসন্তী ওই অসীমের মাঝে। হয়তো এরই নাম ভালোবাসা।

    জীবনের এতগুলো দিন অর্থহীন শূন্যতার মাঝেই কেটেছে। হঠাৎ কেমন একটা মাধুর্য খুঁজে পেয়েছে বাসন্তী অসীমের আসার পর থেকে, ওর সান্নিধ্যে এসে। তাই আজ মনে সুর জাগে। দুঃখ জাগে ওকে হারাবার।

    আকাশে দু-একটা তারা ফুটেছে।

    বস্তির নিমগাছে ডাকছে একটা রাতের পাখি।

    গদাইচরণ দরজা খুলে ওদের ছোট্ট উঠোনে পা-দিয়ে অবাক হয়ে যায়। বাসন্তী গুনগুনিয়ে গান গাইছে :

    ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে—

    গদাইচরণ দাওয়ায় বসে খুঁটিতে হেলান দিয়ে দুচোখ বুজে বেশ মাথা নাড়ছে, আর হাঁটু দুলিয়ে তাল দিচ্ছে খুশি মনে।

    হঠাৎ গান থেমে যেতেই চোখ খুলে তাকাল গদাইচরণ।

    বাসন্তী দাঁড়িয়ে আছে কাছেই; তার দিকে বিরক্তি-ভরা দৃষ্টিতে কেমন যেন তাকিয়ে আছে। গদাইচরণ তাড়াতাড়ি সেই উদাস ভাব সামলে নিয়ে, পানের ছোপ লাগানো তরমুজের বিচির মতো দাঁতগুলো বের করে বলে ওঠে,

    —বাঃ, বেশ গাইছিলে, খাসা গাইছিলে! তা, থামলে কেন বাসন্তী?

    গদাই গদ্‌গদকণ্ঠে কথাগুলো বলে চলেছে –

    ঘরেতে ভ্রমর এলো গুনগুনিয়ে,—আহা!

    বাসন্তী ওর ন্যাকামিতে রেগে ওঠে। একটু কড়া-সুরেই বলে, ভ্রমর নয়, গুবরে পোকা।

    হাসছে গদাইচরণ।

    —আপনি? হঠাৎ এই সময় যে? বাসন্তী প্রশ্ন করে।

    গদাই হাতের শাড়ি দুটো কাগজের ভাঁজ থেকে খুলে বলে ওঠে—এই যে, দেখ দিকি কেমন মানাবে? আরে, যাকে যা মানায়। এই তো পরবার বয়স। রেখে দাও এ দুটো।

    বাসন্তী কী ভাবছে?

    জানে লোকটাকে, সাপের চেয়ে ধূর্ত, আর বাঘের চেয়ে-হিংস্র ওই লোকটা। এ এলাকার অনেকের মুখেই শুনেছে বাসন্তী, গদাই সরকারের অনেক কীর্তিকাহিনি, লোকটা পারে না হেন কাজ নেই। সবাই ওকে ভয় করে চলে।

    তাই অযথা ওকে চটাতে গিয়েও পারে না বাসন্তী।

    দেখেছে, ওরা এই বস্তি থেকে অনেককেই দারোয়ান আর গুণ্ডা দিয়ে, মালপত্র রাস্তায় ফেলে দিয়ে সরে পড়েছে।

    ওদের ভয়ে কেউ প্রতিবাদও করতে পারেনি।

    জানে বাসন্তী নিজেদের অবস্থা। এখনও সেই অভাব, আর ঘরের ভাড়া সবই বাকি। তাই গদাই-এর অপমানটুকু চুপ করে সহ্য করে।

    গদাইচরণ ওকে চুপ করে থাকতে দেখে বলে ওঠে,

    —এত কি ভাবছ বাসন্তী?

    —বাবার কাজকম্মও নেই, এদিকে আপনাদের ভাড়াপত্তর বাকি—

    বাসন্তী অভিনয় করে চলেছে।

    হাসে গদাইচরণ। এতক্ষণে সে নিজের প্রতিষ্ঠা, আর ক্ষমতা দেখাবার সুযোগ পায়। বলে ওঠে গদাইচরণ,

    —তার জন্য ভাবতে হবে না বাসন্তী। রায়বাবুরা তো আর কিছু করবে না, করবার মালিক এই শর্মা। সে তো আর কিছু করছে না। তা, শাড়ি দু’খানা পছন্দ হয়েছে?

    মাথা নাড়ে বাসন্তী।

    গদাইচরণ বলে চলেছে উদাসকণ্ঠে,

    —সেই যে মনের কথা বলছিলাম না! সে-কথা আর বলবার লোক পাই কোথায় বলো? ঘরে-বাইরে আমার শান্তি নেই। এ সময় মানুষ শান্তি চায়, সেবা-যত্ন চায়। এই ধর, একটু ভালোবাসা—

    বাসন্তী হাসিতে যেন ফেটে পড়বে এবার, ওর গদগদ কথাগুলো শুনে। মুখে শাড়ির আঁচল দিয়ে হাসি চাপবার চেষ্টা করে সে!

    গদাইচরণ ওকে দেখে আরও কাতরকণ্ঠে বলে ওঠে,

    হাসছ? তার চেয়ে গলায় ওই আঁশবঁটিটা লাগিয়ে দাও; ব্যস! একেবারে শেষ হয়ে যাই। জ্বালা-যন্ত্রণাও জুড়োক।

    বাসন্তী একটু সামলে নেয়,

    —কই? হাসছি না তো? বলুন, কী বলছিলেন?

    গদাই যেন ভরসা পায় ওর কথায়। বলে,

    —বলব বলছ? দেখ, বাইরে থেকে লোকে গদাই সরকারকে দেখে হিংসে করে। বাড়ি, টাকা, দাপট সবই আছে, কিন্তু বুকের ভেতরটা কেউ দেখেছে? যেন খাঁ-খাঁ করছে। দিনরাত হু-হু করে বাসন্তী। তাই বলছিলাম, মানে তুমি আমার কথাটা একটু ভেবে দেখো।

    বাসন্তী ওর দিকে তাকিয়ে থাকে। বুড়ো লোকটার কথাগুলো যেন ওর সর্বাঙ্গে জ্বালা ধরায়। কি একটা বলতে যাবে কড়া-কথা, হঠাৎ দরজা দিয়ে অসীমকে ঢুকতে দেখে থেমে যায়।

    বুড়ো লোকটকে খ্যাংরা মেরে তাড়াবার ইচ্ছেটা আপাতত চেপে রইল বাসন্তী।

    গদাই সরকার অসীমকে দেখছে।

    দেখেই ওর সেই আবেগ আর বুকের জ্বালা সব যেন নিমেষের মধ্যে ঠাণ্ডা হয়ে গেছে! অসীমই এগিয়ে এসে ওর কাছে দাঁড়াল।

    —নমস্কার!

    গদাই একটু হচকিয়ে কোনরকমে সামলে নিয়ে গুম হয়ে জবাব দেয়,—নমস্কার।

    বেশ বুঝতে পারেন সে, ছোঁড়াটা এখানে দিব্যি জেঁকে বসেছে।

    বাসন্তীর একটু আগের কথাবার্তাগুলো কেমন সুন্দর লাগছিল। তার হাসিটুকুও দেখেছে গদাইচরণ।

    মনোরম সেই হাসি।

    হঠাৎ সব হাসি কেমন কর্পূরের মতো উবে গেছে মেয়েটার মুখ থেকে, ওই ছেলেটা বাড়ি ঢুকতেই। বাসন্তী গম্ভীর হয়ে যায়। এসব ভালো লক্ষণ নয়।

    গদাইচরণের পথ পরিষ্কারই থাকত, যদি না ওই ছোঁড়াটা কোত্থেকে উড়ে এসে জুড়ে বসত। এসব ওই জীবনবাবুরই কীর্তি।

    ঐ বুড়ো কোত্থেকে এনে জুটিয়েছে ছোঁড়াটাকে—পরেশও তাই বলেছে, আর এও জেনেছে ওর মতলব নাকি সুবিধের নয়।

    বাসন্তী কেমন যেন চুপ করে গেছে।

    এ সময় আর গদাই-এর কোনো কথা বলা যাবে না। তাই এখন উঠে পড়ে গদাইচরণ ক্ষুণ্ণ মনে।

    —আচ্ছা, চলি এখন! আর তোমার বাবাকে একবার আমার ওখানে যেতে বলো।

    গলা তুলে বলে চলেছে গদাইচরণ,

    —নানা জনে নানা কথা বলে। জীবনবাবুর নাকি ভুরি-ভুরি রোজগার! বাজারেও খরচা করছেন দারুণ। এদিকে বাড়ি ভাড়া দেবার নাম নেই, মাসের পর মাস ভাড়া বাকি। কথাটা বাবুদের কানে গেলে কি হবে তা জানে তো? তাই সাবধান করে দিলাম। বাবুদের আর একজন বাজার সরকারের দরকার ছিল—যদি উনি যেতেন কথাটা বলে দেখতাম সেজবাবুকে!

    বাসন্তীর কানে শেষের কথাগুলো গেল। ভাবে, ওটাই তো তাদের দরকার। ওই চাকরিটা।

    মাথা নাড়ে বাসন্তী।

    —বলব বাবাকে।

    —তাই বোলো। গদাই সরকার গজগজ করে চলে গেল।

    অসীম লোকটাকে দেখছিল এতক্ষণ ধরে। চলে যেতে বলে ওঠে,

    — কে ও?

    হাসে বাসন্তী, হাল্কা সুরে জবাব দেয়,

    —ওকে চেনো না? উনি এ মুলুকের শাহানশাহ্—শ্রীযুক্ত গদাইচরণ! রায়বাবুদের সরকার তামাম বস্তির দণ্ড-মুণ্ডের একমাত্র মালিক।

    অসীমের মনটা আজ খুশিই রয়েছে। সেই মোটরের কারখানায় বোধহয় দু’একদিনের মধ্যেই চাকরিটা হয়ে যাবে, ছোট সাহেব নিজে কথা দিয়েছেন। তাছাড়া, তার কথাবার্তায় আর কাজকর্মের একটু নমুনা দেখে খুশি হয়েছেন তাঁরা।

    পা-রাখবার একটা জায়গা পেলে তারপর আবার অন্যত্র ভালো কোনো সুযোগের চেষ্টা করতে পারবে অসীম। উপস্থিত ওইখানে কাজটা পেলে আপাতত করবে সে।

    বাসন্তী এগিয়ে আসে।

    —থাক্ ওকথা। তোমার খবর কী বলো?

    অসীম বলে ওঠে,

    —ওরে, আশা নেই—
    আশা, সে যে মিছে ছলনা।
    আছে শুধু পাখা, নিবিড় তিমির মাখা,
    আছে মহা অঙ্গন-–
    তবু বিহঙ্গ, ওরে বিহঙ্গ মোর! এখনি অন্ধ,
    বন্ধ করো না পাখা।

    —একটা গতি হবেই বাসন্তী দু-দশদিনের মধ্যে। দেখা যাক, এ কষ্টের শেষ হয় কিনা!

    বাসন্তী মুখ নামিয়ে বলে,

    —হবেই। সবকিছুরই শেষ আছে।

    মাথা নাড়ে অসীম। বলে,

    —Every cloud has a silver lining. যত ঘন মেঘই হোক না কেন, তার শেষ রোদের রেখাটুকু দেখা দিলে। দেখা যাক, এ মেঘের শেষ হবে কবে?

    হঠাৎ হন্তদন্ত হয়ে জীবনবাবুকে ঢুকতে দেখে সরে গেল বাসন্তী। জীবনবাবু বাসন্তীকে দেখেই প্রশ্ন করে,

    —গেছে লোকটা? ওই গদাইচরণ? উঃ, কি ধড়িবাজ লোক রে বাবা! এত কথা কি বলে যায় এখানে? অ্যাঁ!

    বাসন্তী জবাব দেয়,

    —একদিন তোমায় যেতে বলেছে।

    জীবনবাবু মেয়েকে ধমক দেয়,

    —কারো কেনা গোলাম নই যে, হুকুম করলেই যেতে হবে।

    —বাড়ি ভাড়া ক’মাস বাকি? বাসন্তী বলে ওঠে।

    একটু থতমত খেয়ে জীবনবাবু জবাব দেয়,

    —বেশ তো, বাকি পড়েছে দিয়ে দেব। না পায় কোর্ট-ঘর করুক, মামলা লড়ব। ক’টা দিন যেতে দে—সব ব্যাটাকে দেখে নেব একহাত। এমন বস্তিতে আর থাকব নাকি? বুঝলি? একদিন এরকম বস্তির মালিকই হব। কি বল অসীম?

    বাসন্তী, অসীম একটু হকচকিয়ে গেছিল ওর কথায় বীরত্বে। একটু সামলে নিয়ে জবাব দেয় অসীম,

    —হ্যাঁ, তা তো বটেই!

    —তবে? একটু তামাক সাজ বাসি।

    বাসন্তী দু’জনের দিকে চেয়ে থাকে। কি ভেবে ও-কোণে বসে তামাক সাজতে থাকে বাসন্তী জীবনবাবু অসীমের কাছে এসে বসে। একটু চাপা-গলায় জিজ্ঞাসা করে,

    —তাহলে বাবাজি? আজ তো ছ’দিন পার হয়ে গেল।

    অসীম ওর দিকে হাতটা বাড়িয়ে দেয়, একটু জোরের সঙ্গে বলে ওঠে,

    —কিছু পয়সা-কড়ি থাকে তো দিন দিকি!

    পয়সার কিছু দরকার অসীমের। এখানে-ওখানে যাতায়াত করে ঘোরাফেরার পর যদি জুটে যায় একটা চাকরি, তার চেষ্টা করতে হবে।

    ওর কথায় জীবনবাবু পকেট হাতড়াতে থাকে।

    জমানো যে-ক’টা টাকা ছিল, তাও শেষ হয়ে গেছে। হুড়হুড় করে এই ক’দিনে দরাজ হাতে খরচ করে সব ফুরিয়ে এসেছে জীবনবাবুর।

    পকেট হাতড়ে নিজের আফিম খরচ বাবদ সামান্য কিছু রেখে, খুচরো সিকি, দু’আনি মিলিয়ে টাকা-খানেক দেড় ওর হাতে তুলে দেয় গুম্ হয়ে।

    পয়সা ক’টা অনুমানে দেখেই বলে ওঠে অসীম,

    —এই মাত্তর! তাহলে কী করে হবে?

    জীবনবাবু ব্যস্ত হয়ে বলে,

    —দোব বাবা, আরও দোব।

    অসীম নিস্পৃহকণ্ঠে জবাব দেয়,

    —ওটা না হলে কিন্তু কোনো কথাই থাকবে না।

    চমকে ওঠে জীবনবাবু। অসীমের দিকে তাকিয়ে থাকে বিস্ফারিত দৃষ্টিতে। মহাবিপদে পড়েছে জীবনবাবু। অসীম বলে ওঠে

    —কালই চাই আর কিছু টাকা। মানে, শেষবারের মতো একটু সিনেমা দেখব। এই ধরুন-–

    জীবনবাবুর এত অভাব সত্ত্বেও ওকে টাকা দিতেই হবে। ওই তার ভবিষ্যৎ! তাকে চটানো যাবে না!

    ও বিগড়ে গেলে তীরে এসে তরী ডুববে। তাই বলে ওঠে,

    —দোব বাবা, দোব। সেখান থেকে হোক এনে দোব। কিন্তু ওই যে বললে-

    —হ্যাঁ, ঠিক সাতদিন পরই আপনার কথা রাখব। খুশি হয় জীবনবাবু—বেশ, বেশ! মেয়েকে তাগাদা দেয়, তামাক সাজা হল? অ’ বাসি!

    বাসন্তী হুঁকোটা এনে বাবার হাতে তুলে দেয়।

    নিশ্চিন্তে চুপ করে হুঁকোয় গোটা কতক ভুরুক-ভুরুক করে টান দিয়ে বলে ওঠে জীবনবাবু,

    — হ্যাঁ রে বাসি? তা, গদাই সরকার কী যেন বলছিল?

    —একবার যেতে বলেছে। কি একটা খাতা-সরকারের কাজ আছে। বাসন্তী জবাব দেয়।

    —খাতা-সরকারের কাজ! যাব বলছিস?

    জীবনবাবু কী যেন ভাবছে!

    দেখেছে, ওদের গদি-ঘরে উপুড় হয়ে পড়ে একদল লোক মস্ত জাবেদা খাতায় উকুন-ছারপোকার মতো সার দিয়ে দিনরাত কি সব লেখে, নাকে-চশমাটা ঝুলে পড়ে তাদের। পিঠ আর পেট এক হয়ে ধনুক বাঁকার মতো বেঁকে যায়।

    ওই চাকরি করতে পারবে না জীবনবাবু। তাছাড়া ও-সবের দরকারও হবে না। কী ভাবছে যেন সে?

    ওপাশে নতুন শাড়ি দু’খানা তখন পড়ে আছে। জীবনবাবুর চোখ এড়ায় না শাড়িগুলো।

    বুঝতে পারে কোত্থেকে এসেছে ওগুলো। মনে মনে কি ভাবছে বুড়ো। চটে উঠতে গিয়েও পারে না।

    কিন্তু টাকার দরকার। এখনও দু’চারদিন কাটাতে হবে তাকে। টাকা চাই-ই। আর সে-টাকার জোগাড় করতে হবে।

    আবার আগেকার সেই দিন-চালানোর দুশ্চিন্তা—কালো মেঘের ছায়া তার মনের আকাশ ছেয়ে ফেলে। আবার আঁধার ঘনিয়ে আসে চারিদিকে।

    এ আঁধারের শেষ নেই। কূল-তল নেই।

    বাসন্তী খাবার জায়গা করছে। জীবনবাবু অসীমের দিকে তাকিয়ে থাকে, ও-ই তার একমাত্র ভরসা। ঘুরে-ফিরে একই কথাটা ওকে জানাতে চায় সে। অসীমকে কথাচ্ছলে বলে ওঠে জীবনবাবু,

    –আজকাল ইলেকট্রিক ট্রেন বেশ জোরে চলে। আর তেমনি জবরদস্ত তার ইঞ্জিন। তাই

    না?

    অসীম ওর দিকে তাকিয়ে থাকে। কি যেন বলতে চায় বুড়ো! অসীম না জানার ভান করেই শ্ন করে,—কিছু বলছেন?

    জীবনবাবু আমতা-আমতা করে বলে,

    —না, এমনি বলছিলাম কথাটা। আজ রিষড়ে গেছিলাম একটা কেসের কাজে। দেখলাম, একটা গোরু একেবারে থেঁতলে গেছে নিমেষের মধ্যে, ওই ইঞ্জিনে কাটা পড়ে।

    অসীমের ভালো লাগে না কথাগুলো। ওর কথাটা সহজ ভাবে নেবার চেষ্টা করলেও তা পারে না। মাঝে-মাঝে বেঁচে থাকা আর মরা, এই দুটোর মাঝে অতি সূক্ষ্ম ব্যবধানটা তার চোখে পড়েছে, তাই ভয় হয় অসীমের। এত কষ্টের মাঝেও আবার বাঁচার স্বপ্ন দেখে, নিজেকে টিকিয়ে রাখবার জন্য অসীম আজ মরিয়া হয়ে উঠেছে। ভালোবাসা, প্রীতি সবকিছু কুড়িয়ে সে বাঁচতে চায় নতুন করে।

    তাই জীবনবাবুর ওই কথাগুলো যেন কান দিয়ে শুনতে চায় না অসীম।

    উঠে গেল সে ঘরের ভিতরে কোনো কথা না বলে।

    জীবনবাবু ওকে দেখছিল, এতদিন এই পরিবর্তনটা চোখে পড়েনি। আজ পরিষ্কার ভাবে ফুটে ওঠে যে, অসীম সহজভাবে কথাগুলো নেয়নি।

    তাই বোধহয় সরে গেল।

    কেমন একটু অবাক হয়েছে জীবনবাবু। অসীমের মুখে-চোখে, আর ওর কথাগুলোয় একটা বিরক্তির-ভাব ফুটে উঠেছে তাও নজর এড়ায় না। বাসন্তী বলে ওঠে, খাবার জায়গা করেছি বাবা!

    —যাই। অ’ অসীম বাবাজি!

    জীবনবাবু খাবার জায়গার দিকে এগিয়ে যায়। ডাকতে থাকে অসীমকে।

    .

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু
    Next Article অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    Related Articles

    শক্তিপদ রাজগুরু

    শক্তিপদ রাজগুরু সাহিত্যের সেরা গল্প

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    মেঘে ঢাকা তারা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পটলা সমগ্র – শক্তিপদ রাজগুরু (দুই খণ্ড একত্রে)

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    অমানুষ – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    পরিক্রমা – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    শক্তিপদ রাজগুরু

    তিল থেকে তাল – শক্তিপদ রাজগুরু

    November 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }