Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভার্ন এক পাতা গল্প192 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. যাত্রা হলো শুরু

    ০৪. যাত্রা হলো শুরু

    ঘুম ভাঙলো কাকামণির গলার শব্দে। তখন বেশ বেলা হয়ে গেছে। চোখেমুখে এসে পড়েছে সূর্যের সোনালি আলো। বিছানায় শুয়ে শুয়েই শুনতে পেলাম কাকামণি কার সঙ্গে যেন ঝড়ের মতো কথা বলে চলেছেন।

    কথা চলছিলো দিনেমার ভাষায়। যে-লোকটির সঙ্গে কথা হচ্ছিলো, তার চেহারা দৃষ্টি আকর্ষণ করবার মতো,-যেমন লম্বা-চওড়া, তেমনি স্বাস্থ্যবান। একটুক্ষণের মধ্যেই বুঝতে পারলাম, সে গম্ভীর এবং স্বল্পবাক-কাজের কথা ছাড়া একটিও বাজে কথা বলে না।

    লোকটি আইসল্যাণ্ডের। চওড়া বুকের উপর আড়াআড়িভাবে দুহাত রেখে চুপচাপ সে কাকামণির কথা শুনছিলো। নাম তার হান্‌স্‌ বিলকে। আইসল্যাণ্ডের এমন জায়গা নেই যা সে ঘুরতে বাকি রেখেছে। সে-ই আমাদের পথ দেখিয়ে স্নেফেলে নিয়ে যাবে বলে ঠিক হলো। পারিশ্রমিকটাও প্রথমে ঠিক করে নেয়া হলো। স্নেফেলের সানুদেশে স্ট্যাপি নামে যে ছোট্ট গ্রামটা আছে,-এখান থেকে একশো চুরাশি মাইল দূরে,-সেই পর্যন্তই সে আমাদের সঙ্গে যাবে বলে কথা হলো।

    ফ্রিদিকসন আমাদের জন্য চারটে ঘোড়ার ব্যবস্থা করে রেখেছিলেন। একটি কাকামণির জন্যে, একটি আমার আর বাকি দুটি মালপত্র বয়ে নিয়ে যাবে। হান্‌স্‌ বরাবর হেঁটেই যাবে।

    পথ-ঘাট হাসের নখদর্পণে। এই পথে সে যে কতোবার যাওয়া আসা করেছে, তার কোনো ঠিক-ঠিকানা নেই। একথা শুনে কাকামণি তার সঙ্গে নতুন একটা বন্দোবস্ত করে নিলেন। আগেকার ব্যবস্থামত সে যে শুধু স্ট্যাপি পর্যন্তই যাবে তা নয়, কাকামণি তার বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধানের কাজে যতদুর যাবেন, হান্‌স্‌কেও সঙ্গে-সঙ্গে তততদূর যেতে হবে। পারিশ্রমিক ঠিক হলো সপ্তাহে বারো শিলিং করে। হান্‌স্ শুধু এইটুকুই বললে যে, আমাদের যা-ই ঘটুক না কেন, প্রতি শনিবার যদি তার সাতদিনের মাইনে চুকিয়ে দেয়া না হয়, তবে সে তক্ষুনি চাকরি ছেড়ে দেবে।

    আমাদের রওনা হওয়ার সময় হয়ে এলো। জিনিশপত্র সব গুছিয়ে নেয়। হলো-গাইতি, কুঠার, রেশমের দড়ি, দড়ির সিঁড়ি, হাতুড়ি, পেরেক, যন্ত্রপাতি, এমন কি ফাস্ট এডের সরঞ্জাম পর্যন্ত। গুলি-বারুদ থেকে শুরু করে কাকামণির দেশলাই, চুরুট কিছুই বাদ গেলো না। টাকাকড়ি কতো আছে কাকামণি তা একবার হিশেব করে নিলেন। কয়েক জোড়া খুব ভালো রবারের জুতো, আর ছমাসের উপযোগী রসদও সঙ্গে নেবার ব্যবস্থা করা হলো।

    ষোলোই জুন আজ। আকাশ মেঘলা থাকলেও বৃষ্টির নাম-গন্ধ নেই। কীরকম বিষণ্ণ একট। দিন যেন। ঘোড়ার পিঠে মালপত্র চাপিয়ে দিয়ে আমরা রওনা হয়ে পড়লাম।

    আস্তে-আস্তে রিজকিয়াভিক ছাড়িয়ে এলাম আমরা। সমুদ্রতীর ধরে সামনের দিকে চলতে লাগলাম।

    সমুদ্রের ধারে মাঝে-মাঝে পাহাড় ছিলো বলে কখনো-কখনো আমাদের একটু ঘুরে যেতে হচ্ছিলো।

    যেতে যেতে কাকামণি আইসল্যাণ্ডের ঘোড়া সম্পর্কে একটা লম্বাচওড়া বক্তৃতাও দিয়ে ফেললেন। এখানকার ঘোড়ার মতো এমন সুন্দর ঘোড়া নাকি পৃথিবীতে আর কোথাও নেই। যেমন বুদ্ধিমান, তেমনি পরিশ্রমী। পথ চলতে গিয়ে কোনো বাধাই এরা মানে না। বরফ পড়ুক, তুফান উঠুক, পাহাড়-পর্বত নদী-নালা যা-কিছু সামনে পড়ুক, কিছুতেই এরা দমবার পাত্র নয়, সব কিছু অবলীলাক্রমে অতিক্রম করে চলে যেতে পারে, ইত্যাদি ইত্যাদি।

    বেচারি হান্‌স্‌ প্রত্যেক দিন অতো মাইল করে হাঁটবে কী করে, সে-কথা আমি কাকামণিকে একবার মনে করিয়ে দিতেই কাকামণি বললেন, ওর কথা ভাবিসনে! ও আমাদের চেয়ে আরো ভালো চলে যাবে হেঁটে। সহজে ক্লান্ত হয়ে পড়ার লোক ও নয়। আর যদি কখনো ক্লান্তই হয়ে পড়ে, তখন না-হয় আমার ঘোড়ায় এসে উঠবে। একটানা ঘোড়ায় চড়ে যেতে আমারও তো আর খুব ভালো লাগবে না!

    একটা নির্জন প্রান্তরের মধ্য দিয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছিলাম আমরা। জায়গাটা মরুভূমির মতো পরিত্যক্ত। কচিৎ কোথাও এক-আধটা ভাঙাচোরা ঘরবাড়ি দেখা যাচ্ছিল।

    ঘণ্টা-দুয়েক বাদে প্রাতরাশ সেরে আবার আমরা চলতে লাগলাম। এবার পথ গেছে পাহাড়ের উপর দিয়ে। ভারি বিচ্ছিরি পথ। কবে কোন্ অতীতে আগ্নেয়গিরির লাভা এখানে এসে পড়েছিল,–এখন তা ক্রমে কঠিন হয়ে গেছে। অসমতল, ঢেউখেলানো রাস্তা দেখে সহজেই তা বোঝা যায়।

    ক্রমশ বেলা বাড়তে লাগলো। একটানা চলে চারটের সময় হিশেব করে দেখা গেলো সবশুদ্ধ চব্বিশ মাইল পথ পেরোনো গেছে। এবার পথে একটা পার্বত্য নদী পড়লো। চওড়ায় নেহাৎ কম ছিলো না। নদীটা। তার দুই তীরে খাড়া পাথর মাথা তুলেছে শূন্যে। নদীর মাঝখানেও বড়ো-বড়ো পাথরের টুকরো ছড়িয়ে পড়ে ছিলো। সেইজন্যে সেইসব পাথরের মধ্য দিয়ে যেতে হয় বলে ভীষণ স্রোত দেখা গেলো।

    স্রোতের উদ্দামতা দেখে জলে নামতে সাহস হলো না আমার। কাকামণির মনে কিন্তু একটুও ভয়-ডর দেখা গেলো না। বরং বললেন : এইসব পার্বত্য নদীতে স্রোত ভীষণ হলেও জল সাধারণত কমই থাকে। সুতরাং ভয় কিসের? এই বলে ঘোড়ার পিঠে চাবুক কষালেন কাকামণি। আইসল্যাণ্ডের অশ্ববরের যে প্রাণের মায়া আছে, এবার তা ভালো করেহ বোঝা গেলো। দু-পা এগিয়েই মাথা নিচু করে সে জল শুঁকতে লাগলো, আর একটুও নড়ানো গেলো না ওকে। ঘোড়ার এই বেয়াড়ারকম বেয়াদবি সহ্য হলো না কাকামণির। একধার থেকে চাবুক মারতে শুরু করলেন। কিন্তু তবু ঘোড়া একটুও নড়লো না। মাথা ঝাঁকাতে লাগলো শুধু।

    ব্যাপার-স্যাপার দেখে কাকামণি দস্তুরমতো রেগে উঠলেন। ধমক দিতে শুরু করলেন ঘোড়াকে। তখন শ্রীমান অশ্ববর নিরুপায় হয়ে পেছনের পা দুটি মুড়ে নিচু হয়ে কাকামণির পায়ের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে এলো। কাকামণি তো হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইলেন। আমি হাসবো কি কঁদবো বুঝতে পারলাম না।

    তখন হান্‌স্ আমাদের বুঝিয়ে বললো : এখন জোয়ারের সময়। হাজার চেষ্টা করলেও এখন ও নদী কোনোমতেই পেয়োনো যাবে না। ভাঁটার সময় জল কমলে ভেলায় করে নদী পেরোতে হবে।

    আর কোনো উপায় নেই দেখে অপেক্ষা করাই সাব্যস্ত করলেন কাকামণি। হান্‌স্‌ ইতিমধ্যে পাশের একটি গ্রাম থেকে দুটি লোক এবং প্রচুর কাঠ ও বাঁশ নিয়ে এসে ঐ লোকদুটির সাহায্যে মজবুত একটা ভেলা তৈরি করলো।

    বিকেল ছটার সময়ে সেই ভেলায় করে আমরা নদী পেরোলাম। বলা নিষ্প্রয়োজন, ঘোড়াগুলিকেও এইভাবেই পার করে নেয়া হলো। তারপর আবার সামনের দিকে এগোনো শুরু হলো।

    রাত তখন আটটা কি সাড়ে-আটটা। রাত অবশ্য ঘড়ির কথায়, আসলে রাতের কোনো চিহ্নই নেই, দিনের আলো চারিদিকে ছড়িয়ে আছে। আইসল্যাণ্ডের মতো দেশে জুন ও জুলাই মাসে সূর্যাস্ত বলতে গেলে হয়ই না,–রাত বারোটার সময়েও দিনের মতোই দেখায়।

    শীতটা কিন্তু এর মধ্যেই একটু বেশিরকমই পড়ে গিয়েছিলো। খিদেও পেয়েছিল সাংঘাতিক রকম। এমন সময় কাছেই একটা চাষীর বাড়ি দেখতে পেয়ে মন উল্লাসে নেচে উঠলো। তা-ই তখন আমার কাছে রীতিমতো রাজ প্রাসাদ। গৃহস্বামী তো আদরে আপ্যায়নে আমাদের একেবারে উদ্বস্ত করে তুললো প্রায়। রাতটা সেখানে খুব ভালোই কাটলো।

    পরদিন ভোর পাঁচটার সময়ে সেই চাষী-পরিবারের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আমরা আবার বেরিয়ে পড়লাম। এখন থেকে পথ আরো খারাপ। দক্ষিণ দিকে অন্তহীন পাহাড়ের সারি ঠিক মেঘের মতো দেখাচ্ছিলো। পথ তো একেবারে নির্জন। কোনো জন-প্রাণীরই সাক্ষাৎ পাওয়া গেলো না পথে। সন্ধের সময় আরেকটা ছোটো নদী পেরিয়ে নির্জন প্রান্তরের একটি জনহীন পোড়ো বাড়িতে রাতটা কাটানো গেলো।

    পরদিনও নির্জন প্রান্তরের মধ্য দিয়ে এগোনো চলল। মরুভূমির মতো পরিত্যক্ত যেন পথঘাট। আমার কিন্তু মোটেই ভালো লাগছিলো না। রাত্রিবেলা ক্রলব, নামে একটা গ্রামে এসে পৌঁছলাম আমরা। কাকামণি হিশেব করে জানালেন যে প্রায় অর্ধেক পথ আমরা অতিক্রম করেছি।

    উনিশে জুন আমরা কঠিন লাভার এবড়ো-খেবড়ো পথ দিয়ে চললাম। মধ্যেমধ্যে দেখতে পেলাম উষ্ণ প্রস্রবণের বাষ্পধারা। কোথাও নুড়ি-পাথরে বোঝাই, কোথাও-বা পঙ্কিল জলাভূমি, আবার কোনোখানে ঝিলের জলে সূর্যের সোনা রোদ্দর। দূরে স্নেফেলের চুড়োগুলি শাদা মেঘের মতো দেখাচ্ছিলো।

    পর-পর কয়েকদিন একটানা ঘোড়ায় চড়ে যেতে-যেতে আমি ভীষণ ক্লান্ত হয়ে পড়লাম। কাকামণির কিন্তু এখনো উৎসাহের কমতি নেই। হাসের মুখ দেখে অব তার মনের অবস্থা কিছুই বুঝতে পারলাম না।

    বিশে জুন সন্ধ্যাবেলায় বুদির নামে একটা গ্রামে এসে হাজির হলাম। গ্রামটি একেবারে সমুদ্রের কোল ঘেসে। এখানেই হাসের বাড়ি। রাত্তিরে তার বাড়িতেই ওঠা গেলো। হাসের বুড়ো বাবা আমাদের সাদরে অভ্যর্থনা করলেন। আজ হাসের সাত দিনের মাইনে চুকিয়ে দিলেন কাকামণি।

    একুশে জুন ভোরবেলাতেই আবার তাড়াহুড়ো করে যাত্রা শুরু করা হলো। স্নেফেল আর বেশিদুর নয়। পৌঁছে গেছি বললেও চলে। সেফেলের পূর্বাভাস হিসেবে পথ এবার তাই গ্রানাইট পাথরে ছাওয়া। কয়েক ঘণ্টা পরই স্নেফেলের আকাশ-ছোঁয়া বিরাট শরীর চোখে পড়লো। পাহাড়ের পাকদণ্ডী বেয়ে চলা আরম্ভ হলো এবার। ঘণ্টার পর ঘণ্টা চলেছি-কিন্তু স্নেফেলের সঙ্গে ব্যবধান যেন আর কমতেই চায় না। কাকামণি তো একদৃষ্টে পাহাড়ের দিকে তাকিয়ে আছেন, আর মাঝে-মাঝে ডন কুইকজোটের মতো মুঠো উঁচিয়ে চেঁচিয়ে বলছেন : যে করেই হোক ঐ দৈত্যটাকে আমাদের জয় করতেই হবে।

    পুরো চার ঘণ্টা চলবার পর স্নেফেলের সানুদেশের গণ্ডগ্রাম স্ট্যাপিতে পৌঁছননা গেলো। ছোটো গ্রাম। মোটে ত্রিশটি ঘর। ঘরগুলো আবার বাড়া দিয়ে তৈরি। গ্রামের সর্বত্রই হলুদ রঙের ব্যাসাল্ট পাথর তূপাকারে ছড়ানো।

    স্ট্যাপিতে পৌঁছে আমার কেমন যেন ভয় করতে লাগলো। এবার সত্যিসত্যিই সেফেলের মধ্য দিয়ে নামতে হবে পাতালের দিকে? একবার পাতালে নামলে যে আর ফিরে আসা সম্ভব হবে না, সে-সম্বন্ধে আমি একরকম নিশ্চিতই ছিলাম। সেইজন্যেই মন কেমন করতে লাগলো শুধু।

    হান্‌স্‌কে আমাদের আসল উদ্দেশ্যটা খুলে বললাম। আশ্চর্য! ওর কি একটুও ভয়-ডর নেই? তবে কি হাস্ও কাকামণির মতো পাগল হয়ে গেছে? একটুও ভীত বা অবাক না হয়ে সে শেষ পর্যন্ত আমাদের সঙ্গে থাকতে রাজি হলো। বুঝতে পারলাম, রেহাই নেই এবারে। হ্যামবুর্গে জোর করে বোঝালে কাকামণি হয়তো না-ও আসতে পারতেন, কিন্তু স্নেফেলের নিচে দাঁড়িয়ে ওঁকে এ-কাজ থেকে নিবৃত্ত করা অসম্ভব। পাহাড়ে তো অনেকেই ওঠে। অগ্নিগিরির ক্রেটারও পরীক্ষা করে দেখে অনেকে। কিন্তু ঐ ক্রেটারের মধ্য দিয়ে একেবারে পৃথিবীর অভ্যন্তরে নেমে পড়া?—ভাবলেও শিউরে ওঠে শরীর।

    একটা প্রশ্ন বারবার আমার মনের মধ্যে উকি মারছিলনা। সামউজমের কথা কি সত্যি? সত্যিই কি ক্রেটারের মধ্য দিয়ে একদম পৃথিবীর মধ্যখানে গিয়ে পৌঁছনো যাবে? ধরা গেলো যাওয়া যায়। কিন্তু সেই অন্ধকার পাতালের গোলকধাঁধায় পথ হারিয়ে ফেলাটা তো বিচিত্র নয়। তারপর, হয়তো ভিতরে নেমেছি, এমন সময়ে সাতশো বছরের ঘুম ভেঙে জাগলে আগ্নেয়গিরি, তখন? তখন কী হবে?

    তেইশে জুন তারিখে হান্‌স্‌ দুজন লোক ঠিক করলো। লোকদুটি আমাদের মালপত্র নিয়ে পাহাড়ের উপর পর্যন্ত যাবে। কাঁধে বন্দুক নিয়ে, সঙ্গে পাহাড়ে ওঠার লোহা-বধানো লাঠি নিয়ে আমরা তৈরি হয়ে নিলাম। হান্‌স্‌ বুদ্ধিমানের মতো এক বোতল জল নিলো সঙ্গে। এই জলে আট দিন চলে যাবে আমাদের। সকাল নটার সময় স্ট্যাপির লোকজনদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে আমরা স্নেফেলে উঠতে শুরু করলাম।

    স্নেফেলের উচ্চতা পাঁচ হাজার ফুট। প্রকাণ্ড দুটি চুড়ো তার। রিজকিয়াভিক থেকেও এই চুড়োদুটি মেঘের মতো দেখা গিয়েছিলো। এখন কাছ থেকে দেখে মনে হলো, বরফ-মোড় চুড়দুটি আকাশের নীল রঙ ছুঁয়েছে।

    নীরবে আমাদের আরোহণের পালা চললো। পথ এত সরু যে একসঙ্গে একজনের বেশি ওঠা যায় না। হান্‌স্ যাচ্ছিলো আগে-আগে পথ দেখিয়ে। পেছনে আমরা। চারপাশে ইতস্তত ছড়িয়ে আছে খনির আকর। জিওলজিক্যাল ইনষ্টিটিউটের মতে বরফের মধ্যে পাথর ও খনিজ আর নেই। ভূতাত্ত্বিকদের মতে, আইসল্যাণ্ড আগে ছিলো সমুদ্রের তলায়, ভূমিকম্পের দরুন জলের অতল থেকে মাথা তুলেছে শূন্থে। তাই বলে অন্যান্য দেশের মতো পলিমাটির চাদর এখানে নেই, ভূ-ত্বক লাভায় ঢাকা। এখনো যে আইসল্যাণ্ডের মাটির নিচে ভীষণ রকম আগ্নেয় আলোড়ন চলেছে, আশপাশের পর্বতের ফাটল দিয়ে উষ্ণ বাষ্প বেরোতে দেখে তা সহজেই বোঝা যায়।

    আমাদের পথ বড়ো-বড় পাথরে সাজানো। থাকগুলো লাভায় মোড়া। পথ ক্রমশই বিপদসঙ্কুল হয়ে উঠলো। একেবারে খাড়াই। খুব সাবধানে লাঠি ঠুকে-ঠুকে পা টিপে-টিপে উপরে উঠতে লাগলাম। খুব কষ্ট হচ্ছিলো উঠতে। হাস, কিন্তু দ্রুতপায়ে বেশ সাবলীল গতিতেই চলেছে। আমরা সবাই পিছিয়ে পড়ি বলে একটু দূর গিয়েই ওকে আমাদের জন্যে থামতে হচ্ছিলো। তখনো সত্যিকার পাহাড়ে চড়ার পালা শুরু হয়নি। সেটা শুরু হলো আরও ঘণ্টাতিনেক পরে। ভাগ্যিস হাসের কথামতো মধ্যে একটু জিরিয়ে প্রাতরাশ করে নিয়েছিলাম, নইলে আর এক পা-ও এগোতে পারতাম না।

    খাড়াই বেয়ে-বেয়ে যতোই আমরা উঠতে লাগলাম, পথও যেন ততই বেড়ে চললো। ফুরোতেই চায় না কোনোমতে। মাটির চিহ্নমাত্র নেই কোনোখানে। শুধু পাথর আর পাথর। পায়ের ধাক্কায় কতো ছোটোখাটো পাথর যে নিচে গড়িয়ে পড়লো তার কোনো ইয়ত্তা নেই। এক-এক জায়গায় পথ এতে খাড়াই যে হান্‌স্ কোনোরকমে আমাদের লাঠির সাহায্যে টেনে তুললো। কাকামণিও আমাকে অনেকবার হাত ধরে টেনে তুললেন।

    ভাগ্যিস অনেকক্ষণ ওঠার পরে আবার লাভার তৈরি পাথরের সিঁড়ির মতে সারি সারি থাকের নাগাল পাওয়া গিয়েছিল, নইলে আমার দ্বারা আর ওঠা হতো না।

    সন্ধে সাতটার সময়ে হাজার-দুই সিঁড়ি পেরিয়ে একটি প্রশস্ত চত্বরের মতো জায়গায় এসে পৌঁছলাম। তাকিয়ে দেখি, দূরে-বহু দূরে, চার হাজার ফুট নিচে সমুদ্রের ঘন নীল রঙ। এইখানে অল্প একটু জিরিয়ে নিয়ে আবার আমরা উঠতে লাগলাম।

    রাত বারোটার সময়ে চুড়ায় এসে পৌঁছলাম আমরা। মধ্যরাত্রির সূর্যালোকে চারিদিক তখন আলোয় আলোকিত।

    খিদেয় ঠাণ্ডায় তখন প্রাণ যেন প্রায় গলার কাছে এসে পৌঁছেছিলো। তবুও মুগ্ধ বিস্ময়ে দেখলাম মধ্যরাত্রির অপরূপ আলো। চারদিকে বরফের শাদা, মাথার উপরে পরিচ্ছন্ন আকাশের নীল রঙ, দূরে মধ্যরাত্রির সূর্যের উজ্জ্বল সোনালি।

    আর সারা পৃথিবী তখন ঘুমের অথই তলায় অচেতন হয়ে পড়ে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article হোয়াট ইজ আর্ট – লিও টলস্টয়

    Related Articles

    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }