Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প759 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৫. ইগোর উপসাগরে

    প্রথম বাজিটার কিস্তি তো মাৎ হ’লো, কাজ কিন্তু তখনও ফুরোয়নি। মউল যদিও পেঙ্গুয়িন টিলার কাছের খাড়িটায় নোঙর ফেলেছিলো, কিন্তু খোলা সমুদ্রের ক্ষিপ্ত ঢেউয়ের হাত থেকে পুরোপুরি রেহাই পায়নি। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঝড় বইলে মউলের আর বাঁচোয়া নেই। কন্‌গ্রে তা জানতো। সে মৎলব ক’রে রেখেছিলো পরদিন ভাটার টান শুরু হ’লেই সে ঐ খাড়ি ছেড়ে চ’লে যাবে। কিন্তু তার আগে খুঁটিয়ে দেখে নিতে হবে মেরামত করবার কিছু আছে কি না। সাগরপাড়ি দেবার আগে এটা তো জানা চাই যে সেই ধকল সইবার মতো অবস্থায় আছে কি না জাহাজটা।

    কন্‌গ্রে আর সের্‌সান্তে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে সবকিছু পরীক্ষা ক’রে দেখলে। তাদের সাহায্য করলে ভার্গাস নামে একজন চিলেনো। ভালপারাইসোর জাহাজ তৈরির কারখানায় আগে সে ছুতোরের কাজ করতো ব’লে জাহাজের কাঠামো সম্বন্ধে তার প্রগাঢ় অভিজ্ঞতা। তাছাড়া, মউল তো ছিলো ভালপারাইসোরই জাহাজ, না কী!

    জাহাজটা মোটামুটি অটুটই আছে। তবে সামান্য যা টুকিটাকি ত্রুটি ছিলো, তার পরিমাণও কম কিছু নয়। ঐ ছোটোখাটো মেরামতিতেই দিন সাতেক কেটে যাবে বলে মনে হ’লো ভার্গাসের—অর্থাৎ কাল এখান থেকে মউলকে নড়ানো মোটেই ঠিক হবে না। এ-কথা শুনে কন্‌গ্রে রেগে গিয়ে বিচ্ছিরি একটা খিস্তি করলে ভাগ্যকে, তার সাঙ্গোপাঙ্গরাও ব্রেশ হতাশ হ’য়ে পড়লো, এত চেষ্টা ক’রে স্কুনারটিকে পেঙ্গুয়িন টিলার কাছে আনা হলো, আর এখন সেটাকে ঠিকমতো কাজে লাগানো যাবে না! মজাটা এই যে যদ্দিন তারা মউলকে দ্যাখেনি তদ্দিন তাদের কোনো হতাশা ছিলো না, বরং মনের মধ্যে এই আশাটাই ছিলো যে শিগগিরই একদিন কোনো-একটা জাহাজ তারা দখল ক’রে নিতে পারবে। এখন প্রায় কোনো চেষ্টা বিনাই একটা স্কুনার যেই তারা পেয়ে গেছে, এখন আর তাদের একটুও তর সইছে না।

    কন্‌গ্রে তার স্যাঙাৎদের মন-খারাপ আলোচনায় বাধা দিয়ে বললে, ‘এ-সব ছোটোখাটো দোষত্রুটি সারিয়ে নেয়া যে উচিত, তা মানি। মউলের এখন যা দশা, তাতে তার উপর কোনো আস্থা রাখা যায় না। সম্ভবত সেইজন্যেই তার মাঝিমাল্লারা এটাকে এভাবে ফেলে রেখেই নৌকায় করে পালিয়ে গিয়েছে, যদি-র কথা কে বলতে পারে? তেমন মারাত্মক কোনো ঝড়তুফান হলেই জাহাজটি টুকরো-টুকরো হ’য়ে যেতে পারে। প্যাসিফিক আইল্যাণ্ডস এখান থেকে কয়েকশো মাইল দূরে। জাহাজটাকে যদি সারাই না-ক’রে নিয়ে সাগর-পাড়ি দিতে যাই তাহ’লে পথে ডুবে মরারই সম্ভাবনা। তবে, এ-সব দোষ ত্রুটি সারানো যাবে—আমরা এ-সব মেরামত করে নেবোই।

    ভার্গাস বললে, ‘কিন্তু মেরামত করবো কোথায়? এখানে ফাঁকা জায়গায়, খাড়ির মধ্যে? যে-কোনো সময়ে এখানে ঝড় উঠতে পারে। একবার ঝড়ের পাল্লায় পড়লে এর আর বাঁচোয়া নেই। ‘

    আরেকটি চিলের লোকও সে-কথায় সায় দিলে : ‘কোনোমতেই এখানে মেরামতের কাজ চালানো যাবে না। অন্য-কোনো জায়গা বেছে নিতে হবে।’

    কন্‌গ্রে দৃঢ় স্বরে জানালে ‘বেশ, আমরা এখান থেকে মউলকে ইগোর উপসাগরে নিয়ে যাবো।’

    কন্‌গ্রে যা খুলে বললে, তাতে তার পরিকল্পনামতো জায়গাটিতে মউলকে নিয়ে যেতে আটচল্লিশ ঘণ্টা তো লাগবেই। লাগে লাগুক। কন্‌গ্রের পরিকল্পনা অন্তত তাদের মনে আস্থা ফিরিয়ে দিয়েছে। পরদিন জোয়ারের সময়ে যাতে নির্দিষ্ট জায়গাটিতে চ’লে-যাওয়া যায় তারই প্রস্তুতি শুরু হয়ে গেলো।

    আলোকরক্ষীদের উপস্থিতিটাকে তারা আমলই দিলে না—সে নিয়ে তারা মাথা ঘামাতে রাজি নয়। কন্‌গ্রে অল্প কথায় তার পরিকল্পনাটা অন্য বোম্বেটেদের বুঝিয়ে বললে, ‘স্কুনারটি প্রস্তুত হবার সঙ্গে-সঙ্গে, যাত্রা শুরু করার আগে, আমি আবার ইগোর উপসাগরের ভার নেবো ব’লে ঠিক করেছি।’

    তারপর সে সের্সান্তেকে যখন একান্তে পেলে, তখন প্ল্যানটা সে খুলে বললে, ‘আমি কিন্তু আমার মত পালটাইনি, শুধু একটু সংশোধন করেছি মাত্র। দ্বীপের ভেতরে গা ঢাকা দিয়ে না-থেকে, সরাসরি সমুদ্রপথ দিয়েই, ঘুরে গিয়ে আমরা উঠবো সেখানে, স্কুনারটি খুব সহজ স্বাভাবিক ভঙ্গি ক’রেই নোঙর ফেলবে। কেউ কোনো সন্দেহ করতে পারবে না যে আমরা ভালপারাইসো থেকে আসিনি, বরং সাগরপাড়ি দেবার সময় বিপদে প’ড়ে একটা জাহাজ অল্পক্ষণের জন্যে দ্বীপে আশ্রয় নিতে এসেছে ভেবে আমাদের স্বাগতই করা হবে। আর তারপর…..’

    কন্‌গ্রের না-বলা কথাটা বুঝে নিতে কোনোই অসুবিধে হ’লো না সের্‌সান্তের—সে তাকে এত ভালো ক’রে চেনে যে যেন তার মনের কথাও পড়তে পারে।

    এই জ্যান্ত শয়তান দুটি যে-ষড়যন্ত্র করেছে, তার সাফল্য সম্বন্ধে তাদের মনে কোনো সন্দেহই ছিলো না। বরং সম্ভাবনাটা এ-কথাই বলে যে তারা অনায়াসেই তাদের কাজ হাসিল করে নিতে পারবে।

    যাত্রার প্রস্তুতিতেই সারাটা বিকেল কেটে গেলো। প্রথমে জাহাজে তোলা হ’লো প্রয়োজনীয় রসদ। তার পরেও হাতে অঢেল সময় আছে দেখে এখানকার গুহায় নিয়ে-আসা যাবতীয় জিনিশ জাহাজটিতে নিয়ে গিয়ে বোঝাই করা হ’লো। তাড়াহুড়ো ক’রেই মাল তোলার কাজটা তারা সারলে। বিকেল চারটে নাগাদ মালবোঝাই জাহাজটি নোঙর তোলবার জন্যে প্রস্তুত হ’য়ে রইলো।

    তক্ষুনি যাত্রা করা যে চলতো না, তা নয়। কিন্তু রাতের বেলায় সমুদ্রের এদিকটায় জাহাজ চালাবার মতো মাথাব্যথা ছিলো না কন্‌গ্রের। হিশেব-টিশেব ক’রে সে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছুলো যে তাদের গন্তব্যস্থলে গিয়ে পৌঁছুতে তিরিশ ঘণ্টার বেশি লাগবে না।

    আস্তে-আস্তে সন্ধে ক’রে এলো। আবহাওয়া মোটামুটি শান্তই। সূর্য ডুবে গেলো বটে, কিন্তু কুয়াশা না-পড়ায় আকাশ ও সমুদ্রের দিকে তাকাতে কোনোই অসুবিধে হচ্ছিলো না। দিগন্তে যেখানে আকাশের গায়ে মিশেছে সমুদ্র, সূর্যাস্তর শেষ স্বর্ণরশ্মি সেখানে এক অপূর্ব মায়াজাল রচনা করেছিলো; রাত্রিটা মনে হ’লো শান্তই কাটবে। বেশির ভাগ লোকই জাহাজের ডেকে রাত কাটালে, কেউ-কেউ বার্থে। কন্‌গ্রে কাপ্তেনের চেয়ার দখল ক’রে বসলো, আর সের্‌সান্তে লেফটেনান্ট। রাতে অবিশ্যি কন্‌গ্রে বারকয়েক ডেকে এসে হাওয়ার গতি খেয়াল ক’রে দেখলে। না, সবকিছু ঠিকই আছে। ঝড়-তুফানের কোনো ভয় নেই।

    সূর্যোদয়টাও হ’লো অপূর্ব জোতির্ময়। বছরে খুব কম দিনই এ-রকম সূর্যোদয় হয়। আকাশ যেন টলটলে নীল, স্বচ্ছ আর নির্মল, যেন তাতে নিস্তরঙ্গ সমুদ্রের ছায়া পড়েছে।

    একটা নৌকোয় ক’রে কন্‌গ্রে তীরে এলো। উদ্দেশ্য, একটা টিলার ওপর উঠে সমুদ্রের ওপর চোখ বোলাবে। প্রভাতী সূর্যের সোনালি আলোয় সুনীল নির্মল প্রশান্ত সমুদ্র ঝিকিয়ে উঠেছে। দক্ষিণ দিকের সমুদ্র এমনিতে শান্তই, তবে প্রণালীতে ঢোকবার মুখটায় জল খানিকটা উদ্দাম, কারণ ততক্ষণে ভোরের টাটকা হাওয়া দ্রুত বেগে বইতে শুরু করেছে। সমুদ্রের কোথাও কোনো জলপোতের চিহ্ন দেখা যাচ্ছে না। বোঝা যাচ্ছে যে মউলের এই স্বল্পকালীন যাত্রায় অন্য-কোনো জাহাজের সঙ্গে দেখা হবার কোনোই সম্ভাবনা নেই।

    সবকিছু সরেজমিন তদন্ত ক’রে কন্‌গ্রে ঠিক করলে দ্বীপের পশ্চিম উপকূল দিয়েই কেপ ওয়েবস্টার, সেভারেল পয়েন্ট প্রভৃতি অন্তরীপ ঘুরে তাদের গন্তব্যস্থলে যাবে। তারপর সে টিলা থেকে নেমে পরিত্যক্ত গুহার ভেতর ঢুকে তীক্ষ্ণ চোখে দেখতে লাগলো, কোনোকিছু তাদের নজর এড়িয়ে গেছে কিনা।

    তখন বেলা সাতটার একটু বেশি। ভাটার টান শুরু হয়ে গেছে। মউল নোঙর তুললো। তারপর উত্তর-পুব থেকে আসা অনুকূল হাওয়ায় ভর করে এগুবার চেষ্টা করতে লাগলো। দশ মিনিটের মধ্যেই খাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়ে বারদরিয়ায় পড়লো মউল, আর তরতর করে এগিয়ে চললো।

    আধ ঘণ্টার মধ্যেই সেন্ট বার্থোলোমিউর পাহাড় ঘুরে অনুকূল হাওয়ায় গা এলিয়ে পুবদিকে চলতে লাগলো মউল।

    এদিকে কंগ্রে আর সের্‌সান্তে তো মউলের হালচাল দেখে খুব খুশি, কন্‌গ্রে ইচ্ছে করলে সন্ধের আগেই হয়তো অনায়াসে ইগোর উপসাগরের প্রবেশ মুখে গিয়ে পৌঁছুতে পারতো। কিন্তু তার উদ্দেশ্য ছিলো উপকূলের কোথাও থেমে গিয়ে পরদিনের সূর্যোদয় অব্দি অপেক্ষা করা। কাজেই তেমন তাড়া নেই ব’লে ঘণ্টায় মাত্র পাঁচ-ছ মাইল বেগেই সে জাহাজ চালাবার ব্যবস্থা করলে।

    সারাদিনের মধ্যে কোনো জাহাজই তারা দেখতে পেলো না সমুদ্রে, সন্ধের সময় তারা এসে পৌঁছুলো ওয়েবস্টার অন্তরীপের পুবদিকে, অর্থাৎ দিব্যি চমৎকার ভাবেই তাদের যাত্রার প্রথমার্ধ সমাপ্ত হ’লো। স্কুনারটি তীর থেকে খানিকটা দূরে নোঙর ফেললো।

    আবহাওয়া আগের দিনের মতোই শান্ত ছিলো ব’লে জলদস্যুদের মলব সিদ্ধ হবার পুরো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। রাত দশটার সময় হাওয়ার বেগ থেমে গেলো, তারপর ফের ভোর যখন ফুটি-ফুটি তখন আরেকটা নতুন দিনের বার্তা বহন ক’রে আনলে টাটকা জোরালো হাওয়া। সূর্যের প্রথম আলো ফোটবার সঙ্গে-সঙ্গেই নোঙর তোলবার ব্যবস্থা করলে কন্‌গ্রে। মউল ফের ভেসে চললো তার নতুন লক্ষ্যের দিকে। কন্‌গ্রে কিন্তু মউলকে পুরোদমে চালায়নি, তীরের মাইল খানেক দূর দিয়ে অর্ধগতিতেই চলেছে মউল। এদিককার উপকূল কী-রকম তারা কেউই তা জানতো না বলেই অজানা তীরের গা ঘেঁষে চলবার সাহস করেনি কনগ্ৰো।

    বেলা দশটার সময় তারা গিয়ে ব্লসম উপসাগরের মুখে পড়লো। এবারে জলের তোড়ের কাছে আত্মসমর্পণ ক’রে দেয়া ছাড়া তাদের কোনো গত্যন্তর ছিলো না। এখানে সমুদ্র যেন ফুঁসছে, তারই মধ্যে দিয়ে খুব সাবধানে স্কুনারটিকে চালাতে লাগলো তারা। বিকেল চারটের সময়ে দিগ্‌দশিকায় মাপজোক ক’রে কন্‌গ্রে আবিষ্কার করলে যে অনুকূল হাওয়া পাবে ব’লে তারা গন্তব্যস্থল থেকে বেশ খানিকটা দূরেই এসে পড়েছে। তখন সে জাহাজের মুখ ঘুরিয়ে সরাসরি ইগোর উপসাগরের দিকে জাহাজ চালাবার হুকুম দিলে। পয়েন্ট সেভারে তখন জাহাজ থেকে মাইল চারেক উত্তর-পশ্চিমে। দূরে তখন দেখা যাচ্ছে, ছায়ার মতো, সান্ হুয়ান অন্তরীপের উপকূল।

    এখান থেকে পৃথিবীর একেবারে শেষ সীমানার আলোকস্তম্ভটির চূড়ায় চোখ পড়লো কন্‌গ্রের। কাপ্তেনের কামরায় যে-টেলিস্কোপটি ছিলো তাতে চোখ লাগিয়ে সে বাতিঘরের দিকে তাকালে। একজন আলোকরক্ষীকে দেখতে পেলে সে, আলোকরক্ষীটি লণ্ঠন-ঘরে ব’সে সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে আছে।

    তখনও সূর্যাস্ত হ’তে তিন ঘণ্টা বাকি। কন্‌গ্রে ঠিক করলে রাত ঘনিয়ে আসার আগেই সে তার গন্তব্যস্থলে পৌঁছুবার চেষ্টা করবে।

    আলোকরক্ষীরাও যে মউলকে দেখতে পেয়েছিলো, সেটা বলাই বাহুল্য। প্রথমে যখন বাস্‌কেথরা তিনজনে স্কুনারটিকে দেখতে পেলে, ভাবলে যে সেটা সম্ভবত ফকল্যাণ্ড আইল্যাণ্ড যাচ্ছে। কিন্তু একটু বাদেই স্পষ্ট বোঝা গেলো, স্টটেন আইল্যাণ্ডই তার লক্ষ্য।

    অবশ্য, মউলকে আলোকরক্ষীরা দেখতে পেয়েছে কি পায়নি এ নিয়ে কন্‌গ্রে কোনোই মাথা ঘামায়নি। তার মাথায় যে-ফন্দি খেলে গিয়েছে তাতে তারা দেখতে পেলো কি পেলো না, এতে কন্‌গ্রের ব’য়েই গেলো। সে বরং যাত্রার শেষ পর্বের নমুনা দেখে সন্তোষই লাভ করছিলো। তবে এবার যাত্রা বিঘ্নসংকুল। যে-কোনো সময়ে এদিক-ওদিক ছড়ানো ডুবো পাহাড়ের চুড়োয় ঘা লেগে মউল ভেঙে টুকরো-টুকরো হ’য়ে যেতে পারে।

    এবং হ’লোও তাই। লক্ষ্যে পৌঁছুবার একটু আগে তার এক স্যাঙাৎ চেঁচিয়ে জানালে যে জাহাজে একটা ছ্যাঁদা হয়েছে আর সেখান দিয়ে খোলের মধ্যে জল ঢুকছে। তবে ফুটোটা নেহাৎই ছোটো ব’লে বাঁচোয়া। ভার্গাস কোনোমতে তাড়াহুড়ো করে সে-জায়গাটা মেরামত করে দিলে। পরে অবশ্য আরো ভালো ক’রে সারিয়ে নিতে হবে, তবে আপাতত এতেই কোনোরকমে কাজ চ’লে যাবে।

    সন্ধে ছ-টার সময় মউল আস্তে-আস্তে এসে ইগোর উপসাগরে ঢোকবার মুখটায় পৌঁছুলো। আর সাড়ে-ছটার সময় বাতিঘরের উজ্জ্বল আলোয় সমুদ্র আলো হ’য়ে উঠলো। সামনে যে অন্ধকার ঘনাচ্ছিলো, বাতিঘরের আলোয় তা দূর হ’য়ে গেলো। সবেমাত্র তৈরি হয়েছে এই বাতিঘর আর সরাসরি তার দিকে ছুটে আসছে চিলের একটি স্কুনার, বাতিঘরের জীবনের প্রথম জাহাজ-যার মালিক—বাস্‌কেথরা জানে না—এখন একদল বেপরোয়া জলদস্যু। ক্রমশ তীরের দিকে এগিয়ে আসছিলো মউল।

    কন্‌গ্রের ঠিক পেছনেই ডেকে দাঁড়িয়েছিলো সের্‌সান্তে। সে বললে, ‘পরিকল্পনার প্রথম পর্ব তাহ’লে ভালোভাবেই শেষ হলো!’

    কন্‌গ্রে বাঁকা ভাবে বিচ্ছিরি হেসে বললে, ‘বাকি পর্বগুলো আরো ভালোভাবে শেষ হবে। এ নিয়ে তুমি অযথা কোনো চিন্তা কোরো না।

    মিনিট কুড়ি বাদে তীরের কাছাকাছি পৌঁছে নোঙর ফেলবার উদ্‌যোগ করতে লাগলো মউল।

    আর তক্ষুনি তীরের বালিয়াড়িতে দাঁড়িয়ে-থাকা দুটি লোক অভিনন্দন জানালে মউলকে।…হ্যাঁ, ফিলিপ আর মরিস। মউলের কাছে যাবার জন্যে দড়ি-দিয়ে-বাঁধা নৌকাটা খুলে তারা জলে ভাসালে। বাস্‌কেথ তখন লণ্ঠনঘরে তার কাজে ব্যস্ত।

    ঠিক যখন ঘড়-ঘড় আওয়াজ করে মউলের নোঙর পড়ছে, তখনই ফিলিপ আর মরিস লাফ দিয়ে মউলের ডেকে উঠে পড়লো। কন্‌গ্রে একটা ইশারা করলে। অমনি চকচকে ধারালো একটা কুড়ুল নেমে এলো মরিসের ঘাড়ে। কোনো আর্তনাদ করবারও অবসর পেলে না সে, তৎক্ষণাৎ সে ডেকের ওপর ছিটকে প’ড়ে গেলো। আর পরক্ষণেই একসঙ্গে দুটো রিভলভার গর্জে উঠলো, আর ফিলিপও বন্ধুর পাশে লুটিয়ে পড়লো। মরতে তাদের এক লহমারও বেশি লাগলো না।

    বাস্‌কেথ তখন লণ্ঠনঘরের জানলার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলো। আচমকা বিনামেঘে বজ্রপাতের মতো রিভলভারের শব্দ কানে পৌঁছুলো ‘তার- সহকর্মীদের এমন নৃশংস হত্যা দেখে সে একেবারে স্তম্ভিত হয়ে গেলো। কারা আছে এই জাহাজে? মিথ্যেমিথ্যি, অকারণে, কোনো কথা না-ব’লেই তারা ফিলিপ আর মরিসকে মারলো কেন? উত্তর খোঁজার মতো সময় তার নেই। এই অজ্ঞাতপরিচয় খুনেগুলো যদি তার সন্ধান পায়, তবে তার কপালেও অমনি অতর্কিত মৃত্যু আছে। খুনেগুলো কারা, তা সে জানে না, তবে তাদের অভিধানে দয়া ব’লে যে কোনো শব্দ নেই তা তো বোঝাই যাচ্ছে। হতভাগ্য ফিলিপ আর মরিস! তাদের বাঁচাবার জন্যে সে কিছুই করতে পারেনি। কী করবে, স্থির করতে না-পেরে বাস্‌কেথ হতবুদ্ধির মতো দাঁড়িয়ে রইলো। চিলের ভালপারাইসো বন্দর থেকে আসা কোনো জাহাজের লোক কেন এভাবে আলোকরক্ষীদের খুন করবে, সেটা কিছুতেই তার মাথায় ঢুকছিলো না।

    কতক্ষণ সে ও-রকম হতভম্বের মতো ফ্যালফ্যাল ক’রে তাকিয়েছিলো জানে না, তবে সংবিৎ ফিতে পেতেই সে মনে-মনে তার কর্তব্য ঠিক ক’রে ফেললে। তার প্রথম এবং আশু কর্তব্য : যে-ক’রেই হোক এই খুনে শয়তানগুলোর হাত থেকে আত্মরক্ষা করা। হয়তো তাদের জানা নেই যে দ্বীপে তৃতীয় একজন আলোকরক্ষীও আছে। তবে সেটা তো ‘হয়তো’র কথা। আর না-যদি জেনেও থাকে, জানতে কতক্ষণ? জাহাজটি তীরে ভেড়াবার সঙ্গে-সঙ্গেই তারা বাতিঘরে ছুটে আসবে, বাতিঘরের আলোও নিশ্চয়ই নিভিয়ে দেবে, অন্ধকারের অভিশাপে ডুবিয়ে দেবে সমুদ্র। ফিলিপ আর মরিসকে তারা নিশ্চয়ই আগেকার কোনো শত্রুতার জন্যে মারেনি—মেরেছে নিশ্চয়ই তারা যে বাতিঘরের আলোকরক্ষী, সেই জন্যেই। তাদের আসল শত্রুতা নিশ্চয়ই এই আলোর সঙ্গে।

    এটা ভাবতে তার প্রায় কোনো সময়ই লাগেনি। এক মুহূর্তও ইতস্তত না-ক’রে সে লণ্ঠনঘর থেকে নিচে নেমে এলো। নষ্ট করবার মতো একফোঁটাও সময় নেই তার হাতে। স্কুনারটি থেকে তখন জলে নৌকো ভাসাবার তোড়জোড় চলছে। অর্থাৎ, তার মৃত্যুদূতেরা এগিয়ে আসছে সুনিশ্চিত বাস্‌কেথ তাড়াতাড়ি গোটা কয়েক রিভলভার কোমরের বেল্টে গুঁজে একটা ব্যাগের মধ্যে প্রচুর গুলি-বারুদ, কিছু খাবার আর অন্য দু-একটা জরুরি জিনিশ ভ’রে হুড়মুড় করে বাতিঘরের লাগোয়া ঢালু জমিটায় নেমে পড়লো। যে ক’রেই হোক, অন্ধকারের মধ্যে তাকে গা ঢাকা দিতে হবে, এক্ষুনি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }