Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প759 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৮. মক্কেলের নাম বাস্‌কেথ

    স্কুনারটি স্টটেন আইল্যাণ্ডে ভেড়বার পর থেকেই বাস্‌কেথ সান হুয়ান অন্তরীপের তীরে বাস করেছে। এখান থেকে সে ইচ্ছে করলেই দ্বীপের গহনে যেতে পারতো, কিন্তু যায়নি। মনে উঁকিঝুঁকি ছিলো ক্ষীণ আশার : কাছ দিয়ে যদি কোনো জাহাজ যায়, তবে সে সংকেত ক’রে সেটাকে থামতে বলবে তারপর জাহাজে উঠে কাপ্তেনকে খুলে বলবে কী ভয়ানক ব্যাপার দ্বীপে ঘ’টে গিয়েছে, তারপর বদমায়েশগুলোকে এক হাত দেখে নেয়া যাবে।

    তবে আদৌ কোনো জাহাজ সেখান দিয়ে যাবে কি না, তার তো কোনোই ঠিক ঠিকানা নেই। নেহাৎ ঝড়ের পাল্লায় না-পড়লে কোনো জাহাজ যে এদিকটায় আসবে, বা কেথের কখনোই সে-ভরসা ছিলো না। তবু…

    এই ‘তবু’র জন্যেই সে এখানে থেকে গিয়েছিলো। নিজের নিরাপত্তার জন্যে সে মোটেই মাথা ঘামায়নি। তার মনে শুধু তীব্র-একটা প্রতিশোধস্পৃহাই ছিলো তখন—কী ক’রে এই বোম্বেটেগুলোকে শায়েস্তা করা যায়। বোম্বেটেদের গুহা থেকে ইচ্ছে মতো রসদ নিয়ে এসে নিজের সম্পর্কে একরকম নিশ্চিন্তই ছিলো সে। এটা সে জানতো যে স্কুনারটি সারিয়ে সাগরপাড়ির উপযুক্ত ক’রে তুলতে কয়েক সপ্তাহ কেটে যাবে। তবে সান্তা- ফের ফিরে আসা অব্দি স্কুনারটি দ্বীপে থাকবে কিনা সেটা অবশ্য সে বুঝে-উঠতে পারেনি।

    সান্তা ফের এখানে আসতে আরো দুটো গোটা মাস বাকি। ততদিনে বোম্বেটেরা নিশ্চয়ই প্যাসিফিক আইল্যাণ্ডসের উদ্দেশে রওনা হ’য়ে যাবে। কিন্তু অপেক্ষা করা ছাড়া আর কীই-বা সে করতে পারে, একা? এখন সবচেয়ে বড়ো প্রয়োজন, আরেকটা আশ্রয় খুঁজে বার করা। এই গুহাটা জলদস্যুদের গুহার খুবই কাছে। সুতরাং দূরে-কোথাও একটা নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে বার করা খুবই জরুরি।

    পাঁচশো গজ দূরে, প্রণালীর কাছেই, আরেকটি গুহা দেখতে পেয়েছিলো বাস্‌কেথ। দুটি বড়ো-বড়ো পাথরের আড়ালে ঢাকা ছিলো তার মুখ। বাস্‌কেথ খুব ভালো ক’রে খেয়াল ক’রে দেখতে পেলে, বাইরে থেকে চট ক’রে এর মুখ খুঁজে বার-করা খুব-একটা সহজ হবে না। কেউ যদি না-জানে যে গুহাটা এখানে আছে, তবে হাজার বার এর পাশ দিয়ে আসা-যাওয়া করলেও নেহাৎই দৈবের অনুগ্রহ ছাড়া গুহার মুখটা আবিষ্কার করা কারু পক্ষেই সম্ভব নয়। দিন কতক তন্নতন্ন ক’রে খোঁজবার পর দৈবাৎ যখন সে গুহাটি আবিষ্কার করলে, তক্ষুনি সে তার জিনিশপত্র নিয়ে সেখানে চ’লে গেলো।

    কন্‌গ্রে বা তার সাঙ্গোপাঙ্গরা ক্বচিৎই এদিকটায় এসেছে। দ্বিতীয়বার গুহায় এসে কন্‌গ্রে আর সের্‌সান্তে মাত্র একবার এদিকটায় এসেছিলো, কিন্তু সে-ই প্রথম আর সে-ই শেষ। এর পর আর-কখনোই তারা এদিকটায় আসেনি।

    সন্ধের দিকে খুব সতর্ক হ’য়ে বোম্বেটেদের হালচাল জানবার জন্যে বেরুতো বাস্‌কেথ। এই নিঃসঙ্গ জীবনের দীর্ঘ মুহূর্তগুলো ঠিক যেন এককটা দিন। তার মগজটা সারাক্ষণ কুরে কুরে খায় এক তীব্র অস্বস্তি। বার-বার তার চোখের সামনে ভেসে ওঠে সেই নৃশংস হত্যার দৃশ্য। উঃফ্, তার যেন আর মুক্তি নেই এই দৃশ্যটার কাছ থেকে। সারাক্ষণ তার চোখে হানা দেয় দৃশ্যটা, আর সারাক্ষণই প্রতিশোধের এক তীব্র বাসনা তাকে যেন তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়। হঠাৎ-হঠাৎ মনে হয় একবার মুখোমুখি গিয়ে সে জলদস্যুদের সর্দারের সঙ্গে একটা বোঝাপড়া ক’রে নেয়। সে ভাবে, অপরাধের সাজা তাদের একদিন পেতেই হবে, পাপের মাশুল গুনে-গুনে দিতে হবে তাদের সবাইকে।

    কিন্তু ভাবগতিক দেখে মাঝে-মাঝে মনে হয় সত্যি কি তারা কোনো শাস্তি পাবে? সান্তা-ফের এখানে আসতে এখনও অন্তত তিন সপ্তাহ দেরি। বাতিঘরের লগবই দেখেই নিশ্চয়ই সে-কথা বোম্বেটেরা জেনে গিয়েছে। এবং তার আগেই যে কাজ হাসিল ক’রে তারা জাহাজ ভাসিয়ে দেবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

    ষোলোই ফেব্রুয়ারি। বাস্‌কেথ সেদিন অধীর, উদ্বিগ্ন, আর কিংকতর্ব্যবিমূঢ় বোধ করছিলো। কী করবে সে? কী করা সম্ভব তার পক্ষে, একা অতজনের বিরুদ্ধে? হতভম্ব লাগছে, কিন্তু অস্থিরতাটাও বেড়ে যাচ্ছে ক্রমশ। শেষটায় আর থাকতে না-পেরে, সূর্যাস্তের সঙ্গে-সঙ্গে সে উপসাগরের প্রবেশমুখে গিয়ে হাজির হ’লো। সেখানে যাবার পর নিজেই জানে না কখন সে উত্তর তীর ধরে বাতিঘরের দিকে হাঁটতে শুরু করে দিয়েছে। যদিও ঝপ ক’রে আঁধার নেমে এসেছে আর ক্রমেই ঘন হ’য়ে উঠছে আঁধার, তবু ব্যাপারটা হঠকারী—যে-কোনো মুহূর্তে কারু মুখোমুখি প’ড়ে যেতে পারে সে। হুঁশিয়ার হ’য়েই কানখাড়া ক’রে চলেছে সে, উপসাগরের মাঝামাঝি পৌঁছুতে হ’লে তাকে আরো মাইল তিনেক হাঁটতে হবে। এখনও যে তাকে কেউ দ্যাখেনি, সেটা নিশ্চয়ই তার ভাগ্য।

    রাত তখন নটা। বাতিঘর থেকে কয়েকশো গজ দূরে এসে তার হুঁশ হ’লো সে কী করতে চলেছে, অমনি সে থমকে দাঁড়িয়ে পড়লো; বাতিঘরের জানলা আর ঘুলঘুলিগুলো দিয়ে বাইরের ঘন অন্ধকারে চাপড়া-চাপড়া আলো এসে পড়েছে। দেখেই অসহ্য ক্রোধে জ্বলে উঠলো সে।

    স্কুনারটা অন্ধকারে গা ঢাকা দিয়ে প’ড়ে আছে, তাই বাস্‌কেথ সেখান থেকে সেটাকে দেখতে পেলে না। সতর্ক পায়ে, সন্তর্পণে, সে আরো শ’খানেক গজ এগুলো। বোম্বেটেগুলো নিশ্চয়ই যে যার ঘরের ভেতরে, দরজা বন্ধ হয়তো এখন কেউ খামকা বাইরে আসবে না। বাস্‌কেথ কী ভেবেছে জানে না, সে পায়ে-পায়ে আরো এগুচ্ছে। বেশ-কিছু দূর এগিয়ে এসে দেখতে পেলে স্কুনারটি তীর ঘেঁষে জলে ভাসছে। ওহ্! একবার যদি আগুন ধরিয়ে দেয়া যেতো এটায়!

    মেরামতের কাজ যদি চলতো, তাহ’লে এখানে লোকজনের সাড়া পাওয়া যেতো। তা যখন নেই, তখন ধ’রে নিতে হবে যে মেরামত হ’য়ে গিয়েছে। কাছে এসে ভালো ক’রে খেয়াল ক’রে বাস্‌কেথ বুঝতে পারলে এখনও জাহাজে মালপত্র বোঝাই করা হয়নি। তাহ’লে জাহাজটা আরো-কয়েকদিন এখানে থাকবে! কিন্তু সে আর কতদিন? দিন তিনেকের মধ্যেই হয়তো মউল দিগন্তে হারিয়ে যাবে।

    পরদিন। তখনও ভালো ক’রে দিনের আলো ফোটেনি। রসদে টান পড়েছে দেখে বাস্‌কেথ কিছু খাবারদাবার জোগাড় করবার জন্যে বোম্বেটে গুহায় গিয়েছে। জলদস্যুরা মালপত্র নিতে গুহায় আসবে, তাই তাড়াহুড়ো করা দরকার। তখনও গুহাটি মালে বোঝাই। কিন্তু খাবারদাবার খুঁজতে-খুঁজতে সে একেবারে হয়রান হ’য়ে গেলো। আহার্য বলতে কোনোকিছুই নেই, তারা নিশ্চয়ই সমস্ত-কিছু সরিয়ে ফেলেছে। তাহ’লে দিন তিন-চার পরে তার আর কোনো খাবারই থাকবে না।

    কিন্তু তখন ঠাণ্ডা মাথায় কিছু ভাবারও সময় নেই। বাইরে একটা আওয়াজ হ’লো কীসের। সে তাড়াতাড়ি গুহা থেকে মুখ বার করে দেখতে পেলে, তিনটে লোক নৌকো ভিড়িয়ে তীরে নামছে। এখন তাহ’লে উপায়?

    বিপদ দেখে গুহার মধ্যেই ঢুকে পড়লো বাস্‌কেথ। চট ক’রে গিয়ে সবচেয়ে অন্ধকার কোনাটায় একরাশ জিনিশপত্রের আড়ালে সে লুকিয়ে পড়লো। মনে-মনে ঠিক ক’রে নিলে, যদি ধরাই প’ড়ে যাই, তাহ’লে অন্তত বিনামূল্যে আমি আমার জীবন হারাবো না। কোমরের বেল্‌টে হাত বুলিয়ে বাস্‌কেথ নিশ্চিন্ত হলো যে তার রিভলভারটা আছে। কিন্তু সে একা—আর তারা তিন জন!

    শুধু সের্‌সান্তে আর ভার্গাসই গুহায় ঢুকেছিলো। সের্‌সান্তের হাতে একটা লণ্ঠন ঝুলছে, সে-ই ছিলো আগে, আর তার পেছনে ভার্গাস। নানান দরকারি জিনিশ জড়ো করতে-করতে তারা কথা বলছিলো। ভার্গাস বললে : ‘আজ তো সতেরোই ফেব্রুয়ারি। এবার আমাদের সটকে পড়া উচিত।’

    -’ভেবো না, আমরা শিগগিরই রওনা হবো।’

    – কবে?’

    —’কাল। অবশ্য মালগুলো যদি তার আগেই জাহাজে তোলা সম্ভব হয়।’ ভার্গাস মন্তব্য করলে : ‘আবহাওয়া ভালো থাকলে হবে বৈ কি।’

    -’তা ঠিক। কিন্তু আজ সকালে আকাশের দিকে তাকিয়ে দেখছো? ছেঁড়া-ছেঁড়া মেঘ জমছিলো। তবে তা শিগগিরই স’রে যাবে ব’লে মনে হচ্ছে।’

    -‘যদি আরো আট-দশ দিন আটকা প’ড়ে যেতে হয়?’

    —’তাহ’লে অবিশ্যি বিপদের একটা সম্ভাবনা আছে। ততদিনে সাত্তা-ফে এসে পড়তে পারে। তবে কালই রওনা হওয়া যাবে ব’লে মনে করছি।’

    বাসকেথ দমবন্ধ ক’রে উৎকর্ণ হ’য়ে তাদের কথাবার্তা শুনছে। সের্‌সান্তে আর ভার্গাস লণ্ঠন হাতে এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছে। খুব-একটা দরকারি জিনিশ তাদের চোখে পড়ছিলো না। বেশির ভাগ জরুরি জিনিশই আগেভাগে নিয়ে-যাওয়া হয়েছিলো ব’লে অত্যাবশ্যক কিছু প’ড়ে নেই। ইতস্তত মালপত্র খুঁজতে-খুঁজতে বা কেথের গা ঘেঁষেও ক-বার তারা চ’লে গিয়েছে। বাকেথের হাত নিশপিশ করছিলো, ইচ্ছে করছিলো রিভলভারের গুলিতে তাদের মুণ্ডু উড়িয়ে দেয়, কিন্তু সবদিক ভেবে-চিন্তে সে শান্ত হ’য়েই রইলো।

    আধঘণ্টাটাক পরে সের্‌সান্তে নৌকোয় পাহারায়-ব’সে-থাকা লোকটার উদ্দেশে হাঁক পাড়লে। লোকটা চটপট এসে মালপত্র ব’য়ে নিয়ে যেতে তাদের সাহায্য করলে। সের্সান্তে যাবার আগে বাকি মালপত্রের ওপর একবার চোখ বুলিয়ে নিলে।

    ভার্গাস বললে, ‘এত-সব জিনিশ ফেলে যেতে কষ্ট হচ্ছে।’

    —’কিন্তু কী আর করা যাবে? ফেলে তো যেতেই হবে। স্কুনারটা যদি আরো কয়েকশো টন মাল বইতে পারতো তবে না-হয় একবার চেষ্টা ক’রে দেখা যেতো। কিন্তু আমাদের তো এখন শুধু বাছাই-করা জিনিশই নিয়ে যেতে হবে।’ বলতে-বলতে তারা গুহা থেকে বেরিয়ে গেলো।

    ….বোম্বেটের গুহা থেকে বেরিয়ে বাসকেথ তখন নিজের গুহায় ফিরে এসেছে। তার মনে তখন একটাই ভাবনা—আটচল্লিশ ঘণ্টা পরে কোনো খাবারদাবার থাকবে না তার, বাতিঘরের খাবারদাবার নিশ্চয়ই জলদস্যুরা অ্যাদ্দিনে সাবাড় ক’রে ফেলেছে। আর না-ও যদি ক’রে থাকে, ফেলে রেখে যাবে না নিশ্চিত : কিন্তু এর পর? সান্তা-ফে আসতে এখনও অন্তত দিন পনেরো বাকি। ততদিন কী ক’রে চলবে? অবস্থা বিষম ঘোরালো হ’য়ে উঠেছে, এই মস্ত সংকটে তার সাহস বা খাটুনি কিছুই কোনো কাজে আসবে না। মাছ ধ’রে হয়তো ক্ষুন্নিবৃত্তি করা যায়, কিন্তু যতক্ষণ-না মউল দ্বীপ ছেড়ে চ’লে যাচ্ছে, সে-আশাতেও ছাই। তবে কি শেষ অব্দি তাকে না-খেয়েই মরতে হবে? অন্যদিকে, দস্যুদের যদি সাজা দিতে হয় তবে এমন ব্যবস্থা করাও জরুরি, মউল যাতে দ্বীপ ছেড়ে চ’লে যেতে না-পারে। যে ক’রেই হোক, তাকে দ্বীপে আটকে রাখতেই হবে। আর মউল দ্বীপে থাকলে তার পক্ষে খোলাখুলি জলের ধারে গিয়ে মাছধরা অসম্ভব।

    সে যখন এই উভয়সংকটে নিজেকে ছিঁড়ছে, দিনটাও তখন কেমন যেন করুণ কান্নার মতো একঘেয়ে মলিন হ’য়ে আছে। একটু পরেই আকাশে মেঘ জমতে লাগলো। বাতাসও জোরালো হ’য়ে উঠছে। সমুদ্রের ঢেউ এখন যেন ফুঁসে উঠে গরজাতে শুরু করেছে। আবহাওয়ায় ঝড়ের পূর্বাভাস। এ-রকম আবহাওয়া থাকলে একটা সংকট মোচন হয়—জলদস্যুর দল পরদিন আর তাদের জাহাজ ছাড়তে পারবে না।

    সন্ধে নাগাদ আবহাওয়া আরো খারাপ হয়ে উঠলো। সত্যি, ভয়ংকর একটা ঝড় আসছে। মেঘগুলো যেন আকাশে চঞ্চল হয়ে উঠেছে। বাতাস ছুটছে খ্যাপার মতো। বাকেথের অভিজ্ঞ চোখ জানে যে এ-ঝড়টা নেহাৎ সাধারণ হবে না। যে-দুর্যোগ আসছে সেটা ক্রমেই ভয়াল চেহারা নেবে।

    অথচ তবু শান্ত হ’য়ে গুহায় ব’সে থাকতে পারলে না সে। বেলাভূমিতে দাঁড়িয়ে আঁধার-ঢাকা দিগন্তের দিকে আচ্ছন্নের মতো সে তাকিয়ে রইলো। মেঘ ছিঁড়ে সূর্যের শেষ যে-রশ্মিগুলো দেখা যাচ্ছিলো, তারাও এখন অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে।

    হঠাৎ তার মনে হ’লো সমুদ্রে কালো মতন কী-একটা যেন নড়ছে।

    —’জাহাজ!’ সে ঝোড়ো হাওয়ায় নিজের স্বর উড়িয়ে দিলে। ‘জাহাজ! এই দ্বীপের দিকেই আসছে!’

    সত্যিই পুবদিক থেকে তখন একটা জাহাজ দ্বীপের দিকে আসছিলো। কিন্তু তার মধ্যেই শুরু হ’য়ে গেছে তাণ্ডব, ঝড়ের প্রলয়নৃত্য। হেজিপেঁজি কোনো ঝড় না, রীতিমতো হারিকেন!

    হারিকেন! কী সর্বনাশ!

    শয়তানগুলো তবু বাতিঘর অন্ধকার ক’রে রেখেছে! জাহাজটা নিশ্চয়ই বাতিঘরের আলো খুঁজছে। এই অন্ধকার তুফানের মধ্যে জাহাজের লোকজন জানতেই পারবে না যে কয়েক মাইলের মধ্যেই এই দ্বীপ আছে! হাওয়ার পাল্লায় প’ড়ে এদিকেই আসছে, আরেকটু পরেই হয়তো আছড়ে পড়বে তীরের পাথরে!

    তা-ই হ’তে চলেছে, এবং তা-ই হবে। আলোকস্তম্ভের লণ্ঠনঘর থেকে নিশ্চয়ই বোম্বেটেরা জাহাজটাকে দেখতে পেয়েছে, অথচ তবু আলো জ্বালছে না। কী নিষ্ঠুর এরা—কারু জন্যে একফোঁটা দয়ামায়া নেই প্রাণে। আধঘণ্টার মধ্যেই জাহাজটা তীরে আছড়ে প’ড়ে ভেঙে-চুরে গুঁড়িয়ে যাবে।

    ঝড় তখন উদ্দাম হ’য়ে উঠেছে, ঢেউগুলো উত্তাল। পরদিনও যে এ-ঝড় থামবে না, লক্ষণ দেখে তাও বোঝা যায়।

    বাসকেথের কিন্তু নিজের ডেরায় ফিরে যাবার কথা মনেই হ’লো না। সে অপলক চোখে উত্তাল সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে রইলো। নিরেট অন্ধকারে জাহাজটাকে তখন ভালো ক’রে দেখা যাচ্ছে না, তবু সে তাকিয়ে আছে। শুধু মাঝে-মাঝে যখন জাহাজটা ঢেউয়ের মাথায় ওঠে, তার ক্ষীণ আলো চোখে পড়ে। সমুদ্র তখন যেন কোনো হিংস্র আনন্দে জাহাজটাকে নিয়ে লোফালুফি খেলছে। জাহাজটার আজ আর কোনোমতেই রেহাই নেই।

    অক্ষম বাস্‌কেথ উত্তেজনায় বেলাভূমিতে ছুটোছুটি করছে। একবার যদি বাতিঘরের আলো জ্বলে ওঠে! মুঠো-করা হাত ঝাঁকিয়ে সে দস্যুগুলোকে অভিশাপ দিলে। বাজে গালাগাল দিলে একটা।

    জাহাজ কিন্তু অনিবার্যভাবে নিশ্চিত ধ্বংসের দিকে ক্রমশ এগিয়ে আসছে। আচমকা বাস্‌কেথের মাথায় একটা ফন্দি খেলে গেলো। জাহাজ যদি জানতে পারে যে এখানে ডাঙা আছে, তবে নিশ্চয়ই তার গতিপথ বদল করার চেষ্টা করবে। চারপাশে তাকিয়ে কিছু কাঠকুটো দেখতে পেলে সে। এই কাঠকুটোগুলো জ্বালিয়ে জাহাজটার নজর টানা যায় না কি? এই জোরালো হাওয়ার মধ্যে, যদি কোনোমতে, একবার, আগুন জ্বালানো যায়, জাহাজ কি তা দেখতে পাবে না? অন্তত আধমাইল দূর থেকেও যদি আগুনটা দেখতে পায়, তাহ’লে হুঁশিয়ার হ’য়ে এই ধ্বংসের হাত থেকে রেহাই পাবার চেষ্টা করতে পারে হয়তো।

    তক্ষুনি সে কাজে লেগে গেলো। কিছু কাঠকুটো কুড়িয়ে নিয়ে সে অন্তরীপের মুখটায় চ’লে এলো। সেখানেও কিছু শুকনো কাঠকুটো পাওয়া গেলো। যদিও বেদম তুফান এতক্ষণ ধরে প্রলয় কাণ্ড বাধিয়ে বসেছে, তবু একফোঁটাও বৃষ্টি পড়েনি এখনও। তাই সে কাঠকুটো জড়ো ক’রে আগুন জ্বালাবার চেষ্টা করতে লাগলো।

    কিন্তু ততক্ষণে দেরি হ’য়ে গেছে, প্রচুর দেরি হ’য়ে গেছে! আর-কিছু ক’রে কোনো লাভ নেই। অন্ধকারে দৈত্যের মতো অতিকায় একটা জিনিশ তার চোখে পড়লো। উন্মাদ ঢেউয়ের মধ্যে সেটা তীব্র বেগে পাক খাচ্ছে। তারপরেই বিকট একটা আওয়াজ ক’রে মস্ত একটা জলোচ্ছ্বাসের সঙ্গে তীরের কঠিন পাথরে আছড়ে পড়লো সেই অচেনা জাহাজ!

    আওয়াজটা বিকট, পিলে চমকানো, কানে তালা লাগানো! হাওয়ার মধ্যে কাদের যেন আর্ত চীৎকার ভেসে এলো। তারপর সব চুপচাপ। শুধু ক্রুদ্ধ হাওয়ার ফোঁস-ফোঁস আর উদ্দাম ঢেউয়ের উত্তাল আছড়ানি ছাড়া আর-কিছুই শোনা যাচ্ছে না। আগের মতোই এখন ফের ঝড়ের হিংস্র গর্জন নিরেট অন্ধকারের মধ্যে টালমাটাল তোলপাড় তুলে যাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }