Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প759 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩-১৪. আবার জেরা

    ১৩. আবার জেরা

    ভ্লাদিমির ইয়ানোফকে যে ক্ষমা করা হলো তার প্রতিক্রিয়া হলো বিপুল শুধু রিগায় নয়, সমগ্র বলটিক রাজ্যগুলিতেই, সরকার যে এখন জার্মান-বিরোধী প্রবণতাকে প্রশ্রয় দিতে চাচ্ছেন, এই নির্দেশে তারও ইঙ্গিত পাওয়া গেলো। শ্রমিকশ্রেণী, সাধারণ মানুষ এতে খুবই খুশি, শুধু ক্ষুব্ধ হলো জমিদারেরা, বণিকসম্প্রদায় ও মধ্যবিত্তরা। তাদের মনে হলো এই নির্দেশের মধ্য দিয়ে শুধু ভ্লাদিমিরকেই নয়, দিমিত্রি নিকোলেফকেও দয়া দেখানো হয়েছে। কিন্তু, এটা ঠিকই যে ভ্লাদিমির যেভাবে দিমিত্রিকে বাঁচাবার জন্য জীবন বিপন্ন করে নিজে থেকেই এসে ধরা দিয়েছিলো, তাতে তাকে ক্ষমা না-করে কোনো উপায় ছিলো না। কিন্তু এর মধ্যে দিয়ে অধ্যাপক নিকোলেফকে সন্দেহ করার জন্যও কর্তৃপক্ষের প্রতিবাদ উহ্য আছে–এতদিন তিনি ছিলেন দেশের সর্বজনশ্রদ্ধেয় ও সম্মানযোগ্য নাগরিক, আগামী নির্বাচনে তিনি স্লাভদলের হয়ে দাঁড়াবেন বলে স্থির; এই অবস্থায় কোনো প্রমাণ ছাড়াই শুধু সন্দেহের উপর ভিত্তি করে তাকে লাঞ্ছিত করা সেন্ট পিটার্সবুর্গ খুব-একটা সুনজরে দ্যাখেনি।

    অন্তত জারের বদান্যতার এই অর্থই করলেন রাজ্যপাল জেনারেল গোরকো এবং তার মতামত তিনি অধস্তন কর্মচারীদের কাছে চেপে রাখলেন না। ভ্লাদিমির ইয়ানোফকে মুক্ত করে দেয়া হলো; সে ফিরে গেলো নিকোলেফ-ভবনে। একটু পরেই এলেন পারিবারিক বন্ধুরা : ডাক্তার হামিনে ও মঁসিয় দ্যলাপোর্ৎ। ভ্লাদিমিরের মুক্তিতে সবাই খুব খুশি।

    বিকেলে চায়ের বৈঠক বসেই ঠিক হলো ইলকা ও ভ্লাদিমিরের বিয়েটা এবারে হয়ে যাওয়া উচিত। বিয়ের দিন ঠিক হলো ছ-সপ্তাহ পরে। মধ্যবর্তী সময়টা ভ্লাদিমির নিকোলেফ- ভবনেই থাকবে নিচের তলায় একটা ঘরে।

    +

    নিকোলেফ-ভবনে যখন স্বপ্নেরও অতীত আনন্দের হাট বসেছে, ইয়োহাউজেন পরিবারে তখন কিন্তু অবস্থাটা ঠিক তার উল্টো। তার কারণ এই নয় যে, কার্ল-এর দশা শোচনীয় হয়ে উঠেছে– বরং চিকিৎসক জানিয়েছেন যে সময় ও শুশ্রূষা পেলে কার্ল সেরে উঠবে– জখম যদিও গুরুতর, তবু প্রাণের ভয় নেই। আসলে ফ্রাঙ্ক ইয়োহাউজেনের দুঃখের কারণ অন্যত্র। ভেবেছিলেন, অধ্যাপক নিকোলেফকে বুঝি তিনি শাবাড় করে এনেছেন, কিন্তু এখন দেখতে পেলেন ঘটনার গতি অন্য খাতে বইছে। এখন কেবল তার হাতে আছে শেষ অস্ত্র-দেনার দায়ে শত্রুকে কোণঠাসা করা ছাড়া এখন আর নিকোলেফের ক্ষতি করার কোনো উপায় তার হাতে নেই। এই ঋণপত্রই তাঁর তুরুপের তাস। কিন্তু এই রঙের টেক্কাটিকে সহজে ব্যবহার করতে চাচ্ছিলেন না তিনি, কেননা তার ফলে তার সম্বন্ধে লোকের মনোভাব বিরূপ হয়ে উঠবে বিশেষত এখন যখন লোকের সহানুভূতি নিকোলেফের প্রতি। খুনের ব্যাপারটায় জনমত এখন স্পষ্টতই ক্রোফ-এর বিপক্ষে, সকলেরই এখন ধারণা যে সরাইওলাই সে রাত্রে পোখকে সুযোগ পেয়ে খুন করেছিলো। ফ্রাঙ্ক ইয়োহাউজেনের মনস্তাপের কারণ এখন এই জনমত।

    +

    সত্যি, জনমতের চাপটা এমনি প্রবল হয়ে উঠলো যে কর্তৃপক্ষকে আবার নতুন করে তদন্তের ব্যবস্থা করতে হলো : আবার যেতে হলো সেই ভাঙা কুশের সরাইখানায়। ৫ই মে কেরস্টোফ নিজে গেলেন সেখানে তদন্তে, সঙ্গে গেলেন মেজর ফেরডের ও সার্জেন্ট য়েক।

    ক্রোফ, দেখা গেলো, তাদেরই প্রত্যাশা করছিলো। হঠাৎ এই সমাগম দেখে সে কিন্তু মোটেই অবাক হয়নি। সে শুধু বললে, বুঝতে পারছি, কেউ-একজন আমার ঘাড়েই দোষ চাপাবার চেষ্টা করছে; তবে আশা করছি, আপনারা যাবার আগেই বুঝতে পারবেন যে আমি নির্দোষ।

    দেখা যাক, উত্তরে ছোট্ট করে বললেন কেরস্টোফ।

    আবার সব তন্নতন্ন করে দেখা হলো; দেখা হলো বাগান, বাগানের। চালাঘর, প্রত্যেক গাছের তলা, ঝোঁপের ধার, শজিখেত। ক্রোফ যদি চুরি করে থাকে, তাহলে নিশ্চয়ই চোরাই টাকা সে কোথাও মাটির তলায় লুকিয়ে রেখেছে– সুতরাং এ-বিষয়টায় নিঃসন্দেহ হওয়া উচিত।

    কিন্তু সব খোঁজাখুঁজিই নিষ্ফল হলো, আর টাকা? ক্রোফের সিন্দুকে দেখা হলো সবশুদ্ধ শ খানেক রুক্ল আছে তাদের কোনোটিই নম্বরি নোট নয়।

    সব দেখে মেজর ফেরডের একপাশে ডেকে নিয়ে গেলেন কেরস্টোফকে : মঁসিয় কেরস্টোফ, এটা ভুলবেন না যে, খুনের পর থেকে ক্রোফ কখনো একা কোথাও যায়নি ওর পেছনে সবসময় পুলিশের লোক ছিলো। মেজর ফেরডেরের এখনও বদ্ধমূল ধারণা, নিকোলেই খুনী- কাজেই ক্রোফের এখানে তত্ত্বতালাশ করা সবই পণ্ডশ্রম।

    কেরস্টোফ বললেন, তা আমি জানি। কিন্তু নিকোলেফ সে-রাত্রে সরাই থেকে চলে যাবার পর পুলিশ আসার আগে পর্যন্ত ক্রোফ কয়েক ঘণ্টা সময় পেয়েছিলো। চোরাই টাকা লুকোবার পক্ষে সেই সময়টুকুই যথেষ্ট।

    কিন্তু এখন তো দেখতেই পেলেন ওকে জড়াবার মতো সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি।

    এখন পর্যন্ত কিছু পাইনি–তা সত্যি। কিন্তু এখনও তো আমাদের অনুসন্ধান শেষ হয়নি। ঘর দুটোর চাবি তো আপনার কাছে আছে, তাই না?

    মেজর ফেরডের চাবি দুটো বার করলেন : সেই দুটি ঘরের চাবি, যার একটায় ছিলো পোখ, অন্যটায় দিমিত্রি নিকোলেফ, পোখ যে-ঘরটায় খুন হয়েছিলো সে-ঘরটাই প্রথমে খোলা হলো।– প্রথমবার সরেজমিন তদন্ত করে যাবার সময় পুলিশ ঘরটাকে যেমন রেখে গিয়েছিলো, ঠিক তেমনি আছে ঘরটি। বাইরে থেকে কেউ যে খড়খড়ি খুলে ঘরে ঢোকবার চেষ্টা করেনি, পরীক্ষা করে দেখে সে বিষয়ে নিঃসন্দেহ হওয়া গেলো। তেমনি পড়ে আছে বিছানা– এলোমেলা; বালিশে রক্তের দাগ, দরজা অব্দি মেঝে লাল রঙে ছোপনো! নতুন কোনো সূত্রই পাওয়া গেলো না : খুনী- সে যেই হোক না কেন– পিছনে কোনো সূত্ৰই রেখে যায়নি।

    চলুন তবে অন্য ঘরটায়, কেরস্টোফ বললেন।

    প্রথমেই দরজাটা তন্নতন্ন করে দেখা হলো : কবাটের বাইরের দিকে সন্দেহজনক কোনো দাগ নেই। তাছাড়া গত দশদিনে কেউ যে ও-ঘরে ঢোকবার চেষ্টা করেনি, পাহারা-পুলিশ তা হলফ করে বললে তারা কখনো ও-জায়গা ছেড়ে নড়েনি গত দশদিনে। ঘরটার মধ্যে ঘুটঘুঁটে অন্ধকার।

    সার্জেন্ট য়েক গিয়ে জানলা খুলে দিলে, যাতে ঘরে আলো আসে। না, গতবার যেমন রেখে যাওয়া হয়েছিলো তেমনি আছে ঘরটা কোনো বদলের কোনো চিহ্ন নেই। নিকোলেফ যে-বিছানায় শুয়েছিলেন, তার শিয়রের কাছে একটা টেবিলে বাতিদানে একটা আধপোেড়া মোম পড়ে আছে। এক কোনায় একটা চেয়ার, অন্য ধারে একটা টুল। ডানপাশে একটা বন্ধ দেরাজ। চুল্লির উপরে, কিংবা বলা যায় দুটো চ্যাপ্টা পাথরে বসানো কাজ চালানো গোছের চুল্লির উপরে চিমনি বসানো– তার তলার দিকটা সুপরিসর, ছাতের দিকটা ক্রমশ সরু হয়ে গেছে। বিছানাটা দেখা হলো তন্নতন্ন করে–না, সন্দেহজনক কিছু নেই। দেরাজ খুলে দেখা হলো- সেটা ফাঁকা পড়ে আছে- কাপড়চোপড় বা কাগজপত্র কিছুই নেই।

    চুল্লির পাশেই পড়েছিলো কয়লা খোঁচাবার লম্বাটে হাতুড়িটা–খুঁটিয়ে-খুঁটিয়ে পরীক্ষা করা হলে সেটাকে। এর মুখটা বাঁকা, দোমড়ানো গোছের, কাজেই খড়খড়ি তুলে হাতুড়িটা ভিতরে ঢুকিয়ে চাপ দিলে জানলা খুলতে দুঃসাধ্য হবার কথা নয়। কিন্তু খিলগুলো এত পুরোেনো ও জীর্ণ যে ছোট্ট একটা কঞ্চি ঢুকিয়ে চাপ দিলেই নিশ্চয় ভেঙে যাবে। আর জানলার গোবরাটে যে-দাগগুলো, তা যে জানলা বেয়ে ভিতরে ঢোকবার সময়ে সৃষ্টি হয়েছে, তা কি হলফ করে বলা যায়? অন্যকোনো কারণেও গোবরাটে ও-দাগ হতে পারে।

    চুল্লির কাছে গিয়ে দাঁড়ালেন কেরস্টোফ। সে-রাত্তিরে যাত্রীটি কি আগুন জ্বালিয়েছিলো? জিগেশ করলেন তিনি ক্রোফকে।

    না, সরাইওলা উত্তর দিলে।

    কিন্তু এই-যে ছাই পড়ে আছে? এগুলো কি প্রথমবার তদন্তের সময় পরীক্ষা করে দেখা হয়েছিলো?

    মেজর ফেরডের বললেন, মনে তো হয় না।

    তাহলে এখন পরীক্ষা করে দেখুন।

    সার্জেন্ট নিভন্ত চুল্লিটার উপর ঝুঁকে পড়লো। বাঁদিকে দেখতে পেলে একটা কাগজের টুকরো পোড়া কাগজের টুকরো, ছাই-ভস্মের মধ্যে পড়ে আছে।

    পোড়া কাগজটা তুলে দেখবামাত্র সবাই চমকে গেলেন : একটা ব্যাঙ্কনোটের টুকরো। হ্যাঁ, একশো রুবলের একটা নোট- নম্বরের জায়গাটা পুড়ে গিয়েছে, বোধহয় টেবিলের ঐ জ্বলন্ত মোমবাতির শিখায় কোনোভাবে পুড়ে গিয়েছে। আরো সাংঘাতিক : রক্তের ছিটে লেগে আছে নোটটায়। খুনীর হাতে রক্ত ছিলো নিশ্চয়ই, রক্তমাখা হাতে ধরেছিলো বলেই রক্তের দাগ লেগেছিলো নোটটায় আর রক্ত লেগেছে বলেই নিশ্চয়ই নোটটাকে সে পোড়াতে চাচ্ছিলো।

    আর পোখ-এর ব্রীফ-কেস ছাড়া আর কোত্থেকেই বা আসতে পারে নোটটা। কিন্তু পুরো নোটটা পোড়েনি বলে এখন তার দাম একশো রুবলেরও অনেক বেশি–কেননা খুনীর বিরুদ্ধে এটা প্ৰজ্বলন্ত প্রমাণ।

    ক্রোফ আর নিজেকে শামলাতে পারলে না, বলে উঠলো, কী বলেছিলুম? এবার আমার নির্দোষিতায় আর সন্দেহ নেই তো আপনাদের?

    কেরস্টোফ প্রথমে তার নোটবইয়ের কাগজের ভাঁজে সন্তর্পণে আধপোড়া নোটকে রাখলেন, তারপর শান্ত ধীর স্বরে বললেন, তদন্ত শেষ হয়েছে–চলুন, এবার যাই।

    +

    পরদিন সকালবেলাতেই ফ্রাঙ্ক ইয়োহাউজেন এই নতুন তথ্যটি জানতে পেলেন। ব্যাঙ্কনোটের নম্বরের জায়গাটুকু পুড়ে গিয়েছিলো, তাই মিলিয়ে অবিশ্যি দেখা গেলো না, তবে সন্দেহ নেই যে নোটটা পোখ-এর ব্রীফ-কেসেই ছিলো নইলে ওখানে ঐ চুল্লিতে আর কী করে আসবে।

    খবর যেন পাখির মতো উড়াল দেয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই রিগার সব লোক এই সংবাদ শুনতে পেলে। নিকোলেফের শুভানুধ্যায়ীরা খবরটা শোনবামাত্র অভিভূত হয়ে গেলেন।বোঝাই যাচ্ছে যে তদন্তের এটা দ্বিতীয় ও বিষম পর্যায়। ইয়োহাউজেনরা অবিশ্যি খুবই আহ্লাদিত হয়ে উঠলেন। এবার আর নিকোলেফের গ্রেফতার ঠেকায় কে? একবার জুরিদের সামনে দাঁড় করালেই এই নৃশংস হত্যার সমুচিত শাস্তি তিনি পাবেন।

    চাদিমিরকে খবরটা জানিয়েছিলেন ডাক্তার হামিনে। দুজনেই স্থির করেছিলেন যে নিকোলেফকে এ-সম্বন্ধে তারা নিজে থেকে কিছু খুলে বলবেন না– শিগগিরই অন্য ও ভয়ংকর সূত্র থেকে খবরটা তিনি জেনে যাবেন। ভ্লাদিমির চেয়েছিলো ইলকার কাছ থেকে গুজবটা লুকিয়ে রাখে। কিন্তু তা কি আর সম্ভব? ভ্লাদিমির বাড়িতে এসে দেখলে ইলকা বসে আছে, গভীর শোকে আচ্ছন্ন। তাকে দেখেই বেচারি তীব্র অস্ফুট স্বরে বলে উঠলো, বাবা কোনো দোষ করেননি, ভ্লাদিমির, বাবা নিরপরাধ!

    কী আশ্চর্য! এটা কি আবার বলবার কথা নাকি? দিমিত্রি যে নিরপরাধ এটা আমরা সব্বাই জানি। আসল অপরাধীকে খুঁজে বার করতে হবে আমাদের তাহলেই এ-সব গুজব আর রটবে না। আমার কিন্তু খুবই মনে হয় যে দিমিত্রিকে এই খুনের মামলায় জড়াবার পেছনে একটা-কোনো গভীর ষড়যন্ত্র আছে।

    খুব-যে একটা ভুল সন্দেহ করেছিলো ভ্লাদিমির, তা নয়। রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র যে কী-রকম গভীর ও দূরস্পর্শী হতে পারে, তা সাইবেরিয়ায় কিছুকাল কাটিয়ে আসার পর তার চেয়ে ভালো করে আর কে জানে। কিন্তু লক্ষণ দেখে মনে হচ্ছে ষড়যন্ত্রকারীরা যে-রকম আটঘাট বেঁধে নেমেছে তাতে দিমিত্রি না আইনের চোখে দোষী বলে প্রমাণিত হয়ে যান। ইলকাকে সান্ত্বনা দিলেও ভ্লাদিমির নিজে কিন্তু একফোঁটাও স্বস্তি পাচ্ছিলো না পুলিশের হাতের এই নতুন সূত্রটিকে তার মনে হচ্ছিলো এই সাজানো মামলার বিরুদ্ধ পক্ষের তুরুপের তাস।

    +

    বিকেলবেলাতেই এত্তেলা এলো ম্যাজিস্ট্রেটের : নিকোলেফ যেন অবিলম্বে কেরস্টোফের আপিশে গিয়ে হাজির হন। প্লাদিমির সঙ্গে যেতে চেয়েছিলো, কিন্তু দিমিত্রি তক্ষুনি তার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে দিলেন।

    কেরস্টোফ নিজে কিঞ্চিৎ বিচলিত ছিলেন- এটা তিনি কিছুতেই ভাবতে পারছিলেন না যে দিমিত্রির দ্বারা এই খুন সম্ভব। অথচ যেভাবে প্রমাণ জড়ো হচ্ছে, তাতে দিমিত্রিকে তিনি গ্রেপ্তার করবেন কিনা শিগগিরই সে-সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

    নিকোলেফকে দেখে প্রথমে তাকে বসতে বললেন তিনি, তারপর বললেন, মঁসিয় নিকোলেফ, কাল আমরা সরাইখানাটায় সরেজমিন তদন্তে গিয়েছিলুম–আমি নিজে উপস্থিত ছিলুম তদন্তের সময়। পুলিশ পুরো বাড়িটা তন্নতন্ন করে খুঁজেছে। নতুন-কোনো সূত্রই পাওয়া যায়নি, তবে আপনি যে-ঘরটায় রাত কাটিয়েছিলেন, সেই ঘরে এই জিনিশটা পাওয়া গেছে। বলে তিনি আধপোড়া ব্যাঙ্কনোটটা বাড়িয়ে দিলেন অধ্যাপকের দিকে।

    কী কাগজ এটা?

    একটা ব্যাঙ্কনোটের টুকরো–নোটটা পুড়িয়ে চুল্লিতে ফেলে দেয়া হয়েছিলো।

    পোখ-এর ব্রীফ-কেসের ব্যাঙ্কনটের একটা?

    সম্ভবত। আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন, মঁসিয় নিকোলেফ, এটা আপনার বিরুদ্ধে একটা অকাট্য প্রমাণ হিশেবে…

    আমার বিরুদ্ধে? অধ্যাপকের গলার স্বর বিদ্রুপে ভরে উঠলো। তাহলে আমার উপর থেকে আপনাদের সন্দেহ যায়নি এখনো? স্নাদিমির ইয়ানোফের বিবৃতি সত্ত্বেও আপনাদের এখনো ধারণা যে আমিই খুন করেছি!

    উত্তর দেবার আগে কেরস্টোফ একটু ইতস্তত করলেন। এই অধ্যাপকের উপর পর-পর অনেক ঝড় গেছে, তার জের শামলাতে না-শামলাতেই আবার এই নতুন ও ভয়ংকর প্রমাণ।

    নিকোলেফ বললেন, আমি যে ঘরটায় রাত কাটিয়েছিলুম সে ঘরের চুল্লিতে নোটটা পাওয়া গেছে, তাই না?

    হ্যাঁ, মঁসিয় নিকোলে।

    ধর্মাধিকরণ প্রথম সেখানে পদার্পণ করার পর থেকে ঘরটা বন্ধ ছিলো।

    হ্যাঁ, তালা লাগানো ছিলো। দরজাটা যে এর মধ্যে ভোলা হয়নি সে-বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

    ফলে কারু পক্ষেই এর মধ্যে সে-ঘরে ঢোকা সম্ভব ছিলো না?

    না, কারু পক্ষেই ছিলো না।

    ভূমিকাগুলো যেন পালটে গেছে–নিকোলেফ জেরা করছেন, কেরস্টোফ উত্তর দিচ্ছেন। কিন্তু কেরস্টোফ ভেবে দেখলেন, জিজ্ঞাসাবাদের কাজটা যেভাবে এগুচ্ছে, তা আসলে তাকে অনেক অস্বস্তিকর প্রশ্ন করার হাত থেকে বাঁচিয়ে দেবে। তাই তিনি কোনো রকম দ্বিধা না-করেই নিকোলেফের প্রশ্নের উত্তর দিতে লাগলেন।

    নোটটাকে খুঁটিয়ে দেখে নিকোলেফ বললেন, রক্তমাখা নোট, অথচ পুরোটা পোড়েনি। কী বললেন, চুল্লির ছাইয়ের মধ্যে পড়ে ছিলো?

    হ্যাঁ।

    তাহলে প্রথমবার তদন্তের সময় এটা সকলের চোখ এড়িয়ে গিয়েছিলো কেমন করে?

    সত্যি কথা বলবো? আমি তা জানি না। ব্যাপারটা আমাকে স্তম্ভিত করে দিয়েছে। কিন্তু নিশ্চয়ই চুল্লিতেই পড়েছিলো নোটটা– কারণ পরে তো কারু দিয়েছে।ঘরে ঢোকা সম্ভব কালেফ বললেন এবড়ে যাওয়া উণ্ডিয় চুল্লিতে

    একটু ব্যঙ্গের স্বরে নিকোলেফ বললেন, আমিও আপনার চেয়ে কম স্তম্ভিত হচ্ছি না। তবে আমার বোধ হয় খুব ঘাবড়ে যাওয়া উচিত। কারণ আপনাদের অনুমান নিশ্চয়ই এ-রকম যে, আমিই নোটটাকে পুড়িয়ে চুল্লিতে ছুঁড়ে ফেলেছিলুম।

    তা ঠিক।

    তাহলে, নিকোলেফ ঠোঁট বেঁকিয়ে বললেন, তো এই দাঁড়ায় যে, নোটটা যেহেতু পোখ-এর বাণ্ডিলের একটা, পোখ-এর ব্রীফ-কেস থেকেই যেহেতু তার হত্যার পর এটা চুরি করা হয়েছে, অতএব সে-রাতে ও-ঘরে যে-লোকটা রাত কাটিয়েছিলো সে-লোকটাই চোর আর খুনী

    কেরস্টোফ আগাগোড়া লক্ষ করছিলেন নিকোলেফকে। এ-সম্বন্ধে কারু সংশয় থাকতে পারে কি?

    না, তা থাকবে কী করে? কী রকম অকাট্য পারম্পর্য, লক্ষ্য করেছেন? একটা শেকলের অংশ–সিদ্ধান্তও চমৎকার। কিন্তু আপনাদেরই যুক্তির ধরনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে আরেকটা সিদ্ধান্তে গিয়ে পৌঁছোনো যায়।

    বলুন।

    রাত চারটে নাগাদ সে-রাতে আমি সরাইখানাটা ত্যাগ করি। প্রশ্ন হলো, খুনটা কি হয়ে গিয়েছিলো ততক্ষণে? আমি যদি খুনী হই, তাহলে হয়েছিলো নিশ্চয়ই আর আমি খুনী না-হলে হয়নি। যাকগে, এটা আসলে আমাদের আলোচ্য না। কিন্তু এমনও তো হতে পারে যে আমি চলে যাবার পর আততায়ী খুব ভেবেচিন্তে সব সন্দেহ পোখ-এর সহযাত্রীর ঘাড়ে চাপিয়ে দেবার জন্য সব-কিছু সাজাতে পারতো। সে কি যেতে পারতো না আমার ঘরে, হাতুড়িটা সঙ্গে নিয়ে? সে কি নোটটা ইচ্ছে করে আদ্ধেক পুড়িয়ে নেভানো চুল্লিতে রেখে দিতে পারতো না? সে কি জানলার গোবরাটে আঁচড় কাটতে পারতো না?

    আপনি যা বলছেন, মঁসিয় নিকোলেফ, তা থেকে মনে হয় আপনি সরাইওলা ক্রোফকে অভিযুক্ত করছেন।

    ক্রোফ, কিংবা অন্য-কেউ। তাছাড়া, খুনী কে, সেটা ধরে দেবার দায় আমার নয়। আমার কাজ হলো নিজেকে বাঁচানো– সব যোগসাজশ ও ষড়যন্ত্রের হাত থেকে আত্মরক্ষা করা।

    কেরস্টোফ, সত্যি, একটু বিমূঢ় বোধ করছিলেন। নিকোলেফের কথায় সত্যিই যুক্তি যথেষ্ট। তাছাড়া, তাঁর মতো মানী লোক, সৎ লোক, গোটা রিগা যাঁকে এতকাল সতোর জন্য সম্মান করেছে, তাকে তিনি কিছুতেই খুনী বলে ভাবতে পারছিলেন না। কিন্তু এটাও তো সত্যি যে তদন্তে ক্রোফ-এর বিরুদ্ধে কোনো তথ্যই পাওয়া যায়নি কিছু না।

    আরো এক ঘণ্টা ধরে কথাবার্তা হলো দুজনে। কেরস্টোফ নিকোলেফকে এটাও বললেন যে ক্রোফকে সন্দেহ করবার মতো কোনো সূত্র বা প্রমাণ পুলিশের হাতে নেই। কিন্তু ঘটনার পরম্পরা তার প্রতিও বিরূপ।

    তখন নিকোলেফ সোজাসুজি বললেন, সূত্রগুলো কার বিরুদ্ধে ইঙ্গিত করছে, সেটা নির্ধারণ করার যাচাই করার দায় আপনাদের। কেউ যদি ভোলা মন নিয়ে ব্যাপারটার দিকে তাকায়, তাহলে আমাকে খুনী বলে সন্দেহ করবে না। আপনি তো এখন জানেন আগে কেন আমি যাত্রার উদ্দেশ্য ও গন্তব্য গোপন রাখতে চাচ্ছিলুম। এখন যখন ভ্লাদিমির ইয়ানোফ নিজেই প্রকাশ্যে আবির্ভূত হয়েছে, তখন আমার সম্বন্ধে আগে যাও-বা সন্দেহ ছিলো তা নিশ্চয়ই কেটে গিয়েছে। কে খুন করেছে সরাইওলা, না বাইরের কেউ, সেটা বার করার দায়িত্ব পুলিশের। কিন্তু আমার এ-বিষয়ে কোনো সন্দেহই নেই যে ক্রোফই খুনী। পোখ যে রেফেল যাচ্ছে ব্যাঙ্কের টাকা নিয়ে, এটা সে জানতো এও যে টাকার অঙ্ক নেহাৎ কম নয়। আমি যে রাত চারটেতে সরাই ছেড়ে চলে যাবো তাও সে জানতো। কত সুবিধে তার–খুনটা করে আমার ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে দিলেই চলবে। কখন খুন করেছিলো, আমি সরাই ছেড়ে চলে যাবার আগে না পরে, তা জানি না। কিন্তু আমি চলে যাবার পর আমি যে-ঘরে রাত কাটিয়েছিলুম, সে-ঘরে ঢুকে আমার বিরুদ্ধে সূত্র ছড়াতে প্রমাণ সাজাতে কতক্ষণই বা তার লেগেছিলো। সব সত্ত্বেও তবু যদি আপনাদের বদ্ধমূল ধারণা হয় যে আমিই খুনী, বেশ, তবে জুরির সামনে দাঁড় করান আমাকে–সর্বসমক্ষে ক্রোফকে অভিযুক্ত করবো আমি– সবাই বিশ্লেষণ করে দেখলেই বুঝতে পারবে যে, কে খুনী–আমি না ক্রোফ।

    নিকোলেফ মোটেই উত্তেজিত হননি। ঠাণ্ডাভাবে, বৈজ্ঞানিক তথ্য বলবার ভঙ্গিতে, সব কথা বলছিলেন। মামলাটার নিষ্পত্তি করে ফেলেছেন, এ নিয়ে আর উত্তেজিত হবার কিছু নেই, ভঙ্গিটা ছিলো এ-রকম। কেরস্টোফ সব শুনলেন চুপচাপ, কিছু বললেন না। শেষটায় নিকোলেফ জিগেশ করলেন, আপনি কি আমার গ্রেপ্তারি পরোয়ানায় সই করবেন?

    উত্তরে কেরস্টোফ শুধু বললেন, না, দিমিত্রি নিকোলে।

    .

    ১৪. আঘাতের পর আঘাত

    খুনী কে-ক্রোফ, না অধ্যাপক দিমিত্রি নিকোলেফ–এই প্রশ্নটিকে ঘিরেই লোকের মুখে-মুখে কথা ফিরতে লাগলো। প্রথম থেকেই এই খুনের খবরটা বিপুলভাবে প্রচারিত হচ্ছিলো, নানা রকম রাজনৈতিক স্বার্থ জড়ানো ছিলো বলে বোধহয় এত তার প্রচার–কিন্তু জটিলঝুরি রহস্য, জটের পর জট পাকিয়ে গেছে, এমন একটা খুনও সচরাচর হয় না–তাই গোটা বলটিক প্রদেশে এই নিয়ে হৈ-চৈ উঠলো, তুলকালাম কাণ্ড একেবারে। ক্রোফের দেহে জর্মান রক্ত, নিকোলেফ স্লাভ-কাজেই দুটো বিরুদ্ধ দল তৈরি হয়ে গেলো চটপট, সাম্প্রদায়িক হাঙ্গামার সর্বনেশে পূর্বাভাস যেন। এদিকে রাজ্যপালের দশাও ক্রমে করুণ হয়ে উঠছে। পৌরনির্বাচন আসন্ন–স্লাভরা এখন অধিকতর উৎসাহের সঙ্গে ফ্রাঙ্ক ইয়োহাউজেনের বিরুদ্ধে দিমিত্রি নিকোলেফকে নির্বাচনে দাঁড় করাবার জন্য তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছে। আর ধনকুবের ইয়োহাউজেনরাও সবান্ধবে দিমিত্রির বিরুদ্ধে কুৎসা রটনায় মুখর। টাকা আছে তাদের, আছে প্রতিপত্তি ও ক্ষমতা, খবরের কাগজগুলো পর্যন্ত তাদেরই হাতধরা। কাজেই শেষ পর্যন্ত রব উঠলো : অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে দিমিত্রিকে– ও-রকম একটি নৃশংস খুনীকে এভাবে ছেড়ে রাখা চলবে না।

    আর এই ডামাডোলের মধ্যেই কেটে গেলো সাত দিন।

    এদিকে ইয়োহাউজেনদের কাছে দিমিত্রির দেনার টাকা ফেরৎ দেবার শেষদিন এগিয়ে এলো–পরের দিন চোদ্দই; সেদিন যদি আঠারো হাজার রুবল না-নিয়ে তিনি ইয়োহাউজেন ব্রাদার্স-এর আপিসে হাজির হতে না পারেন, তাহলে তাকে নিয়ে যাওয়া হবে আদালতে। অথচ আজও তিনি টাকাটা জোগাড় করতে পারেননি। প্রায় সাত হাজার রুবল তিনি জমা দিয়েছিলেন কিছুদিন আগে, ভেবেছিলেন বাকি টাকাটা জমা দেবার মেয়াদ একটু বাড়িয়ে দেওয়া হবে কিন্তু এখন সব যেতে বসেছে তাঁর, মান-সম্ভ্রম, সব–এখন দেউলে বলে ঘোষিত না-হয়ে তার কোনো উপায় নেই।

    আর ফ্রাঙ্ক ইয়োহাউজেন এটাই চাচ্ছিলেন। হয় দিমিত্রি পুরো টাকাটা নির্দিষ্ট তারিখের মধ্যে জমা দেবেন, নয় দেউলে হয়ে পৌর অধিকার সব হারিয়ে বসবেন–এর মাঝামাঝি কোনো মিটমাটের মধ্যে তিনি যাবেন না। গোড়ায় ভেবেছিলেন খুনের মামলাটায় বুঝি কোণঠাশা করে এনেছেন দিমিত্রিকে, কিন্তু এখন যখন দেখলেন যে খুনের রহস্যের কোনো কিনারাই হলো না, তখন আস্তিন থেকে বার করলেন তাঁর তুরুপের তাস–এই বিপুল ঋণ। কোনো টাকাই তো নেই দিমিত্রির–এ-তথ্য গোপনে সন্ধান নিয়ে নির্ভুল জেনে নিয়েছেন। যদি এখন তিনি টাকাটা জমা দিতে পারেন, তাহলে বুঝতে হবে যে চোরাই টাকা–এবং তাহলে উলটো দিক থেকে তার গলায় ফাঁস এঁটে বসে। না, এই স্লাভদের কোনো দয়া করা চলবে না। শোধ নিতেই হবে কার্ল-এর রক্তপাতের, তাছাড়া দিমিত্রিকে নির্বাচনেও দাঁড়াতে দেয়া হবে না।

    পরের দিন সকালবেলাটা কেটে গেলো–ইয়োহাউজেন ব্রাদার্সদের খাজাঞ্চিখানায় দিমিত্রির আবির্ভাব ঘটলো না। বিকেলবেলা, চারটে নাগাদ, পরোয়ানা বার করা হলো খাজাঞ্চিখানা থেকে–সেদিন আঠারো হাজার রুবল জমা দিতে না পারার জন্য পরোয়ানা।

    পরোয়ানাটা গিয়ে পড়লো ভ্লাদিমির ইয়ানোফের হাতে। সে তখন ছিলো নিকোলেফ ভবনে। আর তার ফলেই ভ্লাদিমির জানতে পেলো যে কীভাবে নিকোলেফ নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন তার বাবার এই বিপুল ঋণ। পুরো ব্যাপারটা বুঝতে তার একটুও দেরি হলো না। তার বাবার মৃত্যুতে কী লোকশান হয়েছে দিমিত্রির, কীভাবে মুচলেকা লিখে তিনি বন্ধুর ঋণ শোধ করার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন, সব সে জানতে পেলো। আর অমনি সে এটা বুঝলে যে এক্ষেত্রে তার কর্তব্য কী। মিখায়েল ইয়ানোফ কুড়ি হাজার রুবল গচ্ছিত রেখেছিলেন দিমিত্রির কাছেঁড়াদিমিরকে দেবার জন্য। সে-টাকাই তো তাকে পেরনাউতে পৌঁছে দিয়েছেন দিমিত্রি। সে-টাকা থেকে আঠরো হাজার রুবল নিয়ে সে বেরিয়ে পড়লো ইয়োহাউজেন ব্রাদার্সদের খাজাঞ্চিখানার উদ্দেশে।

    তখন পাঁচটা বাজে; খাজাঞ্চিখানা বন্ধ হবে ছটার সময়;হুড়মুড় করে বেরিয়ে পড়লো চাদিমির। আর সময় নেই–খাজাঞ্চিখানা বন্ধ হবার আগে তাকে ওখানে গিয়ে পৌঁছুতেই হবে।

    কুড়ি মিনিটের মধ্যেই সে পৌঁছে গেলো; খাজাঞ্চির কাছে যেতেই তিনি তাঁকে ব্যাঙ্কের পরিচালকদের ঘর দেখিয়ে দিলেন। ইয়োহাউজেন ভাইরা নিজেরাই এ মামলাটার তত্ত্বাবধান করছেন। দুজনেই ঘরে ছিলেন তখন। ভ্লাদিমিরের পাঠানো কার্ড দেখে একজন বলে উঠলেন : ভ্লাদিমির ইয়ানোফ! নিকোলেফের তরফ থেকে এসেছে দেখা করতে। নিশ্চয় আরো সময় চাইবে।

    আর এক ঘণ্টা সময় দেয়া হবে না, নিষ্ঠুর গলায় ফ্রাঙ্ক ইয়োহাউজেন বললেন, কালকেই আমরা আইনের সাহায্য নেবো।

    ইয়ানোফকে ঘরে ডেকে পাঠানো হলো।

    ভ্লাদিমির ঘরে ঢুকেই খুব ঠাণ্ডা গলায় বললে, দিমিত্রি নিকোলেফ আপনাদের কাছে কিছু টাকা ধারেন–আজকেই সে-টাকা শোধ দেবার কথা, আপনারা সেজন্য সমনও পাঠিয়েছেন।

    তা পাঠিয়েছি।

    সুদ সমেত টাকার অঙ্ক হচ্ছে আঠারো হাজার রুবল?

    হ্যাঁ–কিন্তু আমরা আর সময় দিতে পারবো না

    সময় আপনাদের কাছে কে চেয়েছে? তাচ্ছিল্যের ভঙ্গিতে বললে ভ্লাদিমির।

    ফ্রাঙ্ক ইয়োহাউজেন বললেন, টাকাটা দুপুর বারোটার মধ্যে দেবার কথা ছিলো…

    তা তো না। আজকের মধ্যে দেবার কথা ছিলো। আর এখনো তো ছটা বাজেনি। আজকের তারিখ তো শেষ হয়ে যায়নি এখনো–অন্তত আমার তো তাই ধারণা।

    বিদ্রুপের ভঙ্গিটা ফ্রাঙ্ক ইয়োহাউজেনকে রুষ্ট করে তুললো।

    আঠারো হাজার রুবল নিয়ে এসেছেন আপনি?

    এই যে আপনার টাকা,ভ্লাদিমির ব্যাঙ্কনোটের তাড়াটা বাড়িয়ে ধরলো, কই, নিকোলেফের মুচলেকাটা কই?

    ইয়োহাউজেনরা যেমন আশ্চর্য তেমনি রুষ্ট হয়ে উঠলেন। উত্তর দেবার মতো মেজাজ তাঁদের ছিলো না। এভাবে মুখের গ্লাস পালিয়ে যেতে দেখে তংদের পক্ষে তুষ্ট হওয়া অসম্ভব ছিলো। একটা দেরাজের মধ্যে থেকে ছোটো ইয়োহাউজেন গিয়ে মুচলেকাটা বার করে আনলেন।

    ভ্লাদিমির মুচলেকাটা পরীক্ষা করে দেখলো ঠিক আছে। নোটের তাড়াটা বাড়িয়ে দিয়ে বললে, গুনে নিন।

    ফ্রাঙ্ক ইয়োহাউজেনের মুখটা কাগজের মতো শাদা হয়ে গেছে। কঁপা হাতে নোটের তাড়াটা তুলে নিয়ে গুনতে লাগলেন। ভ্লাদিমির ঘৃণাভরে তার দিকে। তাকিয়ে রইলো।

    হঠাৎ ফ্রাঙ্কের দুটি চোখ জ্বলে উঠলো। হিংস্র একটা আনন্দের ভাব ফুটে উঠলো তাঁর মুখে, মঁসিয় ইয়ানোফ, এই নোটগুলো চোরাই…

    চোরাই!

    হ্যাঁ। পোখ-এর ব্রীফ-কেস থেকে চুরি করা!

    অসম্ভব! পেরনাউতে দিমিত্রি নিকোলেফ আমাকে এ নোটগুলো দিয়েছিলেন।

    আমার বাবা ওর কাছে কিছু টাকা গচ্ছিত রেখেছিলেন, সেই টাকা…

    বাস্! তাহলে তো সব বোঝাই গেলো! গচ্ছিত টাকাটা তছরুপ করে ভদ্রলোক বিপাকে পড়েছিলেন–তারপর পোখকে খুন করে…

    ভ্লাদিমিরের গায়ে যেন শপাং পড়লো চাবুক।

    আমাদের খাজাঞ্চিখানায় চোরাই নোটগুলোর নম্বর আছে। এই দেখুন বলে টেবিলের টানা খুলে একটা কাগজ বার করে দেখালেন ফ্রাঙ্ক ইয়োহাউজেন, তাতে খুদে খুদে হরফে নোটের নম্বর টোকা।

    ভ্লাদিমিরের মাথাটা যেন ঘুরে গেলো। ওর মাথা আর কাজ করছে না। …সব গেলো, দিমিত্রির আর বাঁচবার আশা নেই। কিন্তু দিমিত্রি…দিমিত্রি নিকোলেফ… তার পক্ষে কি এ-কাজ সম্ভব? এই নৃশংস ও পৈশাচিক রক্তপাত!

    ছুটে বেরিয়ে এলো ভ্লাদিমির, সোজা রাস্তায়। পাগলের মতো ছুট লাগালো সে। তার বুকের মধ্যে রাগি ঝড় গজরাচ্ছে, মাথার মধ্যে ভোতা নিঃসাড় কষ্টের ভাব। নিকোলেফ নিশ্চয়ই ব্যাখ্যা করতে পারবেন সবকিছু–নিশ্চয়ই তিনি নির্দোষ–হ্যাঁ, নির্দোষ। নিকোলেফ নিরপরাধ–তার দ্বারা কোনো অপকর্ম সম্ভব নয়। কিন্তু…এই নোটগুলোই তো পেরনাউতে তার হাতে তুলে দিয়েছিলেন নিকোলেফ। তবে কি…

    বাড়িতে ঢুকে আর একমুহূর্ত দেরি করলো না ইয়ানোফ। সোজা সিঁড়ি বেয়ে উঠে গেলো উপরে, অধ্যাপকের ঘরে–চৌকাঠের কাছে দাঁড়িয়ে সে হাঁপাচ্ছে, কিছু ভাবতে পারছে না।

    দিমিত্রি নিকোলেফ টেবিলের কাছে বসে আছেন, শুকনো, বিষণ্ণ, জীর্ণ–দুই হাতে মাথা গুঁজে। পায়ের শব্দ শুনে তিনি মুখ তুলে তাকালেন। কী ব্যাপার ভ্লাদিমির!

    দিমিত্রি! ভ্লাদিমিরের গলা কি রকম আর্ত ও ভাঙা-ভাঙা। দিমিত্রি! খুলে বলো আমাকে, সব খুলে বলো!…আমি কিছুই বুঝতে পারছি না… না না, তা সম্ভব নয়। বাঁচাও নিজেকে…খুলে বলল।…আমি কি পাগল হয়ে যাচ্ছি?

    কিন্তু ব্যাপার কী ইয়ানোফ? আবার কি নতুন-কিছু ঘটলো? সাংঘাতিক কিছু? কী আমি খুলে বলবো তোমাকে…

    দিমিত্রি, এক ঘণ্টাও হয়নি, একটা সমন এসেছিলো তোমার নামে…

    ইয়োহাউজেনদের সমন!…তা এখন তো তুমি জানো আমার দশা! ওদের টাকা দেবার ক্ষমতা আমার নেই, আমি একেবারেই নিঃস্ব, দেউলে, কপর্দকশূন্য…এখন ভেবে দ্যাখো আমার মেয়েকে তুমি বিয়ে করবে কিনা…

    ইয়ানোফ তিক্তস্বরে বললে, দিমিত্রি, আমি তোমাকে বাঁচাতে চেয়েছিলুম!

    তুমি…

    পেরনাউতে তুমি আমাকে যে-টাকা দিয়েছিলে সে-টাকা–ঠিক সেই নোটগুলো নিয়ে গিয়েছিলুম আমি খাজাঞ্চিখানায়…

    তুমি গিয়েছিলে? কেন, ইয়ানোফ, কেন? মাত্র ঐ কটা টাকাই তো তোমার সম্বল- তোমার বাবা রেখে গিয়েছিলেন তোমার জন্য… ঐ টাকা কটা তুমি এভাবে নষ্ট করলে…

    দিমিত্রি, খুব নরমভাবে ভ্লাদিমির বললে, যে-নোটগুলো আমি ইয়োহাউজেনদের দিয়েছি, সেই নোটগুলো পোখ-এর ব্রীফ-কেস থেকে চুরি হয়েছিলো। ব্যাঙ্কের কাছে সব নম্বর আছে…

    ব্যাঙ্কনোট! যেন প্রচণ্ড নাড়া খেয়েছেন, এমন আর্তস্বরে চেঁচিয়ে উঠলেন নিকোলেফ যে পুরো বাড়ি কেঁপে উঠলো।

    ঠিক তক্ষুনি ঘরে এসে ঢুকলো ইক্কা আর জ; দেখলো যে ভ্লাদিমির দাঁড়িয়ে আছে বিবর্ণ, দু-হাতে মুখ ঢেকে আর নিকোলেফ যেন পড়ে আছেন মাটিতে, হতচেতন, মূৰ্ছায় নীল।

    কী ব্যাপার, কিছু জিগেশ না-করেই ভাইবোনে ছুটে গেলো বাবার দিকে। তাকে ধরে বসালো তারা, আস্তে-আস্তে শুশ্রূষা করে জ্ঞান ফেরালো তার। আর জ্ঞান ফিরতেই ভাঙা ফিশফিশে গলায় নিকোলেফ বিড়বিড় করে শুধু বললেন, চোরাই টাকা! চোরাই টাকা!

    বাবা! চেঁচিয়ে উঠলো ইলকা, ব্যাপার কী…

    ভ্লাদিমির,অনুনয় করে বললে জাঁ, কী হয়েছে বলে তো?

    কোনো রকমে উঠে দাঁড়লেন নিকোলেক, স্নাদিমিরের কাছে গিয়ে ভাঙা গলায় বললেন, আমি তোমাকে যে নোটগুলো দিয়েছিলুম, যে নোটগুলো তুমি ইয়োহাউজেনদের কাছে নিয়ে গিয়েছিলে, সেই নোটগুলো পোখ-এর ব্রীফ-কেস থেকে চুরি গিয়েছিলো!

    হ্যাঁ।

    তাহলে আর আশা নেই আমার। সব শেষ…

    ছুটে বেরিয়ে গেলেন তিনি ঘর থেকে; উন্মাদের মতে, আর্তের মতো বেরিয়ে পড়লেন তিনি রাস্তায়, মুখে মরীয়া হতাশার ছাপ, চোখদুটো জ্বলন্ত, কোটরে ঢাকা, গাল ভাঙা, চোয়াল বেরিয়ে আছে; আর ফ্যাশফেঁশে ছেঁড়া-ছেঁড়া গলায় শুধু বলছেন, সব শেষ…সব শেষ…

    রিগায় তখন রাত্রি নেমেছে, কালো অন্ধকারে ঢাকা সব। নিকোলেফকে দেখা গেছে শহরতলি দিয়ে টলতে-টলতে যেতে। ভ্লাদিমির দৌড়ে এসেছে পিছন পিছন, হতভম্ব ভাবটা কাটতেই; এসেছে ইক্কা আর জাঁ-ও। শহর ফেলে এলো তারা পিছনে। সামনে পড়ে আছে পেরনাউয়ের রাস্তা, ফাঁকা, অন্ধকার, থমথমে। কেউ কোনো কথা বলছেনা…চুপচাপ এগুচ্ছে তিনজনে।

    আরো কিছুদুর এগুতেই তারা লাশটা দেখতে পেলে।

    পড়ে আছে দিমিত্রি নিকোলেফের মৃতদেহ, পাশে পড়ে রক্তরাঙা তীক্ষ্ণধার ছুরি…জা আর ইলকা নুয়ে পড়লো বাবার মৃতদেহের উপরে। ইয়ানোফ গেলো কাছাকাছি বাড়িগুলো থেকে সাহায্য চাইতে। সাহায্যের চেষ্টা অর্থহীন। বেঁচে নেই নিকোলে। কিন্তু…

    কয়েকজন চাষী স্ট্রেচার নিয়ে এলো। ধরাধরি করে তাকে ফিরিয়ে আনা হলো বাড়িতে। এলেন ডাক্তার হামিনে শুধু মৃত্যুর অব্যবহিত কারণটা লিখে দেবার জন্য।

    ঠিক যেমনভাবে পোখ-এর হৃৎপিণ্ডে ছুরি ঢুকেছিলো, সজোর ও আমূল, নিকোলেফের হৃৎপিণ্ড ভেদ করে তেমনি ঢুকেছে ছুরি।

    যখন দেখলেন সব শেষ হয়ে গেছে, যখন দেখলেন কোথাও কোনো আশা নেই, তখন আত্মহত্যা করেই পাপের প্রায়শ্চিত্ত করেছেন দিমিত্রি নিকোলে।

    যেন কোনো রহস্য নাটকের মূক শেষ দৃশ্য এইভাবে হতবাক, বিষণ্ণ ও স্তম্ভিত পাত্রপাত্রীরা কলের পুতুলের মতো অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে রইলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }