Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    জুল ভার্ন এক পাতা গল্প759 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩. কন্‌গ্রের দামামা

    ৩. কন্‌গ্রের দামামা

    বাস্‌কেথ, ফিলিপ আর মরিস যদি কখনও একবার স্টটেন আইল্যাণ্ডের পশ্চিম দিকটায় জরিপে বেরুতো, তাহ’লে দেখতে পেতো যে সেদিককার উপকূলরেখা বেশ অন্যরকম। খাড়া-খাড়া পাহাড় দিয়ে গড়া এই অংশটা যেন অতর্কিতে হুড়মুড় ক’রে সমুদ্র থেকে মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। অন্যখানে যখন বেশ শান্ত আবহাওয়া, তখনও এখানে জলের মধ্যে ঢেউ আর ঘূর্ণির দাপট ভয়ংকর।

    এই পাহাড়গুলোর গায়ে অজস্র গুহা পাতালপ্রসারী হাঁ করে দাঁড়িয়ে আছে। সংকীর্ণ, গভীর, স্যাঁতসেঁতে আর অন্ধকার। চারপাশে উঁচু-উঁচু ঢিবির মতো পাথরের স্তূপ। দ্বীপের মধ্যেকার সমতলভূমিটায় যেতে হ’লে অন্তত হাজার দুই ফুট উঁচু চূড়া আর মাইল পনেরো পথ পেরুতে হবে এখান থেকে। সমুদ্র এখানে এতটাই ভয়ংকর যে দ্বীপের এই দিকটাতেও একটা বাতিঘর বানালে ভালো হ’তো। আশা করা যায়, আরহেন্তিনার সরকারের পন্থানুসরণ ক’রে চিলের সরকার হয়তো একদিন সে-চেষ্টা করবে।

    কিন্তু আসল কথাটা হ’লো, স্টটেন আইল্যাণ্ডের দু-দিকে দুটো বাতিঘর তৈরি করা হ’লে এই এলাকার জলদস্যুদের পক্ষে ব্যাপারটা রীতিমতো সঙিন হ’য়ে দাঁড়াবে। অনেকেরই ধারণা, এখানকার সমুদ্রে যত জাহাজডুবি হয় তার সব কটাই প্রকৃতির কৃপায় নয়, বরং বোম্বেটেদের বদান্যতায়। এখানকার জলে জলদস্যুদের উৎপাত অবর্ণনীয়রকম ভয়াবহ।

    ক-বছর আগে ইগোর উপসাগরে ঢোকবার মুখটায় বোম্বেটেদের একটা দল একটা ঘাঁটি তৈরি করেছিলো। দ্বীপের এই পশ্চিম দিকেই লুকিয়ে থাকবার মতো একটা গভীর গুহা তারা আবিষ্কার করেছিলো। স্টটেন আইল্যাণ্ডে কখনোই কোনো জাহাজ আসতো না ব’লে এটা তাদের একটা নিরাপদ আশ্রয় হ’য়ে উঠেছিলো। এই বোম্বেটেদের দলে মোটমাট জনা বারো লোক। তাদের সর্দারের নাম কনগ্রে। আর কন্‌গ্রের প্রধান শাগরেদ হ’লো সের্‌সান্তে

    সবাই তারা দক্ষিণ আমেরিকার লোক। জনা পাঁচেক হয়তো আরহেন্তিনা বা চিলের লোক, বাকি সবাই তিয়েরা দেল ফুয়েগোর বাসিন্দা। এরা সবাই কন্‌গ্রের পাল্লায় প’ড়ে জলদস্যু ব’নে গিয়েছিলো।

    সের্‌সান্তে চিলের লোক। তবে চিলের কোন গাঁয়ে তার জন্ম, কিংবা সে কোন পরিবারের মানুষ, তা কেউ জানতো না। কোনকিস্তাদোরদের সুযোগ্য এই বংশধরটির বয়স বছর চল্লিশ, দোহারা চেহারা, গায়ে প্রচণ্ড জোর, আর প্রচণ্ড খাটতেও পারে। দুনিয়ায় এমন-কোনো দুষ্কর্ম নেই যা সে করতে পারে না।

    আর বোম্বেটেদের সর্দার কন্‌গ্রে জীবনের কোনো তথ্যই কেউ জানতো না। সে-যে কোথাকার লোক, তা পর্যন্ত সে ঘুণাক্ষরেও কারু কাছে ফাঁস করেনি। সত্যি-সত্যিই তার নাম কনগ্রে কি না, তাও কারু জানা ছিলো না। সমুদ্রের এদিকটায় কন্‌গ্রের দলবলের কুকীর্তির কথা সবাই জানে। নিজে সে বেপরোয়া মানুষ, সেও দানবের মতো খাটতে পারে। অন্য-কোনো পেশা বেছে নিলে সে মস্ত নাম করতে পারতো, কিন্তু স্বেচ্ছায় সে জলদস্যুর জীবন বেছে নিয়েছে। বোম্বেটে বলতে যা বোঝায়, সে আপাদমস্তক তাই : সবরকম কুকাজেই সে সমান ওস্তাদ। ওয়ালটার রলে বা ফ্রানসিস ড্রেকও বোধহয় দস্যুবৃত্তিতে তার সঙ্গে পাল্লা দিতে পারতো না।

    কী ক’রে যে কন্‌গ্রে আর তার সাঙ্গোপাঙ্গরা এই দ্বীপে এসে আশ্রয় নিয়েছিলো খুব সংক্ষেপেই তা সেরে নেয়া যায়।

    ফাঁসিতে ঝোলবার উপযোগী বিস্তর অপকর্ম ক’রে মাগেলান প্রণালীর প্রধান বন্দর থেকে চম্পট দিয়ে তিয়েরা দেল ফুয়েগোয় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলো এই মানিকজোড়-কন্‌গ্রে আর সের্‌সান্তে। সেখানে ডেরা পাতবার সঙ্গে-সঙ্গেই তাদের কানে গিয়েছিলো যে সমুদ্রের এদিকটায় প্রায়ই জাহাজডুবি হয়। তার মানে, স্টটেন আইল্যাণ্ডের আশপাশে নানা জায়গা নিশ্চয়ই জাহাজডুবির দামি-দামি মালে ভরা; এ-রকম একটা কথা মাথায় খেলে যেতেই তিয়েরা দেল ফুয়েগোর ডাকাবুকো জনা বারো লোক নিয়ে কে আর সের্‌সান্তে একটা দুর্দান্ত দল গ’ড়ে তুলেছিলো।

    একটি জেলে নৌকোয় করে লেময়র প্রণালী পাড়ি দেবার সময় কলনেট অন্তরীপের পাহাড়ে ঘা খেয়ে তাদের নৌকো ভেঙে টুকরো-টুকরো হ’য়ে যায়। অনেক কষ্টে তারা সেবার প্রাণে বেঁচেছিলো। তারপর পায়ে হেঁটে ইগোর উপসাগরের কাছে এসে পৌঁছেছিলো। সেখানে তাদের নিরাশ হ’তে হয়নি। সান হুয়ান অন্তরীপ থেকে সেভারেল পয়েন্ট অব্দি জায়গায় অগুনতি জাহাজডুবির মাল তাদের দখলে এসেছিলো। বড়ো-বড়ো সিন্দুক থেকে অজস্র সোনারুপোর তাল, অস্ত্রশস্ত্র, পিস্তল-বন্দুক, গুলি-বারুদ লাভ করেছিলো তারা। এই ভয়াবহ স্টটেন আইল্যাণ্ডের কথা নাবিকদের অজানা ছিলো না। যত-কটি জাহাজ ঝড়ের কবলে প’ড়ে এদিকে এসেছে, তাদের একটিও উপকূলের পাহাড়ের সঙ্গে সংঘর্ষ থেকে রেহাই পায়নি। কন্‌গ্রে আর তার দলবল উপসাগরের মাঝখানে আশ্রয় না-নিয়ে সান হুয়ান অন্তরীপের ওপর নজর রাখবার জন্যে এর প্রবেশপথের ডানদিকে আস্তানা গেড়েছিলো। গোটা দলটার থাকবার উপযোগী মস্ত একটা গুহাও চোখে পড়েছিলো তাদের। উপসাগরের উত্তর দিকে একটা টিলার পেছনে গুহাটার অবস্থান ব’লে ঝড়ের প্রকোপ থেকে রেহাই পাবারও সুবিধে হয়েছিলো। তারা প্রথমেই তাদের সমস্ত মালপত্তর নিয়ে গুহায় বোঝাই করেছিলো, এমনকী খাবারদাবার ও বিছানাপাটির ব্যবস্থা করতেও ভোলেনি। এই গুহারই কাছাকাছি অন্য-একটা গুহায় বেশি দামি মালপত্র, যেমন সোনা-রুপো ধনরত্ন ইত্যাদি দিয়ে বোঝাই ক’রে রীতিমতো একটি রত্নভাণ্ডার বানিয়ে তুলেছিলো। কন্‌গ্রের মলব ছিলো কোনো জাহাজ দখল করতে পারলে সমস্ত মালপত্র নিয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের কোনো দ্বীপে চ’লে যাবে। তার বোম্বেটে-জীবনের হাতেখড়ি ঐ এলাকাতেই হয়েছিলো ব’লে অঞ্চলটার ওপর অদ্ভুত এক মমতা ছিলো তার। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনো সুযোগ না-আসায় এই জলদস্যুর দল স্টটেন আইল্যাণ্ড ছেড়ে চ’লে যেতে পারেনি।

    দু-বছর ধরে ক্রমাগত লুঠতরাজ চালিয়ে-যাওয়ার দরুন তাদের ধনভাণ্ডার ক্রমশ ফেঁপে উঠেছে। জাহাজডুবি থেকেও প্রচুর লাভবান হয়েছে তার দল। দরকার হ’লে হিংস্র লুঠতরাজ চালাতেও একটু পেছপা হয়নি। কিন্তু তবু এই দ্বীপে প্রায় বন্দীর মতোই থেকে গিয়েছে তারা। আজ অব্দি তারা কোনো অটুট জাহাজ দখল করতে পারেনি।

    দিনের পর দিন কেটে যায়। লুঠপাটের ফলে রত্নগুহা ভর্তি হ’য়ে যেতে থাকে। কন্‌গ্রের ঐশ্বর্য প্রায় কিংবদন্তির পর্যায়েই চ’লে যায়।

    সের্‌সান্তের সঙ্গে এই নিয়ে কন্‌গ্রে প্রায়ই আলোচনা করে। তার কাছে মনে হয় এত ধনরত্ন যদি ভোগেই না-আসে তাহ’লে খামকা এ-সব জমিয়ে কী লাভ? জলদস্যু হবার পর এমন-একটা দুর্ভাগ্য যে তাদের তাড়া ক’রে ফিরবে তা কে জানতো?

    অন্যান্য দিনের মতো সেদিনও সের্‌সান্তে বললে, ‘যদি একটা জাহাজ এই দ্বীপে নোঙর ফেলতো, আর আমরা যদি সেটা দখল ক’রে নিতে পারতুম! কিন্তু হায়, সে-রকম ভাগ্য ক’রে বোধহয় আসিনি আমরা।’

    কন্‌গ্রে দৃঢ় কণ্ঠে বললে, ‘কিন্তু যেভাবেই হোক এখান থেকে আমাদের পাততাড়ি গুটোতে হবে। এখান থেকে যেতেই হবে!’

    ‘কিন্তু কী ক’রে।’ সের্‌সান্তের সেই পুরোনো জিজ্ঞাসা।

    এ-প্রশ্নের অবশ্য কোনো জবাব আসে না। কন্‌গ্রে চুপ ক’রেই রইলো।

    সের্‌সান্তে বললে, ‘একদিন-না-একদিন আমাদের রসদ তো ফুরিয়ে যাবেই। যতদিন দ্বীপের আশপাশে মাছ না-ফুরোয় আর শিকার জোটে, ততদিনই ভরসা। তারপর একবার শীতের কথা ভাবো দেখি! শীতের কথা মনে হ’তেই এখনই আমার গায়ের লোম কাঁটা হ’য়ে যায়।’

    কন্‌গ্রে কোনোই জবাব দিলে না। মনোভাব চেপে রাখতে তার কোনো জুড়ি নেই। কিন্তু তবু এই অসহায়তার কথা মনে ক’রে মাঝে-মাঝে সে ভীষণ খেপে উঠতো। ভাগ্যের ওপর তার কোনো হাত নেই, নেহাৎ হাত না-কামড়ানো ছাড়া। কিন্তু এই কাহিনী শুরু হবার বছর দেড়েক আগে হঠাৎ একদিন অবস্থা বদলে গিয়েছিলো।

    ১৮৫৮-র অক্টোবর মাসের গোড়ার দিকে দ্বীপে হঠাৎ একটি জাহাজ এসে ভিড়েছিলো। তার মাস্তুলে পৎপৎ করে উড়ছিলো আরহেন্তিনার পতাকা। কন্‌গ্রে আর তার দলবল দেখবামাত্রই চিনতে পেরেছিলো যে এটি একটি যুদ্ধজাহাজ। সুতরাং অযথা কাছে ঘেঁষবার দুঃসাহস না-দেখিয়ে, তাদের উপস্থিতির সমস্ত চিত্র লোপাট ক’রে দিয়ে, গুহার ভেতরে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলো তারা, সারাক্ষণ অপেক্ষা ক’রে ছিলো কখন জাহাজটি দ্বীপ থেকে ফিরে যায়। জাহাজটি ছিলো সান্তা-ফে। বাতিঘর তৈরির বিষয়টার সুষ্ঠু ব্যবস্থা করতেই সান্তা-ফের এই আবির্ভাব ঘটেছিলো। সেবার দিন কয়েক বাদেই প্রাথমিক কাজকর্ম শেষ ক’রে সান্তা ফে দ্বীপ ছেড়ে চ’লে গিয়েছিলো। বোম্বেটে দল মোটেই ধরা পড়েনি। বরং সের্‌সান্তে এক অন্ধকার রাত্রে সান্তা-ফের কাছাকাছি লুকিয়ে-লুকিয়ে ঘোরাঘুরি করে টুকরোটাকরা কথাবার্তা শুনে জাহাজটি কেন দ্বীপে এসেছে তার আসল উদ্দেশ্যটা জেনে ফেলেছিলো।

    ইগোর উপসাগরে একটি বাতিঘর তৈরি হবে।

    অথচ এই দ্বীপ ছেড়ে অন্য কোথায় গিয়েই বা তারা আশ্রয় নেবে?

    কিন্তু এখানে তো আর থাকা চলে না। আঁতিপাঁতি ক’রে আরো ভালো একটা আস্তানা খুঁজেছিলো কন্‌গ্রে। শেষ অব্দি স্টটেন আইল্যাণ্ডের পশ্চিম দিকে একটা নতুন গুহার সন্ধান পেয়ে সমস্ত মালপত্র স্থানান্তরিত করেছিলো। এক বছরেরও বেশি থাকবার উপযোগী রসদ নিয়ে সেখানেই তারা উঠে গিয়েছিলো। কারণ, সের্‌সান্তে জেনে এসেছিলো, বাতিঘর তৈরি করবার জন্যে শিগগিরই অনেক লোকজন এই দ্বীপে এসে হাজির হবে। কিন্তু দু-দুটো গুহার মালপত্র সরিয়ে নেবার সময় ছিলো না ব’লে বেশির ভাগ মালপত্র সরিয়ে নিয়ে, গুহার মুখটা ভালো ক’রে পাথর-টাথর দিয়ে বন্ধ ক’রে, বাকি জিনিশপত্র, সেখানে রেখেই দ্বীপের পশ্চিমদিকটায় তারা প্রস্থান করেছিলো।

    বোম্বেটেরা নতুন গুহায় চ’লে যাবার পাঁচ দিনের মধ্যেই সান্তা-ফে বাতিঘর তৈরির মালমশলা আর লোকজন সমেত আবার দ্বীপে এসে হাজির হয়েছিলো। বাতিঘর বানাবার জায়গা বেছে নেয়া হ’লো, যথারীতি কাজও শুরু হ’য়ে গেলো।

    অনিচ্ছাসত্ত্বেও তাই দ্বীপের পশ্চিম দিকের গুহায় আশ্রয় নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিলো বোম্বেটেদের। একটি ঝরনা থেকে তারা তাদের পানীয় জল সংগ্রহের ব্যবস্থা করেছিলো। মাছ ধ’রে, এবং একআধটু শিকারের সাহায্যে, তাদের জমানো রসদ কম ক’রে খরচ করারও আয়োজন করেছিলো তারা। তারা শুধু অপেক্ষা ক’রে ছিলো কবে এই বাতিঘরের নির্মাণ শেষ হয়, কবে সান্তা-ফে তার কাজ সেরে চ’লে যায়। তারপরেই বেজে উঠবে কন্‌গ্রের দামামা। আকাশবাতাস কেঁপে উঠবে তখন তার ভীষণ শব্দে

    কন্‌গ্রে আর সের্‌সান্তে দ্বীপের ঘটনাবলির ওপর তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছিলো। বাতিঘর তৈরির কাজ কখন শেষ হবে, তার মোটামুটি একটা আন্দাজ কে করেছিলো কাজের গতি দেখে; অধীরভাবে সে প্রতীক্ষা করছিলো ডিসেম্বর মাসের জন্যে, সে ধ’রে নিয়েছিলো তখনই বাতিঘর তৈরির কাজ শেষ হবে। আর তারই ওপর নির্ভর ক’রে সে তার ফন্দি এঁটেছিলো : বাতিঘর বানিয়ে, আলোকরক্ষীদের রেখে, সান্তা ফে চ’লে যাবে—তখন শুধু ক-জন আলোকরক্ষী ছাড়া দ্বীপে আর-কেউ থাকবে না। তাই পুরো সময়টাই তাদের দলের কেউ-না-কেউ সাত-আট মাইল দূরের পাহাড়ের চুড়োয় দাঁড়িয়ে বাতিঘরের আলো দেখতে পাবার প্রতীক্ষা করতো। নয় ডিসেম্বরের রাত্রে সের্‌সান্তেই খবরটা নিয়ে আস্তানায় পৌঁছেছিলো।

    তারপরের কয়েকটা দিন কেটেছে ঘটনাবিহীন। কিন্তু সেদিন যখন শিকার করবার সময় সের্সান্তে তার বন্দুকের গুলিতে একটি গুঅনাকোকে জখম করলে, সেটি কিন্তু বেশ খানিকটা ছুটে গিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েছিলো—আর সেটাকে আবিষ্কার করেছিলো মরিস। ওই ঘটনার ফলেই বাস্‌কেথরা জেনে গেলো যে দ্বীপে আরো লোক আছে, তবে তারা যে কে, সে-সম্বন্ধে কিছুই জানা নেই। এই লোকগুলো যখন খোলাখুলি তাদের সামনে আসতে চাচ্ছে না, তখন তাদের মলব খুব-একটা সুবিধের হবে ব’লে বাকেথের মনে হয়নি।

    এদিকে কন্‌গ্রে ফন্দি এঁটেছিলো যে ২২ ডিসেম্বর রওনা হ’য়ে, বড়োদিনের আগের দিন সন্ধেয়, অর্থাৎ ২৪ ইগোর উপসাগরের কাছে গিয়ে হাজির হবে। বাতিঘর দখল করতে আর কতক্ষণ লাগবে? মাত্র তো তিনজন আলোকরক্ষীই আছে, সম্পূর্ণ অরক্ষিত ও অপ্রস্তুত। এর পর ফের আগের গুহায় মালপত্তর সরিয়ে ফেলা যাবে।

    আশঙ্কা অবিশ্যি একটা র’য়ে গেলো। সান্তা-ফে নিশ্চয়ই ফিরে গিয়ে নতুন বানানো বাতিঘরের কথা সাড়ম্বরে প্রচার করবে। সুতরাং কোনো-একটি জাহাজ, খুব বড়ো না-হোক মাঝারি মাপের চাই অন্তত, শিগগিরই জোগাড় ক’রে নিতে হবে। কনগ্রের পরিকল্পনা ছিলো, এ-রকম কোনো জাহাজ পেলেই সেটা দখল ক’রে সোজা আগেকার মৎলব অনুযায়ী প্রশান্ত মহাসাগরে পাড়ি দেবে। কিন্তু কোনো জাহাজ যদি এখানে নোঙর না-ই ফ্যালে, তখন? সান্তা-ফে ফিরে এলে সব ভণ্ডুল হ’য়ে যাবে, আবার পড়ি কি মরি ক’রে ছুটে পশ্চিম দিকে পালিয়ে আসতে হবে। কাজেই এই পরিকল্পনাটা কিছুতেই ভেস্তে দিতে দেয়া চলবে না।

    ২২শে ডিসেম্বর সন্ধেবেলায় কন্‌গ্রে আর সের্‌সান্তে তাদের গুহার পাশে সমুদ্রের ধারে হাঁটতে-হাঁটতে ওস্তাদ মাঝিমাল্লার মতো সমুদ্রকে খেয়াল ক’রে দেখছিলো। আবহাওয়া চমৎকার। দিগন্তে অবশ্য মেঘ জমেছে একটু, উত্তরপুব থেকে জোর হাওয়া দিচ্ছে। তখন সন্ধে সাড়ে-ছটা। কন্‌গ্রে আর তার স্যাঙাত্রা আগেকার পরিকল্পনা অনুযায়ী যাবার জন্যে তৈরি, এমন সময়ে সের্‌সান্তে জিগেশ করলে, ‘তাহ’লে আমরা আমাদের সব মালপত্তর এখানে ফেলে রেখেই যাচ্ছি, তাই তো?’

    কন্‌গ্রে জবাব দিলে, ‘হ্যাঁ, ওগুলো বরং পরে নিয়ে গেলেই সুবিধে হবে। আমরা যখন সে-জায়গা দখল ক’রে নেবো, তখন…’ মুখের কথা মুখেই রইলো তার। খোলা সমুদ্রের পানে চোখ পড়তেই সে একটু থমকে গিয়ে চেঁচিয়ে উঠলো, ‘সের্‌সান্তে! দ্যাখো! ঐদিকে তাকিয়ে দ্যাখো—ঐ-যে দূরে-

    তার দেখানো দিকটায় তাকিয়েই সের্‌সান্তেও চেঁচিয়ে উঠলো, ‘জাহাজ- কোনো ভুল নেই—একটা জাহাজ!

    ‘কী মনে হয়?’ কন্‌গ্রে বললে, ‘জাহাজটা তো এদিকেই আসছে, তাই না?‘

    ‘হ্যাঁ। দেখে তো মনে হচ্ছে একটা স্কুনার,’ সের্‌সান্তে জানালে।

    কন্‌গ্রেও সায় দিলে, ‘ঠিকই বলেছো। দেড়শো-দুশো টনের একটা স্কুনার।‘

    জলদস্যুর দল তক্ষুনি গুহার সামনে ভিড় ক’রে দাঁড়ালে। কন্‌গ্রে বললে, ‘কোনোমতেই এ-সুযোগ হারানো চলবে না। এটাকেই দখল করার চেষ্টা করতে হবে। ঐ দ্যাখো, হাওয়া আর জোয়ারের বিরুদ্ধে কেমনভাবে লড়ছে জাহাজটা—মনে হচ্ছে বেশ মজবুত!’

    রাত ঘন হ’য়ে এলো। প্রণালীর মধ্যে প্রবেশ করা এখন আর সম্ভব হবে না। কালও এটাকে অন্তরীপের পথেই দেখা যাবে। তারপর বোঝা যাবে আমরা কী করতে পারি।’

    ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই জাহাজটা অন্ধকারের মধ্যে বেমালুম হারিয়ে গেলো। এমনকী তার কোনো আলো অব্দি চোখে পড়লো না।

    পরদিন ভোরবেলায় কন্‌গ্রেরা যখন গুহার ভেতর থেকে বেরুলো, দেখতে পেলে সেন্ট বার্থলেমিউ অন্তরীপের পাহাড়ের নিচে স্কুনারটা স্থির হ’য়ে দাঁড়িয়ে আছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }