Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    জুল ভার্ন এক পাতা গল্প759 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. উপসাগর ছাড়িয়ে

    ১১. উপসাগর ছাড়িয়ে

    পঁচিশে ফেব্রুয়ারি সকালের দিকেই আবহাওয়া বেশ শান্ত হ’য়ে গেলো। কন্‌গ্রে আকাশের দিকে তাকিয়ে ঠিক করলে সেদিনই সে সদলবলে দ্বীপ ছেড়ে চলে যাবে। বিকেলবেলার মধ্যেই যাতে নোঙর তুলতে পারে, তার জন্যে জোর প্রস্তুতি চলতে লাগলো। তবে সন্ধে ছ-টা নাগাদে জোয়ার বইবে : জোয়ারের সময়ই রওনা হওয়া সুবিধের।

    যদি পারতো, তবে সকালবেলাতেই জাহাজ ছাড়তো কন্‌গ্রে। কিন্তু এত ঘন হ’য়ে কুয়াশা পড়েছিলো যে তার সেই আশা সফল হয়নি। জাহাজে এত মাল বোঝাই করা হয়েছিলো যে, জাহাজটি সাধারণ অবস্থায় জলের নিচে যতটুকু ডুবে থাকতো, তার চেয়েও কয়েক ইঞ্চি বেশি ডুবে গিয়েছিলো।

    দুপুরবেলায় বাতিঘরের সামনেটায় হাঁটতে-হাঁটতে সের্‌সান্তে কনগ্রেকে বললে : ‘কুয়াশা ক্রমেই স’রে যাচ্ছে। একটু বাদেই সমুদ্র পরিষ্কার হ’য়ে যাবে। সাধারণত এ-রকম কুয়াশা পড়লে ঝড় থেমে যায়, আবহাওয়া শান্ত হ’য়ে ওঠে, আর জোয়ার একটু তাড়াতাড়ি শুরু হয়।’

    ——জোয়ারের সময়ই আমরা জাহাজ ছাড়বো। আর একবার যদি এখানকার উপসাগর ছাড়িয়ে যেতে পারি, তবে আর আমাদের কে আটকায়?’ কন্‌গ্রের গলায় শুধু আশাই নেই, হর্ষও ছিলো।

    ——তা ঠিক। তবে রাতটা ঘুটঘুটে অন্ধকার হবে ব’লে মনে হচ্ছে। আজ সবে প্রতিপদ কি না, তাই চাঁদও উঠবে ভোরবেলার দিকে।’

    —’তাতে কিছুই এসে-যায় না। চাঁদ-তারা গ্রহ-নক্ষত্র এদের আমি থোড়াই তোয়াক্কা করি। এ-অঞ্চলটা আমার নখদর্পণে।’

    –’কালকের মধ্যেই আমাদের অনেক দূরে সটকে-পড়া চাই, ওস্তাদ।’ –’কাল আমরা সেন্ট বার্থোলোমিউ পেছনে ফেলে দূর সমুদ্দুরে গিয়ে পড়বো। আশা করি সন্ধের আগেই কুড়ি মাইল এগিয়ে যেতে পারবো।’

    —’এখানে কিন্তু ভয়ানক দেরি হয়ে গেলো, ওস্তাদ।’

    ——সেজন্যে তোমার আপশোশ হচ্ছে?’

    ——আপশোশ আর কীসের? এখানে বরং আমাদের প্রচুর লাভই হয়েছে।…তবে একটা খটকাও আছে বৈ-কি। ঐ তিন নম্বর আলোকরক্ষীটি যে কোথায় উধাও হ’য়ে গেলো তার আর কোনোই হদিশ মিললো না। এই দু-মাসে নিশ্চয়ই লোকটা না-খেতে পেয়েই মরেছে। তবে যদি ম’রে না-গিয়ে থাকে—’

    –’সান্তা-ফে আসার আগেই যে আমরা রওনা হ’তে পারছি, এটা কিন্তু আমাদের মস্ত সৌভাগ্য।’

    —’বাতিঘরের কাগজপত্তর অনুযায়ী আর হপ্তা খানেকের মধ্যেই তার এসে পড়ার কথা।’

    ——সেই এক হপ্তায় আমরা এখান থেকে অনেক দূরে চ’লে যাবো।’

    ——যা বলেছো, ওস্তাদ। হ্যাঁ, ভালো কথা। একবার বরং লণ্ঠনঘরে গিয়ে শেষবারের মতো সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে নিই। যদি কোনো জাহাজ চোখে পড়ে – ‘

    কাঁধ ঝাঁকিয়ে তাচ্ছিল্যের সুরে কন্‌গ্রে বললে—’যদি চোখেও পড়ে, তাতে আমাদের কিছুই এসে যাবে না। সের্‌সান্তে জাহাজের কাগজপত্র সব ঠিক আছে। প্রশান্ত আর অতলান্তিক মহাসাগর সকলের কাছেই অবাধ, মুক্ত। সুতরাং মিথ্যে ভয় পাবার কিচ্ছু নেই। আমরা নিশ্চিন্তে সে-জাহাজকে পাশ কাটিয়ে চলতে পারবো।’

    তার উদ্দেশ্য যে সিদ্ধ হবে, এ-সম্বন্ধে কন্‌গ্রের মনে কোনোই সন্দেহ বা সংশয় ছিলো না। আর সব দেখে-শুনে এও মানতে হয় যে এ-যাবৎ সবকিছুই তার পক্ষে গেছে।

    সের্‌সান্তে আলোকস্তম্ভের লণ্ঠনঘরে গিয়ে হাজির হলো। চারপাশে ভালো ক’রে নজর বোলালো সে। প্রায় ঘণ্টাখানেক সে সেখানে কাটিয়ে দিলে। ধীরে-ধীরে তারই মধ্যে কুয়াশা কেটে গিয়েছে। নীল আকাশ এসে যেখানে সমুদ্রের সুনীলে মিশেছে, সেই দুই-নীলে-মেশা দিগন্তের দিকে বার-কয়েক তাকালে সের্‌সান্তে। সমুদ্র যদিও এখনও বেশ দামাল, তবু ভয়ের কিছু নেই—তার টালমাটাল ভাবটা ক্রমেই শান্ত হ’য়ে আসছে। অনেক দূরে, একেবারে দিগন্তের কাছে, সের্‌সান্তে একটা জাহাজ দেখতে পেলে। তখন বেলা প্রায় দুটো বাজে। টেলিস্কোপ ছাড়াই খালি চোখেই জাহাজটাকে দেখা যাচ্ছিলো। জাহাজটি প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে চলেছে। যতক্ষণ-না সেটা দৃষ্টির বাইরে চ’লে গেলো সের্সান্তে সারাক্ষণ সেটার ওপর চোখ রাখলে।

    কিন্তু এরই ঘণ্টাখানেক বাদে উত্তর-পুব দিকে কী-একটা দেখে বেশ-একটু উদ্বিগ্নই হ’য়ে পড়লো সে। অনেক দূরে একটা স্টীমারের কালো ধোঁয়া দেখা যাচ্ছে। এও বোঝা গেলো, স্টীমারটির লক্ষ্য স্টটেন আইল্যাণ্ড। সের্‌সান্তে বেশ অস্বস্তি বোধ করলে। সান্তা-ফে নয়তো? না, তা-ই বা কী করে হয়? আজ সবে পঁচিশে ফেব্রুয়ারি, আর সান্তা ফের আসবার কথা তো সেই মার্চের প্রথম সপ্তাহে। তাহ’লে কি নির্দিষ্ট সময়ের আগেই সান্তা ফে চ’লে আসছে দ্বীপে? তা যদি হয় তাহ’লে মুশকিল। শেষটায় কি তাহ’লে কূলে এসে তরী ডুববে?

    লণ্ঠনঘর থেকে নিচের দিকে তাকিয়ে দেখলে সে। তাদের জাহাজ দিব্যি নিশ্চিন্ত হ’য়ে নোঙর ফেলে দাঁড়িয়ে। যাত্রার জন্যে তৈরি হ’য়েই আছে, শুধু নোঙর তোলবার যা দেরি। কিন্তু জোয়ার আসার আগে প্রতিকূল হাওয়ার সঙ্গে যুঝে বারদরিয়ায় গিয়ে পড়া তার পক্ষে সম্ভব নয়। কাজেই ঐ স্টীমারটি আসার আগে তাদের জাহাজ রওনা হ’তে পারবে না। আর স্টীমারটি সান্তা ফে হয় –

    সের্‌সান্তে ভাবনায় প’ড়ে গেলো। কিন্তু কনগ্রেকে বিরক্ত করতে না-গিয়ে সে একাই লণ্ঠনঘরে বসে রইলো। স্টীমারটি খুব দ্রুতবেগে এগিয়ে আসছে। যে-রকম দ্রুত আসছে, তাতে সান্ হুয়ান অন্তরীপে পৌঁছুতে তার খুব বেশি দেরি হবে না। টেলিস্কোপ থেকে সে আর চোখ সরালে না। স্টীমারটি ক্রমেই যত কাছে আসছে, ততই তার উদ্বেগও বাড়ছে। কিন্তু একটু বাদে সে যখন স্টীমারটিকে দেখতে পেলে তখনই তার ভয়ডর সব উবে গেলো। খুবই ছোটোখাটো একটা স্টীমার। সান্তা ফে কিছুতেই নয়। সান্তা-ফে যখন স্টটেন আইল্যাণ্ডে ছিলো, তখন সেটাকে সে ভালো ক’রেই লক্ষ ক’রে দেখেছে।

    আহ্! সে একটা নিশ্চিন্ত আরামের নিশ্বাস ফেললে। কী ভাবনাই যে হয়েছিলো! ভাগ্যিশ আর কাউকে স্টীমারটির খবর দিয়ে মিথ্যেমিথ্যি ঘাবড়ে দেয়নি! আরো এক ঘণ্টা লণ্ঠনঘরে থেকে গেলো সে। দেখতে পেলে, জাহাজটা স্টটেন আইল্যাণ্ডের উত্তরে তিন-চার মাইল দূর দিয়ে চ’লে গেলো। এত দূর থেকে জাহাজটার নাম সে টেলিস্কোপে চোখ লাগিয়েও পড়তে পায়নি। শেষটায় জাহাজটা কলনেট অন্তরীপের আড়ালে অদৃশ্য হ’য়ে গেলো। সমুদ্রে আর কোনোকিছুরই চিহ্ন নেই। অবশেষে সন্তুষ্ট হ’য়ে হৃষ্ট মনে সের্‌সান্তে নিচে নেমে এলো।

    ক্রমে জোয়ারের সময় এগিয়ে এলো। এবার সের্‌সান্তে জাহাজের যাত্রার সময় এসেছে। প্রস্তুতি বেশ ভালো হয়েছে। এখন শুধু নোঙর তোলা বাকি।

    ছ-টার সময় কন্‌গ্রে সদলবলে গিয়ে জাহাজে উঠলো। জলে জোয়ারের প্রথম চাঞ্চল্য জেগেছে। কন্‌গ্রে জাহাজ চালাবার জন্যে তৈরি হ’য়ে নিতে হুকুম দিলে। ঘড়ঘড় ক’রে নোঙর উঠলো। তারপর তুলে দেয়া হ’লো পাল। সের্‌সান্তে নড়তে শুরু করলো। আস্তে-আস্তে এখন বারদরিয়ার দিকে চলেছে। দক্ষিণ-পুব থেকে হাওয়া বইছিলো। এলাকাটা সত্যি কিন্তু কন্‌গ্রের নখদর্পণে। তাই সাড়ে-ছটার সময় দেখা গেলো তাদের জাহাজ অন্তরীপের একেবারে শেষমুখে এসে পৌঁছেছে। এখন জাহাজের সামনের দিগন্তবিস্তৃত সমুদ্র। আস্তে-আস্তে তখন সূর্য ডুবছে।

    সের্‌সান্তে কন্‌গ্রের কাছে এগিয়ে এসে খুশি গলায় বললে—’শেষ অব্দি উপসাগর প্রায় ছাড়িয়ে এলুম।’

    কন্‌গ্রে বললে—হ্যাঁ। আর মিনিট কুড়ির মধ্যেই সান্ হুয়ান অন্তরীপ আমাদের পেছনে প’ড়ে থাকবে।’

    এমন সময় মাল্লাদের একজন এগিয়ে এসে বললে— ‘সামনে তাকিয়ে দেখুন, ওস্তাদ।’

    –’কী ব্যাপার?’ কন্‌গ্রে জানতে চাইলে।

    সের্‌সান্তে লোকটার কাছে দৌড়ে চ’লে এলো। রেলিঙ ধ’রে জলের দিকে ঝুঁকে পড়লো। জাহাজ তখন বোম্বেটে-গুহার পাশ দিয়ে চলেছে। সের্‌সান্তে দেখতে পেলে, বিধ্বস্ত জাহাজ মউল-এর বেশকিছু ভাঙা টুকরো তখনও জলে ভাসছে। এটা বুঝতে তার দেরি হ’লো না যে এগুলোর সঙ্গে ধাক্কা লাগলে তাদের জাহাজের বেশ ক্ষতি হতে পারে। কিন্তু তখন আর ঐ ভাসন্ত জিনিশগুলোকে সরাবার সময় নেই। তক্ষুনি সে কনগ্রেকে ডেকে এনে জিনিশগুলো দেখালে।

    কন্‌গ্রে তক্ষুনি জাহাজটাকে একেবারে তীরে: কাছে নিয়ে এলো। ভাঙাচোরা লোহালক্কড় ইত্যাদি জাহাজের পাশ দিয়ে ভাসতে-ভাসতে চ’লে গেলো। এবার সে আবার সের্‌সান্তেকে উপসাগরের মাঝখানে নিয়ে এলো। আর পঞ্চাশ-ষাট গজ এগুলেই অন্তরীপের পাহাড়ের কোনা ছাড়িয়ে যাওয়া যাবে।

    ঠিক এখন সময় হঠাৎ হাওয়ায় একটা শোঁ-শোঁ আওয়াজ উঠলো, আর তৎক্ষণাৎ একটা বিস্ফোরণের শব্দ শুনে চমকে উঠলো বোম্বেটেরা। কীসের এক প্রচণ্ড আঘাতে কেঁপে উঠলো তাদের জাহাজ! দেখা গেলো, তীরের একটা জায়গা থেকে ধোঁয়া উঠছে।

    কন্‌গ্রে চীৎকার ক’রে উঠলো।—’এ কী-ব্যাপার, সের্‌সান্তে?’

    –’আমাদের লক্ষ্য ক’রে কেউ কামান ছুঁড়েছে। সের্‌সান্তে জবাব দিলে। যেখানে গোলা পড়েছিলো, সেখানে তাড়াতাড়ি দৌড়ে গেলো কন্‌গ্রে।

    জলরেখার চাইতে ফিট দু-এক ওপরে জাহাজের গায়ে মস্ত একটা গহ্বর।

    সের্‌সান্তে যখন উপসাগর প্রায় পেরিয়েই এসেছে, ঠিক সেই সময় দ্বীপ থেকে আরেকটা গোলা এসে পড়লো। সর্বনাশ! গোলাটা আরেকটু নিচে লাগলেই হয়েছিলো আর-কি!

    কী করবে এখন কন্‌গ্রে? ডিঙি ক’রে নেমে দ্বীপে গিয়ে গোলন্দাজদের একহাত দেখিয়ে দেবে? যদি তারা সংখ্যায় ভারি হয়? তার চেয়ে কামানের পাল্লার বাইরে নিয়ে গিয়ে জাহাজটাকে মেরামত করবার চেষ্টা করাই ভালো।

    আবারও এক কামানের নিনাদে কন্‌গ্রের ভাবনায় বাধা পড়লো। আবার তার স্কুনার থরথর করে কেঁপে উঠেছে। এবার গোলাটা এসে পড়েছে আগের গোলাটার চাইতে কয়েক ইঞ্চি নিচে।

    কন্‌গ্রে তখন প্রাণপণে চেষ্টা করছে যে-করেই হোক স্কুনারটাকে কামানের পাল্লার বাইরে নিয়ে যেতে। সে ভেবেছিলো, কোনোরকমে একবার উপসাগরের মুখ থেকে বেরিয়ে পড়তে পারলেই আর-কোনো ভয় থাকবে না।

    ভাগ্যিশ আর-কোনো কামানের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে না। একটু পরেই তারা দ্বীপের শেষ পাহাড়টা পেরিয়ে চ’লে এলো। কনগ্রে ভাবলে, আর-কোনো ভয় নেই। জাহাজ এখন পাহাড়ের আড়ালে এসে গিয়েছে।

    কতটুকু ক্ষতি হলো তা এক্ষুনি পরীক্ষা ক’রে দেখা দরকার। কিন্তু মালপত্র না-নামালে ভেতর থেকে তা বোঝবার কোনো উপায় ছিলো না। জাহাজ থেকে তক্ষুনি একটা ডিঙি নামানো হ’লো। কনগ্রে আর ভার্গাস ডিঙিতে ক’রে ঘুরে-ঘুরে সব খতিয়ে দেখে ক্ষতির বহরটা আন্দাজ করবার চেষ্টা করতে লাগলো।

    না, তেমন-কোনো গুরুতর কিছু ক্ষতি হয়নি। কিন্তু তাও, যতটুকু ক্ষতি হয়েছে তাতে এই স্কুনার নিয়ে এখন সাগরপাড়ি দেওয়া অসম্ভব। ঠিক জলরেখার কাছে একটা গর্ত তৈরি হয়েছে : কোনোরকমে তা দিয়ে যদি একবার জল ঢোকে তাহ’লে আর রেহাই নেই, একেবারে পাতালে সমাধি। যে-ক’রেই হোক এক্ষুনি তা মেরামত ক’রে নিতে হবে।

    —’কিন্তু কুকুরগুলো কে? একবার হাতের কাছে পেলে মুণ্ডুগুলো চিবিয়ে খেতুম,’ দাঁত কিড়মিড় ক’রে সের্‌সান্তে বললে।

    —’সম্ভবত সেই তৃতীয় আলোকরক্ষীটি।’ ভার্গাস তার অনুমানটি জানালে। ‘বা এমনও হ’তে পারে সেনচুরির কোনো লোককে আলোকরক্ষীটি উদ্ধার করেছে, আর তারা দুজনে মিলে আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

    –’আমারও তা-ই মনে হচ্ছে।’ সের্‌সান্তে সায় দিলে। ‘এ-কামানটা নিশ্চয়ই সেনচুরির। অথচ, আশ্চর্য, ভাঙা জাহাজটার আশপাশে তো আমরা কোনো কামান দেখতে পাইনি।’

    কন্‌গ্রে বাধা দিয়ে বললে——সে নিয়ে এখন মাথা না ঘামালেও চলবে। এখন আমাদের সবচেয়ে আগে সব ক্ষতিটতি সারিয়ে নেয়া দরকার।’

    —’নিঃসন্দেহে। মেরামতের কাজে লেগে-পড়াটাই এখন সবচাইতে জরুরি। কিন্তু তার চেয়েও আগে দরকার পয়েন্ট দিয়েগোর অন্য তীরে জাহাজটি নিয়ে ভেড়ানো, কারণ, তা না-করলে আমরা সমুদ্রের জোরালো হাওয়ার পাল্লায় প’ড়ে যাবো—আর তাইতে বিপদ আরো বেশি। আবহাওয়া যদি বেগড়বাই করে তাহ’লে এই অবস্থায় স্কুনারটি একেবারে টুকরো-টুকরো হ’য়ে ভেঙে যাবে। না, তার চেয়ে পুরোনো গোয়ালেই ফিরে-যাওয়া ভালো।’

    কন্‌গ্রে ঠিক করলে রাত গাঢ় হ’য়ে নেমে পড়ার আগেই ইগোর উপসাগরে ফিরে যাবে। সেখানে নিরাপদ আশ্রয়ে সবাই মিলে কাজে লেগে-যাওয়া যাবে।

    কিন্তু এখন-যে জোয়ার! স্রোতের উলটো মুখে জাহাজ চালানো এখন প্ৰায় অসম্ভব। কী করা যায় তবে? এখানেই তাহ’লে অপেক্ষা করতে হবে? কিন্তু ঢেউয়ের মধ্যে স্কুনারটি যেভাবে দোল খাচ্ছে তা তো সর্বনাশের লক্ষণ। যে-কোনো মুহূর্তে একটু বেশি কাৎ হ’লেই ঐ ফুটোগুলো দিয়ে জাহাজে জল ঢুকে যেতে পারে। কাজেই শেষটায় পয়েন্ট দিয়েগোর কাছাকাছিই নোঙর ফেলতে বাধ্য হ’লো কন্‌গ্ৰে।

    রাত আসছে। একটু পরেই জমাট হ’য়ে নেমে আসবে ঘন অন্ধকার। আর সেই অন্ধকারে তাদের স্কুনার যে-কোনো মুহূর্তে ডাঙায় আছড়ে পড়তে পারে।

    অবশেষে, রাত প্রায় দশটার সময়, একটু সুবিধে পাওয়া গেলো। মাঝরাতের আগেই অনেক বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে ইগোর উপসাগরের পুরোনো জায়গাতেই ফিরে এলো বোম্বেটেরা। এই দ্বীপে একদিন তারা আইনের চোখে ধুলো দিয়ে আস্তানা গেড়েছিলো, এখন যেন দ্বীপ আর তাদের ছাড়তে চাচ্ছে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }