Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    জুল ভার্ন এক পাতা গল্প759 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. সান্তা-ফে

    ১৩. সান্তা-ফে

    মানুষের গলা যে বাজের মতো শোনাতে পারে, সের্‌সান্তের এই কথাই তার নজির। ছোট্ট একটা কথার মধ্যে যে কতখানি ভয়ংকরতা লুকিয়ে থাকতে পারে তা যেন এবার হাড়ে হাড়ে টের পেলে বোম্বেটেরা। তাদের কানে তখনও যেন গুমগুম করে ফেটে পড়ছে বাজ—’সান্তা-ফে!’

    সাত্তা-ফে এসে পড়লো বলে! ক্রমশ যেন বাড়তে লাগলো সেই আওয়াজ! কী প্রচণ্ড যে শব্দ সেটা! কন্‌গ্রের ঠিক ধুকধুকিটাতেই যেন সেই বাজ ফেটে পড়েছে! দীর্ঘ বিলম্বিত গর্জন ক’রে ফেটেছে যেন বাজ! যেন সারা আকাশ ভেঙে পড়েছে তার মাথার ওপর।

    মুহূর্তে ফ্যাকাশে হ’য়ে গেলো কন্‌গ্রের মুখ। স্তম্ভিত হ’য়ে দাঁড়িয়ে রইলো জলদস্যুরা। মনে হ’লো পায়ের তলায় কোন-এক ভূমিকম্পে সারা পৃথিবী যেন দুলে উঠেছে!

    সান্তা-ফে! সান্তা-ফে এসে পড়লো ব’লে!

    কিন্তু সের্‌সান্তের ভুল হয়নি তো? সত্যিই কি সান্তা-ফে এসে পড়ছে? যে-জাহাজটি আসছে, সেটা কি সত্যি আরহেতিন প্রজাতন্ত্রের মানোয়ারি জাহাজ সান্তা-ফে? সেটা কি এদিকেই আসছে?

    সংবিৎ ফিরে পেতেই কন্‌গ্রে প্রায় ছুটে লণ্ঠনঘরে উঠে এলো।—কই? কোথায় জাহাজ?’

    –’ঐ-যে, উত্তর-পুবে।’

    –’কত দূরে ব’লে মনে হচ্ছে?’

    –’মাইল দশেক—কিছু কম-বেশি হ’তে পারে।’

    —’তাহ’লে অন্ধকার হবার আগে এখানে পৌঁছুতে পারছে না?’

    –’না। এখানে আসতে-আসতেই রাত নেমে পড়বে।

    কন্‌গ্রে সের্‌সান্তের হাত থেকে দূরবিনটা যেন প্রায় ছিনিয়েই নিলে।

    চোঙ দিয়ে ধোঁয়া ছাড়তে-ছাড়তে তরতর করে একটা জাহাজ দ্বীপের দিকে এগিয়ে আসছে। ভাঙা গলায় স্বীকার করলে কনগ্রে——হ্যাঁ, সান্তা-ফেই বটে! কোনো সন্দেহই নেই।’

    —’কী-রকম অভিশপ্ত ভাগ্য, দেখেছো!’ সের্‌সান্তের গলায় প্রচণ্ড একটা ক্ষোভ—’ঐ জ্যান্ত শয়তানগুলো যদি দু-দুবার ব্যাঘাত না ঘটাতো, তবে এতক্ষণে আমরা প্রশান্ত মহাসাগরে গিয়ে পৌঁছে যেতুম।’

    ——এখন আর সে-কথা ব’লে কোনো লাভ নেই। এখন বরং ভাবো, আমরা কী করবো।’

    —’কী? ‘

    —’এক্ষুনি রওনা হ’য়ে পড়তে হবে আমাদের।’

    —’এক্ষুনি? ‘

    ‘—হ্যাঁ, এক্ষুনি!’

    ‘কিন্তু আমরা বেশিদূর যাবার আগেই সান্তা-ফের মুখোমুখি প’ড়ে যাবো। সে তো এসে পৌঁছে যাবে।’

    –’না, পৌঁছুবে না।’

    –’তার মানে।’

    –’এর মধ্যে কোনো ধাঁধা নেই। বাতিঘরের আলো জ্বলবে না, কেন জ্বলছে না তা তারা জানে না। অন্ধকারে এখানে জাহাজ ভেড়াতে সাহস করবে না কাপ্তেন।’

    কাপ্তেন লাফায়েৎ অন্ধকার দেখে ব্যাপার না-বুঝে এখানে জাহাজ ভেড়াবেন না—এটা বাস্‌কেথ আর ডেভিসও বুঝতে পেরেছিলো। এখন সূর্য ডুবে গিয়েছে। নিয়মমাফিক এক্ষুনি বাতিঘরে আলো জ্ব’লে ওঠবার কথা। আলো না-দেখে দ্বীপে জাহাজ ভেড়াতে নিশ্চয়ই ইতস্তত করবেন কাপ্তেন লাফায়েৎ। কেন আলো জ্বললো না—বুঝতে না-পেরে খোলা সমুদ্রেই তিনি রাত কাটাবার সিদ্ধান্ত নেবেন। যদিও অনেকবারই এই দ্বীপে এসেছেন, তবে সে তো দিনের বেলায়, ঝলমলে আলোয়। অন্ধকারে কী ক’রে আসবেন? তাছাড়া, তিনি এও ভাবতে পারেন যে, এই দ্বীপে নিশ্চয়ই কোনো বিপদ হয়েছে, তাই বাতিঘরের রক্ষীরা আলো জ্বালতে পারেনি। সে বিপদের ধরন আর ভেতরের সবকিছু ভালো ক’রে না-জেনে অন্ধকারে দ্বীপে এসে জাহাজ ভেড়ানো তিনি সমীচীন মনে করবেন না নিশ্চয়ই

    –’কিন্তু সেনচুরির বরাতে যা ঘটেছে সান্তা-ফের বরাতেও তো তা ঘটতে পারে। আমাদের এক্ষুনি অন্তরীপের মুখে গিয়ে ওদের সাবধান ক’রে দেয়া উচিত।’

    ডেভিস শুধু তার কাঁধ ঝাঁকালে। এটা সেও জানে, বেলাভূমির পাথরে আচমকা ঘা খেয়ে সান্তা-ফে গুঁড়ো হ’য়ে যেতে পারে।

    বাস্‌কেথ ব’লে চললো— চলো, বেলাভূমিতে ছুটে যাই। আমরা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অন্তরীপের মুখে গিয়ে পৌঁছুতে পারবো। তখনও আলো জ্বেলে সংকেত করা যাবে ব’লে মনে হয়।’

    ডেভিস উত্তর দিলে—’না, তাতে দেরি হয়ে যাবে। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই সান্তা-ফে উপসাগরের মুখটায় পৌঁছে যাবে।’

    —’তাহ’লে? আমরা তাহ’লে কী করবো?’

    —’এখন আর অপেক্ষা করা ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই।’

    সন্ধের অন্ধকার ঘন হ’য়ে আসছে। বোম্বেটেরা জাহাজ ছাড়বার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত। সকাল অব্দি আর ব’সে থাকবে না তারা। যেমন ক’রেই হোক, এক্ষুনি পালাতে হবে।

    তখন তাদের অনুকূলেই উত্তরদিক থেকে হাওয়া বইছে। এই অনুকূল হাওয়ায় জাহাজ ভাসিয়ে দিয়ে অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে সমুদ্রে পড়তে হবে—তারপর সামনে থাকবে কেবল জল, বারদরিয়া-সান্তা ফে পেছন-পেছন ধাওয়া করলেও আত্মরক্ষার একটা সুযোগ থাকবে। কনগ্রে সব্বাইকে তাড়া লাগালে।

    জলদস্যুদের মলব বুঝতে ডেভিস বাস্‌কেথ—কারুই কোনো অসুবিধে হয়নি। বোম্বেটেরা এক্ষুনি রওনা হবে, তা বোঝাই যাচ্ছে—এমন অবস্থায় পড়লে তারাও তা-ই করতো। কিন্তু কী ক’রে তারা জলদস্যুদের সব প্ল্যান ভেস্তে দেবে? কী করতে পারে তারা? নিজেদের অসহায় দশায় তারা নিদারুণ হতাশায় ভরে গেলো।

    একটু পরেই কন্‌গ্রে তার দলবল নিয়ে জাহাজে উঠে পড়লো। সবাই উঠে গেলে নোঙর তুলতে হুকুম দিলে কন্‌গ্রে। তখন সন্ধে সাড়ে সাতটা, ডেভিস আর বাস্‌কেথ পাথরের আড়ালে ব’সে-ব’সেই শুনতে পেলে নোঙর তোলবার আওয়াজ।

    পাঁচ মিনিটের মধ্যেই নোঙর তোলা হয়ে গেলো। সঙ্গে-সঙ্গে দুলে উঠলো জাহাজ। সবগুলো পাল তুলে দেয়া হয়েছে—হাওয়ার ধাক্কায় পালগুলো ফুলে-ফেঁপে উঠছে। খুব আস্তেই উপসাগরের মধ্যে গিয়ে পৌঁছুলো জাহাজ। হাওয়ার বেগ ক’মে আসছে—হাওয়া চাই পালে—চাই হাওয়ার ঝাপটা। একটু পরেই জাহাজ চালানো বেশ মুশকিল হ’য়ে পড়লো। নিস্তরঙ্গ নীল জলে কোনো স্রোত নেই। হাওয়াও থেমে গিয়েছে যেন। অসম্ভব, এ-অবস্থায় কোনো স্কুনারই চালানো যায় না। মাঝরাত্তিরের আগে কিছুতেই সান্ হুয়ান অন্তরীপ পেরুনো যাবে না। ঘণ্টা কয়েক বাদে যখন জোয়ার আসবে, তখন জাহাজ চলবে; এখন শুধু জোয়ারের জন্যে অপেক্ষা করা ছাড়া তাদের আর-কিছুই করার নেই। জোয়ার এলে তাকে যদি ঠিকমতো কাজে লাগানো যায়, তাহ’লে অবশ্য কোনো ভাবনা নেই। সকাল হওয়ার আগেই তাহলে সান্ হুয়ান অন্তরীপ পেরিয়ে বারদরিয়ায় গিয়ে পড়া যাবে।

    জাহাজ তখন ইগোর উপসাগরের দক্ষিণ উপকূলের দিকে চলেছে। এদিককার উপকূলের খবর কন্‌গ্রে ভালো জানে না। তবে এ-কথা জানে যে এদিককার উপকূল ‘জাহাজমারি উপকূল’ নামেই কুখ্যাত।

    এদিকে রাত যত বাড়ছে, হাওয়ার বেগও ততই কমছে। এ-অবস্থায় অন্যদিকে জাহাজ চালানোও কিছুতেই সম্ভব নয়। যা করতে হয়, এক্ষুনি করা দরকার। কন্‌গ্রে বিপদের গুরুত্ব বেশ ভালোই বুঝতে পেরেছিলো। সামনে তখন শুধু একটা পথই খোলা আর তা-ই করলে সে। জাহাজ থেকে ডিঙি নামানো হ’লো, জনা সাতেক লোক গিয়ে উঠলো সেই ডিঙিতে। তারপর অনেক চেষ্টায় বিস্তর হয়রানির পর কোনোরকমে গুণ টেনে জাহাজটাকে মাঝদরিয়ায় নিয়ে-যাওয়া হ’লো।

    ঘেমে-নেয়ে মাঝদরিয়ায় পৌঁছে দেখা গেলো একফোঁটাও হাওয়া নেই। বাতাস নেই ব’লে পালগুলো নেতিয়ে পড়েছে। ডিঙি ক’রে গুণ টেনে, .জাহাজটাকে উপসাগরের মুখে নিয়ে-যাওয়ার কল্পনা করাই এখন বাতুলতা। সুতরাং জোয়ারের জন্যে হাঁ ক’রে ব’সে-থাকা ছাড়া আর-কোনো উপায়ই নেই এখন। তবে জোয়ারের চাঞ্চল্য এর মধ্যেই টের পাওয়া যাচ্ছে। এখনও অস্ফুট আওয়াজ উঠছে জল থেকে, কিন্তু জাহাজ এখন যে-জায়গায় দাঁড়িয়ে ভরা জোয়ারের সময়ও সেখান থেকে জোয়ারের খুব-একটা সাহায্য পাওয়া যাবে না। আর জোয়ারের টানের উলটো দিকে জাহাজ চালাবার কথা যে ভাবে সে হয় জন্ম-আহাম্মক আর নয়তো ডাহা-পাগল। তাহ’লে মাত্র মাইল দু-এক এসেই কি জাহাজের নোঙর ফেলে ভাগ্যের হাতে আত্মসমর্পণ ক’রে বসে থাকতে হবে?

    বোম্বেটে জাহাজ দূরে গিয়ে নোঙর ফেলবার পর ডেভিস আর বাস্‌কেথ তাদের গোপন জায়গা থেকে বেরিয়ে এসে সমুদ্রতীরে দাঁড়ালে। উদ্দেশ্য : জাহাজটার গতিবিধির ওপর নজর রাখবে। হাওয়ার অবস্থা দেখে বুঝতে পারলে যে কনগ্রেকে অন্তত বেশ-কিছুক্ষণ থেমে থাকতে হবে। ভাঁটার টান, শুরু না-হ’লে কোনোমতেই সে জাহাজ চালাতে পারবে না। কিন্তু তবুও ভোর হবার আগেই সে-যে বারদরিয়ায় গিয়ে পৌঁছুতে পারে, তারও ভালোরকম সম্ভাবনা আছে।

    হঠাৎ বাস্‌কেথ চেঁচিয়ে উঠলো : ‘এতক্ষণে দস্যুদের বাগে পেয়েছি!’

    বিস্মিত জন ডেভিস জিগেস করলে—’কী ক’রে?’

    –’কী করে, তা এক্ষুনি দেখতে পাবে।’ ব’লে, বাস্‌কেথ ডেভিসের হাত ধ’রে টানতে-টানতে হন্যে হ’য়ে ছুটতে শুরু করলে বাতিঘরের দিকে।

    তার হিশেবমতন সান্তা ফে এখন উপসাগরে ঢোকবার মুখটায় দাঁড়িয়ে ভোর হবার অপেক্ষা করছে। কাপ্তেন লাফায়েৎ কিছুতেই রাতের অন্ধকারে জাহাজ চালাবার ঝুঁকি নেবেন না।

    কন্‌গ্রেও সে-কথা বুঝতে পেরেছিলো, তাই তার মনে তখনও আশা ছিলো, একবার সমুদ্রমুখে ভাঁটার টান শুরু হ’লেই আর তাকে পায় কে? একঘণ্টার মধ্যেই খোলা সমুদ্দুরে গিয়ে পৌঁছুতে পারবে।

    রাত তখন নটা বেজে গেছে। জোয়ারের ঠ্যালা সামলাবার জন্যে নোঙর ফেলে দাঁড়িয়ে আছে জলদস্যুদের জাহাজ সের্‌সান্তে। অপেক্ষা ক’রে আছে ভাঁটার জন্যে। রাত তিনটের আগে সে-আশা নেই। তাই সমুদ্রের দিকে মুখ ক’রে স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে আছে তাদের জাহাজ।

    ডিঙি দুটো এর মধ্যেই ওপরে টেনে তোলা হয়েছে, কারণ ভাঁটার টান শুরু হ’লে আর এক মুহূর্তও সময় নষ্ট করতে রাজি নয় কন্‌গ্রে।

    আচমকা কে যেন চীৎকার ক’রে উঠলো—’আলো। বাতিঘরে আলো জ্ব’লে উঠেছে!’

    সত্যিই তাই। বাতিঘর থেকে একটি তীব্র আলোকরশ্মি বেরিয়ে এসে অন্ধকার ছিন্নভিন্ন ক’রে ফেলেছে। আলোয়-আলোয় চারদিক ঝলমল করে উঠেছে। বাতিঘরের মিনার থেকে আলোর ছটা প’ড়ে দ্বীপ, সমুদ্র, আর আকাশকে আলোয় আলো ক’রে দিয়েছে!

    —’উঃ! বদমায়েশ!’ চেঁচিয়ে উঠলো সের্‌সান্তে।—’বদমায়েশগুলো বাতিঘরে গিয়ে আলো জ্বেলে দিয়েছে!’

    —’শিগগির তীরে চলো—’ খ্যাপা জাগুয়ারের মতো গ’র্জে উঠলো কন্‌গ্রে।

    —’এক্ষুনি তীরে যেতে হবে, উঠতে হবে বাতিঘরের মিনারে, ঢুকতে হবে লণ্ঠনঘরে, তারপর আলোকরক্ষী আর তার সাথী যে বা যারা আছে তাদের খুন ক’রে ফেলে নিভিয়ে দিতে হবে আলো।’ কনগ্রে বাংলায় তার প্ল্যান।

    —কিন্তু এর মধ্যে সান্তা ফে যদি চলতে শুরু করে?’ জিগেস করে সের্সান্তে।

    সের্‌সান্তের কথায় একটু দমে গেলো কন্‌গ্রে। সত্যিই তো! সান্তা-ফে যদি তীরের দিকে এগিয়ে আসে! কিন্তু না, ব্যবস্থা একটা করতেই হবে।

    কন্‌গ্রে আবার ডিঙি নামাতে হুকুম করে।

    হুড়োহুড়ি করে ডিঙি নামানো হ’লো জলে। সঙ্গে-সঙ্গে জলদস্যুদের দল লাফিয়ে উঠলো ডিঙিটায়। সকলেই সশস্ত্র। কারু হাতে বন্দুক, কারু হাতে রিভলভার, আর কারু-বা হাতে কুঠার। মিনিট কয়েকের মধ্যেই তারা তীরে পৌঁছুলো। পড়ি-মড়ি করে ছুটলো সবাই বাতিঘরের দিকে। বাতিঘর সে-জায়গা থেকে দেড় মাইল দূরে। পনেরো মিনিটের মধ্যেই সে-দূরত্বটা অতিক্রম করলে তারা।

    জন ডেভিস আর বাস্‌কেথ তখনও লণ্ঠনঘরেই রয়েছে। বাস্‌কেথ গোড়ায় ভয় পেয়েছিলো। কনগ্রে লণ্ঠনের আতসকাচ আর যন্ত্রপাতি নষ্ট ক’রে ফ্যালেনি তো? কিন্তু লণ্ঠনের ঘরে ঢুকে সে-ভয় দূর হয় তাদের। না, লণ্ঠন ঠিকই আছে। যন্ত্রপাতি কিছুই নষ্ট করেনি কন্‌গ্রে। তাই আবার বাতিঘরের লণ্ঠন অকস্মাৎ জ্ব’লে উঠেছিলো। আতসকাচের ভেতর দিয়ে ঝলসে উঠেছিলো তীব্র আলোর ছটা।

    দূরন্ত গতিতে এসে দস্যুরা বাতিঘরে ঢুকলো। কিন্তু এ কী? সিঁড়িঘরের দরজা যে বন্ধ!

    কন্‌গ্রে হুকুম দিলে—এক্ষুনি দরজা ভেঙে ওপরে উঠতো না-পারলে আর-কারু রেহাই নেই।

    কিন্তু সিঁড়িঘরের দরজা ইস্পাতের চাদরে তৈরি, খুব শক্ত। কিছুতেই সে-দরজা আর ভাঙা যাচ্ছে না। পরিশ্রম ক’রে সবাই প্রায় ঘেমে নেয়ে উঠেছে। কিন্তু খামকাই এই চেষ্টা! কুঠারের সাহায্যেও সে-দরজা ভাঙবার সাধ্য নেই কারু। সের্‌সান্তে দরজার নাট-বলটু খুলে ফেলবার জন্যে দরজাটাকে খুঁটিয়ে দেখলে। কিন্তু তাতেও কোনো লাভ হ’লো না। দরজার বলটুগুলো ভেতর থেকে এঁটে দেয়া হয়েছে। বাইরে থেকে খোলা অসম্ভব।

    এখন তাহলে কী করবে তারা? মিনারে ওঠবার জন্যে কোনো পথ আছে কি? যদি না-থাকে, তাহ’লে দ্বীপের গহনে গিয়ে লুকিয়ে আত্মরক্ষা করার চেষ্টা ছাড়া তাদের আর কিছুই করবার নেই। জাহাজে ফিরে গিয়ে এখন আর কোনো লাভ নেই। তাছাড়া হাতে তো একফোঁটাও সময় নেই। সান্তা-ফে নিশ্চয়ই এতক্ষণে দ্রুতগতিতে তীরের দিকে ছুটে আসছে। এখনও যদি কোনোরকমে আলো নিভিয়ে দেয়া যায় তাহ’লে হয়তো বাঁচবার একটা উপায় হ’তে পারে। কিন্তু ওপরে উঠবে তারা কী ক’রে? মিনারে ওঠবার একটাই মাত্র পথ, আর সেটাও বন্ধ! কী করা যায় তাহ’লে?

    হঠাৎ সের্‌সান্তে চেঁচিয়ে উঠলো—’এদিকে একটা লোহার মই আছে!’

    —’নিয়ে এসো শিগগির! জলদি!’

    মইটা অনেক কষ্টে দেয়ালে লাগানো হ’লে দেখা গেলো মিনারের অর্ধেকও পৌঁছোয় না!

    রাগে, ক্ষোভে, তেরিয়া আক্রোশে মরিয়ার মতো হ’য়ে উঠলো ক ে আর, এমনি সময়ে, হঠাৎ তার নজরে পড়লো একটা লোহার পাইপ একেবারে মিনারের চুড়ো অব্দি উঠে গিয়েছে। শেষ চেষ্টা তাহ’লে এই পথেই করতে হবে! সের্‌সান্তে আর ভার্গাস অমনি পাইপ বেয়ে উঠতে শুরু করে দিয়েছে।

    অনেকটা উঁচুতে উঠে গেছে তারা। আর মাত্র সামান্যই বাকি! এমনি সময় পর-পর কতগুলো রিভলভারের আওয়াজ শোনা গেলো। এবার আক্রমণের ভূমিকা নিয়েছে ডেভিস আর বাস্‌কেথ।

    সের্‌সান্তে আর ভার্গাসের গুলি-বেঁধা দেহ নিচে আছড়ে পড়লো।

    ওদিকে সান্তা-ফের সিটি বেজে উঠেছে তীব্র শব্দে। তীরের একেবারে কাছে এসে পড়েছে সান্তা-ফে!

    পালাবারও সময় নেই আর। আর দু-তিন মিনিটের মধ্যেই সান্তা-ফে তীরে নোঙর ফেলবে।

    এবার তবে নিশ্চিত মরণ! আর তাদের রেহাই নেই!

    গভীর আতঙ্ক যেন চোখের সামনে ঘনিয়ে তুলেছে অন্ধকার।

    আর-কিছুই করবার নেই, কিছু না।

    কন্‌গ্রে আর তার দলবল প্রাণের ভয়ে ছুটতে ছুটতে অন্ধকারে মিলিয়ে গেলো।

    এর খানিকক্ষণ পরেই স্টটেন আইল্যাণ্ড সচকিত হ’য়ে উঠলো সান্তা ফের নোঙর ফেলবার শব্দে।

    আর তারই একটু পরে বাস্‌কেথ আর ডেভিসকে দেখা গেলো সান্তা-ফের ডেকের ওপর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }