Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    জুল ভার্ন এক পাতা গল্প759 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১. হিমরাত্রি

    মাস্টার জাকারিয়ুস – জুল ভার্ন
    অনুবাদ – মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    ১. হিমরাত্রি

    জেনিভা হ্রদেরই একেবারে পশ্চিম উপান্তে জেনিভা নগরী। হ্রদের থেকে বেরিয়েছে রোন নদী; নগরীকে দুটি ভাগে বিভক্ত করেছে সে; কিন্তু হঠাৎ নগরীর মাঝখানে সে নিজেই আবার দুইভাগে ভাগ হয়ে গেছে–মাঝনদীতে ছোট্ট একটা দ্বীপ মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে বলে। শিল্প-বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্রগুলিতে অনেক সময়েই এই ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যটি লক্ষ করা যায়। যাতায়াতের যে-সুবিধে এই চঞ্চল স্রোত উপহার দেয়, প্রথম বাসিন্দারা যে তাতেই যথেষ্ট প্রভাবিত হয়ে পড়ে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। নিজে থেকেই চলতে থাকে এই রাস্তা, নদীদের পাকল তো এইভাবেই বর্ণনা করেছেন। রোন নদীর বেলায় বলা যায় এ-রাস্তা কেবল চলে না, ছুটে চলে–দৌড়ে চলে।

    দ্বীপটা যেন ওই নদীর মধ্যকার মস্ত এক ওলন্দাজ নৌকো। নিয়মিতভাবে নতুন-নতুন বাড়ি-ঘর তৈরি হবার আগে অদ্ভুত ধরনে বাড়ি বানানো হতো এখানে-যেন একটা আরেকটার গায়ে হুমড়ি খেয়ে পড়তো তারা, বিশৃঙ্খল কিন্তু সুন্দর, এলোমলো অথচ মনোরম। নদীর একেবারে পাড় ঘেঁষে উঠছে বাড়ি, মনে হয় যেন নদীর মধ্যেই তার ভিত, যেন থামের গায়ে কোনোরকমে হেলানো আছে–আর চঞ্চল নদীস্রোতের মধ্যে এলোমেলো সেই বাড়িগুলি যেন হঠাৎ কেমন করে আটকে গেছে, না-হলে তারাও হয়তো ভেসে যেতো দূরে। মস্ত-মস্ত সব থামগুলিকে কোনো অতিকায় কাঁকড়ার দাঁড়া বলে মনে হয়–কালো হয়ে গেছে তারা দিনে-দিনে, আর জল তাদের খেয়ে-খেয়ে গেছে–দেখে অদ্ভুত ও অবাস্তব একটা শিরশিরে অনুভূতি হয়। পুরোনো ভিতের মধ্যে ছোট্ট হলুদ জলের স্রোত খেলা করে অন্ধকারে, যেন কোননা, ঊর্ণনাভের সুতো বেরিয়েছে কেঁপে-কেঁপে, যেন কোনো মস্ত এক-বনের চঞ্চল পাতা তারা–আর জল এই স্তম্ভের অরণ্যে আটকে, বাধা পেয়ে, ধাক্কা খেয়ে, অসীম দুঃখে গর্জে-গর্জে ফেনিয়ে উঠছে।

    দ্বীপের বাড়িগুলোর মধ্যে একটি এত পুরোনো ও জীর্ণ যে তাকাবামাত্র প্রথমেই চোখে পড়ে। বুড়ো ঘড়ি-নির্মাতা মাস্টার জাকারিয়ুসের বাড়ি এটা; থাকার মধ্যে আছে তার একমাত্র কন্যা জেরাঁদ; সে ছাড়া ওই বাড়িতে থাকে তার ছাত্র ও সহকারী ওবের তুন, আর পুরোনো দাসী স্কলাস্টিকা।

    এই জাকারিয়ুসের সঙ্গে কোনোদিক থেকেই তুলনা চলে এমন কেউ জেনিভায় ছিলো না। কত-যে তার বয়েস, কেউ তা জানেই না। শহরের প্রাচীনতম লোকটি পর্যন্ত এ-কথা বলতে পারবে না কবে থেকে তার কাঁধের উপর লম্বাটে ধরনের তীক্ষ্ণ মাথাটি চঞ্চলভাবে নড়াচড়া করছে কিংবা এটাও কেউ বলতে পারবে না কবে তাকে প্রথম এই শহরের রাস্তায় হাঁটতে দেখা গেছে–লোকে শুধু এটুকুই জানে যে যখন তিনি পথে বেরোন, হাওয়ায় তাঁর সাদা চুল এলোমেলোভাবে ওড়ে। তিনি যেন আদৌ বেঁচেই নেই : শুধু তাঁর ঘড়িগুলির পেনডুলামের মতো সর্বদাই যেন আন্দোলিত হচ্ছেন। ছোটোখাটো অলবডে শরীর তার, সব সময়েই গাঢ় ও গম্ভীর রঙের পোশাক পরেন কালোই বেশির ভাগ সময়। লেয়োনার্দো দা ভিচির ছবির মতো যেন আদ্যোপান্ত কালো রঙেই আঁকা তিনি।

    গোটা বাড়িটার মধ্যে যে-ঘরটা সবচেয়ে ভালো আর সুন্দর, সেই ঘরে থাকে জেরাঁদ; ঘুলঘুলির মতো ছোট্ট এক টুকরো জানলা দিয়ে জুরা পর্বতের তুষারঢাকা আশ্চর্য চূড়াটি দেখা যায়। কিন্তু জাকারিয়ুসের শোবার ঘর আর কারখানা যেন জলের গায়ে লাগা গহ্বরের মতো–মেঝেয় পাটাতন ফেলা, তলায় জলের হোত ছলোছলে ঘুরে বেড়ায়।

    মনেই পড়ে না কবে থেকে, কিন্তু এটা সত্যি যে খাবার সময় ছাড়া মাস্টার জাকারিয়ুস কখনো তার ঘর থেকে বেরোন না-শুধু মাঝে-মাঝে যখন শহরের বিভিন্ন ঘড়িগুলোকে দম দিতে যেতে হয়, তখন অবশ্য অন্য রকম। সারা সময়ই তিনি তার বেঞ্চির উপর বসে কাটান : আশপাশে ঘড়ির অসংখ্য সূক্ষ্ম ও জটিল যন্ত্রপাতি ছড়িয়ে থাকে–আর এখানে বলা উচিত যে এইসব যন্ত্রের অধিকাংশই তার নিজের আবিষ্কার। আশ্চর্য তার মেধা আর চাতুরী; আলেমান ও ফরাশি দেশে তাঁর কাজের অত্যন্ত সুখ্যাতি। জেনিভার শ্রেষ্ঠ ঘড়িনির্মাতারা অল্প দিনের মধ্যে তার শ্রেষ্ঠতা বুঝতে পেরেছিলো। তিনি যে নগরীর একজন সম্মান, এটা তারা স্পষ্টভাবে বলেছিলো তখন; ঘড়ির যে-অংশটা গতি নিয়ন্ত্রণ করে, তা আবিষ্কার করার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব তার। সত্যি বলতে, সত্যিকার ঘড়ির জন্মই হলো তখন, যখন কয়েক বছর আগে জাকারিয়ুসের প্রতিভা নানা সূক্ষ্ম জিনিশ আবিষ্কার করলো।

    অনেকক্ষণ ধরে কঠোর ও একটানা কাজ করার পর আস্তে-আস্তে জাকারিয়ুস তার যন্ত্রপাতি সরিয়ে রাখেন; আতশকাঁচ দিয়ে দেখে-দেখে সূক্ষ্ম ও জটিল যন্ত্রগুলি জুড়ছিলেন তিনি এতক্ষণ–এবার তার লেদ-এর সচল চাকাটা তিনি বন্ধ করে ফ্যালেন; তারপর মেঝের পাটাতনের চোরা দরজাটার পাল্লা তুলে ঝুঁকে দাঁড়ান তিনি; নিচে চোখের তলায় বোন নদীর প্রখর স্রোত আবর্ত তুলে ছুটে যাচ্ছে–ঘণ্টার পর ঘণ্টা ওইভাবে দাঁড়িয়ে সেই ভিজে ও ঘন বাষ্প নিশ্বাসে টেনে নেন বুকে।

    একদিন শীতের রাত্রে স্কলাস্টিকা যথারীতি খাবার-টেবিলে খাবার সাজিয়ে দিলে : বাড়ির রীতি অনুযায়ী তরুণ যন্ত্রশিল্পী ওবের আর সে দুজনেই প্রভুর সঙ্গে খেতে বসে। জাকারিয়ুসের খাদ্য অত্যন্ত সাবধানে রান্না করা হয় : সে-রাতে কিন্তু সুন্দর নীল রেকাবিতে সাজিয়ে দেয়া খাদ্যবস্তু তিনি স্পর্শই করলেন না। কন্যা জেরদের মিষ্টি কথাগুলির উত্তরে সংক্ষেপে হু-হাঁ করে যাচ্ছিলেন কিংবা কখনো কোনো কথাই বলছিলেন না। জেরাঁদের কথা থেকে বোঝা গেলো যে বাবার এই অদ্ভুত স্তব্ধতা সে স্পষ্ট লক্ষ করেছে। এমনকী স্কলাস্টিকার একঘেয়ে ও অবিরাম বকুনিতে পর্যন্ত তিনি কোনো কান দিলেন না; রোন নদীর অবিশ্রাম কলরোলের সঙ্গে স্কলাস্টিকার মুখরতার যে কোনো তফাৎ তিনি ধরতে পেরেছেন, এটা তার মুখ দেখে মনে হলো না।

    চুপচাপ খেয়ে উঠে জাকারিয়ুস কাউকেই শুভরাত্রি না-জানিয়ে তার কুঠুরিতে চলে গেলেন; অন্যদিন খাওয়া-দাওয়ার পর কন্যাকে আলিঙ্গন করে সস্নেহে তার কাপলে চুম্বন করেন তিনিঃ কিন্তু আজ তাও করলেন না, বরং তিনি যখন দরজার বাইরে চলে গেলেন তখন তার ভারি পায়ের তলায় সিঁড়িটা আর্ত গলায় কেবল কারে-কাৎরে উঠলো।

    জেরাঁদ, ওবের আর স্কলাস্টিকা–তিনজনেই স্তব্ধ বসে রইলো কিছুক্ষণ। সন্ধে থেকেই আকাশ মেঘলা হয়ে আছে, কেমন বিমর্ষ আর মলিন; কোনোরকমে নিজেদের টেনে-হিঁচড়ে আল্পসের চুড়া পর্যন্ত যেতে পেরেছে যেন ভারি মেঘগুলি–তারপর অবসন্ন হয়ে সেখানেই বসে আছে, কালো ও গম্ভীর; আর বৃষ্টি হবে, এই কথাই জানিয়ে দিয়ে যাচ্ছে ভিজে হাওয়া। সুইজারল্যাণ্ডের প্রবল বর্ষণকাল যেন মন খারাপ করিয়ে দেয় কেবল–রাশি ও রাশি বিষাদ যেন ছড়িয়ে দেয় সে চারদিকে। সেই থেকে বাড়ির চারপাশে ভীষণ দখিনা বাতাস গজরাচ্ছে, আর তার তীক্ষ্ণ শিসের মধ্যে যেন ভিড় করে আছে অলুক্ষুণে সব আশঙ্কা।

    অবশেষে স্কলাস্টিকাই প্রথমে স্তব্ধতা ভাঙলে। জেরাঁদের দিকে তাকিয়ে বললে, কর্তা আজ ক-দিন থেকেই যেন কেমন হয়ে আছেন। মাতা মেরির নামে শপথ উচ্চারণ করলে সে। খাদ্যে যে তার কোনো স্পৃহা নেই–তা তো স্পষ্ট। বোধহয় অনেক কথা তার ভিতরে ভিড় করে আছে–অথচ সেগুলি যে কী, তা বের করে আনতে গেলে অতি-ধূর্ত কোনো শয়তানও একেবারে হিমশিম খেয়ে যাবে।

    গোপন কোনো উদ্বেগ রয়েছে নিশ্চয়ই। অথচ উদ্বেগের কারণ যে কী তা তো কিছুই বুঝতে পারছি না, গভীর উৎকণ্ঠা ও বিষাদ ফুটে উঠলো জেরাঁদের মুখচোখে।

    এত মন খারাপ করবেন না, মাদমোয়াজেল, মাস্টার জাকারিয়ুসের স্বভাব তো জানেনই আপনি। তাঁর মনের মধ্যে যে কী আছে, তা কি কোনোদিনই-কেউ টের পেয়েছে? হয়তো আজ অত্যন্ত ক্লান্তি অনুভব করছিলেন, দেখবেন, কাল তার চিহ্নমাত্রও খুঁজে পাওয়া যাবে না। আপনি কষ্ট পেয়েছেন জানলে তখন হয়তো আবার অত্যন্ত দুঃখিত হয়ে পড়বেন। জেরাদের আশ্চর্য আয়ত চোখ দুটির দিকে তাকিয়ে বললো ওবের।

    ওবের-এর বুদ্ধি বিবেচনা ও সততা জাকারিয়ুসের ভালো লেগেছিলো বলেই তাকেই তিনি প্রথম নিজের হাতে কাজ শেখাতে রাজি হয়েছিলেন–ওবের ছাড়া আর কাউকেই তিনি কখনো তাঁর বিশেষ কর্মপদ্ধতি শেখাতে চাননি। ওবেরের প্রতি এখন জেরার্দ এমনি আসক্ত হয়ে পড়েছে যে তার নিষ্ঠা সম্বন্ধে এখন কোনো প্রশ্নই আর ওঠে না।

    জেরাঁদের বয়স আঠারো বছর। গোল ছাঁদের মুখ তারমাদোন্নার মতো সরল আর স্বর্গীয় যেন, যে-স্নিগ্ধা শুচিতা এখনও ব্রিটনিয়ার কোনো-কোনো প্রাচীন রাস্তায়-ঘাটে দৈবাৎ চোখে পড়ে। চোখ দুটিতে ছড়িয়ে আছে অসীম সরলতা। কোনো কবির স্বপ্ন-মাধুরীর প্রতিমা যেন সে, আর তা-ই তাকে ভালো না-বেসে কোনো উপায় নেই। তার পোশাকের রঙ স্নিগ্ধ ও সুকুমার–তাতে কোনো তীব্র কর্কশ চীৎকার নেই; গির্জের রেশমে যে-স্নিগ্ধতার আভা চোখে পড়ে, তেমনি শুভ্র বসনে তার সুডৌল কাঁধখানি ঢাকা। জেনিভায় তো এখনও কালভিনবাদের শুষ্কতা ছড়িয়ে পড়েনি–আর জেরাঁদ যেন তারই মধ্যে কোনো অতীন্দ্রিয় জগৎ খুঁজে পেয়েছে।

    লাতিন স্তোত্র পাঠ করে সে রাত্রে আর সকালে; সম্প্রতি আবার ওবের তুনের মধ্যে গোপন মমতা আবিষ্কার করেছে সে–তার প্রতি এই তরুণ যন্ত্রশিল্পীর অনুরাগের প্রবলতা তার আর অজানা নেই। এই বৃদ্ধ ঘড়িনির্মাতার বাড়িটাই যেন ওবেরের সমস্ত জগৎ; নিজের কাজ শেষ হয়ে গেলে জাকারিয়ুসের কারখানা থেকে বেরিয়ে আসে সে, বাকি সময়টা এই তরুণীর কাছেই কাটিয়ে দেয়, পারতপক্ষে বাড়ি ছেড়ে এক পা-ও বেরোয় না।

    বুড়ি দাসী স্কলাস্টিকা দেখছিলো সবই, কিন্তু কিছুই বলতো না। দিনকাল যে বড্ড খারাপ হয়ে গেছে, আর গৃহস্থালির টুকিটাকি যে আসলে মোটেই ফ্যালনা নয়–তার যাবতীয় বকবকানি এতেই নিঃশেষ হয়ে যেতো। একবার সে যদি কোনে বিষয়ে বকবক শুরু করে তো তার আর বিরাম নেই, এই তথ্যটা সবাই জানতো বলেই কেউ তাকে আর থামাবার চেষ্টা করতো না। জেনিভায় যে কলের বাজনা-ওলা নস্যিদানি তৈরি হয়, সে যেন তা-ই। একবার চাবি দিলে, হাতুড়ির বাড়ি মেরে কেউ তাকে ভেঙে না-ফেললে, সমস্ত দম ফুরিয়ে না-ফেলে কিছুতেই সে থামবে না।

    জেরাঁদকে অমন স্তব্ধ ও বিষণ্ণ হয়ে পড়তে দেখে স্কলাস্টিকা তার পুরোনো কাঠের চেয়ারটা ছেড়ে উঠে গেলো; মস্ত একটা রুপোর পিলশুজে মস্ত একটা মোমবাতি জ্বেলে পাথরের কুলুঙ্গির মধ্যে গালার তৈরি মেরিমাতার প্রতিমার পাশে বসিয়ে দিলে। গৃহস্থালির অধিষ্ঠাত্রী এই মাদোন্না মূর্তির কাছে নতজানু হয়ে বসাই ছিলো বাড়ির নিয়ম; তিনি যাতে দয়া করে আসন্ন রাত্রিকালে সবাইকে দ্যাখেন, ঘুমুতে যাবার আগে এই প্রার্থনা করতে হয় তার কাছে। জেরাঁদ কিন্তু আজ চুপ করে তার চেয়ারেই বসে রইলো।

    বাঃ, স্কলাস্টিকা অবাক হয়ে গেলো, খাওয়া শেষ হয়ে গেছে, শুতে যাবার সময়ও হলো-অত রাত অব্দি জেগে থেকে খামকা চোখকে কষ্ট দিচ্ছো কেন? হায়, মেরি মাতা! এর চেয়ে ঘুমিয়ে থাকা অনেক ভালো–তাহলে অন্তত স্বপ্নে কিছুটা আরাম পাওয়া যাবে। দিনকাল যেমন জঘন্য হয়ে পড়েছে, তাতে সুখশান্তি পাবার কি আর জো আছে আজকাল?

    বাবার জন্য ডাক্তার ডাকা উচিত না আমাদের? জিগেস করলো জেরাঁদ।

    ডাক্তার! বুড়ী দাসী প্রায় চেঁচিয়ে উঠলো, ডাক্তার-বদ্যির বড়ো-বড়ো কথাবার্তা আর খেয়ালে কত্তা কি কোনোদিনও কান দিয়েছেন? বরং ঘড়িকে দামি ওষুধ খাওয়াবেন–কিন্তু নিজে? কখনো না!

    কী করবো তাহলে? আপন মনেই বললো জেরাঁদ, বিশ্রাম নিচ্ছেন, না কাজ করছেন, কে জানে?

    জেরাঁদ, ওবের নরম স্বরে বললে, আপনার বাবা একটু ভাবনায় পড়েছেন, এইমাত্র–আর-কিছুই তাঁর হয়নি।

    আপনি জানেন, ওবের, কী সে ভাবনা?

    বোধহয় জানি, জেরাঁদ। অন্তত আন্দাজ করতে পারি।

    তাহলে বলে ফ্যালো তো চটপট, অত্যন্ত উৎসুকভাবে বলে উঠলো স্কলাস্টিকা। পয়সা বাঁচাবার জন্য মোমবাতিটা সে নিভিয়ে দিলে।

    জেরাঁদ, ওবের বললে, দিন কয়েক ধরে অদ্ভুত কতগুলি প্রহেলিকার মতো ব্যাপার ঘটেছে। আপনার বাবা কয়েক বছর ধরে যে-ঘড়িগুলি বানিয়ে বিক্রি করেছিলেন, সব হঠাৎ এক-এক করে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সারাবার জন্য অনেকে ঘড়িগুলি তাঁকে দিয়ে গেছে। অত্যন্ত সাবধানে তিনি ঘড়িগুলি খুলেছেন। স্প্রিং-এ কোনো দোষই নেই, চাকা আর কাঁটাগুলিও ঠিক আছে–তবু আরো সাবধানে ভালো করে দেখেশুনে তিনি আবার জুড়ে দিয়েছেন সেগুলি। কিন্তু তার সমস্ত চেষ্টা সত্ত্বেও একটা ঘড়িও আর চলছে না।

    নিশ্চয়ই কোনো শয়তানের কাণ্ড! স্কলাস্টিকা চেঁচিয়ে উঠলো।

    এ-কথা কেন বলছো? জেরাঁদ জিগেস করলে। আমার কাছে তো ব্যাপারটা অত্যন্ত স্বাভাবিক বলে বোধ হচ্ছে। জগতে তো আর চিরকাল কিছুই থাকে না। মানুষ কি আর অসীমকে স্পর্শ করতে পারে?

    কিন্তু তবু এটা ঠিক যে, ওবের বললে, ব্যাপারটা কেবল রহস্যময় নয়, অসাধারণও। ঘড়িগুলি হঠাৎ কেন বিকল হয়ে গেলো, আমিও তার সঙ্গে তা তন্নতন্ন করে খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কোথাও কোনো গোলমাল চোখে পড়েনি। হতাশ হয়ে কতবার যে হাল ছেড়ে দিয়েছে তার কোনো ইয়ত্তা নেই।

    তা এমন-একটা অর্থহীন কাজ করারও চেষ্টা কেন, বাপু? স্কলাস্টিকা বললে, ওই তামার কলটা নিজে থেকেই চলবে, সময় বলে দেবে, জানিয়ে দেবে এমনকী ঘণ্টা মিনিট সেকেণ্ড–তাকে কি স্বাভাবিক বলে? এর চেয়ে আমাদের ছায়া-ঘড়িই ঢের ভালো ছিলো।

    যখন শুনবে যে কেন ওই ছায়া-ঘড়ি বের করেছিলো, ওবের বললে, তখন তুমি আর ও-কথা বলবে না।

    হা ঈশ্বর! এ আবার কী কথা শোনালে।

    তোমার কি মনে হয়, অত্যন্ত সরলভাবে শুধোলে জেরাঁদ, বাবার ঘড়িগুলি যাতে ঠিকমতো চলে, সেজন্য ভগবানের কাছে প্রার্থনা করা উচিত আমাদের?

    নিশ্চয়ই,তৎক্ষণাৎ বললে ওবের।

    ভালো, কিন্তু এই প্রার্থনায় কোনো ফল হবে না, স্কলাস্টিকা আপন মনে বিড়বিড় করলে, তবে উদ্দেশ্য ভালো বলে ভগবান এদের ক্ষমা করবেন।

    আবার জ্বালানো হলো মোমবাতি। স্কলাস্টিকা, জেরাঁদ আর ওবের মেঝেয় নতজানু হয়ে বসলো একসঙ্গে। জেরাঁদ প্রথমে প্রার্থনা করলো রাত্রির জন্য করুণা ও আশিস, প্রার্থনা করলে বন্দী আর পথিক, ভালো আর মন্দ সকলের জন্য, আর সবশেষে তার বাবার এই দুর্ভাগ্যের জন্য সবচেয়ে কাতরভাবে মিনতি জানালো সে।

    ভগবানের কাছে সব দুঃখ নিবেদন করে দিলো বলে প্রার্থনার পরে যখন তারা তিনজন উঠে দাঁড়ালো, তখন তাদের মনে বেশ খানিকটা আস্থা জেগে উঠেছে।

    ওবের তার নিজের ঘরে চলে গেলো; জেরাঁদ একা জানলার পাশে বসে-বসে কী যেন ভাবতে লাগলো, আর আস্তে-আস্তে রাস্তায় শেষ বাতিগুলো নিভে গেলো; স্কলাস্টিকা প্রথমে চুল্লির নিভু নিভু অঙ্গারে একটু জল ছিটিয়ে দিলে, তারপর দরজার মস্ত খিল দুটি লাগিয়ে দিয়ে বিছানায় গিয়ে গড়িয়ে পড়লো-আর শয়তানের ভয়েই মরে যাচ্ছে বলে সে স্বপ্ন দেখতে লাগলো পরক্ষণে।

    ক্রমেই বাড়তে লাগলো শীতের রাতের বিভীষিকা ও আতঙ্ক। মাঝে-মাঝে নদীর আবর্তের সঙ্গে কঙ্কনে ঝোড়ো হাওয়া এসে মেশে, আর সারা বাড়িটা থরথর করে কেঁপে ওঠে; জেরাঁদ কিন্তু তেমনি ঠায় বসে আছে জানলায়, বিষণ্ণ ও একা–বাবার চিন্তায় মগ্ন ও তন্ময়। ওবেরের কাছ থেকে বিকল ঘড়ির কথা শোনবার পর থেকেই বাবার উদ্বেগ আর অসুখ ক্রমেই অতিকায় আর ভয়ংকর রূপ নিচ্ছে বলে তার মনে হলো। তার বাবার জীবন যেন কেমন যান্ত্রিক হয়ে গেছে–এবং এ-কথা ভাবতে তার অত্যন্ত কষ্ট হলো বটে, তবু সে অনুভব করলে যে, যে-খুঁটির উপর ভর করে তাঁর জীবন ঘুরে চলতো, তা যেন ক্রমেই জীর্ণ হয়ে পড়ছে–আগের মতো তেমন সহজ ও অনায়াস ভাবটা যেন আর নেই।

    হঠাৎ ঝোড়ো হাওয়ার ছাদের চিলেকোঠার জানলার পাল্লাটা প্রচণ্ডভাবে দেয়ালে গিয়ে লাগলো। যেন ভীষণ ঘা খেয়ে জেরাঁদ শিউরে তার স্বপ্ন থেকে জেগে উঠলো, কিন্তু আওয়াজটার উৎস সে ধরতে পারলো না। একটু যখন শিহরন কমলো, ধীরে-ধীরে সে জানলার শার্শি খুলে দিলে। চিরে, ফেটে চুরমার হয়ে গেছে যেন মেঘ, আর মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে আশপাশের বাড়ির ছাতে। জানলা দিয়ে ঝুঁকে সে খড়খড়িটা টেনে দেবার চেষ্টা করলে, কিন্তু হঠাৎ কেমন যেন ভয় করে উঠলো, কেমন যেন একটা ছমছমে ভাব।

    মনে হলো বৃষ্টি আর নদীর জলে একাকার হয়ে গেছে চারদিক, যেন প্লাবন শুরু হয়ে গেছে হঠাৎ, জীর্ণ বাড়িটা বুঝি আস্ত ডুবে যাচ্ছে জলে। নড়বোড়ে কাঠ আর পাটাতন কাতর আর্তনাদ করে উঠছে বারেবারে। ভয় পেয়ে সে তার ঘর ছেড়েই বুঝি পালাতো, কিন্তু এমন সময় হঠাৎ জাকারিয়ুসের শোবার ঘরে সে আলোর রেশ দেখতে পেলো। কেনো, কোনো সময় আদিম দেবতাদের গর্জন আমাদের কানে পৌঁছোয় না, বরং তার চেয়ে অনেক মৃদু ও অস্ফুট শব্দ জড়ে মধ্যে অতিকায় হয়ে ওঠে। হঠাৎ যেন কোনো অস্ফুট বিলাপের ধ্বনি তার কানে এসে পৌঁছুলো। জানলাটা বন্ধ করার চেষ্টা করলো সে, কিন্তু পারলো না। ঝোড়ো হাওয়ায় যেন বারেবারে ঠেলে দিচ্ছে তাকে, লুকিয়ে বাড়িতে ঢোকবার সময় চোরকে যেভাবে বাড়ির দরজা-জানলা ঠেলে ফেলে দিতে চায়।

    মনে হলো আতঙ্কে সে বুঝি পাগল হয়ে যাবে। এত রাত্রে কী করছেন তার বাবা? দরজা খুললো সে, কিন্তু কবাটটা তার হাত থেকে সরে গেলো। ঝোড়ো হাওয়া তাকে ভীষণ জোরে ধাক্কা দিয়ে ছুঁড়ে ফেললো দেয়ালে। অন্ধকার খাবার ঘরে এসে দাঁড়ালো জেরাঁদ, তারপর কোনোরকমে পা টিপে-টিপে অধমূৰ্ছিত ও বিবর্ণর মতো বাবার কারখানার দিকে সিঁড়ি বেয়ে নেমে গেলো।

    নদীর গর্জনে আর চীকারে আস্ত ঘরটা কেঁপে-কেঁপে উঠছে আর তার মাঝখানে সোজা দাঁড়িয়ে আছে বৃদ্ধ ঘড়িনির্মাতা। কেমন এক জ্যান্ত বিভীষিকার। মতো তাঁর শাদা চুল উড়ছে ঝোড়ো হাওয়ায়; হাত-পা নেড়ে উদ্ভ্রান্তের মতো কথা বলছেন তিনি–যেন তার চোখ-কান নিঃসাড় হয়ে গেছে, কিছুই শুনছেন না বা দেখতে পাচ্ছেন না। জেরাঁদ স্তব্ধ হয়ে চৌকাঠের কাছে দাঁড়িয়ে রইলো।

    মৃত্যু! ফাঁকা গলায় বলছেন জাকারিয়ুস, জেরাঁদ শুনতে পেলো। মৃত্যু ছাড়া আর-কিছুই না। নিজের অস্তিত্বটাকেই যখন সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছি তখন আর বেঁচে থাকবোই বা কেন? আমি, মাস্টার জাকারিয়ুস, আমিই তো আমার সব ঘড়িগুলোর স্রষ্টা! রুপো, লোহা আর সোনার ওই সব ঘড়ির মধ্যে আমারই প্রাণ তো আমি টুকরো-টুকরো করে বিলিয়ে দিয়েছি–আমার আত্মাকেই দিয়েছি আমি ওদের। একটা করে ওই অভিশপ্ত ঘড়িগুলো থেমে যায় আর মনে হয় বুকের একটা অংশ ছিঁড়ে গেলো, যেন স্পন্দন থেমে যাবে কারণ আমারই হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন তো অমি ভরে দিয়েছি ওদের মধ্যে।

    অদ্ভুত এই কথাগুলি বলতে-বলতে বৃদ্ধ বারেবারে তার বেঞ্চির দিকে তাকাচ্ছেন। খোলামেলা ঘড়ির টুকরো-টুকরো কলকজা ছড়িয়ে আছে। বেঞ্চিতে, সারাবার জন্য তিনিই খুলেছেন এই ঘড়িগুলি। স্প্রিংজড়ানো একটা ফঁপা নল তিনি তুলে নিলেন হাতে; তারপর শাঁখের পাকের মতো প্যাচানো ইস্পাতের ইস্কুপ খুললেন তিনি; স্থিতিস্থাপকতার নিয়ম অনুযায়ী স্পিংটা ছড়িয়ে পড়লো না, বরং কোনো ঘুমন্ত গোখরোর মতো কুণ্ডলী পাকিয়ে পড়ে হইলো স্তব্ধ ও নিঃসাড়; গ্রন্থিল মনে হলো এই স্প্রিংকে, মৃত ও শৃঙ্খলিত যেন–যেন কোনো অক্ষম ও অসক্ত বৃদ্ধ যার রক্ত অনেক দিন আগেই ঠাণ্ডা হয়ে গিয়েছে। রোগা লম্বা আঙুলগুলি দিয়ে জাকারিয়ুস মিথ্যেই স্প্রিংটাকে ছাড়াতে চাইলেন আর দেয়ালে তাঁর এই ব্যর্থ ধস্তাধস্তির ছায়া অতিকায় হয়ে পড়তে লাগলো। কিন্তু ব্যর্থ, ব্যর্থ সব চেষ্টা। রোষে আর যন্ত্রণায় হঠাৎ তীব্র চীৎকার করে উঠে তিনি ক্ষুধিত ও টগবগে রোন নদীর বুকে স্পিংটা ছুঁড়ে ফেলে দিলেন।

    জেরাঁদের পা দুটি যেন মেঝেয় হঠাৎ আটকে গেছে–নিশ্চল সে দাঁড়িয়ে রইলো রুদ্ধশ্বাসে। বাবার কাছে গিয়ে দাঁড়াতে চাইলো সে, কিন্তু পারলো না। মাথা ঘুরছে তার, অতিকায় সব দুঃস্বপ্ন যেন হানা দিচ্ছে তার মাথায়। হঠাৎ যেন। ছায়ার মধ্যে থেকে কে তার তার কানে ফিশফিশ করে বলে উঠলো, জেরাঁদ! তুমি! এখনো জেগে আছো? তোমার ঘরে যাও, লক্ষ্মীটি। কনে ঠাণ্ডা পড়ছে আজ।

    ওবের! জেরাঁদ ফিশফিশ করে উঠলো, তুমি!

    তোমার কষ্ট কি আমাকেও কষ্ট দেয় না?

    হঠাৎ এই মৃদু কথাগুলি যেন জেরাঁদের বুকে রক্ত ফিরিয়ে দিলো। ওবেরের কাঁধে ভর দিয়ে সে বললে, বাবার নিশ্চয়ই ভয়ংকর কোনো অসুখ করেছে, ওবের। কেবল তুমিই তাকে সারাতে পারো, কারণ মেয়ের সান্ত্বনায় তার এই মানসিক বিশৃঙ্খলা মোটেই কমবে না। অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই লোকের ঠাট্টা-বিদ্রুপের পাত্র হয়ে পড়েছেন তিনি তাঁর সঙ্গে কাজ করতে-করতে, নষ্ট ঘড়িগুলি সারাতে-সারাতে, তুমিই শুধু তার চেতনা ফিরিতে আনতে পারো। ওবের, নিশ্চয়ই তার কথা সত্যি নয়? নিশ্চয়ই ওই ঘড়িগুলির মধ্যে নিজের প্রাণ তিনি পুরে দেননি?

    ওবের কোনো কথা বললে না।

    বাবার কাজ কি তবে ভগবানের চোখে দোষী? জেরাঁদ ভয়ে কেঁপে উঠলো। বললো ওবের, জানি না। কিন্তু তুমি তোমার ঘরে ফিরে যাও, লক্ষ্মীটি, একটু ঘুমুলে পরে আসা ফিরে পাবে।

    আস্তে-আস্তে নিজের ঘরে ফিরে এলো জেরাঁদ, সকাল পর্যন্ত সেখানেই সে বসে রইলো একা ও অতন্দ্র, একবারও চোখের পাতা বুজলো না তার। আর মাস্টার জাকারিয়ুস সারাক্ষণ নিশ্চল ও স্তব্ধভাবে তাকিয়ে-তাকিয়ে দেখতে লাগলেন কেমন করে তার পায়ের তলায় চঞ্চল, ক্ষুব্ধ, রুষ্ট রোন নদী অবিশ্রাম বেগে দিগন্তের দিকে ছুটে যাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }