Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    জুল ভার্ন এক পাতা গল্প759 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. বিজ্ঞানের দম্ভ

    ২. বিজ্ঞানের দম্ভ

    ব্যাবসার বিষয়ে জেনিভার বণিকদের কঠোরতা প্রায় প্রবাদবচনে পরিণত হয়েছে। বিপুল তাদের সম্মানবোধ, অতিরিক্ত তাদের সততা, আর মর্যাদার বিষয়ে তারা অত্যন্ত কঠোর। ফলে বিপুল ধৈর্য ও যত্ন সহকারে যে-ঘড়িগুলি বানিয়েছিলেন, সবখান থেকেই সেগুলো যখন ফিরে আসতে লাগলো, তখন লজ্জা ও ধিক্কারে মাস্টার জাকারিয়ুস যে কী পরিমাণ সংকুচিত হয়ে পড়লেন, তা সহজেই আন্দাজ করা যায়।

    ঘড়িগুলো যে অকারণেই আচমকা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। অকারণে, কেননা ঘড়ির ভিতরকার চাকা ভালোই আছে, কোথাও ঢিলে বা আলগা হয়ে যায়নি, কাঁটাগুলোও ঠিক আছে; কিন্তু স্প্রিংয়ের স্থিতিস্থাপকতা আর একটুও নেই। দুজ্ঞেয় এই বিফলতা তাঁর মান ও মর্যাদাকে গভীরভাবে ক্ষুণ্ণ ও আহত করলো। আশ্চর্য-সব আবিষ্কারের জন্য বহুবারই লোকে তাঁকে কালেগা জাদু বা ডাকিনী তন্ত্রের উপাসক বলে সন্দেহ করেছে–এবার সেই সন্দেহ যেন প্রমাণিত হয়ে গেলো। আর এইসব গুজব ও জনরব শেষকালে জেরাদেরও কানে পৌঁছুলো; ভয়ে সে প্রায়ই তার বাবার কথা ভেবে শিউরে ওঠে–বিশেষ করে যখন দ্যাখে যে লোকে দারুণ ক্রতাভরা চোখে তাকে তির্যকভাবে নিরীক্ষণ করছে, তখন তার বুকের রক্ত যেন ঠাণ্ডা হয়ে আসে।

    তবু এই তীব্র মনস্তাপের রাত্রিটি কেটে গিয়ে যখন সকাল হলো, মাস্টার জাকারিয়ুস কিঞ্চিৎ আস্থার সঙ্গে পুনর্বার তার কাজে মন দিলেন। সকাল বেলার সূর্য যেন তাকে নতুন সাহস ও প্রেরণা দিলে। ওবের তাড়াতাড়ি গিয়ে কারখানাঘরে ঢুকলো; জাকারিয়ুস অত্যন্ত শিষ্ট ও অমায়িকভাবে তাকে সুপ্রভাত জানালেন।

    আগের চেয়ে বেশ ভালো বোধ করছি, বৃদ্ধ বললেন, কাল যে কী একটা অদ্ভুত যন্ত্রণা হচ্ছিলো মাথার মধ্যে কে জানে। কিন্তু সকালের আলোেই যেন রাতের মেঘের সঙ্গে সঙ্গে তাকেও দূর করে দিয়েছে।

    সত্যি-বলতে, ওবের বললে, আমাদের দুজনের কারু পক্ষেই রাতটা ঠিক সহ্য হয় না।

    তুমি ঠিকই বলেছো, ওবের। কোনোদিন যদি বড়ো হয়ে ওঠো তো বুঝতে পারবে যে, দিন যেন তোমার কাছে খাদ্যের মতো জরুরি। যাঁরা জ্ঞানীগুণী ও মস্ত মানুষ, তাঁদের সবসময়েই সহযোগীদের প্রশংসা ও প্রশস্তির জন্য তৈরি থাকতে হয়।

    মাঝে-মাঝে আমার মনে হয় আপনাকে বুঝি বিজ্ঞানের দম্ভ পেয়ে বসেছে।

    দম্ভ, ওবের! দম্ভ? অতীত ধ্বংস করে ফ্যালো আমার, কেড়ে নাও আমার বর্তমান, ভবিষ্যৎকে একেবারে টুকরো-টুকরো করে ফ্যালো-আর একমাত্র তবেই আমি লোকচক্ষুর আড়ালে ও অজ্ঞাতসারে বাঁচতে পারবো। বেচারা, আমার এই শিল্প যে কোন মহান অসীমকে স্পর্শ করেছে, তা কি তুমি বুঝতে পারো না? এমনকী তুমিও কি আমারই হাতের নিছক একটা যন্ত্র মাত্র নও?

    তবু, ওবের অত্যন্ত বিনীতভাবে তার গুরুদেবকে বললে, আপনিই তো আমাকে আপনার ঘড়ির অতি সূক্ষ্ম কলকজাগুলি জুড়ে দেবার জন্য একাধিকবার প্রশংসা করেছেন। আমি কি তার যোগ্য নই?

    সে-বিষয়ে কোনো প্রশ্ন নেই, ওবের। তুমি একজন ভালো কারিগর, এটা সত্যি, আর এই জন্যই তোমাকে আমি স্নেহ করি। কিন্তু কাজ করার সময় তুমি তো এটাই ভাবো যে তোমার হাতে বুঝি সোনা, রুপোবা তামাই রয়েছে কয়েক টুকরো। তুমি তো এটা কল্পনাও করতে পারো না যে এই ধাতুগুলো আমার মনীষা ও মেধার কাছ থেকে প্রাণ পেয়ে রক্তমাংসের জীবের মতো স্পন্দিত হয়ে ওঠে। ফলে তোমার তৈরি-করা কোনোকিছু বিকল হয়ে গেলে তো আর তুমি মরে যাবে না–কিন্তু আমি যাবো।

    কথাগুলি বলেই জাকারিয়ুস কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন, কিন্তু ওবের তবু কথাবার্তা চালিয়ে যাবার চেষ্টা করলে।

    সত্যি?” সে বললে, আপনার কাজ অফুরানভাবে দেখেও আমার আশ মেটে না। পরিষদের উৎসবের জন্য আপনাকে কিন্তু তৈরি থাকতে হবে–কারণ আমি জানি কেলাস-ঘড়ি নিয়ে আপনি যে-গবেষণা করেছেন, তা অমর হয়ে থাকবে।

    সে-বিষয়ে আমারও কোনো সন্দেহ নেই, ওবের, বৃদ্ধ ঘড়িনির্মাতা ঈষৎ উত্তেজিত হয়ে উঠলেন। আমি যে কেলাসকে কেটে হিরের মতো স্থায়িত্ব ও আকার দিতে পারি, এটা মোটেই কম সম্মানের বিষয় নয়। আহ হিরে-কাটার বিদ্যেকে নিখুঁত করে লুই বেরজেম মহদুপকার করে গেছেন আমাদের সেই জন্যেই তো আমি সবচেয়ে কঠিন পাথরকেও ঘষে-মেজে এমন মসৃণ আর চকচকে করে তুলতে পেরেছি, তার জন্যে তাতে ছিদ্র করা সম্ভব হয়েছে আমার পক্ষে।

    কেলাস কেটে তৈরি-করা কতকগুলি সূক্ষ্ম কলকজা তুলে দেখালেন। জাকারিয়ুস–প্রতিটি কাজই তার দক্ষতার চরম পরাকাষ্ঠার নজির। ঘড়ির চাক, কীলক, আধার–সবকিছুই কেলাস কেটে বানিয়েছেন তিনি, আর এই অতি কঠিন কাজেই তার অসীম দক্ষতার পরিচয় ফুটে উঠেছে।

    জাকারিয়ুসের মুখ আরক্তিম হয়ে উঠলো। এই স্বচ্ছ আধারের ভিতরে ঘড়িটা স্পন্দিত হয়ে উঠেছে, তার হৃৎপিণ্ডের ধুকধুকি শোনা যাচ্ছে–এটা কি আশ্চর্য লাগে না তোমার?

    বছরে এই ঘড়ির যে এক সেকেণ্ডও এদিক-ওদিক হবে না, তরুণ শিক্ষানবিশটি বললে, তা আমি বাজি ধরে বলতে পারি।

    তুমি যে বাজি জিতবে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আমার নিজের মধ্যে যা-কিছু শুদ্ধ ও নিষ্পাপ, সব কি আমি এতে ভরে দিইনি? আর আমার হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন কি কখনো এদিক-ওদিক হয়? বলল, আমার হৃৎপিণ্ডের ধকধক কি কখনো হঠাৎ থেমে যায়?

    গুরুর দিকে মুখ তুলে তাকাবার সাহস পেলো না ওবের।

    সত্যি করে বলো আমাকে, জাকারিয়ুসের গলা বিষণ্ণ হয়ে এলো, আমাকে কি তোমার কখনো পাগল বলে মনে হয়নি? আমাকে কি কখনো ভয়ংকর নির্বোধ বলে মনে হয়নি তোমার? বলো, মনে হয়নি কি? কন্যা জেরাঁদ আর তোমার চোখে মাঝেমাঝে আমি যেন চিরদণ্ডের ছাপ দেখতে পাই। ওহ! আর্ত ও ব্যথাতুর হয়ে এলো তার কণ্ঠস্বর, জগতে যাদের সবচেয়ে ভালোবাসা যায়, তারা যদি কখনো ভুল বোঝে তো তার চেয়ে কষ্টের আর-কিছু নেই। কিন্তু, ওবের, আমি তোমাকে আজ বলছি যে আমি কোনো ভুল করিনি, এটা একদিন অত্যন্ত সফলভাবে প্রমাণ করে দেবো! না, না, মাথা নেড়ো না, তুমি স্তম্ভিত হয়ে যাবে তখন। আমার কথায় গভীর অর্থ যেদিন বুঝতে পারবে, সেদিন আমাকেও তুমি সত্যি-সত্যি বুঝতে পারবে। সেদিন দেখবে যে আমি অস্তিত্বের মূল রহস্য বের করে ফেলেছি। সেদিন দেখবে যে প্রাণ কাকে বলে, তা আমি জেনে ফেলেছি, জেনে ফেলেছি কোন জটিল রহস্যের মধ্যে দেহ আর আত্মার অভেদ মিলন রচনা হয়ে যায়।

    এ-কথা বলতে-বলতে গর্বে ও অহমিকায় জাকারিয়ুস যেন রাজার মতো উন্নত হয়ে উঠলেন। কোনো-এক অতিপ্রাকৃত আগুন জ্বলে উঠলো যেন তার চোখে, তার সর্বাঙ্গ দম্ভে দীপ্ত হয়ে উঠলো। আর, সত্যি, যে দম্ভকে ক্ষমা করা যায়, জাকারিয়ুসের এই দম্ভ বোধহয় তাই।

    কারণ তার শৈশবে ঘড়িনির্মাণবিদ্যা যেন আঁতুড় ঘরে ছিল। খ্রিষ্টযুগের চার শতাব্দী আগে প্লাতো বের করেছিলেন রাতের ঘড়ি, এই বিদ্যা তদবধি যেন প্রায় স্থবির হয়ে ছিলো। বাঁশির সুরে রাতের প্রহর ঘোষণা করতো, প্লাতোর তৈরি-করা এই ঘড়ি ছিলো অনেকটা ক্লেপসিড্রার মতো। ওস্তাদ কারিগরেরা তার যান্ত্রিক দিকের চেয়ে শিল্পিতার দিকে বেশি নজর দিতেন, ফলে সে-যুগে যেন কে কত সুন্দর ঘড়ি বানাতে পারে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছিলো লোহায়, তামায়, কাঠে বা রুপোয় কারুকাজ করা হতো এইসব ঘড়ি-চেল্লিনির কলসের মতো সুন্দর শিল্পকর্ম যেন। উৎকরণ বিদ্যার শ্রেষ্ঠ নিদর্শন রচিত হয়েছিলো এ-যুগে : সময় যদিও ঠিকমতো দিতো না, তবু তারা যে কতটা উৎকৃষ্ট ছিলো, সেটা মোটেই অবহেলা অমান্য করার মতো নয়। শিল্পীর কল্পনা কলকজার চেয়েও বেশি নিবদ্ধ ছিলো বহির্বিভাগে : আধার ও আবরণ কত সুন্দর করা যেতে পারে, দৃষ্টি ছিলো সেই দিকে, সচল পুতুলে আর গানের সুরে ঘড়িগুলি যেন দামি খেলনা হয়ে উঠেছিলো। তাছাড়া, সেই সুদূর অতীতে কে-ই বা সময়ের নিখুঁত পরিমাপ নিয়ে মাথা ঘামাতো? ঘড়ি কেন হঠাৎ আস্তে চলতে শুরু করে, তার কারণ তখনও আবিষ্কৃত হয়নি; জ্যোতির্বিদ্যার অনুগণনা তখনও নিক্তিমাপা সংহিতার বশবর্তী হয়ে ওঠেনি, পদার্থবিদ্যায় নির্ভুল গণনার ভিত্তি রচিত হয়নি তখনও; নির্দিষ্ট সময়ে দোকান-পশার ভোলা বা বন্ধ করার তাগিদ ছিলো না তখন; ঘড়ির কাঁটায়-কাঁটায় তখন ট্রেন ছাড়তে না। সন্ধেবেলায় ঝমঝম করে ঘন্টা বেজে উঠতো তখন–আর বিশ্বজোড়া স্তব্ধতার মধ্যে প্রহর ঘোষণা করা হতো চীৎকার করে। যদি কাজের পরিমাণের উপর পরমায়ুর পরিমাপ নির্ভয় করে, তাহলে বলতে হয়–লোকে তখন এত দীর্ঘজীবী ছিলো না–কিন্তু তারা আরো ভালোভাবে বেঁচে থাকতে জানতো। এই বিশ্বসৃষ্টির পরম রহস্য ধ্যান করে হৃদয় তখন সমৃদ্ধ হতো। দুশো বছর লাগতো তাদের একটি গির্জে বা মঠ বানাতে; কোনো শিল্পী সারা জীবনে কেবল গোটাকয়েক ছবি আঁকতেন; কবি লিখতেন একটি মাত্র মহাকাব্য : কিন্তু তবু উত্তরকাল সেই সরল অতীতের কাছ থেকে কত আশ্চর্য রচনা পেলো।

    অবশেষে যখন যথাযথ ও নির্ভুল বিজ্ঞানের অগ্রগিত শুরু হলো, ঘড়িনির্মাণবিদ্যাও ক্রমশ উন্নতিলাভ করতে লাগলো। কিন্তু তবু সেই দুরতিক্রম্য বাধ্য থেকে গেলো বিরাট প্রাচীরের মতো : সময়ের অবিরাম ও নিয়মিত

    পরিমাপ নেয়া তখনও সাধ্যাতিরিক্তই থেকে গেলো।

    এই বন্ধ্যা ভূমিতেই জাকারিয়ুস ঘড়ির এমন-একটি গতি-নিয়ন্ত্রক আবিষ্কার করেছিলেন, দোলকের অন্তর্লীন বলের উপর নির্ভর করতে বলে ঘড়িকে যা এক গাণিতিক অবিচ্যুতি দিয়েছিলো। এই আবিষ্কারই জাকারিয়ুসের সর্বনাশ করলো : তার মাথা ঘুরে গেলো। তাপমান যন্ত্রে যেমন পারদ ফুলে ওঠে, তেমনি তার বুকে স্ফীত হয়ে উঠলো অমেয় দম্ভ–একেবারে যেন শেষ সীমায় পৌঁছুলো পারদ, এবার চন্দ্র ফেটে বেরিয়ে আসবে। উপমার সাহায্যে নিজেকে তিনি অচিৎ সিদ্ধান্তে পৌঁছুতে দিয়েছেন : আর তাই ঘড়ি বানাতে-বানাতে একদিন তার মনে হয়ে গেলো তিনি বুঝি দেহ ও আত্মার মিলনের মূল রহস্যটি ভেদ করেছেন।

    কাজেই ওবেরকে অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে তার কথা শুনতে দেখে অতি সহজেই তিনি তার নিজের ধ্যান-ধারণা খুলে বললেন : তুমি জানো প্রাণ কাকে বলে? যে-সব স্প্রিং-এর জন্যে জীব বেঁচে থাকে তাদের রহস্য তুমি কখনো ভেবে দেখেছো? নিজেকে পরীক্ষা করে দেখেছে কোনোদিন? না। অথচ বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বিচার করলে তুমি সহজেই আমার কাজ আর ভগবানের কাজের মাঝখানে গভীর মিল খুঁজে পেতে; কারণ তাঁর প্রাণীদের দেখেই ঘড়ির চাকা বানাবার কৌশল শিখেছি আমি।

    উৎসুকভাবে ওবের বলে উঠলো, ভগবানের নিশ্বাসকেই তো আত্মা বলি আমরা–হাওয়া যেমন করে ফুলকে কাঁপিয়ে যায় তার নিশ্বাসও তেমনিভাবে আমাদের মধ্যে প্রাণ সঞ্চার করে দেয়–আর তার সঙ্গে কিনা আপনি কতগুলো লোহা আর তামার কলকজার তুলনা করছেন? প্রাণের চেয়ে রহস্যময় অথচ নির্ভুল ও প্রেরণাদীপ্ত কোন যন্ত্রবিদ্যা?

    প্রশ্ন সেটা নয়, অত্যন্ত নরম স্বরে বললেন বটে জাকারিয়ুস, কিন্তু তার কথার মধ্যে খাদের-দিকে-এগিয়ে-যাওয়া অন্ধের প্রবল জেদ ফুটে উঠলো। আমাকে বুঝতে হলে আমার আবিষ্কার-করা সেই সময়-নিয়ন্ত্রক দোলকটির উদ্দেশ্য ও অর্থ মনে রাখতে হবে। যে-সব ঘড়ি ঠিকমতো চলে না, তাদের দেখেই এটা আমি বুঝতে পারি যে যে-গতি তাদের মধ্যে বন্দী হয়ে আছে তা ঠিক যথেষ্ট নয়–কোনো স্বাধীন বলের দ্বারা তাকে নিয়ন্ত্রণ ও শাসন না-করলে সেই গতি কোনো কাজেই লাগবে না। সমতা রাখার জন্যে কোনো চাকা যদি। থাকে তাহলেই হয়তো এটা সম্ভব হবে–একদিন আমার মনে হলো, এবং অবশেষে ওই গতিকে আমি নিয়ন্ত্রণ করতে পারলুম, আবার স্বপ্ন সফল হলো। আমার এই চিন্তাটাকে মহান ঠেকে না তোমার? ঐশ্বরিক বলে মনে হয় না কি আমার এই চিন্তাকে, যার বলে আমি বলেছিলুম যে কোনোরকমে ঘড়ির মধ্যেই যদি সেই হারিয়ে-যাওয়া গতিকে ফিরিয়ে আনা যায় তাহলেই সমস্ত ব্যাপারটা নিয়ন্ত্রিত হয়ে যাবে?

    ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানালো ওবের।

    ক্রমশ উত্তেজিত হয়ে উঠলেন জাকারিয়ুস। ওবের, একবার নিজের দিকে তাকিয়ে দ্যাখো। তুমি কি বুঝতে পারছে না যে আমাদের মধ্যে যুগপৎ দুটি শক্তি কাজ করে যাচ্ছে–দেহের শক্তি, আর আত্মার–গতি আর তার নিয়ন্ত্রণ। আত্মাই প্রাণের মূল–অর্থাৎ আত্মাই হলো গতি, আন্দোলনের উৎস, আলোড়নের আকর। কী থেকে তার সৃষ্টি হয়? কোনোভাব থাকে? না কি। কোনো স্প্রিং বা কোনো নির্জড় প্রভাব থেকে? তা জানি না, কিন্তু এটা জানি যে হৃৎপিণ্ড হলো সেই জিনিশ। কিন্তু দেহ না-থাকলে এই আন্দোলন অসমান হয়ে পড়তো, হয়ে পড়তো অনিয়মিত ও অসম্ভব। কাজেই দেহই এই আত্মাকে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে–দেহই হলো সমতা রক্ষার সেই চাকা, আত্মা যার নিয়মিত দোলনের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। আর এটা যে কত সত্যি, তার প্রমাণই তো এইখানে যে, খাদ্য পানীয় বা নিদ্রা না-হলে–অর্থাৎ দেহের ক্রিয়া নিয়মিত সংঘটিত না-হলে–মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ে। দোলনের ফলে যে-গতিটুকু হারিয়ে যায় তা ঠিক যেমনভাবে আবার দেহকে জুগিয়ে দেয় আত্মা, আমার ঘড়িতে আশ্চর্য এই গতিনিয়ন্ত্রকটি তা-ই করে। আর কীসের মধ্যে তাহলে দেহ ও মনের মিলনের রহস্য লুকিয়ে আছে? একটি চাকা ঘুরে চলে বলেই অন্য চাকাটি চলতে পারে। এটাই আমার আবিষ্কার, আর আমি তা হাতে-কলমে খাঁটিয়েছি আমার কাজের মধ্যে। প্রাণের আর-কোনো রহস্যই। অজানা নেই আমার প্রাণ যে আসলে আশ্চর্য নিখুঁত একটি কল, তা আমি জেনে গেছি।

    মতিভ্রম, সন্দেহ নেই; কিন্তু তবু জাকারিয়ুস যেন সম্ভ্রম জাগান, কেননা এই বিভ্রমই তাকে অসীমের চরম রহস্যের মধ্যে নিয়ে এসেছে। কিন্তু তার কন্যা জেরাঁদ চৌকাঠের কাছে দাঁড়িয়ে সব কথাই শুনতে পেলো। ছুটে এসে সে বাবার বুকে ঝাঁপিয়ে পড়লো–আর তার দেহটি যেন কান্নার তোড়ে ফুলে-ফুলে উঠতে লাগলো।

    তোর আবার কী হলো? কন্যাকে জিগেস করলেন জাকারিয়ুস।

    এখানে যদি কেবল একটা স্প্রিং থাকতো, বুকে হাত চেপে সে বললে, তাহলে কি তোমাকে এত ভালোবাসতে পারতুম, বাবা?

    নিবিষ্টভাবে জেরাঁদকে নিরীক্ষণ করলেন জাকারিয়ুস, কোনো জবাব দিলেন না। তারপরেই হঠাৎ বুকে হাত চেপে আর্তনাদ করে উঠলেন তিনি, আর মুছিত হয়ে তার পুরোনো চেয়ারটিতে পড়ে গেলেন।

    কী হলো তোমার, বাবা?

    শিগগিরি! ওবের চীৎকার করে ডাকলো, স্কলাস্টিকা!

    স্কলাস্টিকা কিন্তু তক্ষুনি এলো না। সদর দরজার কে যেন কড়া নাড়ছিলো তখন–সে গিয়েছিলো দরজা খুলে দেখতে। সে যখন কারখানা-ঘরে এসে ঢুকলো, বৃদ্ধ ঘড়িনির্মাতা ততক্ষণে চেতনা ফিরে পেয়েছেন। তাকে ঢুকতে দেখে সে কোনো কথা বলার আগেই জাকারিয়ুস বললেন, নিশ্চয়ই তুমি আরেকটা নষ্ট ঘড়ি নিয়ে এসেছো? স্কলাস্টিকা, অভিশপ্ত ঘড়িটা হঠাৎ বন্ধ হয়ে . গেছে, তাই না?

    কী আশ্চর্য। আপনি তা জানলেন কী করে? ওবেরের হাতে স্কলাস্টিকা একটি বিকল ঘড়ি তুলে দিলে।

    আমার হৃৎপিণ্ড কখনো ভুল করো না, দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন জাকারিয়ুস।

    অত্যন্ত যত্নসহকারে চাবি ঘুরিয়ে দম দিলো ওবের–কিন্তু তবু সে-ঘড়ি কিছুতেই আর চলবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }