Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    জুল ভার্ন এক পাতা গল্প759 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৪. সাঁৎ পিয়েরের গির্জে

    ৪. সাঁৎ পিয়েরের গির্জে

    এদিকে যত দিন যাচ্ছে, মাস্টার জাকারিয়ুসও ততই দেহে ও মনে অবসন্ন হয়ে পড়তে লাগলেন। তবু অস্বাভাবিকরকম উত্তেজিতভাবে তিনি প্রত্যেক দিন প্রচণ্ড উৎসাহে কাজে হাত দেন–কে যেন তাকে বাধ্য করে কাজ করার জন্য, তার ফলে তার কন্যা কিছুতেই তাঁকে এই কাজ থেকে বিরত করতে পারে না।

    সেই অদ্ভুত আগন্তুকটি তাকে ভুলিয়ে অন্যায়ভাবে একেবারে সংকটের মাঝখানে নিয়ে হাজির করেছিলো; কিন্তু সেই জন্যই তিনি যেন জেদ করে আরো বেশি দাম্ভিক হয়ে উঠেছেন, যেন স্থির করেছেন তার অসাধারণ প্রতিভার দ্বারা তিনি সমস্ত অন্যায় অপবাদ কাটিয়ে উঠবেন। জেনিভা নগরীর যে-সব ঘড়ি তার তত্ত্বাবধানে ছিলো, প্রথমে তিনি সেগুলিকে গিয়ে মেরামত করলেন! চাকাগুলি যে ভালো আছে, কীলকগুলি যে শক্ত ও সুদৃঢ় এবং ভারের সমতা যে এক চুলও নষ্ট হয়নি–তন্নতন্ন করে পরীক্ষা করে এ-বিষয়ে তিনি নিঃসন্দেহ হলেন। প্রত্যেকটি কলকজা, এমনকী ঘণ্টাগুলি পর্যন্ত, তিনি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করে দেখলেন–ঠিক যেমনভাবে কোনো ডাক্তার রোগীর বুক পরীক্ষা করে। ঘড়িগুলি যে কেন বিকল হয়ে পড়ছে তার কারণ কিন্তু তবু কিছুতেই আবিষ্কার করা গেলো না, হাজার চেষ্টাতেও না।

    তিনি শহরের ঘড়িগুলো মেরামত করতে বেরুতেন, তার মেয়ে আর ওবের তখন প্রায়ই তার সঙ্গে যেতো। তারা যে আগ্রহভরে তার সঙ্গে যেতে চাচ্ছে, এতে যে তিনি খুশি হতেন, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। যদি তিনি জানতেন যে তার প্রিয়জনের জন্যই তার জীবন দীর্ঘায়িত হচ্ছে, যদি তিনি জীবনের এই সত্যটা আবিষ্কার করতে পারতেন যে, পিতার কিছু অংশ তার সন্তানের মধ্যে চিরকালের মতো থেকে যায়, তাহলে হয়তো তার আয়ু যে শেষ হয়ে আসছে, এই চিন্তায় তিনি এমনভাবে মগ্ন ও তম্ময় হয়ে পড়তেন না।

    বাড়ি ফিরে এসে বৃদ্ধ ঘড়িনির্মাতা যেন কেমন একটা জ্বরাতুরভাবে আবার উঠে-পড়ে তার কাজে লাগতেন। তাঁর যে সাফল্যলাভের বিন্দুমাত্র সম্ভাবনা নেই, এটা যদিও তাকে অনেকবার বোঝাবার চেষ্টা করা হলো, তবু তিনি এ-ব্যাপারটা যে সম্ভব তা কিছুতেই বিশ্বাস করতে চাইতেন না। অবিশ্রান্তভাবে ঘড়িগুলির কলকজা খুলে দ্যাখেন তিনি, তারপর এক-এক করে আবার সব জোড়া লাগান, পরাজয় অনিবার্য জেনেও কিছুতেই হাল ছাড়েন না।

    সমস্ত গণ্ডগোলের মূল কারণটা খুঁজে বের করার জন্য ওবের কেবল নিজেকেই কষ্ট ও যন্ত্রণা দেয়–কিন্তু কোনো ফল হয় না। নিশ্চয়ই কীলক আর চাকার দাঁতগুলি কোনো কারণে খয়ে যায় তাই

    তুমি আমাকে তিলেতিলে কষ্ট দিয়ে মারতে চাও? অত্যন্ত ক্ষুব্ধ ও ক্রুদ্ধ হয়ে ওঠেন মাস্টার জাকারিয়ুস। এই ঘড়িগুলো কি ছেলেখেলা মাত্র? ছোটোদের খেলনা? লেদ-এ চাপিয়ে এই তামার পাতগুলি দিয়ে কাজ করতে গিয়ে আঙুলে আঘাত লাগেনি আমার? যাতে তারা আরো শক্তি পায় এই জন্য আমি কি নিজের হাতে আগুনে গালিয়ে গড়ে-পিঠে এই তামার টুকরোগুলো তৈরি করিনি? এই স্প্রিংগুলি কি উৎকর্ষের পরাকাষ্ঠা নয়? আমার চেয়ে পালা তেল কি আর-কেউ ব্যবহার করতে পারতো? তা যে অসম্ভব তা তুমি নিজেই জানো-ফলে তোমাকে এটা বলতেই হবে যে, এগুলিকে নিশ্চয়ই শনিতে কিংবা শয়তানে পেয়েছে।

    সকাল থেকে রাত্রি পর্যন্ত একের পর এক রুষ্ট ক্রেতারা এসে বাড়িতে চড়াও হয়–জাকারিয়ুসের সঙ্গে দেখা না-করে ফেরে না কেউ–আর সবাই মিলে এমন হৈ-চৈ করে যে, কার কথায় যে কান দেবেন জাকারিয়ুস তা ভেবেই পান না।

    কেবলই পিছিয়ে পড়ে আমার ঘড়িটা-হাজার চেষ্টা সত্ত্বেও কিছুতেই ঠিক সময় দেয় না, কেউ অভিযোগ করে।

    কেউ-বা বলে, এই ঘড়িটা এত একগুঁয়ে যে এক চুলও নড়ে না–জোশুয়ার সূর্যের মতো নিশ্চল কেবল দাঁড়িয়েই থাকে।

    আর এ-কথা যদি সত্যি হয় যে, অনেকেই এ-কথা বলে যায়, আপনার ঘড়িগুলিতে আপনার স্বাস্থ্যের প্রভাব পড়ে, তাহলে দয়া করে যত শিগগির সম্ভব সেরে-ওঠার চেষ্টা করুন।

    জাকারিয়ুস শুধু উদ্ভ্রান্ত দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন তাদের দিকে, আর কেবলই মাথা নাড়েন, নয়তো বিষণ্ণভাবে বলে ওঠেন : বসন্তকাল আসুক–অন্তত ততদিন ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করুন। বসন্তকালে তো জীর্ণ ও জরাগ্রস্তও নতুন করে প্রাণ পেয়ে যায় যেন। সূর্য চাই আমাদের, যাতে ঠাণ্ডা রক্তও গরম হয়ে ওঠে।

    বাঃ চমৎকার! সারা শীতকাল ধরে ঘড়িটা যদি রোগে ভোগে, তাহলেই হয়েছে; রেগে বলে ওঠে কেউ-কেউ। আধারের উপরে যে আপনার নামটা স্পষ্ট করে লেখা আছে, তা কি আপনি ভুলে গেছেন, মাস্টার জাকারিয়ুস? ঈশ্বরের দোহাই, নিজের স্বাক্ষরের মর্যাদা রাখার জন্য একটু চেষ্টা করুন।

    শেষকালে এমন হয়ে উঠলো, লোকের তিরস্কার আর সহ্য করতে–পেরে এই বৃদ্ধ ঘড়িনির্মাতা পুরোনো সিন্দুক থেকে স্বর্ণমুদ্রা বের করে এক-এক করে সবগুলি বিকল ঘড়িই আবার কিনে নিতে লাগলেন। এ-কথা শুনে ক্রেতারা দল বেঁধে আসতে লাগলো, আর জলের মতো বেরিয়ে যেতে থাকলো তার সব টাকা। কিন্তু তার সততায় একটিও আঁচড় পড়লো না। জেরাঁদ কিন্তু সাগ্রহে তার এই সম্মানবোধের প্রশংসা করলে–অথচ এই জন্য ক্রমে তার সর্বস্বান্ত হয়ে যাবার জোগাড় হলো; শেষকালে ওবের নিজের জমানো টাকাও তার গুরুদেবকে নিবেদন করতে চাইলো।

    পিতৃস্নেহের এই ভরাডুবির মধ্যেও মাঝে-মাঝে কাঠকুটো আঁকড়ে ধরতে চান জাকারিয়ুস, শেষকালে আমার মেয়ের কী হবে?

    সাহস সঞ্চয় করে ওবের কিছুতেই আর এ-কথা বলতে পারে না যে ভবিষ্যতের উপর তার অসীম আস্থা ও প্রত্যাশা আছে; সে-যে জেরাঁদকে গভীরভাবে ভালোবাসে, এ-কথাটি সে আর প্রকাশ করে বলতে পারে না। সেদিন যদি সাহস করে বলতে পারতো, মাস্টার জাকারিয়ুস হয়তো তক্ষুনি তাকে তার কন্যাজামাতা-রূপে গ্রহণ করে সেই অলুক্ষুণে ভবিষ্যদ্বাণী ব্যর্থ করে দিতেন।জেরাঁদের সঙ্গে ওবেরের বিয়ে? উঁহু, কোনোদিনই হবে না, এই ভয়ংকর কথাটি এখনো তার কানে অবিশ্রাম গুঞ্জন করে ফেরে।

    বিকল ঘড়িগুলি কিনে-নিতে নিতে জাকারিয়ুস শেষকালে যেন দেউলে হয়ে গেলেন। কারুকাজ-করা দামি-দামি সব পুরোনো বাসন-কোশন সব অচেনা লোকের হাতে তুলে দিলেন তিনি, বাড়ির দেয়ালে কাজ-করা যে-সব সুন্দর প্যানেল ছিলো, সব তিনি বেচে দিলেন। প্রাচীন ফ্লেমিশ শিল্পীদের আশ্চর্য ছবিগুলি আর জেরাঁদের চোখে পড়ে না। সব তিনি বেচে দিলেন–এমনকী তিনি নিজে যে-সব সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি আবিষ্কার করেছিলেন, তাও এই হুলস্থূলের মধ্যে ক্রেতাদের তুষ্ট করার জন্য বেচে দিতে হলো।

    কেবল স্কলাস্টিকাই এ-সম্বন্ধে কারু কাজে কোনোরকম যুক্তিতর্ক শুনতে চাইতো না। কিন্তু এইসব নাছোড়বান্দা লোকগুলিকেও সে কিছুতেই আটকাতে পারতো না–প্রভুর সঙ্গে দেখা করে শেষ পর্যন্ত তারা কোনো-না-কোনো দুমূল্য জিনিশ নিয়ে চলে যেতো–কোনোরকমেই সে তাতে বাধা দিতে পারতো না। ফলে তার একটানা চ্যাঁচামেচিতে সমস্ত পাড়া তারপর মুখর হয়ে উঠতো–পাড়ার লোকের কাছে অবশ্য আগে থেকেই তার মুখের খ্যাতি ছিলো। তার প্রভু ডাকিনীতন্ত্রের উপাসক, আসলে তিনি একজন কালো জাদুকর মাত্র–এই-যে জনরব সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছিলো, দৃঢ় স্বরে সে তার প্রতিবাদ করতো; কিন্তু ভিতরে-ভিতরে শেষটায় তারও মনে হলো বোধকরি ব্যাপারটায় কিঞ্চিৎ সত্য আছে–তাই বারেবারে তার এই শুভ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যাচারিতার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতো ঈশ্বরের কাছে।

    মাস্টার জাকারিয়ুস যে ইদানীং ধর্মকর্মে অত্যন্ত অবহেলা করছেন, এটা সকলেই খেয়াল করছিলো। এককালে তিনি মেয়েকে নিয়ে নিয়মিত গির্জেয় যেতেন–মানুষের কল্পনার মহিমা ও বিপুলতা অনুভব করতেন তিনি প্রার্থনা–সভায়–প্রত্যেক চিন্তাশীল লোকের যেমন হয়, তারও বুদ্ধিবৃত্তির কাছে এই স্তব ও স্তোত্রের সেই গভীর আবেদন ছিলো! অথচ এখন তাকে আর কখনও গিঞ্জেয় দেখা যায় না; তা ছাড়া মানুষটাও কিছুটা চাপা স্বভাবের–তার চারপাশে যেন অসীম রহস্য ছড়িয়ে আছে; ফলে তার সঙ্গে এবার তার সেই প্রার্থনাসভার যোগদানে অবহেলাটি যোগ হয়ে লোকের সন্দেহ ও অভিযোগকে আরো দৃঢ় করে তুললো। পিতা যাতে ঈশ্বর এবং জগতের কাছে আবার ফিরে আসেন, এই দুই কারণেই জেরাঁদ ধর্মের সাহায্য নেবে বলে স্থির করলে। তাঁর ম্রিয়মাণ আত্মায় হয়তো সঞ্জীবনীর কাজ করবে ধর্ম–অন্তত জেরাঁদের তাই মনে হলো, কিন্তু আস্থা, দীনতা ও বিনতির সঙ্গে অনতিক্রম্য এক দম্ভের প্রবল দ্বন্দ্ব শুরু হলো জাকারিয়ুসের হৃদয়ে; বিজ্ঞানের অহংকারের সঙ্গে প্রচণ্ড সংঘর্ষ শুরু হলো অন্তিম গুণ দীনতার, কেননা বিজ্ঞান তো কেবলি সব-কিছুকে নিজের সঙ্গে জুড়ে দিতে চায়; প্রথম নিয়মের সূত্রগুলি যে একদিন কোনো অসীম থেকেই উৎসারিত হয়েছিলো, বিজ্ঞান এটা তাকিয়ে দেখতে চায় না।

    জাকারিয়ুসের মনের মধ্যে বিজ্ঞানই যখন সর্বেসর্বা, তখন এই তরুণী তার বাবাকে ফেরাতে চাইলে :নতুন করে তাঁকে দীক্ষিত করতে চাইলে জেরাঁদ; আর তার প্রভাব এতটাই কার্যকরী হলো যে, বৃদ্ধ জাকারিয়ুস পরের রোববারে গিঞ্জেয় গিয়ে প্রার্থনাসভায় যোগ দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিলেন। শুনে মেয়ের মন আনন্দে ও উচ্ছ্বাসে ভরে গেলো, যেন এতদিনে সে স্বর্গ খুঁজে পেয়েছে। বুড়ি স্কলাস্টিকা তো তার আনন্দ আর চেপে রাখতে পারলো না; এতদিনে সে সমস্ত গুজব ও জনরবের যোগ্য উত্তরটি দিতে পারবে, আর যে-ই তার প্রভুকে স্লেচ্ছ ও অধর্মাচারী বলতে আসুক, সে তাকে এই দুর্ধর্ষ যুক্তিটি দেখিয়ে দেবে। পাড়াপড়শিদের সবাইকে এই শুভ সংবাদ দিয়ে এলো সে, শত্রু-মিত্র, চেনা-অচেনা–এই খবর না-শুনিয়ে কাউকেই সে ছাড়লো না।

    তাই নাকি! সত্যি? তোমার কথা তো বিশ্বাসই হতে চাচ্ছে না, স্কলাস্টিকা। লোকে তাকে বললো, মাস্টার জাকারিয়ুস তো এতকাল শয়তানের সঙ্গেই শলা-পরামর্শ করতেন!

    তাহলে তোমরা শোনোনি তাঁর ঘড়ির ঘণ্টাগুলো কেমন আশ্চর্যভাবে বেজে ওঠে,বুড়ি দাসী তাদের বলে দিলে, ওই ঘণ্টাগুলিই ঢং-ঢং করে বেজে প্রার্থনাসভার সময় ঘোষণা করেছে এতকাল।

    তা মানি। কিন্তু তিনি কি এমন যন্ত্র আবিষ্কার করেননি যা আপনা থেকেই চলে–ঠিক যেন জ্যান্ত মানুষের মতো কাজ করে যায়?

    সেই-যে তিনি আশ্চর্য একটা লোহার ঘড়ি বানিয়েছিলেন, টাকা ছিলো না বলে জেনিভার লোক যা কিনতে পারেনি, আন্দেরনাৎ-এর এক বাগানবাড়িতে যেটা এখন আছে, রেগে ফুঁসে উঠলো স্কলাস্টিকা, কোনো শয়তানের কোনো সাধ্য ছিলো কি তেমন ঘড়ি বানায়? ঘণ্টায়-ঘণ্টায় একেকটি নীতি-বাক্য বেরিয়ে আসে ডায়াল থেকে–ওই নীতিগুলি পালন করলে যে কোনো ধর্মভীরু খ্রিষ্টানই সোজা স্বর্গে চলে যাবে! একে কি কখনো শয়তানের কাজ বলা চলে?

    সত্যিই, এই ঘড়িটা জাকারিয়ুসের শ্রেষ্ঠ কীর্তি। কুড়ি বছর আগে তিনি বানিয়েছিলেন এটা, আর এটার জন্যই খ্যাতির একেবারে শীর্ষদেশে আরোহণ করেছিলেন। কিন্তু তা সত্ত্বেও কি না তার সম্বন্ধে ডাকিনীতন্ত্রের কথা ওঠে। তবে জাকারিয়ুস গির্জেয় গেলে অন্তত এই হবে যে, লোকের পিশুনভরা কথা স্তব্ধ হয়ে যাবে।

    কন্যাকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, মাস্টার জাকারিয়ুস কিন্তু তা একবারেই ভুলে গিয়েছিলেন; সকালবেলায় সোজা তিনি তাঁর কারখানায় চলে যান। বিকল ঘড়িগুলিকে পুনর্জীবন দেবার ক্ষমতা যে তার মোটেই নেই, এটা বুঝতে পেরে তিনি ঠিক করেছিলেন যে, কোনো নতুন ঘড়ি বানাতে পারেন কিনা তা পরীক্ষা করে দেখবেন। সমস্ত বিফল চেষ্টা ছেড়ে দিয়ে তিনি এবার কেলাস-ঘড়িটা শেষ করার জন্য উঠে পড়ে লাগলেন : তার ধারণা ছিলো এই ঘড়িটাই তার শ্রেষ্ঠ কীর্তি হবে। কিন্তু খামকাই তিনি সূক্ষ্ম ও নিখুঁত সব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করলেন, ঘর্ষণ রোধ করবার জন্য খামকাই তিনি চুনি আর হিরে বসালেন ঘড়িতে; কারণ ঘড়িটায় যেই তিনি দম দেবার চেষ্টা করলেন, অমনি সেটা তার হাত থেকে পড়ে গেলো।

    এই ঘটনাটা তিনি সকলের কাছে চেপে গেলেন–এমনকী তার কন্যাকেও বললেন না; কিন্তু তারপর থেকেই তার স্বাস্থ্য অত্যন্ত তাড়াতাড়ি ভেঙে পড়তে লাগলো। যেন ক্রমশ-মন্থর হয়ে যাচ্ছে এমন-এক দোলক হয়ে গেলেন তিনি, যার মূল শক্তি আর বেগ কিছুতেই ফিরে আসবে না–যেন শেষবারের মতো আন্দোলিত হচ্ছে সে, তারপর আস্তে আস্তে একদিন থেমে যাবে। কোনো-এক অপ্রতিরোধ্য অভিকর্ষ যেন সোজাসুজি তার উপর কাজ করে যাচ্ছে–অনিবার্যভাবে তাকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে কবরের দিকে।

    জেরাঁদ এত উৎসুকভাবে যে-রোববারের প্রতীক্ষা করছিলো অবশেষে তা এলো। আবহাওয়া অত্যন্ত ভালো-আকাশ স্বচ্ছ ও জ্যোতির্ময়; তাপমাত্রা যেন প্রেরণা জাগায়। জেনিভার লোকেরা রাস্তায় বেরিয়েছে দল বেঁধে : বসন্ত। যে আবার ফিরে এলো, খুশি হয়ে এই কথা বলাবলি করতে-করতে যাচ্ছে তারা। অত্যন্ত কোমলভাবে বাপের হাত ধরে গির্জের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়লো। জেরাঁদ। স্তবকবচমালা নিয়ে স্কলাস্টিকা চললো পিছনে। রাস্তায় লোকেরা কৌতূহলের সঙ্গে তাদের দিকে তাকিয়ে দেখলো। দেখলো যে, বাচ্চা ছেলেকে যেভাবে ধরে-ধরে হাঁটতে শেখানো হয়, তেমনিভাবে হাত ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বৃদ্ধ ঘড়িনির্মাতাকে–না, বাচ্চা ছেলে নয়, আসলে যেন কোনো অন্ধকে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছে জেরাঁদ। সাঁৎ-পিয়েরের অনুগতরা যখন দেখলো চৌকাঠ পেরিয়ে তিনি গিঞ্জেয় ঢুকলেন, তাঁকে আসতে দেখেই কোনো-এক অজ্ঞাত বিষম ভয়ে ভরে গেলো তারা।

    সারা গির্জে তখন স্তবগানে মুখর। প্রতিবার যেখানে গিয়ে বসে, জেরাঁদ সেখানে গিয়ে ভক্তি ও বিনতিভরে অত্যন্ত সরলভাবে নতজানু হয়ে বসলো। মাস্টার জাকারিয়ুস কিন্তু তার পাশে সোজা দাঁড়িয়ে রইলেন, অনমনীয় ও ঋজু।

    সে-যুগ বিশ্বাসের যুগ। শ্রদ্ধাশীলভাবে অনুষ্ঠানটি ধীরে-ধীরে সেই উন্নত মহিমার স্মরণ করলো–কিন্তু এই বৃদ্ধের মনে বিশ্বাস বা শ্রদ্ধার লেশমাত্র ছিলো না। যে-তীব্র যন্ত্রণায় মানবজাতি ঈশ্বরের করুণা ভিক্ষা করে কাতরভাবে চেঁচিয়ে ওঠে, তার অন্তর তাতে সায় বা সাড়া কিছুই দিলো না। চূড়ান্ত মহিমা গানটিতে যোগ দিয়ে তিনি সেই ঐশ্বরিক দীপ্তির গৌরব ঘোষণা করলেন না; সুসমাচারের বাণী তাঁকে তাঁর অচিৎ জগৎ থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে পারলো না; এমনকী শেষের সেই সমবেত স্তবগানেও তিনি যোগ দিলেন না। অহংকারে দৃপ্ত এই বৃদ্ধ কেবল নিশ্চল দাঁড়িয়ে রইলেন–পাথরের মূর্তির মতো যেন তিনি তেমনি নিঃসাড় ও তেমনি স্তব্ধ। এমনকী যখন রুটি আর মদের সেই দিব্য রূপান্তর স্মরণ করে ঘণ্টা বেজে উঠলো, খ্রিষ্টের সেই রক্ত-মাংসের বেদনাতেও তিনি মাথা নোয়ালেন না, শুধু অনিমেষ নেত্রে তাকিয়ে-তাকিয়ে দেখলেন পুরোহিত কেমন করে নতজানু ভক্তদের ঐশী আমন্ত্রণ পাঠালেন। বাবার দিকে তাকিয়েই জেরাঁদের দু-চোখ ঘন অশ্রুবাষ্পে ঝাঁপশা হয়ে গেলো। ঠিক সেই সময়ে সাঁৎ-পিয়েরের গির্জের মস্ত ঘড়িটায় ঘণ্টা বেজে উঠলো : সাড়ে-এগারো বাজে। মাস্টার জাকারিয়ুস সেই প্রাচীন ও বাদ্যয় ঘড়িটার দিকে ঘুরে দাঁড়ালেন তক্ষুনি। তাঁর মনে হলো ঘড়িটা যেন অনিমেষ লোচনে তার দিকে তাকিয়ে আছে; এক থেকে বারো–প্রতিটি সংখ্যা এমন ভাবে জ্বলছে, জ্বলজ্বল করছে যেন রাঙা অঙ্গার দিয়ে লেখা; ঘড়ির কাটা থেকে যেন বিদ্যুতের ফুলকি ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ছে চারদিকে।

    স্তবগান শেষ হলো। গীর্জের রীতি অনুযায়ী বেলা দ্বিপ্রহরে দেবদূতের জয়গান করা হয়; তাই বেদী ছেড়ে যাবার আগে পুরোহিতেরা দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করতে লাগলেন কখন বেলা বারোটার ঘণ্টা পড়ে। আর কয়েক মুহূর্ত পরেই এই স্তব তারা সেই ঐশী কুমারীর চরণে নিবেদন করে দেবেন।

    কিন্তু হঠাৎ একটা কর্কশ আওয়াজে গিঞ্জের সেই বিনত পরিবেশে টুকরো-টুকরো হয়ে গেলো। প্রচণ্ড যন্ত্রণায় তীব্র আর্তনাদ করে উঠলেন জাকারিয়ুস।

    ঘড়ির কাঁটাটা বারোটার ঘরে গিয়ে হঠাৎ যেন মন্ত্রবলে থেমে গেছে, কোনোদিনই আর এই ঘড়িতে বারোটার ঘণ্টা বাজবে না।

    তাড়াতাড়ি বাপের দিকে ছুটে গেলো জেরাঁদ। ছিন্ন গাছের মতো নিশ্চ পড়ে গেছেন তিনি মাটিতে; ধরাধরি করে তাকে বাইরে নিয়ে যাওয়া হলো।

    মরণকামড় এটা! ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলো জেরাঁদ।

    ধরাধরি করে বাড়িতে নিয়ে আসা হলো তাকে; বিধ্বস্তের মতো তিনি পড়ে রইলেন–ব্যথায় একেবারে চুরমার হয়ে গেছেন যেন। যেন প্রাণ আস্তে-আস্তে তার দেহ থেকে অন্তর্ধান করছে।

    মূৰ্ছা ভেঙে গেলে দেখলেন জেরাঁদ আর ওবের তার পাশে ঝুঁকে আছে। জীবনের একেবারে শেষ মুহূর্তে পৌঁছে ভবিষ্যৎকে তিনি এখুনি চোখের সামনে স্পষ্ট দেখতে পেলেন। জেরাঁদ যেন কোনো একাকিনী, সহায়সম্বলহীনা, বিষাদ-প্রতিমায় রূপান্তরিত হয়ে গেছে, এটাই তার মনে হলো।

    পুত্র, ওবেরকে তিনি বললেন, আমার কন্যাকে আমি তোমার হাতেই তুলে দিলাম। এই বলে তাদের দিকে হাত বাড়িয়ে দিলেন তিনি তাঁর মৃত্যুশয্যাতেই তারা দুজনে মিলিত হলো।

    কিন্তু পরক্ষণেই যেন কোনো পরম রোষে তার সমস্ত অস্তিত্ব ভরে গেলো। উঠে বসতে চাইলেন তিনি, ক্ষিপ্ত ও ক্রুদ্ধ। সেই ভীষণ আগন্তুকটির কথা যেন এক অবিশ্রাম স্রোতের মতো তার বুকে বয়ে গেলো।

    না-না, মরতে চাই না আমি। প্রচণ্ডভাবে চীৎকার করে উঠলেন জাকারিযুস। কিছুতেই মরতে পারি না আমি! আমি মাস্টার জাকারিয়ুস আমার মরে যাওয়াটা ঠিক হবে না। আমার খাতা–আমার হিশেবের খাতা!

    এই বলে তিনি লাফিয়ে উঠলেন বিছানা ছেড়ে, হিশেবের খাতাটা বের করে আনলেন তাড়াতাড়ি। এই খাতায় ক্রেতাদের নাম-ঠিকানা আর ঘড়ির বর্ণনা লেখা থাকে। তাড়াতাড়ি তার পাতা উলটে গেলেন ক্ষিপ্র ক্ষিপ্ত হাতে-শেষকালে বইয়ের একটা জায়গায় আঙুল দিয়ে দেখালেন তিনি।

    এই যে! চেঁচিয়ে উঠলেন জাকারিয়ুস। এই যে! পিত্তোনাচ্চিয়োকে যে-লোহার ঘড়িটা বিক্রি করেছিলুম, দ্যাখো, কেবল সেটাই আমার কাছে ফিরে আসেনি। এখনো ঘড়িটা চলছে-ঘড়িটা চাই! এখনো তা নষ্ট হয়ে যায়নি এখনো তা বেঁচে আছে! আঃ, এই আমার প্রাণ–যে করেই হোক এই ঘড়িটাকে খুঁজে বের করতেই হবে আমাকে। ঘড়িটাকে আমি এত যত্ন করে সাবধানে রেখে দেবো যে মৃত্যু আর আমার কাছে ঘেঁষতে পাবে না।

    বলতে-বলতে আবার তিনি চেতনা হারিয়ে ফেললেন।

    ওবের আর জেরাঁদ এই বিদ্রোহী বৃদ্ধের শয্যার পাশে নতজানু হয়ে বসে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করতে লাগলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }