Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    জুল ভার্ন এক পাতা গল্প759 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৫-১৬. কবরখানায়

    ১৫. কবরখানায়

    অবশেষে এতদিনে তবে লিভভানিয়া রহস্যের উপরে যবনিকা পড়লো। কেবল তো খুনের মামলাই ছিলো না এটা, ছিলো রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার কেন্দ্রবিন্দুও-ঝড়ের যেমন থাকে স্থিরকেন্দ্র, সেই রকম। স্লভদের এই প্রতিনিধি যেহেতু এখন আত্মহত্যা করেছেন, আলেমানরা বলাই বাহুল্য এই নির্বাচনে জিতে যাবে। সাময়িক চাপা পড়বে দ্বন্দ্ব, কিন্তু তবু আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে দু-দলের ভিতরকার বিরোধিতা–সরকারি তত্ত্বাবধানেই হয়তো লিভভানিয়ার এই রুশীকরণ সম্পূর্ণ হবে।

    দিমিত্রি নিকোলেফ কেবল আত্মহত্যাই করেননি; এই আত্মহত্যার মধ্য দিয়ে এটাও প্রমাণ করে দিয়ে গেছেন যে তিনিই চোর, তিনিই আততায়ী–যখন দেখতে পেলেন সব ফাঁস হয়ে গেছে, আর রেহাই নেই, তখন আত্মহত্যা না করে যে তার কোনো উপায় ছিলো না।

    অধ্যাপকের অন্ত্যেষ্টি হবার পর ইলকা ও জাঁ বাড়ি ফিরলো। জাঁ বেচারির অবস্থা খুবই কাহিল, কী করে সে গিয়ে মুখ দেখাবে ডোরপাট বিশ্ববিদ্যালয়ে? আর এখানে–এখানেও তিনজন ছাড়া তাদের কোনো বন্ধু নেই, সহায় নেই। তিনজন, মানে ভ্লাদিমির ইয়ানোফ, ডাক্তার হামিনে ও মঁসিয়ে দ্যোপোর্থ।

    সেদিন ভ্লাদিমিরের সঙ্গে ডাক্তার হামিনের কথা হচ্ছিলো। লিভোনিয়া রহস্যের সত্যি কোনো কিনারা হয়েছে বলে বিশ্বাস করতে রাজি নয় ইয়ানোফ। দিমিত্রিকে সে খুনী বলে ভাবতেই পারে না। যতই কেননা তার বিরুদ্ধে অকাট্য প্রমাণ থাক।

    ডাক্তার হামিনে বললেন, নিকোলেফ যে চুরি করেছেন, খুন করেছেন, তা আমিও বিশ্বাস করি না ভ্লাদিমির, যদিও তাঁর কাছেই চোরাই নোট পাওয়া গেছে। তাঁর এই আত্মহত্যা-তারও ব্যাখ্যা আছে। চাপে পড়ে, নাড়া খেয়ে-খেয়ে, নিশ্চয়ই সাময়িক বুদ্ধিভ্রংশ হয়েছিলো তার। কিন্তু একটা ভয়ংকর তথ্য তোমাকে জানাই ভ্লাদিমির। দিমিত্রি নিজের বুকে যে-ছুরিটা বসিয়েছেন, সেটাই আমূল বিঁধেছিলো পোখ-এর বুকে। যতই অবিশ্বাস্য হোক না কেন এই প্রমাণটা আমরা উড়িয়ে দেবো কী করে?

    দিমিত্রি-কাছে যদি ও-রকম একটা ছোরা থাকতোই, তাহলে তার ছেলে-মেয়েরা কোনো দিনও সেটা দেখতে পেতো না, এটা কি সম্ভব? ইলকা আর জাঁ সেই ছোরা চোখেও দ্যাখেনি কোনোদিন। আমি এদের অনেকবার জিগেশ করেছি…

    এর যে কী উত্তর হবে, তা আমিজানি না, স্নাদিমির । কিন্তু নিকোলেফের কাছে নিশ্চয়ই ছোরাটা ছিলো। দু-দুবার উনি ছোরাটা ব্যবহার করেছেন পোখকে হত্যা করার সময়, তারপর আত্মহত্যা করতে গিয়ে…

    কী বলবে বুঝতে না-পেরে ভ্লাদিমির মাথা নিচু করে বসে রইলো।

    ডাক্তার হামিনে বললেন : বেচারি ছেলেমেয়েগুলো…ওদের যে কী হবে, তা ভগবানই জানেন…

    ইলকা যখন আমার স্ত্রী হবে, তখন জাঁ কি আমার ছোটো ভাই হবে না?

    গভীর আবেগের সঙ্গে ডাক্তার হামিনে ভ্লাদিমিরের হাত চেপে ধরলেন।

    আপনি কি ভেবেছিলেন আমি ইলকাকে এখন বিয়ে করতে চাইবো না?

    না, ভ্লাদিমির। সে-কথা আমি কখনো ভাবিনি…কিন্তু ইলকা…সে কি এখন তোমাকে বিয়ে করতে চাইবে? ওর তো মনে হতে পারে যে ওর বাবার অপরাধের কালো ছায়া সারাক্ষণ ওর উপর ঝুলে থাকবে, তা নিয়ে ও হয়তো তোমাকে ব্যতিগ্রস্ত করতে চাইবে না…

    তাহলে বুঝবো যে আমাকে ও আর ভালোবাসে না!

    না, ভ্লাদিমির। তাহলে বুঝতে হবে যে ও তোমাকে ভালোবাসে বলেই এই লজ্জা নিয়ে তোমার কাছে যেতে চায় না!

    +

    ডাক্তার হামিনে ঠিকই অনুমান করেছিলেন। বিয়ের প্রস্তাব হতেই বিষম আপত্তি করলো ইলকা। তার মুখ শুকনো, চোখে বিষণ্ণতা, যেন কোনো দারুণ পোকা তার ভিতরটা কুরে কুরে খাচ্ছে। ভ্লাদিমির অনুনয় করলো।নতজানু হয়ে বসলো তার কাছে, বললো ইলকা বিয়ে না করলে তার জীবনটা নষ্ট হয়ে যাবে। কিন্তু ইন্ধা রইলো অবিচল, পাষাণ-প্রতিমা; শুধু তার চোখ দিয়ে দরদর করে জল পড়তে লাগলো। অস্ফুট স্বরে সে শুধু বলতে লাগলো, তা হয় না, প্লাদিমির, তা হয় না। খুনীর মেয়ে আমি, আমি কী করে বিয়ে করবো তোমাকে…

    দুজনেই ভেঙে পড়লো। ইলকা কান্না চাপতে না-পেরে চলে গেলো পাশের ঘরে, ভ্লাদিমির বেরিয়ে পড়লো রাস্তায়। আশাহীন, বিমর্য; সব কেমন ফাঁকা ঠেকতে লাগলো তার কাছে। কিছুক্ষণ ঘুরে বেড়ালো সে উদ্দেশ্যহীন, ঠিকানাহীন, তারপর চলে গেলো ডাক্তার হামিনের কাছে তার শেষ আশ্রয়।

    সব সে খুলে বললো ডাক্তারকে।

    শুনে ডাক্তার হামিনে বললেন, ভ্লাদিমির, আমি জানতুম এ-রকম হবে। তোমাকে তো আমি বলেছিলুম সেদিন! ইলকাকে আমি এইটুকু বয়েস থেকে চিনি–কিছুতেই ওর মত পালটাবে না, দেখো!

    ডাক্তার, আপনি আমার শেষ আশাটুকুও কেড়ে নিচ্ছেন, ভ্লাদিমির যেন প্রায় আর্তনাদ করে উঠলো।

    কিন্তু ইলকা যতই কষ্ট পাক,–তুমি তো জানো ও কী-রকম কষ্ট পাচ্ছে–এ-বিয়েতে ও কিছুতেই মত দেবে না। ও সবসময় ভাববে যে ও খুনীর মেয়ে-ওর কোনো অধিকার নেই তোমাকে বিয়ে করার।

    কিন্তু দিমিত্রি তো খুন করেননি, ডাক্তার! আমি ঠিক জানি তিনি খুন করেননি!

    ডাক্তার হামিনে চুপ করে রইলেন। কী বলবেন তিনি এর উত্তরে! আত্মহত্যা করেই তো নিকোলেফ শেষ প্রমাণটুকু দিয়ে গেছেন যে তিনিই রাতের অন্ধকারের সেই নৃশংস আততায়ী।

    ইয়ানোফ শুধু বললে, শুনুন ডাক্তার। ভগবান সাক্ষী, ইলকাকে আমি নিজের স্ত্রী বলেই জানি। আমি অপেক্ষা করবো…।

    কীসের জন্য স্নাদিমির?

    আমি অপেক্ষা করে থাকবো, কখন ভগবান মুখ তুলে তাকান, সেইজন্য!

    +

    কয়েক মাস কেটে গিয়েছে। অবস্থার কোনোই হেরফের হয়নি এর মধ্যে। আলেমানরা নির্বাচনে জিতে গিয়েছে। ইলকা বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর ভ্লাদিমিরের পক্ষে আর সে বাড়িতে থাকা সম্ভব হয়নি। কিন্তু কাছেই সে বাড়ি ভাড়া করেছে–রোজ যায় ওদের দেখতে। ওদের হাতে টাকাকড়ি বিশেষ নেই। বেঁচে থাকাই ক্রমশ কষ্টকর হয়ে উঠছে। রিগা থেকে চলে যাবে কিনা, সে কথা ভাবছে। ভ্লাদিমির, বলাই বাহুল্য, সাহায্য করতে চেয়েছিলো, কিন্তু ইলকা কোনো সাহায্য নিতেই চায়নি। পাগলের মতো ভালোবাসে সে ইলকাকে–কিন্তু জেদি, একরোখা, অবিচল ইলকা–সে কখনো টলবে না। কিছুতেই সে বিয়ে করবে না ভ্লাদিমিরকে। ভ্লাদিমির বেচারির চোখের সামনে কোনো আশা নেই, কোনো ভবিষ্যৎ নেই–অটল অচল ইচ্ছাশক্তির দেয়ালে মিথ্যাই সে মাথা কুটে মরছে।

    পারিবারিক বন্ধুরা ইলকাকে বোঝাবার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ইলকার সেই এক কথা : কোনো খুনীর মেয়ে কী করে একজন সৎ লোককে বিয়ে করবে।

    রিগাশুদ্ধু সব্বাই এতদিনে এ কথা জেনে গিয়েছে। ইলকার প্রশংসায় ওরা পঞ্চমুখ, করুণায় বিগলিত–কিন্তু কী করবে তারা? সবই ভগবানের হাত।

    এই যখন অবস্থা, তখন ১৭ই সেপ্টেম্বর জাঁ ও ইলকা নিকোলেফের নামে এক চিঠি এসে হাজির। চিঠি লিখেছেন রিগার পোপ*, তিনি সনির্বন্ধ অনুরোধ করেন তারা যেন সেইদিনই বিকেল পাঁচটার সময় রিগার কবরখানায় যায়।

    ডাক্তার হামিনে ও ভ্লাদিমির ইয়ানোফও ঠিক ও রকম চিঠি পেয়েছেন। কীসের এই আমন্ত্রণ, সেটা কেউই বুঝতে পারছিলেন না।

    এই কবরখানাতেই দিমিত্রি নিকোলেফের মৃতদেহ কবর দেয়া হয়েছে আত্মহত্যা বল গির্জে তাতে কোনো অংশ নেয়নি, বা কোনো অনুমোদন দেয়নি।

    আপনার কি মনে হয়, ডাক্তার? ভ্লাদিমির জিগেশ করলে।

    পোপ যখন বলেছেন, তখন আমাদের যাওয়া উচিত। তিনি সকলের শ্রদ্ধার পাত্র, বয়েসও প্রায় ছিয়াত্তর-সাতাত্তর, তিনি নিশ্চয়ই কোনো গুরুতর কারণ আছে বলেই এই আমন্ত্রণ পাঠিয়েছেন।

    তুমি যাবে তো, ইলকা? ভ্লাদিমির জিগেশ করলে।

    আমি অনেকবার গেছি ওখানে, বাবার জন্য প্রার্থনা করতে। পোপ আক্সিয়েক বাবার জন্য যদি প্রার্থনা করেন, তাহলে ভগবান নিশ্চয়ই তা শুনবেন।

    পাঁচটার সময় কবরখানায় গিয়ে জাঁ আর ইলকা দেখতে পেলে অন্যরা আগেই এসে পৌঁছেছেন। তাদের বাবার সমাধির কাছে পোপ বসে আছেন নতজানু, দুর্ভাগা লোকটির জন্য প্রার্থনা করছেন তিনি। পায়ের শব্দ শুনে তিনি মাথা তুলে তাকালেন। যখন ভ্লাদিমির আর ইন্ধা সমাধির কাছে গিয়ে দাঁড়ালে, তিনি শুধু বললেন, ভ্লাদিমির ইয়ানোফ, দেখি তোমার হাত।তারপর ইলকার দিকে ফিরে বললেন, ইলকা নিকোলেফ, তোমার হাত। তারপর দুটি হাত তিনি এক করে দিয়ে রাখলেন সেই সমাধিতে। গম্ভীর স্বরে বললেন, ভ্লাদিমির ইয়ানোফ আর ইলকা নিকোলেফ, তোমরা ভগবানের সামনে স্বামী-স্ত্রী বলে গণ্য হলে।

    ইলকা তক্ষুনি হাত সরিয়ে নিতে চাইলো, কিন্তু পোপ বললেন, না, ইলকা, হাত সরিয়ো না।

    আমি…খুনীর মেয়ে…

    খুনীর নয়, নিরপরাধ এক দুর্ভাগার কন্যা। এমনকী তিনি আত্মহত্যাও করেননি।

    জাঁ তখন আবেগে চঞ্চল হয়ে উঠেছে। তাহলে খুনী…সে কে? ভাঙা কুশের সরাইখানার মালিক ক্রোফ।

    ———
    * রাশিয়ার আদি চার্চ গির্জার পুরোহিতদের তখন পোপ বলতো।

    .

    ১৬. পুনর্বাসন

    ফুশফুশ ঝাঁঝরা হয়ে গিয়েছিলো ক্রোফের; আগের দিন হঠাৎ কাশির ধমক উঠেছিলো তার, রক্ত উঠেছিলো কাশির সঙ্গে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তারপর মৃত্যু হয়েছিলো।

    মরবার আগে সে ডেকে পাঠিয়েছিলো পোপ অক্সিয়েককে, তার স্বীকারোক্তির জন্য: গত তিন মাস তার বিবেক তাকে অবিশ্রাম কুরে কুরে খেয়েছে, মৃত্যু আসন্ন জেনে সব কথা স্বীকার না করে এই একা লোকটার কোনো সান্ত্বনা ছিলো না। সে যা-যা বলেছিলো, সব হুবহু লিখে নিয়েছিলেন পোপ, তারপর স্বীকারোক্তির নিচে ক্রোফ স্বাক্ষর করেছিলো। এখন তার মৃত্যুর পর তা প্রকাশ করা হলো। স্বীকারোক্তির মধ্যে ছিলো ক্রোফের অপরাধের নির্জল স্বীকৃতি, আর দিমিত্রি নিকোলেফের পুনর্বাসন।

    ১৩ই এপ্রিল, সেই ভয়ংকর রাত্রে ভাঙা ক্রুশের সরাইখানায় পোখ আর নিকোলেফ এসে রাত কাটাতে চেয়েছিলেন।

    অনেকদিন ধরেই ক্রোফের ব্যবসায় লোকসান যাচ্ছিলো। পোখ-এর ঐ পেটমোটা ব্রীফকেস দেখেই ব্যাঙ্কের কর্মচারীর টাকা লুঠ করার মলব তার মাথায় আসে। অন্য যাত্রীটি বলেছিলেন ভোর চারটেয় তিনি চলে যাবেন–কখন তিনি চলে যান তার অপেক্ষা করছিলো সে-কারণ সাবধানের মার নেই–অন্য-কারু উপস্থিতিতে চুরি করার বিপদ অনেক। কিন্তু শেষ অব্দি সে আর লোভ শামলাতে পারেনি। রাত যখন দুটো, তখন সে গিয়ে চুপিসাড়ে ঢুকেছিলো পোখ-এর ঘরে, ভেবেছিলো পোখ বুঝি টের পাবে না।

    পোখ কিন্তু ঘুমোচ্ছিলো না। ক্রোফের লণ্ঠনের আলো দেখে সে ধড়মড় করে উঠে বসেছিলো বিছানায়। গোড়ায় কেবল চুরি করাই ইচ্ছে ছিলো তার; এখন যখন দেখতে পেলে যে সে ধরা পড়ে গিয়েছে তখন লাফিয়ে গিয়ে পড়েছিলো বেচারির উপর; কোমরবন্ধে গোঁজা ছিলো এক সুইডেনের ছোরা–বাঁটশুদ্ধু ছোরাটা বসিয়ে দিয়েছিলো সে হৃৎপিণ্ডে।

    তারপর পোখ-এর ব্রীফ-কেস হাড়ে দেখেছিলো; বারকরে এনেছিলো ব্যাঙ্ক নোটগুলো–একশো রুবলের নোট এক-একটা–মোট পনেরো হাজার রুবল ছিলো পোখ-এর ব্রীফকেসে।

    কিন্তু তারপরেই ব্রীফ-কেসের খোপে সে একটা চিরকুট দেখতে পেয়েছিলো; তাতে লেখা: ব্যাঙ্কনোটের নম্বরগুলো সব ইয়োহাউজেন ব্রাদার্সের কাছে রয়েছে। পোখ এমনিতে ছিলো সাবধানী লোক; যখনি ব্যাঙ্কের টাকাকড়ি নিয়ে কোথাও যেত নম্বরগুলো টুকে রেখে আসতো। এই দেখে ক্রোফ মাথায় হাত দিয়ে বসেছিলো। টাকার জন্যে খুন করেছে, এখন এই টাকা চালাতে গেলে যে সে ধরা পড়ে যাবে। খুন করে কোনো লাভই তো তার হলো না।

    তারপরেই মত্সবটা তার মাথায় খেলে গেলো। ভাবলে, খুনের দায়টা অন্য যাত্রীটির ঘাড়ে চাপিয়ে দেবে। বেরিয়ে গেলো সে সরাই থেকে, প্রথম ঘরের জানলার গোবরাটে বাইরে থেকে আঁচড় কেটে দাগ বানালো–যেন জানলা দিয়ে কেউ বেরুতে যাচ্ছিলো বা ঢুকতে যাচ্ছিলো, দৈবাৎ আঁচড় লেগে গিয়েছে। কয়লাগোঁজা হাতুড়ি দিয়ে তারপর দ্বিতীয় ঘরের জানলার খড়খড়ি ভাঙলো, তারপর ফিরে এলো আবার সরাইতে। হাতে অতগুলো টাকা, কিন্তু তার কাছে এদের কোনো দাম নেই। শুধু তাই নয়, এই নোটগুলো এখন তার অপকীর্তির বিপজ্জনক সাক্ষী। রাগে ক্ষোভে সে যেন জ্বলছিলো।

    আর এই সময়েই তার মাথায় এলো আরেকটা মলব। অন্য যাত্রীটির ঘরে গিয়ে তার পকেটে এই নোটগুলো চালান করে দিয়ে, তার নিজের যা কিছু আছে, সব হাড়ে নিয়ে এলে কেমন হয়?

    নিকোলেফের সঙ্গে ছিলো কুড়ি হাজার রুবল–ভ্লাদিমির ইয়ানোফকে দেবেন বলে টাকাটা তিনি সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তখন তার পকেট হাড়ে টাকাগুলো বার করে আনলে ক্রোফ–এও তো ব্যাঙ্কনোট, কিন্তু নিশ্চিন্ত, এদের নম্বর কারু কাছে টোকা নেই। বার করে নিলে সে পনেরো হাজার রুবল, বদলে রাখলো পোখ-এর ব্রীফ-কেস থেকে চুরি করা টাকাটা, তারপর ঘর থেকে বেরিয়ে এলো। তারপর পাইনবনের মধ্যে ঢুকে একটা গাছের তলায় মাটি খুঁড়ে সে টাকাটা আর ছোরাটা লুকিয়ে রাখলো–এত সাবধানে সে কাজটা হাশিল করলে যে পরে পুলিশ তন্নতন্ন করে খুঁজেও তার কোনো হদিশ পায়নি।

    চারটের সময় ঘুম থেকে উঠে নিকোলেফ সরাইওলার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে পেরনাউ-এর উদ্দেশে বেরিয়ে পড়লেন। আর আঁটো হয়ে সন্দেহের ফাঁস তাঁর গলায় চেপে বসলো। এদিকে ক্রোফের কাছে রয়ে গেলো নিকোলেফের নোটগুলো–ইচ্ছে করলেই সে এগুলো চালাতে পারে, বিপদের কোনো ভয়ই তার নেই। চালালেও সে কতগুলো, খুবই সাবধানে অবশ্য, যাতে অত্যন্ত জরুরি ঋণগুলো মেটে।

    সারজেন্ট য়েক চিনতে পেরেছিলো নিকোলেফকে, গোড়া থেকেই তার সন্দেহ ছিলো নিকোলেফের উপর। নিকোলেফ যখন তার ভ্রমণের উদ্দেশ্য ও গন্তব্য বলতে রাজি হননি তখন স্বভাবতই সকলের সন্দেহ পড়েছিলো তার উপর। কিন্তু ভ্লাদিমির ইয়ানোফের নাটকীয় আবির্ভাবের পর থেকেই অবস্থাটা পালটে গেলো। ক্রোফ যখন বুঝতে পারলে যে এবার তার উপরেই সব সন্দেহ এসে পড়ছে, তখন সে বিষম ভয় পেয়ে গেলো। পুলিশের নজরবন্দী সে তখনও, কিন্তু তবু সে নিকোলেফের উপর সন্দেহ চাপাবার আরেকটা ব্যবস্থা করলো। একটা ব্যাঙ্কনোটে রক্ত মাখালে সে, তারপর পোড়ালে তার আদ্ধেকটা রাত্তিরের অন্ধকারে উঠলো সে সরাইয়ের ছাতে;নিকোলেফ যে ঘরটায় গিয়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন, সে-ঘরের চিমনি দিয়ে নোটটা গলিয়ে ফেলে দিলো নিচে। পরের দিনেই কেরস্টোফরা এলেন তদন্তে–আর নোটটা আবিষ্কৃত হলো। আবার অনেকক্ষণ জেরা করা হলো নিকোলেফকে, কিন্তু কেরস্টোফ কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারছিলেন না যে নিকোলেফের দ্বারা অমন-কোনো নৃশংস হত্যাকাণ্ড সম্ভব–তাই তিনি তাঁর নামে কোনো গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করতে রাজি হননি।

    ক্রোফ তাতে আরো উদ্বিগ্ন ও শঙ্কাতুর হয়ে উঠলো। নিকোলেফের সমর্থকেরা যে তাকেই সন্দেহ করছে, এটা বুঝতে পেরে তার মাথায় আবার পোকা কিলবিল করে উঠলো। সে কেবল অপেক্ষা করছিলো কখন নিকোলেফ নম্বরি নোটগুলো না-জেনেশুনে চালাবার চেষ্টা করেন–কারণ তাহলে আর তার সমর্থকদের কিছুই বলবার থাকবে না। কিন্তু নিকোলেফ, কই, নোটগুলো তো চালাবারই চেষ্টা করছেন না!

    শেষটায় ক্রোফ যখন দেখলে যে তার নামেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হতে যাচ্ছে, তখন সে সব বিবেচনাশক্তি হারিয়ে ফেললো। সে যদি ঘুণাক্ষরে জানতো যে চোরাই নোটগুলো গিয়ে ইয়োহাউজেন ভাইদের হাতে পড়েছে, তাহলে সে নিজেকে বাঁচাবার জন্য অমন মরিয়া হয়ে উঠতো না।

    কিন্তু সে তখনো এ-তথ্য জানতো না। তখনো সে স্বাধীন, রিগা যেতে পারে অনায়াসে; কতবার তো পুলিশই তাকে রিগা যাবার জন্য এত্তেলা পাঠিয়েছিলো। এলো সে রিগায় এক রাত্তিরে, অধ্যাপকের বাড়ির বাইরে ওঁৎ পেতে রইলো, ইচ্ছে অধ্যাপককে খুন করবে- এমনভাবে খুন করবে যে লোকে দেখে ভাবে যেন নেহাৎই আত্মহত্যা।

    দৈব ছিলো তার সহায়। দেখলো নিকোলেফ উন্মত্তের মতো ছুটে বেরিয়ে এলেন বাড়ি থেকে। অনুসরণ করলো সে তাঁকে সন্তর্পণে; শেষকালে যখন তাকে ফাঁকা রাস্তায় পেলো, ছোরা বসিয়ে দিলে তার বুকে–সেই ছোরাটা, যা সে একদিন পোখ-এর বুকে বাঁটশুষ্টু ঢুকিয়ে দিয়েছিলো।

    এবার আর লোকে প্রমাণগুলো অবিশ্বাস করতে পারলো না। অনুমান করলো যে চোরাই নোটগুলো ইয়োহাউজেনদের হাতে গিয়ে পড়তেই ধরা পড়বার ভয়ে নিকোলেফ আত্মহত্যা করেছেন–আসলে তিনিই পোখ-এর নির্মম হত্যাকারী।

    হত্যারহস্যের উপর যবনিকা পড়েছে বলেই পুলিশ ধরে নিলে। ক্রোফ–এখন সে সন্দেহমুক্ত–নিশ্চিন্তচিত্তে দিন কাটাতে পারে। তার ডবল হত্যাকাণ্ডের জন্য কোনো সাজাই তার হবে না।

    কিন্তু বেশিদিন আর সুখভোগ করতে হলো না তাকে। যখন রোগের প্রকোপ বাড়লো, বুঝতে পারলো শেষের সেদিন প্রত্যাসন্ন, নরকের ভয়ে ভীত সে সব স্বীকার করে গেলো পোপের কাছে। তার মৃত্যুর পর সব কথা যেন জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয় এই সে বলে গেলো পোপকে–চোরাই টাকা সে বেশি খরচ করেনি; পোপকে বললে তা যেন তার মৃত্যুর পর তিনি তার বৈধ মালিক ভ্লাদিমির ইয়ানোফকে ফিরিয়ে দেন।

    দিমিত্রি নিকোলেফের পুনর্বাসন হলো সত্যি, কিন্তু তিনি তা জেনে যেতে পারলেন না। তিনি শয়ান থেকে গেলেন সেই মাটির নিচে, কালো ঠাণ্ডা নিঃসাড় কফিনে, তাঁর মৃন্ময় দেহ ফিরে গেছে মাটিতেই; যেমনভাবে ক্রোফের মৃতদেহ একদিন মাটিতে মিশে যাবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }