Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প757 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.১০ ক্যাপ্টেন হুডের পরাক্রম

    ১.১০ ক্যাপ্টেন হুডের পরাক্রম

    সেদিন সারাদিন আমরা গত রাতের ধকল কাটিয়ে ওঠবার জন্যে বিশ্রাম নিলুম এখানে, রাতটাও তাই। এই দুর্যোগ, বিপৎপাত আর অবসাদের পর বিশ্রাম আমাদের পক্ষে নিতান্তই জরুরি হয়ে পড়েছিলো।

    অযোধ্যা রাজ্যের সীমানা ছাড়িয়ে এসেছি অবশেষে; এখন আমরা যাবো উর্বর ও শ্যামল রোহিলখণ্ডের মধ্য দিয়ে। দিল্লি পুনরুদ্ধারের পর এইখানে সিপাহী বিদ্রোহের শেষ আগুন জ্বলে উঠেছিলো-পরে সার কলিন ক্যামবেল তার বাহিনী নিয়ে বিদ্রোহীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ সংঘর্ষে লিপ্ত হন; অনেকক্ষণ পর্যন্ত, একেবারে শেষ রক্ত বিন্দুটুকু দিয়ে, বিদ্রোহীরা সার কলিনকে রুখেছিলো।

    রাস্তা এখানে সমতল ও সোজা; অনেক স্রোতস্বিনী ও ছোটো-ছোটো শাখানদী আছে বটে, অনেকগুলোই তাদের সেচের সুবিধের জন্যে কৃত্রিম উপায়ে মনুষ্যনির্মিত–কিন্তু সেগুলো অনায়াসেই পেরুতে পারবে বেহেমথ। অল্পক্ষণের মধ্যেই যে নেপালের পর্বতগাত্র আমাদের চোখে পড়বে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই।

    বিশ্রামের ব্যবস্থা করে আরেকদিক থেকে ভালোই করেছিলাম আমরা। গৌমির বাঁ-পায়ের অসাড় ভাবটা ছিলো সাময়িক; সেবা ও সংবাহনের ফলে সে আবার সুস্থ হয়ে উঠলো—সেই মারাত্মক দুর্ঘটনার কোনো চিহ্নই আর রইলো না। শুধু দুর্যোগের কিছু চিহ্ন রইলো বেহেমথের লম্বা কানে-মনে আছে, বাজ পড়েছিলো গর্জন করে, রেগে; আমরা ভেবেছিলুম বুঝি হাওদার উপরেই এসে পড়েছে! তখন বেহেমথ তার লম্বা কানের ডগা দিয়ে সব বিদ্যুৎ শুষে নিয়েছিলো আর তার ওই ইস্পাতের কানে কতগুলো ছোটো-বড়ো ছ্যাঁদা হয়ে গিয়েছিলো কেবল।

    আটই জুন সকালবেলায় রোহিলখণ্ডের একটা ছোট্ট গ্রাম ছেড়ে আবার আমরা ধীরেধীরে রেওয়ার দিকে এগিয়ে চললুম; রেওয়া তখন মাত্র পঁচিশ মাইল দূরে। রাস্তা বৃষ্টি-ভেজা, পিছল, সেইজন্যেই দ্রুতবেগে যাবার উপায় ছিলো না।

    হুড আগের দু-দিন তার শিকারি কুকুর ফ্যান আর নাইজারকে নিয়ে বন্দুক হাতে বেরিয়েছিলো বটে, কিন্তু এমন-কোনো হিংস্রভীষণ প্রবল জন্তু তার চোখে পড়েনি যাতে তার শিকারের ক্ষুধা আর রোমাঞ্চলিপ্সা এতটুকু তৃপ্ত হয়। হয়তো সেইজন্যেই সে এতই বিরক্ত ও হতাশ হয়ে পড়েছিলো যে আট তারিখে শিকারের একটা মস্ত সুযোগ তার হাতছাড়া হয়ে গেলো।

    বেহেমথ তখন যেখান দিয়ে যাচ্ছে, তার দু-পাশে ঘন বাঁশবন দেখেই বোঝা যায় গ্রাম বা লোকালয় কাছেই। আর বাঁশবনের আশপাশে শতরঞ্জের ছকের মতো আলবাঁধা পড়ে আছে জলা ধানখেত। স্টর বসে ছিলো হাওদায়, বেহেমথ আস্তে গজেন্দ্রগমনে চলেছে, শুঁড় থেকে কুণ্ডলী পাকিয়ে উঠছে হালকা সুন্দর ধোঁয়ার রাশি–আশপাশের বাঁশবনের উপরে ছিড়ে-ছিড়ে মিলিয়ে যাচ্ছে সেই ধোঁয়ার কুণ্ডলী।

    হঠাৎ এমন সময় আশ্চর্যসুন্দর ক্ষিপ্রতায় কী-একটা জানোয়ার একলাফে হাতির ঘাড়ে উঠে বসলো।

    চিতাবাঘ! চিতাবাঘ? চেঁচিয়ে উঠলো স্টর।

    চীৎকার শুনে হুড একলাফে বন্দুক হাতে বেরিয়ে এলো বারান্দায়। চিতাবাঘ! তারও গলা থেকে চীৎকার উঠলো।

    চেঁচিয়ে বললুম, দেখছো কী? গুলি করো!

    গুলি করার সময় ঢের পাবো, বলে হুড বন্দুক তুলে তাগ করে ধরলো।

    কর্নেল মানরো, ব্যাঙ্কস আর আমি তখন বারান্দায় বেরিয়ে এসেছি। চিতাবাঘ আসলে বাংলাদেশের গরীয়ান রাজাবাঘের মতো অত-বড়ো নয়, তেমন মহিমা তার নেই; কিন্তু ক্ষিপ্রতায়, গায়ের জোরে আর হিংস্রতায় সে মোটেই কম যায় না। আমাদের হাতি দেখে নিশ্চয়ই ঠকে গিয়েছে চিতাটা 1 সাহসে ভর করে লাফিয়ে পড়েছে মুহুর্তে, ভেবেছে জ্যান্ত মাংসেই বুঝি বসাবে থাবা আর দাঁত, কিন্তু তার বদলে-এ কী কাণ্ড!–এ যে লোহার হাতি! দাঁত-নখই বরং ভেঙে যাবার জোগাড়। চিতাটা যেন এভাবে ঠকে গিয়ে আরো খেপে গেলো, নকল হাতিটার মস্ত কান দুটো আঁকড়ে ঝুলে থাকলো সে একটু, এক্ষুনি আবার লাফিয়ে পড়ে বাঁশবনে ঢুকে যাবে বুঝি।

    হুড তার বন্দুক ধরে তেমনি তাগ করেই আছে-ভঙ্গিটা : ও আর কী, গুলি করলেই হলো। হঠাৎ চিতাটা তাকে দেখতে পেলে; গর্জন করে উঠলো সে একবার, তারপর আবার উঠে বসলো হাতির কাঁধে। নিয়তির মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে, এটা তার অজানা নেই; কিন্তু তাই বলে সে পালিয়ে যাবার কোনো চেষ্টাই করলে না। বরং বারান্দায় লাফিয়ে পড়ারই মৎলব বুঝি তার।

    হুড চিতাটার গা থেকে চোখ না-সরিয়েই আমাকে জিগেস করলে, মোক্লের, তুমি কখনও চিতাবাঘ মেরেছো?

    না।

    মারতে চাও একটা?

    বললুম, হুড, আমি চাই না যে তুমি এ-রকম একটা বাঘ মারার গৌরব থেকে বঞ্চিত হও—

    ফুঃ, তাচ্ছিল্যের ভঙ্গি হুডের, এ আবার একটা বাঘ নাকি। নাও, একটা বন্দুক তুলে নিয়ে চিতাটার কাধ লক্ষ্য করো; তাগ ফশকালে আমি না-হয় চিতাটা লাফাবার সঙ্গে-সঙ্গে গুলি করবো–

    তাহলে তা-ই হোক।

    ফক্স আমার হাতে একটা দোনলা বন্দুক তুলে দিলে। বন্দুকটা তুলে নিয়ে চিতাটার কাধ লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়লুম। গুলিটা তার কাধ ঘেঁসে চলে গেলো—খুব বেশি হলে একটু ছড়ে গিয়ে থাকবে সম্ভবত, সঙ্গে-সঙ্গে চিতাটা হুড়মুড় করে লাফিয়ে পড়লো মাটিতে।

    এঞ্জিন থামাও, এঞ্জিন থামাও! চেঁচিয়ে নির্দেশ দিলে ব্যাঙ্কস, আর স্টর তক্ষুনি ব্রেক কষে বেহেমথকে থামিয়ে দিলে। বারান্দা থেকে লাফিয়ে নামলে হুড আর ফক্স, ঝোপটার দিকে ছুটে গেলো বন্দুক উঁচিয়ে। রুদ্ধশ্বাস ও উৎকর্ণ কয়েকটা মিনিট কেটে গেলো, কিন্তু সব চুপচাপ, গুলির কোনো আওয়াজই পাওয়া গেলো না। একটু পরেই শিকারি দুজন ফিরে এলো।

    হাওয়া হয়ে গেছে। কোথাও কোনো পাত্তা নেই, হুড চেঁচিয়ে জানালে, ঘাসের উপর এমনকী রক্তের একটা ফোঁটা অব্দি নেই।

    বললুম, আমারই দোষ। তুমি নিজে, চিতাটাকে গুলি করলে এমনভাবে পালাতে পারতো না। তোমার তো আর তাগ ফশকাতো না!

    বাজে বোকো না! বললে হুড, আমি ঠিক জানি তোমার গুলি ওর গায়ে লেগেছিলো—তবে ঠিক কাঁধে লাগাতে পারোনি!

    আমার ঊনচল্লিশ কি আপনার একচল্লিশ নম্বর হওয়া ওর কপালে লেখা ছিলো না, ফক্স কিঞ্চিৎ মনমরাভাবে জানালে।

    দূর-দূর! চেষ্টা করে হুড তার গলায় ঔদাসীন্য আনলে, চিতা তো আর সত্যিকার বাঘ নয়—মার্জারকুলের সেরা জীব হলে কি আর আমি অমনভাবে মোক্লেরকে গুলি করতে দিতুম!

    যাক, যা হবার হয়েছে, সার এডওয়ার্ড মানরো বললেন, এদিকে ছোটোহাজরি তৈরি-সবাই টেবিলে এসে বোসো, টাটকা খাবারের চেয়ে সান্ত্বনা কি আর কিছুতে আছে!

    ছোটোহাজরিতেই সান্ত্বনা মিলবে, আশা করি, বললে ম্যাক-নীল, তবে সব দোষ আসলে ফক্সের?

    আমার? ফক্স হকচকিয়ে গেলো।

    নিশ্চয়ই! বললে ম্যাক-নীল, মোক্লেরকে যে-দোনলাটা তুমি দিয়েছিলে তার টোটা ছিলো ছ-নম্বর-ওতে কি আর পাখি ছাড়া আর-কিছু মেলে? বলে ম্যাক-নীল দোনলাটার ভিতর থেকে দ্বিতীয় টোটাটা বের করে আনলে। দেখা গেলো, তার কথাই সত্যি।

    ফক্স! হুড ডাক দিলে।

    বলুন।

    দিন-দুই বন্দী থাকতে হবে তোমায়।

    আচ্ছা, ক্যাপ্টেন! বলে ফক্স নিজের কামরার দিকে চলে গেলো-আটচল্লিশ ঘণ্টার মধ্যে আর মুখ দেখাবার ইচ্ছে নেই তার। নিজের এই ভুলে লজ্জায় তার প্রায় মাথা কাটা গেছে।

    পরদিন ক্যাপ্টেন ইড, গৌমি আর আমি রাস্তার ধারে সমভূমিটার উপর শিকার করতে বেরুলুম। কয়েক ঘণ্টার জন্য থেমেছে বেহেমথ, সেই ফাঁকেই এই সফরি। সারা সকালটা ঝমঝম বৃষ্টি পড়েছে, কিন্তু দুপুরবেলায় আকাশ একেবারে ঘন-নীল-হালকা শাদা নির্জল মেঘ ছাড়া আর কিছু নেই আকাশে। এই শিকারের প্রেরণা অবিশ্যি মঁসিয় পারাজারের–ছোটাহাজরির সময় সে জানিয়েছিলো তার ভাড়ার নাকি প্রায় ফাঁকা। তাই ফ্যান আর নাইজারকে নিয়ে আমরা তিনজনে শিকারে বেরিয়েছি।

    কিন্তু দু-ঘণ্টা ধরে এদিক-ওদিক ঘুরেও কোনো লাভ হলো না। কেবল কয়েকটা খরগোশ আমাদের দেখে ভয়ে কানখাড়া করে শাঁৎ করে ছুটে মিলিয়ে গেলো দূরে। জায়গাটা আসলে এত ফাঁকা যে শিকারের সন্ধান পাওয়াই দুষ্কর। না আছে জঙ্গল, না-বা কোনো ঝোপঝাড়–কেবল দূরে-দূরে চাষীদের গ্রাম আর গোলাবাড়ি কালো ফুটকির মতো দেখা যায়। হুড অবিশ্যি কোনো হিংস্র জন্তুর আশায় বেরোয়নি, মঁসিয় পারাজারের শূন্য ভাড়ার পূর্ণ করাই তার উদ্দেশ্য। কিন্তু বেলা চারটে অব্দি যে আমরা একবারও কোনোকিছুকে গুলি করতে পারলুম না, তা অবশ্য মোটেই আমাদের দোষ নয়।

    কিন্তু হুড তবু এমনি আপশোশ প্রকাশ করতে লাগলো যে আমি তার পানি শুনে বার-বার তাকে সান্ত্বনা আর আশা দিলুম।মিলবে, শিকার মিলবে-আলবৎ মিলবে। এখন না-মিলুক, পাহাড়ি জায়গায় জঙ্গলে তো মিলবেই!

    তা অবিশ্যি ঠিক। নেপালের জঙ্গলে যদি কিছু না-মেলে তো হাত কামড়ানো ছাড়া আর-কিছুই করার থাকবে না….কটা বাজে এখন?

    প্রায় পাঁচটা।

    পাঁচটা! অথচ কিছুই পেলুম না এখনও!

    সাতটার আগে শিবিরে ফেরার দরকার নেই। ততক্ষণে হয়তো–

    উঁহু, আমাদের কপালটাই খারাপ। আর জানো, মোক্লের, কপালই হলো সব সাফল্যের মূল!

    পরিশ্রম, ধৈর্য বা অধ্যবসায়ও। আমি বললুম, খালি হাতে ফিরবো না, এ-রকম একটা প্রতিজ্ঞা করলে হয় না? তোমার কী মনে হয়?

    কী মনে হয়? হুড যেন অত্যন্ত বিস্মিত হলো এ-কথা শুনে, সেটাই তো মনোভাব হওয়া উচিত শিকারিদের!

    তখন অবশ্য আমরা তিনজনে সামনে যা পেতুম, তাকেই আক্রমণ করতুম—মেঠো ইঁদুর কি কাঠবেড়ালিও বোধহয় ছাড়তুম না কিছুতেই। আসলে এখানকার সব পশুপক্ষীই বোধহয় আমাদের মৎলব জেনে গিয়েছিলো আগেভাগে, তাই সবাই পালিয়েছে—এমনকী একেবারে নিরীহ গোবেচারা পাখিগুলো অব্দি চোখে পড়ছে না।

    ধানখেত ধরেই আমরা এগুলুম। একবার রাস্তার এপাশ ধরে গেলুম খানিকটা, আবার ওপাশের ধানখেত ধরে ফিরে এলুম। উদ্দেশ্য, যাতে শিবির ছেড়ে খুব-একটা দূরে গিয়ে না-পড়ি। কিন্তু সবই বৃথা হলো। বন্দুকের বদলে হাতে শৌখিন বেড়াবার ছড়ি থাকলেও হতো-আমাদের অবস্থার কিছু উনিশ-বিশ হতো না। এদিকে প্রায় সাড়ে ছটা বেজে গেলো!

    হুডের দিকে তো তাকানোই যাচ্ছে না। বিড়বিড় করে কী যেন বকছে আপন মনে, বোধহয় সমস্ত পশুপক্ষীকেই অভিসম্পাত দিচ্ছে। সত্যি, কোনো শিকারির এমন, অবস্থার কথা কল্পনাও রা যায় না।

    আমরা তখন শিবির থেকে মাইল তিনেক দূরে। বাঁশবনের মধ্য দিয়ে আঁকাবাঁকা ঘোরা পথে আমরা শিবিরের দিকে ফিরে আসছি। তখনও সূর্য ডোবেনি দিগন্তে, তবে মেঘের তলায় চ পা পড়ে গেছে। সেইজন্যেই পথটা একটু ঝাঁপসা ঠেকছে।

    হঠাৎ এমন সময় আচম্বিতে আমাদের ডানপাশের ঝোপে গররর করে একটা বিষম গর্জন শোনা গেলো। আমার বুকটা এমনভাবে ধ্বক করে কেপে উঠলো যে আমি থমকে থেমে গেলুম। হড় আমার হাতটা চেপে ধরলে। ফিশফিশ করে বললে

    বাঘ! তারপরেই একটা বিশ্রী শপথ বেরিয়ে এলো তার মুখ দিয়ে, কিন্তু আমাদের বন্দুকে যে কেবল ছররা গুলি ভরা—একটাও বুলেট নেই!

    কথাটা নিদারুণ সত্যি। আমাদের তিনজনের কারুর কাছেই একটাও টোটা নেই। তাছাড়া থাকতেও যদি, তবু তখন বন্দুকে নতুন করে টোটা ভরার সময় পাওয়া যেতো না। কারণ গর্জনটা শোনবার পরেই দেখি গুলতি থেকে বেরুনো মারবেলের মতো প্রচণ্ড বেগে বাঘটা ঝোঁপের আড়াল থেকে লাফিয়ে বেরিয়ে এলো—ঠিক আমাদের হাত বিশেক দূরে আঁকাবাঁকা রাস্তার মোড়ে এসে বসলো।

    রাজা বাঘ; দৃঢ় প্রচণ্ড শরীর, তেজপূর্ণ, মস্ত, ভয়ানক, সুন্দর, নমনীয় পেশী, প্রকাণ্ড থাবা, ক্ষিপ্রতায় হিংস্রতায় তার তুলনা নেই।

    এমন ভয়ংকর অবস্থায় কি এর আগে কেউ কখনও পড়েছিলো?

    বাঘটাকে দেখবামাত্র আমার হাতটা বন্দুক সমেত কেঁপে উঠলো। লম্বায় ন-দশ ফুট হবে, বাঁশবনের ফাঁক দিয়ে কালো আর হলদের ডোরাকাটা জ্বলন্ত-উজ্জ্বল এই বিরাট মার্জারবংশীয়ের মুখটায় সূর্যের লাল রশ্মি এসে পড়েছে : চোখ দুটো রয়েছে ছায়ায়–অন্ধকারে বেড়ালের চোখের মতো জ্বলে উঠেছে সবুজ-ভীষণ ভয়ানক দুটি পোকরাজ। ল্যাজটা নড়ে উঠছে চঞ্চল হিল্লোলে। এমনভাবে গুঁড়ি মেরে বসেছে যেন এক্ষুনি লাফিয়ে পড়বে।

    হুড কিন্তু মোটেই চঞ্চল হয়নি। বন্দুকটা উঁচিয়ে ধরেছে সে ততক্ষণে, আর বিড়বিড় করে এক অদ্ভুত শুকনো গলায় বলে চলছে : ছ-নম্বর টোটা! ছ-নম্বর টোটা দিয়ে একটা বাঘকে গুলি করা! একেবারে চোখে গুলি করতে না-পারলে…

    কথা শেষ করার আর সময় পেলে না হুড। বাঘটা লাফালো না। বরং আস্তে আস্তে রাজার মতো এগিয়ে এলো অরণ্যের সেই হিংস্র মহিমা। গৌমিও পিছন থেকে বন্দুক তুলে তাগ করে আছে-তারও বন্দুকে ছরার কার্তুজ ভরা।

    একটুও নোড়ো না কেউ, কোনো শব্দ কোরো না, ফিশফিশ করে বললে হুড, তাহলেই বাঘটা লাফিয়ে এসে পড়বে আমাদের দিকে। আর লাফ দিলেই কোনো রক্ষা

    নেই।

    আমরা নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে রইলুম।

    আস্তে পায়ে-পায়ে এগুতে লাগলো সেই ভোরা-কাটা বেড়াল, চোখ দুটো সে একবারও সরাচ্ছে না আমাদের উপর থেকে, ঝোলা চোয়ালটা যেন মাটি-ছোঁয়া। হুডের সঙ্গে তার দূরত্ব বুঝি দশ হাতও নেই। হুড কিন্তু দাঁড়িয়ে আছে নির্ভীক ও নিষ্কম্প, যেন কোনো প্রস্তরমূর্তি-তার সারা প্রাণ যেন তার চোখের তারায় এসেই সংহত হয়েছে।

    ভীষণ মুহূর্তটি আসন্ন, তিনজনের কেউই সম্ভবত আর বেঁচে থাকব না; কিন্তু এতেও হুডের বুক বোধহয় ধ্বক-ধ্বক করছে না। এক-এক করে পাঁচ পা এগিয়ে গেলো হুড। কেমন করে যে আমি নিজেকে সামলে রাখলুম জানি না, আরেকটু হলেই বোধহয় চেঁচিয়ে বলতুম তাকে গুলি ছুঁড়তে। কিন্তু না, হুড বলেছিলো, একমাত্র ভরসা চোখে গুলি করে বাঘটাকে অন্ধ করে ফেলতে পারলে, আর সেইজন্যে গুলি করার আগে তাকে খুব কাছে গিয়ে দাঁড়াতে হবে।

    বাঘটা আরো তিন-পা এগিয়ে এলো, তারপর ধনুকের ছিলার মতো টান হয়ে গেলো তার সর্বাঙ্গ, এক্ষুনি লাফাবে

    সজোরে গর্জে উঠলো বন্দুক, তার পরেই আরেকটা গুলির শব্দ : গুড়ুম, গুড়ুম!

    দ্বিতীয় গুলিটা যেন বাঘের গায়ে বন্দুকের নল ঠেকিয়ে-করা। বাঘটা কেবল বার দুয়েক গড়ালো মাটিতে, যন্ত্রণা আর ক্লেশ-মেশানো গর্জন উঠলো দু-তিন বার, তারপরেই স্থির হয়ে পড়ে রইলো মাটিতে।

    চমৎকার! হুড উল্লসিত, বন্দুকটায় ছররা ছিলো না, জানো! না, ফক্সকে ধন্যবাদ দিতেই হয়?

    তাও কি সম্ভব? আমি তো তাজ্জব।

    নিজের চোখেই দ্যাখো, বলতে-বলতে সে ফাঁকা টোটাটা বার করে আনলে বন্দুক থেকে-সত্যি, সেই নতুন টোটা, যা ছিলো সিপাহী বিদ্রোহের অন্যতম কারণ, দাঁত দিয়ে চামড়া কেটে যে-টোটা বন্দুকে ভরতে হয়!

    ব্যাখ্যা করার আর দরকার হলো না। সব বুঝতে পারলুম। দুটো দোনলা বন্দুক ছিলো হুডের—একই রকম দেখতে। ফক্স ভুল করে একটায় ছররা গুলি ভরেছিলো, আরেকটায় ভরে ছিলো শিশের গুলি! এই ভুলের দরুন আগের দিন বেঁচেছে চিতাবাঘের জীবন, আর আজকে বাঁচলো আমাদের!

    সত্যি, হুড বললে, জীবনে আর-কোনো দিন মৃত্যুর এত কাছাকাছি এসে দাঁড়াইনি।

    আধ ঘণ্টা পরে আমরা যখন শিবিরে ফিরে এলুম, ফক্সকে ডেকে পাঠালে হুড–তারপর কী হয়েছে, সব তাকে খুলে বললে।

    শুনে ফক্স বললে, ক্যাপ্টেন, তাহলে দু-দিনের বদলে আমার চারদিন বন্দী হয়ে থাকা উচিত—কারণ আমি দু-দুটো ভুল করেছি।

    আমারও তা-ই মত, হুড তক্ষুনি বললে, কিন্তু তোমার ভুলের জন্যেই যেহেতু একচল্লিশ নম্বর আমার হস্তগত হলো, সেইজন্যে আমার মতে এই মোহরটা তোমার প্রাপ্য–

    আর আমারও মত হলো এই যে মোহরটা মুহূর্তে পকেটস্থ করে ফেলা,-সোনার টাকাটা পকেটে ঢোকাতে-ঢোকাতে বললে ফক্স।

    ১২ই জুন সন্ধেবেলায় একটা ছোট্ট গ্রামে গিয়ে পৌঁছুলুম আমরা; ভারতের সব পাড়াগাঁর মতোই এই গ্রামও দেখতে একই রকম : দুঃস্থ জলাশয়, মশা-মাছির উৎসব, কাদায়-ডোবা মোষ, পাঁজরা-ওঠা গোরু, বুভুক্ষু সংসারের ভাঙা কুঁড়ে ঘর, নিষ্ফল ডাঙায় রাঙা ধুলোর ওড়াউড়ি। এই গ্রাম থেকেই পরদিন সকালে আমরা রওনা হবো : আর নব্বই মাইল দূরে, উৎরাইয়ের কোলে নেপাল—আমাদের লক্ষ্য তারই অরণ্যদেশ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }