Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প757 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.০২ কর্নেল মানরো

    ১.০২ কর্নেল মানরো

    আমি, মোক্লের, ভারতে পৌঁছেছিলুম ১৮৬৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। গ্রেট ইণ্ডিয়ান পেনিনসুলার রেলওয়ের ট্রেনে করে বম্বাই থেকে এলাহাবাদ হয়ে কলকাতা পৌঁছেছিলুম মার্চ মাসে। আমার মূল উদ্দেশ্য ছিলো : ভারত-দর্শন। বিশেষ করে গঙ্গার উপকূল ধরে উত্তরাপথের সেই প্রাচীন নগরগুলো পরিদর্শন করার ইচ্ছে ছিলো খুব : প্রাচীন স্থাপত্য ও ভাস্কর্যের নিদর্শন সম্বন্ধে যাতে একটা পূর্ণ ধারণা করে নিতে পারি, সেই জন্যেই এই সশরীরে গমনের অভিলাষ, প্রত্যক্ষ দর্শনের উৎকাঙক্ষা।

    এঞ্জিনিয়ার ব্যাঙ্কস-এর সঙ্গে আমার পরিচয় হয়েছিলো পারীতে—শুধু পরিচয় নয়, রীতিমতো বন্ধুতা ও ঘনিষ্ঠতাই হয়েছিলো দুজনের মধ্যে। পারীতেই আমরা ঠিক করেছিলুম যে কলকাতায় এসে তার সঙ্গে দেখা করবো আমি—সে ততদিনে সিন্ধিয়া, পঞ্জাব আর দিল্লির রেলপথ স্থাপন করার তত্ত্বাবধান সম্পূর্ণ করে ফেলবে। কার্যক্রম অনুযায়ীই তার কাজ শেষ হয়ে গিয়েছিলো কয়েক মাসের ছুটি পেয়েছিলো সে; আর তাই আমি যখন প্রাচীন ভারতের সন্ধানে বেরুবার প্রস্তাব করলুম, উৎসাহে ও উত্তেজনায় সে একেবারে লাফিয়ে উঠলো।

    কলকাতায় আসতেই ব্যাঙ্কস তার স্থানীয় বন্ধুদের সঙ্গে আলাপ করিয়ে দিয়েছিলো। তাদের একজন ক্যাপ্টেন হুড, অন্যজন কর্নেল মানরো।

    সেদিন সন্ধেবেলায় এই কর্নেল মানরোর বাড়িতে বসেই আমরা আড্ডা দিচ্ছিলুম। কর্নেল মানরোর বাড়িটা কলকাতার সাহেব-পাড়ায় এক প্রান্তে, গড়ের মাঠের পাশে, যেদিকে গাড়ি-ঘোড়া বা লোকজনের তেমন ভিড় নেই-ফলে কলকাতার যাবতীয় হট্টগোল থেকে উদ্ধার পেয়ে আমরা ঈষৎ আলস্যভরে নানা বিষয়ে আলোচনা করছিলুম।

    কর্নেল মানরোর বয়েস বোধহয় সাতচল্লিশ; তার এই বাংলো-বাড়িটা আসলে দেখাশোনা করে অবশ্য তার ডান হাত ও প্রধান অনুচর সার্জেন্ট ম্যাক-নীল : স্কটল্যাণ্ডের মানুষ, অনেক যুদ্ধেই সে মানরোর সঙ্গী হয়েছিলো—শুধু সার্জেন্ট হিশেবে নয়, তার প্রধান অনুচর হিশেবে। ম্যাক-নীলের বয়েস বছর পঁয়তাল্লিশ, সুগঠিত ও শক্তসমর্থ, শ্মশ্রুমণ্ডিত মুখমণ্ডল বেশ সুশ্রী। কর্নেলের সঙ্গে-সঙ্গে সেও ভারতীয় পল্টন থেকে অবসর নিয়েছিলো, কিন্তু পুরোেনো অভ্যাসবশত এখনও সামরিক পোশাকই পরে থাকে সবসময়।

    মানবরা আর ম্যাক-নীল দুজনেই পল্টন ছেড়েছিলেন ১৮৬০ সালে। কিন্তু দেশে ফিরে না-গিয়ে দু জনেই রাজধানী কলকাতার সাহের-পাড়ায় এসে একটা বাড়ি নিয়েছেন।

    ব্যাঙ্কস যখন আমাকে মানরোর সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেয়, তখন একটা বিষয়ে আমাকে সাবধান করে দিয়েছিলো : খবরদার! সিপাহী বিদ্রোহ সম্বন্ধে কোনো উচ্চবাচ্য কোরো না কিন্তু—আর, কিছুতেই এবং কখনও, নানাসাহেবের নামটাও উচ্চারণ কোরো তার সামনে।

    কর্নেল এডওয়ার্ড মানরো স্কটল্যাণ্ডের মানুষ হলেও তাঁর পূর্বপুরুষ প্রায় একশো বছর আগে ভারতে এসেছিলেন। সার হেক্টর মানরো ১৭৬০ সালে বাঙালি পল্টনের বড়োকর্তা ছিলেন : সার হেক্টর অত্যন্ত কঠোর ও নির্মম ছিলেন : তাঁর আমলে একবার একটা ছোটোখাটো বিক্ষোভের সূত্রপাত হতেই তিনি একদিনে আটাশজন বিক্ষোভকারীকে কামানের গোলায় উড়িয়ে দিয়েছিলেন—১৮৫৭ সালে বারেবারে যে-ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়েছিলো।

    ৫৭-র অভ্যুত্থানের সময় সার জেমস উট্রামের অধীনে কর্নেল মানরো প্রথমে কানপুর, পরে লক্ষ্ণৌ অবরোধে অংশ নিয়েছিলেন। ১৮৫৮ সালে কর্নেল মানরো নাইটকম্যাণ্ডার হন, কিন্তু তার স্ত্রী কোনোদিন নামের আগে লেডি কথাটা ব্যবহার করতে পারেননি। ৫৭ সালের ২৭ শে জুন কানপুরে যে-সমস্ত বিদেশীর মৃত্যু হয়, তার স্ত্রী ছিলেন তাদেরই একজন। সার এডওয়ার্ড (বা কর্নেল মানরো) তার স্ত্রীকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন, স্ত্রীর মৃত্যুতে স্ত্রীর অকাল নিধনের জন্যে জীবনে তার একটাই লক্ষ্য হয়ে উঠেছিলো—যেহেতু নানাসাহেব ছিলেন বিদ্রোহের নেতা, সেইজন্যে যেমন করে হোক তাকে কোতল করতেই হবে। এটাই যেন তার জীবনের চরম উদ্দেশ্য হয়ে উঠলো–সেইজন্যেই, যাতে কায়মনোবাক্যে নানাসাহেবের সন্ধান করতে পারেন, সমরবিভাগ থেকে তিনি অকালে স্বেচ্ছায় অবসর নিলেন। সার্জেন্ট ম্যাক-নীলও সেইসঙ্গে কর্মে ইস্তফা দিলে, আর প্রভুর সঙ্গে নানাসাহেবের সন্ধানে গোটা ভারতবর্ষ চষে বেড়াতে লাগলো। কিন্তু নানাসাহেব কেবল এই দুজনের চোখেই ধুলো দেননি, সমগ্র গোয়েন্দাবিভাগকে পর্যন্ত নাজেহাল করে দিয়েছিলেন। কেউ তার খোঁজ পেলে না। তিন বছর একটানা খোঁজবার পর হঠাৎ যখন জনরব উঠলো যে নানাসাহেব নেপালের জঙ্গলে প্রাণত্যাগ করেছেন, তখন সার এডওয়ার্ড আর সার্জেন্ট ম্যাক-নীল কলকাতায় এসে নিরিবিলিতে একটা বাংলোবাড়ি ভাড়া করে অবসর জীবন যাপন করতে লাগলেন। কিন্তু এতদিন কেটে গেলেও সিপাহী বিদ্রোহের কথা উঠলেই তার বুকের ক্ষত যেন আবার নতুন হয়ে ওঠে, হাত মুঠো হয়ে যায়, চোখের তারা ধ্বক করে জ্বলে ওঠে। বাড়ি ছেড়ে বেরোন না তিনি কখনও, এমন বই তিনি স্পর্শও করে দ্যাখেন না যাতে ঘুণাক্ষরেও ১৮৫৭-র কোনো উল্লেখ আছে।

    এত-সব আমাকে বলেছিলো ব্যাঙ্কস। কয়েকদিন ধরে বম্বাইতে যে-গুজবটা শোনা যাচ্ছিলো যে নানাসাহেব নাকি হঠাৎ সেখানে পুনরাবির্ভূত হয়েছেন, তা সম্ভবত সার এডওয়ার্ডের কানে পৌঁছোয়নি—পৌঁছুলে তিনি হয়তো তক্ষুনি আবার নবোদ্যমে বেরিয়ে পড়তেন। এখন তার বন্ধু আর সঙ্গী বলতে আছে ব্যাঙ্কস আর ক্যাপ্টেন হুড। তারাই রোজ দেখা করতে যায় তার সঙ্গে; দু-বেলা গল্পগুজব করে আড্ডা দেয়, আর সার এডওয়ার্ডের বেদনাকে ভুলিয়ে দেবার চেষ্টা করে।

    ব্যাঙ্কস আসলে গ্রেট ইণ্ডিয়ান পেনিনসুলার রেলওয়ের নির্মাতা, কাজ শেষ করে এখন প্রায় এক বছরের ছুটি পেয়েছে; পরের বছর কলকাতা-মাদ্রাজ বা বঙ্গোপসাগর থেকে আরবসাগর পর্যন্ত লম্বা মস্ত-এক রেলপথ বসানো হবে, তারই প্রাথমিক খশড়া শেষ করছে। তার মাথার মধ্যে সবসময়েই কলকজার ঘটাং-ঘটাং বেজে চলেছে। কতযে অদ্ভুত পরিকল্পনা তার মাথায় জাগে, তার কোনো ঠিক নেই। এই মুহূর্তে সে-যে কোনো-একটা অদ্ভুত আবিষ্কার নিয়ে তম্ময় তা তার সঙ্গে আড্ডা দিতে-দিতেই বুঝতে পারলুম। কিছুই খুলে বললে না, বোঝা গেলো হঠাৎ একদিন এক নাম না-জানা কল হাজির করে সবাইকে তাজ্জব করে দিতে চায়।

    ক্যাপ্টেন হুড আসলে তারই বন্ধু। ১৮৫৭র বিদ্রোহের সময় সে সমরবিভাগে ছিলো : অযযাধ্যা আর রোহিলখতে গিয়েছিলো সে, পরে মধ্যভারতে গোয়ালিয়র অভিযানের সময় সার হিউ রোজকে সাহায্য করেছিলো। হুডের বয়েস তিরিশের বেশি নয়, ছেলেবেলা থেকেই ভারতে আছে, বিখ্যাত মাদ্রাজ ক্লাবের সে সদস্য। তামাটে তার চুল আর দাড়ি, আর যদিও সে ছিলো গোরা বাহিনীতে—কিন্তু আসলে ভারতবর্ষই যেন তার দেশ-এবং সব দিক দিয়েই সে সম্পূর্ণ ভারতীয়—এই বিচিত্র ও বিপুল দেশকে সে মাতৃভূমির মতো ভালোবাসে। শুধু তা-ই নয়, তার মতে স্বর্গ যদি কোথাও থাকে তো সে নাকি এখানেই, এখানেই, এখানেই। পাহাড়ে চড়ার খুব শখ, ভালো শিকারি, আর দুর্ধর্ষ পথিক। এখনও হিমালয়ে ওঠবার সুযোগ তার হয়নি, কিন্তু হিমালয়ই তার শেষ স্বপ্ন। ওই তুষারমৌলির ধবল শৃঙ্গই নাকি তার সাফল্য ও সার্থকতার ঝকমকে মুকুট হবে।

    ব্যাঙ্কস আর হুড অনেকবার সার এডওয়ার্ডকে নিয়ে দেশ-ভ্রমণে যাবার প্রস্তাব করেছে, কিন্তু কর্নেল অবিচল। সেদিন সন্ধেবেলায় আবার কথাটা উঠলো—সূত্র অবিশ্যি ছিলুম আমি আর ব্যাঙ্কস। আমরা যে উত্তরাপথ ভ্রমণ করার সংকল্প নিয়েছি, সে-কথা শুনে হুড বললে, হেঁটে না-বেড়ালে আর কী মজা! রেলে গিয়ে মজা নেই। ব্যাঙ্কস আবার হন্টন কি অশ্বতরের বিরোধী। ফলে পাল্কি বা চতুর্দোলা ছাড়া আর কীসে যাওয়া যায়?

    দূর-দূর, ব্যাঙ্কস বললে, ও-সব আদ্যিকেলে বাহনে আবার কেউ বেরোয় নাকি!

    কেন, তোমার ওই ঝমরঝম ঘটাংঘট রেলগাড়ির চেয়ে এখানকার গোরুর গাড়ি ঢের ভালো, হুড জানিয়ে দিলে।

    হ্যাঁ, একটা চারচাকার গাড়ি তারা এমনভাবে টেনে নিয়ে যায় যে মনে হয় চিনসমুদ্রে টাইফুন উঠেছে-ব্যাঙ্কস বললে।

    তা হয়তো সেকেলে লোকজনের মনে হয়, কিন্তু তাহলেও ছন্দ আর দোলার জন্য চতুর্দোলাই ভালো–তোমার রেলগাড়ির চেয়ে তো ভালো—

    চতুর্দোলা! পাল্কি! ব্যাঙ্কস হেসে উঠলো, কফিন বলো না কেন ওটাকে—ভিতরে তো মড়ার মতোই শুয়ে থাকতে হয়।

    কিন্তু আরাম কত! শুয়ে বসে যেতে পারবে-প্রত্যেক স্টেশনে তোমাকে কেউ কাঁচা ঘুম থেকে তুলে টিকিট দেখতে চাইবে না—তাছাড়া তোমার ও-সব এক্সপ্রেস ট্রেনের চেয়ে অনেক নিরাপদও বটে!

    সবচেয়ে ভালো হয়, আমি বললুম, কেউ যদি নিজের বাড়িটা নিয়েই বেড়াতে বেরুতে পারে!

    শামুক কোথাকার! ব্যাঙ্কস হেসে উঠলো!

    বন্ধু-হে, আমি বললুম, শামুক ইচ্ছেমতো তার ভোলা থেকে বেরুতে আর ঢুকতে পারে—আর তার ওই খোলার বাড়ি নিয়েই বিশ্বভ্রমণে বেরোয়। তা শামুক হতে পারলে মন্দ হতো নাকি! চলন্ত বাড়ি-নিজের বাড়ি নিয়ে যেতে পারছে ইচ্ছেমতো-আমার তো মনে হয় যানবাহনের উন্নতির একেবারে চূড়ান্ত স্তরে না-পৌঁছুলে তা আর সম্ভব হবে না!

    কর্নেল মানরো এতক্ষণে মুখ খুললেন।একথা ঠিক। যদি বাড়িতে বসে-বসেই দেখতে পাই দিগন্ত ক্রমেই পিছিয়ে যাচ্ছে, কেবলই বদলে যাচ্ছে পারিপার্শ্বিক কি জলহাওয়া, তাহলে……

    তাহলে আর নতুন জায়গায় গিয়ে ডাকবাংলো খুঁজে মরতে হবে না—হুড বললে, কে জানে বাপু অচেনা ডাকবাংলোয় অসুবিধে কত, ঠিকমতো স্বাচ্ছন্দ্য পাওয়া যাবে কি না, তার উপর হ্যাঙ্গামের অন্ত আছে? স্থানীয় ম্যাজিস্ট্রেটের কাছ থেকে লিখিয়ে নিয়ে এসো—যত রাজ্যের হ্যানোত্যাননা! অথচ নিজের বাড়িটা চলতে পারলে যখন খুশি যেখানে খুশি দিব্যি খুটি গাড়া যেতো। বৈঠকখানা, খাবার ঘর, রান্নাঘর, লাইব্রেরি, শোবার ঘর তো আছেই-সঙ্গে নিজের পছন্দসই বাবুর্চি আছে। আহা-তেমন দিন যদি আসে, বুঝলে ব্যাঙ্কস, তেমন দিন এলেই বুঝবো যে সত্যি-সত্যি সভ্যতার অগ্রগতি হলো। তোমার ও-রেলগাড়ির চেয়ে একশোগুণ ভালো, এ-কথা মানবে তো?

    মানবো না কেন, খুব মানি। তবে এর চেয়েও ভালো বাহনের পরিকল্পনা করা যায়, সেটাও বলি এই সঙ্গে।

    এর চেয়েও ভালো?

    নিশ্চয়ই। তুমি বলেছো যে রেস্তোরাঁ-কার, স্লিপিং-কার-ওলা ট্রেনের চেয়েও তোমার চলন্ত বাড়ি ঢের ভালো—আচ্ছা, তা না-হয় মানলুম। কিন্তু লোকে তো ব্যাবসাসূত্রেও কত জায়গায় যায়, তার বেলা? অত-বড়ো বাড়ি নিয়ে তো তুমি সব জায়গায় যেতে পারবে না। ফলে তুমি তোমার আকল্প জানালে এক স্থপতিকে-খুদে মাপের একটা বাড়ি তৈরি করে দেবার জন্যে, আর সে তোমার ভাবনাকে কাজে তরজমা করলে—তুমি একটা বাড়ি পেয়ে গেলে, যার ভিত মাটির তলায় শিকড় গেড়ে বসেনি–এখানে-ওখানে তাকে সরিয়ে নেয়া যায়। সব আরামের ব্যবস্থাই আছে তাতে, সব রাস্তারই উপযোগী হলো সেটি, সরুগলিতে আটকে যাবার ভয় নেই। ধরো, আমাদের বন্ধু কর্নেল মানরোর জন্যই এ-রকম একটা সচল বাড়ি বানানো হলো; তিনি আমাদের আমন্ত্রণ করলেন তার বাড়িতে করে আর্যাবর্তে বেড়িয়ে আসার জন্যে-শামুকদের মতোই অনেকটা-কিন্তু তার চেয়েও ভালো-খোলার সঙ্গে জন্মসূত্রেই চির-আটক নয়। ঠিকঠাক সব ব্যবস্থা হলো—তোমার বাবুর্চি, রান্নাঘর—কিছুই বাদ গেলো না। যাত্রার দিন ঠিকঠাক। এমন সময়-হা-হতোস্মি!– এ-বাড়ি টেনে নিয়ে যাবে কে?

    কেন? গোরু-ঘোড়া-খচ্চর?

    ডজন-ডজন গোরু-ঘোড়া লাগবে তো তাহলে—

    তাহলে হাতি-হ্যাঁ, হাতিই টেনে নিয়ে যাবে। তা ছাড়া হাতি হচ্ছে আভিজাত্যের প্রতীক, একেবারে দিগ্বিজয়ী রাজার মেজাজ এনে দেবে। একদল হাতি থাকবে, দিব্যি হেলতে-দুলতে গজেন্দ্রগমনে এগুবে বাড়িটা। কেমন, চমৎকার হবে না?

    হুঁ, চমৎকার দেখাবে বটে, কিন্তু—

    আবার কিন্তু!—

    এই কিস্তুটা বেশ বড়োই! ওই হস্তীযুথের মতোই প্রকাণ্ড!

    তোমাদের এঞ্জিনিয়ারদের কারবারই আলাদা। কেবল একটার পর একটা বাধার কথা তোলো—

    সে-বাধা আবার জয়ও করে ফেলি, ব্যাঙ্কস জানালে মৃদুস্বরে।

    তাহলে তোমার নিজের কিন্তুটাই জয় করে দেখি!

    করবো তো বটেই। শোনো তবে! শুনলেন তো মানরো, ক্যাপ্টেন হুড কতকত বাহনের নাম করলে—কিন্তু তারা প্রাণী বলে তাদের অসুখ-বিশুখ হতে পারে, কখনও ক্লান্ত হয়েই পড়বে-বা—আর তাদের খাদ্য-সেটা জোগাবে কে? আসলে চলন্ত বাড়ি ব্যাপারটা তখুনি সম্ভব হবে, যখন এটা বাষ্পে বা স্টীমে চলবে।

    আর রেললাইন দিয়ে ঘটাং-ঘটাং ঘটঘট করে এগুবে? হুড কেবল কাঁধ ঝকালে। ব্যাঙ্কস যে এ-কথা বলবে তা আমি জানতুম।

    না, রেললাইন লাগবে না। তক্ষুনি বললে ব্যাঙ্কস, লাগবে কেবল একটা উঁচু জাতের ট্র্যাকশন-এঞ্জিন–

    শাবাশ! হুড তারিফ করে উঠলো, তোমার ওই চলন্ত বাড়ি যদি রেললাইনের কয়েদি না-হয়, তাহলে আমি ওই স্টীমের কথায় রাজি আছি।

    কিন্তু ব্যাঙ্কস, আমি বললুম, তোমার এঞ্জিনেরও খাদ্য চাই গোরু-ঘোড়া হাতির মতো—সে-খাদ্য না-পেলে তোমার ওই কলকারখানাও বিকল হয়ে পড়বে।

    একটি স্টীমের ঘোড়া অনেকগুলো সত্যিকার ঘোড়ার চেয়ে বলশালী, বললে ব্যাঙ্কস, আর এই অশ্বশক্তি যত-ইচ্ছে বাড়িয়ে তোলা যায়। স্টীমের ঘোড়ার অসুখ নেই, অবসাদ নেই, রোদে-বৃষ্টিতে, জলে-ঝড়ে সব অবস্থায় সব জায়গায় সে সমানভাবে এগুতে পারে। বুনো জানোয়ারের ভয় নেই তার, সাপে তাকে কাটতে পারবে না, পোকামাকড় হুল ফোঁটাতে পারবে না; বিশ্রাম নেই, নিদ্রা নেই, একটানা সে যেতে পারবে, চাবুক লাগবে না, ধমকাতে হবে না, তাড়া দিতে হবে না। অর্থাৎ রান্না করে খেতে না-চাইলে আসল ঘোড়ার চেয়ে সব দিক থেকেই ভালো এই স্টীমের ঘোড়া। একটু কেবল তেল লাগবে-কলকজা শড়গড় রাখার জন্যে, আর লাগবে কিছু কাঠ বা কয়লা। আর জানোই তো, মোক্লের, ভারতে বন-জঙ্গলের অভাব নেই—কাজেই কাঠের জন্যে তোমাকে একটুও হন্যে হতে হবে না!

    বেড়ে বলেছো, চমৎকার। ক্যাপ্টেন হুড বললে, স্টীমের ঘোড়া জিন্দাবাদ! আমি মানসচক্ষে দেখতে পাচ্ছি ভারতের দীর্ঘ পথ ধরে চলেছে এক সচল প্রাসাদ-তার নির্মাতা ব্যাঙ্কস নামে এক মস্ত এঞ্জিনিয়ার-জঙ্গল কুঁড়ে সে চলেছে, বাঘ সিংহ ভাল্লুক তার গায়ে আঁচড়টি কাটতে পারছে না, আর আমরা দেয়ালের আড়ালে বসে তোফা শিকার করে যাচ্ছি। আঃ, ভাবতেও আমার জিভে জল এসে যাচ্ছে, ব্যাঙ্কস। আহারে! যদি আর পঞ্চাশ বছর পরে আমার জন্ম হতো!

    কেন? পঞ্চাশ বছর পরে জন্মাতে চাচ্ছো কেন?

    কারণ পঞ্চাশ বছর পরেই তো তোমার স্বপ্ন সত্যি হবে—তখন আমরা বাষ্পেচলা বাড়ি পাবো

    চলন্ত বাড়ি তো কবেই বানিয়েছি আমি, ব্যাঙ্কস মৃদুস্বরে জানালে।

    বানিয়েছে? তুমি?

    ক–বে! দেখলে বুঝবে যে তোমাদের সব কল্পনাকেও ছাড়িয়ে গেছে।

    তাই নাকি? হুড চেয়ার ছেড়ে লাফিয়ে উঠলো, তাহলে আর দেরি কেন? এসো, এক্ষুনি বেরিয়ে পড়ি।

    ব্যাঙ্কস, তাকে শান্ত হতে বলে, সার এডওয়ার্ড মানরোর দিকে ফিরে তাকালে। সার এডওয়ার্ড, যদি আজ থেকে এক মাসের মধ্যে একটা কলে-চলা বাড়ি এনে আপনার হাতে সমঝে দিই, তাহলে মোরে, হুড আর আমার সঙ্গে আপনি উত্তরাপথ বেড়াতে যেতে রাজি আছেন তো?

    ব্যাঙ্কসের গলার আগ্রহ দেখে মানরো খানিকক্ষণ একটু সীরিয়াসভাবে ভাবলেন। রাজি আছি! ব্যাঙ্কস, যত টাকা লাগে দেববা—কেবল হুড যা কল্পনাও করতে পারেনি, তেমনি একটা কলে-চলা বাড়ি এক মাসের মধ্যে এনে দাও আমাদের-আমরা তাহলে সারা ভারত ঘুরে বেড়াবো।

    অমনি হুড তিনবার জয়ধ্বনি দিয়ে উঠলো। নেপালে শিকারটা এবার তোফা জমবে!

    ঘরের ভিতর এই শোরগোল শুনে ম্যাক-নীল অবাক হয়ে দরজার কাছে এসে দাঁড়ালে।

    ম্যাক-নীল, মানরো বললেন, আমরা এক মাসের মধ্যেই উত্তরাপথ ভ্রমণে বেরিয়ে পড়বো। তুমি সঙ্গে যাবে তো?

    আপনি গেলে, নিশ্চয়ই যাবো, ম্যাক-নীল তার চিরকেলে শান্ত গলায় জানালে।

    –মঁসিয় মোক্রের-এর দিনপঞ্জি আপাতত শেষ–

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }