Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প757 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৯. ডাইনি-পুরতরা

    ডাইনি-পুরতরাই সম্ভবত আদি পৃথিবীর পরম্পরাগত জীবন্ত নিদর্শন। সারা গায়ে জন্তুজানোয়ার, ফুল, লতাপাতা, গাছপালার উল্কি আঁকা, গলায় শাঁখের মালা, মাথায় পশুললামের টুপি, কানে মস্ত হাড়ের মাকড়ি—এই হলো ডাইনি-পুরুতের চেহারা। প্রত্যেকটা দলের মধ্যে এদের ক্ষমতাই সবচেয়ে বেশি। রাজারা পর্যন্ত এদের ভয় পায়, এদের হুকুম নিঃশব্দে তামিল করে। পুরুতদের নামকরণের রীতিটা বড়ো অদ্ভুত : বেশির ভাগেরই নাম কোনো-না-কোনো জন্তুর নামে, অবশ্য ফুলের নাম বা গাছের নামও বাদ যায় না। কেননা পুরুতের নাম হরিণ, কারুবা নাম ভালুক, কেউ আবার নিজের পরিচয় দেয় দাঁড়কাক বলে, আবার কারু-বা নাম সূর্যমুখী। ব্যাপরটা বেশ-একটু রহস্যে ভরা। নাম দিতে চাচ্ছে মানুষের দলের পুরুতের, অথচ নামটা নিচ্ছে জন্তু-জানোয়ারদের কাছ থেকে। এ-আবার কোন ধরনের ব্যাপার?

    ব্যাপারটার রহস্য পরিষ্কার হয়, যদি কয়েকটি মূল সূত্রের দিকে নজর রাখা যায়। লক্ষ করলে দেখা যায়, তাদের গায়ে যে-সব উল্কি থাকে, বা যে-সব নাম তারা নেয়, তার বেশির ভাগই হলো খাবার জিনিশ। পশুপাখি, গাছগাছড়াই বেশি—আর এগুলো খেয়ে পেট ভরানো সম্ভব। অবশ্য এমন কিছু-কিছু নাম আছে যা কিনা খাবার জিনিশ নয়, যেমন বৃষ্টি, পাথর ও ঐ জাতীয় কিছু। কিন্তু তলিয়ে দেখলেই বোঝা যায় এগুলো আদি ও অকৃত্রিম নয়, অনেক পরের ব্যাপার, আদি যুগের অখাদ্য নকল বা অনুকরণ মাত্র। কাজেই এই সূত্র থেকে সন্দেহ হয় যে, আদি মানুষের খাবার জোগানোর সঙ্গে এই নামগুলির কোনো যোগাযোগ ছিলো—নামের ফর্দ দেখে সেই সন্দেহ আরো দৃঢ় হয়। কিন্তু তা ছাড়াও আরেকটি খুব জরুরি সূত্র আছে। প্রতিটি দলের মধ্যে একটা উৎসব আছে, যেটা সবচেয়ে জরুরি ও বড়ো; সেই উৎসবের সময় পুরো দলটা এক জায়গায় জমায়েং হয়—কিন্তু যেখানে-সেখানে নয়, আর যখন-খুশি তখনও নয়। জড়ো হবার জায়গাটা বাঁধা-ধরা, সময়টাও তাই। যেমন, কোনো দলের পুরুতের নাম যদি কাছিম হয়, তাহলে উৎসবের জন্য গোটা দল জমায়েৎ হবে কাছিমদের ঘাঁটিতে, আর কাছিমেরা যে-সময়টায় বাচ্চা পাড়ে, সেই সময়টায়। প্রশ্ন ওঠে, কেন ওরা জড়ো হচ্ছে, মৎলবটা কী ওদের। উত্তর হলো, ওরা জমা হচ্ছে কাছিম ধরার জন্যে; কাছিম ধরে খাবে, খেয়ে প্রাণ বাঁচাবে। এই ব্যাপারটা শুরু হয়েছে এমন-এক আদিম যুগে যখন আদি মানুষেরা খাবারের সন্ধানে হন্যের মতো সবখানে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাদের অস্ত্রশস্ত্র তখন এতই বাজে যে তা দিয়ে হরেক রকম খাবার জোগাড় করার কথাই ওঠে না। বন-জঙ্গলের যে-এলাকায় ওরা হন্যে হয়ে ঘুরছে, সেই অঞ্চলে কেবলমাত্র যে-খাবার সহজে পাওয়া যায় তা-ই খেয়েই তাদের প্রাণ বাঁচে; তাই যারা আশপাশে কাছিম জোগাড় করতে পারে কেবল কাছিম খেয়েই তাদের প্রাণ বাঁচাতে হয়। কাছিম ছাড়া তাই ওরা নিজেদের কথা মোটেই ভাবতে পারে না; কাছিমই এদের দলের সবচেয়ে বড়ো রক্ষক, কাছিমের সঙ্গেই ওদের যত আত্মীয় সম্বন্ধ, কাছিম থেকেই ওদের প্রাণ, ওরা আর কাছিম তাই মোটেই আলাদা নয়। তারপরে কিন্তু সেই আদি মানুষের অস্ত্রশস্ত্র উন্নত হলো আর তাই তারা কেবল একরকমেরই খাবার নয়, নানারকম খাবার জোগাড় করতে পারলে। তা ছাড়া দলের মানুষ বেড়েছে, বাড়তে বাড়তে অনেকগুলি দলে ভাগ হয়ে গেছে–কিন্তু তাহলেও এক দলের সঙ্গে অন্য দলের একটি গভীর সম্বন্ধ থেকে গেছে—সেটি সহযোগিতার। অর্থাৎ বাঁচার ব্যাপারে এ-দল ও-দলের সাহায্যে আসে, ও-দল এ-দলের। কীভাবে? না, ঠিক হলো, এই দল ঐ দলের খাবরে ভাগ বসাবে না, ওই দল তাই যেন এই দলের খাবারে ভাগ না-বসায়। যেমন—আগে যাদের সঙ্গে কাছিমের আত্মীয়তা ছিলো, তারা বললে, আমরা আর কাছিম খাবো না—এ খাবার অন্য দলের খাবার হোক। আবার হরিণ-দলের লোক বললে, আমরা আর হরিণ খাবো না, এ-খাবার অন্য দল নিয়ে নিক। অর্থাৎ যে-সহযোগিতার সূত্র তাদের আটকে রাখলো তার মধ্যে কতগুলো নিয়ম হলো, কাছিম-দলের পক্ষে কাছিম খাওয়া নিষিদ্ধ, হরিণ-দলের পক্ষে হরিণ। এই সূত্র মনে রাখলেই, কেন প্রাচীন মিশরের দেবদেবীর চিত্র বা মূর্তিতে জন্তু-জানোয়ারের অঙ্গ থেকে গেছে, তা অনেকটাই স্পষ্ট হয়।

    কিন্তু এখানেই হলো সবচেয়ে জরুরি বিষয়, যাকে বলা যায় কুহক, জাদুবিদ্যা বা ইন্দ্রজাল। এই ইন্দ্রজালের প্রয়োগকতা হলো ডাইনি-পুরুৎ। ডাইনি কেন? না, তারা জাদু জানে। জাদু আর-কিছু নয়, প্রকৃতিকে জয় করার ব্যাপারে অনেক পেছিয়ে ছিলো আদিম মানুষ, তাই তারা সেই জয়ের অভিনয় করে কল্পনায় প্রকৃতিকে জয় করে নেবার চেষ্টা করলে—এক ধরনের ইচ্ছাপূরণকারী দিবাস্বপ্ন আর-কি! যেমন—আকাশে জল নেই, মরুভূমি এগিয়ে আসছে তার মরা ধুলোর তুমুল ঝড় তুলে, অসুবিধে হচ্ছে চাষবাসের, তাই আকাশে জল চাই। কেমন করে তা করা যায়? না, বৃষ্টির নকল করো—সবাই মিলে একসঙ্গে তালে-তালে নাচো। দল বেঁধে একসঙ্গে যে কাজ করবে, প্রকৃতি তা মানতে বাধ্য। যদি দল বেঁধে শিকারিও নাচ নাচে আর তার মূল কথাটা যদি এই হয় যে, মনের মতো শিকার জুটেছে বলে ফুর্তির কোনো শেষ নেই, তাহলে শিকার জুটবেই জুটবে। অর্থাৎ পৃথিবীকে সত্যকার জয় করার অভাবটা কল্পনায় জয় করা দিয়ে পূরণ করে নেয়া—এটাই হলো ইন্দ্রজালের প্রথম এবং আদি সূত্র। মানুষের হাতিয়ার যতদিন নেহাৎই বাজে আর অকেজো ধরনের ততদিন অব্দি পৃথিবীকে সত্যি-সত্যি আর কতটুকুই বা জয় করা যায়? তাই আসল জয়ের অভাবটা এইভাবে কল্পনা দিয়ে পূরণ করে নিতে না-পারলে তখন যেন প্রাণ বাঁচানো সম্ভব হতো না। আর ইন্দ্রজালে অধিকার ছিলো বলেই ডাইনি-পুরুংদের হাতে চলে এলো সব প্রভাব প্রতিপত্তি। নানারকম জিনিশ তারা জমাতো-তার ভিতর হিরে-জহরৎ, নানা রঙের চকচকে পাথর, সোনারুপোও ছিলো। এ-সব জিনিশ তারা জমাতে তাদের অলৌকিক জাদু-ক্ষমতা বাড়াবার জন্যে। তারা ভাবতো এ-সবের ভেতর ইন্দ্রজালের শক্তি লুকোনো আছে, তাই এসব সংগ্রহ করে নিজের কাছে যে রাখতে পারবে তার অলৌকিক শক্তি আশ্চর্যভাবে বেড়ে যাবে। এ-সব তাদের কাছে বিলাসের উপকরণ ছিলো না। তারা ভাবতো, চকচকে দামি পাথরের ভেতর লুকিয়ে আছে জাদুর ক্ষমতা, তাই সে-পাথর যে ধারণ করবে —গলায় ঝোলোবে কি হাতে তাবিজ করে বেঁধে রাখবে— তার মধ্যে ঐ পাথর থেকেই অলৌকিক শক্তি চলে আসবে। আর এইসবের সঙ্গে তারা ভারিক্কি চাল আনতো নানা গুরুগম্ভীর গুমগুমে আওয়াজ-তোলা অর্থহীন আবোল-তাবোল মন্তর আউড়ে এই একটানা সুরময় ধ্বনির মধ্যে তারা যেন হুকুম করছে প্রকৃতিকে। আর যেহেতু লোকের জাদুবিশ্বাস প্রবল ছিলো সেহেতু নানা কাকতালের ফলে তারা ভাবতো প্রকৃতি বুঝি পুরুদের হুকুম তামিল করছে আর তাই শেষকালে তাদের ক্ষমতা প্রচণ্ড বেড়ে গেলো, লোকে জুজুর মতো ভয় করতে লাগলো তাকে, তাকে মানতে লাগলো মাথা নুইয়ে, কারণ সে যেমন ভালো করতে পারে, তেমনি সব জড় পদার্থের ওপর তার মন্তরের জোর খাটাতে পারে বলে সে মন্দও করতে পারে লোকের! তাই কেউ পারতপক্ষে তার বিরাগভাজন হতে চাইতো না—এমনকী দলের রাজা পর্যন্ত না। যদি ধুলোপড়া ছিটিয়ে দেয় কি অন্ধকারকে হুকুম দেয়, তাহলেই তো রাজার দফারফা, সব খেল খতম, সব ক্ষমতাই উধাও।

    এই পুরুতেরা যদি একবার কোনো কারণে ফার্গুসনের উপর চটে যায় তো তাঁদের আর প্রাণে বাঁচতে হবে না। তাই ফার্গুসনের সংকল্পের কথা শুনে ভিক ভয়ে-বিস্ময়ে একেবারে হতবাক হয়ে গেলেন। যদি একবার পুরুতেরা বুঝে ফ্যালে যে তারা চাঁদ থেকে আসেননি, তাদেরই মতো পৃথিবীর মানুষ, তাহলে তাদের ঠকাবার জন্যে তারা মহা খাপ্পা হয়ে উঠবে। ডিক তাই ফার্গুসনকে বাধা দেবার জন্য কী যেন বলতে চেষ্টা করলেন কিন্তু ডিক কোনো কথা বলে ওঠবার আগেই ভাঙা-ভাঙা আরবিতে ফাণ্ডসন জনতাকে জানালেন : তোমাদের কোনো ভয় নেই। চাঁদের দেবতা তোমাদের ওপর তুষ্ট হয়ে তোমাদের রাজাকে বাঁচাবার জন্যে আমাদের পাঠিয়েছেন। তাই কোনো ভয় কোরো না—আমি সুলতানকে দেখতে যাবো।

    এ-কথা শুনেই ডাইনি-পুরুতেরা গুমগুমে গলায় উল্লাস জানালে, আর জনতাও তার সঙ্গে তাদের সম্মিলিত উচ্ছ্বাস যোগ করে দিলে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }