Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প757 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১১. জো বেশ জমকালো ভঙ্গিতে

    জো বেশ জমকালো ভঙ্গিতে বসে ছিলো বেলুনের তলায়।কি ওপরে চুল্লির আগুন তাতিয়ে গনগনে করবার ব্যবস্থা করেছেন, আর ফার্গুসন গেছেন ডাইনি-পুরুতের সঙ্গে সুলতানের কাছে। কাজেই বাজারে যত লোক ছিলো, তারা জো-কে চাঁদের অন্যতম পুত্র ভেবে গদগদভাবে নানা ভঙ্গিতে তার চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করছিলো। কতগুলি মেয়ে-পুরুষ অদ্ভুত এক আচাভুয়ো বাজনার সঙ্গে তালে-তালে পা ফেলে বিচিত্র ভঙ্গিতে নাচ দেখাচ্ছিলো তাকে। জোও একটু কপার ভঙ্গিতে তাদের দিকে তাকিয়ে তাদের ধন্য করছিলো, লোকজনেরা জো-র কাছে হরেক রকম জিনিশপত্র এনে উপচার হিশেবে হাজিরও করছিলো।

    অবস্থা যখন এইরকম জমকালো, হঠাৎ জো দেখতে পেলো ফার্গুসন খুব দ্রুত পায়ে বেলুনের দিকে এগিয়ে আসছেন, প্রায় দৌড়চ্ছেন বলা চলে, আর তার পেছনপেছন ভীষণ হৈ-চৈ করে একদল কালো মানুষ অনুসরণ করে আসছে, তাদের পুরোভাগে আছে সেই বিকট চেহারার ডাইনি-পুরুতেরা। জো-র মনে হলো তারা ভীষণ রাগে ফেটে পড়তে চাচ্ছে, বিশেষ করে পুরুৎগুলো তুলকালাম কাণ্ড শুরু করেছে, তাদের বিষম কোলাহলে কান পাতা দায়, তবে রাগের ভাব স্পষ্ট। ব্যাপার কী? অবাক হয়ে ভাবলে জো। আগেকার সেই ভক্তি ও বিনয় হঠাৎ মন্ত্রবলে উবে গিয়ে এই উগ্রচণ্ড রাগি মেজাজ এলো কেন? তাহলে কি যাকে তারা চাঁদের সন্তান ভেবে অনুনয় করে ডেকে নিয়ে গিয়েছিলো সেই ফার্গুসনের হাতে সুলতানের আকস্মিক মৃত্যু ঘটেছে? তাহলেই তো সর্বনাশ!

    প্রায় ছুটেই এলেন ফার্গুসন-উত্তেজনায় তার কপালের শিরা রক্তের তীব্র চাপে ফুলে উঠেছে, সারা মুখে ভয়ে ছাপ স্পষ্ট, চোখদুটো কেমন চক করে উঠেছে। সোজা তিনি ছুটে এলেন মইয়ের কাছে। হয়তা সংস্কারের প্রবলতা তখনও কায়েমি হয়ে ছিলো বলেই তাকে উপেক্ষা করে, জনতা তখনও তাকে কোনোরকম আঘাত করা থেকে বিরত থেকেছে। চট করে মই বেয়ে কার-এ উঠে এলেন, ফার্গুসন, আর তার উত্তেজিত ইশারায় জো-ও আর একমুহূর্ত সময় নষ্ট না-করে ক্ষিপ্র বিদ্যুতের মতো তার অনুসরণ করলে।

    আর একমুহূর্তও দেরি কোরো না। নিশ্বাস রোধ করে উত্তেজিত গলায় ফাণ্ডসন নির্দেশ দিলেন, নোঙর খোলবার সময় পর্যন্ত নেই, বরং দড়ি কেটে দাও তাড়াতাড়ি! শিগগির উড়ে যেতে হবে আমাদের।

    কী হয়েছে? ব্যাপার কী; খুলে বললা তো ফার্গুসন।

    ওই দ্যাখো, ওদিকে তাকিয়ে। আকাশের এক কোণের দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করলেন ফার্গুসন।

    চাঁদ! সমস্বরে বলে উঠলেন অন্য দু-জনে।

    দিগন্তের বেশ কিছুটা ওপরে মস্ত এক সোনালি চাঁদ ভেসে উঠেছে। সেই চাঁদ আর ভিক্টরিয়া উভয়ই আকাশে শোভা পাচ্ছে একসঙ্গে। হয় পৃথিবীতে দুটি চাঁদ আছে, নয়তো শাদা চামড়ার লোকগুলি শঠ প্রবঞ্চক ও প্রতারক, মোটেই দেবতা নয় এরা–এই ভাবটাই এখন সব লোকের মনে জেগে উঠেছে। তাই তারা রাগে, অবিশ্বাসে মারমুখো হয়ে উঠেছে।

    হো-হো করে না-হেসে থাকতে পারলেন না ডিক।

    কাজের লোকেরা যখন দেখলো যে ঐ শ্বেতাঙ্গ প্রতারকগুলো নকল চাঁদে করে পালিয়ে যাবার মৎলব আঁটছে, অমনি প্রবল স্বরে চ্যাঁচামেচি করে উঠলো। দুর্বোধ্য ভাষায় গালাগাল করতে-করতে বেলুন তাগ করে তীর ছুঁড়তে উদ্যত হলো তারা, কেউকেউ আবার কতগুলো চোখা বল্লম উঁচিয়ে ধরলে। কিন্তু একটি ডাইনি-পুরুৎ হাত তুলে তীরধনুক ব্যবহার করতে বারণ করলে জনতাকে। তারপর অসীম ক্ষিপ্রতায় সে গাছে ওপর উঠতে লাগলো : মনে-মনে সে মৎলব এঁটেছে যে নোঙরটা ধরে টেনে নিচে নামিয়ে নেবে এই নকল চঁাদ।

    কার থেকে কুড়ুল হাতে ঝুঁকে পড়লো জো। জিগেস করলে দড়ি কেটে দেবো?

    একটু রোসো। কিন্তু ওই ডাইনি-পুরুটা যে উঠে আসছে!

    আগে দেখাই যাক কী হয় না-হয়। হয়তো শেষ পর্যন্ত নোঙরটা বাঁচাতে পারবো আমরা, ফার্গুসন বললেন, না-হলে, শেষটায় লক্ষণ খারাপ বুঝলে, দড়ি কেটে দেয়া যাবে।

    ডাইনি-পুরুংটি ততক্ষণে ওপরে উঠে, এসে ডাল ভেঙে নোঙরটাকে মুক্ত করে ফেলেছে। যেই ডালটা ভেঙে গেলো, অমনি বেলুনের টানে আচমকা নোঙরটা উঠে গেলো ওপরে আর লোকটার পা তাতে আটকে গেলো, লোকটাকে নিয়েই বেলুন উঠে এলো আকাশে, তলায় লোকটা ঝুলতে লাগলো।

    নিচে যে-সব লোক এসে জমায়েৎ হয়েছিলো, তারা হতবাক হয়ে বিস্মিত চোখে দেখতে লাগলো, তাদের জাদু-জানা ঐন্দ্রজালিক পুরুৎ আকাশে ভেসে যাচ্ছে।

    চমৎকার হলো! উল্লাসে চেঁচিয়ে উঠলো জো।

    লোকটা বেশ আঁকড়ে ধরেছে দড়িটা, নইলে-কেনেডি বললেন, কখন তলায় পড়ে যেতো।

    লোকটাকে কি শূন্য থেকেই ফেলে দেবো? জো জিগেস করলে।

    ছিঃ! ফার্গুসন বললেন, আমরা খামকা একটা লোকের মৃত্যু ঘটাবো কেন? বরং ওকে আমরা নিরাপদেই মাটিতে নামিয়ে দেবো, যদিও তার ফলে অবশ্য ওর দলবলের সকলের কাছে ওর প্রতিপত্তি ও মাহাত্ম অনেক বেড়ে যাবে।

    ভিক্টরিয়া এর মধ্যেই প্রায় হাজার ফিট ওপরে উঠে এসে ভেসে যাচ্ছিলো। প্রাণপণে দড়িটা আঁকড়ে ধরেছিলো সেই ডাইনি-পুরুৎটি; ভয়ে-আতঙ্কে তার চোখদুটো কোটর থেকে যেন ঠেলে বেরুতে চাচ্ছে, মুখে টু শব্দটি পর্যন্ত নেই। এমনিভাবে বেলুন একটুক্ষণ পরে ধীরে-ধীরে শহরের সীমা ছাড়িয়ে এলো।

    প্রায় আধঘণ্টা বাদে ফার্গুসন যখন দেখলেন যে তারা অনেকদূর চলে এসেছেন, তখন তিনি চুল্লির উত্তাপ এমনভাবে কমিয়ে আনার ব্যবস্থা করলেন যাতে বেলুন সরাসরি মাটির দিকে নেমে আসে। বেলুন যখন প্রায় কুড়ি ফিট উপরে, সেই ডাইনি-পুরুৎটি হঠাৎ বুকের ভেতর সাহস পেলে; যথেষ্ট পরিমাণ ভরসা সঞ্চয় করে সে চট করে লাফিয়ে নামলে মাটিতে, তারপর কোনো দিকে না-তাকিয়ে কাজের দিকে তীরের বেগে ছুটে চলে গেলো।

    আর সেই মুহূর্তে হঠাৎ বেলুনটি হালকা হয়ে যাওয়ায় আবার তরতর করে ওপর দিকে উঠে যেতে লাগলো।

    ধীরে-ধীরে সন্ধ্যা নেমে এলো তার ঝাঁপসা আবছায়া নিয়ে, তারপর সেই আবছায়াকে আরো-পাৎলা করে দিয়ে ধীরে-ধীরে আকাশের এককোণায় শোভা পেতে লাগলো সোনালি, নিটোল, জ্বলজ্বলে চাদ।

    ওই দেখুন, চাঁদ যেন আজ অন্য দিনের চেয়েও অনেক বেশি জ্বলজ্বল করছে। জো বললে, বেশ দিব্যি জাঁকিয়ে বসেছিলুম চাঁদের পুত্র হিশেবে, কিন্তু ওই চাদই কিনা শেষটায় আমাদের এই নতুন পরিচয় ভেস্তে দিয়ে ফাস করে দিলে যে আমরা চাঁদের কেউ নই।

    এ-দেশের নাম কী, জানো? ফার্গুসন বললেন, এখানকার লোকেরা একে চাঁদের দেশ বলে। এখানকার বাসিন্দারা চিরকাল ধরে চাঁদের পুজো করে আসছে। তাছাড়া এ-দেশের মতো উর্বর দেশ আর-কোথাও সহজে মেলে না।

    এই জংলি দেশেই কেন প্রকৃতি এমন অকৃপণ, সে-কথা ভাবলে অবাক লাগে। কেনেডি বললেন।

    এই দেশই হয়তো একদিন সারা পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে সভ্য হয়ে উঠবে, সেই সম্ভাবনার কথাটাই বা তুমি ভাবছো না কেন? এমনও তো হতে পারে যে, ইয়োরোপে লোকসংখ্যা এত বেড়ে গেলো যে কিছুতেই আর কুলোয় না; তখন তো তারা বাধ্য হয়েই এ-দেশে বসবাস করতে চলে আসবে।

    কেনেডি জিগেস করলেন, তা-ই ভাবছে নাকি তুমি?

    হ্যাঁ, আমার তো অন্তত তা-ই ধারণা। ফার্গুসন বলে চললেন, মানুষের ইতিহাস খুঁটিয়ে দেখলে এই ঘটনাই দেখতে পাওয়া যায়। তার প্রাকৃতিক সম্পদ এত বেশি যে, তাই দিয়েই আফ্রিকা একদিন সকলকে টানবে। নানা কলকজা যন্ত্রপাতি নিয়ে ইয়োরোপ থেকে লোক আসবে, বাসযোগ্য করে তুলবে এই কালো বন আর পাহাড়ি শ্যামলতা, গড়ে উঠবে স্বাস্থ্যকর লোকালয়, নাব্য হয়ে উঠবে এর স্রোতস্বিনী, তারপর ধীরে-ধীরে হয়তো বিশাল এক সুসভ্য সাম্রাজ্য গড়ে উঠবে এখানে। কে জানে হয়তো এ-দেশ থেকেই বাষ্প আর বিদ্যুৎশক্তির আরো চমকপ্রদ ও বিস্ময়কর অনেক কিছু আবির্ভূত হবে।(১)

    আমি সেই শুভদিনের অপেক্ষায় রইলুম। কেনেডি বললেন।

    কিছুক্ষণের মধ্যেই পূর্ব-টাঙ্গানাইকা হ্রদ থেকে বেরিয়ে আসা মালালারাজি নদীস্রোতের কাছাকছি এসে পড়লো ভিক্টরিয়া। মন্ত-মন্ত লম্বা ঘাসে গোটা এলাকাটা ঢাকা, তারই মধ্য দিয়ে দলে-দলে বিশাল-কুঁজ-ওলা গোরুর দল চরে বেড়াচ্ছে। এই ঘাসের বন যেখানে গভীর, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে সেখানে মাঝে-মাঝে সিংহ, চিতাবাঘ, হায়েনা ও অন্যান্য হিংস্র জন্তুরা আত্মগোপন করে থাকে। মাঝে-মাঝে মটমট করে ডাল ভেঙে মস্ত পাহাড়ের মতো হাতির পালকে নেমে আসতে দেখা যায়।

    কী অপূর্ব শিকারের জায়গা। কেনেডি বলে উঠলেন।

    হঠাৎ সমস্ত প্রকৃতি যেন কীসের আশঙ্কায় স্তব্ধ থমথমে হয়ে গেলো। ঝড়ের পূর্বলক্ষণকে চিনে নিতে মোটেই দেরি হলো না ফার্গুসনের। চাঁদ ড়ুবিয়ে দিলে কালো মেঘ, অন্ধকার করে এলো সারা আকাশ। উসেণ্ডা নামক গ্রামের অগুনতি কুটিরগুলোর ঝাঁপসা-কালো অস্পষ্টতার অনেক ওপরে ভিক্টরিয়া নিশ্চল দাঁড়িয়ে রইলো।

    এমন সময় হঠাৎ তীক্ষ্ণ্ণ বাঁকা রেখায় আকাশকে শতখান করে চিরে দিলে বিদ্যুতের তীব্র বিষম বাঁকা রেখা, তারপরেই কানফাটা আওয়াজ করে আলো ফেটে পড়লো, গড়িয়ে গেলো এক গুমগুমে ভয়ানক ধ্বনি, চারদিক থরথর করে কেঁপে উঠলো।

    ওঠো, ওঠো—শিগগির উঠে পড়ো। ফার্গুসনের উত্তেজিত কণ্ঠস্বর শুনে চমকে ঘুম থেকে জেগে উঠলেন কেনেডি, জো-ও তড়াক করে লাফিয়ে উঠলো-পরবর্তী আদেশের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে রইলেন তারা। ঘুম তাড়াবার জন্য চোখ কচলাতে লাগলেন সজোরে।

    আমরা কি নিচে নামবো? কেনেডি জিগেস করলেন।

    না, তাহলে বেলুন ধ্বংস হয়ে যাবে, ফার্গুসন বললেন, বৃষ্টির আগে, প্রবল বাতাস শুরু হবার আগেই, আমাদের ওপরে উঠে যেতে হবে! এই বলে তিনি চুল্লির আগুন পুরোদমে চড়িয়ে দেবার ব্যবস্থা করলেন।

    উষ্ণ জঙ্গলের এই ঝড় যেমন নিমেষের মধ্যে তার প্রচণ্ডতা নিয়ে হাজির হয়, তেমনি তুলকালাম কাণ্ড বোধহয় আর-কোথাও হয় না। আবার চোখ ধাঁধিয়ে দিলে তীব্র এক বিদ্যুতের বাঁকা রেখা, যেন আকাশকে এফোঁড়-ওফোড় করে ছিঁড়ে ফেলতে চাচ্ছে সে, তারপর ছোটো-বড়ো অসংখ্য বিদ্যুৎ থেকে-থেকে চমকে উঠলো, যেন সারা আকাশ বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গেছে। আর তার সঙ্গে তাল রেখে নেমে এলো প্রবল বর্ষণ।

    বড্ড দেরি হয়ে গেলো আমাদের, ফার্গুসনের গলায় ত্রাস আর চিন্তার ছাপ সুস্পষ্ট, এখন এই বৈদ্যুতিক আকাশ ছুঁড়ে এই গ্যাস-ভর্তি বেলুন নিয়ে আমাদের উঠতে হবে। বুঝতে পারছো তো কী সাংঘাতিক অবস্থা— যে-কোনো মুহূর্তে আগুন লেগে সর্বনাশ হয়ে যেতে পারে।

    আরো-গনগনে করে তোলা হলো চুল্লির আগুন। বেলুন এমন তীব্রভাবে কেঁপে উঠলো, যেন ঝড় এসে তার ঝুঁটি ধরে নাড়াচ্ছে। বেলুনের চারপাশে যে-একটি আবরণ পরানো ছিলো তাতে অনেক বড়ো-বড়ো ফুটো হয়ে গেলো, আর হাওয়া এলো ভেতরে, ভীষণ আওয়াজ করে দাপাদাপি শুরু করে দিলে বাতাস, আর তার সঙ্গেই তাল বজায় রেখে বড়ো-বড়ো শিলাবৃষ্টি শুরু হয়ে গেলো বেলুনের গায়ে। কেনেডির মুখ শুকিয়ে এলো, ফার্গুসনের কপালেও চিন্তার রেখা দেখা গেলো, কেবল জো-র মুখ দেখে বোঝবার উপায় নেই সে ভয় পেয়েছে কি না। বিদ্যুতের তীব্র-নীল শিখা কুটি করে শাসাতে লাগলো চারদিকে, কিন্তু তবু এতসব সত্ত্বেও, সমস্ত বাধা ঠেলে বেলুন ওপরে উঠতে লাগলো।

    ঈশ্বর আমাদের রক্ষা করুন! ঝড়ের বাতাসের মধ্যে ফার্গুসনের ভেজা গলা করুণ শোনালো, নিচে পড়লে তেমন জোরে পড়বো না, এই ভরসা থাকলেও যে-কোনো বিপদের জন্যে আমাদের প্রস্তুত হয়ে থাকতে হবে।

    মৃত্যুর সঙ্গে প্রাণপণে যুঝতে-যুঝতে বেলুনটি যখন ঝোড়ো মেঘের ওপর উঠে এলো, তখন মাত্র পনেরো মিনিট কেটেছে। আগেও একবার উষ্ণ জঙ্গলের কালো ঝড়ের পাল্লায় পড়েছিলেন তারা, কিন্তু সেবার বিপদের আশঙ্কা তুলনামূলকভাবে অনেক কম ছিলো। ঝড়ের আওতার বাইরে চলে এসে বিদ্যুতের তীব্র বাদ-প্রতিবাদ সত্ত্বেও স্বস্তির নিশ্বাস ফেললেন তারা।

    সমস্ত ব্যাপারটাই অদ্ভুত! নিচে ভীষণ মেঘ তার কালিমা দিয়ে সারা পৃথিবীটাকে যেন চিরকালের জন্যে ঢেকে ফেলে দিতে চাচ্ছে, অথচ তার ওপর দিয়ে ভিক্টরিয়া ভেসে যাচ্ছে নিরাপদ ও অনুকুল হাওয়ায়। আকাশ, নিচের মেঘ, চাঁদের আলোয় ঝলমল করে উঠেছে। আর কত তারা ফুটে আছে এই ওপরে, ঝিকমিক! আশ্চর্য! অদ্ভুত মাথার ওপর তারা-আঁকা আকাশ, আর নিচে উম্মত্ত কােলা মেঘের প্রচণ্ড দাপাদাপি।

    এত সহজেই যে বিপদ থেকে বাঁচতে পেরেছি সেই জন্যে ঈশ্বরকে অনেব ধন্যবাদ! ফার্গুসন স্বস্তির নিশ্বাস ছাড়লেন। এখন প্রায় হাজার বারোশো ফিট ওপরে আছি আমরা, কাজেই আর-কোনো ভয় নেই।

    কেনেডি বললেন, তাজ্জব অভিজ্ঞতা হলো কিন্তু! যে-পরিস্থিতিতে পড়েছিলুম, এখন তার কথা ভাবতেই আশ্চর্য লাগছে।

    জো কেবল একবার চোখ তুলে তাকিয়ে ইঙ্গিতে সে কথায় সায় দিলে।

    ———
    ১. জুল ভের্ন তার এই ধারণাকে নিয়ে দ্য বারজাক মিশন নামে মস্ত একটি রহস্যময় উপন্যাস রচনা করেছিলেন, তাঁর মৃত্যুর পর সেটি প্রকাশিত হয়েছিলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }