Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প757 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.০৪ লৌহদানব বেহেমথ

    ১.০৪ লৌহদানব বেহেমথ

    পাঁচই মে সকালবেলায় কলকাতা থেকে চন্দননগর যাবার রাস্তায় হঠাৎ এক দৃশ্য দেখে সব লোকে একেবারে স্তম্ভিত হয়ে গেলো।

    সকালবেলায় ভারতের রাজধানীর রাস্তায় অদ্ভুত একটি শকট বেরুলো, যা দেখে চারপাশে কৌতূহলী ও বিস্মিত জনতার ভিড় জমে গিয়েছিলো। কারণ ওই শকটটি টেনে আনছিলো এক অতিকায় হাতি; অতিটি উচ্চতায় কুড়ি ফুট আর লম্বায় তিরিশ : তার চালচলনের মধ্যে এমন-একটা অদ্ভুত ভঙ্গি ছিলো যা দেখে রাস্তার লোকে একেবারে অবাক হয়ে গিয়েছিলো। তার শুঁড়টি বাঁকানো, আর শূন্যে-তোলা; মস্ত কাস্তের মতো তার দাঁত দুটি মুখ থেকে বেরিয়ে আছে; পিঠে জমকালো একটি হাওদা, অনেকটা কোনো স্তম্ভতলের মতে-মিনারের মতো ছাত তার, কাচের জানলা বসানো চারদিকে। আর এই হাতিটি দুটি আস্ত বাড়ি-না, চলন্ত বাংলো-টেনে নিয়ে আসছে-বাড়িগুলোর তলায় চারটে করে চাকা; চাকার তলার দিকটাই কেবল দেখা যায়, কারণ উপরের দিকটা শক্ত খোলে ঢাকা। দুটো বাংলোই শেকল দিয়ে এমনভাবে আটকানো যাতে চলার সময় কোনো অসুবিধেই না-হয়। কিন্তু কেমন করে একটা মাত্র হাতি অনায়াসে অমন দুটো বাংলো টেনে নিয়ে যাচ্ছে? তাজ্জব ব্যাপার! কলের মতো পা ফেলে-ফেলে সে আসছিলো প্রথমে, একটু পরেই গতি আরেকটু বৃদ্ধি পেলো—কিন্তু কোথাও কোনো মাহুত দেখা গেলো না, অঙ্কুশের কোনো বালাই-ই নেই যেন।

    মাঝে-মাঝে গর্জে উঠছে হাতিটা, ভারতীয় অরণ্যে যে-বৃংহিত প্রায়ই শোনা যায়। আর একটু পরে-পরেই শুঁড়ের ভিতর থেকে ভলকে-ভলকে বেরিয়ে আসছে কালো ধোঁয়া। অথচ, তবু এটা নাকি হাতি। সবুজ-কালো রঙের আঙ্গুরের তলায় ইস্পাতের কাঠামোটা ঢাকা, চোখ দুটো—আসলে দুটি বাতি–সত্যিকার চোখের মতো। আর যেখানে তার হৃৎপিণ্ড থাকার কথা সেখানে রয়েছে স্টীম এঞ্জিন।

    অর্থাৎ এটাই সেই চলন্ত বাড়ি–ব্যাঙ্কস তার প্রতিশ্রুতি রেখেছে।

    প্রথম বাড়িটায় রয়েছি আমরা-কর্নেল মানরো, ক্যাপ্টেন হুড, ব্যাঙ্কস আর আমি। আর দ্বিতীয়টায় ভৃত্যমহল-সার্জেন্ট ম্যাক-নীলের তত্ত্বাবধানে। ব্যাঙ্কস তার কথা রাখতেই মানরোও তার প্রতিশ্রুতি রাখলেন, আর তাই কলকাতার রাস্তায় এই অদ্ভুত বাড়িটা পাঁচই মে সকালবেলায় ভ্যাপসা গরমের মধ্যে বেরিয়ে পড়েছে।

    কিন্তু, তাই বলে স্টীম এঞ্জিনটা হাতির মতো দেখতে হলো কেন? চতুষ্পদ কোনো শকটের কথা কেউ কখনও ভেবেছিলো? সত্যি-বলতে, প্রথম দেখে আমরাও সবাই তাজ্জব হয়ে গিয়েছিলুম। শেষকালে ব্যাঙ্কসের কথায় সব পরিষ্কার হয়ে গেলো।

    তোমরা কেউ ভূটানের রাজাকে চেনো? ব্যাঙ্কস বলেছিলো আমাদের।

    আমি চিনি, বলেছিলো হুড, বরং বলা ভালো, চিনতুম—কারণ দু-মাস আগে রাজা মারা গেছেন।

    মরবার আগে রাজা বেঁচে ছিলেন—বেঁচে ছিলেন মানে অন্য-সকলের চেয়ে আলাদাভাবে বেঁচে ছিলেন। জাকজমক ভালোবাসতেন রাজা, লোককে জাকজমক দেখাতে ভালোবাসতেন। কোনো মর্জি হলে তক্ষুনি তা পূর্ণ করা চাই—তার জন্যে যত টাকা লাগে, লাগুক। অদ্ভুত সব পরিকল্পনা খেলতো তার মাথায়-রাজকোষে অঢেল অর্থ না-থাকলে কবেই সেজন্যে তাকে ফতুর হয়ে যেতে হতো কে জানে! একদিন তার মাথায় হঠাৎ একটা অদ্ভুত গাড়ির কথা খেলে গেলো–সেটা নাকি দেখতে হবে হাতির মতো। সঙ্গে সঙ্গে তার একটা কাল্পনিক ছবি এঁকে আমার উপর সেটা বানাবার ভার দিয়ে দিলেন। বানানো হলো ইস্পাতের একটি কাঠামো, হুবহু হাতির মতো দেখতে–তার ভিতরে বয়লার, কলকজা ও ট্র্যাকশন-এঞ্জিনের যাবতীয় যন্ত্রপাতি বসালুম আমি। হাতির শুঁড়টা ইচ্ছেমতো বোম টিপে ওঠানো-নামানো যায়-সেটা হলো চিমনিপায়ের তলায় চাকা বসানো, আর স্টিয়ারিং-এর সঙ্গে সেগুলোর যোগ রইলো; চোখে রইলো বৈদ্যুতিক মশালের ব্যবস্থা-বাস, হস্তিগাড়ি বানানো সম্পূর্ণ হয়ে গেলো। ভেবো

    যে চট করে বানাতে পেরেছিলুম আমি—কাজটা অত সহজ নয়; প্রথমত প্ল্যানটা আমার ছিলো না, ছিলো এক খেয়ালি রাজার-তাই তার মর্জিমতো বানাতে গিয়ে নানা মুশকিলে পড়তে হয়েছিলো আমাকে। এই অতিকায় খেলনাটির জন্যে কত রাত যে নিঘুম কেটেছে, তার ঠিক নেই। রাজাও এত অস্থির হয়ে উঠেছিলেন যে দিনের মধ্যে বেশির ভাগ সময়ই আমার কারখানায় এসে কাণ্ড দেখতেন। কিন্তু কাজটা একেবারে সম্পূর্ণ হবার আগেই তিনি মারা গেলেন—নিজের আবিষ্কারটা আর ব্যবহার করতে পারলেন না। তার বংশধররা আবার তেমন খেয়ালি নয়, তার উপর কুসংস্কারে ভরা, তারা গাড়িটাকে ভাবলে কোনো পাগলের প্রলাপ, বিভ্রম। তারা গাড়িটাকে বেচে দিতে পারলে বাঁচে। তাই আমি নামমাত্র দামে কর্নেল মানবোর টাকায় এটা কিনে নিলুম। এখন এই রইলো চলন্ত বাড়ি বা হস্তিগাড়ি তোমাদের তাবে-আশি অশ্বশক্তি এঞ্জিনটার-আশি হস্তিশক্তির কথা না-হয় না-ই তুললাম।

    শাবাশ, ব্যাঙ্কস, তুখোড়! বাহবা! হুড তারিফ করে উঠেছিলো, আমাদের মধ্যে এমন-একজন এঞ্জিনিয়ার আছে যে আসলে আবার শিল্পীও-যে আসলে লোহা আর ইস্পাতের কবিই বরং—তা কে জানতো!

    রাজার মৃত্যুর পর গাড়িটা যখন আমার অধীনে এলো, তখন কেন যেন হাতিটাকে ধ্বংস করে ফেলার মতো বুকের জোর পাইনি। তাই গাড়িটাকে আমি কোনো সাধারণ চেহারা দিইনি।

    ঠিকই করেছো! কী চমৎকার হবে ভাবো তো, হুড সোল্লাসে বলেছিলো, যখন আমাদের হাতি নেপালের জঙ্গলে ধুপ-ধুপ পা ফেলে যাবে—সত্যি, রাজা ছাড়া এমন ভাব কারু মাথায় আসে।

    তক্ষুনি আমাদের অভিযানের ছক কেটে ফেলা হয়েছিলো—ঠিক হয়েছিলো পাঁচই মে আমরা ভারত ভ্রমণে বেরিয়ে পড়বে।

    এই ফাঁকে ব্যাঙ্কসের চলন্ত বাড়ির কলকজার কথা সংক্ষেপে সেরে নিই। তার পেটের মধ্যেই গাড়ির সব যন্ত্রপাতি পোরা হয়েছে—সিলিণ্ডার, পিস্টন, পাম্প, বয়লার–সবকিছু। পিছনের দিকে রয়েছে জল আর জ্বালানি। বয়লার আর জ্বালানি-খুপরির মাঝখানের জায়গাটিতে রয়েছে জ্বালানিকে অগ্নিকুণ্ডে ফেলার জন্য একটি জ্বালানিবাহী যন্ত্র। বয়লার আর জ্বালানি-খুপরি বসানো সেরা জাতের ইস্পাতের স্পিঙের উপর, যাতে বন্ধুর রাস্তাতেও তাদের উপর বেশি চোট না-পড়ে। চাকাগুলো নিরেট; যাতে পিছলে না-যায়, সেই জন্যে যথেষ্ট সাবধানে বানানো হয়েছে। এঞ্জিনের ক্ষমতা যদিও স্বাভাবিক ক্ষেত্রে আশি অশ্বশক্তি—কিন্তু প্রয়োজন হলে তাকে বাড়িয়ে দেড়শো অশ্বশক্তিতে নিয়ে গেলেও বিস্ফোরণের বা বয়লার ফেটে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। আর সব কলকজার বাইরে ইস্পাতের ঢাকনা বসানোযাতে রাস্তার ধুলোবালি ভিতরে ঢুকতে না-পারে।

    বাড়িগুলো প্যাগোড়ার মতো দেখতে, মিনার নেই—কিন্তু গম্বুজের গায়ে নানা কাজ করা। সামনে পিছনে প্রশস্ত বারান্দা রয়েছে। দেখে মনে হয় যেন শোনগড়ের প্যাগোড়াই হঠাৎ পা গজিয়ে চলতে শুরু করে দিয়েছে। এই সঙ্গে এ-কথা বলাও ভালো যে এই আশ্চর্য বাড়িটা আবার জলেও ভাসতে পারে। কারণ বাড়িগুলোর নিচের দিক হালকা একটা ইস্পাতের নৌকোর মতো তৈরি—আর হাতির পেটে স্টীমারের যন্ত্রপাতিও ঢোকানো হয়েছে। হাতির পাগুলো যেন স্টীমারের চাকা—; ফলে ভারতের মতো বিচিত্র দেশে বেড়াবার পক্ষে জলে-ডাঙায় সমানভাবে চলে এমনি একটা উভচর গাড়ি পেয়ে আমরা সবাই উৎফুল্ল হয়ে উঠলুম। ভূটানের রাজাকে ধন্যবাদ, কারণ কোনো খেয়ালি কবি ছাড়া এমন যানের কথা আর কার মাথায় আসতো? বাংলো দুটি মাত্র আঠারো ফিট প্রশস্ততাই তেমন একটা জায়গা জুড়ে যাবে না। ভিতরটা ইওরোপীয় কেতায় সাজানো; যাতে কারু বিন্দুমাত্র অসুবিধে না-হয়, ব্যাঙ্কস সেদিকে সবসময় সজাগ লক্ষ রেখেছিলো।

     

    কলকাতায় এসে আমি উঠেছিলুম স্পেনসার হোটেলে—সেটাই নাকি কলকাতার সবচেয়ে ভালো হোটেল। পাঁচই মে সকালবেলা হোটেল ছেড়ে বেরিয়ে পড়লুম আমি। ততদিনে কলকাতা আমার বেশ চেনা হয়ে গেছে। সকালবেলায় বেড়াতে বেরুতুম, সন্ধেবেলায় স্ট্রাওে গঙ্গার হাওয়া খেতুম—দুপুরবেলাটা অবশ্য গরমে কাহিল হয়ে পড়তে হতো। এসপ্লানেড, গড়ের মাঠ, ফোর্ট উইলিয়াম, গঙ্গার ধারে শ্মশানঘাট, কলকাতার হাটবাজার, হুডার সাহেবের শ্রেষ্ঠ কীর্তি বটানিক্যাল গার্ডেন, কালীঘাটের মন্দির, চৌরঙ্গির অদ্ভুত বাড়িগুলো, লাটসাহেবের বাড়ি, টাউন হল, হুগলির ইমামবাড়া, খিদিরপুর ডক–কিছুই আমি দেখতে বাকি রাখিনি!

    হোটেল থেকে বেরিয়ে পাল্কিগাড়িতে করে কর্নেল মানরোর বাংলোয় গিয়ে হাজির হয়ে দেখি ক্যাপ্টেন হুডের তুলকালাম ফুর্তির আর শেষ নেই। শেষকালে যে কর্নেল মানররা তার নির্জনবাস ছেড়ে সঙ্গে যেতে রাজি হয়েছেন, এই আনন্দেই সে আটখানা।

    টং করে যাবার ঘণ্টা পড়লো। স্টীম চাপাননা হয়েছে পূর্ণ মাত্রায়। এঞ্জিনচালক বসে আছে তার আসনে, রেগুলেটরে হাত দিয়ে। তীব্র সুরে বাঁশি বেজে উঠলো এঞ্জিনের।

    চলো, বেহেমথ, চলো! হাত নেড়ে চেঁচিয়ে বললে ক্যাপ্টেন হুড।

    আর সত্যি, বেহেমথ ছাড়া আর কী-ই বা নাম হতে পারে এই আশ্চর্য শকটের। বেহেমথ কথাটা হিব্রু থেকে নেয়া, আর হিব্রুরা শব্দটা ধার করেছে মিশরি পেহেমেউ কথা থেকে, যার মানে হলো অতিকায় জলহস্তী।

    আমাদের এঞ্জিনচালকের নাম স্টর; বয়েস ৪০ হবে; স্টর একজন ইংরেজ, কয়েক মাস আগেও সে গ্রেট সাদার্ন রেলপথে কাজ করতো-ব্যাঙ্কস তাকে অত্যন্ত চালাক চতুর ও কর্মঠ দেখেই বেহেমথের চালক হিশেবে নিযুক্ত করেছিলো। ফায়ারম্যানের নাম কালু, আসলে সাঁওতাল—ধকল আর তাপ সইতে পারে বলে রেল কম্পানিতে তারা ফায়ারম্যানের কাজ পায়, লোহিত সাগরে যেমন আরবরা স্টীমারের কয়লা জোগানোর চাকরি নেয়। তা ছাড়া গৌমি নামে কর্নেল মানরোর এক গুখা ভৃত্য ছিলো। বেঁটে-খাটো, ক্ষিপ্র, চটপটে আর বিশ্বস্ত-আগে গুর্খা রাইফেলসের সেপাই ছিলো— এখনও পলটনি উর্দি গা থেকে নামায়নি;-ম্যাক-নীলের মতো গৌমিও মানরোর অত্যন্ত বিশ্বাসভাজন। ক্যাপ্টেন হুডেরও এক বিশ্বস্ত অনুচর ছিলো—ফক্স নামে এক অল্পবয়েসী ইংরেজ, প্রাণখোলা আর চটপটে—সবদিক থেকেই তারুণ্যে ভরপুর। হুডের মতো, সেও খুব ভালো শিকারী—সেই জন্যেই হুডের সে এত ভক্ত। হুডের সঙ্গে অনেকবার শিকারে গেছে সে এ-পর্যন্ত সে বাঘ মেরেছে সাঁইত্রিশটি, আর ইড মেরেছে তার চেয়ে মাত্র তিনটি বেশি। এছাড়া ছিলো একটি নিগ্রো বাবুর্চি-নিকষ নিগ্রো ঠিক নয়, দোআঁশলা, ফরাশি রক্তও আছে তার ধমনীতে-নাম সিয় পারাজার। ভালো রান্না করতে পারে বলে তার গর্বের আর শেষ নেই।

    সবমিলিয়ে আমাদের বাহিনীর সদস্য দশজন : সার এডওয়ার্ড মানরো, ব্যাঙ্কস, হুড, আমি—মোক্লের, ম্যাক-নীল, স্টর, কালু, গৌমি, ফক্স আর মঁসিয় পারাজার। ফ্যান আর নাইজার নামের শিকারি কুকুর দুটির কথাও অবিশ্যি উল্লেখ করা উচিত—তাদের যথাযথ স্বীকৃতি না-দিলে হুড আবার রেগে উঠবে।

    হুগলি নদীর বাম তীর ধরে এগিয়ে যাচ্ছিলো বেহেমথ। হুগলি গঙ্গার পশ্চিম দিকের শাখা। গঙ্গা আসলে অদ্ভুত নদী : সমস্ত উত্তরাপথের সমৃদ্ধির উৎস সে, কিন্তু হুডের মতে এমন খেয়ালি, বদমেজাজি ও পাগল নদী নাকি খুব কম আছে-কখন যে দিক বদলাবে-কোথায় যে তার নতুন শাখা বেরুবে, তা নাকি কেউ বুঝতে পারে না। আগে নাকি রাজমহল আর গৌড়-দুই-ই ছিলো গঙ্গার তীরে, অথচ এখন তারা জলের অভাবে নাকি শুকিয়ে মরে।

    শুনে বললুম, তাহলে তো কলকাতার কপালেও অনেক দুঃখ আছে!

    কে জানে–হুড বললে।

    না, না, ব্যাঙ্কস বললে, আজকাল আর ও-সব হবে না। আমরা এঞ্জিনিয়াররা আছি কী করতে-খাল কেটে সর্বত্র জল নিয়ে যাবো!

    হুড কিন্তু ততক্ষণে নিজের বিষয় পেড়ে ফেলেছে, বাংলা দেশের নদীর কথা বলতেই আমার সুন্দরবনের কথা মনে পড়ে যায়। আহা, রোদে পিঠ দিয়ে কুমিরগুলো কেমন শুয়ে আছে চড়ায়। আর কী সুন্দর বাঘ : রাজার মতো–তেমনি অহংকারী, উদ্ধত আর মেজাজি!

    আমাদের সব কথা হচ্ছিলো চলন্ত বেহেমথের খাবার-ঘরে বসে; ছোটোহাজরি সেরেছি আমরা একটু আগে-ফক্স দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে খাবার টেবিল সাফ করছে তখন।

    ফক্স! হুড ডাক দিলে।

    বলুন, ক্যাপ্টেন!

    সুন্দরবনেই তো তুমি সাঁইত্রিশ নম্বরটাকে মেরেছিলে!

    হ্যাঁ ক্যাপ্টেন-ক্যানিং থেকে দু-মাইল দূরে। সেদিন সন্ধেবেলায়–

    বাস, বাস্, তাহলেই হবে। সাঁইত্রিশ নম্বরের সব কথাই আমি জানি। তোমার আটত্রিশ নম্বরটির ইতিহাস জানবার জন্যই আমার কৌতূহল জাগছে।

    আটত্রিশ নম্বরটি তো এখনও মারিনি, ক্যাপ্টেন?

    মারোনি, কিন্তু একদিন মারবে তো। সেদিন আমিও আমার একচল্লিশ নম্বরটিকে শিকার করবো, ফক্স।

    লক্ষ করার বিষয় হুড বা ফক্স-কেউ এর মধ্যে একবারও বাঘ কথাটি উচ্চারণ করলে না। দরকারই বা কী? নম্বর দিয়ে বললেই তারা পরস্পরের কথা বুঝে নিতে পারে।

    একটা নাগাদ বেহেমথ চন্দননগর পৌঁছুলো। সারা বাংলা দেশে এই জায়গাটাই কেবল ফরাশিদের সম্পত্তি এখন। এককালে খুবই সমৃদ্ধ ছিলো, এখন চারধারে কেবল ক্ষয়েরই চিহ্ন। লোকজনও তেমন নেই। এলাহাবাদের রেলপথ এখান দিয়ে গেলে হয়তো আবার শহরটা একটু জীবন্ত হতো। কিন্তু ফরাশি অঞ্চল বলে রেলপথ পাতা হয়েছে ঘুরিয়ে–চন্দননগরের বাইরে দিয়ে।

    আমরা ঠিক চন্দননগরের ভিতরে ঢুকিনি। শহরের তিন মাইল দূরেই আস্তানা গেড়েছিলুম। এর পরে দু-দিন ধরে একটানা চললে আমরা বর্ধমান পৌঁছুবো—তাই এখানে একটু বিশ্রাম করে নেবার পরিকল্পনা ছিলো।

    মে মাসের নয় তারিখে বর্ধমানের প্রধান তোরণের কাছে পৌঁছুলুম আমরা; সেই দিনটা বর্ধমানের যাবতীয় দ্রষ্টব্য স্থান দেখে নিয়ে পরদিন রামগড়ের উদ্দেশে রওনা হয়ে পড়লুম। এই পথ দিয়ে যাবার ফলে আমরা অবশ্য মুর্শিদাবাদ, মুঙ্গের কি পাটনা দেখতে পেলুম না, কিন্তু বারাণসীর উদ্দেশে রায়গড় হয়ে গেলেই তাড়াতাড়ি পৌঁছুবো বলে আমরা এই পথ দিয়ে যাচ্ছিলুম।

    পনেরোই মে আমরা রামগড় পেরিয়ে গেলুম-আঠারোই মে ছোেট্ট শহর চিত্রায় থামলো বেহেমথ।

    পথে তেমন-কোনো উল্লেখযোগ্য ঘটনাই ঘটেনি। গরম ছিলো প্রচণ্ড, কাজেই ছায়ায়-ছায়ায় দিবানিদ্রার চেয়ে আরামপ্রদ আর কী ছিলো! সন্ধেবেলায় গরম কমলে আমরা সবাই মিলে আড্ডা দিতুম—কেবল কর্নেল মানরো আর সার্জেন্ট ম্যাক-নীল আমাদের আলোচনায় যোগ দিতেন না–চুপ করে বসে-বসে কী যেন ভাবতেন। হয়তো বেহেমথ ক্রমশ বিদ্রোহের ঘটনাস্থলের দিকে এগুচ্ছে বলেই স্মৃতি জেগে-ওঠার ফলে কর্নেল মানরো অমন গুম মেরে গেছেন। কে জানে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }