Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প757 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৯. দুরবিনের ফুটোয় চোখ রেখে

    দুরবিনের ফুটোয় চোখ রেখে হঠাৎ একসময়ে কেনেডি চেঁচিয়ে উঠলেন, আরে! ঐযে, দূরে, কতগুলো ঘোড়সোয়ার ছুটে চলেছে বলে মনে হচ্ছে! অবশ্য ভীষণ ধূলো উড়ছে, তাই ভালো করে সঠিক কিছুই বুঝতে পারছি না।

    ফার্গুসন সেদিকে দুরবিন ঘুরিয়ে নিলেন : ঘোড়সোয়ার বলেই তো মনে হচ্ছে। তবে অনেক দূরে রয়েছে বলে ঠিকঠাক চেনা যাচ্ছে না, কেবল কালো কতগুলো চলন্ত ফুটকিই চোখে পড়ছে।

    আমি নজর রাখছি। খুব অবাক লাগছে আমার। হয়তো কোনো অশ্বারোহী সেনাবাহিনী চলেছে।

    তোমার আন্দাজই সম্ভবত ঠিক। ওরা নির্ঘাৎ কোনো আরব ঘোড়সোয়ার বাহিনী। আমরা যেদিকে যাচ্ছি, ওরাও সেই দিকেই যাচ্ছে। অবশ্য ওদের চেয়ে অনেক তাড়াতাড়ি যাচ্ছে আমাদের বেলুন, কাজেই কিছুক্ষণের মধ্যেই ওদের কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছুবো। তখন না-হয় ভেবে দেখা যাবে, আমাদের কী করা উচিত।

    ঠিকই ধরেছো তুমি। কেনেডি কিছুক্ষণ ভালো ভাবে দেখে নিয়ে বললেন, আরব সওয়ারদের বাহিনী বলেই মনে হচ্ছে! কী জোরে ছুটছে, দেখেছো? ঠিক তীরের মতো। জনা-পঞ্চাশেক হবে সংখ্যায়। সার বেঁধে চলেছে সবাই মিলে। দলের সর্দারটি প্রায় শো-খানেক গজ আগে-আগে যাচ্ছে।

    ওদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। দরকার বুঝলে এখানেই বেলুন নামাবার ব্যবস্থা করবো। তুমি কী বলে?

    ভারি আশ্চর্য তো? কেনেডি দুরবিনের ফুটোয় চোখ রেখেই বিস্মিত স্বরে বলে উঠলেন, বড়ো অদ্ভুত লাগছে আমার—ব্যাপারটা ঠিক বুঝতে পারছি না। ওদের গতিবেগ, চলার ভঙ্গি আর বিশৃঙ্খল অবস্থা দেখে তো নেহাৎ সাধারণ কোনো রুটিন কুচকাওয়াজ বলে মনে হচ্ছে না। এ যেন কাউকে তাড়া করে নিয়ে চলেছে ওরা। ফার্গুসন, আমার কিন্তু কী রকম লাগছে! আরো স্পষ্ট না-দেখে বেলুন নামানো বোধহয় উচিত হবে না।

    তুমি ঠিক দেখেছো তো?

    নিশ্চয়ই! উঁহু, ফার্গুসন, আমার আন্দাজ মোটেই ভুল হয়নি। সত্যিই কাউকে ভীষণভাবে তাড়া করে যাচ্ছে ওরা। সামনের ঐ লোকটা সর্দার নয়—ওকেই ধরবার জন্যে ছুটেছে। ক্রমেই তার সঙ্গে ওদর দূরত্ব কমে আসছে। একজন লোককে ধরবার জন্যে আস্ত একটা বাহিনী! কী ব্যাপার বুঝতে পারছি না তো! সবকিছু তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে আমার কাছে! খুব রহস্যময় বলে মনে হচ্ছে!

    বেলুন আরো কাছে এগিয়ে এলো। প্রচণ্ড বেগে ছুটে চলেছে ঘোড়সোয়ারেরা।

    হঠাৎ কেনেডি বিস্ময়ের স্বরে চীৎকার করে উঠলেন, ফার্গুসন! এ কী দেখছি।

    বন্ধুর গলার স্বর শুনে ফার্গুসন আঁৎকে উঠলেন। কী? কী হলো?

    এ কি স্বপ্ন, না মায়া, না মতিভ্রম? কী ব্যাপার?

    এ-যে জো! দুরবিনে স্থির দৃষ্টি রেখে কেনেডি বলে উঠলেন, জো-কেই এই আরবরা তাড়া করে নিয়ে যাচ্ছে! ক্রমেই ব্যবধান কমে যাচ্ছে তাদের সঙ্গে!

    দেখি! দেখি! বলে ফার্গুসন দুরবিন তুলে নিলেন।

    আরে! সত্যিই তো!

    ও আমাদের দেখতে পায়নি।

    এক্ষুনি আমি সব ব্যবস্থা করছি। এই বলে ফার্গুসন চুল্লির আগুন কমিয়ে দিলেন। কয়েক মিনিটের মধ্যেই আমরা ওর ঠিক মাথার ওপর গিয়ে পৌঁছে যাবো।

    বেলুন ক্রমে নিচে নেমে আসছে। আরব-বেদুইনদের বেলেল্লা চীৎকার শোনা যাচ্ছে। বেলুন থেকে। বিকট গলায় চাচাতোচাতে জোর পশ্চাদ্ধাবন করছে তারা, তাদের পিছনে যে বেলুন এসে গেছে তা তাদের নজরে পড়েনি। প্রায় পাঁচশো গজের মধ্যে এসে পড়েছে ভিক্টরিয়া।

    আমি বন্দুক তুলে ফাঁকা আওয়াজ করছি, কেনেডি বললেন, তাহলেই ও ফিরে তাকিয়ে আমাদের দেখতে পাবে।

    আরবদের সঙ্গে জো-র দুরত্ব আরো অনেক কমে গিয়েছে। ছুটতে ছুটতেই একজন আরব তাকে লক্ষ্য করে বল্লম উঁচোলো। কেনেডি আর দেরি করলেন না। তক্ষুনি তার অবার্থ নিশানায় গুলি ছুঁড়লেন; পলকের মধ্যে আরবটি ঘোড়া থেকে ছিটকে ডিগবাজি খেয়ে পড়ে গেলো। জো কিন্তু বন্দুকের আওয়াজ শুনেও ফিরে তাকালো না, কোনো দৃকপাত না-করেই সামনের দিকে ঘোড়া ছুটিয়ে চলতে লাগলো।

    কেনেডির বন্দুক অবশ্য আরেকবার অগ্নিবর্ষণ করলো। আরেকজন আরব ঘোড়া থেকে পড়ে গেলো, আর কয়েকজন আবার হঠাৎ থেমে গিয়ে চটপট মাটিতে নেমে পড়লো-বোধকরি সঙ্গীদের অবস্থা দেখার জন্যে : বাকিরা কোনো দিকে দৃপাত নাকরে সোজা জো-র পেছন পেছন ছুটে গেলো। ব্যাপার কী বলো তো? জো থামছে না কেন?

    না-থেমে ভালোই করেছে। ঠিক বেলুনের গতিপথ ধরেই এগিয়ে যাচ্ছে ও, নিশ্চয়ই আমাদের ভরসাতেই আছে। শাবাশ জোর দ্যাখোনা, আমি গিয়ে ওকে একেবারে আরবদের নাকের ডগা থেকে তুলে নিয়ে আসবে। আমরা আর অল্পই পেছনে আছি। একটু সবুর।

    কিন্তু এই সময়টুকু আমরা কী করবো?

    তুমি বরং বন্দুকটা রেখে দিয়ে এক কাজ করো।পাউণ্ড-পঞ্চাশেক ওজনের একটা কোনো বস্ত্র তুলে ধরতে পারবে তুমি?

    নিশ্চয়ই। তার চেয়ে ঢের বেশি ওজন তুলতে পারি আমি।

    ঠিক আছে। ফাণ্ডসন একটা পাথর-ভরা বস্ত তুলে দিলেন কেনেডির হাতে। এটা নিয়ে তুমি তৈরি হয়ে থাকো। যেই আমি ইঙ্গিত করবে, অমনি ওটাকে ফেলে দিতে হবে। কিন্তু খুব সাবধান, আমার নির্দেশ না-পাওয়া অব্দি কিছুতেই ফেলে না

    যেন তাহলে মুশকিল হবে।

    ঠিক আছে। তুমি যেমন বলবে, তা-ই হবে। ভিক্টরিয়া ততক্ষণে আরব ঘোড়সায়ারদের মাথার ওপর এসে পড়েছে। ফার্গুসন দোলনার সামনের দিকে এসে দাঁড়ালেন, হাতে তার দড়ির মই, সময়মতো ওটাকে ছুঁড়ে দেবেন জো-র কাছে। জো তখন আরবদের কাছ থেকে প্রায় পঞ্চাশ ফিট দূরে, পুরো কদমে তার ঘোড়া ছুটছে। ধুলো উড়িয়ে, তুমুল টগবগ আওয়াজ করে। ভিক্টরিয়া আরব বেদুইনদের ছাড়িয়ে চলে এলো।

    ফার্গুসন তার বন্ধুকে জিগেস করলেন, তৈরি তো?

    হ্যাঁ, আমি প্রস্তুত হয়ে আছি।

    জো! জো! ওপরে তাকিয়ে দ্যাখো, এই বলে গলার জোরে চেঁচিয়ে উঠলেন ফার্গুসন, সেইসঙ্গে দড়ির মইটা তিনি ফেলে দিলেন নিচে, মাটি পর্যন্ত নেমে গেলো সেটা।

    ফার্গুসনের গলা শুনে ঘোড়ার গতি না-থামিয়েই পেছন দিকে ফিরে তাকিয়েছিলো জো। দড়ির মইটা কাছে আসতেই চক্ষের পলকে সেটা ধরে সে ঝুলে পড়লো, আর তেমনি ফার্গুসনের নির্দেশ অনুযায়ী পাথরভরা বস্তাটা কেনেডি ফেলে দিলেন। ভার কমে ওয়ায় তৎক্ষণাৎ এক ঝটকায় প্রায় দেড়শো ফিট ওপরে উঠে গেলো ভিক্টরিয়া।

    কঠিন, আঁটো হাতে দড়ির মই ধরে ঝুলে রইলো জো। ঝাঁকুনিতে তখন সেটা ভীষণভাবে দুলছিলো, একটু যদি ফসকে যায় বা কোনোরকমে মুঠো আলগা হয়ে যায়, তাহলে,আর রক্ষে নেই। শ্বাস রোধ করে জোর কাণ্ড দেখতে লাগলেন তাঁরা। জোর কপালের শিরাগুলি তখন রক্তচাপে প্রবলভাবে ফুলে উঠেছে, অস্বাভাবিক এক দীপ্তিতে তার চোখ জ্বলে উঠেছে, ক্রমশ যেন ইন্দ্রিয়গুলির ওপর থেকে সে অধিকার হারিয়ে ফেলছে। আর তারই সঙ্গে মানিয়েই যেন নিচের আরবদের চঁচামেচিতে সে কিছুই শুনতে পাচ্ছিলো না, এমনকী হাওয়ার শব্দও তার কানে পৌঁছুচ্ছিলো না। সার্কাসের ওস্তাদ খেলোয়াড়ের মতো অদ্ভুত কৌশলে তরতর করে সে অল্পক্ষণের মধ্যেই দোলনায় উঠে এলো।

    দোলনায় পা দিতেই দুই বন্ধু তাকে জড়িয়ে ধরলেন। নিচে বেদুইনদের ক্রুদ্ধ শোরগোল তখন চরমে পৌঁছেছে, কিন্তু বেলুন যত দূরে সরে যেতে লাগলো–সেই আওয়াজও একটু-একটু করে মিলিয়ে যেতে লাগলো।

    প্রভু! মিস্টার কেনেডি! কেবল এই দুটি কথা বলেই জো অজ্ঞান হয়ে পড়লো। তার শরীরে আর একটুও ক্ষমতা ছিলো না। আফ্রিকার উষ্ণ শুকনো হাওয়া সব যেন শুষে নিয়েছে। উত্তেজনা আর অবসাদ যেন পাকে-পাকে পেঁচিয়ে ধরছে তাকে। শরীরের নানা জায়গায় ছোটো-বড়ো কত যে ক্ষত। সে-সব থেকে রক্ত পড়ছে চুঁইয়ে। ফার্গুসন তাড়াতাড়ি তাতে নানারকম ওষুধ লাগিয়ে পট্টি বেঁধে দিলেন। একটু পরেই জ্ঞান ফিরে এলো জো-র, মিনমিনে গলায় সে জল খেতে চাইলো। ঢকঢক কবে বোতন, ভর্তি জল নিঃশেষ খেয়ে সে অবসাদ আর ক্লান্তির ফলে ঘুমিয়ে পড়লো। বেলুন তখন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনার পশ্চিমভাগে। সেখানে, নীলগিরি পর্বতমালার একেবারে দুর্ভেদ্যগভীরে উঠেছে এক মস্ত চূড়া—যার নাম গ্রেট আইরি-ঈগলপাখির মস্ত বাসা। তার বিশাল বর্তুল আকৃতিটা কাটাওয়াবা নদীর তীরে ছোট্ট-যে শহর আছে, মরগ্যানটন নাম, সেখান থেকে স্পষ্ট চোখে পড়ে। আরো স্পষ্ট চোখে পড়ে যখন কেউ প্লেজেন্ট গার্ডেন গ্রামটার মধ্য দিয়ে গিয়ে পাহাড়টার দিকে এগিয়ে চলে যায়।

    আশপাশের অঞ্চলের লোকে কেন-যে এই পাহাড়চূড়ার নাম দিয়েছিলো গ্রেট আইরি–ঈগলপাখির মস্ত বাসা—তা আমি এখনও জানি না। পাহাড়টা উঠে গেছে পাথুরে, রুগম্ভীর, অগম্য, আর বিশেষ-বিশেষ আবহাওয়ায় তার গায়ে জড়িয়ে থাকে এক গভীরনীল ও অদ্ভুত-সুদূর ভঙ্গি। তবে নামটা শুনে প্রথমেই যে-ভাবনাটা লোকের মাথায় খেলে যাবে, তা হলো নিশ্চয়ই এখানটায় শিকারি পাখিরা এসে বাসা বাঁধে, আস্তানা গাড়ে, তা-ই এই নাম : ঈগল, কর, গৃধিনী; অগুনতি পালকখচিত পাখনাওলা জীবের বসতি, মানুষের নাগালের বাইরে এই দূর-চূড়ার উপর ড়ুকরে ডেকে-উঠে পাক খেয়ে যাচ্ছে তারা। অথচ, এদিকে কিন্তু, এই গ্রেট আইরি পাখিদের যে খুব-একটা আকৃষ্ট করে তা অবশ্য মনে হয় না; বরং তার উলটোটাই সত্যি; আশপাশের এলাকার লোকজন মাঝেমাঝে উলটে বরং এই মন্তব্যই করে যে পাখিরা চুড়োটার দিকে যখন উড়ে যায়, তখন আচমকা দ্রুতগতিতে উঠে যায় আরো-উপরে, চক্কর দেয় শিখরটার ওপর, পাক খায়, তারপর ক্ষিপ্রবেগে দূরে উড়ে যায়, আকাশ-বাতাস ছিঁড়ে দেয় তাদের কর্কশ চীৎকারে।

    তাহলে কেন শিখরটার নাম গ্রেট আইরি? তার চেয়ে বরং শিখরটার নাম জ্বালামুখ দিলেই মানাতো বেশি, কারণ এই খাড়া সটান-ওঠা বর্তুল দেয়ালগুলোর মধ্যে হয়তো গভীর-কোনো নয়ানজুলিই আছে। হয়তো ঐ দেয়ালগুলো আড়াল করে রেখেছে কোনো মস্ত পাহাড়ি ঝিল, যেমনটা প্রায়ই দেখা যায় আপালাচিয়ার পর্বতব্যবস্থার অন্যান্য অংশে, এমন-এক লেগুন যাকে অনবরত জল খাইয়ে যায় বৃষ্টিবাদল আর শীতের তুষার।

    এককথায়, এটা কি তবে কোনো প্রাচীন আগ্নেয়গিরিরই আবাস ছিলো না-যে–আগুনের পাহাড় অনেক বছর ধরে ঘুমিয়ে আছে সত্যি,তবে যার আভ্যন্তর স্তিমিত আগুন আবার যে ঘুম ভেঙে জেগে উঠবে না, তা-ই বা কে জানে? গ্রেট আইরি কি একদিন আশপাশে সেই বিষম দুর্বিপাকই সৃষ্টি করবে না, যে-দুর্যোগ সৃষ্টি করেছে মাউন্ট ক্রাকাতোয়া কিংবা মাউন্ট পেলে? সত্যি যদি তার মাঝখানে গভীর-কোনো হ্রদ থেকে থাকে, তবে সেই জলের মধ্যে কি সর্বনাশই ওতপ্রােত মিশে নেই, যা একদিন হয়তো পাথুরে স্তরগুলোর ফাটল দিয়ে চুঁইয়ে গিয়ে পড়বে গভীর নিচে, আর আগ্নেয়গিরির আগুনের কুণ্ডে পড়ে বাষ্প হয়ে পাক খাবে, আর পাথর ফাটিয়ে বার করে নেবে তাদের বাইরে বেরুবার পথ, ভয়ংকর বিস্ফোরণে ফেটে পড়বে চারপাশ, গলন্ত লাভার প্লাবনে ভাসিয়ে নিয়ে যাবে ক্যারোলাইনার সুন্দর উপত্যকাদেশ, যেমনটা ঘটেছে এই সেদিন, ১৯০২ তে, মার্তিনিক-এ?

    সত্যি-বলতে, এই শেষ সম্ভাবনাটা যে মোটেই কোনো অলীক বা অমূলক আশঙ্কা পশ্চিমমুখে উড়ে চলেছে। পথে যখন এক স্থানে রাত্রিবাসের জন্যে বেলুন থামানো হলো, জো তখনও মড়ার মতো নিঃসাড়ে ঘুমিয়ে রয়েছে। চব্বিশ ঘণ্টা পরে বেলুন তখন সুদানের দক্ষিণ সীমান্তে জিণ্ডা শহরের–জিণ্ডার এখনকার নাম নাইজেরিয়া—কাছে। এসে পৌঁছুলো, জো জেগে উঠলো।

    ঘুম থেকে উঠে প্রথমটায় সে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইলো কিছুক্ষণ, যেন তার উপলব্ধির সব ক্ষমতা লুপ্ত হয়েছে, কিছুই যেন তার মাথায় ঢুকছে না আর। আস্তেআস্তে অবশ্য তার চোখের দীপ্তি সহজ হয়ে এলো। ফার্গুসন তার হাত চেপে ধরে কৃতজ্ঞতা জানালেন : নিজের জীবন তুচ্ছ করে তুমি আমাদের প্রাণ বাঁচিয়েছো, তোমাকে যে কী বলে ধন্যবাদ দেবো, আমি তার কোনো ভাষাই খুঁজে পাচ্ছি না।

    জো এ-কথা শুনে একটু যেন লজ্জিত হলো আত্মপ্রশংসায় কান না-দিয়ে বললে, অমন কথা বলবেন না! ওভাবে তখন যদি ঝাঁপিয়ে না-পড়তুম, তাহলে সবাই মিলে মরতুম। কাজেই সেদিক দিয়ে আমি কেবল আপনাদেরই বাঁচাইনি, নিজেকেও বাঁচিয়েছি। আত্মরক্ষার জন্যেই আমি ও-কাজ করেছিলুম।

    তারপর সে ধীরে-ধীরে তার কাহিনী খুলে বললে। চাড হ্রদে পড়ে কিছুদূর সাঁৎরে যাবার পর এক বিস্তৃত জলাভূমির মধ্যে এসে পড়ে সে; সেখানে হঠাৎ একটা দড়ি দেখে সে অবাক হয়, দড়ি ধরে তক্ষনি সে তীরে চলে আসে। তীরে এসে দ্যাখে দড়ির শেষ প্রান্ত মাটিতে তাদেরই বেলুনের নোঙর পোঁতা আছে। তা-ই দেখেই সে মোটামুটি একটা আঁচ করে নেয় বেলুন কোন দিকে গেছে। হ্রদের তীর থেকে ডাঙার একটু ভেতরে এসে প্রবেশ করে সে। সেখানে এসে দ্যাখে, একটা ঘেরাও-করা জায়গায় কতগুলো আরবি ঘোড়া নিশ্চিন্ত মনে ঘাস খাচ্ছে। সে ভেবে, দেখলে যে, পায়ে হেঁটে এই অজানা দেশে যাওয়ার চাইতে ঘোড়াটার পিঠ করে সওয়ার হয়ে যাওয়া তার পক্ষে অনেক বেশি নিরাপদ হবে; তৎক্ষণাৎ সে একটি ঘোড়ার পিঠে লাফিয়ে চড়ে বসে দ্রুত তাকে ছুটিয়ে দেয়। লোকালয় ছাড়িয়ে সে তখন মরুভূমির দিকে এগোয় : এটাই তার পক্ষে সুবিধাজনক বলে মনে হয়। প্রতিমুহূর্তেই সে আশা করেছিলো এই বুঝি বেলুনটাকে দেখা গেলো, কিন্তু প্রতিবারই তাকে হতাশ হয়ে পড়তে হয়। আর তাতেই কি পার পাওয়া গেছে? দুর্ভাগ্য যখন আসে, তখন পেছনে-পেছনে একপাল শাগরেদ নিয়ে আসে। হঠৎ এক বেদুইনদের ঘোড়সোয়ার বাহিনীর সামনে পড়ে যায় সে–দস্যুতাই তাদের প্রধান বৃত্তি, পথে লোকজন দেখলে তাকে মেরে ফেলে তার সব জিনিশপত্র লুঠপাট করে নেয়াই তাদের পেশা। তারা যখন তুমুল চ্যাঁচামেচি করে তার পেছনে নিলে, প্রাণের ভয়ে কোনোদিকে দৃকপাত না-করে সোজা সামনের দিকে ঘোড়া ছুটিয়ে দেয় সে। এই হলো তার কাহিনীর সারমর্ম। পরের ঘটনা তো আপনারাই ভালো জানেন, বলে সে থামলে।

    জো যে অকুতোভয় এবং দুঃসাহসী, বহু অভিযানে তাকে নিয়ে বেরিয়েছিলেন বলে যাণ্ডসন তা ভালো করেই জানতেন। কিন্তু এখন জো তাদের জন্যে যা করেছে, ফার্গুসন তার কোনো তুলনা খুঁজে পেলেন না।

    বেলুন তখন বিস্তীর্ণ এক মাঠের ওপর দিয়ে ভেসে চলেছে। নিচে দেখা যাচ্ছে। আফ্রিকার নানারকম জীব-জন্তু-জিরাফ, জিব্রা, উটপাখি, হরিণ এবং আরো কত-কী। ধীরে-ধীরে রক্তিম মরুপ্রান্তর পেরিয়ে শস্যশ্যামল স্নিগ্ধ বনভূমি উন্মোচিত হয়ে পড়লো তাদের চোখের সামনে।

    রাত দশটার সময় আড়াইশো মাইল অতিক্রম করার পর ভিক্টরিয়া যেখানে এসে থামলো, এককালে সেখানে প্রসিদ্ধ এক শহর ছিলো। চাঁদের আলোয় তার ঝাঁপসা মসজিদ, গোল মিনার আর ঝোলানো অলিন্দের ধ্বংসাবশেষ অতীতের সমৃদ্ধির স্মৃতি নিয়ে বিষণ্ণভাবে পড়ে আছে। শহরের বাড়ি মিনার মসজিদ সবই এখন ভাঙাচোরা ও পরিত্যক্ত; অথচ এককালে এখানে প্রাচীন এক সভ্যতার সোনার যুগ কেটেছে লোকজনের উচ্চকিত ভিড়ে, হামামের গন্ধভরা পরিমলে, আর মিনারের বুরুজের সোনালি আলোর ঝলমলানিতে।

    অস্পষ্ট উষাকালেই আবার ভিক্টরিয়ার যাত্রা শুরু হলো। কাজ রয়েছে তার। কাজ, দায়িত্ব, বাধ্যতা; কাজেই প্রচীন সেই শহরে ঘুরে বেড়িয়ে নষ্ট করার মতো সময় আছে নাকি তাদের?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }