Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প757 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.০৮ কানপুর পেরিয়ে

    একদা অযযাধ্যা ছিলো ভারতের সবচেয়ে বিখ্যাত প্রদেশগুলির অন্যতম; এখন তার গুরুত্ব কিঞ্চিৎ কমেছে বটে, কিন্তু সমৃদ্ধি রয়েছে আগের মতোই। জেনারেল উট্রামের চক্রান্তের ফলে নবাব ওয়াজিদ আলি শাহ শেষ পর্যন্ত যখন ১৮৫৭ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি ঈস্ট ইণ্ডিয়া কম্পানির আনুগত্য স্বীকার করে নিলেন, তখন থেকেই বিক্ষোভ ধূমায়িত হচ্ছিলো। তাই কয়েকমাস পরেই লক্ষ্ণৌ আর কানপুর প্রচণ্ডভাবে ফেটে পড়েছিলো। লক্ষ্ণৌ অযোধ্যার রাজধানী, কিন্তু কানপুর এই প্রাচীন রাজ্যের একটি প্রধান নগর।

    বিপুল নীলখেত পেরিয়ে গঙ্গার ডান তীর ধরে আমরা কানপুর পৌঁছলুম ২৯শে মে সকালবেলায়। কানপুরের অধিবাসীর সংখ্যা প্রায় ষাট হাজার, আয়তন মাইল পাঁচেক। শহরে একটি সামরিক ক্যানটনমেন্ট আছে—প্রায় সাত হাজার লোক থাকে সেখানে। কানপুর অত্যন্ত পুরোনো শহর হলে কী হবে, সেই অর্থে কোনো দ্রষ্টব্য স্থান এখানে নেই। তবু তিরিশে মে সকালবেলায় আমরা আমাদের শিবির ছেড়ে শহরের উদ্দেশে বেরিয়ে পড়লুম : ব্যাঙ্কস, ক্যাপ্টেন হুড আর আমি, আর তদুপরি সঙ্গে রয়েছেন সার এডওয়ার্ড মানরো ও সার্জেন্ট ম্যাক-নীল।

    আর যেতে-যেতেই ব্যাঙ্কস আমাকে কানপুরের বিক্ষোভের কথা শোনালে। কেমন করে মিরাট আর দিল্লির বিদ্রোহের কথা পৌঁছুতেই কানপুর বারুদের মতো ফেটে পড়লো, কেমন করে কানপুরের দীর্ঘ অসন্তোষ ও রোষ বিদেশীদের বিন্দুমাত্র ক্ষমা করেনি, কেমন করে বিবিঘরে বন্দী করে রাখা হয়েছিলো নারী ও শিশুদের—যাদের মধ্যে একজন ছিলেন লেডি মানরো ও তার মা, আর কেমন করেই বা জেনারেল হ্যাভলকের বাহিনীর আগমন-সংবাদ পেয়ে বিবিঘরের বন্দীদের উপর নতুন করে নিগ্রহ ও অত্যাচার শুরু হয়। রক্ত-রাঙা সে-সব দিন; শুনতে-শুনতে যেন অনুভব করলুম নিয়তির কোনো রক্তরাঙা সংকেত বিপদ জ্ঞাপন করে ভেসে উঠলো আমার সামনে। ব্যাঙ্কস আরো বলেছিলো যে কর্নেল মানরো যখন দু-দিন পরে কানপুর পৌঁছুলেন তখন কোনোই চিহ্ন দেখলেন না তাঁর স্ত্রী ও শাশুড়ির। আর তারপর থেকেই মানুষটা যেন কেমন হয়ে গেলেন, নানাসাহেবের উপর প্রতিশোধ নেয়া ছাড়া আর-কোনো কাজই যেন তার করার রইলো না।

    এই কানপুরে পৌঁছেই মানবরা প্রথমে গেলেন তাঁদের বাংলোবাড়ির দিকে, যেবাড়িতে লেডি মানরো তার শৈশব ও কৈশোর কাটিয়েছেন একদা, সে-বাড়িতেই বিক্ষোভের সময় সেই প্রবল ভীষণ রণরোলের মধ্যে অস্বস্তিতে ও আশঙ্কায় তিনি দিন কাটিয়েছিলেন। শহরতলির ধারেই এই বাড়িটা, ক্যানটনমেন্টের খুব কাছে। কিন্তু এখন ভাঙাচোরা ইটকাঠ ছাড়া আর কিছুই নেই সেখানে; সমস্তই জীর্ণ, পরিত্যক্ত ও বিমর্ষ–যেন একটা হানাবাড়ি; আগাছা গজিয়েছে চারপাশে, দেখাশোনা না-করার ফলে সমস্তটাই যেন কোনো চিরস্থায়ী দুঃখের প্রতিভাস এনে দেয়। আর এই ভগ্নস্তুপের মধ্যেই মানরো নীরবে ঘুরে-ঘুরে বেড়ালেন ঘণ্টাখানেক, যেন হারানো দিনগুলো আঁকড়ে ধরতে চাচ্ছেন তিনি বারে-বারে, কিন্তু তাঁর হাত এড়িয়ে সেগুলো যেন বারে-বারেই পালিয়ে যাচ্ছে। শেষটায় যেন এক হ্যাচকা টানে নিজেকে তিনি ছিনিয়ে আনলেন সেই স্মৃতিজাগা ভাঙাচোরার মধ্য থেকে, দ্রুতপায়ে এগিয়ে গেলেন বিবিঘরের দিকে—যেখানে, শোনা যায়, লেডি মানরোকে নাকি শেষ দেখা গিয়েছিলো। আর সেইখানে শোকে ও বেদনায় মোহ্যমান ও আর্ত মানুষটির মুখে যেন সান্ত্বনাহীন কোনো আকুলতা ফুটে উঠলো। শেষটায় আমরা অনেক চেষ্টার পরে সার এডওয়ার্ডকে ওই ভয়ংকর জায়গা থেকে সরিয়ে নিয়ে এলুম। কিন্তু তার আগে একবার একটা বড় পাথরের গায়ে আমার চোখ পড়লো, কে যেন সঙিনের খোঁচায় সেই পাথরের গায়ে ছোট্ট কিন্তু অগ্নিগর্ভ একটি কথা খোদাই করে গেছে; সারা রাস্তা এই কথাগুলো আমার মনে হানা দিলে : কানপুর মনে রেখো।

    শিবিরে যখন ফিরে এলুম, তখন এগারোটা বাজে। সবাই কী-রকম স্তব্ধ হয়ে আছে, যেন একটা চাপা শোকের ছায়া সকলেরই মুখে। তাড়াতাড়ি এখন কানপুর ছাড়তে পারলে যেন বেঁচে যায় সবাই। কিন্তু বেহেমথের এঞ্জিনের দু-একটা ছোটোখাটো মেরামতির কাজ বাকি ছিলো, সেগুলো সারতে-সারতে একদিন লেগে যাবে। ফলে বাকি দিনটুকু আমার আর কিছুই করণীয় ছিলো না, সেইজন্যেই আমি ঠিক করলুম একাই গিয়ে লক্ষ্ণৌ থেকে ঘুরে আসবো। কারণ ব্যাঙ্কস ঠিক করেছিলো কিছুতেই আর লক্ষৌ হয়ে যাবে না—সেখানে গেলে সার এডওয়ার্ড মানরো হয়তো আরো-বিমর্ষ হয়ে পড়বেন বিদ্রোহের যাবতীয় স্মৃতি দেখে।

    দুপুরবেলায় একটি লোকাল ট্রেন ধরে আমি অযোধ্যার এই রাজধানীর উদ্দেশে রওনা হয়ে পড়লুম। সপ্তদশ শতকের সব স্থাপত্য, হিন্দু, চৈনিক, আরব্য ও ইওরোপীয় স্থাপত্যের মিশোলই লক্ষ করা যায় প্রধানত। কাইজারবাগ, ফরিদাবাগ, সেকেন্দ্রাবাদ, হজরত গাউজের বুলভার, কৈফিয়াতুল্লার কেল্লা-এইসব বিখ্যাত জায়গাগুলো সরেজমিন দেখে আমি কানপুর ফিরে এলুম।

    পরদিন ৩১শে মে আবার আমাদের যাত্রা শুরু হলো।

    অবশেষে, বললে ক্যাপ্টেন হুড, সত্যিকার যাত্রা শুরু হলো আমাদের–এলাহাবাদ, কানপুর, লক্ষ্ণৌ তো নিছকই কেবল ফাঁকা আওয়াজ-আসল মজা তো জঙ্গলে, সেখানে বাঘ-সিংহ-হাতি-গণ্ডার-গণ্ডায় গণ্ডায় ঘুরে বেড়াচ্ছে…

    ওর কথায় কান দিয়ো না, মোক্লের, ব্যাঙ্কস বললে, উত্তর-পশ্চিমে আরো কতগুলো খুব নামজাদা শহর আছে—দিল্লি, আগ্রা, লাহোর….

    ও-সব ছোটো-ছোটো খুপরিগুলো আবার নামজাদা হলো কবে থেকে? হুড বলে উঠলো, আসল জায়গা তো নেপালের জঙ্গল, ভয়ংকর তরাই-এ-সব। অন্তত আমার মতে তো আজকেই আমাদের সত্যিকার যাত্রা শুরু হলো। বলে, সে চেঁচিয়ে হাঁক পাড়লে, ফক্স!

    এই-যে, ক্যাপ্টেন! ফক্স এসে হাজির হলো।

    ফক্স! সব বন্দুক, রাইফেল, রিভলভারগুলো সাফসুফ করে রেখে দাও, যাতে ঘোড়া টিপলেই গুলি বেরোয়!

    তৈরিই তো আছে সব-টোটাভরা, গুলিভরা, তেল-দেয়া…

    সব তৈরি?

    সব।

    সব আরো-তৈরি করে রাখো তাহলে।

    তা-ই করবো তাহলে!

    ভেবো না, ফক্স! শিগগিরই তোমার ওই অসমাপ্ত উজ্জ্বল তালিকায় আটতিরিশ নম্বরটি যোগ হয়ে যাবে।

    আটতিরিশ নম্বর! হঠাৎ ফক্সের চোখের তারা আলো হয়ে উঠলো। তার জন্যে আমি যে-ছোট্ট গোলাটা তুলে রেখেছি, সে-সম্বন্ধে তার নালিশ করার কিছুই থাকবে না।

    যাক। সব ঠিকঠাক করে রাখো!

    ফক্স একেবারে গোড়ালি ঠুকে সামরিক কায়দায় অভিবাদন করে চলে গেলো আবার তার বন্দুকের ঘরে!

    অযোধ্যা আর রোহিলখণ্ডের পশ্চিম দিয়েই নেপালের উদ্দেশে যাচ্ছিলুম আমরা; পথে নদীনালা বর্জন করার জন্যে একটু ঘুরতে হবে বটে, কিন্তু তাতে বেহেমথের জ্বালানি জোগাড় করার অনেক সুবিধে হবে—কারণ এদিকটায় বন-জঙ্গল নেহাৎ কম নেই।

    এখানে বলা ভালো যে কানপুর ছাড়ার পর থেকেই কর্নেল মানবরা আবার অত্যন্ত স্বাভাবিক হয়ে উঠেছেন; আগের মতোই কথা বলেন খাবার টেবিলে, আমাদের আড্ডা ও তর্কাতর্কিতে যোগ দেন—অথচ এটাও ঠিক যে ভিতরে ভিতরে নেপালের অরণ্যদেশ তাকে যেন চুম্বকের মত টানছিলো। মাঝে-মাঝে আমার বিষম সন্দেহ হতে নানাসাহেবের নিধনসংবাদ তিনি মোটেই বুঝি বিশ্বাস করেননি; অবশ্য এ-সম্বন্ধে তিনি কিছু মুখ ফুটে বলতেন না বলে আমরাও কোনো উচ্চবাচ্য করতুম না।

    জুন মাসের তিন তারিখে আচমকা ভীষণ গরম পড়লো; এমন অসহ্য গরম এর আগে কিন্তু কখনোই পড়েনি। রাস্তার দু-ধারে যদি মস্ত-সব গাছপালা মাঝে-মাঝে ছায়া না-ছড়িয়ে দিতো, তাহলে সেই হাওয়াহীন লু-বওয়া গরমে আমরা বোধহয় জ্যান্তই ঝলসে যেতুম। হয়তো এত গরম বলেই জন্তুজানোয়াররা এমনকী রাত্তিরেও তাদের ডেরা ছেড়ে বেরোয় না—অন্তত কোনো শিকার না-পেয়ে হুড গজগজ করে যা বললে, তার সারমর্ম প্রধানত ছিলো তা-ই।

    পরদিন সকালবেলায় পশ্চিম দিগন্ত কেমন যেন অস্বচ্ছ ও ঝাঁপসা দেখালো, আর তারপরেই আমরা সেই আশ্চর্য দৃশ্য দেখলুম, লোকে যাকে মরীচিকা বলে—আকাশের গায়ে যেন ফুটে উঠলো কোনো মিনার-গম্বুজওলা আশ্চর্য প্রাসাদের সারি, যা আসলে নিছকই দৃষ্টিরই বিভ্রম ছাড়া আর-কিছু নয়। এখানকার মরীচিকায় খেজুরকুঞ্জের ছায়াঘেরা টলটলে দিঘিজল দেখা যায় না, বরং দেখা যায় এইসব আকাশপ্রাসাদ, আর নীল-নীল মেঘের চুড়ো। আর সঙ্গে-সঙ্গে পাঁচ-ছশো বছর আগেকার মধ্যযুগের কথা মনে পড়ে গেলো আমার। এই বিভ্রমকে এমনই সত্যি ঠেকে, এইসব মস্ত কেল্লাকে এমনই চেনা ঠেকে যে মনে হয় আমরা বুঝি মধ্যযুগের-ইওরোপের কোনো বীরপুরুষের দুর্গপ্রাকারের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। আর বেহেমথ যত সেদিকে এগিয়ে গেলো, ততই সেই আকাশেজেগে-ওঠা প্রাসাদনগরী ভেঙে চুরমার হয়ে গেলো; পূর্ব দিগন্ত থেকে উঠলো সবিতা, আর সাত ঘোড়ার, রথ যত ছুটে আসতে লাগলো তত তার পায়ের তলায় গুড়িয়ে গেলো সেই প্রতিসরিত মায়ানগর।

    এর মানে কী, বুঝতে পারছো তো, মোক্লের? ব্যাঙ্কস বললে, ঋতু পরিবর্তনের পূর্বাভাস। আবহাওয়া বদল হবে এবার। শিগগিরই বর্ষা শুরু হবে। আমার মনে হয় দু-এক দিনের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে মেঘ দেখতে পাবো আমরা।

    ব্যাঙ্কস ভুল বলেনি। সন্ধেবেলাতেই পশ্চিম দিগন্ত মেঘে ও বাষ্পে অস্পষ্ট ও আবছা হয়ে গেলো; বিদ্যুৎ-ভরা এই কালো-মেঘ দেখতে-দেখতে এগিয়ে আসে মৌশুমিতাড়িত হাওয়ার সঙ্গে, আর তুলকালাম প্রচণ্ড ঝড় চারপাশে হুলুস্থুল বাধিয়ে দেয়।

    সারাদিন ধরে এই বাষ্পমেঘময় আবহাওয়ারই বিষম প্রস্তুতি চলেছিলো; ঘুরেঘুরে হলুদ বালির স্তম্ভ উঠে যাচ্ছিলো আকাশে, আর আলো পড়ে সেই ঘূর্ণমান বালুস্তম্ভ ঝলসে উঠছিলো বারে-বারে, মনে হচ্ছিলো আমরা যেন কোনো নিরীহ ও নির্দোষ অগ্নিকুণ্ডের মধ্য দিয়ে চলেছি, যা পোড়ায় না কিছুই, শুধু যেন চারপাশ আলো করে দেয়।

    সন্ধে সাতটা নাগাদ একটি ঝুরিনামা ছায়াঢাকা অশ্বথকুঞ্জের কাছে এসে বেহেমথ থামলো। এইখানেই ছায়ায় রাত কাটানো হবে বলে ঠিক করা হলো। পরদিনও যদি এ-রকম বিষম গরম পড়ে, তাহলে আস্ত দিনটাই কাটানো হবে এখানে, পরে রাতের বেলায় অপেক্ষাকৃত কম গরমের মধ্যে আবার রওনা হওয়া যাবে।

    ক্যাপ্টেন হুডের মৎলব কিন্তু ছিলো অন্যরকম।ফক্স! গৌমি! এখন তো মাত্র সাতটা বাজে-অন্ধকার ঘন হবার আগেই—এসো, জঙ্গল থেকে একটু ঘুরে আসি। আপনিও আসবেন না কি, মঁসিয় মোক্লের?

    আমি কোনো উত্তর দেবার আগেই ব্যাঙ্কস বলে উঠলো, হুড, তুমি বরং আজ আর শিকারের খোঁজে না-ই বা বেরুলে। লক্ষণ মোটেই ভালো ঠেকছে না আমার। ঝড় এসে গেলে শেষকালে কিন্তু ফিরে আসতে বিস্তর বেগ পাবে। বরং কাল যদি আমরা এখানে থাকি, তখন না-হয় বেরিয়ো—

    বাধা দিয়ে হুড বললে, কিন্তু কাল তো দিনের আলো থাকবে। রাতের অন্ধকার ছাড়া কি আর শিকার কখনও জমে নাকি?

    তা আমি জানি, হুড। কিন্তু আজকের রাতটা কেন যেন মোটেই সুবিধের ঠেকছে

    আমার। তবু যদি যেতে চাও তাহলে বেশি দূরে যেয়ো না। ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই বনের মধ্যে ঘুটঘুট্টে অন্ধকার হয়ে যাবে তখন হয়তো ফেরবার পথ গুলিয়ে ফেলবে।

    না, না, তোমার অযথা ভয়ের কিছু নেই। এখন তো মাত্র সাতটা বাজে–আমি দশটার মধ্যেই ফিরে আসবো, কথা দিচ্ছি।

    ফক্স আর গৌমিকে নিয়ে তক্ষুনি ক্যাপ্টেন হুড বেরিয়ে পড়লো; আর অমনি পরক্ষণেই গাছের আড়ালে তাদের আর দেখা গেলো না। সারা দিনের গরমে আর ধকলে আমি এতই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলুম যে আমি আর তাদের সঙ্গে গেলুম না।

    বেহেমথের এঞ্জিনের আগুন কিন্তু নিবিয়ে ফেলা হলো না; কোনো জরুরি অবস্থা দেখা দিলে যাতে চটপট রওনা হয়ে পড়া যায়, সেইজন্যে ব্যাঙ্কস এঞ্জিনকে সম্পূর্ণ নিবিয়ে ফেলতে নিষেধ করেছিলো।

    বেশ সুন্দর সন্ধেটা। আমরা একটা ছোট্ট ঝরনার ধারে গিয়ে বসে বিশ্রাম করতে লাগলুম। পশ্চিমের জ্বলন্ত সূর্য ছায়া ফেলেছে ঝরনার জলে; আর অদ্ভুত এক গাঢ়নীল রঙে ছুপিয়ে দিয়েছে আকাশ; ঘন বাষ্পমেঘে-ঢাকা একটা পুরু পর্দা যেন ঝুলে আছে পৃথিবীর উপর; হাওয়া নেই, তবু ওই মেঘগুলো ক্রমেই ধীরে এগিয়ে আসছে অলক্ষিতে—যেন কোনো আপন চলার ছন্দেই গভীর গম্ভীর বেগে তারা ধাবমান।

    আটটা পর্যন্ত ঝরনার ধারে শুয়ে-বসে আড্ডা দিলুম আমরা, কেবল ব্যাঙ্কস মাঝেমাঝে দিগন্তের দিকে তাকিয়ে গম্ভীর হয়ে যাচ্ছিলো। শেষকালে যখন অশ্বথ গাছের তলায় অন্ধকার জমাট বেঁধে নিরেটকালো হয়ে গেলো, তখন আমরা উঠে পড়লাম। সেই ঝুলন্ত ঘন মেঘ তখন একেবারে কাছে এসে পড়েছে। আকাশ এত গম্ভীর শান্ত যে কেমন থমথমে ঠেকছে। একটাও পাতা কাপছে না–সব স্থির, অনড় ও নিষ্কম্প। কেমন যেন একটা ভয়-ধরানো ভাব আছে চারপাশে—এই গুম-হয়ে থাকাটা যেন কোনো অচিকিৎস্য ব্যাধির লক্ষণ; যেন ছিলা টান করে বসে আছে সমস্ত আবহাওয়া—হঠাৎ টংকার দিয়ে উঠবে।

    আর, সত্যিই, টংকার আসন্ন ও অবশ্যম্ভাবী। ফুলে ফেঁপে উঠছে মেঘমালা, যেন কোনো উদ্যত অতিকায় জন্তু পেশী টান করে নেবার আগে আড়মোড়া ভেঙে নিচ্ছে। ছেঁড়া-ছেড়া মেঘগুলো একটা-আরেকটার দিকে চুম্বকের টানে এগিয়ে যাচ্ছে-তারপর একসময় একটানা নিকষ কালো মেঘ ছাড়া মাথার উপর আর-কিছু রইলো না।

    সাড়ে-আটটার সময় সেই কালো পর্দা চিরে ফেঁড়ে টুকরো-টুকরো করে বিদ্যুতের শিখা লকলক করে উঠলো; গুনে-গুনে ঠিক পয়ষট্টি সেকেণ্ড পরে বাজ ফেটে পড়লো ভয়ংকর, আর তার গম্ভীর গুমগুমে আওয়াজ যেন আমাদের লক্ষ্য করে ভীষণ বেগে গড়িয়ে এলো।

    ষোলো মাইল দূরে-ঘড়ি থেকে চোখ তুলে বললে ব্যাঙ্কস, ঝড় শুরু হলো। কিন্তু একবার যখন খ্যাপা হাতির মতো শিকল খুলে বেরিয়েছে তখন দেখতে-না-দেখতে

    এখানে এসে পড়বে। আর দেরি নয়, এক্ষুনি ভিতরে চলো সবাই।

    কিন্তু ক্যাপ্টেন হুড? তার কী হবে? সার্জেন্ট ম্যাক-নীল জিগ্যেস করলে।

    বই তো তাকে ডাক দিয়েছে, বললে ব্যাঙ্কস। বুদ্ধিমানের মতোই সে বাজের হুকুম তামিল করবে বলেই আশা করি।

    আমরা বেহেমথের বারান্দায় এসে বসলুম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50 51 52 53 54 55 56
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }