Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প989 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.১১ দরজার ওপাশে কী আছে

    জেন ব্লেজন কিন্তু সবচেয়ে সহজসিধে পথেই চ’লে গিয়েছিলো। কাউকে কিছু না-ব’লে সোজা সে বেরিয়ে গিয়েছিলো দরজা দিয়ে, দরজায় যথারীতি ছিটকিনি ছিলো, খিল ছিলো, এমনকী তালাও লাগানো ছিলো। কিন্তু তাতে কী। সাইক্লোস্কোপ তখন যার পাহারায় থাকার কথা সে তাকে কারখানা ছেড়ে চ’লে যেতে দেখেছে কিন্তু তাকে চিনতে পারেনি। তাকে ব’লে দেয়া ছিলো নেহাৎ একান্ত-জরুরি না- হ’লে সে যেন অহেতুক রক্তক্ষয় না-করে, সেইজন্যেই সে মাত্র একজনের বিরুদ্ধে বোলতা লেলিয়ে দিতে চায়নি—বিশেষ ক’রে সে যখন কারখানায় ঢুকতে চাচ্ছে না, বরং কারখানা ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে।

    পাহারার প্রতিবেদন দেখিয়েছে যে জেন, কারখানা ছেড়ে বেরুবার পর, উজানের দিকে গেছে, নদীর ঘাট ধ’রে। ফলে কোনো বিভ্রমেরই কোনো অবকাশ নেই; সন্দেহ নেই যে অন্যরা যে-পরিকল্পনাটা কাজে খাটাতে পই-পই ক’রে বারণ করেছিলো, সে সেই অবাঞ্ছিত পরিকল্পনাটাকেই কাজে খাটিয়েছে। অনেক বিচার- বিবেচনা ক’রে সে স্থির করেছে অবশেষে সে গিয়ে হ্যারি কিলারের কাছেই ধরা দেবে। পরিহাস এটাই যে যখন সে গেছে তখন আর তার এই আত্মবিসর্জনের কোনোই দরকার ছিলো না।

    ভাঁটির দিকের নদীর ঘাট শেষ হয়েছে সার্কুলার রোডে গিয়ে, সেটা বন্ধ ছিলো; উজানের দিকে নদীর ঘাট গিয়ে শেষ এসপ্ল্যানেডের দেয়ালে; তাই নদীর ঘাটের পুরো রাস্তাটাই ছিলো আসলে একটা কানাগলি। এখানে অবশ্য ধাতুর পাতের বর্মপরানো একটা দরজা ছিলো দেয়ালের গায়ে। এই দরজাটা সাধারণত বন্ধই থাকে, আর তার চাবি থাকে মাত্র দুজনের কাছে—মার্সেল কামারে আর হ্যারি কিলার। শত্রুতা শুরু হবার পর থেকেই এ-দরজাটা খোলাই ছিলো। ফলে হর্ষচরিতেরা যদি তাদের হর্ষোল্লাসে তার পথ না-আটকায়, জেন ব্লেজন তবে অনায়াসেই এপ্ল্যানেডে পৌঁছে সোজা রাজভবনে চ’লে যেতে পারবে।

    শুধু-একটা মরীয়া হতাশার মুহুর্তেই জেন ঝাঁপিয়ে পড়েছে এই কাজে। কারণ সবাই যখন এই ধারণাটাকেই আঁকড়ে ব’সে আছে যে তারই জন্যে সবাই এখন মরতে বসেছে, তাদের সব বিপদআপদের মূলে আছে একমাত্র শুধু সে-ই, তখন সে এতটাই বিচলিত হ’য়ে পড়েছিলো যে স্বাভাবিকভাবে কিছু ভেবে দেখবার মতো মনের অবস্থাই তার ছিলো না—এত লোক তাকে ঘৃণা করে! কিন্তু, ধরো, তাদের ধারণাই যদি ঠিক হয়? যদি সে-ই সত্যি দায়ী হয়? যদি সত্যি এই মারামারি কাটাকাটির আসল কারণ সে-ই হয়? যদি তাকে পেলেই হ্যারি কিলার তুষ্ট হ’য়ে যায়? তা যদি হয়, তবে যত-দেরি করবে, ততই সকলের অমঙ্গল—প্রায় একটা অসংশোধনীয় অপরাধই। নিজেকে তার গালাগাল দিতে ইচ্ছে করছিলো- এতজনকে বাঁচাতে পারবে জেনেও সে কি না এই সিদ্ধান্ত নিতে এত-দেরি ক’রে ফেললো! আর কারখানার সবাই যদি ভুলও ভেবে থাকে –যদিও সবাই মিলে একসঙ্গে এমন- একটা ভুল করবে, তা কি হয়?—তাহ’লে তার আত্মসম্মানের বোধ কি এটাই বলে না যে নিজের জীবন দিয়েও তাদের চোখে আঙুল দিয়ে বুঝিয়ে দিতে হবে যে তারা ভুল ভেবেছে?

    সংকেত দিতে তোঙ্গানের দেরি হওয়ার ফলেই এই দুর্বিপাকের ঘোরের মধ্যে তার মন এ-রকম প্রাঞ্জল একটা সিদ্ধান্তে গিয়ে পৌঁছুবার সময় পেয়েছিলো। কাজেই ৫ই মে সন্ধেবেলায়, হঠাৎ, হঠাৎই তার মাথাটায় কেমন যেন তালগোল পাকিয়ে যায় সব, আর তক্ষুনি সে ছুটে বেরিয়ে যায় তার মাথায় যেটা তখন তার একমাত্র কর্তব্য ব’লে চেপে বসেছিলো, তাকেই সম্পাদন করতে।

    কিছুই তার খেয়াল ছিলো না তখন। নিজেই সে বুঝতে পারেনি, সে কী করছে। সে শুধু আস্তে আলগোছে দরজাটা খুলেছে আর সকলের অগোচরে দরজা দিয়ে বেরিয়ে গেছে। তারপর, নিঃশব্দে, পেছনে ফের বন্ধ ক’রে দিয়েছে দরজাটা, আর রাজভবনের দিকে চলতে শুরু করেছে, কারখানার আলোয় চারপাশ ঝলমল করছিলো ব’লে শুধু সে চেষ্টা করেছে দেয়ালের গায়ে মিশে গিয়েই যেন সে আস্তে-আস্তে এগুতে পারে।

    সাইক্লোস্কোপের পাহারার মতো, শহরের বাইরের দেয়ালের কাছে যে-হর্ষচরিতরা পাহারায় ছিলো তারাও তাকে বেরুবামাত্রই চোখে দেখেছে। কিন্তু তাদেরও মনে হয়নি মাত্র একজনের ওপর এভাবে গুলি চালানো উচিত—বিশেষত এমনও হ’তে পারে যে এমনভাবে প্রকাশ্যে যে হেঁটে বেড়াচ্ছে সে হয়তো তাদেরই দলের লোক।

    কাজেই জেনের পক্ষে এপ্ল্যানেডে পৌঁছুতে আদৌ কোনোই অসুবিধে হয়নি, সে ঐ খোলা দরজাটা দিয়েই এগিয়ে গেছে। রাঙানদীর তীরের দেয়াল ঘেঁসে, সে দুঃসাহসে ভর ক’রেই সরাসরি চ’লে এসেছে খোলা জায়গাটায়, দৃক্‌পাতও করেনি হর্ষচরিতদের ক-টা ছোটোখাটো দলের মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হচ্ছে। আর তার এই বেপরোয়া স্পর্ধা দেখে হর্ষচরিতরা এতটাই ভ্যাবাচাকা খেয়ে গেছে যে সে বেশির ভাগ রাস্তাটাই নিরুপদ্রবে পেরিয়ে আসতে পেরেছে। শুধু যখন রাজভবন থেকে সে মাত্র কুড়ি পা দূরে, তখনই একটা দলের মধ্য থেকে দুজ্বন হর্ষচরিত বেরিয়ে এসে তাকে সাবধান ক’রে দিয়ে থামতে বলেছে।

    বন্দীরা পালিয়ে যাবার আগে জেন যে স্বাধীনভাবে ইচ্ছে মতো রাজভবনে ঘুরে বেড়াতো, সেটা এই লোকগুলো দেখেছিলো। তাকে চিনতে পেরে তারা অবাক হ’য়ে অস্ফুট-একটা আওয়াজ করেছে শুধু; তার উদ্দেশ্যটা কী, তারা মোটেই জানে না; তাছাড়া অস্বস্তিও আছে বেদম, কেননা হ্যারি কিলার তাকে কতটা খাতির করেছে সে-তো তারা নিজের চোখেই দেখেছে; কী করবে বুঝতে না- পেরে হতভম্ভভাবে তারা তাকে শুধু চ’লেই যেতে দেয়নি, একেবারে সঙ্গে ক’রে নিয়ে এসেছে রাজভবনে, আর নিজের হাতে রাজভবনের দরজা খুলে দিয়েছে যাতে সে ভেতরে ঢুকে যেতে পারে।

    যে-মুহূর্তে সে চৌকাঠ পেরিয়েছে, দরজাটা সশব্দে বন্ধ হ’য়ে গেছে তার পেছনে সে চাক বা না-চাক, এখন থেকে সে হ্যারি ক্লিারেরই কব্জায়—এমন-কোনো আশাও আর নেই যে কেউ কোনোদিন তাকে উদ্ধার করবার জন্যে এখানে ছুটবে।

    রাজভবনে তার এই আকস্মিক আবির্ভাব তেমনি বিস্ময়ের সৃষ্টি করলো, যেমন করেছিলো এপ্ল্যানেডে। যে-খাশ পরিচারকটি তাকে ভেতরে ঢুকতে দিয়েছে, সে বিষম হকচকিয়ে গিয়ে তাকে নিয়ে গেছে তার সর্বেসবা প্রভুর কাছে। তারই পেছন-পেছন জেন সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠেছে, গেছে গ্যালারির পাশ দিয়ে, অন্ধকার করিডরগুলো দিয়ে, আর সব-শেষে এসে পৌঁছেছে ঝলমলে আলোয় ভরা ঘরটায়, যেটাকে সে এত-ভালো চেনে। এটাই হচ্ছে মসনদকক্ষ, একবার আমেদে ফ্লরেঁস ঠোঁট বেঁকিয়ে যে-নামে এটাকে ডেকেছিলেন, যেখানে একবার ঠেলে ঢুকিয়ে দেয়া হয়েছিলো বন্দীদের, ব্ল্যাকল্যান্ডের সর্বেসর্বার সঙ্গে তাদের একমাত্র সাক্ষাৎকারের জন্যে, যে-ঘরটায় আশবাব বলতে শুধু আছে একটা টেবিল আর একটা বিশাল আরামকেদারা।

    আরামকেদারাটা এখনও তেমনি প’ড়ে আছে এখানে, আর আগের মতোই হ্যারি কিলার তার ওপর হাত-পা ছড়িয়ে ব’সে আছে, আর সামনের টেবিলটায় রয়েছে সারি-সারি বোতল আর গেলাশ। কিন্তু এখন আশবাব বলতে শুধু ঐ আরামকেদারা আর টেবিলই নেই ঘরটায়। আরো-নটা চেয়ার আনা হয়েছে ঘরে, আর তাদের একটাই শুধু ফাঁকা, অন্য-আটটায় ব’সে আছে ক্রূর দেখতে আটজন লোক, তারাও চেয়ারে হেলান দিয়ে ব’সে মদ খাচ্ছে। হ্যারি কিলার তার নবরত্নসভার কৌশুলিদের সঙ্গে ব’সে ফূর্তি করছে।

    দরজার কাছে দাঁড়ানো তরুণীটিকে দেখে, এই ন-জন আধমাতাল লোক বিস্ময়ে ঘোঁৎ ক’রে একটা আওয়াজ ছেড়ে উঠে দাঁড়ালে। কারখানা থেকে এমন-একজনের আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত আবির্ভাব ছাড়া আর কিছুই বোধহয় তাদের এতটা ভ্যাবাচাকা খাইয়ে দিতো না।

    সবাই একসঙ্গে লাফিয়ে উঠে বিস্ময়ে চেঁচিয়ে উঠলো : ‘মিস মোর্‌নাস!’

    ‘একাই?…’ হ্যারি কিলার জিগেস করলে। দরজার ফাঁক দিয়ে একটা চৌকো অন্ধকার দেখে একটু বুঝি অস্বস্তিই হয়েছে তার।

    ‘একাই।’ জেনের গলা কাঁপছে, কিন্তু তবু তাতে দৃঢ়তার সুর। তার হাঁটুর জোড়গুলো তখন যেন খুলে আসতে চাচ্ছে; সে দরজার গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়ালে।

    কয়েক মুহূর্তের জন্যে এই ন-জন লোক বিস্ময়ে-অভিভূত হ’য়ে তার দিকে শুধু হা ক’রে তাকিয়ে রইলো। সে-যে এখানে এসেছে, এটাই চমকপ্রদ তথ্য; তার ওপর এমনভাবে? একা তাদের এই হতভম্ব চাউনির সামনে জেনের মাথাটা আবার কেমন তালগোল পাকিয়ে গেলো, এতক্ষণে সে তার এই হঠকারী দুঃসাহসের তাৎপর্যটা একটু-একটু ক’রে বুঝতে পারছে।

    ‘তুমি ঐ-ওখান থেকে,’ ব’লে কারখানাটাকে দেখিয়ে জড়ানো গলায় বললে হ্যারি কিলার, ‘আসছো?’

    ‘হ্যাঁ,’ প্রায়-শোনা-যায়-না এমন গলায় বললে জেন, ফিশফিশ ক’রে।

    ‘এসেছো কেন এখানে?’

    তার গলার সুরে কোনো অমায়িকভাব নেই। জেনের বুঝতে বাকি রইলো না যে কারখানার বুভুক্ষু কর্মীরা তাকেই সব দুর্বিপাকের কারণ ব’লে ভেবে কত- বড়ো ভুল করেছে। আবারও তার গা শিউরে উঠলো, তার এই আত্মত্যাগে পৃথিবীতে কোথাও কারু কোনো উপকারই হবে না!

    ‘আমি ধরা দিতে এসেছি,’ নিজেকে এতটাই তুচ্ছ ও অবাঞ্ছিত লাগছিলো যে এছাড়া আর-কিছু বলবার কথা তার মনেই হ’লো না।

    ‘বেশ! বেশ!’ ঠোঁট বেঁকিয়ে বললে হ্যারি কিলার; তারপর, তার ইয়ারবক্সিদের দিকে ফিরে বললে, ‘একলা একটু কথা বলতে দাও আমাকে

    আটজন কৌশুলিই টলতে-টলতে উঠে দাঁড়ালে। মুচকি হেসে একজন জড়ানো গলায় টিপ্পনী কাটলে : ‘ঠিক হ্যায়। আকেলাই রেখে যাচ্ছি তোমাকে।’

    তারা যেই দরজার কাছে গিয়ে পৌঁছেছে, হ্যারি কিলার হাত নেড়ে তাদের একটু থামতে বললে। তারপর জেনের দিকে ফিরে বললে : ‘শুমুকির কী হয়েছে তা আর জিগেস ক’রে কী হবে? ছিন্নভিন্ন হাত-পা দেখেছি তার! কিন্তু তার সঙ্গে যে অন্য আরেকজন ছিলো, তার কী হয়েছে?’

    ‘শুমুকিকে আমরা খুন করিনি,’ জেন উত্তর দিলে। ‘হেলিবিমান উড়িয়ে দিতে গিয়ে সে নিজেই বিস্ফোরণে উড়ে গিয়েছে। তার সঙ্গে যে ছিলো, সেও বেশ জখম হয়েছে। কারখানায় ওরা তার সেবাশুশ্রুষা করছে!

    ‘আহা!’ বললে হ্যারি কিলার, শ্লেষের ভঙ্গিতে। ‘হেলিবিমানের কী হয়েছে?’

    ‘চুরমার।’

    হ্যারি কিলার খুবই আহ্লাদের ভঙ্গিতে হাত কচলালে—আর বাকি-আটজন কৌশুলি টলোমলো-পায়ে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেলো। ‘তো, তুমি তাহ’লে এখন ধরা দিতে এসেছো? বটে? তা, এই ধরা দেবার সুমতি হঠাৎ হ’লো কেন?’

    অন্যরা যাতে প্রাণে বাঁচে,’ সাহসে ভর ক’রে বললে জেন।

    ‘অসম্ভব!’ খুক ক’রে একটু হেসে উঠলো হ্যারি কিলার। ‘তাহ’লে সবাই একেবারে নাজেহাল-সহ্যের একেবারে শেষসীমায়? অ্যা?’

    ‘হ্যাঁ,’ চোখ নামিয়ে প্রায় ফিশফিশ ক’রেই বললে জেন

    বিষম আহ্লাদে গেলাশে মাত্রাছাড়ানো পরিমাণে মদ ঢাললে হ্যারি কিলার-আর সবটাই একটোকে গলায় চালান ক’রে দিলে। প্রশ্নের সুরে বললে, ‘তো?’

    ‘কিছুকাল আগে,’ লজ্জায়-ধিক্কারে জেনের মুখ টুকটুকে-রাঙা হ’য়ে উঠলো, ‘কিছুকাল আগে, তুমি আমায় বিয়ে করতে চেয়েছিলে। বিয়েতে আমি রাজি আছি, তবে একশর্তে-অন্যদের ছেড়ে দিতে হবে।’

    ‘একশর্তে?…’ হ্যারি কিলার বিস্ময়ে প্রায় চেঁচিয়েই উঠলো : ‘খুকি, চারপাশে কী হচ্ছে ব’লে তুমি ভাবছো? কারখানার লোকেরা যখন বেকায়দায় পড়েছে, তখন আজ না-হোক কাল আমি তাদের সব কটাকে বাগে পাবোই-এবং তোমাকেও পাবো, ফাউ। আজ সন্ধেয় তোমার এভাবে এখানে আসায় কোনো লাভ হয়নি, খুকি—তাতে আমি শুধু হাতে আরেকটা তুরুপের তাশ পেলাম।’

    উঠে দাঁড়িয়ে তার দিকে টলতে-টলতে এগুলো সে। ‘তোমার বুকের পাটা আছে –না হ’লে শর্তের কথা বলতে পারো! আমার স্ত্রী হবার জন্যে শর্ত! হুম, তুমি আমার বউ হবে—তবে সেটা হবে আমি যখন ইচ্ছে করবো, তখন। কিন্তু এখন তুমি আমাকে ঠেকাবে কী করে শুনি। সেটা জানবার জন্যে কৌতূহলে আমি ম’রে যাচ্ছি!’

    সে যতই জেন ব্লেজনের দিকে এগিয়ে এলো, জেন ব্লেজন ততই কুঁকড়ে গুটিয়ে গেলো। সে প্রায় তাকে ছুঁয়েই ফ্যালে বুঝি। শেষটায়, কোনঠাশা, দেয়ালে-পিঠ- ঠেকানো, জেন ঠিক তার নাকের ডগায় তার মদেভরা নিশ্বাসের ঝাপটা পেলে।

    ‘আমি ম’রে যেতে পারি, ইচ্ছে করলে!’

    ‘মরবে?…’ হ্যারি কিলার, টালমাটাল, স্থির হয়ে দাঁড়াবার চেষ্টা করলে। তার গলার ঠাণ্ডা দৃঢ়তায় সে কেমন ভড়কে গিয়েছে। দ্বিধার ভঙ্গিতে গাল চুলকে সে আবারও বললে : ‘মরবে?’

    একমুহূর্ত চুপ ক’রে থাকার পরই তার মাথায় বুঝি অন্য-কী-একটা ভাবনা খেলে গেলো। ‘ধূস।…আচ্ছা, সে না-হয় কাল দেখা যাবে। বুঝলে, খুকি, শিগগিরই আমরা একটা সমঝোতায় এসে, পড়বো। ততক্ষণ, না-হয় এসো, একটু আমোদ- আহ্লাদ করা যাক।’

    তার আরামকেদারায় ফিরে গিয়ে হ্যারি কিলার তার মদের গেলাশটা বাড়িয়ে ধরলে। ‘এসো, দুজনে মিলে একটু পান করা যাক।’

    জেন হাত না-বাড়ালে কী হবে, হ্যারি কিলার এক গেলাশের পর আরেক গেলাশ, তারপর আরেক গেলাশ, বেধড়ক মদ গিলে চললো। জেন আসবার আগেই তো অর্ধেক মাতাল হ’য়ে গিয়েছিলো, এখন নেশার ঝোঁকে একটু পরেই তার নাক ডাকতে শুরু করলো।

    তাহ’লে এই আরেকটা সুযোগ তার দাদাকে সম্ভবত এই লোকটাই হত্যা করেছে-এবং এখন এই আততায়ীর জীবন আবারও আরেকবার তারই দয়ার ওপর নির্ভর ক’রে আছে। যে-খঞ্জরটা দিয়ে জর্জ ব্লেজন খুন হ’য়েছে, সেই একই খঞ্জর সে এখন অনায়াসেই তার হৃৎপিণ্ডে ঢুকিয়ে দিতে পারে! কিন্তু তাতে ফায়দাটা কী হবে? যাদের বাঁচাবার জন্যে এত কষ্ট ক’রে সে এখানে এসেছে, হ্যারি কিলার মরে গেলে তাদের জীবন কি আরো-বিপন্ন হ’য়ে পড়বে না? কিছুক্ষণ ঐ ঘুমন্ত সর্বেসর্বার দিকে হা করে তাকিয়ে রইলো জেন-চিন্তায় আচ্ছন্ন। তারপরেই তার পেটটা মোচড় দিয়ে উঠলো। খিদে – নিষ্ঠুর, সর্বগ্রাসী, অসহ্য খিদে। আর মুহূর্তের মধ্যে তার বুভুক্ষু অস্তিত্ব যেন তার চারপাশের অবস্থাটাই ভুলে গেলো—ভুলে গেলো সে কোথায় আছে, ভুলে গেলো হ্যারি কিলারের প্রাণ তারই দয়ার ওপর আছে এখন, ভুলে গেলো কারখানার লোকজনের দশা, শুধু খাবার ছাড়া আর-কিছুর কথাই তার মনে রইলো না। খাবার চাই, এক্ষুনি কিছু না-খেতে পেলে সে ম’রেই যাবে!

    সন্তর্পণে গিয়ে সে খুললো দরজাটা, যে-দরজা দিয়ে একটু আগেই আটজন কৌশুলি ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেছে। আর পাশের একটা ঘরে সে দেখতে পেলে একটা ভোজের অবশিষ্ট, অজস্র খাবার। এরা নিশ্চয়ই পানভোজনে মত্ত ছিলো, পরে মসনদঘরে গিয়ে শুধু মদই গিলেছে!

    জেন টেবিলটার দিকে ছুটে গিয়ে হাতের কাছে যা পেলে, তা-ই তুলে নিলে। আর যত সে গোগ্রাসে খেতে লাগলো, ততই যেন প্রাণ ফিরে আসতে লাগলো তার অবসন্ন দেহে, শিরায়-শিরায় ফেনিয়ে ফিনকি দিয়ে রক্ত ছুটলো যেন আবার, আর দৈহিক শক্তির সঙ্গে-সঙ্গে আবার তার নৈতিক বল ফিরে এলো।

    সতেজ, সে ফিরে গেলো পাশের ঘরে। হ্যারি কিলার তখনও তার আরামকেদারায় চিৎপাত শুয়ে ভোঁস-ভোঁস ক’রে ঘুম লাগাচ্ছে। সে গিয়ে একটা চেয়ার টেনে তার মুখোমুখি ব’সে অপেক্ষা করতে লাগলো কখন তার ঘুম ভাঙে।

    আর এভাবে ব’সে থাকতে-থাকতে স্মৃতিরা ভিড় ক’রে এলো তার মাথায়। তার মনে প’ড়ে গেলো হ্যারি কিলার কীভাবে তাকে বসিয়ে রেখে ঐ বন্ধ দরজাটা খুলে আধঘণ্টার জন্যে অন্তর্হিত হ’য়ে যেতো, আর তখন কতবার কৌতূহল তাকে জ্বালিয়ে মেরেছে, দরজার ওপাশে কী আছে তা জানবার জন্যে। এই দরজার চাবি সবসময় তার সঙ্গে-সঙ্গে থাকে, আর এখন দৈব আবার জেনকে সুযোগ দিয়েছে, তার কৌতূহল চরিতার্থ করবার সুবর্ণযোগ! প্রলোভনটা বিপুল। এই সুযোগটা তাকে নিতেই হবে, হয়তো তার জীবনে আর কখনও এমন সুযোগ আসবে না!

    তাড়াহুড়ো ক’রেই, ক্ষিপ্রপায়ে, জেন দরজাটার কাছে গিয়ে পৌঁছুলো, যে-দরজা দিয়ে প্রতিদিন হ্যারি কিলার অন্তর্হিত হ’য়ে যেতো, আর চাবিটা ঢোকানো তালার ফোকরে। নিঃশব্দে খুলে গেলো কবাট। আর তার ওপাশেই একটা ল্যান্ডিং, সেখান থেকে সিঁড়ির ধাপ নেমে গিয়েছে নিচের তলায়। আস্তে, সন্তর্পণে, পাল্লাটা বন্ধ না-ক’রেই, শুধু খুলে রেখে, জেন টিপে-টিপে সিঁড়ি বেয়ে নামতে লাগলো, নিচে থেকে ঝাপসা আলো এসে পড়েছে সিঁড়িতে।

    যে-ঘরটা ছেড়ে সে চলে এসেছে সেটা রাজভবনের দোতলায়, অথচ দুটো তলা পেরিয়ে যাবার পরও, সে এসে পৌঁছলো আরেকটা ল্যান্ডিঙে, সেখান থেকে সিঁড়ির ধাপ নিশ্চয়ই মাটির তলার কোনো ঘরে নেমে গিয়েছে। একমুহূর্ত ইতস্তত ক’রে, সে আরো নেমে যাবার জন্যে পা বাড়ালে।

    শেষটায় সে এসে পৌঁছুলো একটা লম্বা, আয়ত, কুঠুরিতে, আর চৌকাঠের কাছে এসেই থমকে দাঁড়ালে। একটা সিঁড়ির ধাপে ব’সে একজন ব্ল্যাকগার্ড কুঠুরিটা পাহারা দিচ্ছে। জেনকে আসতে দেখেই সে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে।

    কিন্তু পরক্ষণেই আশ্বস্ত বোধ করলে সে। পাহারার কোনো বিরূপ মলব নেই। বরং সে এমনভাবে দেয়াল ঘেঁসে দাঁড়িয়েছে, তার এই রাতের অতিথি যাতে সহজে পাশ দিয়ে যেতে পারে। এই অপ্রত্যাশিত সম্মান দেখে জেন তাকিয়ে দেখলে এই ব্ল্যাকগার্ডটিকে যে আগে তাদের ঘরে পাহারা দিতে দেখেছে। যে-হর্ষচরিতেরা সসম্মানে তাকে রাজভবনের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছিলো তাদের মতোই এও জেনকে আগে স্বাধীনভাবে ইচ্ছেমতো সবখানে চলাফেরা করতে দেখেছে—সে হয়তো জানে যে তার প্রভু একে বিয়ে করতে চেয়েছেন। আর দোনোমনা না- ক’রে সে তাকে পাশ কাটিয়ে চ’লে গেলো। কিন্তু ঝামেলা তখনও মেটেনি। লোকটা যেখানে দাঁড়িয়ে আছে তার পরেই আছে একটা বন্ধদুয়ার।

    বাইরে একটা বেজায় আত্মবিশ্বাসের ভাব দেখিয়ে জেন হ্যারি কিলারের চাবিটা তালায় ঢোকালে, অমনি আগের দরজাটার মতোই এটাও নিঃশব্দে খুলে গেলো। জেন নিজেকে দেখতে পেলে বেশ-লম্বা একটা করিডরের মধ্যে : দু-পাশে ডাইনে- বাঁয়ে দশ-বারোটা দরজা, পর-পর।

    একটা ছাড়া সবগুলো দরজাই খোলা। যেতে-যেতে খোলা দরজাগুলো দিয়ে তাকালে জেন! ছোট্ট-সব কুঠুরি, হাজতঘর, অন্ধকার, আলো-হাওয়া ঢোকে না- স্যাঁৎসেঁতে, ঘরগুলোয় শুধু একটা ক’রে টেবিল আর নামকাওয়াস্তে একটা ক’রে বিছানা। তা বাদ দিলে ঘরগুলো ফাঁকাই প’ড়ে আছে-দেখে মনে হয় না অনেকদিন এখানে কেউ ছিলো।

    এবার শুধু বন্ধ দরজাটাই বাকি। পর-পর তৃতীয়বার জেনের এই সবখোল চাবি ভেলকি দেখালে। অন্য-দুটো দরজার মতো, এটাও সহজেই খুলে গেলো।

    ঘরের মধ্যেটায় গা-ছমছম করা অন্ধকার। গোড়ায় সে তাকিয়েও বুঝতে পারলে না এ ঘরের মধ্যে কী আছে। তারপর আস্তে-আস্তে সেই আবছায়া তার চোখে স’য়ে এলো, অন্ধকারের মধ্যেই সে দেখতে পেলে কে যেন কুণ্ডুলি পাকিয়ে আছে, বড়ো-বড়ো নিশ্বাসের শব্দ আসছে ঐ কুণ্ডলি থেকে।

    যেন কোন অতিপ্রাকৃত শক্তিই তাকে ব’লে দিয়েছে, এখন সে দারুণ গুরুতর- কিছু আবিষ্কার করবে। জেনের বুক ঢিপঢিপ করছে, পা-দুটো কেমন যেন অবশ হ’য়ে আসছে, তার গায়ে যেন কোনো শক্তিই আর নেই; সে শুধু চুপচাপ কোনো ঘোরের মধ্যে চৌকাঠের কাছে দাঁড়িয়ে রইলো—তার চোখ আর কান যেন এই দুর্ভেদ্য অন্ধকারকে অবিরাম হাড়ে যাচ্ছে।

    শেষটায় তার মনে প’ড়ে গেলো দরজার বাইরেই সে একটা বিজলিবাতির বোতাম দেখেছে। অন্ধকার থেকে চোখ না সরিয়েই হাত বাড়িয়ে সে বোতামটা টিপে দিলে।

    কী তুলকালাম বিস্ময় অপেক্ষা করছে তার জন্যে? না কি কোনো অকথ্য বিভীষিকাই?

    যে-প্রচণ্ড মনোবল তাকে কারখানা থেকে একটু-আগে এই রাজভবনে এনে হাজির করেছে, তাতে হয়তো এমনি আঁৎকে আঁৎকে উঠতোও না যদি এখন এই ঘরে দেখতে পেতো তার দাদা জর্জ ব্লেজনকে, সবাই যাকে জানে দশ বছর আগেই মারা গেছে ব’লে।

    কেননা যে-অপ্রত্যাশিত দৃশ্য সে এখন দেখতে পেলে, তার কথা সে স্বপ্নেও কোনোদিন ভাবেনি।

    হঠাৎ-আলোর-ঝলকানিতে কুঠুরির এককোণে যে-লোকটা কুণ্ডলি পাকিয়ে শুয়ে ছিলো সে ধড়মড় ক’রে উঠে বসলো। গায়ে ছেঁড়া-কাঁথাই যেন তার, আর ছেঁড়ার ফাঁক দিয়ে দেখা যাচ্ছে তার সর্বাঙ্গ ক্ষতবিক্ষত, দেহটা কঙ্কালসার, চোখদুটো কোটরে, লোকটা দু-চোখে সাতরাজ্যের আতঙ্ক নিয়ে কোনোরকমে উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করলো।

    দীর্ঘ নিপীড়নের সব চিহ্ন সত্ত্বেও, তার শুকিয়ে-যাওয়া মুখে ঝোপের মতো দাড়িগোঁফ সত্ত্বেও, মাথার জটপাকানো চুলের রুক্ষ গুচ্ছ সত্ত্বেও—জেন-এর একমুহূর্তও দেরি হয়নি বন্দীকে চিনতে।

    অবিশ্বাস্য! আশ্চর্য! ব্ল্যাকল্যান্ডের এই মাটির তলার হাজতঘরে বন্দীকে চিনতে পেরে জেনের মাথায় যেন সব তালগোল পাকিয়ে গেলো। একে তো ছ-মাস আগে সে ইংলন্ডে দিব্বি নিশ্চিন্তে কাল কাটাতে দেখে এসেছে। মানুষের এই ধ্বংসাবশেষ, হ্যারি কিলারের নির্যাতনের এই শিকার-এ-যে লুইট্স রবার্ট ব্লেজন, তার আরেক দাদা!

    খাবি খেলো যেন জেন। তার মুখ থেকে একটাও কথা সরছে না। শেষটায় ছুটে গেলো সে তার ছোড়দার কাছে, ‘লুইস!’ আর ততক্ষণে লুইস- বিমূঢ়, হতভম্ব, ভ্যাবাচাকা –তার মুখেও বিস্ময়ের স্বর ফুটেছে : ‘জেন!… তুই …. তুই এখানে!

    পরস্পরের বুকে যেন ঝাঁপিয়েই পড়লো তারা, আর দুজনেই ভেঙে পড়লো কান্নায়, প্রথমে কিছুক্ষণ কারু মুখে কোনো কথা ফুটলো না।

    তারপর অস্ফুট স্বরে লুইস শেষটায় বললে : ‘জেন! তুই! তুই কেমন ক’রে আমায় উদ্ধার করতে এলি!’

    ‘তোকে পরে বলবো সব,’ জেন বললে, ‘গোড়ায় তুই তোর কথাই বল। বল, তুই কী ক’রে এখানে এলি?

    ‘কী বলবো বল?’ হতাশায়, ধরাগলায়, বললে লুইস। ‘আমি নিজেই কি ছাই তার কিছু বুঝতে পেরেছি! পাঁচমাস আগে, ৩০শে নভেম্বর, আমার নিজের আপিশে, পেছন থেকে কেউ আমার ঘাড়ে এমন সজোরে ঘা মেরেছিলো যে আমি জ্ঞান হারিয়ে মেঝেয় লুটিয়ে পড়ি। জ্ঞান ফিরতে দেখি আষ্টেপৃষ্ঠে সারা গা বাঁধা, মুখে কাপড় গুঁজে দেয়া, একটা সিন্দুকে প’ড়ে আছি। কতভাবেই যে আমায় নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছে ওরা-ঠিক একটা পার্সেলের মতো, মালের বোঁচকার মতো। এ কোথায় আছি, আমি? জানি না। চারমাসেরও বেশি হবে, এ-ঘর ছেড়ে মুহূর্তের জন্যেও আমি কোথাও বেরুইনি, আর প্রত্যেকদিন এরা আমায় অকথ্য যন্ত্রণা দিয়েছে- সাঁড়াশি দিয়ে গায়ের চামড়া ছিঁড়েছে, প্রচণ্ড-জোরে চাবকেছে…

    ‘ওঃ!… লুইস!… লুইস!’ জেন তখনও ফোঁপাচ্ছে। ‘কিন্তু কে তোকে অমনভাবে মারে?’

    ‘সেটাই সবচেয়ে অধম!’ লুইসের গলাটা কেমন ভেঙে গেলো। ‘এ-সব নৃশংস কাজ যে কে করে, তা তুই স্বপ্নেও ভাবতে পারবি না। সে হ’লো…’

    হঠাৎ লুইস থেমে গেলো, কথা শেষ না-ক’রেই। তার বাড়ানো হাতটা দেখালো, করিডরে কার যেন ছায়া, আর তার চোখমুখে ফুটে উঠলো অবর্ণনীয় আতঙ্কের ছাপ।

    জেন পেছন ফিরে তাকিয়েই ভয়ে কেঁপে উঠলো, মুখচোখ বিবর্ণ হ’য়ে উঠেছে তার, নিজের অজান্তেই তার হাত চ’লে গিয়েছে তার জামার ভেতর, চেপে ধরেছে সেই তীক্ষ্ণধার খঞ্জর, যেটা সে কুড়িয়ে পেয়েছিলো কুবোর গোরস্থানে। তার চোখ রক্তরাঙা, তার মুখের কষ বেয়ে ফেনা গড়াচ্ছে, সারা মুখচোখেই যেন কোনো বন্যজন্তুর হিংস্র উল্লাসে বিকৃত, কিম্ভূত, ভয়াল, ভয়ংকর, করাল-দরজার সামনে দাঁড়িয়ে আছে আর কে?-হ্যারি কিলার!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএবং কালরাত্রি – মনোজ সেন
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    Related Articles

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }