Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প989 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.০৭ সিকাসোয়

    বারোই জানুয়ারী বারজাক মিশন এসে সিকাসো পৌঁছুলো, উপকূল থেকে কম ক’রেও সাতশো মাইল দূরে।

    ল্যক্সপান্‌সিয়ঁ ফ্রাঁসেঈ যদিও আমেদে ফ্লরেঁসের কাছ থেকে আর-কোনো নিবন্ধ পায়নি, সেই বিখ্যাত সাংবাদিকটি কিন্তু রোজকার ঘটনা সব খুঁটিনাটি সমেত এখনও তাঁর নোটবইতে লিখে চলেছেন : তাঁর সেই নোটবই থেকেই পরের বৃত্তান্তটা নেয়া হয়েছে।

    তাঁর নোটবই প’ড়ে জানা যায়, কান্কান থেকে সিকাসো অব্দি প্রায় একঘেয়ে বৈচিত্র্যহীন ভাবেই এগিয়েছে বারজাক মিশন, এমন-কোনো ঘটনাই ঘটেনি, যেটা অস্বাভাবিক বা অপ্রত্যাশিত ছিলো। কতগুলো রসিকতাও ছিলো তাতে, সাঁৎ- বেরাকে চাঁদমারি ক’রে, তাঁর সেই নামজাদা ভুলোমনের কাজকারবার নিয়ে। এছাড়া যেমন হয় পথে-ঘাটে, কতগুলো ঘটনা ঘ’টে যায়, কিন্তু কৌতূহল উসকে দেবার মতো উপকরণ তাতে কিছুই থাকে না। ৎশুমুকিকে দেখা গেছে তার পুরোনো দোস্ত তোঙ্গানেকে এড়িয়ে চলতে, বরং তার খাতির ক্রমেই বেড়ে যাচ্ছে অভিযানের প্রথম গাইড মোরিলিরের সঙ্গে—তবে এদের দোস্তি-দুশমনিতে কারুই কোনো আগ্রহ ছিলো না।

    কেনিয়ালালার ভয়াবহ ভবিষ্যদ্বাণীগুলো যে শিগগিরই একদিন ফ’লে যাবে, এমন কোনো লক্ষণই দেখা যায়নি কোথাও। আমেদে ফ্লরেঁস নিয়মিত তার নিবন্ধগুলো লিখেই চলেছেন, কিছুতেই তাঁর সাংবাদিকের রুটিনে ফাঁক পড়ে না, আর নিয়মিত সেগুলো ৎশুমুকির হাতে তুলেও দিচ্ছেন-আর সে একগাল হেসে ব’লেও যাচ্ছে যে সেগুলো সে পাঠিয়ে দেবার ব্যবস্থা করবে; আর কোনোকারণে সেগুলো যদি যথাস্থানে না-পৌঁছে থাকে, সাংবাদিকের তা জানবার কোনোই উপায় ছিলো না। সাঁৎ-বেরা এখনও অশ্বপৃষ্ঠে উপবিষ্ট হ’তে পারে। জেন মোনাসের হৃদয়েও কোনো মস্ত আঘাত পড়েনি—অন্তত প্রকাশ্যে দেখা যায় এমন-কোনো মর্মভেদী-কিছু ঘটেছে ব’লে মনে করার কোনো কারণ নেই। তবে আলংকারিক অর্থে হৃদয়ের আঘাতটা ফ’লে-যাবার একটা সম্ভাবনা রয়েছে বটে—অন্তত ফ্লরেঁস সেই-মর্মে একটা-দুটো মন্তব্য ক’রে রেখেছেন। আর ঐ চতুর্থ ভবিষ্যদ্বাণী—যেটা সবচেয়ে গুরুতর এবং সাংঘাতিক, সেটা ফলবার কোনো, আবারও জোর দিয়ে বলা যায় কোনোই, লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। মিশন ধ্বংস হ’য়ে যায়নি এখনও —মিশনের কেউই ক্রীতদাস হিশেবে এখনও হাটে-বাজারে বিক্রি হয়নি। কাপ্তেন মার্সেনের তত্ত্বাবধানে শান্তিপূর্ণভাবেই অভিযাত্রীরা এগিয়ে যাচ্ছে তাদের অভীষ্ট লক্ষ্যের দিকে : দুশো খোলাতলোয়ার বজায় রেখেছে শান্তি, গাধাঘোড়াগুলোর ওপর দিয়ে ধকল গেলেও তাদের কারু মুখ থুবড়ে প’ড়ে টেশে যাবার কোনোই সম্ভাবনা নেই, আর সেই-যে নদীতে কিছু-কিছু মালপত্তর ভেসে গিয়েছিলো, তারপর তাঁদের লটবহর থেকে আর-কিছুই খোয়া যায়নি।

    তাছাড়া, আমেদে ফ্লরেঁস তাঁর তৃতীয় নিবন্ধের শেষে যে অস্বস্তিকর সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন, সেটাকে সমর্থন ক’রে নতুন-কিছুই ঘটেনি। অভিযানের সারের ওপর অতর্কিতে এসে ঝাঁপিয়ে প’ড়ে কেউ কোনো হামলা চালায়নি, আর নতুন- কোনো কেনিয়ালালারও মুখোমুখি পড়তে হয়নি যে অভাবিত-সব ভাবী দুর্ঘটনার কথা ব’লে তাদের ঘাবড়ে দেবে। কাজেই মনে হয়, সাংবাদিকের অনুমান যদি ঠিকই হ’য়ে থাকে, কেউ-কেউ যদি এই মিশনকে ঘাবড়ে দিয়ে ফেরৎ পাঠাবার কোনো উদ্ভট মলবও এঁটে থাকে, সব দেখেশুনে এখন মনে হচ্ছে সে তার ঐ বদমলবটা বুঝি ত্যাগ করেছে।

    সত্যি বলতে, ফ্লরেঁস নিজেও এই চক্রান্তটা সম্বন্ধে পুরোপুরি মনস্থির ক’রে উঠতে পারেননি। যে-আড়াইখানা তথ্যের ওপর ভর করে তিনি তাঁর সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন, সেগুলো ক্রমেক্রমে নিতান্তই অস্পষ্ট মনে হয়েছে-পরে মন থেকে মিলিয়ে গেছে। যদিও অভিযান গিয়ে সিকাসো পৌঁছোয়নি—ভবিষ্যৎবাণী তো বলেছিলো তার পর থেকেই শুরু হবে উৎপাত—তবু প্রতিদিনই ফ্লরেঁস আরো- বেশি আশ্বস্ত বোধ করেছেন: দিনের আলোয় সবসময়েই মনে হয়েছে কথাটা নিতান্তই-উদ্ভট আর আজগুবি : নিরীহ কালো লোকেরা হঠাৎ এমন-একটা সশস্ত্র বাহিনীর ওপর আক্রমণ চালাতে যাবেই বা কেন?

    ফ্লরেঁস অবশ্য যদি খেয়াল করতেন কিছুদিন পরেই অভিযান দু-ভাগ হ’য়ে দুটো দল দুটো ভিন্ন পথে পাড়ি জমাবে, তাহ’লে হয়তো তাঁর অস্বস্তিটা তিনি এমনভাবে উড়িয়ে দিতেন না।

    কারণ সিকাসো থেকেই বারজাক মিশন দু-ভাগ হয়ে যাবে। একদল যাবে, খোদ বারজাকের নেতৃত্বে, নাইজার নদীর তীর ধ’রে, আর দাহোমে ঘুরে ফের ফিরে যাবে কোনোক্রিতে, অন্যদলটা বোদ্রিয়েরের নেতৃত্বে যাবে দক্ষিণদিকে– গ্রাঁ-বাসাম-এ। দুটো দলেরই সুরক্ষার জন্যে সশস্ত্র পাহারা দরকার হবে—ফলে যে সেপাইশাস্ত্রীরা সঙ্গে আসছে তারাও দুটো ভাগ হ’য়ে যাবে—একেক দলে থাকবে মোটে একশোজন সৈন্য।

    সিকাসো আসলে পর-পর পাশাপাশি কতগুলো গ্রামকে ঘিরেই গ’ড়ে উঠেছে— গ্রামগুলোর মধ্যে আছে চাষের জমি, যথারীতি তাতা দিয়ে ঘেরা; তারই মধ্যে ফরাশি সরকার গ’ড়ে তুলেছেন একটা গড়, আর সৈন্যসামন্তের থাকার জন্যে ছাউনি আর ব্যারাক।

    ঔপনিবেশিক পদাতিক বাহিনীর সঙ্গে-সঙ্গেই আছে সেনেগলি সেনাবাহিনী- অফিসাররা সবাই ফরাশি, এন-সি-ওও [নন-কমিশান্ড অফিসাররাও] তাই। এই তরুণ অফিসারদের আনন্দ উপচে পড়েছে, এই বারজাক মিশন এসে হাজির হ’তেই : কতদিন তারা দেশের লোকের মুখ দ্যাখেনি, প’ড়ে আছে এই বিদেশ- বিভূঁইতে। আনন্দটা উল্লাস হ’য়ে ফেটে পড়লো, যখন তারা আবিষ্কার করলে যে এই সেপাইশাস্ত্রীদের দায়িত্বে আছেন খোদ কাপ্তেন মার্সেনে, তাদেরই পুরোনো বন্ধু। আর উল্লাস প্রায় মহোল্লাসে পরিণত হ’য়ে গেলো যখন তারা দেখতে পেলে অভিযানের সঙ্গে আছে এক শ্বেতাঙ্গ তরুণী –এবং নিছক তরুণীই নয়, বুকের রক্ত চলকে দেবার মতো অপরূপ রূপসীও।

    একটা পোশাকি স্বাগতম্ জানানো হ’লো নবাগতদের। হাওয়ায় উড়লো তেরঙ্গা, তুরী-ভেরী বাজালো লা মার্সাঈ, ঢাক-ঢোল তুলে দিলে চনমনে নাচের ছন্দ, আর তোরণ সাজানো হ’লো ফুলে-পাতায়-আর চারপাশে ঘিরে রইলো আশপাশের গাঁ থেকে মেলা-দেখতে-আসা স্থানীয় লোকজন। কিছুই বাদ যায়নি, এমনকী সাংসদ বারজাকের শ্রীকণ্ঠ-নিঃসৃত আলংকারিক বচনে ভরপুর এক ভাষণও না।

    সেদিনই সন্ধেবেলায় তরুণ অফিসাররা ফুর্তির হাট বসালে এক মজলিশের ব্যবস্থা করে। তার মধ্যমণি মক্ষিরানি জেন মোর্‌নাস-আর তার সাফল্য এমনকী স্বয়ং ভীনাসও বোধকরি স্বপ্নেও ভাবতে পারতো না। সব্বাই তাঁকে ঘিরে থাকতে চায়, সকলেই চায় তাঁর কৃপাকটাক্ষ, তাদের এই নির্বাসনে এই সুন্দরীর একঝলক মৃদুহাসির জন্যে তারা হয়তো নিজেদের মধ্যে ডুয়েল লড়তেও রাজি ছিলো। তবে জেন মোরনাসের বিচক্ষণ মাথাটি কিন্তু এই দারুণ জনপ্রিয়তায় আদপেই ঘুরে যায়নি। যত স্তবস্তুতি কানে গেছে তাদের মধ্যে কাপ্তেন মার্সেনের স্তবস্তুতিই হয়তো সহজেই গিয়ে পশেছে তার মরমে। আর সে-যে পক্ষপাত দেখাচ্ছে একটু, এটা তার খেয়ালই হয়নি—এত-সহজ, এত-সরল, এত-স্বতঃস্ফূর্ত ছিলো তার কৃপাকটাক্ষ। ব্যাপার দেখে কাপ্তেন মার্সেনের পুরোনো বন্ধুরা পরে একটু দূরেই সরে গেলো, ব্যক্তিগতভাবে নিজেরা কৃতার্থ বোধ করেনি বটে, তবে তাদেরই এক বন্ধুর তো কপাল খুলে গেছে, এটাই যেন ছিলো তাদের মনের ভাব। তারা বরং গোপনে অভিনন্দন জানিয়েছে কাপ্তেন মার্সেনকে—আর মার্সেনে বৃথাই চেষ্টা করেছেন তাদের বোঝাতে যে, ‘না-না, এর মধ্যে হৃদয়ঘটিত কোনো ব্যাপার নেই’। মার্সেনে বরং তাদের দৃষ্টি থেকেই স’রে যেতে পারলে বাঁচতেন, বারে- বারে মাথা নেড়ে ইঙ্গিতে বোঝালেন যে এখনও হৃদয়ের কোনো গাঁটছড়া বাঁধবার মতো অবস্থা হয়নি, এমনকী এক-আধবার যেন বলবারও চেষ্টা করলেন, ‘তোমরা যে কী বলতে চাচ্ছো, তা-ই আমি বুঝতে পারছি না’। অথচ-কিন্তু না-বোঝবার মতো অসাড়-গবেট তিনি নন মোটেই, এই আমাদের কাপ্তেন মার্সেনে, উল্লাসে বরং তাঁর গলা ফাটিয়ে গান গেয়ে ওঠবার ইচ্ছে করছিলো। তাহ’লে তাঁর দিবাস্বপ্নগুলো ফ’লে গিয়েছে! জেন মোরনাসের মনের ভাব এতই স্পষ্ট ফুটে উঠেছে যে সকলেই তা বুঝতে পেরেছে—তিনি মিথ্যে ব্যাখ্যা ক’রে নিজেকে স্তোক দেননি! অর্থাৎ, এই সিকাসোয় এসেই এই তরুণ-তরুণী নিজেরাও উপলব্ধি করেছে পরস্পরের প্রতি তাদের মনের ভাব কী

    পরের দিন বসলো এক আলোচনা সভা। কেমন ক’রে দু-ভাগ করা হবে মিশনকে? বোদ্রিয়েরের সঙ্গে যাবেন মাদাম এইরিউ আর কিরিউ, তাঁদের ওপর ফ্রাসের নির্দেশ ছিলো সেইরকম, আর মসিয় তসাঁও তাঁদের সঙ্গ নেবেন, সেটা তাঁর নিজেরই অভিরুচি। বারজাকের দলে যাবেন মঁসিয় পঁসাঁ আর ডাক্তার শাতোনে! আমাদে ফ্লরেঁসও সেই দলেই যাবেন ব’লে ঠিক করেছেন। কেননা এ-পথটাই লম্বা বেশি, প্রতিবেদনের মালমশলাও এ-পথেই বেশি-জোটবার সম্ভাবনা।

    কাপ্তেন মার্সেনের নির্দেশে তাঁর সেপাইশাস্ত্রী থেকে একশোজনকে বেছে বেছে বোদ্রিয়রের দলটার সঙ্গে দিয়ে দেয়া হ’লো, তাদের নেতৃত্ব দেবে গড়েরই একজন লিউটেনান্ট। বাকি অর্ধেক লোকলস্কর নিয়ে মার্সেনে নিজেই থাকবেন বারজাকদের সঙ্গে। এ-সমস্ত ঠিকঠাক হচ্ছে, আর ভেতরে-ভেতরে তিনি জ্ব’লে-পুড়ে মরছেন : জেন মোর্নাস কোন দলের সঙ্গে যাবেন? প্রসঙ্গটা উত্থাপন করার পর যখন উত্তর মিললো যে জেন মোর্‌নাসও বারজাকের দলের সঙ্গে যাবেন, তখন কী- যে একটি স্বস্তির নিশ্বাস পড়লো তাঁর বুক চিরে। কিন্তু স্বস্তিটা খুব-একটা স্থায়ী হলো না, যখন শুনতে পেলেন যে জেন মোর্নাস ও সাঁৎ-বেরা মিদির মাননীয় সাংসদের সঙ্গে মাত্র কয়েকদিনই যাবেন কেননা কিছুটা যাবার পরেই তাঁরা ভিন্নরাস্তা ধরবেন, কেননা তাঁদের গন্তব্য আরো-উত্তরে, গভীর জঙ্গলে।

    সমবেত সমস্ত অফিসারদের মুখ থেকেই একসঙ্গে একটা আপত্তি উঠলো : ও-রকম ভাবে উত্তরের পথে এগুবার মস্ত ঝুঁকি আছে, দলছাড়া হ’য়ে নিজেরা ও-পথে গেলে কখন যে কী বিপদ-আপদ ঘ’টে যাবে তা কেউ জানে না-আর এ-বিষয়ে অফিসারদের কারু মধ্যেই কোনো মতভেদ নেই। কোনো লোকলস্কর সেপাইশাস্ত্রী বিনাই ঐ একেবারে-অচেনা-অজানা দুর্গম-পথে কেউ যায়? ওখানে তো এখনও ফরাশি শাসন কায়েমই হয়নি। এ-রকম কোনো অভিযান-তারা দৃঢ়স্বরে জানালে—সম্পূর্ণ-অসম্ভব, মিথ্যেই প্রাণ হাতে ক’রে যেতে হবে ওখানে, সমস্ত গ্রামপ্রধানরাই তাঁর রাস্তায় উপদ্রব করবে, বাধাবিপত্তি যে কত তার কোনো ইয়ত্তাই নেই।

    এত-সব বোলচালে কোনো ফলই হ’লো না। জেন মোর্‌নাস অনড়, অটল, অবিচল, –কেউ, এমনকী খোদ কাপ্তেন মার্সেনে শুদ্ধু, কেউই তাঁর ওপর কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি।

    ‘আপনারা খামকা আপনাদের সময় নষ্ট করছেন,’ হেসে বলেছেন জেন মোর্‌নাস, ‘তাতে ফল হবে শুধু এই যে আমার মামা মিথ্যেমিথ্যি ঘাবড়ে যাবেন- ঐ তাকিয়ে দেখুন কেমনভাবে ছানাবড়া চোখগুলো কপালে তুলে তিনি তাকিয়ে আছেন।’

    ‘আমি! ভয় পেয়েছি! কে বলে?’ অজেনর অমনি প্রতিবাদ তুলেছেন- তর্কাতর্কিতে এর পর তাঁরও প্রবেশ ঘ’টে গেছে।

    ‘হ্যাঁ, তুমি,’ জেন মোর্‌নাস নাছোড়। ‘তুমি তো ভয়েই আধমরা হ’য়ে গিয়েছো। জিগেস করো এঁদের—সবাই তা-ই বলবেন। তুমি কি এ-সব দুঃসংবাদের পাখিদের কিচির-মিচিরকে পাত্তা দেবে না কি?

    ‘আমি!’ বেচারা সাঁৎ-বেরা আকাশ থেকে পড়েছেন।

    ‘কীসের অত ভয় তোমার, বলো তো?’ স্ফুরিত অধরে চমৎকার হেসে জিগেস করেছেন জেন মোর্‌নাস। ‘ভাগ্নে, আমি তো তোমার সঙ্গেই থাকবো।’

    ‘কিন্তু কে বলে যে আমি ভয় পেয়েছি!’ সকলের দৃষ্টির সামনে অস্বস্তিতে ছটফট ক’রে জিগেস করেছেন সাঁৎ-বেরা।

    প্রসঙ্গটাকে ধামাচাপা দিয়ে, জেন মোর্‌নাস তারপর অন্যদের দিকে ফিরে তাকিয়ে বলেছেন, ‘না। আমি ইওরোপ ছেড়েছিলুম ওম্বোরি পেরিয়ে গিয়ে ঠিক নাইজার নদীর বাঁকে গিয়ে পৌঁছুবো ব’লে, গাও-য়ের কাছে ঠিক যেখানে নাইজার তার অদ্ভুত বাঁকটা ফিরেছে। এবং আমি ওম্বোরি পোরুবোই, গাওতে নাইজার নদীর বাঁকের কাছেও গিয়ে পৌঁছুবো।’

    ‘আর তুয়ারেগ বা আউয়েলিমিদেনের কথাটাও ভাবুন-ও-অঞ্চলে, নাইজার নদীর দু-তীরে, কাদের প্রতাপ, জানেন?’

    ‘তুয়ারেগের আমি থোড়াই পরোয়া করি, জেন মোর্‌নাস জানিয়েছেন, ‘ওরা আমায় ঠেকাতে পারবে না-হাজার বাধা দিলেও আমি আমার লক্ষ্যে গিয়ে পৌঁছুবো।’

    ‘কিন্তু গাও কেন? অন্য কোথাও তো হ’তে পারতো? আপনাকে যে ওখানেই যেতে হবে, এমন মাথার দিব্যি কে দিয়েছে? আপনি তো বেড়াতেই বেরিয়েছেন- এই সফর তো আনন্দ উপভোগ করবার জন্যেই?’

    ‘যেতে চাই আর-কি,’ জেন মোরনাসের নাছোড় সংকল্প।

    হ্যাঁ, তা বটে, অফিসাররা সবাই একমত। খুবই সাধু সংকল্প, আদ্যোপান্ত ফরাশি; খেয়ালকে অমনভাবে আর কেই-বা অমন সমীহ করে কোথাও?

    কম্যান্ডন্ট বের্গেজ বলেছেন, ‘তা ঠিক-এর চাইতে চমৎকার উদ্দেশ্য আর কী হ’তে পারে? কোনো মহিলা যখন কিছু চান, তখন তিনি কিছুই চান, আর এটাই শেষ কথা। সেখানে তর্ক তোলে কোন নচ্ছার? অন্তত আমি নই।’

    দলটা—অতএব—ভাগাভাগি হ’য়ে গেলো। লটবহর কিছু বেশি পড়লো বারজাকের দলে, সহিস এবং তল্পিবাহকও তাঁর দলেই কিছু বেশি, কেননা তাঁদের পথটা অন্যদের চাইতে দীর্ঘ। আর মোরিলিরেই তাঁদের গাইড হবে-এর লম্বাপথটার বেশির ভাগ জায়গাই তার চেনা।

    কিন্তু ব্যবস্থাটা পাকা করতে গিয়েই প্রথম গণ্ডগোলের সূত্রপাতটা হ’লো। তাকে কথাটা খুলে বলবামাত্র মোরিলিরে সোজাসুজি না ক’রে দিলে—তার না-র আর নড়চড় হবে না—মোটেই তাকে টলানো যাবে না তার গোঁ থেকে—কোনো যুক্তিতর্কে কান দেবার পাত্রই সে নয়। সে সোজাসুজি ব’লে দিলে, এই সিকাসো অব্দি আসবার জন্যেই তাকে নিয়োগ করা হয়েছিলো। তারপরে সারা জগতের ধনদৌলত উপঢৌকন দিলেও সে এখান থেকে আর একপাও যাবে না। যুক্তিতর্কে যখন কোনো কাজ হ’লো না, তখন তাকে শাসানো হ’লো, হুমকি দেয়া হ’লো, কিন্তু ঐ তর্জন গর্জনই সার : সে বরং বোদ্রিয়েরদের সঙ্গে দক্ষিণমুখো যাবে— কিন্তু বারজাকের সঙ্গে পুবমুখো–উঁহু, নৈব নৈব চ।

    শেষটায় তার জেদের কাছেই নতিস্বীকার করতে হ’লো অভিযাত্রীদের, কিন্তু গণ্ডগোলটা তাতেই কিন্তু মিটে গেলো না। সহিস আর তল্পিবাহকদের বেলায় ঝামেলাটা আরো-চরমে উঠলো। শুধু জেন মোর্‌নাস আর সাঁৎ-বেরা যাদের বহাল করেছিলেন, তারা ছাড়া আর সবাই একবাক্যে প্রস্তাবটায় বেঁকে বসলো। সিকাসো পেরিয়ে তারা আর কোথাও যাবে না। সাধাসাধি, ইনামের লোভ, কঠোর সাজার হুমকি-কিছুতেই কোনো ফল হ’লো না। বারজাক মিশন যেন মিথ্যেই একটা পাথরের দেয়ালের গায়ে মাথা ঠুকছে! এদের বুঝিয়ে-শুঝিয়ে আর-কিছুতেই রাজি করানো যাবে না।

    তখন খোঁজ-খোঁজ প’ড়ে গেলো, কোথায় মিলবে নতুন গাইড, নতুন সহিস, নতুন কুলিমজুর। সহিস বা তল্পিবাহক পেতে কোনো অসুবিধেই হলো না, কিন্তু নতুন-কোনো স্থানীয় লোক—যে এদিককার পথঘাট চেনে এবং তাঁদের পথ দেখিয়ে নিয়ে যাবে, এমন লোককে খুঁজে পেতে কয়েকটা দিন লেগে গেলো

    আর তৎক্ষণাৎ মোরিলিরের একটা হার্দ্য পরিবর্তন লক্ষ করা গেলো। এতদিন সে নির্বিকার ঔদাসীন্যের সঙ্গে এ-কান দিয়ে কিছু শুনেছে এবং ও-কান দিয়ে বার ক’রে দিয়েছে, এমনকী তাঁর গোঁয়ার্তুমির মধ্যে একটা বিজাতীয় বিতৃষ্ণাই লক্ষ করা গেছে এতদিন; কিন্তু যেই নতুন-একজন পথপ্রদর্শক জুটে গেলো, অমনি তার মধ্যে মস্ত-একটা বদল লক্ষ করা গেলো। সে নিজেই গিয়ে বারজাকের কাছে দরবার করলে, নিজের গোঁয়ার্তুমির জন্যে কান-টান মূলে মাফ চাইলে, বললে সে নানারকম গুজব শুনে বেজায় ভয় পেয়ে গিয়েছিলো ব’লেই অমন নারাজ হয়েছিলো, তবে সে এখন দাহোমে অব্দি মিশনের সঙ্গে যেতে একপায়ে রাজি, আসলে সে ভুলেই গিয়েছিলো যে তাকে দাহোমে অব্দি যাবার জন্যেই বহাল করা হয়েছিলো। আর তারই সঙ্গে-সঙ্গে পুরোনো সহিস আর কুলিদের মধ্য থেকেও সব-প্রতিরোধ উধাও, তারা একবাক্যে বললে তাদের গাইড তাদের যেখানে নিয়ে যবে, তারা সেখানেই যেতে রাজি—তবে রাজি হবার শর্ত একটাই : মোরিলিরেকেই তাদের গাইড করতে হবে।

    এই আকস্মিক ঐক্যমত্য দেখে এটাই বোঝা গেলো যে এই অপ্রত্যাশিত হরতালটার জন্যে মোরিলিরেই দায়ী ছিলো, সে-ই এদের পালের গোদা; গোড়ায় একঝলক তাই ভাবা হয়েছিলো তার প্রস্তাবে আর রাজি হওয়া ঠিক হবে না। তবে অভিজ্ঞ কোনো গাইডের সহায়তা সবসময়েই কাজে লাগে, তার ওপর সে তো মূলত এদিকটাতেই জন্মেছে, শেষে তার ঐ অবাধ্য আচরণটাকে আপাতত ভুলে-যাওয়াই ঠিক হবে ব’লে সাব্যস্ত হ’লো। ঠিক হ’লো, নতুন যে-গাইডকে নিয়োগ করা হয়েছে সে যাবে মঁসিয় বোদ্রিয়েরের দলটার সঙ্গে, আগেকার সহিস ও কুলিদেরও একটা দল যাবে সেইসঙ্গে—আর নতুনদের মধ্যে জনাকয়েক। মসিয় বারজাক সঙ্গে নেবেন মোরিলিরেকে, আর আগেকার সহিস ও তল্পিবাহকদের বড়োদলটাকে।

    এত-সব তর্কাতর্কি, দ্বিধা, এত-সব অদলবদল-এতে বেশ-কিছুটা সময়ের অপচয় হ’লো। তাঁরা সদলবলে বারোই জানুয়ারি এসে সিকাসোয় পৌঁছেছিলেন, কিন্তু একুশে জানুয়ারির আগে বোদ্রিয়ের আর বারজাকের পক্ষে তাঁদের ভিন্ন- ভিন্ন পথে যাওয়া আদপেই সম্ভব হয়নি।

    সেদিন, ঐ একুশে জানুয়ারি ভোরবেলায়, আবার সৈন্যদের একটা জমকালো কুচওয়াজ হলো, আবার হাওয়ায় পৎপৎ ক’রে উড়লো তেরঙ্গা, আবার বেজে উঠলো তুরী-ভেরী, আর বারজাক মিশন-তার পেছনে বোদ্রিয়ের মিশন- সৈন্যদের দুই সারের মাঝখান দিয়ে সারি বেঁধে রওনা হ’লো। গড় থেকে সৈন্যদল ‘সঙ্গে গেলো তাদের, শহরের শেষ মাথা অব্দি-সেখান থেকেই তারা বিদায় নেবে।

    তাতার ওপারে বিদায়সম্ভাষণের বহর আর বাহারা চললো, কোলাকুলি ক’রে গড়ের অফিসাররা শুভেচ্ছা জানালে মিশনকে, আর কিঞ্চিৎ আবেগতাড়িত হ’য়েই বারজাক আর বোদ্রিয়ের, সব মতভেদ-সত্ত্বেও, পরস্পরের করমর্দন করলেন। অবশেষে সেনাবাহিনী ফিরে গেলো ব্যারাকে, দুটো কনভয়ই রওনা হ’য়ে পড়লো— দুটো দল এবার দু-দিকে যাবে। বোদ্রিয়ের তাঁর দলবল নিয়ে যাবেন দক্ষিণমুখো, বারজাকরা রওনা হ’য়ে পড়েছেন পুবদিকে যাবেন ব’লে।

    এই দুই কনভয়, দুই সার লোক, সংখ্যায় প্রায়-সমান, অথচ এদের দুটির কপালে দু-রকম দশা জুটবে। বোদ্রিয়ের দলটাকে আদপেই কোনো বিপদে পড়তে হবে না, কোনো মুশকিলও তাদের হবে না। বোদ্রিয়ের বরং তাঁর অভীষ্ট মিশন ক’রে সংসদে গিয়ে তাঁর নিজের প্রতিবেদন পেশ করবেন যথাসময়েই। বারজাক ও তাঁর দলবল গিয়ে পড়বে এমন রগরগে, রুদ্ধশ্বাস, ও রোমাঞ্চকর অ্যাডভেনচারের মাঝখানে, এমনভাবে ঝাঁপ খাবে অদ্ভুত-কিম্ভূত যত বিপদ- আপদের মাঝখানে যে আগে থেকে ঘুণাক্ষরেও তা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। কল্পনার অমন তুলকালাম দৌড়ই বোধহয় এর আগে আর দেখা যায়নি।

    কাজেই বোদ্রিয়েরের দলবলের পথে তুচ্ছ ও নগণ্য যে-সব ঘটনা ঘটবে, সেগুলোকে উপেক্ষা ক’রেই এই আখ্যায়িকা অতঃপর শুধু তাদেরই পেছন-পেছন যাবে, যারা গেছে পুবমুখো, যাদের পথপ্রদর্শক অভিজ্ঞ গাইড মেরিলিরে, যারা গিয়ে ঢুকবে আফ্রিকার অন্ধকারতম নিবিড় অরণ্যে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএবং কালরাত্রি – মনোজ সেন
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    Related Articles

    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 14, 2025
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    November 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }