Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভার্ন এক পাতা গল্প982 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.০৫ নতুন বন্দীশালা

    ৫. নতুন বন্দীশালা

    তাহ’লে তোঙ্গানে শুধু বেঁচেই নেই, পরে তার কথা থেকে জানা যাবে, কুবোর ঐ আচমকা হানার সময় তার গায়ে একটা আঁচড় অব্দি লাগেনি। হানাদারদের সন্ধানীআলোগুলো তার গায়ে পড়েনি; সে অন্ধকারে গা ঢাকা দিয়ে চটপট গাছপালার আড়ালে মিলিয়ে যেতে পেরেছে; হানাদাররা অন্যদের নিয়ে এতটাই ব্যস্ত ছিলো যে তাকে নিয়ে আর মাথা ঘামায়নি।

    তবে তার মাথায় কিন্তু তার প্রভুদের ছেড়ে যাবার কথা একবারও স্থান পায়নি, তাছাড়া মলিকও তো তাঁদেরই সঙ্গে থেকে গেছে। সে এমনকী মনে-মনে ভেবেছিলো তাঁদের কাছে এসে তাঁদের সাহায্য করবে, কিন্তু পরক্ষণেই সে ভেবে দেখেছে সে তাঁদের সবচেয়ে কাজে লাগতে পারবে যদি সে তার স্বাধীনতা অক্ষুণ্ণ রাখে।

    পালিয়ে নিজের প্রাণ বাঁচাবার বদলে, সে কিন্তু আগাগোড়া হানাদারদের অনুসরণ ক’রে এসেছে। মরুভূমি পেরুবার সময় তাকে যে কত কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে, তা সে কোনোদিনই ভাষায় ব’লে বোঝাতে পারবে না, সে-এক অবর্ণনীয় অভিজ্ঞতা, সে শুধু সারাক্ষণ ফেউয়ের মতো তাদেরই পেছনে লেপটে থেকেছে যারা মলিককে নিয়ে ব্ল্যাকল্যাণ্ড আসছিলো। তারা যেখানে-যেখানে থেমে খাওয়াদাওয়া করেছে পরে সেখানে এসেই তাদের পাতের ফেলে-দেয়া খাবার কুড়িয়ে-বাড়িয়েই নিজেকে কোনোরকমে টিকিয়ে রেখেছে সে। পায়দলে এসেছে বটে, তবু তাদের ঘোড়ার সঙ্গে সে তাল রেখেছে –দিনে অন্তত কুড়িমাইল পথ পেরিয়েছে সে ঐ ধূ-ধূ তপ্ত বালির ওপর

    একেবারে ব্ল্যাকল্যাণ্ডের কাছে না-এসে সে কখনও তাদের নাগাল ছাড়েনি। যেই তারা চাষের জমির কাছে এসে পড়েছে, সে থমকে গিয়েছে, অপেক্ষা করেছে কখন রাত নামে প্রকাশ্য দিবালোকে এই অজানা দেশে পা দেবার ঝুঁকি নেবার সাহস তার হয়নি। তারপর ভোরবেলার দিকে লুকিয়ে পড়েছে গাছপালার আড়ালে ঘন ঝোপের মধ্যে, তারপর সকালে যখন ব্ল্যাকল্যান্ডের কালো গোলামরা খেতে কাজ করতে এসেছে, সে মিশে গিয়েছে তাদের মধ্যে, সারাদিন তাদেরই সঙ্গে হাতে হাত লাগিয়ে সে কাজ করেছে, তাদেরই সঙ্গে পাহারার ছড়ির ঘা খেয়েছে- আর পাহারারা আর-কিছু পারুক না-পারুক দু-হাতে ছড়ি চালাতে ওস্তাদ, আর তার পর ঐ আফ্রিকিদের সঙ্গেই ফিরে এসেছে শহরের কেন্দ্রীয় অংশে, সন্ধেবেলায়, কেউ তার দিকে একবার দৃপাতও করেনি।

    একদিন একটা পরিত্যক্ত ভাঙাচোরা কুঁড়েবাড়ির মধ্যে এই রশির বাণ্ডিলটা কুড়িয়ে পেয়েছে। তারই সাহায্যে সে তথাকথিত বেসরকারি নাগরিকদের পেছন- পেছন আসতে পেরছে, শেষ অব্দি এসে পৌঁছেছে নদীর পাড়ে, যেখানে পুরো দুটো দিন সে লুকিয়ে থেকেছে একটা পয়ঃপ্রণালীর মুখে, তাকে-তাকে অপেক্ষা ক’রে থেকেছে কখন সুযোগ আসে।

    আর তারই মধ্যে সে দেখেছে বন্দীরা সবাই রোজ সন্ধেয় বুরুজের ওপরে এই প্ল্যাটফর্মের ওপরে এসে ওঠেন, কতবার সে তাঁদের দৃষ্টি আকর্ষণ করবার চেষ্টা করেছে। কিন্তু তাঁরা একবারও তার দিকে তাকাননি। যে-সুযোগটার সে অপেক্ষা করছিলো, সেটা ৮ই এপ্রিল অর্থাৎ তৃতীয় দিনের আগে আসেনি। সেদিন সন্ধে থেকেই আকাশে ঝুলেছিলো ভারি ভারি বাদলমেঘ, আর অন্ধকার ঘনিয়ে এসেছিলো, তারই সুযোগ নিয়ে সে বেরিয়ে এসেছে ঐ নর্দমার মুখ থেকে, আর ওপরে এই রাশিটা ছুঁড়ে দিয়েছে তার প্রভুদের কাছে, যার সাহায্যে শেষটায় এসে তাঁদের সঙ্গে যোগ দিতে পেরেছে।

    এত-সব কথা অবশ্য সে তখন বলেনি, এই বৃত্তান্তটা জানা গেছে অনেক পরে। আপাতত সে শুধু এই কথাই বলেছে যে সে যেভাবে রশিটা ধ’রে ঝুলতে ঝুলতে এখানে এসে পৌঁছেছে, সেই একই উপায়ে তো তাঁরাও এখান থেকে পালিয়ে যেতে পারেন। নিচে তাঁরা দেখতে পাবেন একটা নৌকো, অনেক কষ্টে এই ছোট্ট ডিঙিটা সে বাগাতে পেরেছে, তাঁদের শুধু রাঙানদী ধ’রে এই নৌকো বেয়ে কেটে পড়তে হবে।

    বলাই বাহুল্য, কোনো আলোচনা না-ক’রেই তক্ষুনি এই ফন্দিটা কাজে খাটানো হয়েছে। চারজনে বৈঠা হাতে নিয়েছেন, তরতর ক’রে খরস্রোতও ব’য়ে যাচ্ছিলো, ঘণ্টায় অন্তত ছ-মাইল পথ তাঁরা চ’লে যেতে পারবেন। তাঁরা যদি এগারোটার মধ্যে বেরিয়ে পড়তে পারেন, তাহ’লে সকাল হবার আগেই একটানা নৌকো বেয়ে অন্তত পঁয়তাল্লিশ মাইল চ’লে যেতে পারবেন। তাতে তাঁরা যে সাইক্লোস্কোপের যান্ত্রিক নজরটাই এড়াতে পারবেন তা নয়, তাঁরা তীরের গাছপালাগুলোর ছায়ায়- ছায়ায় আশ্রয় নিয়ে চাষের জমি ছড়িয়ে মরুভূমিতে বসানো শেষ পাহারারও নজর এড়িয়ে যেতে পারবেন। পরে হেলিবিমানের নজর এড়াবার জন্যে নদীর কোনো- কোনো খাঁড়িতে লুকিয়ে কাটিয়ে দেবেন, আর রাতে ফের নৌকো বেয়ে চলতে পারেন—যতক্ষণ-না গিয়ে নাইজারের জলে পড়েন। সায়ীর ঠিক উত্তরেই বিকিনি ব’লে একটা গ্রাম আছে, রাঙানদী নিশ্চয়ই সেখানে গিয়ে নাইজারের সঙ্গে মিশেছে। কেননা রাঙানদী প্রধানত পুরোনো, শুকিয়ে যাওয়া উয়েদ তাফাসেৎ-এর খাত ধ’রেই এগিয়েছে। অর্থাৎ পুরোটাই সবশুদ্ধু ২৮০ মাইল জলপথ পাড়ি দেবার প্রশ্ন, তার মানে দাঁড়াবে চার বা পাঁচরাতের মামলা।

    চট ক’রে দু-চার কথায় পরিকল্পনাটা ভেঙে বলবামাত্র তক্ষুনি সেটা কাজে খাটাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু প্রথমে, অবশ্য, ৎশুমুকির হাত থেকে ছাড়ান পেতে হবে –সে প্রায়ই সন্ধেবেলায় গ্যালারি বা প্ল্যাটফর্মের আশপাশেই ঘুরঘুর করে। তার কখন মর্জি হবে, সে কখন বিদায় নেবে, তার জন্যে সবুর করার সময় নেই, যা করবার এক্ষুনি ক’রে ফেলতে হবে তাঁদের।

    জেন ব্লেজন, অকম্মার ধাড়ি মঁসিয় পঁসা আর তোঙ্গানেকে বুরুজটার ওপরে রেখে, অন্য বন্দীরা তখন সিঁড়ি বেয়ে নিচে নেমে এসেছেন। সিঁড়ির ওপরের পইঠা থেকে ৎশুমুকিকে নিচের তলায় দেখা গেছে; সে তার ঢিলেঢালা অলস ভঙ্গি তে দিনের কাজ শেষ করেছে। তাঁদের দিকে একবারও তাকায়নি সে, কেননা হঠাৎ তাঁদের সন্দেহ করবার কোনো কারণই তার ছিলো না; আর তাই তাঁরা চারপাশ থেকে তাকে ঘিরে ধরতে পেরেছেন—কিন্তু সে তাঁদের মলব ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি।

    যেমন ঠিক ক’রে রাখা হয়েছিলো, সাঁৎ-বেরা গিয়েই আক্রমণটা প্রথমে শুরু করেছেন; তাঁর পেশীবহুল হাত আচমকা তার গলা জড়িয়ে ধরেছে, অন্য হাতটা থাবার মতো পড়েছে তার মুখে এতই অতর্কিতে যে সে টু শব্দটিও করবার সুযোগ পায়নি। অন্য তিনজনে তারপর চেপে ধরেছেন তাঁর হাত-পা, আষ্টেপৃষ্ঠে পিঠমোড়া ক’রে শক্ত ক’রে বেঁধে দিয়েছেন, মুখে কাপড় গুঁজে দিয়ে বেঁধে দিয়েছেন যাতে সে কোনো আওয়াজ করবারও সুযোগ না-পায়। তারপর তাকে ঐ কুঠুরিগুলোর একটায় ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে, বাইরে থেকে দরজায় তালা আটকে চাবিটা ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন রাঙানদীর জলে। এতে অন্তত তাঁদের পালাবার খবরটা যতটা সম্ভব বাড়তি কিছুক্ষণ চেপে রাখা যাবে।

    এ-কাজটা সেরে প্ল্যাটফর্মে ফিরতে-না-ফিরতেই এতক্ষণ শাসাবার পর সারা আকাশ ফেটে পড়েছে, মুষলধারে বৃষ্টি নেমেছে, প্রায়-একটা খ্যাপা-ঝড়েরই তাণ্ডব, আর তাঁরা ভিজে জবজবে হয়ে গেছেন। এই ঝড়তুফানও তাঁদের উপকারেই আসবে। কুড়ি গজ দূরেই নজর যায় না এখন, সব যেন এই অবিশ্রাম তরল পর্দায় ঢাকা, আর নদীর ওপারে মেরিফেলোদের আস্তানার আলো এত দূর থেকে কাউকেই এই বৃষ্টির মধ্যে ফুটিয়ে তুলবে না।

    তারপর এক-এক ক’রে নির্বিঘ্নেহ ঐ রাশি ধ’রে ধ’রে নিচে নেমে এসেছে তাঁরা, সব-আগে গিয়ে নেমেছেন আমেদে ফ্লরেঁস আর সব শেষে তোঙ্গানে, রশির নিচের দিকটা শক্ত ক’রে নৌকোর নোঙরের সঙ্গে বাঁধা, রশিটা টলোমলো করেছে বটে কিন্তু অসুবিধে হয়নি। জেন ব্লেজন শুদ্ধ সরসর ক’রে রশিটা ধ’রে নেমে এসেছে, যেন এ-কাজে সে কতই অভ্যস্ত।

    প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে নেমে পড়বার আগে তোঙ্গানে রশিটা রেলিঙ থেকে খুলে নিয়েছিলো, তারপর রেলিঙের অন্যপাশ দিয়ে রশির প্রান্তটা ঝুলিয়ে দিয়েছিলো, দুইহাতে এই দু-পাল্লার দড়ি ধ’রে সে নেমেছে তারপর, নেমেই দড়ির একটা প্রান্ত ধরে টান দিতেই দড়িটা খুলে এসেছে—কীভাবে বন্দীরা পালিয়েছে তা বোঝবার কোনো উপায়ই এখন নেই।

    দশটার একটু বাদে নোঙর তোলা হয়েছে নৌকোর, আর প্রবল স্রোত তাকে ভাঁটির দিকে টেনে নিয়ে গেছে। পলাতকেরা গুঁড়ি মেরে নৌকোর পাটাতনের সঙ্গে প্রায় মিশে গিয়েই লুকিয়েছিলেন; যখন স্রোতের টানে নৌকো শহরের বাইরে চ’লে এসেছে, প্রায় ছশো গজ দূরে, তখনই তাঁরা উঠে ব’সে চেপে ধরেছেন দাঁড়, আর নৌকোর গতিও আরো অনেকগুণ বেড়ে গিয়েছে। এতক্ষণ, বৃষ্টি যদিও একটা আবছায়া পর্দার আড়ালে তাঁদের ঢেকে রেখেছিলো, তবু তারা ভেবেছেন যতটা- সম্ভব গুঁড়ি মেরে থাকা যায় ততই ভালো—কোথায় যে তাঁরা চলেছেন, সেটা আপতত না-দেখলেও চলবে।

    কিছুক্ষণ পরে ঠিক যখন তাঁরা ভেবেছেন তাঁরা শহরের বাইরে চ’লে এসেছেন, তখন আচমকা নৌকো গিয়ে কিসের গায়ে যেন ধাক্কা খেয়ে আটকে গিয়েছে। হাড়ে-হাড়ে তারপর তাঁরা কারণটা আবিষ্কার ক’রেই হতাশায় ভ’রে গিয়েছেন : ওপর থেকে সারি-সারি লম্বা-লম্বা শিক নেমে এসেছে, ঠিক কোনো জানলার গরাদের মতো—তার ওপর দিকটা নিরেট ধাতুর পাতে মোড়া, আর শিকগুলো সোজা নেমে গিয়েছে নিচে, জলের তলায়। তাঁরা এ-পাশ থেকে ও-পাশ গেছেন—নদীর পুরো চওড়া প্রসারটাই, কিন্তু খামকাই —দুটো প্রান্তই দুই তীরে বাঁধা—এক তীরে বেসরকারি নাগরিকদের বসতি, আর মেরিফেলোদের আস্তানা – অন্য তীরটায় কারখানা ঘিরে গেছে সেই বৃত্তাকার রাস্তা।

    আর ততক্ষণে মর্মান্তিক বাস্তবটা মাথায় ঢুকেছে তাঁদের : পালাবার কোনো রাস্তাই নেই তাঁদের সামনে!

    হ্যারি কিলার ঠিকই বলেছিলো : তার হুঁশিয়ারি একেবারে নিখুঁতভাবে পলাতকদের সব পথই আটকে দিয়েছে। দিনের বেলায় শিকগুলো ওপরে তুলে দেয়া হয়, রাতের বেলায় শিকগুলো নামিয়ে দিয়ে রাঙানদী দিয়ে যাবার পথ আটকে দেয়া হয়।

    এতটাই তাঁরা মুষড়ে পড়েছিলেন যে, কতক্ষণ মোহ্যমান বসেছিলেন তার কোনো হিশেব ছিলো না। এতটাই হাল ছেড়ে দিয়েছেন ঐ তুমুল বর্ষার প্রচণ্ড ঝাপটাও যেন আর গায়ে লাগছিলো না—অথচ বৃষ্টির ছাঁট যেন প্রায় মাংস ফুঁড়ে, হাড়ে-হাড়ে গিয়ে বিঁধছিলো। ফিরে-যাওয়া মানেই নিজের থুতু গেলা, এবার রাজভবনে তাঁদের হাতে-পায়ে বেড়ি পড়বে। না, সেটা কিছুতেই সম্ভব নয়। কিন্তু এছাড়া করবেনই বা কী তবে? শিক বেয়ে, ওপরে যদি-বা উঠতে পারেন ঐ নিরেট মসৃণ ধাতুর পাত বেয়ে উঠবেন কী ক’রে—ওপরে না-উঠে তো আর তা টপকানো যাবে না! নৌকোটাও টেনে-হিঁচড়ে ওপরে তুলে ও-পাশে নিয়ে যাওয়া যাবে না। আর ডাঙায়? বাম পাশে কারখানার জগৎ, আর ডানতীরে মেরিফেলোদের আস্তানা। সবদিক থেকেই রাস্তা বন্ধ।

    ‘এখানে আশা করি আমাদের ঘুমুতে হবে না,’ শেষটায় স্তব্ধতা ভেঙে বলেছেন আমেদে ফ্লরেঁস।

    ‘তাহ’লে এখন আপনি আমাদের কোথায় যেতে বলেন,’ মঁসিয় বারজাক এখনও তাঁর হতাশার ধাক্কাটা সামলে উঠতে পারেননি।

    ‘কোথায়, তাতে কিছুই এসে যায় না—তবে মহামহিম পরমপ্রতাপাদিত্য হ্যারি কিলারের সকাশে ফিরে-যাওয়া চলবে না,’ সাংবাদিকটি উত্তর দিয়েছেন। ‘আমাদের যখন বাছাই ক’রে নেবার খুব-একটা সুযোগ নেই, তখন আমরা কেন নতুন-কোথাও গিয়ে ঘর ভাড়া করি না—এই যাকে ওরা কারখানা বলে। হয়তো তপ্ত তাওয়া থেকে আগুনে গিয়ে পড়বো—কিন্তু তবু তো তাতে একটা নতুনত্ব থাকবে!’

    কিন্তু তাছাড়া আর করারই বা কী আছে? হয়তো, শহরের বাকি সব অংশের চাইতে সম্পূর্ণ ভিন্ন এই অণুবিশ্বটায় কোনো সাহায্য মিলে গেলেও যেতে পারে। আর যা-ই ঘটুক, হ্যারি কিলারের কাছে ফিরে যাওয়ার চাইতে তো অধম-কিছু হবে না—তবে চেষ্টা ক’রে দেখতে দোষ কী?

    তাঁরা তারপর এক-এক ক’রে বামতীরেই উঠে পড়েছেন, আর একটু উজানে এগিয়ে তাঁরা এসে পড়েছেন একটা রাস্তার মোড়ে, সেটা প্রায় পঞ্চাশগজ চওড়া, সেটাই চারদিক থেকে কারখানাকে পেঁচিয়ে আছে। বৃষ্টি এমনই মুষলধারে পড়ছে যে রাস্তার এ-পাশ থেকে ও-পাশেও নজর চলে না।

    যদিও প্রকৃতির এই তর্জনগর্জন অন্যসব আওয়াজকেই ঢেকে ফেলেছে, তবু যতটা সম্ভব সন্তর্পণে, চুপিসাড়েই, তাঁরা এগিয়েছেন। আর আদ্ধেকটা রাস্তা পেরিয়েই থমকে থেমে পড়েছেন।

    একটু-একটু দেখা যাচ্ছে, এই বৃষ্টির পর্দার মধ্যেও, বড়ো-জোর কুড়ি গজ দূরে, কারখানার পশ্চিম আর উত্তর দেয়াল জুড়ে গিয়ে যে-কোণটা তৈরি করেছে–উত্তরের যে-দেয়ালটা শহরের সীমার বাইরের সমান্তরালভাবে এসেছে, আর অন্য দেয়ালটা গেছে উজানে, নদীর পাড় ধ’রে। রাজভবনের সেদিকটার দেয়ালটা যেমন, এই দেয়াল কিন্তু সরাসরি নদীর জলে গিয়ে নেমে পড়েনি, বরং জল থেকে আলাদা হ’য়ে গিয়ে সেখানে একটা চওড়া ঘাট তৈরি ক’রে দিয়েছে।

    এবার পলাতকরা ধাঁধায় প’ড়ে গেছেন : কোন্‌দিকে যাবেন? তারা বরং একটুখানিই দেখতে পেয়েছেন কারখানার ঠিক মোড়টাতেই, ভারি-বিপজ্জনক জিনিশ শাস্ত্রীর পাহারার ছোট্ট কুঠুরি-বৃষ্টির মধ্যে দিয়েও যার ধ্রুপদী বহিঃরেখা আবছাভাবে চেনা যাচ্ছে। শাস্ত্রীর পাহারাকুঠুরির মর্মার্থ : ওখানে শাস্ত্রী আছে। যদি সে বাইরে না-দাঁড়িয়ে থাকে, কারণ তাকে সেখানে দেখা যাচ্ছে না, তাহ’লে নিশ্চয়ই সে বৃষ্টির জন্যে কুঠুরিটার মধ্যে গিয়ে আশ্রয় নিয়েছে।

    কিন্তু তাই ব’লে তাঁরা তো সারারাত সেখানে বৃষ্টির মধ্যে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারেন না। এ-বৃষ্টি যদি হঠাৎ থেমে যায়, আর শাস্ত্রী যদি ফের তার কুঠুরি থেকে বেরিয়ে আসে, তাহলে তাঁরা চট ক’রেই ধরা প’ড়ে যাবেন।

    সঙ্গীদের, ইঙ্গিতে, তাঁকে অনুসরণ করতে জানিয়ে আমেদে ফ্লরেঁস রাঙানদী থেকে কয়েক পা স’রে এলেন, তারপর রাস্তাটা পেরিয়ে চ’লে এলেন অন্যপাশে সবসময়েই কারখানার দেয়ালের গা ঘেঁসে। এবার তাহ’লে তাঁরা শাস্ত্রীর পাহারাকুঠির পেছন দিয়ে যেতে পারবেন, কেননা তার দরজাটা নিশ্চয়ই নদীর দিকেই।

    মোড়টায় এসে, তাঁরা থমকে দাঁড়িয়ে পরবর্তী পদক্ষেপটা ভেবে নেবার জন্যে দাঁড়িয়ে পড়েছেন আবার; তারপর আমেদে ফ্লরেঁস, সাঁৎ-বেরা, আর তোঙ্গানে মোড় ঘুরে গিয়ে পৌঁছেছেন ঘাটে, আর সেখান থেকে হুড়মুড় ক’রে ছুটে গিয়ে ঢুকেছেন শান্ত্রীকুঠিতে।

    মেরিফেলোদের একজন, অর্থাৎ জনৈক হর্ষচরিত, সেখানে ছিলো বটে। অতর্কিত হামলায় এতটাই বোমকে গিয়েছিলো যে সে তার অস্ত্রে হাত দেবারই কোনো সুযোগ পায়নি, আর তার চীৎকারটা ঝড়ের দাপটের মধ্যে চাপা প’ড়ে হারিয়ে গেছে রাতের হাওয়ায়। সাঁৎ-বেরা শুধু তাঁর ঘাড়টা ধ’রে তাকে তুলে ধ’রে আছাড়া মেরেছেন মেঝেয়, ঠিক যেমনভাবে তিনি খানিক আগেই আছাড় মেরেছিলেন ৎশুমুকিকে—আর এই গোরাও আগেকার কালাআদমির মতো তেমনি অসাড় লুটিয়ে প’ড়ে থাকলো।

    তোঙ্গানে ছুটে গেলো নৌকোয় নিয়ে এলো সেই রশির কুণ্ডলি, আর সেটা দিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা হ’লো এই তথাকথিত হুল্লোড়বাজ হর্ষচরিতকে। তারপর আর এক মুহূর্তও সময় নষ্ট না-ক’রে, পলাতকরা উজান ধ’রে এগুলেন রাজভবনের দিকে, কারখানার দেয়াল ঘেঁসে সার বেঁধে পর-পর তাঁরা চলেছেন।

    কারখানার অন্যতম অদ্ভুত বৈশিষ্ট ছিলো এটাই যে বাইরের দিক থেকে খোলবার কোনো দরজাই নেই। এপ্ল্যানেডের দিকে একটাও দরজা ছিলো না, সেটা তাঁরা বুরুজ থেকেই লক্ষ করেছেন। উলটো দিকটাতেও কিছু দেখা যাচ্ছিলো না—অন্তত বৃষ্টির পর্দার মধ্য দিয়ে তাকিয়ে তা-ই মনে হয়েছে। আর, এখন মনে হচ্ছে উত্তরদিকটায় ঠিক নদীর গায়ে এসে শেষ হয়েছে কারখানা—কিন্তু এখানেও কোনো দেয়াল নেই।

    তবে, একটা ঘাট যখন আছে, সেটা নিশ্চয়ই কোনোকিছুর জন্যে ব্যবহার করা হয়। নৌকো ক’রে মালপত্র এলে এই ঘাটে এনেই নিশ্চয়ই মাল খালাশ করা হয়, তা ছাড়া আর-কোন রাজকার্যের জন্যে এই ঘাট এত যত্ন ক’রে বানানো হয়েছে? অতএব মালগুলো কারখানার ভেতরে নিয়ে যাবার জন্যে অবশ্যই কোনো ব্যবস্থা আছে এখানে।

    এবং তাঁদের যুক্তিতর্কে ভুল ছিলো না। প্রায় দেড়শো গজ এগিয়ে এসে পলাতকেরা একটা মস্ত দরজা দেখতে পেয়েছেন দেয়ালের গায়ে, সেটা পুরু ধাতুর পাত দিয়ে বানানো, গোটাটাই ইস্পাতের, বর্মের মতো দুর্ভেদ্য। বাইরে থেকে তার কড়া, বা ছিটকিনি, বা কোনো খিল নেই। কী ক’রে খুলবেন তাঁরা, তাহ’লে এই দরজা? কেমন ক’রেই বা এটাকে ভেঙে ফেলবেন? ভেতরের কাউকে ডেকে যে নিজেদের দুরবস্থার কথা জানাবেন, তারও কোনো জো নেই—কেননা অন্যসব শাস্ত্রীরা নিশ্চয়ই পাহারায় মোতায়েন আছে আশপাশেই, ডাকাডাকি শুনলে তারাই প্রথমে ছুটে আসবে।

    এই মস্ত দরজাটার পাশেই, আরো কয়েক পা উজিয়েই, আরো-একটা দরজা, অমনি ইস্পাতে তৈরি, আগেরটার চাইতে অনেক-ছোটো, আর প্রকাণ্ড-একটা তালা দিয়ে আটকানো। চাবি নেই, তালাটা যে খুলবেন এমন-কোনো যন্ত্রপাতিও নেই, ফলে ওতেই বা কোন্ ফায়দা হবে?

    অনেকক্ষণ ভেবে, পলাতকেরা যখন ঠিক করেছেন দরজাটার গায়ে দুমদুম ক’রে গুষি কষাবেন, কিংবা দরকার হ’লে লাথি-এমন সময়ে এপ্ল্যানেড থেকে উজান ধরে একটা ছায়ামূর্তি তাঁদের দিকে এগিয়ে এলো। মুষলধারের বৃষ্টির মধ্যে, আবছায়ার মতো ছায়ামূর্তিটা ক্রমেই তাঁদের দিকে এগিয়ে আসছে। যেহেতু ঘাট থেকে বৃত্তাকার রাস্তায় যাবার আর-কোনো উপায়ই নেই, এই নিশাচর নিশ্চয়ই ঘাটের কোনো-একটা দরজার দিকেও এগুচ্ছে।

    এখন আর চট ক’রে আশপাশে কোথাও স’রে যাবার উপায় নেই দেখে পলাতকেরা বড়ো দরজাটার ছাঁইচটার তলায় যতটা সম্ভব কুঁকড়িমুকড়ি দিয়ে দেয়াল ঘেঁসেই দাঁড়িয়ে রইলেন। খানিকটা গুঁড়ি মেরে থাকার ভঙ্গি, যাতে প্রথম সুযোগেই আগন্তুকের গায়ে ঝাঁপিয়ে পড়া যায়।

    আগন্তুকটি কিন্তু দিব্বি নিশ্চিন্তভাবে, কোনো সন্দেহ না-ক’রেই, এগিয়ে আসছে। এতটাই কাছে এসে পড়েছে, হাত বাড়ালেই বুঝি তাকে ছোঁয়া যাবে। তার ভাবেভঙ্গি তে এমন-কোনো লক্ষণই নেই যে সে তাদের দেখতে পেয়েছে। দেখাই যাক্ কী হয়-খামকা কারু ওপর হামলা চালাবার কোনো মানে হয় না, পলাতকেরা ততক্ষণে এমনি একটা সিদ্ধান্ত ক’রে নিয়েছে।

    আগন্তুকের এই বিস্ময়কর দৃপাতবিহীন চালচলন দেখে, বুকে সাহস সঞ্চয় ক’রে, একজন-একজন ক’রে পলাতকেরা তার পেছনে এসে দাঁড়িয়েছিন পায়ে – পায়ে। তারপর তাঁরা আগেই যা ভেবেছিলেন তা-ই হ’লো : আগন্তুক এসে ছোটো দরজাটার সামনে দাঁড়িয়ে তাঁর চাবিটা ঢুকিয়েছেন তালায়, পেছনে তাঁরা পর-পর দাঁড়িয়ে, একটু বোধহয় উপবৃত্তাকারেই, আটজন দর্শক, হুঁশিয়ার, উৎকর্ণ—যাদের অস্তিত্বটাই যেন আগন্তুকের নজরে আসেনি।

    দরজা খুলে গেলো। আগন্তুক ভেতরে গিয়ে ঢুকতেই প্রায় তাকে ধাক্কা দিয়েই, পলাতকেরাও ভেতরে গিয়ে ঢুকেছেন। শেষে যে ঢুকেছিলো, সেই ভেতর থেকে টেনে পাল্লাটা বন্ধ ক’রে দিয়েছে।

    কিন্তু গভীর অন্ধকার এই ভেতরে। আর সেই অন্ধকারের মধ্য থেকেই একটা নরম স্বর ভেসে এ’লো, একটু যেন বিস্ময়মাখানো : ‘আরে! এর মানে কী? কী চান আপনারা? … হচ্ছেটা কী?’

    মিটমিটে একটা আলো জ্ব’লে উঠলো তারপরেই, ক্ষীণ হ’লেও এই ঘন অন্ধকারে তাকেই মনে হ’লো চোখ-ধাঁধিয়ে দেয়। জেন ব্লেজন তাঁর বিজলি মশালটা জালিয়েছে, যেটা কোকোরাতে একবার দারুণ কাজে লেগেছিলো। আর এই টর্চের আলো তক্ষুনি আলোর পাল্লায় পেয়েছে তোঙ্গানেকে, আর তাঁর মুখোমুখি, হালকাদীঘল একজন মানুষ, হালকা-সোনালি চুল, গায়ের জামাকাপড় থেকে অঝোরে জল ঝরছে, আর দেয়ালের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়ানো।

    পরস্পরকে ঐ টর্চের আলোয় দেখেই একসঙ্গেই দুজনে বিস্ময় চেঁচিয়ে উঠলো, যদিও দুজনের বিস্ময়ের স্বর আলাদা :

    ‘সার্জেন্ট তোঙ্গানে!’ হালকাপলকা মানুষটি অস্ফুট বিস্ময়ে বলে উঠলো। ‘মাসা কামারে!’ ব’লে উঠলো তোঙ্গানে, তার চোখদুটো ভীত, সন্ত্রস্ত, বিস্ফোরিত!

    কামারে….নামটা শুনেই জেন ব্লেজন শিউরে উঠেছে; এ-নামটা তার চেনা, তার দাদার পুরোনো বন্ধুদের একজনের নাম!

    আমেদে ফ্লরেঁসের মনে হয়েছে এবার তাঁর গায়ে প’ড়ে কিছু-একটা বলা উচিত। যে-লোকেরা একে-অন্যকে আগে থেকেই চেনে, তাদের পরস্পরেরর সঙ্গে আলাপ করিয়ে দেবার দরকার পড়ে না। আমেদে ফ্লরেঁস সামনে এগিয়ে এসে আলোর পাল্লার মধ্যে দাঁড়ালেন।

    ‘মঁসিয় কামারে, আমি আর আমার বন্ধুরা আপনার সঙ্গে একটু কথা বলতে চাই।’

    ‘এ আর বেশি কথা কী,’ শান্তগলাতেই বললেন মঁসিয় কামারে।

    তিনি একটা বোতাম টিপতেই ছাত থেকে বিজলি বাতি ঝলমল ক’রে উঠলো পলাতকেরা অমনি দেখতে পেলেন তাঁরা একটা কোঠায় এসে পড়েছেন, মাথার ওপর ছাদ আছে, কিন্তু ঘরে কোনো আশবাব পত্র নেই—অনেকটা কোনো হলওয়ের মতো।

    মার্সেল কামারে একটা দরজা খুলে দিতেই সিঁড়ির ধাপ দেখা গেলো। তারপর, একপাশে স’রে দাঁড়িয়ে, ভদ্রতা ক’রে শিষ্টাচারসম্মতভাবে বললেন : ‘আপনারা যদি অনুগ্রহ ক’রে ভেতরে আসেন।’

    সহজসরল কথা, তাতে কোনো ঘোরপ্যাঁচ নেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রায়শ্চিত্ত প্রকল্প – জুবায়ের আলম
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    Related Articles

    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }