Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভার্ন এক পাতা গল্প982 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.০৮ উদ্ধারের আহ্বান

    ৮. উদ্ধারের আহ্বান

    অত্যন্ত দুঃখিত চিত্তেই কাপ্তেন মার্সেনে বারজাক মিশনকে ছেড়ে এসেছিলেন, বিশেষত জেন মোর্‌নাস বলে যে-তরুণীর সঙ্গে আলাপ হয়েছিলো তাকে ছেড়ে আসতে তাঁরা আরো অনেক-বেশি কষ্ট হচ্ছিলো। তবু বিন্দুমাত্র দ্বিধা না-ক’রেই তিনি সদলবলে চলে এসেছিলেন, আর যেমন নির্দেশ ছিলো, সেগু-সিকোরো অব্দি দ্রুতবেগেই পড়িমড়ি ক’রে এসেছিলেন। আদ্যোপান্ত এক সামরিক অফিসার তিনি, কায়মনোবাক্যেই ফরাশি বাহিনীর কাছে সমর্পিতপ্রাণ, তার জন্যে যদি ব্যক্তিগত স্বার্থ বিসর্জন দিতেও হয়, সে নিয়ে তিনি দু-বার ভাবেন না।

    কিন্তু যত দ্রুতই আসবার চেষ্টা ক’রে থাকুন না কেন, ঐ তিনশো মাইল দূরত্ব পেরুতে তাঁর পুরো ন-দিন লেগেছিলো, ২২শে ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে তিনি অবশেষে সদলবলে এসে পৌঁছেছিলেন সেগু-সিকোরোতে। ফলে পরদিন সকালের আগে ছাড়া কর্নেল সের্জন-এর সঙ্গে তিনি দেখা করতে পারেননি। সকালবেলায়• সেগু-সিকোরোর শিবিরের অধ্যক্ষ কর্নেল সের্জনকে এসে তিনি কর্নেল সাঁৎ ওবানের নির্দেশটা দেখিয়েছিলেন।

    কর্নেল সের্জন ক্রমবর্ধমান বিস্ময়ের সঙ্গে তিন-তিনবার আদ্যোপান্ত পড়েছিলেন নির্দেশটা। পুরো ব্যাপারটাই কিছুতেই তাঁর মাথায় ঢুকছিলো না। ‘ভারি আশ্চর্য তো!’ বলেছিলেন তিনি সবিস্ময়ে। ‘টিম্‌বাকটু পাঠাবার জন্যে সিকাসোতে লোক ডেকে পাঠানো! এ যে কল্পনাতীত!’

    ‘তাহ’লে, আমরা যে আসবো, এ-খবর আপনি পাননি? ‘

    ‘মোটেই না!’

    ‘যে-লিউটেনান্ট আমাকে এই নির্দেশটা পৌঁছে দিয়েছিলেন, তিনি বলেছিলেন যে টিম্‌বাকটুতে বিক্ষোভ ফেটে পড়েছে-আর তুয়ারেগ আউয়েলিমেদেন প্রচণ্ড উত্তেজিত হ’য়ে আছে!’

    ‘এই-প্রথম এমনতর কথা শুনলুম,’ কর্নেল তাঁকে বলেছিলেন, ‘বস্তুত, কালকেই, কাপ্তেন পেইরোইয়েস… আপনি হয়তো তাঁর কথা শুনেছেন?

    ‘দু-বছর আগে আমরা একই রেজিমেন্টে ছিলুম।’

    ‘হুম, কালকেই তিনি এখান দিয়ে গেছেন, এই কাপ্তেন পেইরোইয়েস। টিম্‌বাকটু থেকে ডাকার যাবার রাস্তায় এখানে থেমেছিলেন তিনি। কালকেই তিনি গেলেন এখান দিয়ে, কিন্তু, কই, এই বিক্ষোভ সম্বন্ধে তো ঘুণাক্ষরেও কিছু বলেননি!’ কাপ্তেন মার্সেনে এ-কথা শুনে অসহায়ভাবে শুধু কাঁধ ঝাঁকিয়েছিলেন।

    ‘হ্যাঁ, আপনি ঠিকই বলেছেন, কাপ্তেন,’ কর্নেল সের্জন বলেছিলেন, ‘এ নিয়ে তর্ক করার কিছু নেই। এ-রকমই যখন নির্দেশ, তখন তা আমাদের পালন করতে হবে বৈ কি। তবে কখন যে আপনি রওনা হ’তে পারবেন, তা শুধু শয়তানই জানে!’

    সেই অদৃষ্টপূর্ব-অভিযানের জন্যে তৈরি হ’তে গিয়ে বিষম মুশকিলে পড়তে হয়েছিলো কাপ্তেন মার্সেনকে। ঘোড়াগুলো রাখবার জন্যে আস্তাবল খুঁজে বার করতেই আটদিনেরও বেশি সময় লেগে গিয়েছিলো, কারণ নির্দেশ ছিলো ঘোড়াগুলো যেন সেগুসিকোরোতেই রেখে আসা হয়। তাছাড়া রাস্তার জন্যে যথেষ্ট খাবারদাবারও চাই আর চাই যানবাহন। শেষটায় দোসরা মার্চেই কাপ্তেন মার্সেনে টিম্‌বাকটুর পথে রওনা হ’তে পেরেছিলেন।

    শুখার মরশুম ব’লে জায়গায় জায়গায় জল এত-কম ছিলো যে তাঁকে মাঝপথে বেশ কয়েকবার থেমে জোয়ারের জলের জন্যে অপেক্ষা করতে হয়েছে। ফলে ১৭ই মার্চের আগে বারজাক মিশনের প্রাক্তন রক্ষিদলের অধ্যক্ষ কাবারায় পৌঁছুতে পারেননি। কাবারা টিম্‌বাকটুরই বন্দর, টিম্‌বাকটু থেকে তার দূরত্ব দশমাইল।

    যখন কাপ্তেন মার্সেনে স্থানীয় বাহিনীর অধ্যক্ষ কাপ্তেন আলেজ-এর কাছে গিয়ে সেলাম ঠুকে দাঁড়ালেন, তিনিও সেগু-সিকোরোয় তাঁর সহযোগী যেমন তাজ্জব হ’য়ে গিয়েছিলেন, ঠিক তেমনি বিস্ময় প্রকাশ করলেন। জোরগলায় বললেন, এ- অঞ্চলে কোত্থাও কোনো গণ্ডগোলই নেই, তিনি নিজে কস্মিনকালেও কোনো বাড়তি সেনাদল চেয়ে আবেদন পাঠাননি, তিনি বুঝতেই পারছেন না আগে থেকে না- জানিয়ে কর্নেল সাঁ-ওবান হঠাৎ কেন বাড়তি একশোজন সৈন্য পাঠিয়েছেন, তাঁর এখানে যাদের কোনো দরকার নেই।

    ব্যাপারটা ভারি-আশ্চর্য ঠেকলো কাপ্তেন মার্সেনের কাছে। এই প্রথম তিনি সন্দেহে ভ’রে গেলেন : কোনো ওস্তাদ জালিয়াতের পাল্লায় পড়েননি তো? কিন্তু কেন? খামকা কীসের জন্যে ঐ জালিয়াৎ তাঁকে এমন নাকাল ক’রে ঘোড়দৌড় ছোটাচ্ছে? উত্তরটা অবশ্যি স্পষ্ট। মলবটাকে যতই দুর্বোধ্য আর জটপাকানো ঠেকুক, এই ফেরেব্বাজির মানে একটাই হয়—তাঁকে সরিয়ে দিয়ে বারজাক মিশনকে উৎখাত ক’রে দেয়া। যুক্তি তাঁকে যখন এ সিদ্ধান্তে পৌঁছে দিয়েছে, কাপ্তেন মার্সেনে তখন একেবারে মর্মযন্ত্রণায় ভ’রে গেছেন : কী হাঁদার মতো এই গুরুদায়িত্ব থেকে তিনি স’রে এসেছেন! আর মাদমোয়াজেল মোরনাসেরই বা কী হবে? শয়নে- স্বপনে-জাগরণে, সবসময় যেন মাদমোয়াজেল মোরনাসের কথাই তাঁর মনে-প্রাণে তখন হানা দিচ্ছিলো।

    তাঁর সব ভয় যে আদপেই অমূলক নয়, তার আরো-একটা প্রমাণ পাওয়া গেলো, যখন না-টিম্‌বাকটুতে না-সেগু-সিকোরোতে কেউ লিউটেনান্ট ল্যকুরের কোনো হদিশ দিতে পারলে। শুধু-যে কেউ কোনোদিন ল্যকুরের নামই শোনেনি, তা নয়— কেউ কোনোদিন সুদানি স্বেচ্ছাসেবকদের কথাও শোনেনি—অথচ কর্নেল সাঁৎ- ওবায়ানের চিঠিতে তাদের কথা লেখা ছিলো

    তথাচ, কর্নেল সাঁৎ-ওবানের চিঠি তন্নতন্ন ক’রে খুঁটিয়ে দেখেও মনে হচ্ছিলো না সে-চিঠি জাল; যতক্ষণ-না হাতে-নাতে তার প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে ততক্ষণ সেটাকে কর্নেলের নির্দেশ ব’লেই মেনে নিতে হবে। তাই কাপ্তেন মার্সেনে আর তাঁর লোকজনের থাকার ব্যবস্থা ক’রে দিতে হ’লো : আর ঠিক হ’লো প্রথম- সুযোগেই কর্নেল সাঁৎ-ওবানের চিঠি তাঁর কাছেই পাঠিয়ে দেয়া হবে, কেননা একমাত্র তিনিই বলতে পারবেন এ-চিঠি অপ্রামাণিক কি না।

    কিন্তু টিম্‌বাকটু থেকে বামাকোর দূরত্ব ছশো মাইলেরও ওপর। চড়াই-উৎরাইয়ে ভরা। কর্নেলের কাছ থেকে সন্দেহভঞ্জনের চিঠি আসতে তাই অনেকটাই সময় লেগে যাবে।

    এদিকে কাপ্তেন মার্সেনে যে এখন কী করবেন, তা-ই কেউ জানে না। তাঁর ওপর নির্দিষ্ট কোনো কাজের ভার নেই। তিনি সারাক্ষণই অস্থির হ’য়ে আছেন। সময়কে মনে হচ্ছে অহেতুক-দীর্ঘ—যেন কাউ তাকে টেনে লম্বা ক’রে দিয়েছে। সুখের বিষয় যে মার্চের শেষে, জনৈক কাপ্তেন পেরিনি-সাঁৎ সির্-এ তাঁর পুরোনো সাথী ছিলেন—যাঁর সঙ্গে তাঁর বন্ধুতা এখনও অটুট ছিলো—সেই কাপ্তেন পেরিনি এসে হাজির হলেন; দুই বন্ধু হঠাৎ পরস্পরকে দেখে খুব খুশি হলেন, জমাট আড্ডা হ’লো দুজনে, এখন অন্তত সময়টা একটু-দ্রুত কাটতে লাগলো কাপ্তেন মার্সেনের।

    বন্ধুর অস্বস্তির কারণ শুনে, পেরিনি তাঁকে আশ্বস্ত করবার চেষ্টা করলেন। এই জাল ফরমান এমনই সুকৌশলে তৈরি করা হয়েছে যে যে-কেউ এই ধাপ্পায় ভড়কি খেয়ে যেতো। অত নিখুঁতভাবে কেউ স্বাক্ষর বা সীলমোহর নকল করতে পারে না ব’লেই তাঁর ধারণা। বরং তাঁর মনে হয়েছে, লিউটেনান্ট ল্যকুর হয়তো কর্নেলের সিদ্ধান্তের আসল উদ্দেশ্যটা ধরতে পারেননি, ও-রকম ভুলভাবে বর্ণনা করেছেন। আর কর্নেল আলেজ-এর বিস্ময়টাও বোঝা যায় : যে-অঞ্চলে এখনও পুরোপুরি শান্তি ও শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়নি, সেখানে এ-রকম এক-আধটা ফরমানের ভুলবোঝাবুঝি থেকেই অনেকরকম গণ্ডগোলের উদ্ভব হ’তে পারে।

    কাপ্তেন পেরিনিকে অন্তত দু-বছর টিম্‌বাকটুতে থাকতে হবে বলে তিনি সঙ্গে বিস্তর মালপত্তর নিয়ে এসেছিলেন। তাঁর পুরোনো বন্ধু সব বাক্সপ্যাঁটরা খুলে সেগুলো গুছিয়ে রাখার ব্যাপারে হাত লাগিয়েছিলেন। মালপত্তরের মধ্যে বেশিরভাগই ছিলো গবেষণাগারের সরঞ্জাম : প্রায় একটা আস্ত ল্যাবরেটরিই, পেরিনি যদি একদিন সমরবাহিনীর উর্দি গায়ে না-চাপাতেন, তবে এতদিনে তিনি মস্ত-একজন বিজ্ঞানী হয়ে উঠতেন। বিজ্ঞানের অনুরক্ত ছাত্র হিশেবে তিনি সর্বাধুনিক গবেষণার খবর রাখেন—বিশেষত বিদ্যুত্তরঙ্গ সম্বন্ধে যে-সব গবেষণা হচ্ছে, তাতে তাঁর কৌতূহল অসীম। তাঁদের যখন বন্ধুতা হয়েছিলো তখন দুই বন্ধুর একজন ছিলেন কাজের লোক, আরেকজন ভাবুক। এই বিপরীত স্বভাবের দরুণ দুই বন্ধুর মধ্যে মাঝে-মাজে কথাকাটাকুটি হ’তো বটে, কিন্তু তখনও কোনো মনোমালিন্য হয়নি। একবন্ধু গ্রন্থকীট, অন্যজন রংবাজ ডাকাবুকো–পরস্পরকে এই ব’লেই সম্বোধন করতেন তাঁরা—কিন্তু এটাও সবাই জানতো যে মার্সেনের এই সারাক্ষণ কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার মানে এই নয় যে তিনি মোটেই পরিশীলিত ও মার্জিত রুচির মানুষ নন, বরং অনেক সাধারণ লোকের চাইতে জ্ঞানবিজ্ঞানের খবর তিনি অনেক বেশিই রাখতেন। আর পেরিনির পাণ্ডিত্য আর বিজ্ঞানানুরাগও তাঁকে দক্ষ ও সাহসী সামরিক অফিসার হ’য়ে ওঠবার ব্যাপারে কোনো বাধার সৃষ্টি করেনি।

    বন্ধুর আসার কয়েকদিন পরে, কাপ্তেন মার্সেনে একদিন বন্ধুর আস্তানায় এসে দেখতে পেলেন, সেখানে তাঁর কোয়ার্টারের সামনে উঠোনে কাপ্তেন পেরিনি কী- একটা অদ্ভুত যন্ত্র বসিয়েছেন।

    তুই একেবারে ঠিক সময়ে এসেই হাজির হয়েছিস,’ পেরিনি বন্ধুকে দেখেই সোল্লাসে ব’লে উঠলেন। ‘তোকে আমি আজ দারুণ কৌতূহলোদ্দীপক একটা জিনিশ দেখাবো।’

    ‘ঐ ওটা?’ কাপ্তেন মার্সেনে আঙুল দিয়ে একটা যান্ত্রিক ব্যবস্থাপনাকে দেখালেন : দুটো তড়িৎকোষ, কিন্তু বৈদ্যুতিক চুম্বক, আর একটা কাচের নল-তার মধ্যে কী- একটা অচেনাধাতু ভরা : আর তাদের ওপর কয়েকগজ লম্বা একটা তামার খুঁটি বসানো।

    ‘হ্যাঁ, ঐ ওটাই,’ পেরিনি বললেন। ‘তুই যাকে তাচ্ছিল্য ক’রে, ‘ঐ ওটা’ বলছিস সেটাই হ’লো আধুনিক জাদুবিদ্যার চমৎকার-একটা দৃষ্টান্ত। এটা মূলত নেহাৎই একটা টেলিগ্রাফের খবরপাবার কেন্দ্র, রীসিভিং কেন্দ্র, তবে—ভালো ক’রে শুনে রাখ আমার কথা—বেতারটেলিগ্রাফি ‘

    ‘ওরা অবশ্য ক-বছর ধরেই বেতার টেলিগ্রাফের কথা বলছিলো,’ মার্সেনের তৎক্ষণাৎ কৌতূহল চেতিয়ে উঠলো, ‘সমস্যাটার তাহ’লে সমাধান হ’য়ে গেছে?

    ‘নিশ্চয়ই! হ্যাঁ, ইতিহাসের এ এক আজব খেলা—পৃথিবীতে একই সঙ্গে এমন দুজন বিজ্ঞানীর আবির্ভাব হয়েছে তাতে গোড়ায় একে কোনো কাকতাল ব’লেই মনে হ’তে পারে। একজন ইতালির লোক, মার্কোনি, হাসীয় বিদ্যুৎ তরঙ্গকে মহাকাশে ছড়িয়ে দেবার একটি উপায় তিনি বার ক’রে ফেলেছেন।…তুই জানিস, ওরে বেআক্কেলে কাজের লোক, ব্যাপারটা কী?’

    ‘হ্যাঁ, জানি। আমি যখন ফ্রাসে ছিলুম, তখন ওরা মার্কোনির আবিষ্কার নিয়ে কথা বলছিলো। কিন্তু অন্য কার কথা বলছিলি তুই?’

    ‘উনি একজন ফরাশি, ডক্টর বাঁলি। উনিই আবিষ্কার করেছেন গ্রাহকযন্ত্র, রীসিভার, উদ্ভাবনীবিদ্যার একটি খুদেবিস্ময়।’

    ‘আর এই-যে যন্ত্র—এটা?’

    ‘এটাই সেই রীসিভার। চক্ষের পলকে এর মূল কথাটা তুই বুঝে ফেলতে পারবি, এত-সহজ। মঁসিয় বাঁলি লক্ষ ক’রে দেখেছিলেন যদিও লোহাচুর সাধারণত ভালো পরিবাহী হয় না, তারা কিন্তু হাসীয় তড়িৎপ্রবাহের বেলায় চমৎকার পরিবাহী হ’য়ে ওঠে –অর্থাৎ বিদ্যুৎ কোনো বাধা না-পেয়ে তাদের মধ্য দিয়ে সাবলীলভাবে চ’লে যেতে পারে। তার কাজই হচ্ছে এলোমেলোছড়ানো তড়িৎকণাকে একজায়গায় জড়ো ক’রে তাদের মধ্যে সাযুজ্য ঘটিয়ে দেয়া। এবার এই ছোট্ট নলটাকে দ্যাখ।’

    ‘হ্যাঁ, দেখছি বটে।

    ‘এটাই ঐ সাযুজ্য ঘটায়। বলতে পারিস, তড়িৎকণা খুঁজে বার করবার কাজে পোক্ত এক গোয়েন্দা। এই-যে নলটা এর মধ্যে ঐগুলো হ’লো লোহাচুর-এবার লোহাচুর সমেত এই নলটাকে কোনো তড়িৎকোষের বিদ্যুৎপ্রবাহের সার্কিটের মধ্যে ঢুকিয়ে দিলে, এই নল, ভালো পরিবাহী নয় ব’লে, সার্কিটটায় ঝামেলা পাকায়, তার মধ্য দিয়ে কোনো বিদ্যুৎই আর যায় না। কী, বুঝতে পারছিস তো?

    ‘হ্যাঁ, কিন্তু তারপর? ‘

    ‘যদি তখন কোনো হাসীয় বিদ্যুত্তরঙ্গ এসে পৌঁছোয়—ঐ তামার শিকটা তাকে পাকড়ায়—ওকে বলে শোষকশুঁড়, অ্যাটেনা,-আর তৎক্ষণাৎ, এই নলটা তার গায়ে আটকানো ব’লে, এই নলটা দারুণ-একটা পরিবাহী হ’য়ে ওঠে, তখন তড়িৎকোষের সার্কিট বন্ধ বটে, তবু হাসীয় তরঙ্গের বিদ্যুৎ তার মধ্য দিয়ে ছুটে চলে যায়। ওরে রক্তবাদল-ঝরানো-সৈনিক, এটা তোর মাথায় ঢুকেছে তো?’

    ‘হ্যাঁ, ওরে বুড়োজবুথবু বিজ্ঞানী। এবার কী? ‘

    ‘আর এবার অকুস্থলে এই অধম বক্তার প্রবেশ। এই-যে কলটা আমি নিজে বানিয়ে নিয়েছি, মঁসিয় ব্রালির আবিষ্কারের সঙ্গে তাল রেখেই, তাতে ঐ হাসীয় বিদ্যুত্তরঙ্গ মর্সের রীসিভারটাকে চালু ক’রে দেয়, যার মধ্যে সাধারণ ধরনেই একটা কাগজের ফিতে খুলে যেতে থাকে। কিন্তু সেইসঙ্গে এই ছোট্ট হাতুড়িটা-ঐ যেটাকে তুই দেখছিস—সেটা ঠুকে ঠুকে সাযুজ্য তৈরি ক’রে দেয়; এটার ঘা খেলে, লোহাচুরগুলো একটু ছিটকে যায়, অমনি হ’য়ে ওঠে অপরিবাহী, তড়িৎকোষ থেকে আর বিদ্যুৎ খেলে না তাদের মধ্যে, আর মর্স রীসিভারও অমনি বর্ণলিপি ছাপা বন্ধ ক’রে দেয়।

    ‘সে শুধু কাগজের ওপর একটা সংকেতে ছাপে, তা-ই তো বলবি? হ্যাঁ, তা ছাপে, কিন্তু যদি পর-পর একটার পর একটা সংকেত আসতে থাকে, আর শোষকশুঁড় অর্থাৎ অ্যানটেনা সে-সব শুষে নেয়, তাহ’লে থেমে-থেমে পর-পর ঐ সংকেতগুলো কাগজে সারি-সারি ছাপ মেরে থাকে। যখন এটা থেমে যায়, অর্থাৎ আর হাসীয় তরঙ্গ আসে না, তখন এও ছাপা বন্ধ ক’রে দিয়ে পরবর্তী তরঙ্গের আগমনের জন্যে হা-পিত্যেশ ক’রে ব’সে থাকে। অর্থাৎ আমরা একটুক্ষণের মধ্যেই টরে-টক্কার হ্রস্বদীর্ঘ পেয়ে যাই পর-পর। কোনো টেলিগ্রাফকর্মীর কাছে সেটা সাধারণ-কোনো লেখার মতোই সহজপাঠ্য তখন।’

    ‘যেমন, তোর মতো কোনো ওস্তাদ টেলিগ্রাফকর্মী?’

    হ্যাঁ, যেমন, ধর, আমার মতো কেউ।’

    ‘তা এই অসাধারণ যন্ত্রটা হঠাৎ এই আফ্রিকায় জঙ্গলের মধ্যে তুই নিয়ে এসেছিস কেন?’

    ‘এটা এবং এরই সহোদর-ভাই, এই বিদ্যুত্তরঙ্গউৎপাদক, অর্থাৎ এই ট্র্যান্সমিটার, যাকে আমি কালকেই এখানে বসাবো। তুই জানিস কি না জানি না, আমি আজকাল এই বেতারটেলিগ্রাফি নিয়ে একেবারে খেপে উঠেছি। শাহারায় আমিই সব আগে এটাকে বসাতে চাই। সেইজন্যেই আমি এই দুই সেট যন্ত্র নিয়ে এসেছি। এ-সব জিনিশ পৃথিবীর যে-কোনো জায়গাতেই ভারি-দুর্লভ, আর আফ্রিকায় সে এর জুড়ি একটাও নেই, সেটা আমি তোকে বাজি ধ’রেই বলতে পারি। একবার ভেবে দ্যাখ ব্যাপারটা! আমরা যদি এখন সরাসরি বামাকোর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারতুম…কিংবা ধর যদি সাঁৎ-লুইসের সঙ্গেই কথা বলা যেতো!’

    ‘সাঁৎ-লুইয়ের সঙ্গে?… সেটা বড্ড-দূরে হ’য়ে যাবে না?’

    ‘মোটেই না,’ আপত্তি করেছেন পেরিনি। ‘দূর-দূরান্তরের সঙ্গে যোগাযোগ কবেই ক’রে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা-লং-ডিস্ট্যান্স ব’লে আর কিছুই নেই!

    ‘অসম্ভব!’

    ‘খুব-সম্ভব, ওরে মাথা-মোটা গর্দভ! আমার তো ধারণা আমি তার চেয়েও ভালো কিছু করবো। সারা নাইজারের তীর ধরে আমি কতগুলো পরীক্ষা চালাবো…’ কাপ্তেন পেরিনি তারপরেই হঠাৎ কথা শেষ না-ক’রেই ফ্যালফ্যাল ক’রে হা ক’রে তাকিয়ে থেকেছেন, যাতে বোঝা গেছে কতটা বিস্মিত আর হতভম্ব হ’য়ে গেছেন তিনি। বাঁলি যন্ত্রটা থেকে ক্ষীণ-একটা খটখটে আওয়াজ বেরুচ্ছে, যেটা তাঁর অভ্যস্ত কান চিনতে মোটেই ভুল করেনি।

    মার্সেনে অবাক হ’য়ে জিগেস করেছেন, ‘তোর আবার হঠাৎ কী হ’লো? তাঁর বন্ধু একটা উত্তর দেবার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু তাঁর বিস্ময় যেন কথাগুলো তাঁর মুখ থেকে কেড়ে নিয়েছে,। ‘চলছে, যন্ত্রটা চলছে!’ আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বলেছেন তিনি।

    ‘কী? যন্ত্রটা চলছে?’ কাপ্তেন মার্সেনে একটু বুঝি-বা ঠাট্টাই করেছেন। ‘তুই স্বপ্ন দেখছিস, তোর ভাবী ইনস্টিটিউটের হ’য়ে তুই এর মধ্যেই জেগে-জেগেই খোয়াব দেখতে শুরু ক’রে দিয়েছিস। তোর যন্ত্রটা গোটা আফ্রিকায় একমাত্র যন্ত্র, ফলে তার পক্ষে চলা আদপেই সম্ভব নয়—যতই নাটুকেভাবে তুই কথাটা বলবার চেষ্টা করিস না কেন। আসলে তোর ঐ যন্ত্র বিগড়ে গিয়েছে, কোথাও কোনো গণ্ডগোল হয়েছে- ‘

    কোনো উত্তর না-দিয়েই কাপ্তেন পেরিনি যন্ত্রটার কাছে গিয়ে হাজির হয়েছেন। ‘বিগড়ে গিয়েছে।’ ভীষণ উত্তেজিত হ’য়ে তিনি ব’লে উঠেছেন। ‘এটা এতটাই বিগড়ে গিয়েছে যে আমি কাগজের ফিতেটায় পড়তে পারছি ‘কাপ্…তেন…কাপ্…তেন…মার… কাপ্তেন মার্সেনে’

    ‘আমার নাম?’ তাঁর বন্ধু হেসে উঠেছেন। ‘উঁহু, দোস্ত, বিলকূল বৃথা চেষ্টা! আমাকে তুই ওভাবে ছেলেভোলাতে পারবি না!’

    ‘তোরই নাম!’ এতটাই উত্তেজিত হ’য়ে পেরিনি কথাটা বলেছেন যে শেষটায় তাঁরই উত্তেজনায় ছোঁয়াচ লেগেছে কাপ্তেন মার্সেনের মধ্যে।

    যন্ত্রটা এখন থেমে গিয়ে, দুই বন্ধুর ফ্যালফ্যাল চোখের সামনে চুপ ক’রেই থেকেছে। একটু পরেই কিন্তু ঐ আশ্চর্য টরে-টক্কার খটখট আবার শুরু হ’য়ে গেছে।

    ‘দ্যাখ-দ্যাখ! আবার শুরু করেছে!’ পেরিনি ততক্ষণে কাগজের ফিতেটার ওপর ঝুঁকে পড়েছেন। ‘হুম! এখন দেখি তোর ঠিকানা ফুটে উঠেছে : টিম্‌বাকট!

    ‘টিম্‌বাকটু!’ মার্সেনে হুবহু এক কলের পুতুলের মতো কথাটা আবার আউড়েছেন। এবার উত্তেজনায় নিজেই কাঁপতে শুরু করে দিয়েছেন, কী-এক অজানা আশঙ্কায়!

    যন্ত্রটা দ্বিতীয়বারের মতো আবার থেমে গিয়েছে। তারপর, একটু বিরতি দিয়েই কাগজের ছাপা ফিতে আবার ভাঁজের পর ভাঁজ খুলে বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে —কিন্তু তারপরেও আবারও থেমে গিয়েছে।

    ‘জেন ব্লেজন!’ পেরিনি জোরে-জোরে পড়েছেন!

    ‘উঁহু, এমন-কাউকে আমি চিনি না!’ মার্সেনে জানিয়েছেন, নিজেই জানেন না কেন কথাটা বলবার সময় তাঁর এমন স্বস্তির নিশ্বাস পড়লো। ‘হয়তো আমাদের সঙ্গে কেউ মজা করবার চেষ্টা করছে!’

    ‘মজা করবার চেষ্টা করছে!’ পেরিনি বিষম ভাবনায় প’ড়ে গেছেন। ‘কিন্তু তারা কেউ জানবে কী ক’রে আমার কাছে বেতারটেলিগ্রাফের যন্ত্র আছে?…দ্যাখ- দ্যাখ, আবার টরে-টক্কা শুরু হ’য়ে গেছে।’

    ফিতেটার ওপর ঝুঁকে প’ড়ে, বানান ক’রে-ক’রে, যখনই কোনো কথা এসেছে, পড়েছেন পেরিনি : ‘জেন…মোর্….নাসের…উদ্ধারের…জন্যে…আ….সুন!’

    ‘জেন মোর্‌নাস!’ মার্সেনের মনে হয়েছে তাঁর বুঝি দম বন্ধ হয়ে যাবে। তাঁর উর্দির গলার বোতামটা খুলে দিয়েছেন তিনি।

    ‘চুপ!’ পেরিনি তখনও পড়ছেন : ‘ব্ল্যাক….ল্যাণ্ডে …বন….দিনী…’

    চতুর্থবারের জন্যে টরেটক্কা আবার বন্ধ হ’য়ে গেছে। পেরিনি সোজা হ’য়ে দাঁড়িয়ে বন্ধুর দিকে তাকিয়েছেন। তাঁর বন্ধুর তখন কাহিল দশা! চোখদুটো গোল- গোল, মুখটা রক্তশূন্য, ফ্যাকাশে। ‘তোর আবার কী হলো?’

    ‘তোকে পরে বলবো, মার্সেনের মুখ দিয়ে যেন কোনো আওয়াজই বেরুতে চায়নি। ‘কিন্তু ব্ল্যাকল্যান্ড?…এই ব্ল্যাকল্যান্ডের মানে কী হ’তে পারে ব’লে তোর মনে হয়?’

    পেরিনির আর উত্তর দেবার কোনো অবসর আসেনি। যন্ত্রটা আবার টরে-টক্কা শুরু ক’রে দিয়েছে, আর তিনি থেমে-থেমে পড়েছেন : ‘অক্ষাংশ…পনেরো…ডিগ্রি… পঞ্চাশ… মিনিট… উত্তর…দ্রা-ঘিমাংশ… ‘

    যন্ত্রটার ওপর ঝুঁকে প’ড়ে দুই বন্ধু বেশ কিছুক্ষণ উদ্‌গ্রীবভাবে অপেক্ষা করেছেন আবার কখন টরে-টক্কা-টক শুরু হয়, কিন্তু যন্ত্র আর-কোনো কথা বলেনি-এবার সে একেবারেই চুপ ক’রে গেছে—মর্স-গ্রাহকযন্ত্র সম্পূর্ণ মৌন।

    কাপ্তেন পেরিনি চিন্তার সুরে আপন মনেই বলেছেন : ‘এ-যে দেখছি ভারি- কড়া একপেয়ালা চা! এই বনে-জঙ্গলে আর-কোনো শখের বেতারপাগল আছে নাকি? এমন-কেউ, যে আবার তোকে চেনে!’ তারপরেই বন্ধুর দিকে ফিরে তাকিয়ে তিনি আঁৎকে উঠেছেন। ‘এ-কী রে, তোর আবার কিছু হ’লো নাকি? তোকে যে অমন ফ্যাকাশে দেখাচ্ছে!’

    চট ক’রে, সংক্ষিপ্ত দু-চারটে কথায়, কাপ্তেন মার্সেনে তাঁর এমন বিচলিত হ’য়ে পড়ার কারণ খুলে বলেছেন বন্ধুকে। যদি কাগজের ফিতেয় নিজের নাম দেখে তাঁর শুধুই বিস্ময় হ’য়ে থাকে, পরক্ষণেই তা বদলে গেছে তীব্র আবেগের আলোড়নে, ঠিক যে-মুহূর্তে পেরিনি জেন মোরনাসের নামটা উচ্চারণ করেছেন। হ্যাঁ, জেন মোর্‌নাসকে তিনি চেনেন, তাকে তিনি ভালোবাসেন, আর যদিও এ নিয়ে দুজনের মধ্যে কোনোই কথা হয়নি, তবু তাঁর দৃঢ় ধারণা-না কি আশা?— যে একদিন তাঁর সঙ্গে তাঁর বিয়ে হবে।

    কর্নেল সাঁৎ-ওবানের ফরমানটার রহস্য তাঁকে কতখানি বিচলিত ক’রে তুলেছে, সেটা তাঁর এক্ষুনি মনে প’ড়ে গেছে। মহাশূন্য থেকে এই-যে রহস্যময় বার্তা অপ্রত্যাশিতভাবে এসে হাজির, সেটা তাঁর সব আশঙ্কাকেই সত্য ব’লে প্রমাণিত করেছে। জেন মোর্‌নাস এখন ভয়ংকর বিপদের মধ্যে!

    ‘আর আমার কাছেই কি না উদ্ধারের জন্যে আকৃতি জানিয়েছে!’ তাঁর এই বিচলিত অবস্থাতেও কোথাও-বুঝি একটু উল্লাসও চাপা প’ড়ে ছিলো।

    ‘আরে, এ-তো খুবই সহজ কাজ! মেয়েটিকে সাহায্য করবার জন্যে এক্ষুনি বেরিয়ে পড়। হয়তো নতুন-কোনো সেন্ট জর্জ আর ড্রাগনের গল্পই ‘

    ‘সাহায্য করতে যে যাবো, তা ঢাক পিটিয়ে না-বললেও চলে!’ কাজে ঝাঁপিয়ে পড়ার সম্ভাবনায় চনমনে বোধ করেছেন মার্সেনে। কিন্তু কেমন ক’রে?’

    ‘সেটা আমাদের ভেবে দেখতে হবে,’ পেরিনি তাঁকে বলেছেন। ‘কিন্তু গোড়ায় তথ্যগুলো সব সাজিয়ে নিয়ে দেখতে হবে আমরা কদ্দুর কী জানি। কোনো যুক্তিপূর্ণ সিদ্ধান্তে পৌঁছুতে পারলে আমার ভারি-আশ্বস্ত লাগে—সব অস্বস্তি কেটে যায়।’

    ‘তাহ’লে ঐ সিদ্ধান্তে গিয়ে তুইই পৌঁছুবার চেষ্টা কর!’ তেতোসুরে বলেছেন মার্সেনে।

    হ্যাঁ, আমিই পৌঁছুবো… প্রিমো মাদমোয়াজেল মোর্‌নাস নিশ্চয়ই কোথাও একাকিনী আকুল হ’য়ে ব’সে নেই, কেননা তাঁর কাছে কস্মিনকালেও কোনো বৈতারযন্ত্র ছিলো না। আর তাঁর সঙ্গী ছিলো, অন্তত তুই যাঁদের সঙ্গে তাঁকে রেখে এসেছিলি, তাঁদেরও কারু কাছে কোনো বেতারে খবর পাঠাবার যন্ত্র ছিলো না। অতএব তাঁর এখন নতুন-একজন রক্ষাকর্তা আছেন, যাঁর কাছে অমন-একটা যন্ত্র আছে। আর তিনি বিশেষজ্ঞ, ওস্তাদ লোক, এটা আমি বাজি ধ’রে বলতে পারি।’

    মার্সেনে ঘাড় হেলিয়ে সায় দেয়ায়, পেরিনি আবার বলেছেন :

    ‘সেকুন্দো, মাদমোয়াজেল মোরনাসের আপাতত, অন্তত সাময়িকভাবে হ’লেও, কোনো বিপদের সম্ভাবনা নেই। তিনি তোকে টিম্‌বাকটুতে বেতারে খবর পাঠিয়েছেন। তাঁর ধারণা, তুই এখন টিম্‌বাকটুতেই আছিস, কাজেই এটাও তিনি জানেন যে তুই এখন তাঁর ঠিক দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে নেই, কোনো সদুত্তর দিতে তোর একটু সময়ই লেগে যাবে। অথচ তবু যখন বেতারে এই বার্তা পাঠিয়েছেন, তাঁর নিশ্চয়ই ধারণা হয়েছে যে এই আবেদন নেহাৎই বিফলে যাবে না। কাজেই, বিপদ যদি মাথার ওপর ঝুলেও থাকে, তবে তক্ষুনি চট ক’রে কোনো গণ্ডগোল পাকাবে না।’

    একটু ঘাবড়ে গিয়েই মার্সেনে জিগেস করেছেন : ‘তুই তাহ’লে কী বলতে চাচ্ছিস?’

    ’যে, আপাতত তুই একটু মাথা ঠাণ্ডা ক’রে থাক—অন্তত এ-ভরসা রাখ যে এ-গল্পটা ককখনো শোচনীয়ভাবে শেষ হবে না…এক্ষুনি গিয়ে কর্নেলকে বল মসিয় ল্য দেপুতেকে উদ্ধার করবার জন্যে একফোঁটাও সময় নষ্ট না-ক’রে একটা বাহিনী পাঠিয়ে দিতে অভিযানে তাতে তুই ফাউ পেয়ে যাবি মাদমোয়াজেল মোর্‌নাসকেও!’

    দুজন কাপ্তেনই তক্ষুনি বেরিয়ে পড়েছেন কর্নেল আলেজ-এর খোঁজে, তারপর তাঁকে বিশদভাবে পুরো বৃত্তান্তটাই খুলে বলেছেন, জানিয়েছেন এইমাত্র অপ্রত্যাশিতভাবে বেতারে কী খবর এসেছে। তাঁরা তাঁকে কাগজের ফিতেয় ছাপা টরে-টক্কা দেখিয়েছেন, আর পেরিনি সে-খবর সহজ ফরাশিতে তর্জমা করে শুনিয়েছেন।

    ‘এখানে তো মঁসিয় বারজাক সম্বন্ধে কোনো খবর নেই,’ কর্নেল বলেছেন।

    ‘না, তা নেই,’ পেরিনি বলেছেন, ‘তবে মাদমোয়াজেল মোর্‌নাস তো তাঁর সঙ্গেই ছিলেন—’

    তিনি যে বারজাক মিশর ত্যাগ ক’রে নিজের পথে চ’লে যাননি, তা-ই বা কে জানে?’ কর্নেল আপত্তি তুলেছেন। ‘বারজাক মিশন কোন-কোন রাস্তা দিয়ে যাবে, সে-খবর আমি জানি। এটা বলতে পারি যে অত উঁচু অক্ষরেখায় এ-সফর গিয়ে পৌঁছুতেই পারে না। মিশনের যাবার কথা ছিলো উয়াগাদাদুসু দিয়ে, সেটা তো বারো ডিগ্রি অক্ষরেখায়, সায়ীর পরেই, আর সায়ী তেরো ডিগ্রিতে। এই রহস্যময় বার্তা বলছে পনেরো ডিগ্রি পঞ্চাশ মিনিট ধরা যাক ষোলো ডিগ্রিই।’

    এই মন্তব্যটা কিন্তু মার্সেনের স্মৃতিকে উশকে দিয়েছে।

    ‘আপনি ঠিকই বলেছেন, মাদমোয়াজেল মোর্‌নাস হয়তো বারজাক মিশনের সঙ্গে না-গিয়ে অন্য পথে গিয়েছেন। আমার মনে পড়ছে, তিনি বলেছিলেন সিকাসোর শো-খানেক মাইল পরে একাই উত্তরমুখো যাবেন, তাঁর ইচ্ছে ছিলো গাওতে গিয়ে নাইজারে পড়বেন।’

    ‘সেটা অবিশ্যি সবকিছুর ছাক পালটে দিচ্ছে,’ কর্নেল গম্ভীরসুরে বলেছেন। মঁসিয় বারজাককে উদ্ধার করবার জন্যে সৈন্য পাঠানো এককথা, কেননা তিনি সংসদের একজন মাননীয় সদস্য, ফরাশি সরকারের পাঠানো কোনো প্রতিনিধি দলের নেতা। কিন্তু মাদমোয়াজেল মোর্‌নাস তো নিছকই সাধারণ-একজন নাগরিক— বেসরকারি-’

    ‘তবু,’ একটু জোর দিয়েই বলেছেন মার্সেনে, ‘আমি যে ফরমানটা নিয়ে এখানে এসেছি সেটা যদি জাল হয়, সবকিছু দেখেশুনে এখন তো তা-ই মনে হচ্ছে, তাহ’লে যে-রাস্কেলটা এসে আমার জায়গা নিয়েছিল, মসিয় বারজাক নিশ্চয়ই তারই কোনো চক্রান্তের বলি হয়েছেন!’

    ‘হ্যাঁ, তা হ’তে পারে, খুবই সম্ভব সেটা,’ কর্নেলের খুঁতখুঁতুনি কিন্তু এ-কথাতে কাটেনি, ‘কিন্তু গোটা ব্যাপারটার মীমাংসা করবার জন্যে আমাদের তো বামাকো থেকে কোনো-একটা উত্তরের জন্যে অপেক্ষা করতে হবে।’

    ‘কিন্তু এটাও তো বিষম-জরুরি,’ কেমন বিহুলভাবে বলেছেন মার্সেনে। ‘যখন সাহায্যের জন্যে এমন-ব্যাকুলভাবে আবেদন জানিয়েছেন, তখন এই তরুণীকেও তো আমরা বিপদের মুখে ফেলে রাখতে পারি না।’

    ‘বিপদ ঠিকই, কেননা তিনি বলেছেন তিনি কোথাও বন্দী হ’য়ে আছেন,’ কর্নেল শান্তভাবে বোঝাবার চেষ্টা করেছেন, ‘কিন্তু এটা বলেননি যে এক্ষুনি না-গেলে তাঁর মৃত্যুর আশঙ্কা আছে।…তাছাড়া উদ্ধার করতে যাওয়া যাবেই বা কোথায়? এ-কোন্ ব্ল্যাকল্যান্ডের কথা তিনি বলছেন?’

    ‘তিনি আমাদের অক্ষরেখা জানিয়েছেন।’

    ‘হ্যাঁ, কিন্তু দ্রাঘিমাংশটা কী? মাদমোয়াজেল মোর্‌নাসকে সিকাসোর ওদিকটায় রেখে আসা হয়েছিলো। তিনি নিশ্চয়ই ফের পশ্চিমদিকে ফিরে যাননি। ষোলো ডিগ্রি অক্ষরেখা প্রথমে যায় মাসিনা দিয়ে, তারপর নাইজার পেরিয়ে সোজা গিয়ে উধাও হয়, মরুভূমির মধ্যে – যে-মরুভূমির কথা কারুই কিছু জানা নেই। ব্ল্যাকল্যাড নিশ্চয়ই মাসিনায় নেই, তাহ’লে তার কথা আমরা জানতুম, তাহ’লে তো এই ব্ল্যাকল্যান্ডকে খুঁজতে সোজা মরুভূমিতে গিয়ে পৌঁছুতে হয় আমাদের।’

    ‘কিন্তু…’

    ‘না, কাপ্তেন, আমি তো বুঝতে পারছি না ঐ মরুভূমির মধ্যে একদল সৈন্য আমি পাঠাবো কী ক’রে? সে-তো মাত্র একজন বেসরকারি নাগরিককে উদ্ধার করবার জন্যে একশো-দুশো সৈন্যের জীবন বিপন্ন করা হবে!’

    দুশো লোক লাগবে কেন?’ মার্সেনের মনে হচ্ছিলো তাঁর সব আশা বুঝি উধাও হ’য়ে যাচ্ছে। ‘অনেক-কম লোক হ’লেই চলবে।’

    আমার তা মনে হয় না, কাপ্তেন! নাইজারের তীর ধ’রে যে-সব গুজব ছড়াচ্ছে, তার কথা আমরা সবাই জানি। কালোদের মধ্যে রব উঠেছে যে কোন্‌খানে নাকি- কেউ জানে না কোন-চুলোয়-একটা সাম্রাজ্য গ’ড়ে উঠেছে, যার সম্বন্ধে খুব-একটা ভালো ধারণা পোষণ কবরার কোনো কারণ নেই। ব্ল্যাকল্যান্ড নামটা যেহেতু চেনা নয়, সেইজন্যে এমনও হ’তে পারে যে এটা সেই সাম্রাজ্যের রাজধানী কিংবা কোনো বড়োশহর। যে-অক্ষাংশটা পাওয়া গেছে, তাতে মনে হয় ও-রকম কোনো সাম্রাজ্য ওখানেই প্রতিষ্ঠিত হ’য়ে থাকতে পারে—কেননা শুধু ওখানেই থাকলে তার সম্বন্ধে কোনো কথা জানবার উপায় কারু থাকে না। তাছাড়া, ব্ল্যাকল্যান্ড নামটা তো ইংরেজি—সেটা একটু অদ্ভুত নয়? ঐ অনুমতি অবস্থান থেকে ইংরেজদের উপনিবেশ সোকোটো খুব-একটা দূরে নয়…সেটা হয়তো আরেকটা ঝামেলা পাকাবে, একেবারে মৌচাকে ঢিল মারবার শামিল হবে…আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কথাও ভেবে দেখতে হয়…অর্থাৎ, এত-সবকিছু বিবেচনা ক’রে, আমার মনে হয়, ও-রকম কোথাও কোনো অভিযানে বেরুবার ঝুঁকি অনেক-তাতে অল্প লোক নিয়ে কিছুতেই যাওয়া চলে না।’

    ‘তাহ’লে, কর্নেল, আপনি সাহায্য পাঠাতে রাজি নন?’

    ‘অত্যন্ত দুঃখ হ’লেও, এ-কথা আমি বলতে বাধ্য যে এই ঝুঁকি আমি কিছুতেই নিতে পারি না।’

    কাপ্তেন মার্সেনে তারপরেও একগুঁয়ের মতো লেগে থেকেছেন। বন্ধুকে যেমন বলেছিলেন, তেমনিভাবেই কর্নেলকেও তিনি বলেছেন মাদমোয়াজেল মোরনাসের সঙ্গে তাঁর কী-রকম হার্দ্য সম্পর্ক গ’ড়ে উঠেছে। কিন্তু এই হৃদয়ঘটিত স্বীকারোক্তিতেও কোনো কাজ হয়নি। পরে তিনি আরো বলেছেন, তিনি নিজেই তো একশো সৈন্য নিয়ে এসেছেন –এবং এখানে কেউই তাদের আসার প্রত্যাশা করেনি, ফলে শুধু তাদের নিয়েই তো তিনি চ’লে যেতে পারেন—কিন্তু এত আবেদন- নিবেদনে কোনো ফল হয়নি। কর্নেল আলেজ কিছুতেই তাঁর সংকল্প থেকে নড়েননি।

    ‘আমি দুঃখিত, কাপ্তেন, গভীরভাবেই দুঃখিত। কিন্তু এই প্রস্তাবটা নাকচ ক’রে দেয়া আমার কর্তব্য। আপনি যে-সৈন্যবাহিনী সঙ্গে নিয়ে এসেছেন তাদের হয়তো এখানে কোনোই দরকার নেই, কিন্তু তবু, তারাও তো মানুষ, আমি তাদের জীবন- মরণ নিয়ে এমন হালকাচালে ছিনিমিনি খেলতে পারি না। তাছাড়া অত তাড়াই বা কীসের? আমরা বরং মোদমোয়াজেল মোরনাসের কাছ থেকে আরেকটা খবর আসার জন্যে সবুর ক’রে দেখি। একবার যখন তিনি টেলিগ্রাফ করতে পেরেছেন, তখন হয়তো আবার তিনি টেলিগ্রাফ করার চেষ্টা করবেন।

    ‘আর যদি না-করেন,’ হতাশায় তলিয়ে যেতে-যেতে বলেছেন কাপ্তেন মার্সেনে। তাঁর এই অসমাপ্ত বার্তা থেকে কোন্ সিদ্ধান্তে গিয়ে তবে আমরা পৌঁছুবো?’ কর্নেল শুধু দুঃখিত ভঙ্গি করেছেন, কিছুতেই তিনি তাঁর মত পালটাতে রাজি হননি।

    ‘তাহ’লে আমি একাই যাবো,’ এতক্ষণে দৃঢ়স্বরে ঘোষণা ক’রে উঠেছেন মার্সেনে।

    ‘একা?’

    ‘হ্যাঁ, কর্নেল। আমি ছুটির দরখাস্ত করবো, আপনি সেটা নামঞ্জুর করতে পারবেন না—’

    ‘উঁহু, ঠিক তার উলটোই, আমি এ-ছুটি কিছুতেই মঞ্জুর করতে পারবো না।’ কর্নেল শান্ত গলায় বলেছেন : ‘আপনি কি ভেবেছেন আপনাকে আমি এমন- একটা অ্যাডভেনচারে ঝাঁপ খেয়ে পড়তে দেবো, যেখান থেকে আপনি হয়তো সশরীরে আর ফিরতেই পারবেন না।’

    ‘সে-ক্ষেত্রে, কর্নেল, আমি অপনাকে অনুরোধ করবো অনুগ্রহ ক’রে আমার ইস্তফাপত্র গ্রহণ করতে।’

    ‘আপনার ইস্তফা?’

    ‘হ্যাঁ, কর্নেল।’

    কর্নেল আলেজ গোড়ায় কোনো কথাই খুঁজে পাননি। তাঁর অধীনস্থ এই সাহসী ও বেপরোয়া মানুষটির দিকে তাকিয়ে তিনি বুঝতে পেরেছেন, মার্সেনে এখন ঠিক স্বাভাবিক অবস্থায় নেই। প্রায় অভিভাবকের সুরেই তিনি বলেছেন : ‘আপনি নিশ্চয়ই জানেন, কাপ্তেন, যে আপনার ইস্তফাপত্র কতগুলো সরকারি দফতর দিয়ে যাবে— আমার হাতে এই ইস্তফা গ্রহণ করবার কোনো ক্ষমতাই নেই। তাছাড়া, এত-বড়ো একটা সিদ্ধান্ত নেবার আগে একটু পুনর্বিবেচনা ক’রে দেখারও প্রয়োজন আছে। আজ রাতটা বরং এ নিয়ে আমরা ভাবি-কাল এসে আমার সঙ্গে দেখা করবেন। এ নিয়ে বিশেষভাবে আলাচনা ক’রে দেখা দরকার।’

    পোশাকি-একটা সেলাম ঠুকে, দুই বন্ধু তখন কর্নেলের কাছ থেকে বিদায় নিয়েছেন। পেরিনি বন্ধুকে বোঝাতে-বোঝাতে সঙ্গে গেছেন, তাঁকে আশ্বাস দেবার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বেচারা মার্সেনের কানে বুঝি তাঁর একটা কথাও পৌঁছোয়নি। নিজের কোয়ার্টারের কাছে এসেই মার্সেনে বন্ধুর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে এসে সোজা আছড়ে পড়েছেন তাঁর বিছানায়। অভিভূত, হতাশ, বিমর্ষ মার্সেনে তারপর ফুঁপিয়ে উঠেছেন অঝোর কান্নায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রায়শ্চিত্ত প্রকল্প – জুবায়ের আলম
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    Related Articles

    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }