Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভার্ন এক পাতা গল্প982 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০১. বাজি

    বাগ্মী হিশেবে পৃথিবী-জোড়া নাম হয়েছিলো শেরিডানের। আঠারো শতকের গোড়ার দিকে যে-বাড়িতে তার জীবনান্ত ঘটেছিলো, আঠারো শতকের শেষের দিকে সেই বাড়িতেই থাকতেন রিফর্ম ক্লাবের সভ্য ফিলিয়াস ফগ। কিন্তু পরিহাস এটাই যে শেরিডান কথা বলতে যত ভালোবাসাতেন ফিলিয়াস ফগ কিন্তু ঠিক ততটাই ভালোবাসতেন মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকতে–পারতপক্ষে কোনো কথা না-বলতে পারলেই বুঝি তিনি সবচেয়ে খুশি থাকতেন।

    ফগের টাকাকড়ি ছিলো অঢেল, কিন্তু কীভাবে তিনি টাকা রোজগার করতেন, সেএক মহা-রহস্য। রিফর্ম ক্লাবের মেম্বার হিশেবেই তাকে সকলে জানতো, কাজ-কারবার কোনোকিছু করতে কেউ তাকে দ্যাখেনি—অথচ টাকা ছিলো অঢেল। ফগ কথা বলতেন কম, খরচ করতেন কম, আর তার সংযম ছিলো সে-এলাকার সকলের আদর্শ। অথচ, কিপ্টেও ওঁকে বলা চলে না, কেননা তার দানের পরিমাণ ছিলো প্রচুর। বিলাসিতা জিনিশটা অসহ্য ছিলো ফগের কাছে। কিন্তু, তাঁর সম্পর্কে যে-কথাটি সবচাইতে আগে বলবার, তা হলো : তার সাংসারিক কাজকর্ম চলতো ঘড়ির কাঁটায়-কাঁটায়—একসেকেণ্ড এদিকওদিক হলেই কুরুক্ষেত্র বেধে যেতো।

    ভূগোল ছিলো ফগের নখদর্পণে। আর সেজন্যেই অনেকেই মনে করতে তিনি বুঝি অনেক দেশ-বিদেশ ঘুরে এসেছেন। কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপার-লণ্ডনের একচুল বাইরে কখনও তিনি পদার্পণও করেননি। নিজের বাড়ি, আর রিফর্ম ক্লাব-এই দু-জায়গা ছাড়া ফগ আর-কোথাওই যাননি কখনও।

    বাজি রেখে তাশ খেলা ছাড়া আর-কোনো নেশা ছিলো না ফগের। ক্লাব-ঘরে বসে খবর-কাগজ পড়া আর বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে তাশ খেলা ছাড়া আর-কিছুই তিনি জানতেন। তাশ খেলায় তাকে কেউ হারতে দেখেছে বলে মনে হয় না। বাজির টাকা নিজে–মিয়ে ফগ দান করতেন, কাজেই এ-কথা বলাবাহুল্য যে টাকার লোভে তিনি তাশ খেলতেন না। হুইস্ট খেলায় মাথা লাগে বলেই বোধহয় হুইস্ট খেলায় ফগের এত টান ছিলো আর সে-খেলায় সম্ভবত তার কোনো জুড়ি ছিলো না।

    আপন বলতে দুনিয়ায় ফগের কেউ ছিলো না; সেভিল-রোর সেই নির্জন বাড়িতে তিনি একাই থাকতেন। বাড়িতে ফগের সঙ্গে দেখা করতে কেউ কখনও গেছে বলে কোনো নজির পাওয়া যায় না। রিফর্ম ক্লাবেই, প্রত্যহ, একলাই, তিনি আহার করতেন–তার সঙ্গে এক টেবিলে বসে খেতে কাউকে কখনও দেখা যায়নি। ক্লাবের ওয়েটাররা খুব-সতর্ক হয়ে তাকে খাবার পরিবেষণ করতো। সবচেয়ে ভালো জিনিশ ছাড়া কিছুই যে তিনি ঠোটে ছোঁয়ান না, সে-কথা ওয়েটারদের ভালো করেই জানা ছিলো।

    চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র দশ ঘণ্টা বাড়িতে থাকতেন ফগ, আর সেই দশ ঘণ্টা কাটতো ঘুমুতে ও পোশাক-আশাক পরতে। আড়ম্বর না-থাকলেও তার বাড়িতে স্বাচ্ছন্দ্য ছিলো, আরাম ছিলো। জেমস ছিলো তার পরিচারক। প্রভুর মেজাজ বুঝে তাকেও ঠিক ঘড়ির কাটায়-কাটায় নির্দিষ্ট সময়ে কাজ করতে হতো। আমাদের কাহিনীর যবনিকা যেদিন উঠলো, সেদিন জেমস ফগকে দাড়ি কাটবার জন্যে যে-গরম জল দিয়েছিলে তা ছিয়াশি ডিগ্রি না-হয়ে চুরাশি ডিগ্রি হয়েছিল বলে সঙ্গে-সঙ্গে বরখাস্ত হয়ে গেছে। সে, প্রায় বিনাবাক্যব্যয়েই।

    ইজি-চেয়ারে বসে ফণ তাকিয়ে ছিলেন তার ঘড়ির দিকে। ঘড়িটা, লা-বাহুল্য, সবচেয়ে ভালো জাতের। ঘণ্টা, মিনিট, সেকেণ্ড তো বটেই, বারের নাম, মাস, বছর পর্যন্ত পাওয়া যেতো ঐ ঘড়িতে। সোয়া-এগারোটা বাজে তখন। অন্যদিন ফগ এই সময়েই ক্লাবে যেতেন। কিন্তু আজ সবকিছুই যেন কেমন গোল পাকিয়ে গেছে।

    ঠিক কাঁটায়-কাঁটায় সোয়া-এগারোটার সময় জেমস ঘরে ঢুকে জানালে, কর্তা, নতুন লোক এসেছে।

    সঙ্গে-সঙ্গে বছর-ত্রিশের একজন ফরাশি ঘরে ঢুকলো। ফগ লোকটার দিকে তাকালেন। ফরাশি দেখছি! তোমার নামই জন?

    জন না, জাঁ—জাঁ পাসপার্তু। লোকটি বললো, বোধহয় একটু বেশিই কথা বলে সে, আমার ধারণা, লোক আমি খারাপ নই। এ-পর্যন্ত অনেকরকম কাজই করেছি আমি। কিছুদিন রাস্তায় রাস্তায় গান গেয়েও বেড়িয়েছি। এক সার্কাসের দলেও ছিলাম কিছুকাল–ট্রাপিজের খেলায় তো রীতিমতো ওস্তাদ। এক কুস্তির আখড়ায়ও সর্দারি করেছি কিছুদিন। পারীর রেলে ফায়ারম্যানও ছিলাম কয়েকদিন। পাঁচ বছর হলো ফ্রান্স ছেড়েছি। ইংল্যাণ্ডে এক ভদ্রলোকের কাছে কাজ করেছিলাম কিছুকাল—কিন্তু শেষ অব্দি তার কাছে কাজ করা আর পোষালো না। এখন তাই বেকার বসে আছি। শুনলাম, আপনার একজন পরিচারক চাই। আরো শুনলাম, আপনি সংযমী আর সময়ানুবর্তী। আপনার কাছে সুখে-শান্তিতে থাকতে পারবো–এই ভরসাতেই এসেছি।

    ফগ জবাব দিলেন, ঠিক আছে। তোমার সততার কথা আমি আগেই শুনেছি, সার্টিফিকেটগুলোও দেখেছি। এই চাকরির শর্তগুলো সব জানো তো?

    আজ্ঞে হ্যাঁ।

    বেশ। এখন ক-টা বেজেছে?

    পাসপার্তু তার জেব থেকে একটা প্রকাণ্ড ঘড়ি বের করে বললে: এগারোটা বাইশ।

    উঁহু! তোমার ঘড়ি ঠিক নয়—স্লো চলছে।

    অসম্ভব। পাসপার্তু প্রতিবাদ করলে, বেশ সজোরেই।

    তোমার ঘড়ি চারমিনিট স্লো চলছে। সে-যাক, ভুলটা শুধরে নিলেই হলো। মনে রেখো, আঠারোশো বাহাত্তর সালের দোসরা অক্টোবর বেলা এগারোটা ছাব্বিশে তুমি আমার কাজে ভর্তি হলে। বলতে-বলতে ইজি-চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়ালেন ফগ, যচেলা মানুষের মতো টুপিটা মাথায় দিলেন, তারপর আর-কিছু না-বলে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন।

    নতুন মনিবের সামনে দাঁড়িয়ে পাসপার্তু এতক্ষণ তার আপাদমস্তক নিরীক্ষণ করছিলো। তার নতুন প্রভুর চেহারাছিরি দিব্বি, সুন্দর কান্তি ফগের, লম্বা-চওড়া শরীর। দেখলেই মনে হয়, ফগ এককথার মানুষ। যারা ভালো করে লক্ষ করেছিলো, তারা জানতো, ফিলিয়াস ফগ কখনও খামকা, কারণবিনা কোনো কাজ করতেন না। যেখানে এক-পা ফেললেই চলে, সেখানে কেউ তাকে দু-পা এগুতে দ্যাখেনি। যে-পথে গেলে সবচেয়ে-কম সময়ে গন্তব্যস্থলে পৌঁছুনো যায়, ফিলিয়াস ফগ সবসময় সেই পথেই পা বাড়াতেন। বাধা তার কাছে বাধাই ছিলো না। যা ধরতেন, তা শেষ না-করে তিনি ছাড়তেন না। খামকা কোনোকিছু করা তার অভ্যেস ছিলো না। দুঃখে-আনন্দে অবিচলিত, বিপদে অচঞ্চল, সদা শান্ত, ধীরস্থির ও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ফগ এক আশ্চর্য-স্বভাব লোক ছিলেন। তাড়াহুড়ো করে কিছু করতে কেউ তাকে কখনও দ্যাখেনি। নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকতেন, সাতে-পাঁচে কোনো রা করতেন না বা কাড়তেন না।

    জাঁ পাসপার্তুও মানুষ হিশেবে ভালোই। দৃঢ়গড়ন শরীর তার, এত বিচিত্র অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও মুখে একটা আশ্চর্য-সরল লাবণ্যের ছাপ। অনেকদিন অনেকরকম কাজ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলো–তাই কিছুদিন শান্তিতে কাটানোর জন্যেই ফগের কাছে এসে চাকরি নিয়েছিলো সে।

    পাসপার্তু তার ঘরকন্না দেখে নিতে লাগলো। দেখলো, যেখানে যা থাকা উচিত, এ-বাড়িতে তা ঠিক-সেখানেই আছে। কোথাও বিলাসিতার চিহ্নও নেই, অথচ কোনো অভাবও নেই। পাসপার্তু মনে-মনে খুশিই হলো। সবকিছু দেখে-শুনে সে নিজের ঘরে এসে হাজির হলো। ঘরটা ভালো। একদিকে একটা টেলিফোন আর একটা ইলেকট্রিক বেলও আছে সেই ঘরে। ফায়ার-প্লেসের উপরে দেয়ালে একটা ইলেকট্রিক ঘড়ি টিকটিক করে চলছে। ফগের ঘরের ঘড়ি আর এই ঘড়ি ঠিক একইসময় রাখছিলো। ঘড়িটার পাশেই, দেয়ালে, একটা কাগজে পরিচারকের প্রাত্যহিক কাজের একটা রুটিন ঝুলছিলো। পাসপার্তু পড়তে লাগলো : আটটা তেইশ মিনিটে প্রাতরাশ, ন-টা সাঁইত্রিশ মিনিটে দাড়ি কামাবার জন্য গরম জল, পৌনে দশটার সময় স্নানের আয়োজন ইত্যাদি-ইত্যাদি। পাসপার্তু তার কাজের রুটিনে মনঃসংযোগ করলো বেশ খুশি মনেই, যাকে বলে হৃষ্ট চিত্তে।

    ক্লাবে পৌঁছেই ফগ কারু সঙ্গে কোনো কথা না-বলে নিজের খাবার-টেবিলে গিয়ে বসলেন। বারোটা সাতচল্লিশ মিনিটের সময় খাওয়া শেষ করে ড্রয়িংরুমে এসে পৌঁছুবামাত্র বেয়ারা তার হাতে একটি টাইমস কাগজ দিয়ে গেলো। টাইমস আর তারপর স্ট্যাণ্ডার্ড কাগজ পড়তে-পড়তেই বিশ্রামের সময় হয়ে গেলো। বিশ্রাম সেরে ফগ একটি মর্নিং ক্রনিকল হাতে ক্লাবের সেলুনে এসে ঢুকলেন।

    আধঘণ্টার মধ্যেই তার বন্ধু-বান্ধবে ঘরটা ভরে গেলো। এঁরা সবাই হুইস্টে একএকজন নামজাদা খেলোয়াড়। আন্দ্রে স্টুয়ার্ট, জন সলিভান, স্যামুয়েল ফলেন্তিন, টমাস ফ্লাগেন, বিলেতের বড়ো-একটা ব্যাংকের অন্যতম ডিরেক্টার গথিয়ার র‍্যাল্‌ফ–এঁদের কারুই টাকার অভাব ছিলো না। বেশ কিছুকাল ধরেই ফিলিয়াস ফগের হুইস্ট-যুদ্ধ চলছে এঁদের সঙ্গেই।

    ফায়ার-প্লেসের চারদিকে বসে এঁরা গল্প-গুজব করতে লাগলেন। ফ্লানাগেন বললেন : র‍্যাল্‌ফ, এই-যে সাংঘাতিক ডাকাতিটা হয়ে গেলো, এর কিনারা কিছু হলো কি?

    স্টুয়ার্ট বললেন : কী আর হবে? ব্যাংকের টাকাগুলো সবই মাঠে মারা গেলো আর-কি!

    স্টুয়ার্টের কথায় কান না-দিয়েই র‍্যাল্‌ফ বললেন, আমার অবশ্য ভরসা হচ্ছে যে চোর ধরা পড়বেই। আমেরিকা, ইওরোপ, এশিয়া—সবখানেই আমাদের ডিটেকটিভ আছে। প্রত্যেক বড়ো-বড়ো বন্দরেই তারা খবর নিচ্ছে। এদের চোখে ধুলো দিয়ে, এদের ফাঁকি দিয়ে পালানো খুব সহজ নয়।

    স্টুয়ার্ট বললেন : তাহলে চোরের চেহারা কেমন তা আপনারা জানেন?

    কথা শুনে র‍্যাল্‌ফ দৃঢ়স্বরে বললেন : চোর কেন বলছেন? টাকাটা যে নিয়েছে, সে চোর নয়।

    সে-কী। স্টুয়ার্ট অবাক হলেন। সাড়ে-আট লক্ষ টাকার নোট নিয়ে যে সরে পড়তে পারে, সে যদি চোর না-হয় তো কী?

    না, চোর সে নয়!

    বিদ্রপে ফেটে পড়লেন সলিভান : না, না, সে কেন চোর হতে যাবে? সে হলো সন্ত পলের অতীব আদরের চেলাটি।

    এতক্ষণে খবরের কাগজ থেকে মাথা তুললেন ফগ। মর্নিং ক্রনিকলে পড়ছিলুম যিনি নোটগুলো নিয়েছেন, তিনি নাকি আপাদমস্তক একজন ভদ্রলোক।

    আলোচনা চলতে লাগলো।

    তিনদিন আগে ইংল্যাণ্ডের ব্যাংক থেকে সাড়ে-আট লাখ টাকার নোট চুরি হয়েছিলো। ব্যাংকের অন্যতম ডিরেক্টার র‍্যাল্‌ফ সকলকে বোঝাবার চেষ্টা করলেন : এই চুরির জন্যে ক্যাশিয়ার বেচারির কিন্তু কোনো দোষ নেই। ও কী করবে? ও তখন মন দিয়ে ব্যাংকের একটা পাওনা খাতায় জমা করছিলো। একটা লোক তো আর চারদিকে নজর রাখতে পারে না। দুটো বৈ তো তার আর চোখ নেই।

    ব্যাংক অভ ইংল্যাণ্ডে যারা টাকাকড়ি দিতে বা নিতে আসতেন কর্তৃপক্ষ তাদের সততা সম্পর্কে কখনোই কোনো সন্দেহ করেননি। কেউ নোট দেখছেন, কেউ সোনা পরীক্ষা করছেন, কেউ-বা হিরে-জহরৎ মণি-মুক্তো দেখছেন। পরীক্ষার পর সবাই আবার যথাস্থানে টাকাকড়ি মণিমুক্তো রেখে দিতেন–এইভাবেই কাজ চলতো। কিন্তু সেদিন যিনি নোট নিয়েছিলেন তিনি আর তা ফেরৎ দেননি। বেলা পাঁচটার সময় যখন ব্যাংক বন্ধ করা হবে, তখনই প্রথম জানা গেলো যে, ব্যাংকের সাড়ে-আট লাখ টাকা চুরি হয়েছে।

    অমনি হৈ-চৈ শুরু হয়ে গেলো। চারদিকে ডিটেকটিভ পাঠানো হলো। মুহূর্তে দেশে-বিদেশে ঐ চুরির খবর ছড়িয়ে পড়লো। ব্যাংক অভ ইংল্যাণ্ড ঘোষণা করলো, চোর ধরতে পারলে ত্রিশ হাজার টাকা পুরস্কার তত মিলবেই, তা ছাড়া অপহৃত টাকার যতটুকু পাওয়া যাবে, তার উপর শতকরা ত্রিশ টাকা হিশেবে কমিশন দেয়া হবে।

    মর্নি ক্রনিকল জানালে যে, ঘটনার দিন আচার-ব্যবহারে-সুমার্জিত ভদ্রবেশধারী একটি লোককে ব্যাংকের নোট পরীক্ষা করতে দেখা গিয়েছিলো। তার পোশাক ও চেহারার বর্ণনা ডিটেকটিভদের দেয়া হয়েছিলো বলেই কর্তৃপক্ষের বিশ্বাস, চোর ধরা পড়বেই। খবরের কাগজগুলো তো হুজুগ পেলেই হৈ-চৈ করে, এবারও শোরগোল তুলতে তারা ভোলনি।

    র‍্যাল্‌ফের বিশ্বাস পুরস্কারের লোভে ডিটেকটিভরা নিশ্চয়ই প্রাণপণ চেষ্টা করবে–তাহলে চোর বা দস্যু যা-ই সে হোক না কেন ধরা পড়বেই। স্টুয়ার্টের মত ছিলো অন্যরকম। হুইস্ট খেলতে-খেলতে তাই তারা এই জবর-গরম খবরেরই আলোচনা করতে লাগলেন। স্টুয়ার্ট বললেন : চোর যে মহাধুরন্ধর, তা বেশ বোঝাই যাচ্ছে। আমার বিশ্বাস ও পালিয়ে যাবে।

    র‍্যাল্‌ফ বললেন : পালাবে তো বটেই–কিন্তু যাবে কোথায়, বলুন।

    কেন? দুনিয়ায় কি জায়গার অভাব আছে নাকি! পৃথিবীটা তো আর এতটুকু এক এঁদোগলি নয়, পালাবার জায়গার আবার ভাবনা!

    ফিলিয়াস ফগ তাশ শাফল করতে-করতে বললেন : এককালে পৃথিবীটা বড়োই ছিলো বটে, তবে এখন আর সে-দিন নেই।

    স্টুয়ার্ট বললেন : তার মানে? পৃথিবীটা কি এখন ছোটো হয়ে গেছে। নাকি?

    র‍্যাল্‌ফ বললেন : ঠিক তা-ই। একবার পৃথিবীটা ঘুরে আসতে এখন যে-সময় লাগে, আগে লাগতো তার দশগুণ বেশি। তবেই তো পৃথিবী ছোটো হয়ে গেলো। এইজন্যে চোরের সন্ধান খুব তাড়াতাড়ি হবে—সে আর পালাবে কোন চুলোয়?

    ফগ বললেন : মিস্টার স্টুয়ার্ট, এবার আপনার পালা, খেলুন।

    আর খেলা! স্টুয়ার্টের তখন খেলার দিকে মন ছিলো না। এখন তিন মাসে পৃথিবী ঘুরে আসা যায় বলে পৃথিবীটা এতই ছোটো হয়ে গেছে যে আপনি দিব্বি নিশ্চিন্ত হয়ে বসে আছেন?

    ফগ বাধা দিলেন : তিন মাস তো ঢের-বেশি—আশিদিনেই এখন সারা দুনিয়া ঘুরে আসা যায়।

    সলিভান সায় দিলেন ফগের কথায়। এ-কথা ঠিক। রোটাস থেকে এলাহাবাদ অব্দি গ্রেট-ইণ্ডিয়ান পেনিনসুলার রেলপথ খুলেছে। এখন আশিদিনেই সারা পৃথিবী ঘোরা হয়ে যায়। এই দেখুন-না, মর্নিং ক্রনিকলে লিখেছে, মাসেও ব্রিন্দিসি হয়ে রেল ও স্টীমারে লণ্ডন থেকে সুয়েজ সাতদিন : স্টীমারে সুয়েজ থেকে বম্বাই তেরোদিন, রেলে বম্বাই থেকে কলকাতা তিনদিন, স্টীমারে কলকাতা থেকে হংকং তেরোদিন; স্টীমারে হংকং থেকে ইয়োকোহামা ছয়দিন; স্টীমারে ইয়োকোহামা থেকে সানফ্রান্সিসকো বাইশদিন; রেলে সানফ্রান্সিসকো থেকে নিউইয়র্ক সাতদিন, রেল আর স্টীমারে নিউইয়র্ক থেকে লণ্ডন নয়দিন—একুনে আশিদিন।

    দিনের হিশেব কষতে-কষতে খেলার কথা ভুলে গিয়ে স্টুয়ার্ট একটা ভুল তাশ খেলে ফেললেন। হ্যাঁ, আশিদিনই বটে। কিন্তু ঝড়-তুফান, জাহাজ-ড়ুবি, রেল—কলিশন–এ-সব তো আর ও-হিশেবে ধরা হয়নি।

    ফগ বললেন : সে-সব ধরেই বৈকি।

    বলেন কী? স্টুয়ার্ট যেন অবাকই হলেন একট। সে-সব ধরেই? যদি মার্কিন মুলুকের ষণ্ডাগুণ্ডারা পথ থেকে রেল উঠিয়ে রাখে, কিংবা যদি ট্রেন থামিয়ে লুঠতরাজ শুরু করে দেয়, তাহলে

    শান্তগলায় ফগ জবাব দিলেন হ্যাঁ, তাহলেও—এই দেখুন, আমার হাতে দুটো রঙ। এ-বাজি আমার।

    স্টুয়ার্ট বললেন : ও-সব গাঁজাখুরি ব্যাপার খবরকাগজেই মানায়, বাস্তবে বাস্তবেও ঐ হিশেব ঠিক।

    স্টুয়ার্ট হাসলেন। আপনিই একবার করে দেখান না যে আশিদিনেও পৃথিবী ঘুরে আসা যায়।

    চলুন-না, আপনিও ঘুরে আসবেন আমার সঙ্গে।

    উঃ-রে ব্বাস-রে! আমি বাপু এই অসম্ভব ব্যাপারে নাক গলিয়ে নাকাল হতে চাইনে। আপনি যদি আশিদিনেই পৃথিবী ঘুরে আসতে পারেন, আমি তবে ষাট হাজার টাকা দেবো।

    আশিদিনে পৃথিবী ঘুরে-আসা—এই তো? বেশ, আমিই না-হয় যাবো।

    কবে?

    কেন?

    এক্ষুনিই রওনা হয়ে পড়বে। তবে আগেই বলে রাখছি সমস্ত খরচ কিন্তু আপনার।

    ফগের একগুঁয়েমি দেখে স্টুয়ার্ট একটু বিরক্তই হয়ে পড়লেন। এইসব বাজে কথা রেখে, আসুন তো, এক-হাত খেলা যাক ভালো করে।

    আগের বাজি আপনি হেরেছিলেন—এবার আপনিই শুরু করুন।

    কী মনে করে স্টুয়ার্ট আবার বললেন : দেখুন মিস্টার ফগ, আপনি যদি রাজি থাকেন তো আমি ষাট হাজার টাকাই বাজি রাখবো। যখন একবার বলেছি বাজি ধরবো, তখন কোনোমতেই সে-কথা নড়চড় হবে না বা মিথ্যে হবে না।

    বেশ-তো, ভালো কথা। ফগ বললেন। আমিও পিছু হঠবার পাত্র নাই। ব্যারিংএর গদিতে আমার তিন লাখ টাকা জমা রয়েছে–আমি সেই তিন লাখ টাকাই বাজি রাখছি।

    সলিভান অবাক হয়ে গেলেন। তিন লাখ টাকা বাজি! এ আপনি বলছেন কী, মিস্টার ফগ? পাগল হলেন নাকি? একটা সামান্য-কিছু গোলযোগ হলেই তো আপনার সব টাকা জলে যাবে! রাস্তায়-ঘাটে কত রকম বাধা-বিপত্তি আছে। এখন হয়তো বোঝা যাচ্ছে না, কিন্তু পরে—

    ফগ বাধা দিয়ে বললেন : অদৃষ্টপূর্ব এমন-কিছু ঘটতেই পারে না।

    এই-যে আশিদিনের হিশেব, এর চেয়ে কম সময়ে সারা দুনিয়া ঘুরে আসা কিন্তু অসম্ভব।

    সবদিকে চোখ রেখে ঠিকমতো চলতে পারলে কম সময়েই সব কাজ করা যায়।

    আপনাকে অনেকবার ট্রেন থেকে স্টীমারে, স্টীমার থেকে ট্রেনে ওঠা-নামা করতে হবে। একটু যদি দেরি হয়, যদি ট্রেন বা স্টীমারে ঠিক সময়ে উঠতে না পারেন—

    কে বললে আমার দেরি হবে?

    এ আপনি ঠাট্টা করছেন নিশ্চয়ই।

    ঠাট্টা? সত্যিকার ইংরেজ বাজি রেখে কখনও ঠাট্টা করে না। আপনাদের যাঁর ইচ্ছে তাঁর সঙ্গেই বাজি ধরতে আমি রাজি আছি। হ্যাঁ, তিন লাখ টাকার বাজি—আমি আশিদিনের মধ্যে সারা দুনিয়া ঘুরে আসবো। আপনারা রাজি আছেন?

    নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করে সবাই জানালেন : হ্যাঁ, রাজি।

    বেশ। পৌনে ন-টায় ডোভার মেল ছাড়ে–আমি ওতেই রওনা হচ্ছি।

    সে-কী! স্টুয়ার্ট রীতিমতো তাজ্জবই হলেন। আজ সন্ধ্যায়ই?

    হ্যাঁ, আজই সন্ধ্যায়। আজ দোসরা অক্টোবর, বুধবার। একুশে ডিসেম্বর শনিবার পৌনে ন-টার মধ্যে আমি এই ক্লাব-ঘরে এসে হাজির হবো। যদি না-পারি, তবে ব্যারিংএর গদিতে আমার যে তিন লাখ টাকা আছে, সে-সবই আপনাদের হবে। এই নিন, ঐ টাকার চেক রাখুন।

    তক্ষুনি বাজির শর্তগুলো লেখা হলো। দু-তরফই সেই দলিলে সই করলেন।

    ফিলিয়াস ফগ কিন্তু তখনও আগের মতোই অবিচলিত। ফগ জানতেন যে তার যথাসর্বস্ব হলো ছ-লাখ টাকা। এই অভূতপূর্ব ভ্রমণেই তার অর্ধেক খরচ হয়ে যাবে। তাই তিনি তিন লাখ টাকা বাজি ধরেছিলেন। তাঁর বন্ধু-বান্ধব সবাই খুব উত্তেজিত হয়ে উঠলেন—টাকার জন্যে নয়, তারা সবাই একেকজন টাকার তিমিঙ্গিল, কিন্তু তবু এমন অবস্থায় এ-রকম বাজি ধরলে আপনা-আপনিই যেন বুক কেঁপে ওঠে।

    ফগ কিন্তু নিশ্চিন্ত মনে তাশ খেলছিলেন। দেখতে-দেখতে সাতটা বেজে গেলো। সবাই বললেন : আর-না, এবার খেলা বন্ধ হোক। মিস্টার ফগকে যাত্রার জন্যে তৈরি হতে হবে তো।

    খেলতে-খেলতেই ফগ বললেন : আমি তো তৈরিই আছি!

    সোয়া-সাতটার সময় তাশ খেলা ছেড়ে ফগ উঠে দাঁড়ালেন। হুইস্টের বাজি জিতে যে-তিনশো টাকা পেয়েছিলেন, তা কোটের পকেটে রেখে বন্ধুদের কাছ থেকে বিদায় নিলেন। পৌনে আটটার সময় ফগকে বাড়ি পৌঁছুতে দেখে পাসপার্তু আশ্চর্য হলো-–রুটিন অনুযায়ী তার তো রাতদুপুরের আগে বাড়ি ফেরার কথা নয়!

    ফগ নিজের ঘরে ঢুকে টেলিফোনে পাসপার্তুকে ডাকলেন। পাসপার্তু ঘরে ঢুকে পকেট থেকে ঘড়ি বার করলে, বললে, এখনও তো রাতদুপুর হয়নি!

    সে আমি জানি। দশ মিনিটের মধ্যেই আমাদের ক্যালের দিকে যেতে হবে।

    পাসপার্তুকে হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে ফগ আবার বললেন, আশিদিনের মধ্যে আমাকে সারা পৃথিবী ঘুরে আসতে হবে, তাই এক্ষুনি ক্যালে রওনা হতে হবে আমাদের। চলো, ট্রেনের আর বেশি দেরি নেই।

    পাসপার্তু তো একেবারে থ! আশিদিনে সারা দুনিয়া ঘুরে আসা? সে-যে একেবারে অসম্ভব! মাথা খারাপ হয়নি তো ফগের? সদ্য-পাওয়া সাধের চাকরিটা বুঝি প্রথম দিনেই তাকে খোয়াতে হলো!

    ফগ কিন্তু সেদিকে খেয়াল না-করে বলে চললেন : জিনিশপত্র বিশেষ-কিছু নিতে হবে না। একটা কার্পেটের ব্যাগে গোটা-দুই শার্ট আর জোড়া-তিনেক মোজা নিলেই চলবে। তোমার জন্যেও তা-ই নিয়ো। আর যা-কিছু দরকার হবে, পথে যেতে-যেতে কিনে নিলেই হবে। আমার ম্যাকিশ আর বড়ো কোটটা নিয়ো। আমাদের অবিশ্যি বেশি হাঁটতে হবে না, তবু যেন দু-জোড়া বুটজুতো সঙ্গে থাকে। এ-কী? চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলে যে? শিগগির করো, শিগগির।

    অবাক পাসপার্তু তাড়াতাড়ি নিজের ঘরে ঢুকে হতাশভাবে একটা চেয়ারে বসে পড়লো, আপনমনেই বললো, কপালের লেখা কে খণ্ডাতে পারে। আমার বরাতে বেশ হলো দেখছি! দু-দিন একটু শান্তিতে থাকবো ভেবেছিলুম! এখন খুব হলো।

    কিন্তু ভাববার অবসর কই? সময় নেই, এক্ষুনি রওনা হতে হবে। পাসপার্তু দ্রুতহাতে জিনিশপত্র গোছাতে লাগলো, আর ভাবতে লাগলো, আশিদিনে সারা দুনিয়া ঘুরে-আসা! তবে কি আমি পাগলের চাকরি নিলুম? না-না, এ-যে একদম অসম্ভব। এ নিশ্চয়ই একটা তামাশা। পাঁচ বছর হলো দেশ ছেড়েছি, পাঁচ বছর পর আবার দেশের মুখ দেখতে পাবো—সে হিশেবে ক্যালে যাওয়াটা একরকম ভালোই। পারী দেখতে তিনি অন্তত একবার নিশ্চয়ই সেখানে যাবেন—আর গেলে কি আর দু-দিন না-থেকে পারবেন? কিন্তু তা-ই বা বলা যায় কী করে? যিনি কখনও ঘরের বাইরে পা দেননি, তিনি যখন পৃথিবীভ্রমণে বেরুচ্ছেন, তখন ব্যাপারটা যে আসলে কী, সেইটেই হলো সত্যিকার ভাববার কথা।

    আটটার মধ্যেই পাসপার্তু জিনিশপত্র ব্যাগে ভরে তৈরি হয়ে নিলে, আর অস্থির মনে ঘরের দরজা বন্ধ করে ফগের কাছে এসে দাঁড়ালে। ফগ এর মধ্যেই তৈরি হয়ে নিয়েছিলেন। হাতে ছিলো ব্রডশ-র কন্টিনেন্টাল গাইড। পাসপার্তুর কাছ থেকে ব্যাগটা নিয়ে তার ভিতর একতাড়া ব্যাংক-নোট রেখে বললেন, কি? সবকিছু ঠিকঠাক আছে তো? ব্যাগটা নাও। সাবধানে রেখো–এর মধ্যেই কিন্তু তিন লাখ টাকার নোট রইলো।

    তিন লাখ টাকা। ব্যাগটা পাসপাৰ্তর কাছে হঠাৎ যেন বিষম ভারি হয়ে উঠলো, মনে হলো, হাত বুঝি অবশ হয়ে এলিয়ে যাচ্ছে, বুঝি আর হাতে ধরে রাখতে পারা যাচ্ছে না।

    দু-জনে নিচে নামলেন। দরজায় তালা পড়লো। একটা গাড়ি ডেকে চ্যারিংক্রস স্টেশনের দিকে রওনা হলেন তারা। প্রায় সাড়ে-আটটায় ফগ আর পাসপার্তু স্টেশনের ভিতর প্রবেশ করলেন। একটি ভিখিরি এসে হাত পেতে দাঁড়াতেই ফগ পকেট থেকে হুইস্টের বাজি-জিতে-পাওয়া টাকা ক-টা দিয়ে দিলেন—আর পাসপার্তু তার এই দান দেখে ফগকে অত্যন্ত ভালোবেসে ফেললো।

    পাসপার্তু পারীর জন্যে দুটো ফার্স্টক্লাসের টিকিট কিনে আনতে গেলো। এমন সময় রিফর্ম ক্লাবের সভ্যরা ফগকে সী-অফ করতে স্টেশনে এসে হাজির হলেন। তাদের দেখে ফগ বললেন, এই দেখুন, আমি তো এক্ষুনি যাত্রা করছি। আমার পাসপোর্টে কন্সলের সই দেখলেই তো আপনাদের আর সন্দেহের কারণ থাকবে না?

    র‍্যাল্‌ফ নকণ্ঠে বললেন : না, না—পাগল হলেন নাকি? আপনার মুখের কথাই যথেষ্ট–পাসপোর্টের ছাপটাপের আর দরকার কী?

    বন্ধুকে সতর্ক করে দিলেন। কবে ফেরবার কথা তা যেন ভুলে যাবেন না।

    আঠারোশো বাহাত্তর সালের একুশে ডিসেম্বর পৌনে-ন-টা। আশা করি মনে থাকবে। আচ্ছা, চলি।

    পৌনে ন-টার সময় ডোভার মেল ছাড়লো। অন্ধকার রাত্রি, তার উপর টিপটিপ করে বৃষ্টিও পড়ছিলো তখন। হঠাৎ পাসপার্তু চেঁচিয়ে উঠলো : হায়-হায়! তাড়াতাড়িতে আমার ঘরের বাতিটা নিবিয়ে দিতে ভুলে এসেছি।

    ফগ শান্ত নির্বিকার গলায় বললেন, বেশ। আমরা যদ্দিন না-ফিরছি বাতিটা একটানা জ্বলতেই থাকবে। বিজলির বিলের দামটা অবিশ্যি তোমাকেই দিতে হবে। ডোভার মেলটা তখন যদি হঠাৎ থামতে, পাসপার্তু নিশ্চয়ই বিজলির চাইতেও দ্রুতবেগে দৌড়ে ঘরে ফিরে যেতো। গিয়ে বাতিটা নিবিয়ে, দিতো। কিন্তু, একঘেয়ে শব্দ করে ডোভার মেল দ্রুতবেগে ছুটেই চললো, অন্ধকার ছুঁড়ে সোজা সামনের দিকেই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রায়শ্চিত্ত প্রকল্প – জুবায়ের আলম
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    Related Articles

    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }