Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৫ (পঞ্চম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    জুল ভার্ন এক পাতা গল্প982 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৬. বিপদ যখন ঘনিয়ে আসে অতর্কিতে

    পঁচিশে অক্টোবর ভোরবেলা ফিলিয়াস ফগ কলকাতা পৌঁছুলেন। বেলা একটার সময় হংকং-এর জাহাজ ছাড়বে, সুতরাং তখনও ঘণ্টা-কয়েক সময় হাতে ছিলো। ডায়রি খুলে ফগ দেখলেন ছাব্বিশে অক্টোবর তার কলকাতা পৌঁছুবার কথা। আজ তেইশ দিন হলো তিনি লণ্ডন ছেড়েছেন। জাহাজ তাড়াতাড়ি আসায় হাতে যে-দু-দিন সময় প্রায় ফাউ পাওয়া গিয়েছিলো, আউদাকে উদ্ধার করতে গিয়েই তা কেটে গেছে। সময়ের হিশেব করে ফগ বুঝলেন যে, যে-করেই হোক বেলা একটার জাহাজেই তাকে হংকং যাত্রা করতে হবে।

    হাওড়া স্টেশনে ট্রেন থামতে-না-থামতেই পাসপার্তু গাড়ি থেকে নেমে পড়লো। তার ইচ্ছে ছিলো আগেভাগেই হংকং-এর জাহাজে গিয়ে সব বন্দোবস্ত করে রাখবে।

    এমন সময় ধরাচুড়ো পরা একজন ইংরেজ দারোগা এসে শুধোলে : আপনার নামই কি ফিলিয়াস ফগ?

    ঘাড় নেড়ে জিজ্ঞাসু দৃষ্টিতে দারোগার দিকে তাকাতেই দারোগা ফগকে জিগেস করলেন : এই বুঝি আপনার ফরাশি ভৃত্য?

    হ্যাঁ।

    আপনারা কি অনুগ্রহ করে আমার সঙ্গে একটু আসবেন?

    ফিলিয়াস ফগ একটুও বিচলিত হলেন না। ইংরেজের চোখে আইন অতি পবিত্র জিনিশ, আর পুলিশ দেশের আইন-রক্ষক। কিন্তু পাসপার্তু তর্ক করতে উদ্যত হলো। ফিলিয়াস ফগ তাকে থামিয়ে দিয়ে শুধোলেন : এই ভদ্রমহিলা কি আমাদের সঙ্গে আসতে পারেন?

    অনায়াসে। জবাব দিলেন দারোগা।

    তারা তখন একটা ঘোড়ার গাড়িতে উঠে বসলেন। সাহেব-পাড়ার একটা বাড়ির সামনে এসে গাড়ি থামলো। দারোগা তার বন্দীদের নিয়ে একটা ঘরে ঢুকলেন। সেখানে তাদের বসতে বলে জানালেন যে : ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াদিয়ার কাছে সাড়ে-এগারোটার সময় আপনাদের বিচার হবে। এই বলে ঘরের দরজা বন্ধ করে দারোগা প্রস্থান করলেন।

    আউদার চোখে জল এসে গেলো। আমার জন্যেই আপনাদের এই বিপদ। আমাকে রক্ষ করতে গিয়েই আপনারা বন্দী হলেন।

    ফিলিয়াস ফগ শান্তগলায় তাঁকে বোঝাবার চেষ্টা করলেন। ইংরেজ রাজত্বে সতীদাহ নিবারণ করলে কোনো অপরাধ হয় না। বোধহয় পুলিশ ভুল করে কোনো-একজনকে ধরতে গিয়ে আমাদেরই ধরেছে। সে যা-ই হোক, নিশ্চিন্ত থাকুন আপনি। যে-করেই হোক আপনাকে হংকং-এ নিয়ে যাবোই।

    ফগের কথা শুনে পাসপার্তু বললে : জাহাজ যে বেলা একটার সময় ছাড়বে!

    তার আগেই আমরা জাহাজে পৌঁছে যাবো।

    ফগের দৃঢ় কণ্ঠস্বর কিন্তু পাসপার্তুর আশঙ্কা দূর করতে পারলো না।

    সাড়ে-এগারোটার সময় দারোগা এসে তাদের আদালতে বিচারস্থানে নিয়ে গেলেন। ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ওয়াদিয়া এসে চেয়ারে বসতেই আবদালি হাঁকলো : আসামী ফিলিয়াস ফগ হাজির?

    হাজির।

    পাসপার্তু?

    হ্যাঁ, হাজির।

    ডেপুটি-ম্যাজিস্ট্রেট তখন বললেন : বাদীদের ডাকো।

    সঙ্গে-সঙ্গে একজন আরদালি তিনজন পুরোহিতকে সামনে এনে হাজির করলে। এরা তিনজনেই বম্বাইয়ের লোক। পাসপার্তু বিড়বিড় করে আপন মনে বললে : এ–যে দেখছি শেষে তা-ই! এরাই তো আউদাকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারতে চেয়েছিলো!

    অপরাধের বিবরণ পড়ে শোনানো হলো আসামীদের। হিন্দুদের কাছে অতীব পবিত্র একটি মন্দিরকে অপবিত্র করবার জন্যে ফিলিয়াস ফগ ও তার ভৃত্যের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনা হয়েছে।

    ডেপুটি-ম্যাজিস্ট্রেট ফিলিয়াস ফগের দিকে তাকালেন। অভিযোগ সম্পর্কে আসামীর কী বলবার আছে?

    নিজের পকেট-ঘড়ির দিকে তাকিয়ে ফগ বললেন : হ্যাঁ, আমি অপরাধ স্বীকার করছি।

    আপনি অপরাধ স্বীকার করছেন?

    হ্যাঁ, কিন্তু পিল্লাজির মন্দিরে পুরোহিতেরা যে-পৈশাচিক কাণ্ড করেছেন, সেসম্পর্কে তারা কী বলতে চান, কী কৈফিয়ৎ দিতে চান, সে-কথা জানবার জন্যেই ব্যগ্র। হয়ে আছি।

    পুরোহিতেরা মুখ-চাওয়া-চাউয়ি করলে। ফিলিয়াস ফগ ঠিক কোন কথার উল্লেখ করছেন, তা তারা বুঝতে পারেনি।

    পাসপার্তু বললে : হ্যাঁ, ঠিক তা-ই। পিল্লাজির মন্দিরের কথাই জানতে চাই। সেখানে এঁরা একজন নিরীহ নির্বিরোধী নির্দোষী মহিলাকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারবার চেষ্টা করছিলেন।

    কথা শুনে তো পুরোহিতেরা একেবারে থ! তারা এত হতভম্ব হয়ে পড়েছিলো যে গোড়ায় কোনো কথাই বলতে পারেনি। ওয়াদিয়া অবাক হয়ে শুধোলেন : তার মানে? কাকে পুড়িয়ে মারবার আয়োজন হয়েছিলো? সে কোথায়? বম্বাই-এ নাকি?

    পাসপার্তু বললে : হ্যাঁ, বম্বাই-এ।

    আমরা পিল্লাজির মন্দিরের কথা বলছিনে, মালাবারের মন্দিরের কথা বলছি। পেশকার জানালে। অপরাধের প্রমাণ হিশেবে, সেই মন্দির-অপবিত্রকারীর জুতো এখানে আনা হয়েছে।

    জুতো দেখেই পাসেপাণ্ডু বলে উঠলো : এ-কী! ও-যে আমার জুতো।

    এখানে আগেকার কথা কিছু বলে নেয়া দরকার। বম্বাইয়ের রেলস্টেশনে ধুরন্ধর। গোয়েন্দা ফিক্স যখন দেখেছিলেন ব্যাংক-দস্য পালিয়ে যাচ্ছে, তখন মালাবারের পুরোহিতদের সঙ্গে পরামর্শ করে, তাদের প্রচুর পুরস্কারের লোভ দেখিয়ে, মন্দির। অপবিত্র করবার জন্যে মোকদ্দমা দায়ের করতে রাজি করিয়েছিলেন। পুরোহিতদের মধ্যে কেউ-কেউ পরের ট্রেনেই ফগকে অনুসরণ করেছিলো।

    কলকাতায় এসে ফিক্স দেখলেন, ফগ তখনও কলকাতায় পৌঁছোননি। তখনই তিনি আন্দাজ করলেন, ব্যাংক-দস্যু পলিশকে ফাঁকি দেয়ার জন্যে পথে কোথাও নেমেছে, দু-এক দিনের মধ্যেই নিশ্চয়ই চুপি-চুপি এসে পড়বে। ফিক্স হাওড়া স্টেশনেই অপেক্ষা করতে লাগলেন। পঁচিশে অক্টোবর ভোরবেলা পাসপার্তু যখন ট্রেন থেকে নামলে, অমনি তার ইঙ্গিতে কলকাতার দারোগা তাদের গ্রেপ্তার করলেন। পাসপার্তু যদি মুহূর্তের জন্যেও আদালতের চারদিকে তাকিয়ে দেখতো, তবে দেখতে পেতো, সেই ঘরের এককোণে বসে ফিক্স বিপুল আগ্রহে এই মামলার শুনানি লক্ষ করছেন। তখনও ব্যাংক-দস্যুকে গ্রেপ্তার করবার আশা ফিক্স ছাড়েননি। বিলেতের ওয়ারেন্ট কলকাতায় পাবার আশা তখনও তার ছিলো।

    ওয়াদিয়ার প্রশ্নের জবাবে অপরাধ স্বীকার করলে ম্যাজিস্ট্রেট রায় দিলেন : ইংরেজ গবর্মেন্ট ভারতবর্ষের সকল ধর্মই রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। কেউ কোনো ধর্মের কোনো অবমাননা করলে তাকে কঠোর সাজা দিতে কসুর করেন না। পাসপার্তু গত বিশে অক্টোবর বম্বাইয়ের অন্তর্গত মালাবারের মন্দিরে প্রবেশ করে মন্দির অপবিত্র করেছে। সে এই অপরাধ স্বীকারও করেছে। বিচার পনেরো দিনের জন্যে মুলতুবি রইলো। ততদিন হাজত।

    পাসপার্তু বিহ্বল হয়ে চেঁচিয়ে উঠলো : পনেরোদিন হাজতবাস?

    আরদালি চীৎকার করে বললে : চুপ, চুপ!

    ম্যাজিস্ট্রেট রায় পাঠ করতে লাগলেন : যদিও দেখা যাচ্ছে ফিলিয়াস ফগ মন্দির অপবিত্র করার কাজে জড়িয়ে ছিলেন না, তবু পাসপার্তুর পলায়নে সাহায্য করবার জন্যে তার প্রতিও ঐ আদেশ জারি করা হলো।

    শুনে ফিক্স আনন্দে উৎফুল্ল হয়ে উঠলেন। ফিলিয়াস ফগ তো দু-হপ্তার জন্যে কলকাতায় আটকা পড়লো, এর মধ্যেই নিশ্চয়ই বিলেত থেকে ওয়ারেন্ট এসে পৌঁছুবে। আর পাসপার্তুর তখন নিজের উপর প্রচণ্ড রাগ হচ্ছিলো। তারই নির্বুদ্ধিতায় ফগের সর্বনাশ হতে চললো দেখে নিজের গালে ঠাশ-ঠাশ করে চড় কষাবার ইচ্ছে হচ্ছিলো তার।

    কিন্তু ফিলিয়াস ফগ তখনও অবিচলিত রইলেন, যেন কিছুই হয়নি। দৃঢ়স্বরে ম্যাজিস্ট্রেটকে জানালেন : আমি জামিন চাই।

    এখানে আপনাদের কেউ চেনে না। এক-এক জন পনেরো হাজার টাকা দিতে রাজি থাকলে জামিন দেয়া যেতে পারে।

    ফিরে বুক দুরুদুরু করে উঠলো। তিনি ভাবলেন, ফগ কি এতই নির্বোধ যে একমুহুর্তে এত টাকা নষ্ট করবে।

    ফিলিয়াস ফগ কিন্তু দ্বিরুক্তি না-করে ব্যাগ থেকে একতাড়া নোট বের করে পেশকারের টেবলের উপর রেখে বললেন : টাকাটা আমি এক্ষুনি দাখিল করতে চাই।

    ম্যাজিস্ট্রট জানালেন : বিচারের দিন হাজির হলেই টাকাটা আপনারা ফেরৎ পাবেন, এখনকার মতো আপনারা জামিনে খালাশ হলেন।

    ব্যাপার দেখে ফিক্স বিমূঢ় হয়ে গেলেন।

    মুহ্যমান পাসপার্তুর দিকে তাকিয়ে ফগ বললেন : চলে এসো, পাসপার্তু।

    একটা বাজতে তখন মাত্র আধঘণ্টা বাকি। ফিলিয়াস ফগ একটা গাড়িতে উঠে সোজা জাহাজ-ঘাটের দিকে ছুটলেন।

    বিমূঢ়ভাব অপসৃত হতেই ফিক্স ফগের অনুসরণ করলেন। তখনও তিনি আশা করছিলেন ফগ নিশ্চয়ই আদালতে মামলার দিন সময়মতো এসে হাজির হবেন, অত টাকা কিছুতেই জলে ফেলবেন না। কিন্তু যখন দেখলেন, ফিলিয়াস ফগ তার সঙ্গিনী ও পাসপার্তুকে নিয়ে রেঙ্গুন জাহাজে উঠলেন, তখন রাগে-ক্ষোভে নিজের মাথার চুল ছিড়তে-ছিড়তে বললেন : উঃ! কী ভয়ানক লোক! একমুহূর্তে অত টাকা নষ্ট করলে! নিশ্চয়ই ও দস্যু! যদি দরকার হয় তবে ওর সঙ্গে-সঙ্গে পৃথিবীর শেষসীমায় পর্যন্ত যেতে দ্বিধা করবো না। হেস্তনেস্ত একটা করতেই হবে!

    এস. এস. রেঙ্গুন ছিলো মংগোলিয়ার মতোই দ্রুতগামী। কিন্তু আরোহীদের থাকবার বন্দোবস্ত ছিলো মংগোলিয়াতেই ভালো। যাতে রানী আউদার কোনো অসুবিধে না-হয়, সেজন্যে ফগ বিশেষ বন্দোবস্ত করলেন।

    রানী আউদা ক্রমশ ফগের ঘনিষ্ঠ হয়ে উঠছিলেন। তার প্রাণ-রক্ষার জন্যে সর্বদাই ফগকে কৃতজ্ঞতা জানাতেন। একদিন কথাপ্রসঙ্গে বললেন, বম্বাইয়ের বড়ো ব্যবসায়ী সার জামসেদজি জিজিভাইয়ের সঙ্গে তার আত্মীয়তা আছে। সার জামসেদজির ভাগ্নে থাকেন হংকং। আউদা তারই আশ্রয়ে যেতে চান। কিন্তু তিনি আউদাকে গ্রহণ করবেন কি না, কে জানে? যদি গ্রহণ না-করেন, তাহলে নিজের দশা কী হবে সেই ভাবনায় আউদাকে ব্যাকুল হয়ে পড়তে দেখে ফগ বললেন, সে-জন্যে ভাববেন না। সবই ঠিক হয়ে যাবে।

    রেঙ্গুন জাহাজে সমুদ্রযাত্রার প্রথম ভাগ ভালোভাবেই কেটে গেলো। দেখতে-দেখতে আন্দামান-নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ পেছনে ফেলে তরতর করে জল কেটে-কেটে রেঙ্গুন এগুতে লাগলো।

    শিকার হাতছাড়া হয়ে যায় দেখে বিলেতের ওয়ারেন্ট হংকং-এ পাঠানোর নির্দেশ দিয়ে ফিক্সও রেঙ্গুনে এসে উঠেছিলেন। পাছে পাসপার্তুর সঙ্গে জাহাজে দেখা হয়ে যায়, এই ভয়ে খুব সাবধানে থাকতে লাগলেন তিনি। হংকংই হলো তার শেষ আশার জায়গা। দস্যুকে হংকং-এ ধরতে না-পারলে আর ধরা যাবে না। হংকং-এর পরই তো চিন, জাপান, আমেরিকা। সাধারণ একটা ওয়ারেন্ট ব্রিটিশ এলাকার বাইরে চলবে না। এ-সব জায়গায় দস্যকে গ্রেপ্তার করতে হলে বিশেষ ওয়ারেন্ট আনতে হবে, সেজন্যে প্রচুর সময় চাই। তদ্দিনে ফিলিয়াস ফগ যে কোথায় লুকিয়ে পড়বেন, কে জানে!

    ফিক্স মহাসমস্যার মধ্যে পড়লেন। হাজার চেষ্টা করেও এতক্ষণের মধ্যেও ফগের চুলের ডগাটি পর্যন্ত স্পর্শ করা গেলো না। হংকং-এ যদি দস্যুকে পাকড়াও করা নাযায়, তবে তো তাঁর নিজের সুনাম নিয়েই টানাটানি পড়ে যাবে। যে-করেই হোক হংকংএ কিস্তিমাৎ করতেই হবে। পাসপার্তুকে সব কথা খুলে বলা উচিত হবে কি না, ভাবতে লাগলেন ফিক্স। বললে সে হয়তো দস্যুর সঙ্গ ছেড়ে দিয়ে ফিক্সকেই সাহায্য করবে। কিন্তু, যদি না-করে? যদি ফগকে সে ফিক্সের মৎলব ফাস করে দেয়! তবে তো এত হয়রানি খামকা পণ্ড হয়ে যাবে। না— নেহাৎ দায়ে না-ঠেকলে কোনো কথা প্রকাশ করা চলবে না বলেই ফিক্স মনে-মনে ঠিক করলেন।

    ফগের নতুন সঙ্গিনীটি কে, সে-প্রশ্নও ফিক্সের মনে আলোড়ন তুললো। তিনি বুঝতে পারলেন, বম্বাই থেকে কলকাতার পথেই এই ভদ্রমহিলা জুটেছেন। ভদ্রমহিলা অপূর্ব সুন্দরী—বোধহয় এর জন্যেই ফগ টাকা চুরি করে পালিয়ে যাচ্ছেন। এবার সব সমস্যার উপর ফিক্স একটি আলোকসম্পাত করতে পারলেন। টাকা চুরি করে এই ভদ্রমহিলাকে নিয়ে ফগ অন্যকোথাও চলে যাবার মৎলব এঁটেছেন।

    ভদ্রমহিলা বিবাহিতা কি-না ফিক্স সে-প্রশ্ন নিয়ে মাথা ঘামালেন না। তিনি স্পষ্ট বুঝতে পারলেন ফিলিয়াস ফগ ভদ্রমহিলাকে অপহরণ করেই নিয়ে যাচ্ছেন। অমনি এক মৎলব মাথায় খেলে গেলো ফিক্সের। নারীহরণের অপরাধে তো ফগকে গ্রেপ্তার করা যায়!

    কী মুশকিল! রেঙ্গুন যে আবার হংকং চলেছে! ফগ যেমন জাহাজ থেকে জাহাজে, রেল থেকে রেলে লাফ দিতে-দিতে চলেছেন, তাতে হংকং-এ গিয়েও বেশি দেরি করবেন বলে বোধ হয় না। অবশ্যি একটা কাজ করা যায়। সিঙ্গাপুর থেকে হংকং-এর পুলিশকে তারে খবর পাঠিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলা যায়। তাহলে জাহাজ হংকং-এ ভেড়বার সঙ্গেসঙ্গেই ফগকে গ্রেপ্তার করা যাবে। কিন্তু আগে পাসপার্তুকে ধাপ্লা দিয়ে ভিতরের খবর বার করতে হবে।

    এইসব সাত-পাঁচ ভাবতে-ভাবতে ফিক্স জাহাজের ডেকে এসে দেখতে পেলেন, পাসপার্তু পায়চারি করছে। তাকে দেখেই সাগ্রহে ফিক্স এগিয়ে গেলেন। আরে! তুমি যে রেঙ্গুন জাহাজে?

    কে? মিস্টার ফিক্স যে! সেই বম্বাইতে আপনার সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়েছিলো, না? আপনিও সারা দুনিয়া ঘুরে আসতে বেরিয়েছেন নাকি?

    উঁহু, ও-সব বদখেয়াল আমার নেই। কিছুদিন হংকং-এই থাকবো ভাবছি।

    তা-ই নাকি! তা আপনাকে তো অ্যাদ্দিন ডেকের উপর দেখতে পাইনি। কলকাতা ছেড়েছি তো বেশ কিছুদিন হলো।

    একটু অসুস্থ হয়ে পড়েছিলাম বলে একদিন বেরুতে পারিনি! কী জানি কেন, বঙ্গোপসাগর আর ভারত মহাসাগর আমার ধাতে সয় না। সে-কথা যাক, তা তোমার কর্তা মিস্টার ফগ কেমন আছেন?

    ভালোই আছেন তিনি। ঠিক সময়েই সব কাজ হয়ে যাচ্ছে। মাঝে মহা-মুশকিলে পড়েছিলাম। আমি হলে তো হালই ছেড়ে দিতাম, কিন্তু তিনি আলাদা ধাতুতে গড়া বলেই এখনও পেছ-পা হননি।

    এই বলে পাসপার্তু ফিক্সের কাছে সব-কিছু খুলে বললে। মালাবারের মন্দিরে তার দুর্দশা, খোলবিতে হাতি কেনা, পিল্লাজির মন্দিরে সতীদাহ, কলকাতার আদালতে বিচার ও জামিনে খালাশ—সবকিছুই একে-একে ফিক্সকে বললো সে। ফিক্স এর কিছু কিছু ভালোই জানতেন। তবু না-জানার ভান করে মনোযোগ দিয়ে শুনে বললেন : আউদা তাহলে তোমাদের সঙ্গেই চলেছেন? মিস্টার ফগ কি তাকে ইওরোপে নিয়ে যাবেন নাকি?

    না, তা কেন? সে কি আর হয় কখনও? হংকং-এ আউদার কে-এক আত্মীয় আছেন। শুনেছি তিনি হংকং-এর একজন বড়ো ব্যাবসাদার। তারই কাছে তাকে রাখতে যাচ্ছি আমরা।

    সব শুনে ফিক্স কিন্তু খুব মুষড়ে পড়লেন। হতাশ হয়ে ভাবলেন, এ-পথে তাহলে কিছুই হবে না! মুহূর্তের মধ্যে হতাশার ভাব গোপন করে তিনি পাসপার্তুকে বললেন : এসো, একগেলাশ জিন খাওয়া যাক। অনেকদিন বাদে দেখা হলো।

    পাসপার্তু শুনে তো খুব খুশি। বললে : চলুন। দু-এক গেলাশ জিন ছাড়া রেঙ্গুন জাহাজে আর কী করেই বা সময় কাটানো যাবে!

    দুজনে জাহাজের খাবার-ঘরের দিকে এগুলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপ্রায়শ্চিত্ত প্রকল্প – জুবায়ের আলম
    Next Article জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    Related Articles

    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ১ (প্রথম খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৪ (চতুর্থ খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 16, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ৩ (তৃতীয় খণ্ড) – অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 14, 2025
    জুল ভার্ন

    জুল ভের্ন অমনিবাস ২ (অনুবাদ : মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়)

    August 14, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }