Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঝড়ের খেয়া – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প272 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঝড়ের খেয়া – ১১

    এগারো

    আজ আর একটা ই—মেল পাঠাল সে রাজর্ষিকে।—মা আমার কাছে আছেন। কিন্তু ভাল নেই। তুমি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এসো। শিগগির জানাও কী ঠিক করলে।

    এই নিয়ে তিনটে চিঠি গেল। আগের দুটোর উত্তর পায়নি। তবে কি রাজর্ষি বেরিয়ে এসেছে ইতিমধ্যেই? তা হলে তো এই চার—পাঁচদিনের মধ্যে তার এসে যাওয়ারই কথা!

    —বউমা!

    —বলো।

    —মা তোমায় ডাকছেন।

    তাড়াতাড়ি চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়ল। যতদিন এখানে আছেন মাধুরী গুপ্ত একদিনও কোনও অসন্তোষ প্রকাশ করেননি। শীলাদি বুঝতে দেয়নি—বাড়িতে দু’জন অতিরিক্ত মানুষ, তার মধ্যে আবার একজন সংকটাপন্ন রোগী। এবং আশ্চর্যের কথা, চরম আশ্চর্যের কথা, কথাটা এক্ষুনি তার মনে হল, তার একদিনের জন্যও কোনও বিরক্তি, অভিমান…এসব হয়নি। এবং বাড়ি ফিরতে খুব ভাল লেগেছে। রোজ। রোজ। প্রকৃতপক্ষে আয়নায় কালকে নিজের চেহারাটা দেখে চমকে উঠেছিল সে। বেশ ফরসা ফরসা। একটু কি পুরেছে? বেশ সুন্দরভাবে চারিয়ে গেছে অতিরিক্ত মেদটুকু। ‘বউমা’ ডাকটাও কানে লাগে না আজকাল।

    রাত মন্দ হল না। ন’টায় খাওয়া শেষ করে একটু ঘুরে ফিরে কম্প্যুটারে বসেছিল সে। মাতিস নিয়ে আদ্রেঁ দিল্লি আসছে। কলকাতাতেও আসবে সে ব্যবস্থা হয়েছে। অদিতিকে বাদ দিয়েই। মাধুরী দেবীর ঘর থেকে এ সময়ে আর কোনও সাড়াটাড়া পাওয়া যায় না। তার খাওয়ার একটু পরে শীলা এসে খেয়ে নেয়। অনেকদিন অদিতি বলেছে তারই সঙ্গে খেতে। শীলাদি এখন বুঝে গেছে একসঙ্গে খেতে গেলে এক জায়গায়ও খেতে হবে। অদিতির সঙ্গে এক টেবিলে চেয়ারে বসে ওভাবে খেতে অস্বস্তি আছে তার। তাই ঠিক সেই গোটানো কার্পেট আর মোড়াটার মতো খাওয়ার সময়টা নিয়েও একটু চালাকি করেছে সে। অদিতি সেটা মেনে নিয়েছে। জোরাজুরি করে শ্রেণীবৈষম্য কি সে ভাঙতে পারবে? শীলাদির মধ্যে? তার নিজের মধ্যে?

    এ সময়ে তো ওঁর ঘুমিয়ে পড়ার কথা। অনেকদিন অবশ্য টেবিল ল্যাম্পের আলোয় শীলাদি কিছু পড়ে শোনায় ওঁকে। শুনতে শুনতে ঘুমিয়ে পড়েন। যে দিন সে সারারাত ছবি আঁকে, দেখে তখনও অন্ধকার কাটেনি, ও ঘরে আলো জ্বলে উঠল। অর্থাৎ ওঠেন যথেষ্ট ভোরে। এই সকাল সকাল উঠে পড়া এ ওঁদের খোলামেলায় থাকবার দরুন অভ্যাস। বাঁকুড়ার বাড়িতে তেমন পরদার বালাই ছিল না। বিশেষত জানলায়। সকালে আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গে আলো ঝাঁপিয়ে আসত। সকাল হয়ে গেল? উঠে পড়ে মুখটুখ ধুয়ে দেখে আরে সাড়ে পাঁচটা। একটু বাইরে থেকে ঘুরে আসা যাক।—উপুড় হয়ে শুতে শুতে রাজর্ষি বলত—জানলাগুলোয় একটু তোমার শাড়িফাড়ি কিছু টাঙিয়ে দাও না। উঃ। একটু ঘুমোতেও দেবে না এরা।

    —মা ডাকছিলেন? নিজের মুখে নিজের মা—ডাক ফিরে গিয়ে নিজের কানে ধাক্কা দিল। অনেকদিন বলেনি। আজ খুব স্বাভাবিকভাবে বেরিয়ে এসেছে।

    —এসো, একটু বসবে?

    —এই তো! শীলাদি বেরিয়ে গেছে। শীলাদির মোড়াটা টেনে নিয়ে সে বসল।

    —বউমা, বলছিলুম কী শীলাকে একটু কলকাতার দেখবার শোনবার জিনিসগুলো মানে ধরো কালীঘাট, ভিক্টোরিয়া, দক্ষিণেশ্বর, মা কালীর ওপর খুব ঝোঁক ওর।

    —কথাটা আমার আগেই মনে হয়েছে। কিন্তু নিয়ে যেতে হলে আমাকেই যেতে হয়। সে না হয় গেলুম। কিন্তু আপনার কাছে কে থাকবে? আমার এ লোকগুলো তো বাড়ি—বাড়ি কাজ করে বেড়ায়। ওরা তো সময় দিতে পারবে না। যদি বা দু’—চারদিন পারেও আমি ওদের ওপর নির্ভর করতে পারি না। আমি ভাবছিলুম…রাজর্ষি আসুক…তখন…চিঠি তো আজও আরেকটা দিলুম।

    —আগেও দিয়েছ তো।

    —হ্যাঁ আপনি এখানে আসার পরে চারটে দিয়েছি সবসুদ্ধ। প্রথমটার জবাব পেয়েছিলুম—যত শিগগির পারি আসছি। তারপর তো আর…মনে হচ্ছে ও নেই…কম্প্যুটার খুলছেই না। হয়তো স্টার্ট করে গেছে, দিন সাতেকের মধ্যে এসে যাবে।

    —কী জানো বউমা, যে সাত বছরের মধ্যেও এসে উঠতে পারল না, সে সাত দিনের মধ্যে এসে পড়বে এ আশা আমি আর করি না।

    অদিতি স্তব্ধ হয়ে গেল।

    উনি বললেন—নাড়ির সুতো কেটে গেছে। তা ছাড়া…একটু চুপ করে থেকে বললেন—যে স্ত্রীয়ের সঙ্গে বেইমানি করে সে যে মায়ের সঙ্গেও বেইমানি করবে না—তার কী গ্যারান্টি আছে? বলো?—কী, বলো?

    অদিতি আস্তে আস্তে বলল—আর যদি এসে পড়ে, তখন? তখনও কি এত অভিমানের কথা বলতে পারবেন?

    —অভিমান টভিমান নয় বাবা, এ হল লোকচরিত্র জ্ঞান। আমি তোমাকে বাজি ধরে বলতে পারি রাজা আসবে না, ক’দিন পরে কোনও একটা খবর দেবে, কাজ পড়েছিল, কি অসুখ করেছিল…আসছি…আবার তুমি লিখবে…আবার জবাব পাবে না। …এই করতে করতে তোমার এখানে আমি শেষ নিশ্বাস ফেলব, তারপর হয়তো বাড়িঘর টাকাপয়সার বিলি—বন্দোবস্ত করতে আসতে পারে।

    —এ কী বলছেন? কেন?

    —কী বলছি! ওই বললুম—নির্ভুল লোকচরিত্র জ্ঞান। কোনওদিনই লোক চিনতে ভুল হয়নি আমার। আর কেন?—তোমার সঙ্গে যে বেইমানিটা করল তারপর বাবার বা মায়ের সামনে এসে দাঁড়াবার সাহস হয়নি ওর। হবে না। উনি মারা যেতে চক্ষুলজ্জায় শ্রাদ্ধশান্তি করে গেছে। তখন তো আমার সঙ্গে মুখোমুখি বসবার দরকার হয়নি। সেটা আসা নয়। এবার এলে আসাও হবে, মুখোমুখিও হতে হবে।

    —উনি মাধুরী গুপ্ত এই ধরনের কথা তাকে অদিতি সরকার, এক্স—বউমাকে বলবেন—এ কথা সে কখনও স্বপ্নেও ভাবেনি।

    মাধুরী বললেন—তুমি ভাবছ—বউ—কাঁটকি শাশুড়ি—এসব কী বলছে। তাই না? কী জানো অদিতি … প্রত্যেক মায়ের সাধ থাকে তার একটি মনোমতো বউমা হবে, পায়ে পায়ে ঘুরবে। মা বলে শ্রদ্ধা করে আদর করে ডাকবে। তো আমারও তেমন ছিল, তোমার সঙ্গে সে ছবি মেলেনি। তুমি ভাবো, একমাত্র ছেলে, বিদেশে প্রায় বলতে গেলে না—জানিয়ে এক সাহেবের ডিভোর্সি বউকে বিয়ে করেছে। আমি গ্র্যাজুয়েট ছিলুম হয়তো, কিন্তু তার মানেই যে খুব লিবার‌্যাল হয়ে গিয়েছিলুম তা কিন্তু কখনও নয়। ওটা তোমরা ভুল করো। তাই হয়তো গোড়ায় গোড়ায় একটু কড়া ছিলুম। তুমি তো মা মুখখু শাশুড়ির দিকে কোনওদিনও সেভাবে ফিরে তাকাওনি। বিদ্বান, পণ্ডিত, বিখ্যাত শ্বশুর—তাঁকে নিয়ে মগ্ন থাকতে। এখন বোঝো, তুমিও আমাকে কিছু দিতে পারোনি, আমিও তাই তোমাকে কিছু দিতে পারিনি। দোষ দিচ্ছি না, শোনো অদিতি তোমরা দেশ—বিদেশ ঘোরা বিদ্বান অশেষ গুণী মেয়ে, একজন সাধারণ গ্রাম্য গ্র্যাজুয়েট শাশুড়িকে তোমরা কী দেবে? কীভাবে কমিউনিকেট করবে? আমার তো কোনও রূপ গুণ ছিল না।

    —মা, আপনি …আপনার সঙ্গে আমার জগতের অনেক তফাত ছিল ঠিকই, কিন্তু আমার মা—ও তো আপনারই মতো…

    —কিন্তু তিনি তোমার নিজের গর্ভধারিণী মা, তাঁকে কি কেউ এভাবে দেখে? তাঁর সঙ্গে কমিউনিকেশনে কোনও বাধা হয় না! কিন্তু শোনো মা, আমি তোমাকে চিনতে ভুল করিনি। যতদিন গেছে তত বেশি করে চিনেছি। দায়িত্ব, কর্তব্য, শত মানসিক কষ্টেও অবিচলিত থেকে নিজের কাজ করে চলেছ দিনের—পর—দিন…বাইরের জগৎকে কোনওদিন বুঝতে দিলে না… দু’দুটো লোক তোমার সঙ্গে কত বিশ্বাসঘাতকতা করেছে! আর আজকে যে লোকটা তোমার অনুপস্থিতিতে তোমারই বন্ধুকে নিয়ে নিজের ঘরে তুলেছে দিনের পর দিন…তারপরে লজ্জাকরভাবে ধরা পড়ে ডিভোর্স দিতে বাধ্য হয়েছে, তারই মাকে দিনের—পর—দিন…দিনের—পর—দিন… মাধুরী দেবীর গলা বুজে গেল কান্নায়।

    অদিতি হাতটা রাখল ওঁর মাথার ওপর, সে উঠে দাঁড়িয়েছে। মা আপনার শরীর ভাল নয়। এখন এত কথা বলবেন না।

    —তুমি কি আমাকে মাফ করলে?

    —যে অপরাধ আপনি করেননি, তার জন্য আপনাকে মাফ করার প্রশ্ন উঠছে কেন?

    —জানি না। নিজের ভেতর অপরাধবোধে আমি দিনের—পর—দিন টুকরো টুকরো হয়ে ভেঙে গেছি মা। তার বাইরের প্রকাশটা ভাল হচ্ছে না, বুঝেও আমার কিছু করার ছিল না। কিন্তু আমি সারা জীবনে তোমাকে যত ভরসা করেছি, আর কাউকে ততটা করিনি—তোমার শ্বশুরকেও না।

    —আচ্ছা, অনেক হয়েছে মা, আপনি এবার চুপ করুন…..আমি মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছি, ঘুমিয়ে পড়ুন।

    একটু ছটফট করলেন। অনেক সংকোচে তার হাতটা মাঝে মাঝে ধরলেন তারপর নিবিড়ভাবে ঘুমিয়ে পড়লেন।

    শীলাদিকে ডেকে দিয়ে বাইরে চলে এল অদিতি। চাঁদের আলোয় ভুতুড়ে হয়ে আছে তার উঠোন, নিমের পাতা কেমন চলকাচ্ছে, সপ্তপর্ণী তার পাতার অঞ্জলিতে যেন চাঁদের টুকরো ভরে ভরে রাখছে। তলায় যে শ্যাওলা তা বোঝা যাচ্ছে না। জ্যোৎস্না সবকিছুকে অলৌকিক করে দিয়েছে। একদিক থেকে দেখতে গেলে ভুতুড়ে, যাকে বলে অকাল্ট, যেন মরজীবনের ঠিক ওপারে যে একটা অশরীরী স্তর আছে, সেটাই যতদূর সম্ভব দৃশ্যমান হয়ে ওই উঠোনটায় পড়ে রয়েছে এখন, অনেকক্ষণ দেখতে দেখতে অদিতি একটা ছায়ার জগতে চলে যেতে থাকল। সেখানে কখনও রোদ ওঠে না, আলো জ্বলে না, কোনও স্পষ্ট আকার নেই কিছুর, জেলির মতো অর্ধতরল কিছু পদার্থ বয়ে যেতে যেতে এক একটা ফর্ম নেয়। আবার ফর্ম ভেঙে আর একটা, আর একটা। তরঙ্গ উঠছে ছায়ার, তরঙ্গ ভাঙছে, কী এসব? কারা? আমাদের সঙ্গে কী সম্পর্ক? অদিতি বুঝতে পারল সে আজ ঘুমোতে পারবে না। স্টুডিয়ো—ঘরের দরজা খুলল। তালা খোলার একটা শব্দ হল, ভেতরে ঢুকে দরজার দিকে ফিরে দেখল, মায়ের ঘরের দরজায় শীলাদির ছায়া। আওয়াজ শুনে সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ে এসেছে। অদিতি আজ বিরক্ত হল না। শীলাদির সাদা কাপড়ের ওপরও টুকরো টুকরো চাঁদ। নানান বিভঙ্গে। মাথাটা অন্ধকার, অথচ ধড়টা আছে। কবন্ধ। ঘর বন্ধ করে দিল অদিতি। ফ্রেমে আটকাল একটা কাগজ, তার ওপরে ফেভিকল লেপে দিল কোথাও পাতলা কোথাও মোটা করে। অনন্যমন। সমর্পিত ঘোরে ফোটাতে লাগল ছায়ার জগৎ, সেই ছায়ারা যারা নিজেরাই বোঝে না নিজেদের প্রকৃতি, বারে বারে গতি বদলায়, গাঢ়তা বদলায়, আকার বদলায়। বদল শুধু বদল, কোনও কিছুই নিশ্চিত নয়, নির্দিষ্ট নয়।

    ভোরের আলো এসে পড়েছে। আস্তে আস্তে আলো আরও উজ্জ্বল হয়, আরও উজ্জ্বল, ছায়ারা মিলিয়ে যেতে থাকে, অলীক মরীচিকা—প্রতিম মনে হয়। সমস্ত ঘর ঝলমল করছে। রোদের একটা তির্যক কিন্তু নরম রেখা এসে পড়েছে ঘরের মাঝখানে। অদিতির পেছন ফেরা চুল, ঘাড় পিঠ বেয়ে ভেঙে যাচ্ছে রেখাটা। তুলি নামিয়ে রাখল। সময় লাগেনি বেশি, সারারাত, এগারোটা থেকে পরদিন সাতটা। সাতটাই কি? আট ঘণ্টা। অনেক সময়ে আন্তর্জাতিক বিমানযাত্রায় কোনও কানেক্টিং ফ্লাইট ধরতে কোনও বিমানবন্দরে এতক্ষণই বসে থাকতে হয়। শুকোক। এবার সে বুভুক্ষুর মতো ঘুমোবে।

    * * *

    —শৌনক একটা কাজ করে দিতে পারবি?

    —শিয়োর। বলো।

    —শৌনক ভিভিয়ান লম্বা লিকলিকে একটু আলগা আলগা হাত—পায়ের ছেলে। কাটা কাটা চোখ—মুখের, কিন্তু অবয়বগুলো এমন যেন কাচের, শক্ত করে ধরলে ভেঙে যাবে। কিন্তু ওই কাচের মতোই নিরেট তার শক্তি, সহবৎ। রীতিমতো পেশিদার ছেলে। আসলে ওর প্রধান ভালবাসা ছিল—ভাস্কর্য। পাথর, ব্রোঞ্জ নিয়ে কাজ করতে করতে নিজেই শক্ত ধাতুর হয়ে গেছে। একমাথা চুল, খুব এলোমেলো থাকে। ভাস্কর্য বিকোয় না চট করে। সময়ে সময়ে ফরমাশি কাজ করে, কাজে সহায়তা করে, ছবিই আঁকছে আজকাল। ওর ছবিতে ভাস্কর্যের প্রকৃতি পুরোপুরি বজায় থাকে। কিন্তু ভাস্কর্যই ওর প্যাশন। বেচারা তাই অস্থির থাকে একটু।

    —কাজটা কিন্তু খুব আনইনটারেস্টিং।

    —কেন? আবার কোনও খুকিকে ভাস্কর চক্রবর্তীর স্টুডিয়ো থেকে তুলে আনতে হবে নাকি? হাসি চিকচিক করছে কালো মুখে। হাসতে গিয়ে কেমন অন্যমনস্ক হয়ে গেল অদিতি। কী যেন? কে যেন? এই রকম, কালো, চাঁদ চিকচিক? ওঃ হো। ও তো সেই সেদিনের ছবিটা। এই মুহূর্তে শৌনকের অকাল্ট ধরা দিল দিনের আলোয় তার চোখে। সেদিন সে দেখেছিল শীলাদির কবন্ধ। এইভাবেই দেখতে দেখতে কোনও—না—কোনওদিন আয়নায় ধরা পড়বে তার অন্ধকার, তার নিজের অকাল্ট।

    —কী বলছিলে দিদি।

    —বলছিলুম কাজটা খুব আনইনটারেস্টিং।

    —ঠিক আছে। বলোই না।

    —আমাদের বাড়ির শীলাদিকে দেখেছিস তো?

    —ওই তোমার শাশুড়ির কম্প্যানিয়ন?

    —হ্যাঁ তাই। ওকে একটু দক্ষিণেশ্বর—বেলুড় ঘুরিয়ে আনবি? উইক—এন্ডে, ধর শনিবার, কি রবিবার।

    —অসুবিধে কী? রোববার হলে তো ভালই হয়।

    —আমার খুব খারাপ লাগছে। তোর ছুটিটা…আচ্ছা এক কাজ করলে হয় না?

    —কী?

    —ধর তুই একা কেন? তুই, কাজল, নন্দিনী যে ক’জন যেতে চায় একসঙ্গে শীলাদিকে নিয়ে চলে যা। একটা গাড়ি ভাড়া করে দেব।

    —তোমার গাড়িটা কি এনগেজড থাকবে?

    —না। কিন্তু আমার তো ড্রাইভার নেই।

    খুব লজ্জিত, সংকুচিত হয়ে শৌনক বলল—আমার কিন্তু ড্রাইভ করতে খুব ভাল লাগে। পারি—ও ভাল।

    —তাই?

    —অন্যের গাড়ি চালাতে চাওয়া উচিত নয়। কেউ দেয়ও না। তবু বলে ফেললাম, তোমার ইচ্ছে না থাকলে কিন্তু সংকোচ করবে না, স্পষ্ট বলবে।

    —ইচ্ছে নেই শৌনক রিয়্যালি, কিন্তু তুই একদিন চাইছিস…

    —তোমার জেনটা যা স্লিক না? লোভ লাগে। প্লিজ দিদি।

    —ঠিক আছে নিয়ে যা। কিন্তু তা হলে তোকে নিয়ে চারজনের বেশি না। আর সাবধান। তুই কত দিন চালিয়েছিস?

    —আরে অনেক দিন। এখনও চালাই। জেঠুর গাড়ি তো জেঠু সব সময়ে ড্রাইভ করতে পারে না আজকাল, চায় না। আমাকে ডেকে নেয়।

    —ঠিক আছে।

    বাঁ হাতের পাতায় ডান হাতের ঘুঁষি মেরে শৌনক চেঁচিয়ে উঠল—ইয়ে—এ—এ।

    —কী হচ্ছে?

    —বাঃ, টেলিভিশন শেখাচ্ছে ক্রিয়া—প্রতিক্রিয়া, শিখতে হবে না?

    অদিতি হেসে ফেলল, ফাজিল, তোর বযস কত?

    তোমার থেকে ঠিক এক বছরের ছোট।

    —ইয়ারকি। ফক্কুড়ি!

    —সত্যি বলছি দিদি। স্পিরিট। আসল কথা স্পিরিট, তোমার থেকে একটু, জাস্ট একটু কম।

    আসলে, অনেক ভেবে এই সমাধানটাই বার করতে পেরেছে অদিতি। মাধুরী চান না অদিতি শীলাকে নিয়ে ঘোরে, অদিতিও ওঁকে ঠিকে লোকেদের ভরসায় রাখতে পারবে না। অথচ শীলাদির মুখ দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে। এ জন্মে বোধহয় আর মা কালী হল না!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleট্রেকার্স – বাণী বসু
    Next Article জন্মভূমি মাতৃভূমি – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }