Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঝড়ের খেয়া – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প272 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঝড়ের খেয়া – ১২

    বারো

    উইলিয়ামসদের বাড়ির মেজানিনে বসে আকাশের দিকে অব্যক্ত চোখে তাকিয়ে রয়েছে মেয়েটি। ভাইট্যাল স্ট্যাটিসটিকস নিয়ে মনে হয় তার কোনও মাথাব্যথা নেই। কিন্তু চুল আর গাত্রত্বক নিয়ে একটু আছে মনে হয়। ছোট্টখাট্টো, পাঁচ ফুট বড় জোর। মাথার প্রচুর চুল শ্যাম্পু করা, মাথায় তোয়ালে বাঁধা। মুখে বোধহয় একটা কোনও প্যাক লাগিয়েছে।

    মিমিকে নিয়ে ক’দিন যা গেল! কবে যে মেসো আসবেন। ইতিমধ্যে পাগলটাকে ধরে রাখতে পারলে হয়। আপাতত এত অপুষ্টিতে ভুগছে, শরীর এত দুর্বল, হাঁউ হাঁউ করে খাচ্ছে খালি। তার ওপর তনিকা ওকে বিঁধিয়ে বিঁধিয়ে বলেছে—মিমি তোর চেহারা এত খারাপ হয়ে গেছে। ডোন্ট মাইন্ড, তোকে একটা ভিখিরির মতো দেখাচ্ছে।

    সে তো দমবার মেয়ে নয়, বলল—বেগার মেড? তাদের স্কুল পাঠ্য ছিল টেনিসনের এই ন্যাকা ন্যাকা কবিতাটা। ভিখারিনি এসে দাঁড়াল, তার রূপে রাজসভা আলো হয়ে গেল। রাজা তাকে নিয়ে গিয়ে সিংহাসনে বসিয়ে দিলেন।

    —রাজা মানে কতকগুলো গ্ল্যামারাইজড লোচ্চা। সুন্দরী মেয়ে দেখলেই লাল ঝরবে, সিংহাসনে বসাল না আরও কিছু—কোলে বসিয়েছিল বোধহয়। ভিক্টোরীয়গুলো আবার কোলটোল শব্দ উচ্চারণ করতে লজ্জা পেত।

    —না, না বেগার মেড নয় রে একেবারে কলকাতার রাস্তার ধারে, ফ্লাই—ওভারের তলার ভিখিরি। সত্যি কথা বলতে কী মেয়ে না ছেলে তা—ও বোঝা যাচ্ছে না।

    —ইয়ারকি?

    —সত্যি। আয়না দ্যাখ! নিজেই দ্যাখ না!

    আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে, চোখ টেনে টেনে, গালের চামড়া টেনে টেনে দেখল।

    —কী কালি! খসখসে কালো লাগছে।

    —খসখসে নয়, বলে খসকা। খসকা কালো, ভুসকো কালো!

    —কী হবে? আমি কি লুম্পেন হয়ে গেলাম?

    —তুই কিছুদিন বিশ্রাম নে। একদম এই দারুণ গ্রীষ্মের রোদ গায়ে লাগাবি না। কিপ ইনডোর্স। ভাল করে খাওয়াদাওয়া কর। শরীরের যত্ন নে, আর মিমি, মনেরও। মনটাকে কন্ট্রোলে রাখতে হবে। যা তা ভাবলি, মুখে যা এল বলে দিলি এতে করে মুখে একটা সাতবাড়ি ঠিকে কাজ করা ঝি—ঝি ভাব এসে যায়।

    এইভাবে ওকে মোটিভেট করে সে চলে এসেছে। কারও বাড়িতে থাকতে তার ভাল লাগে না। মিমির বাড়িতে তো আরওই নয়। ওদের বাড়ির একটা গন্ধ আছে, দুঃখের গন্ধ, উচ্ছৃঙ্খলতার গন্ধ, হয়তো বা বিকৃতির গন্ধও। বাড়িটা যখন প্রথম হয়েছিল চারপাশে বোধহয় তেমন বাড়িঘর হয়নি। এখন হয়ে গেছে। বিরাট বিরাট ঘর কেমন অন্ধকার অন্ধকার, সাজসজ্জা সেই কোন কালের, আন্টিমাসি কিছু বদলাতে গেলেই মিমি তুলকালাম করে, মেসো বলেন—থাক না থাক, ও যখন চাইছে না। ওর ভাল লাগছে না বলে বাড়ি রং করা হবে না, সোফার কভার, পরদা, নতুন অন্য রঙের করা চলবে না, এইগুলোতে নাকি ওর মায়ের চিহ্ন আছে, ছোঁয়া আছে। শুনলে হাসি পায়। আর সেইসব আদ্যিকালের অন্ধকার অন্ধকার জিনিসের দরুন বাড়িটা কেমন মনমেজাজ দমিয়ে দেয়। মিমি নিজেই সহ্য করতে পারে না। পালিয়ে পালিয়ে বেড়ায়। বলে—দূর! এখনও ওখানে ওষুধ আর অ্যান্টিসেপ্টিকের গন্ধ ঝুলে আছে।

    তার ঘরে সে সাদার ওপর কমলালেবু ফুটকি ফুটকি মিকি ডোনাল্ড মেশানো পরদা টাঙিয়েছে। মেঝের ওপর বিছিয়ে রাখে রঙিন চৌকানা দরি। তার সিঙ্গল খাটে, খাটটা বেশ বড়ই, একদিন—দু’দিন মিমিকে নিয়ে শোয়াই যায়, কিন্তু তার বেশিদিন শুতে হলে তার অসুবিধে হবে। খাটটার ওপর সে একটা চৌখুপি টুকরো টুকরো কাপড়ের খুব সুন্দর কাঁথা বিছিয়ে রাখে। তলায় ধ্বধবে চাদর। দুটো তিনটে পাতলা রঙিন কুশন। দেওয়ালে একটা ক্যালেন্ডার আছে, এক একটা ক্ল্যাসিকাল ডান্স নিয়ে এক একটা পাতা। তার নিজের আঁকা জল রং আছে একটা দু—ফুট দু’ ইঞ্চি বাই এক ফুট।

    সেবার কলেজ থেকে নিমডি বলে একটা জায়গায় গিয়েছিল তারা। আদ্রা—চক্রধরপুরে রাত দশটায়। ভাঙাট পাহাড়। পেছনে দূরে দলমা রেঞ্জ। তখন বেশ গরম বসন্ত। পলাশ আর কুসুম দেখে নেশা লেগে যায়। এত অপূর্ব পলাশ সে শান্তিনিকেতনেও দেখেনি। দেখবেই বা কী করে? দোলের বেশ আগে থেকে ওরা সমস্ত পলাশ মুড়িয়ে তুলে নিয়ে যায়, ফ্রিজে রেখে দেয় বসন্তোৎসবে পরবে বলে। এখানকার পলাশে কেউ হাত দেয় না। উদ্যত অঞ্জলির মতো পুষ্পবান স্বাস্থ্যবান দীর্ঘ পলাশবৃক্ষরা দাঁড়িয়ে থাকে। তার সঙ্গে থাকে কুসুম গাছের লাল, সমস্ত পাতা লাল হয়ে যায়। ওরে বাবা, সে এক মোহগ্রস্ত দৃশ্য। গাছগুলো, দালমা, ধু ধু মাঠ, সরু কপিলা নদী, উঁচু—নিচু পথ সব যেন লাল স্বপ্নে বিভোর হয়ে রয়েছে। সেটাই সে জল রঙে এঁকেছিল হ্যান্ডমেড পেপারের ওপর। অনেক কিছুই জানত না তখন। ছবিটা একটু যেন ফেড করে গেছে। কিন্তু এ ছবিটা তার বিশেষ প্রিয়। কেন? ওই দৃশ্য, ওইসব দিন মনে পড়ে। রুদ্রাংশু মানে রুদ্রাংশুদার সঙ্গে ওখানেই খুব ঘনিষ্ঠতা হয়ে গিয়েছিল। সন্ধে থেকে তাদের বেড়ানো আর যেখানে—সেখানে বসে পড়া শুরু হত। এক এক দিন মাঝরাত শেষ হয়ে ভোরে খুব ভোরে শুকতারার সঙ্গে সঙ্গে মুচকুন্দ চাঁপা ফুটতে দেখত। কী সুবাস! মৃদু কিন্তু মাতাল করা। তখন অনিবার্যভাবেই সে রুদ্রাংশুর খুব কাছে চলে গিয়েছিল, সারা রাত কত কথা! এর কোলে ওর মাথা, ওর মাথা এর কোলে। একদিন এই ভাস্কর চক্রবর্তী দেখে ফেলেছিলেন। বাস! কী দুর্নাম, কী দুর্নাম, তনিকা একটা বখে—যাওয়া ক্যারেকটারলেস মেয়ে। রুদ্রাংশু তখন ঝুমুর শিল্পীদের নিয়ে একটা সিরিজ আঁকছিল। ভাস্কর চক্রবর্তী বলেছিলেন—তুমি যে এমন ওম্যানাইজার—টাইপ তা তো জানতুম না। তোমাকে তো ওইসব জায়গায় ছাড়া যাবে না। বলেছিলেন এই ভাস্কর চক্রবর্তী। এই লোকটাই। রুদ্রাংশু কেমন ঘাবড়ে গেল। তার কিন্তু ভয়ডর ছিল না। সে একদিন এক বোঝা কলার বাসনা না কী বলে টানতে টানতে ওদের থাকবার জায়গায় ঢুকল, একটা বড় চত্বর সেটা। কত গাছ, কত—এখানে—ওখানে মাটির ঘর, খড়ের চালা। একটা আশ্রম। লোকাল মাহাতোরা ওখানে হাতের কাজ শিখতে আসত। সব্বাই বললে—কী নোংরা, কী উদঘুটে বিদঘুটে! কী করবি এটা দিয়ে? স্টিল লাইফ আঁকব। এক বোঝা কলার বাসনা, পাখির বাসা পড়ে আছে পাশে, একটা লাল প্লাস্টিকের মগ মুচকুন্দ চাঁপার তলায়। কেন তোদের গোল টেবিলের ওপর চিনেমাটির ফুলদানে সূর্যমুখী ফুল আর অ্যাশট্রের ওপর সিগারেট ছাড়া স্টিল লাইফ হয় না! অ্যাক্রিলিকে করেছিল ওটা ক্যানভাসে। কী সাংঘাতিক যে হয়েছিল! কলা বাসনার এলোমেলো বোঝার মাঝে মাঝে শেড, কী রকম গামছার বুনটের মতো ধারগুলো। বাঁধনটার মোটা গিঁট, পাখির বাসাটা যেন বাসনাগুলোর পাশে গুনগুন করে কাঁদছে, আর লাল মগটার অট্টহাসি।

    পীযুষ তো দেখে মুগ্ধ—নাঃ তোর হবে তনিকা, হবে।

    —নতুন কথা কী বললি? তনিকা আধখানা মুখ তুলে বলেছিল।

    রুদ্রাংশু বলল—কী জানিস তনিকা তোর কোনও ইনহিবিশান নেই।

    কী বলতে চেয়েছিল রুদ্রাংশু, সে আলাদা করে জিজ্ঞেস করেনি। ওটা কি প্রশংসা না নিন্দা? এই সরল ঋজু প্রকাশকে কি তুমি পছন্দ করছ? ভালবাসছ? মুগ্ধ হচ্ছ? না কুঁকড়ে যাচ্ছ? রুদ্রাংশুর কথার টোনে মনে হয়েছিল দ্বিতীয়টা। নিন্দাসূচক বা বলা ভাল অস্বস্তিসূচক মন্তব্যটা। সে কিছু বলেওনি, মুখও তোলেনি, কিন্তু ভেতরে ভেতরে খুব খেপে গিয়েছিল। তারপর যখন রুদ্রাংশু এখানে এসেও সম্পর্কটাকে চালাতে চাইল সে খুব শীতল মুখে বলেছিল—কোথায় যাচ্ছিলিস যেন রুদ্র? রবীন্দ্র সদন? একাই যা। আমার সময় হবে না।

    —কেন কী করছিস? কাজকর্ম? আমি তো কিছু দেখছি না তেমন।

    —আমার কাজের তুই কী বুঝবি? জানলার ধারে বসে থাকাটাও আমার কাজ, শুয়ে থাকাটাও কাজ। আমার সময় নেই, হবে না, যা।

    —যা বাব্বা। রাগটাগ নাকি? কেন?

    সে কোনও জবাব দেয়নি। বেশিক্ষণ তার ঘরে কোনও ছেলে থাকলেই মিসেস উইলিয়ামস একবার এসে পড়তেন। সেদিনও এলেন। অনর্থক গল্প জুড়লেন। রুদ্রাংশু পালাতে পথ পেল না। তার পরেও অনেকবার চেষ্টা করেছে রুদ্রাংশু, কিন্তু সে আর মুখ ফেরায়নি। সময়টা তখন খুব খারাপ গেছে তার। মন অন্ধকার হয়ে থাকত, সেই মুচকুন্দ চাঁপার তলার তারাজ্বলা মাঝরাতগুলো মনে পড়ত। খুব কষ্ট হত। কিন্তু তবু সে রুদ্রাংশুকে আর কাছে ঘেঁষতে দেয়নি। কেননা তার কাছে সেটা পজিটিভ ইতিবাচক, রুদ্রাংশুর চোখে সেটাই নেগেটিভ। এটা হল স্বভাবের মৌলিক তফাত।

    এই যে ইতিবাচক এই ব্যাপারটা ওই অদিতি বোর্দো গুপ্ত সরকারের আছে। তবু, দু’বার বিয়ে করলেন, দু’বারই কেস কেঁচে গেল? প্রথম যেদিন উনি বৃষ্টির সন্ধেতে তাকে গাড়িতে তুললেন, সেদিন অনেকক্ষণ সে কোনও রকম লক্ষই করেনি ওঁকে। তার ভেতরটা তখন এমন জ্বলছে! এমন জ্বলছে! মনে হচ্ছে—বৃষ্টিতে অনন্তকাল দাঁড়িয়ে থাকলেও অপমান ধোবে না। কী মনে করে কি লোকগুলো নিজেদের? একটু নামটাম হয়েছে, অধ্যাপক হয়েছে, ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ মুঠোর মধ্যে রেখে দেবে? সেই জন্যে তাদের নিজের ব্যক্তিগত লোভ মেটাবার জন্যে ইউজ করবে? লজ্জা করে না নিজেদের নাঙ্গা চেহারাটা ছোটদের সামনে বেরিয়ে পড়লে? অদিতিদি কি জানতেন লোকটা ওই রকম? সেদিন কী রকম ঠান্ডা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন? ভামটা যা শক খেয়েছিল না! একেবারে যাকে বলে হিসি করে ফেলেছিল। আশ্চর্য! সে অদিতি সরকারের নাম জানত ঠিকই, কিন্তু কখনও ছবি দেখেনি বলেই কি না কে জানে, বুঝতে তো পারেইনি! ওঁর বাড়ির দরজায় নেমপ্লেট ছিল। প্লেট নয় ঠিক, পেতল দিয়ে টানা হাতের লেখায় ছিল নামটা, সে লক্ষও করেনি। যাঁর বাড়িতে এসে উঠল তিনি কে এ সম্পর্কেও তখন তার কোনও মাথাব্যথা ছিল না। এটা যেন প্রতিদিনের সাতপুরনো ঘটনাগুলোর একটা। অচেনা মহিলা তাকে লিফট দেবেন। বাড়িতে নিয়ে যাবেন। তার জামাকাপড়ের ব্যবস্থা করবেন। খাওয়াবেন নিজে রেঁধে। ওঁর বাড়িতে অনেক ছবিও দেখেছিল সে। কোনওদিকে তাকায়নি। কোনও ভাবনাই দেয়নি বাড়িটাকে। একমাত্র তার অদ্ভুত উঠোনটাকে ছাড়া গুরুত্ব দেয়নি তার মালিককে, কোনও সভ্যতা—ভদ্রতা করেনি। অমন গরম গরম অভ্যর্থনার পরও নিজে ঠান্ডা থেকেছে, নির্বেদ জিইয়ে রেখেছে। উনি কোনও জোরাজুরি করেননি। মানুষটা যে অন্য মানুষকে চট করে অনুভব করতে পারেন, তা খুব স্পষ্ট। সে ফিক করে হেসে ফেলল—তার ব্যাগ থেকে ঝপ করে ডায়েরিটা পেয়েই অনোহিতার বাড়িতে ফোন। কী লাড্ডু। বাপ রে বাপ! ভেবে দেখতে গেলে সেদিনের সমস্ত ব্যাপারটাই ঘটেছিল শ্রীমতী অনোহিতার সৌজন্যে। মিমি যে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে তা সে জানতই। মিমি কবে কোনখান থেকে তাকে খবর দেবে তার জন্যে সে রেডি ছিল। শেষ তো তার সঙ্গেই দেখা হয়। তার সঙ্গে নিউ মার্কেটের ম্যাগনোলিয়ায় দেখা করল। চোখগুলো ঢুকে গেছে, হিংস্র মুখ—তনি বাড়িতে আমাকে খুঁজবি না। আমি বাড়ি থেকে চলে এসেছি।

    —কেন?

    —কেন তুই জানিস না? ন্যাকামি হচ্ছে? বাড়িতে পেতনি বসে ঘাড় মটকানোর মওকা খুঁজছে আমি ওই বাড়িতে থাকব? বাবা ফিরে এলে দেখা যাবে।

    —কোথায় আছিস?

    —তোর সব কথায় দরকার কী? নিজের কেস—হিস্ট্রি আমায় দিস? দরকার হলে আমি যোগাযোগ করে নেব।

    এল, মিল্কশেক খেল, মিল্কশেকের গোঁফ হাতের উলটো পিঠ দিয়ে মুছতে মুছতে চলে গেল।

    —আমি বেরোবার পাঁচ মিনিট পরে বেরোবি। বেশি চালাকি করে, গোয়েন্দাগিরি করবার চেষ্টা করবি না।

    —আমার বয়ে গেছে। যা তুই জাহান্নমে যা।

    জাহান্নমে গেল, কিন্তু জাহান্নমটিকে ম্যাগনোলিয়ার সিটে ফেলে গেল। একটা মোটা ব্রাউন ডায়েরি। তা সেটা না তুলে নিয়ে তনিকা কী করে? সেটা না পড়েই বা সে কী করে? আর পড়ে চমৎকৃত না হয়েই বা সে কী করে থাকে!

    মাসিকে ফোন করল। উনি বললেন—ও ওর ভাস্করকাকুর কাছে আছে। ওঁর সঙ্গে…থাকছে…। এইভাবে ইতস্তত করে দাঁতে দাঁত চেপে কথাগুলো বলেছিলেন আন্টিমাসি।

    তা সেই ভাস্কর চক্রবর্তী যখন তনিকাকে নিজের স্টুডিয়োয় তাঁর আধুনিকতম টেকনিক দেখাতে নিয়ে যেতে চাইলেন, সে প্রথমেই প্রস্তাবটা নিয়ে নিল, কেননা, নিজের চোখে দেখতে পাবে মিমি সত্যিই ওখানে রয়েছে কি না। আর যদি থাকে, তবে মিমি থাকা সত্ত্বেও ভাস্কর চক্রবর্তী যদি তাকে ডাকতে পারেন…তা হলে ‘ও…ওঁর সঙ্গে…থাকছে’—এই ধারণাটা ঠিক নয়। কৌতূহলে, প্রায় মতলব নিয়ে বলা চলে—গিয়েছিল। মিমির চিহ্নও দেখল না, মাঝখান থেকে কয়েকটা ছবি দেখিয়ে কী কমপ্লিকেটেড এচিং করছেন দেখিয়ে, গাবিয়ে বললেন—তনিকা, তুমি একটু বসো।

    —ভীষণ গরম আর ক্লান্ত লাগছে। চান করে আসি। এসে তোমাকে চা খাওয়াব।

    সে ভালমানুষের মতো বলেছিল—আমি চা করছি, আপনি চান করে আসুন না সার!

    —করবে? করো! যেন হাঁফ ছাড়লেন।

    রান্নাঘরে গিয়ে ও মিমিকে দেখে। সিঙ্কে শুকনো প্লেট নামানো, ডিমের কুসুম আর আলুর খোসা পড়ে আছে। এখানে চায়ের কৌটো ওখানে কফির প্যাকেট। রাবার ব্যান্ড দিয়ে মুখ আটকানো। চিনি ছড়ানো তাকে। থিকথিক করছে পিঁপড়ে। তার বন্ধুর চেহারাটা ঘরময় ছড়িয়ে আছে। উপরন্তু আর একটা চেনা ঘাঘরা, একটা দড়ি থেকে লটপট করে ঝুলছে।

    সে সব গুছিয়ে নিয়ে, চায়ের জলটা ফুটিয়ে, চা পাতা দিচ্ছে। ‘তনিকা তনিকা’ ভাস্কর চক্রবর্তী জলের আওয়াজের ওপর গলা তুলে কেমন করে যেন ডাকছেন। সে ঘাবড়ে গেছে, কী রে বাবা স্ট্রোক টোক হল না কি?

    ছুটে গিয়ে দ্যাখে বাথরুমের দরজা হাট। শাওয়ারের তলায় ভাস্কর চক্রবর্তী দাঁড়িয়ে, পরনে তোয়ালে—তনিকা আমার পিঠটাতে একটু সাবান ঘষে দেবে? সে পিছু হটে এসেছিল। ওর মুখ ওদিকে ছিল দেখতে পায়নি। ভেবেছিল, ফাইন্যাল পরীক্ষা সবে শেষ। এখন ছাত্রীকে পিঠে সাবান কেন, গা মুছিয়ে পাউডার মাখিয়ে পাজামা পরিয়ে দিতে বললেও দেবে। ওর চরিত্রজ্ঞান মিমির থেকে প্রাপ্ত কিনা। মিমিকে ও ওই বয়সের মেয়েদের প্রতিনিধি ভেবে নিয়েছে।

    সদর দরজা বন্ধ করে নিমেষের মধ্যে সে রাস্তায় নেমে এসেছিল। তখন প্রকাণ্ড একটা ধূম্র পাহাড়ের মতো মেঘ সমস্ত আকাশ ছেয়ে ফেলছে। যা পেয়েছে উঠে পড়েছে। টলি—ব্রিজ পার করে নেমে পড়েছে। ধুন্ধুমার বৃষ্টি। কোথায় তার বাড়ি? ও পার্ক সার্কাস। এখন পার্ক সার্কাস সে যাবে না। আরমান? উঃ আরমানের কথা যা মিমির ডায়েরিতে পড়ল, তারপর আর তার কাছে যাওয়া যায় না। সে সামনে ট্রাম পেল তারপর রাসবিহারী, গড়িয়াহাটের মোড় এসপ্ল্যানেডের বাস ধরল। ভিজে চুপচুপে। এসপ্ল্যানেডে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভিজতে লাগল। ভিজতে লাগল,…ভিজতে লাগল। কোনও চৈতন্য নেই, প্রথম শক—মিমি। দ্বিতীয় শক মিমির ডায়েরির হঠাৎ উলটে—পড়া পাতা, তৃতীয় শক—ভাস্কর চক্রবর্তী দা গ্রেট। সেই একই ঘোরে কাটছিল ক’দিন, তারপর চতুর্থ শক—অ্যাকাডেমি…’ফেলাইন মর্নিং’ সেকেন্ড এসেছে, বন্ধুদের হাল্লাবাজি, হঠাৎ এক অলক্ষ দেওয়ালের ওপর থেকে—তনিকা!

    ভাবতে গেলে—তার ওই নির্লিপ্ত ব্যবহারের পরও উনি—তনিকা! ছবিটা ভাল লেগেছে দ্বিতীয় নির্বাচন করেছেন ঠিক আছে। বুঝতেও তো নির্ঘাত পেরেছেন ওই তনিকাই এই তনিকা, কিন্তু বিচারপতি অধ্যাপকের অহমিকা নিয়ে তো এড়িয়ে যেতেই পারতেন। বিশেষত যখন তার ভদ্রতার অভাব নির্লিপ্ত দেখতে পেয়েছেন, বুঝতে পেরেছেন। কিন্তু খুঁজে বার করলেন বন্ধুদের পাহাড় ডিঙিয়ে, সুবীরের পাহাড় ডিঙোনো তো যে—কোনও মানুষের পক্ষেই শক্ত! এবং সোজাসুজি শাঁখ বাজিয়ে দিলেন—তনিকা!

    সেই প্রতিধ্বনির কথা আছে না। পাহাড়ের উপত্যকায় দাঁড়িয়ে আছ তুমি। তোমার চারপাশ ঘিরে পাথুরে দেওয়াল, তুমি গান গাইলে, সে গান যেমন প্রত্যেকটা দেওয়াল আবার তোমার শুনিয়ে দেয়, দিতে থাকে। এও সে রকম। তার হৃদবস্তুর অলিন্দ—নিলয়গুলো তাকেও ফিরিয়ে ফিরিয়ে শোনাচ্ছে যেন একটা উদাত্ত পিট সিগার বা গ্রামীণ লোকসংগীত। খোলা গলায় গাওয়া খোলা আকাশ বাতাস মাঠের মধ্যিখান থেকে।

    ভাস্কর—ঘোরটা কেটে গেছে। এই ঘোরটা তাকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে। আসলে এই ঘোরটাই ভাস্কর—ঘোরটাকে কাটাতে সাহায্য করেছে, নইলে তার মেজাজ খারাপ হয়ে গেলে সেটা বহুদিন চলে। বহু দিন।

    উনি ঠিক কী? কী রকম? অন্তরঙ্গ হলে কেমন লাগবে? ওঁর ছাত্রছাত্রীরা তো মনে হল খুব ঘনিষ্ঠ, একটা পূজার ভাবও আছে, প্রেমের ভাবও আছে। কিন্তু কোনও বাঁধা খালের মৃদু একমুখী স্রোতে গা ভাসাতে তার ভাল লাগে না। ওদের মতো করে সে কিছু পারবে না। তার ভাল লাগে প্রকৃতি পর্যায়। নদীতে জোয়ার এসেছে জোয়ারের জলে ফুলে ফুলে ওঠো। ভাটির টান….ফিরে চলো ধীর সুখে সমুদ্রের দিকে, দুরন্ত পদ্মার পাড় ভেঙে ভেঙে পড়ছে, আতঙ্কে নীল হয়ে তুমিও ভেঙে পড়ছ, তারপর আবার দুর্দম চড়া হয়ে জেগে উঠছ। বেগুনি আকাশে হারিয়ে গেলে সন্ধেবেলা, প্রথম সূর্য হয়ে ফুটলে। রোদ হয়ে উঠলে তারপর হঠাৎ গুরু গুরু গুরু গুরু স্বননে বেজে উঠলে মেঘ ঘর্ষণের দামামা থেকে। দামাল বৃষ্টিপাত।

    হঠাৎ তার মনে হল এইখানে, ঠিক এইখানেই তার মিমির সঙ্গে মিল। এই জন্যেই সে মিমিকে বোঝে। মিমিও তাকে ধরতে পারে খানিকটা। কিন্তু কেউই কাউকে পুরোটা নয়। মানুষে মানুষে কিছু তফাতের রহস্য তো থাকবেই। রহস্য থাকে থাক, কিন্তু একই প্রকৃতির মধ্যে এত তফাত কেন? কেন সে মিমির মতো হয়েও মিমির মতো নয়! কেন মিমি তার মতো হয়েও তার মতো নয়? শ্রীলামাসির সঙ্গে আন্টিমাসির বন্ধুত্বের কথা সে শুনেছে। দেখেওছে। ওঁদের মধ্যে কোনও ভুল বোঝাবুঝি ছিল না। আর শ্রীলামাসি তো প্রতিটি ব্যাপারে বন্ধুর ওপর নির্ভর করতেন, পরামর্শ চাইতেন। ‘সর্বাণী এল না কেন? এখনও কী করছে? সাতটা বেজে গেল যে!’ একথা যে কতবার শুনেছে ওদের বাড়িতে গিয়ে! তখনও পরদা—টরদার রংগুলো জ্বলে যায়নি, সোফাকভার, কুশন সব ঠিকঠাক পরিষ্কার হত। ছবিগুলো বাঁকা থাকত না। ক্যালেন্ডারের পাতা বদলাত। শ্রীলামাসি তো সবটা দেখে উঠতে পারতেন না, আন্টিমাসিই বেশিটা দেখতেন। এখন উনি থাকা সত্ত্বেও বাড়িটা ঠিকঠাক নেই। কেন? না মিমির ঝগড়ুটে চিৎকার যার ভয়ে সবাই তটস্থ হয়ে থাকে। শ্রীলামাসির সামনে, তার সামনে ধেড়ে মেয়ে মিমি তখন চকাস চকাস করে আন্টিকে কত চুমু খেয়েছে। কাল আসোনি কেন? এ রোববার সারাদিন আমাদের কাছে থাকতে হবে।—সবই তো তার দেখা! যেন কোলে বসে বাচ্চার মতো আদর খাবার বায়না করবে এক্ষুনি। আর কী আবদার! কী আবদার!—আজ এই রান্না করে দাও, কাল ওই করে দাও। খাওয়া নিয়ে কিছু ফাস করতে পারত ওই মেয়ে! শ্রীলামাসি তখন ক্ষীণ স্বরে বলতেন আজকে ওকে ছেড়ে দাও মিমি। ইয়ার এন্ডের ঝামেলা সেরে এসেছে। সর্বাণী আজ বড় ক্লান্ত।

    —তুমি কেন সবেতে বাগড়া দাও বলো তো, আন্টিমাসি বলুক ও ক্লান্ত, ওর কথা ও বলতে পারবে। তোমাকে বলতে হবে না।

    —সত্যিই আমি আজ পারছি না রে, পঞ্চমীকে ডাক আমি বুঝিয়ে দিচ্ছি ঢাকাই পরোটা কী করে করতে হয়। ও—ই করে দেবে।

    —নাঃ আমার দরকার নেই। ঠোঁট ফুলিয়ে দুমদাম করে চলে গেল একটা আঠারো উনিশ বছরের না তার চেয়েও বড় মেয়ে।

    আন্টি উঠতে যাচ্ছেন। শ্রীলামাসি হাত চেপে ধরলেন—উঠতে পারবি না সর্বাণী। একদম না।

    আন্টি হেসে বলতেন—যদি না খায়।

    —না—ই খাক। বাজে আবদার শোনা হবে না তাই বলে। দিন দিন বড় হচ্ছে না ছোট হচ্ছে?

    আন্টি বলতেন—এই শক্তটা আগে হলে পারতিস শ্রী।

    কত সুন্দর সুন্দর আলাপ—আলোচনা চলত দু’জনের মধ্যে। গান বাজাতেন শ্রীলামাসি। যখন শরীরটা খুব খারাপ হত, কথা বলতেন না, দু’জনে চুপ করে শুধু বসে থাকতেন। কত সুন্দর দৃশ্য দেখেছে সে। রাতে সে ওদের বাড়ি থাকবে বলে গেছে। মিমি এত ঝিং—চ্যাক বাজাচ্ছে আর এত নাচতে নাচতে হাসতে হাসতে পাগলামি করছে যে তার শেষ পর্যন্ত বিরক্ত লাগছিল। একবার বলেছিল মাসির শরীরটা খুব খারাপ আজ, এত আওয়াজ করিস না।

    —ওহ, তা হলে কোনওদিনই কিছু করা হবে না—আবার শুরু করে দিল, এবার হিন্দি ঝিং চ্যাক।

    দরজা বন্ধ করে সে নীচে চলে এসেছিল। মাসির ঘরের পাশেই একটা বড় লাউঞ্জ মতো, সেখানে একটা টিভি থাকে, কয়েকটা বুক শেলফ। ঝাড়বাতিটা জ্বালিয়ে সে অনেকক্ষণ সেদিন পড়েছিল—কী যেন। ‘তাও অব ফিজিক্স।’ কী অদ্ভুত বইটা। কাপরা বলে একজন বিজ্ঞানী সমুদ্রের ওপর আমাদের নটরাজের নৃত্য উপলব্ধি করেছেন। সৃষ্টি, সৃষ্টি হচ্ছে। কত অদ্ভুত অদ্ভুত বই ও বাড়িতে। কে আনত! কতকগুলো বইয়ে শ্রীলামাসির নাম লেখা। কিন্তু বেশিরভাগই নাম—না—লেখা। রমাঁ রল্যাঁর ‘লাইফ অব শ্রীরামকৃষ্ণ’, ‘ইমিটেশন অব ক্রাইস্ট’ বলে একটা বই। ‘দা ম্যান হু ডায়েড’—দারুণ। সমান দারুণ গিরীন্দ্রশেখর বসুর ‘গীতা ভাষ্য’। সে অবশ্য ভূমিকাটার পর আর বেশি পড়েনি। কিন্তু ওইটুকুতেই চমৎকৃত। বেশ রাত্তির। সে উঠে মাসির ঘর পার হয়ে ওদিকে যাবে, তার খিদে পেয়েছে, দেখল মাসির ঘরে মৃদু আলো জ্বলছে, মাসি শুয়ে, পাশে আন্টিমাসি মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছেন ধীরে ধীরে। ডান দিকের মুখটা দেখা যাচ্ছে আন্টির। গালটা কেমন চকচক করছিল, উনি কি কেঁদেছিলেন? কী যে মমতামাখা! তারপর আস্তে গায়ের চাদরটা মাসির গায়ে টেনে দিলেন। মুখ নিচু করে খুব আলতো করে কিন্তু অনেকক্ষণ ধরে মাসির কপালে একটা চুমু খেলেন। তারপর আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসছেন দেখে সে তাড়াতাড়ি আবার লাউঞ্জে ফিরে যায়। আন্টি এসে বললেন—তোরা খাবি না?

    —মিমি খাবে কি না, জানি না, আমার ভীষণ খিদে পেয়েছে। আমি দেখছি কী আছে, খেয়ে নিচ্ছি।

    —চল ওকে একটু ডেকে দেখি!

    ওদের বাড়ি সবাই একসঙ্গে খেতে বসত কমই। বেশিরভাগ সময়েই যে যার মতো টেবিল থেকে নিয়ে খেয়ে নিত।

    আন্টির সেই আস্তে আস্তে মাথায় হাত বুলোনো, সেই সাবধানে চাদর টেনে দেওয়া আর সেই নিচু হয়ে দীর্ঘক্ষণ চুমো খাবার দৃশ্যটা সে স্মৃতির ঘরে আলো জ্বাললেই দেখতে পায়। কেমন ঘুম এসে যায় তখন। খুব মমতার, খুব গভীর স্নেহের, প্রেমের দৃশ্য সেটা। মা যেমন মেয়েকে, কিংবা প্রেমিক যেমন প্রেমিকাকে…কোনটা ঠিক ঠিক তুলনা হবে সে বুঝতে পারেনি। আজও পারে না।

    মিমি যাবে কিনা জানে না, আপাতত মিমি না গেলেই সে খুশি হবে। আর দু’—একদিনের মধ্যেই সে ‘চিত্রভানু’তে যাচ্ছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleট্রেকার্স – বাণী বসু
    Next Article জন্মভূমি মাতৃভূমি – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }