Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঝড়ের খেয়া – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প272 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঝড়ের খেয়া – ১৩

    তেরো

    আকাশ নীল দোপাট্টাটা অদিতি গলা থেকে আলগা করে নিল। খুব গরম হচ্ছে। অ্যারাইভ্যাল লাউঞ্জে প্রচুর লোক। দু’—একজন মাঝে মাঝেই উঠে গিয়ে ফোন করছে। এক ভদ্রমহিলার বিশাল বুক থেকে একটি ক্ষীণকায় বাচ্চা থেকে থেকে ঝুঁকে পড়ছে—ড্যাডি, ড্যাডি কব আয়গা! হু—উঁ—উঁ কান্নার সুর ধরে বাচ্চাটা।

    —আয়গা আয়গা। অবভি আ জায়গা। বাস, বাস, রোও মৎ রাহুল বেটা, বাস করো। অন্যমনস্কভাবে শুনতে শুনতে অদিতির মনে হল—আরে! যে যেখানে আছে সব আজকাল রাহুল হচ্ছে। এ কি রাহুল দ্রাবিড় নামে ক্রিকেটারটির সৌজন্যে? বুদ্ধদেবের ছেলের জন্য এ ফ্যাশন নিশ্চয় নয়। কোনও ফিল্ম স্টার টার আছে নাকি এই নামে? কত রকম স্টার সুপারস্টার হয়েছে আজকাল। এতবড় ভারতবর্ষ, এত লোকসংখ্যা। পিলপিল করছে লোক। কিন্তু বাঁচে খালি স্টাররা। ফিল্ম স্টার, ক্রিকেট স্টার, পলিটিক্যাল স্টার, ইদানীং রাইটার স্টারও হচ্ছে। সেলিব্রিটি—পাগল দেশটা, যা—কিছু ভালবাসা টাকাপয়সা সব উজাড় করে দেয় সেলিব্রিটিদের পায়ের তলায়। নিজেদের আর বেঁচে দরকার নেই। নিজেদের জন্য কোনও মান—সম্মান দরকার নেই। খাবার জিনিস, ওষুধ, নিত্য প্রয়োজনীয় বস্তুর দাম রোজ রোজ বেড়ে যাচ্ছে। ঝপ ঝপ করে বছরে তিন—চারবার করে দাম বাড়ছে এটা ওটা সেটার। রান্নার গ্যাস, ইলেকট্রিকের ইউনিট, ফোন। এরা একরকম সুদ ঘোষণা করে মাঝপথে সুদ অর্ধেক করে দেয়, এক পলিটিক্যাল পার্টির টিকিটে দাঁড়িয়ে জিতে আর এক পার্টির ল্যাজ ধরে এগোয়, এমন বেইমানি একটা দেশের নির্বাচিত সরকার দেশের মানুষের সঙ্গে করছে, করে যাচ্ছে, কিন্তু জনগণেশের হেলদোল নেই। তারা সচিন—সৌরভের গন্ধ পেলেই দৌড়াবে, এই ঘুঁটের মালা পরাচ্ছে, তো ওই সেই একই ব্যক্তির নামে রাস্তা, অঞ্চল, মন্দির—টন্দির বানাচ্ছে। বম্বে থেকে কোন ফিল্মস্টার বম্বের ফ্লাইটzটায় এল আজ। কী নাকি ফিল্ম করেছে প্রোমোট করবে, চারদিক থেকে কমান্ডো পরিবেষ্টিত হয়ে খোলা গাড়িতে হাসিমুখে হাত নাড়তে নাড়তে চলে গেল নায়ক—নায়িকা। এয়ারপোর্টে আজ আসতে কী বেগ পেতেই না হয়েছে তাকে। উল্টোডাঙা থেকে শুরু করে পুরো ভি.আই.পি. রোড দলে দলে ছেলে, বুড়ো সব চলেছে ফিল্মস্টার দেখতে। বেশ ভুলিয়ে ভালিয়ে রেখেছে এরা দেশভরতি লোককে। মাথায় হাত বুলোচ্ছে। বোধহয় আড়ালে হো—হো করে হাসে। ফ্রান্স হলে তো বটেই, ব্রিটেন হলে, জার্মানি বা ইউ.এস.এ হলেও ঝান্ডা উঠে যেত শত শত। এই জিনিসগুলো ইদানীং লক্ষ করছে সে। কয়েক বছর হল পাকাপাকি বাস করছে। কিন্তু আসলে সেভাবে বাস করেনি। কেননা সে আসলে প্যারিসেই বাস করছিল। ইয়োরোপে। আদৌ ভারতবর্ষে বা কলকাতায় নয়। তার বাড়িটাই তো একটা পুরনো ইউরোপীয় বাড়ির মতো। মাত্র কয়েক মাস হল হঠাৎ ও ভারতীয় কলকাত্তাই বাস্তবতায় জেগে উঠতে শুরু করেছে। সমস্ত দেশটা জোচ্চুরিতে ভরে গেছে। জোচ্চোর আর গুন্ডা। মাঝে সেলিব্রিটি—পাগল জনতা। আর মুষ্টিমেয় লোক প্রাণপণে নিজের কাজটা করে যাচ্ছে। থাকতে পারব তো এখানে আমরণ? মা চলে যাবার পর তো সে ফিরেই যাচ্ছিল নিউইয়র্ক কলেজ অব ভিসুয়াল আর্টসে। অফার পেয়েছিল ভাল। কী রকম লাগবে দেখতে একবার ঘুরে এল। ভাল লাগল না। প্যারিস, প্যারিসের রাস্তায় রাস্তায়, একোলে, নোৎর, ল্যুভ—এ, লিল দ্য লা সিতেয় নোৎর দাম, চিত্রিত মেট্রোপথ, সবুজ কান্ট্রিসাইডে তার জীবন পড়ে আছে। কিন্তু প্রতিদিন সেখানে রাজর্ষি আর সুজানের সঙ্গে ঠোকাঠুকি হয়ে যায়। কী অপ্রস্তুত! কী অপ্রস্তুত! যেসব রোডসাইড কাফেতে সে কতবার রাজর্ষির সঙ্গে সঙ্গে কাটিয়েছে সেখানে রাজর্ষির সঙ্গে সুজান, যে ব্রিজ দিয়ে সে পার হয়েছে সেন নদী রাজর্ষির সঙ্গে, সেখানে রাজর্ষির কনুই ধরে সুজান। তারই বন্ধু। যার সঙ্গে ইয়ুথ হোস্টেলে হোস্টেলে সারা ইয়োরোপ একসময় চষে বেড়িয়েছে সে। সেই সুজান যে ভিয়েনা থেকে তাকে ফোন করামাত্র সিতে ইউনিভার্সিতের গেস্ট হাউসে জায়গা থাকা সত্ত্বেও সে নিজের বাড়িতে বাস করবার জন্য ডেকেছিল।

    —যতদিন একটা পাকাপাকি আস্তানা না পাই, বুঝলে অদিতি।

    —শিয়োর। তোমাকে শেকড় গাড়তে তো সময় একটু দিতেই হবে!

    সুজান একটু লালু—ভুলু প্রিটি—প্রিটি দেখতে মার্কিন মেয়ে। এই রকম চেহারার এখন আর কদর নেই সারা পাশ্চাত্য দেশে। চুলে কার্ল। গালে লাল। কে জানে অত মনস্তত্ত্ব বা সেক্সোলজি সে জানে না। কিন্তু সুজান গ্লাসগোর ইনস্টিট্যুটে নিজের কাজে, সাধারণ্যে, কোনও ছাপই ফেলতে পারেনি। সে যখন প্যারিসে এল, তখন তার দুটো বিয়ে ভেঙে গেছে, একটা বাচ্চাকে বাবা—মা’র কাছে রেখে দিয়েছে। ঝাড়া হাত—পা। দিনের পর দিন রাজর্ষি ইউনিভার্সিটি থেকে ফিরেছে, দিনের পর দিন সে অনুপস্থিত থেকেছে, কিচ্ছু তো মনে হয়নি তার? তার ধারণা সুজানও তখন তার আতলিয়েতে কাজে ব্যস্ত।

    একদিন রোজকার মতো ফিরে চাবি ঘুরিয়ে ঘরে ঢুকে দেখল দু’জনে তারই বিছানায়। সে দাঁড়িয়েই ছিল, দাঁড়িয়েই ছিল। পুরো ব্লু—ফিল্মটা অসীম আগ্রহ ও বিস্ময় নিয়ে দেখছিল। তারপর ফিল্ম চূড়ান্ত মুহূর্তে পৌঁছোবার আগেই রাজর্ষি মুখ তুলে তাকে দেখতে পেল। ব্যস একেবারে চিত্রার্পিত। এদিকে সে—ঝোল্লা পাঞ্জাবি আর জিনস পরা। কানে বড় বড় মাকড়ি। এলোমেলো চুল। কাঁধে মস্ত বড় ঝোলা, হাতে পার্স। ওদিকে দুটি নাঙ্গা মানব—মানবী। রাজর্ষি নিজেকে কী করে ঢাকবে বুঝতে পারছিল না, সুজান তো চিত, তারা মাথা অদিতির দিকে পেছন ফিরে।

    সে আস্তে আস্তে বেরিয়ে এসে বাথরুমে ঢুকেই বেসিনের ওপর উপুড় হয়ে পড়েছিল। প্রবল বমি। জীবনে প্রথম নীল ছবি দেখার বমি।

    —কী হল? কী হল?—রাজর্ষি ছুটে আসছে।

    সে শান্ত হাতে দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল—কমোডের ওপর বসে পড়েছিল। বিনবিন করে ঘাম দিচ্ছে সারা শরীরে। উঠতে পারছে না। সোজা হয়ে বসতেও পারছে না। ভেতর থেকে প্রবল একটা বেগ বেরিয়ে আসছে। কাঠ বমি। কিছু বেরোচ্ছে না শুধু সারা শরীরে আলোড়ন। অকথ্য আলোড়নের যন্ত্রণা। তারপর একটা সময় এল যখন সে বাথরুমের মেঝের ওপরই শুয়ে পড়ল। তারপর কী হল কে জানে—নীলফুল, লালফুল, বেগুনি, হলুদ চরকি।

    জ্ঞান ফিরতে দেখল সে হাসপাতালে—লাপিতাল স্যাঁ নেকের। তাদের বাড়ির কাছেই। মাঝরাত বোধহয়, মৃদু একটা আলো জ্বলছে। ভ্রমণরত কোনও সিস্টার বোধহয় বুঝতে পারলেন—সে জেগেছে। কাছে এসে জিজ্ঞেস করলেন—কেমন বোধ করছ?

    —আমার কি স্ট্রোক হয়েছে?

    —পাগল? তোমার একটা বিশ্রী স্টম্যাক আপসেট হয়েছে। আজ ড্রিপ চলছে চলুক, কাল তোমাকে খেতে দেব।

    সকালবেলায় সিস্টার আসতেই সে বলল—আমার পার্স?

    —পার্স কোথায় পাব।

    —আমার কাছে ছিল তো।

    —আপনি ভুল করছেন মিসেস গুপ্ত, আপনি তো ছিটকে পড়ে অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলেন না? আপনার স্বামী আপনাকে এখানে ভরতি করে দিয়েছেন। কেন? পার্সের খোঁজ করছেন কেন?

    —না, ওর মধ্যে আমার ক্রেডিট কার্ড, টাকাপয়সা ছিল। আমি আপনাদের পে করে বেরিয়ে যেতে পারতাম। আমি এখন এক্কেবারে ঠিক হয়ে গেছি।

    —বেশ তো। তাড়ার কী আছে? সকালেই আপনাকে ছেড়ে দেব। উনি আসুন।

    —উনি আসবার আগেই আমি বেরিয়ে যেতে চাই।

    —সো, আপনারা ঝগড়া করেছেন?

    —আমাকে একটা ফোন দিতে পারেন? আছে আপনার কাছে?

    —এনে দিচ্ছি।

    সে মনীষাকে ফোন করল—একটা চেঞ্জ আর ক্রেডিট কার্ডটা নিয়ে শিগগিরই চলে আয়—

    —সে কী রে! তুই হাসপাতালে? কী হয়েছে? কী কাণ্ড? রাজর্ষি কি বাইরে গেছে, নেই?

    —না।

    —কে ভরতি করল? নিজে এসেছিস? কখন হল? কী?—একঝাঁক প্রশ্ন।

    অদিতি বলল—তুই যেমন আছিস তেমনি চলে আয়। মনীষা আমি আর বকতে পারছি না।

    ব্যস, সেই শেষ। মনীষা গিয়ে নিয়ে এসেছে তার ব্যক্তিগত জিনিসপত্র। প্যাকারদের দিয়ে প্যাক করিয়ে তিনদিনের মধ্যে সে নতুন বাড়িতে গিয়ে উঠেছে। গ্রামাঞ্চলে। চারদিকে সবুজ নিবিড়।

    রাজর্ষি এসেছে, সুজান এসেছে… মনীষার বাড়ি। কিছুতেই যাবে না তাকে না নিয়ে।

    —বিশ্বাস করো অদিতি এটা কেমনভাবে হয়ে গেল। আমাকে মাফ করো।

    —অদিৎ, আমি তোমাদের বাড়ি থেকে চলে গেছি।

    অদিতি চুপ করে বসে থেকেছে যেন ওখানে কেউ নেই। কিছু নেই। কেউ কোনও কথা বলছে না।

    —মনীষা ওকে একটু বল!—রাজর্ষির কাতর অনুনয়!

    মনীষা বলেছিল—তুই যদি এই মুহূর্তে আমার ঘর থেকে বেরিয়ে না যাস রাজর্ষি, আমি এক কেটলি গরম জল তোর মুখের ওপর ছুড়ে মারব। যা! যা! কুকুর—কুকুরি!

    মা খুব রাগ করেছিলেন—ভুলটা তো তোরই বনি। একটা মেয়ে তার ওপরে আবার ও দেশের, কোনও ঘেন্না—পিত্তি থাকে না ওদের। কিছুর মধ্যে কিছু না, তাকে বাড়িতে এনে তুললি! চারদিকে জনমনিষ্যি নেই! ছি! ছি! নিজের পায়ে নিজে কুড়ুল মেরেছিস।

    তখনও সে কিছু বলেনি। কী বলবে? মাকে কি বোঝাতে পারবে, কুড়ুলটা তার অনেক আগেই মারা হয়ে গিয়েছিল। তার বন্ধুর জায়গায় যদি ওর কোনও বন্ধু থাকত! মাঝে মাঝে তো থাকতই, হয়তো সপ্তাহান্তে, কিংবা এখনও বাসস্থান খুঁজে পায়নি। রাজর্ষি তখনও ফেরেনি, সে ফিরেছে, রাজর্ষির বন্ধু ডেরেক, রজার, পিয়ের সুনন্দ এদের কারও—না—কারও সঙ্গে কি তাকে অনেক ঘণ্টা একা কাটাতে হয়নি! দু’জনে পোর্নো কি পোর্ট হাতে বসেনি কি মুখোমুখি! শোনেনি কি দুর্দান্ত পুরুষ গলার স্তুতি। ভাল লাগে। খারাপ তো লাগে না। কিন্তু তোমার মধ্যে তো সেই তুমিটা বসতি করে আছে, যে জানে তুমি কার ডাকে সাড়া দেবে! মানুষকে কি অমন জৈবভাবে দেখা যায়?

    টিভি স্ক্রিনে অনেকক্ষণ থেকেই ভাসছে ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্সের দিল্লি—কলকাতা ফ্লাইটটা এসে পৌঁছে গেছে। ঠিক কী ব্যবস্থা করেছে আঁদ্রে? ছবিগুলো কি ওর সঙ্গেই কারগোতে আসছে?

    পরে ছাড়াবে নিশ্চয়, নয়তো ওর অনেক দেরি হবে। কেন বলল এয়ারপোর্টে আসতে?

    —ওদিৎ, ওদিতি!

    ওই তো আঁদ্রে!

    ছুটে বেরিয়ে গেল বাইরে। যাতে একটা স্যুটকেস কাঁধে ট্র্যাভেলিং ব্যাগ, আঁদ্রে দু’ কদম এগিয়ে এসে তাকে জড়িয়ে ধরল চুমু খেল। তারপর দু’হাতে তাকে একটু দূরে সরিয়ে ঘাড় বেঁকিয়ে বলল—দেখি! দেখি! আমার সেই ওদিৎ কালো চোখের, অনির্বচনীয় রঙের ওদিৎ কী রকম হয়েছে! একটু কি গায়ে লেগেছে?

    —হবে! তুমি কিন্তু আরও বলিষ্ঠ হয়েছ, মানে মাসকিউলার। তা ছবি?

    —মাথা খারাপ? এখনও আসেনি। কাস্টমস থেকে ছাড়াতে দিন দুয়েকের মধ্যে আসব।

    —কী রকম হল দিল্লিতে? গভর্মেন্ট গ্যালারিতে?

    —না। ললিতকলা।

    ললিতকলায় করা উচিত হয়নি। ওখানে সিকিউরিটি ভাল না।

    —ছিল। ভালই ছিল।

    —কেমন হল!

    —ভাল। বেশ ভাল। তবে ওই।

    —মানে?

    —ওই বোদ্ধারা, ললিতকলার সঙ্গে জড়িত লোকজন, সরকারি আমলা, হু’জহু, ব্যবসায়ী বড়লোক। সার্টন গ্রেসফুল উইমেন, অ্যান্ড দেয়ার ডিসগ্রেসফুল হাজব্যান্ডস।

    —তা তো বটেই। ময়ূর জাতি তো ময়ূরীকে সুন্দরী দেখবেই!—অদিতি হাসল।

    —কোথায় তোমার বুকিং?

    —যদি বলি অদিতি আন্ডারস্কোর এম. অ্যাট. হট মেল. কম।

    —বললেই হল, আমার শাশুড়ি এখন ওখানে রোগশয্যায়।

    —শাশুড়ি? তুমি আবার বিয়ে করলে কবে?—আঁদ্রের মুখটা কালো হয়ে গেল।

    —আবার নয়, পুরনো।

    —অর্থাৎ?

    —রাজর্ষির মা। বাঁকুড়া বলে একটা টাউনে থাকেন। তা অসুস্থ হলে তো আমিই দেখাশোনা করি!

    —আচ্ছা! আর রাজর্ষির কী খবর? সেই সন অব আ বিচ?

    —রাজর্ষিকে ওই পরিচয় দিলে কিন্তু ওর মায়ের গায়েই বেশি লাগবে আঁদ্রে।

    —ঠিকই।

    নিজের সোনালি খুদে খুদে দাড়ি গজানো চিবুকটাতে একবার হাত বুলিয়ে নিল আঁদ্রে।

    —আমার এজেন্ট এই হোটেলটায় বুকিং করেছে। পকেট থেকে পার্স বের করে বলল—ত্যাজ ব্যাংগল।

    অদিতি হেসে বলল, তাজ বেঙ্গল।

    —চেনো?

    —চিনি বই কী!

    —ঠিক তেমনই, তেমনই আশ্চর্যজনক আছ তুমি ওদিৎ। ঠিক তেমনই। তুমি সব জানো, সব পারো, সব সময়ে আছ, আছ না। আমার জন্য?

    হেসে ফেলল দু’জনেই। আঁদ্রে কি হাসির আড়ালে একটু বিঁধল? বিঁধতেই পারে।

    কেন যেন তাজ বেঙ্গলের স্যুইটের লাউঞ্জে দু’জনের মাঝখানে একটা নীরবতা নেমে এসেছে। আঁদ্রে তাকে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে কী এত দেখছে? এ রকম চোখ এখন আর সহ্য করতে পারে না অদিতি। কী যেন বলতে চাইছে, বলতে পারছে না। অদিতির ভেতর তেমন কোনও প্রতীক্ষা নেই। একটা ধূসর আনন্দ আছে। কতদিন পরে দেখা, সেই আঁদ্রে যার সঙ্গে তার প্রথম এবং একমাত্র কৈশোর প্রেম, বয়সের হিসেবে কৈশোর না হলেও তো সে কৈশোরই। প্রথম রোম্যান্টিক প্রেম। সব প্রেমের মধ্যেই রোমাঞ্চ নিশ্চয় আছে। প্রেম জিনিসটাই তো একটা বিচিত্র ম্যাজিক। তবু যেন রোমাঞ্চে রোমাঞ্চ সামান্য তফাত হয়। অনভিজ্ঞ তারুণ্য। প্রেমের লাবণ্য সেখানে কী নিবিড় রোমহর্ষেই না ফোটে। পরে সে আরও অভিজ্ঞ, শরীরে ও মনে। অব্যক্ত আকুলতাগুলোর মানে বুঝতে শুরু করেছে। সেই হারিয়ে যাওয়া, সুগন্ধ গোলকধাঁধায় নিঃশেষে হারিয়ে যাওয়া আর তো হয় না।

    রাজর্ষিকে তো সে তার কলেজ—জীবন থেকে চেনে। দারুণ ডিবেট করত। একটু চৌকো ধরনের কর্কশমতো চেহারা, মেয়েরা খুব পছন্দ করত। অদিতির সঙ্গেও যথেষ্ট তর্কাতর্কি হয়েছে। জ্ঞানের আদানপ্রদান হয়েছে। তারপরে তো এক বছর পরেই ও কলাভবনে চলে গেল। দু’জনের পথ একেবারে আলাদা হয়ে গেল। সেই পথ আবার প্যারিসে এসে মিলবে কে ভেবেছিল?

    —হাই অদিতি!

    —আরে রাজর্ষি। তুই কোত্থেকে।

    —এসে পড়লাম। কর্নেল থেকে পোস্ট—ডক করলাম। কাছাকাছি পেয়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু প্যারিস, খোদ প্যারিসে, পাস্তুর ইনস্টিট্যুটে কাজ করতে পারব—ধারণা ছিল না। তা ছাড়া জানতাম তো তুই আছিসই।

    —হ্যাঁ আমি তো আছি। তাতে কী? তোর কোনও অসুবিধে হচ্ছে?

    —ধুর। অসুবিধে আবার কীসের? আরে তুই আছিস বলেই তো খুঁজে খুঁজে চলে এলাম।

    —ইয়ারকি মারছিস?

    —অনেস্ট।

    এইভাবেই তো এগোল আঁদ্রের সঙ্গে যখন ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল। সময়টা তো খুব যন্ত্রণাহীন কাটেনি। যত সে যন্ত্রণা পেয়েছে, তত কাছে এসেছে রাজর্ষি। সে তার কাঁধে মাথা রেখেছে নীল মুখে। রাজর্ষি তার মাথায় আস্তে আস্তে হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দিয়েছে।

    তারপর একদিন বলল—যদি বা আমার সুদিন এল, তুই এমন করছিস যে আমার সব মাটি হয়ে যাচ্ছে।

    —সুদিন? কী হয়েছে তোর? আরও বেশি অফার পেয়েছিস?

    —নাঃ অফার আর পেলাম কোথায়! অফার করছি নিজেকে। কবে থেকে তোর পেছনে ছুটছি অদিতি তুই ফিরেও তাকাচ্ছিস না! তোর জন্যে ডক্টরেট করলাম, ফেলোশিপ নিয়ে বস্টন গেলাম। নিজেকে সর্বগুণান্বিত করে ফেলেছি হেনকালে অঘটন। অদিতি সরকার আর সরকার নেই, বোর্দো হয়ে গেছে। ভাবতে পারছিস আমার অবস্থাটা!

    —আমি তো এসব কোনওদিন জানতুম না!

    —তুই ছাড়া আর সবাই—ই জানত বোধহয়। মৃণাল, নন্দন, শমিত সব কী নাম দিয়েছিল জানিস আমার?

    —কী?

    —এ.ও.আর।

    —মানে?

    —অদিতি অবসেসড রাজর্ষি। ফুট করে এমন কেটে পড়লি! মনীষার কাছে অনেক পরে জানতে পারলাম তুই সেজান হতে গেছিস।

    কতক্ষণ চুপ করে বসেছিল অদিতি। তার জীবনের এত বড় ঘটনাটা তার অজান্তে ঘটে যাচ্ছিল!

    আস্তে, খুব আস্তে রাজর্ষিকে নিতে পেরেছিল সে। যা প্রথমে পারস্পরিক ছিল না, একান্তভাবেই রাজর্ষির ছিল, তা তার নিজের মধ্যে সঞ্চারিত হতে দেরি হয়েছে, কেননা সে ইতিমধ্যেই পোড়—খাওয়া। কিন্তু যখন একবার নিল, তখন মনেপ্রাণে নিয়েছিল। খুব উজ্জ্বল, আনন্দময় ছিল সেসব দিন। কত কাজের সকাল, দৈনন্দিন খুঁটিনাটি দু’জনে মিলেমিশে করা, তাকে আস্তে আস্তে ছবি চেনানো, কত সাহিত্য পড়াল রাজর্ষি তাকে। ক্ল্যাসিক। বিজ্ঞানের লোক হলেও অক্লান্ত সাহিত্য পড়ুয়া ছিল সে। কত ভ্রমণ। খুঁটে খুঁটে ফ্রান্স দেখা। ইয়োরোপ দেখা ছিল না রাজর্ষির। আবার তার সঙ্গে ঘুরে ঘুরে দেখা। একটা অসম্ভব বন্ধুতায় পূর্ণ কানায় কানায় ভরা দিঘির মতো সম্পর্ক। নষ্ট হয়ে যায়? এসব নষ্ট হয়ে যায়? যেতে পারে? রাজর্ষি যেন আলাদা কেউ নয়, তার নিজের হাত—পা’র মতো একান্ত নিজস্ব। কেউ কি ভাবতে পারে সেই হাত সেই পা একদিন নিজ শরীরের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবে? কেউ কি ভাবে তাকে এইভাবে কেটে বাদ দেওয়া যায়? এবং তখন সে অঙ্গ এমন অসাড় যে কোনও ব্যথা লাগে না!

    তুমি একটা অলীক মানুষের সঙ্গে বাস করছিলে অদিতি। একটা ধারণার সঙ্গে, সে ধারণা মানুষটির আচরণ থেকেই তৈরি হয়ে উঠেছিল ঠিকই। কিন্তু তবু তুমি তার ভেতরে মিথ্যে মানুষটাকে দেখতে পাওনি। সবটাই মিথ্যে কি! রাজর্ষি মনীষার কাছে পরে কান্নাকাটি পর্যন্ত করে গেছে, অদিতিকে ছেড়ে সে থাকতে পারছে না। সে অদিতিকে ভালবাসে। ওটা একটা ভুল। পরিস্থিতির শিকার হয়ে পড়েছিল সে। তুই বনিকে বল, বল।

    —আমি বলতে পারব না রাজ, তুই হয়তো বাসিস, আমি তোকে বিশ্বাস করছি। কিন্তু বনি আর তোকে বাসে না। কী করবে বল। ট্রমা, একটা মারাত্মক ট্রমা ওকে তোর থেকে আলাদা করে ফেলেছে। তা ছাড়া বুঝিস না কেন, ও একেবারে অন্য রকম। সেন্ট পার্সেন্ট সিনসিয়ার, সরল, অথচ আবার এত ওস্তাদ খেলোয়াড়ও। ও বুঝতে পারে, প্রথমে না পারলেও পরে পারে। একটা গা—ছমছমে ক্ষমতা আছে ওর। তখন নিজেকে নানা কৌশলে সরিয়ে নেয়। মরে যাবে তবু মিথ্যেকে কখনও সহ্য করতে পারবে না ও। কম্প্রোমাইজ করবে না।

    তখন অদিতি শিল্পীমহলে বেশ পরিচিত নাম। কত যে গুণমুগ্ধ ছিল। প্রচণ্ড স্ক্যান্ডাল হল। সবাই ভীষণ দুঃখিত। আহত অদিতির তরফে। কেউ কেউ অবশ্য বলেছিল—এসব অদিতির বাড়াবাড়ি। এ রকম মুখ বদলানো তো মানুষ মাত্রেরই স্বাভাবিক। যা স্বাভাবিক তাকে তো স্বীকার করাই ভাল। আঁদ্রেই একমাত্র বলেছিল—ওদিৎ খাদ্য বা খাদক—জাতীয় নয়। কী করা যাবে! শি কান্ট হেল্প হারসেলফ, ক্যান শি?

    কোনও—না—কোনও মিথ্যা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে নিতে আজ সে এইখানে এসে দাঁড়িয়েছে। এই কলকাতায়, তার নিজের পোড়ো বাড়িতে, দ্বিতীয় স্বামীর মাকে শেষ শয্যায় সেবা করছে। আর তাজ বেঙ্গলের এই সজ্জিত ঘরে—এখন তার সামনে বসে তার প্রথম স্বামী আঁদ্রে বোর্দো। যার সুবাদে ‘সাহেবের এঁটো’ নামটি তার জুটেছিল! আর যার জন্য কলকাতার বিদগ্ধ কলারসিক মহলে আড়ালে মাঝেসাঝেই তার উল্লেখ করা হয় অদিতি বোর্দো গুপ্ত সরকার বলে। বস্তুত অনেক শিল্পী—দাদা ভাবেন খুব সহজেই তাঁরা অদিতি নামে মেয়েটিকে পেয়ে যেতে পারেন কেননা সে তো দু’বার বিয়ে করেছে, দু’বার বিয়ে ভেঙেছে, এবং তার সন্তানও নেই। এ অপ্সরী ক্লাস না হয়েই যায় না!

    —কী হল ওদিৎ, কোথায় বিচরণ করছ? স্মৃতিতে কি?

    —বোধহয় সত্তায়। কী হয়ে গেল, কেন হল, কী লাভ হল এসবে, মানে কী এর? খুঁজছি নিজের মধ্যে। বোধহয়। আঁদ্রে আমি ঠিক জানি না।—অদিতি হাসল।

    —ওদিৎ, আমি কিন্তু সম্প্রতি মাতৃহীন হয়েছি। আমি কি তোমার করুণা পেতে পারি না?

    —নিশ্চয়। খুব দুঃখিত আমি আঁদ্রে। তোমার কষ্ট আমি বুঝতে পারছি। আমারও মা তো আমার হাতের ওপরেই গেলেন।

    দু’জনে অনেকক্ষণ চুপ করে রইল। আঁদ্রে বলল—কষ্টটা কার জন্যে হচ্ছে বুঝতে পারি না ওদিৎ। বোধহয় স্মৃতির মা। যিনি সবুজ ঘাসের ওপর টলটল করতে করতে পড়ে গেলে ধুলো ঝেড়ে আবার তুলে দাঁড় করিয়ে দিতেন। যিনি মাঝরাত্তিরে উঠে এসে দেখে যেতেন, ছেলে ঠিকঠাক ঘুমোচ্ছে কিনা। অসুখ করলে যিনি পাশে বসে থাকতেন।

    —আমি যে মায়ের জন্য কষ্ট পাই আঁদ্রে তিনি সর্বক্ষণ আমার ভেতরে থেকে আমাকে পাহারা দিচ্ছেন। তাই আমার কিচ্ছু হয় না জানো? কিন্তু সেই মাকে যে আমি আর বাইরে দেখতে পাই না, ছুঁতে পারি না—এই কষ্টে মাঝরাতে কেঁদে উঠি। সকাল হলে আবার কাজে যাই। হইহল্লা, কাজকর্ম। এই ধরো এখন তোমাকে আনলুম—গল্প করছি এই কেমন।

    —তোমার মাঝরাত্তিরের কষ্টে আর কেউ নেই ওদিৎ?

    —স্বপ্নে আছ আঁদ্রে, কষ্টে আর নেই।

    —রাজর্ষির জন্য কষ্ট কি আমার জন্য কষ্টকে চাপা দিয়ে রেখেছে! আমি কিছুতেই বিশ্বাস করতে পারি না আমার জন্যে তোমার কোনও কষ্ট নেই।

    অদিতি সোজা হয়ে বসে অনেকক্ষণ ধরে হাসল, তারপরে বলল—কী করে বললে কথাটা, তোমরা ছেলেরা বড় ইনসেনসিটিভ।

    —কেন?

    —তুমি বুঝতে পারো না রাজর্ষি আমার অ—সুখ নয়? আনহ্যাপিনেস নয়, ও আমার এক রোগ, ডিজিজ। রোগকে কেউ মনে রাখে? রাখে, যে রোগের শিয়রে মা, তাকে নিশ্চয়ই মনে রাখে।

    —রাজর্ষি যদি তোমার মৃগী রোগটোগ হয়ে থাকে, আমি তা হলে আবার জার্মান মিজলস নই তো?

    হাসতে হাসতে কথা শেষ হল তখনকার মতো। আঁদ্রে চান করতে গেল। ঘরে খাবার আনিয়ে দু’জনে নানান গল্প করতে করতে খেল। আস্তে আস্তে বেলা পড়ে আসতে লাগল। অদিতি তার নীল ওড়না গলায় পেঁচিয়ে নিয়ে বলল—আমি চলি। মা আবার ভাববেন।

    —মা?

    —রাজর্ষির মা।

    —ও—হ।

    —আঁদ্রে, আমরা বন্ধু, কেমন?

    অদিতি তাড়াতাড়ি বেরিয়ে আসে। আঁদ্রের মুখের ছায়া সে দেখতে চায় না। আবার তা হলে সে ছায়া স্বপ্নে তাকে তাড়া করবে। আবার একটা ছায়ার ছবি! এত ছায়া—ছবি সে আঁকতে চায় না। চায়নি কোনওদিনই। তার সামনে বরাবর লাফাত ছটফটে হলুদ সকাল। পাখির গোলোকধাঁধায় উড়ে উড়ে বেড়াবার নবীন আহ্লাদ, তার সামনে ফুটে উঠত অলৌকিক গাছেরা, ঘাস ঝরত জ্যোৎস্নার মতো। নদীরা এপাশ—ওপাশ করত তার চিত্রী—চেতনায়, মজুর মেয়ের ভালবাসা আবক্ষ নুয়ে পড়ত মজুর যুবকের প্রতি। আঁদ্রে বলত, আরও অনেকেই বলত—তুমি আনন্দের শিল্পী ওদিৎ। প্যারাসলের তলায় পানরত প্যারিস নাগর—নাগরীদের চুম্বন, ভেজিটেবলসের এইসব রং, শাগালের মতো মমতাময়, কত রকম নীল তোমার সমুদ্রে তোমার আকাশে। দেখো আবার পুরোপুরি বিমূর্তে চলে যেয়ো না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleট্রেকার্স – বাণী বসু
    Next Article জন্মভূমি মাতৃভূমি – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }