Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঝড়ের খেয়া – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প272 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঝড়ের খেয়া – ১৮

    আঠারো

    —মেয়েটি তা হলে মারাই গেল? বউমা?

    —হ্যাঁ মা।

    —এইটুকুনি বয়সে…

    —কোনও কোনও সমস্যা থাকে মা মৃত্যু ছাড়া তার হয়তো আর কোনও সমাধান থাকে না। এ—ও হয়তো তেমনই কিছু।

    —সৎমেয়ে সৎমাকে সহ্য করতে পারছিল না?

    —তেমনই তো শুনছি।

    —অথচ তুমি তোমার বিশ্বাসঘাতক ছেড়ে—যাওয়া বরের মায়ের সেবা করছ। এ কি সম্পর্কে সম্পর্কে তফাত? না মানুষে মানুষে?

    —আমি জানি না মা।

    —তুমি একটু আমার কাছে সরে এসো।

    পালঙ্কের কাছে সরে বসল অদিতি যাতে উনি হাত পান। মাথায় হাত রাখলেন।—বড্ড ঘা খেয়েছ, না? মাথায় হাত বুলোচ্ছেন।

    চোখের জলে বিছানা ভিজে যাচ্ছে।

    কষ্টে প্রাণ বেরিয়ে গেছে। আঁদ্রেকে ছাড়তে, রাজর্ষির ব্যবহারে, কাঁদেনি অদিতি। মায়ের মৃত্যুর পর তিন বছর আগে তার শেষ কান্না। আর আজ এই। নিষ্পর একটা মানুষ, যার সঙ্গে মোটে দু’দিন সেভাবে দেখাশোনা। ফোনে কথা হয়েছে অবশ্য বেশ কয়েকবার। কিন্তু দেখা হয়েছে মাত্র দু’বার, কিন্তু এমন ব্যক্তিগত সংকটের মুহূর্তে, মানুষের কাছে মানুষের আর আবরু থাকে না। এই যে বিপদে, সংকটে, বেআবরু সাক্ষাৎ এবং পাশাপাশি অতি বিপজ্জনক সমস্যার মোকাবিলা করা…এতে বোধহয় পুরো এক জন্মের পরিচয় হয়ে যায়। খুব বিপদে পড়ে তো তিনি অদিতির সাহায্য চেয়েছিলেন। এবারও তো চাইতে পারতেন। অন্ধকার রাত, তারাতলার বৃক্ষচ্ছায়ায় ঝুপসি বাংলো, স্বপ্নালোকে দাঁড়িযে বলছেন—জিনিসগুলো ওকে তুমিই দিয়েছ তো। তা হলে লিখে দিতে আপত্তি কীসের?… ওর যদি কিছু হয় কাঠগড়ায় তোমাকে কী করে তুলতে হয় তা আমি জানি।

    অত শক্ত হাতের মানুষটা! রাতের পোশাক পরে উদভ্রান্তের মতো বেরিয়ে এসেছেন। ওই রকম মানসিক অবস্থায় দুরন্ত বেগে গাড়ি চালিয়েছেন, কোনও গন্তব্য ছিল না। কাগজে লিখেছিল—সান্ট্রো গাড়িটা রেড রোডে ছোটাছুটি করছিল, ছোটাছুটি? গাড়িটা নয়। গাড়ির চালকই তো সেটা। ‘ওগো শোনো, ওগো শোনো, ওগো শোনো/আছো কি বীর কোনও?’—আবেদন, এ রকম একটা মূক আবেদন কি ওঁর অস্থির উন্মত্ততার মধ্যে দিয়ে প্রকাশ পেয়েছিল। ওঁর কি একবারও মনে হল না চূড়ান্ত বিপদে উনি একজনের সাহায্য চেয়েছিলেন, একজনকে ডেকেছিলেন। সে সাড়া দিয়েছিল এক ডাকে! সম্পূর্ণ বুদ্ধিভ্রংশ না হলে এ রকম কেউ করে? কী হয়েছিল? তনিকা বলছে—মিমির সঙ্গে খুব ঝগড়া হয়েছিল, আচ্ছা, তেইশ বছরের একটা অপরিণত মেয়ের সঙ্গে ঝগড়া করে, তার ডবল বয়সি কোনও মহিলা এই রকম উন্মাদ হয়ে যাবেন?

    যত আদর করছেন মাধুরী ততই কান্না বেড়ে যাচ্ছে তার। যেন বহুদিনের অবরুদ্ধ গুমোট ভেঙে আষাঢ়ের বৃষ্টি নামল। এসব বুঝি তার জমানো ছিল। পৃথিবীতে এমন কেউ নেই, যার কাছে এভাবে কাঁদা যায় বলে। মনীষা! সে সমসাময়িক, বন্ধু, কিন্তু কঠিন, রাগী, স্বার্থপর, সে বাইরের আচরণটা অপমানটা দেখে, অপমানের উত্তরে ঘৃণা করার, ঘৃণা শেখাবার শক্তি জোগায়, আর কিছু নয়। আঁদ্রে তুমি নিজেকে প্রমাণ করতে পারোনি। মানুষের কাছ থেকে খুব বেশি দাবি করা অন্যায়, করতে নেই জানি। কিন্তু আমার মা—বাবার মতামতের আমি পরোয়া করিনি। দারুণ দুঃখ দিয়েছিলাম তাঁদের, লিখেছিলাম—মা, আমি তোমাদের একমাত্র সন্তান, তোমাদের প্রতি আমার ভালবাসায় কোনও খাদ নেই, কোনওদিন থাকবে না। কিন্তু কন্যা—পরিচয়ের বাইরেও যে আমার একটা অন্য পরিচয় আছে। অন্য জগৎ আছে। সেখানে যে আমাকে ছেড়ে দিতেই হবে। যদি ভুল করি করব, তার শাস্তিও পাব, কিন্তু সে আমার ভুল। তোমাদের নয়। ভুল করবার স্বাধীনতা আমাকে দাও মা।

    তা তাঁরা দিয়েছিলেন। না দিয়ে উপায়ই বা কী! কে তোয়াক্কা করছে স্বাধীনতা দেওয়ার বা না দেওয়ার! তাই যখন সে ভুলই প্রমাণিত হল, মায়ের কোলে মাথা রেখে কাঁদতে পারেনি, বাবাকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা চাইতে পারেনি।…তুমি কিন্তু আঁদ্রে, এই ত্যাগ করতে পারোনি। অথচ তোমার কোনও অসুবিধে ছিল না। তা ছাড়া তোমাদের সমাজে এমনিতেই প্রেম—ভালবাসা—বিয়ের ব্যাপারে কেউই মা—বাবার তোয়াক্কা করে না। কত সীমাবদ্ধ ছিল তোমার হৃদয়ের ক্ষমতা! আর রাজর্ষি! সে ঘটনার পর পাছে কেউ তাকে করুণা করে, কৃপা করে, কিংবা কৌতুক করে তাই সে কঠিন—গম্ভীর কাজে—মগ্ন ব্যক্তিত্ব নিয়ে ঘুরে বেড়িয়েছে। কেউ যেন তার ক্ষতি, তার ক্ষত দেখতে না পায়। বুঝতে না পারে! তার মন কি আর কাঁদেনি? ‘আছো কি বীর কোনও?’—এ আবেদন কি তার অন্তরাত্মা থেকেও উঠে আসেনি? সে তার গলা টিপে রেখেছে। মা তখন থেকেই অসুস্থ। বাবার মৃত্যুর শোক কাটাতে পারছেন না। মা তার কাছে কাঁদবেন, না সে মা’র কাছে? তখন তো তাকে মায়ের মা হয়ে উঠতে হয়েছে। তা ছাড়া ব্যাপারটাতে মা তার নির্বুদ্ধিতাই দেখতেন, তার বিশ্বাসের আন্তরিকতা তার মনুষ্যত্ব তো তিনি দেখতে চাইতেন না! পারতেন না!

    কোনও কোনও শোক থাকে তার এমন তাপ যে ভেতরের দীর্ঘদিনের শৈত্য গলিয়ে দেয়। হিমবাহ গলে ঝরনা হয়ে, নদী হয়ে নামতে থাকে। নিষ্পর সর্বাণীদির শোকে নিষ্পর মাধুরীর মিতবাক্য সান্ত্বনা সেই উত্তাপ। সুতরাং, অদিতি সারা জীবনের কান্না একসঙ্গে কাঁদছে।

    রাত হয়ে যাচ্ছে। একটু স্যুপ খেয়ে শুয়ে পড়েছে অদিতি। ফোনটা বাজল। মোবাইল এস.এম.এস—দিদি কাল সকালে আপনার কাছে একবার যাব। তনিকা।

    * * *

    বড় ভয়াবহ একটা স্বপ্ন দেখল অদিতি। স্বপ্ন বলে সে বুঝতেও পারেনি। প্রাণগোপালবাবু বলে একজন এসেছেন। একটা প্রদর্শনী হচ্ছে। উদ্বোধনের জন্য নিয়ে যাবেন তাকে। সে একটা জমকালো ওড়িশি সিল্ক পরেছে। শাড়িটা কিন্তু তার আদৌ নেই। কোনও ওড়িশি নৃত্যশিল্পীকে এই শাড়িতে দেখেছিল বোধহয়। কেমন চোখে লেগে গিয়েছিল। এ শাড়িটা তার সংগ্রহে কী করে যে এল! নীল রং, হালকা, তাতে লালচে পাড়, বমকাই কাজের। অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাচ্ছে তাকে। কেন? ওদের কি আর গাড়ি নেই? সেই অ্যাম্বুলেন্সটা না? যেটা বাঁকুড়া থেকে মাধুরীকে এনেছিল? একটা প্রাসাদের সামনে গাড়ি থেমে যায়, সে নামে, সঙ্গে সঙ্গে স্ট্রেচারে করে প্রাণগোপালবাবু। আশ্চর্য! নেমেই সটান উঠে দাঁড়ান। ভেতরে ঢুকছে। আরে এ যে সেই ফরাসি শাতো! উঁচু উঁচু ওক কাঠের প্যানেল, তার ওপর ছবি, পাথরের মেঝেতে এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত কার্পেট।

    —বেসমেন্টে।

    —বেসমেন্ট!

    —হ্যাঁ।

    একটা সংকীর্ণ সিঁড়ি দিয়ে নামছে সে, পেছনে আলো হাতে প্রাণগোপালবাবু। বেসমেন্ট টেন্ট নয়, এটা একটা অন্ধকুঠি। সেলার—জাতীয়—তবে তার চেয়ে অনেক বড়।

    সামনে আঙুল দিয়ে দেখালেন। ঘরের মধ্যে ইতস্তত ছড়ানো আছে চৌকোনা কতকগুলো বাকস। সাদা কাপড় দিয়ে পরিষ্কার করে মোড়া। সে গিয়ে খুলছে—ভেতরে একটা ভাঁজ—করা শব। ঠিক যেভাবে শাড়ি ভাঁজ করা হয় আঁচলটা ওপরে রেখে! মুখটা ওপরে রেখে পুরো শরীরটা তেমনি ভাঁজ করা রয়েছে। পেট বুকের ওপর পা দুটো তারপর ওপর থেকে পাটে পাটে নেমে এসেছে হাত। সমস্ত বাকসগুলো খুলে গেছে। প্রত্যেকটাতে একটা করে শব আলাদা আলাদা লোকের। আঁদ্রের, মাধুরীর, তনিকার, অনোহিতার, মায়ের, বাবার…চেহারাগুলো ঠিক ওদের নয়, তবু সে জানে ওদেরই। তার শরীর ভয়ে কেমন—কেমন করছে, একটা চিৎকার করল, চিৎকার ফুটল না। জেগে উঠল, জল খেল অনেকটা। কী অদ্ভুত স্বপ্ন! সুররিয়্যালিস্ট ছবির মতো! দালি কি এই রকম স্বপ্ন দেখেই ছবি আঁকতেন?

    চুপচাপ শুয়ে রইল বিছানায়। ঘুম আর আসবে না। জানলা দিয়ে দক্ষিণ আকাশে তাকাল, ওইখান দিয়ে ফুটতে দেখবে ভোরের আলো। একদা বাবা বলেছিলেন—কী রে ঘুমের মধ্যে চেঁচাচ্ছিলি? কী স্বপ্ন দেখছিলি?

    —বাবা, দেখলুম—তুমি আর মা মরে গেছ! আমার ভয় করছে। ভীষণ…

    দূর পাগল, কারও সম্পর্কে খারাপ স্বপ্ন দেখলে কী হয় জানিস তো?

    —কী?

    —যার সম্পর্কে খারাপ দেখলি—তার ভাল হয়, উন্নতি হয়।

    * * *

    ঘুমিয়ে পড়েছে সে। মানুষের শরীরে মনে আর কত সয়। বাবা চলে গেছে। তাকে একটা কথাও বলে যায়নি। হয়তো আর ফিরবে না। হয়তো লন্ডনের শাখাতেই থেকে যাবে এবার থেকে। টাকা পাঠাবে কি? বোধহয় পাঠাবে না। এখানে তার দুটো জয়েন্ট অ্যাকাউন্ট আছে। একটা মায়ের সঙ্গে, আরেকটা…আরেকটা আন্টিমাসির সঙ্গে…। পঞ্চমীদিকে কিছুতেই ধরে রাখা গেল না। তনিকা কাল নিমডি যাবে। পুরুলিয়ার বর্ষা দেখতে। আঁকতে যাবে, সবাই। ‘চিত্রভানু’র। চলে গেছে। তনিও বোধহয় চলে গেছে। এত বড় বাড়িটাতে সে একা। মেজানিনে খালি বিশ্বেশ্বর থাকে, তাদের ড্রাইভার। ঘুম যদি বা আসে, ছেঁড়া ছেঁড়া স্বপ্ন দেখে সে।

    একটা পথ দিয়ে যাচ্ছে। এমন চকচমকে পথটা যে তলায় আয়নার মতো তার ছায়া পড়েছে। হঠাৎ দেখে সে সমুদ্রের মধ্যে এসে পড়েছে। পথটা ভেসে আছে…দু’পাশে ঢেউ, যতদূর দেখা যায় জল। ক্রমশ সরু হয়ে যাচ্ছে পথটা। সে জলের মধ্যে পড়ে গেল। প্রাণপণে সাঁতরাতে চেষ্টা করছে কিন্তু কোনদিকে যাবে? চারিদিকে শুধু জল, শুধু জল। হাবুডুবু খেতে খেতে সে উঠে বসল। জল খেল। টয়লেট গেল। ওপরের লাউঞ্জের এক কোণে বাবার সেলার। খোলা। খুঁজে পেতে এক বোতল হুইস্কি পেল। ঢালল গ্লাসে, একটু চুমুক দিল। মুখটা কড়া ওষুধ—ওষুধ স্বাদে বিকৃত হয়ে গেল। এভাবে হুইস্কি খেতে সে অভ্যস্ত নয়। সে খায় ওয়াইন, কিংবা ককটেল। বেসিনের মধ্যে ঢেলে দিল হুইস্কিটা। ফিরে দাঁড়াল।

    বিশেষ কিছু খায়নি রাতে। পেটের ভেতর থেকে একটা টক জল উঠে আসছে। গা গুলিয়ে উঠল। ফ্রিজ খুলে আইসক্রিম বার করল। খেতে খেতে গা—বমি ভাবটা কেটে গেল। ফিরে দাঁড়িয়েই সামনে ছবি। সমুদ্র, সমুদ্রতটে বালির ওপর হাওয়া খেলে গেছে, ছোট ছোট অসমান ঢেউ উঠেছে, একদিকে একগুচ্ছ পাম গাছ। একটা পোস্টার এটা। আরেক দিকে আর একটা ছবি, একটা বিরাট গাছের গুঁড়ি চারপাশে হলুদ হলুদ ফুল ঝরে রয়েছে, কেমন মোটা পাপড়ির হালকা হলুদ ফুলগুলো। একটা টকটকে লাল মগ। একবোঝা কলার থোড়ের খোলা, একটা পাখির বাসা। এটা তনি দিয়েছিল বেশ কিছু কাল আগে। অনেকক্ষণ ধরে ছবিটার দিকে তাকিয়ে থাকে সে, শূন্য চোখে। উঠে পড়ে। সব আলো জ্বেলে দেয়, নীচে নামে। মায়ের ঘর। সর্বত্র উজ্জ্বল কমলারঙের পরদা দুলছে। মেঝেটা অনেককাল পরে ঝকঝক করছে, আসবাবগুলোতে পালিশ। আলো পিছলে পড়ছে। মায়ের ঘরে একটা গেরুয়া রঙের কার্পেট পাতা, বিছানায় চিত্রবিচিত্র জাজিম। ড্রেসিংটেবিল একইভাবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। খালি তার বুকে কোনও বস্তু নেই—ট্যালকাম পাউডার, কিংবা ও ডি কলোন, পার্ফুম মাখত না মা। একদিকে দেরাজ। এর ভেতরেই মায়ের জামাকাপড় সব থাকত। দেরাজটার ওপর তিনটে ছবি। একটা সে খুব ছোট্ট, স্বগীয় শিশু একটা স্বর্গীয় হাসি হাসছে। আর একটা মা আর আন্টি মাসি, মা বসে মাসি দাঁড়িয়ে, দু’জনে দু’জনের দিকে তাকিয়ে হাসছে, এটা মায়ের কলেজ—দিনের ছবি। মা কী সুন্দর এক তরুণী, তারই মতো বয়স হয়তো তখন, কিংবা আরও ছোট। দেখাচ্ছে একেবারে রোম্যান্টিক। আর আন্টি, সতেজ, সজীব, শক্তি আর স্ফূর্তির গাছ যেন একটা। তৃতীয় ফটোটা তাদের পুরো পরিবারের। পেছনে বাবা দাঁড়িয়ে পাঞ্জাবি পরা। কাঁধে লম্বা উত্তরীয়। তখনও বেশ পেটা ছিল চেহারাটা। বসে, খুব কাছাকাছি মা আর মাসি, দু’জনের মাঝখানে দাঁড়িয়ে সে। মাসির কোলে হেলান নিয়ে। সাত—আট বছর বয়স বোধহয়।

    মা—মাসির ছবিটা তুলে নিল সে। মায়ের বিছানায় শুয়ে পড়ল। ছবিটা দু’হাতে করে দেখছে। কিচ্ছু ভাবতে পারছে না। শুধু দেখছে নির্নিমেষে। কী দেখছে মাকে, মাসিকে? না বন্ধুত্বকে? এত বিশ্লেষণ করবার ক্ষমতা তার নেই। দেখতে দেখতে আবার কখন চোখ জুড়ে এসেছে।

    একটা বিরাট মুখ। এমন মুখ কখনও দেখেনি সে। কী রকম একটা আক্রমণের ভঙ্গি করল মুখটা সঙ্গে সঙ্গে সে যেমন আছে তেমন বেরিয়ে গেল। ড্রয়ার থেকে বাড়ির চাবিটা নিল। সে একটা গাড়িতে বসে। গাড়ি চালাচ্ছে। নাইট ড্রেস পরে। চালাচ্ছে দিশেহারা আতঙ্কে। যতটা জোরে সে চালাচ্ছে তার চেয়েও জোরে চলছে গাড়িটা। গাড়িটার ওপর কোনও নিয়ন্ত্রণ নেই তার। হুড়মুড় করে চলেছে ভীষণ বেগে, একটা জোর ধাক্কা খেল। তার সামনে পড়ে আছেন অদিতি সরকার। চোখ দুটো বড় বড় হয়ে গেছে। সে চিৎকার করল—আন্টিমাসি!!! আন্টিমাসিই!!!

    উঠে বসল। ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদল কিছুক্ষণ। …চেম্বারটার ভেতরে গনগনে আগুন। শিখা নেই। শুধু আগুনে আলো। ঢাকাই শাড়ি—পরা ওঁর শরীরটা ঢুকে গেল। দপ। শাটার পড়ে গেল। সে দেখল, মা—মাসির ছবিটা মাটিতে পড়ে গেছে। ইশশ, যাঃ। খুব সাবধানে পা ফেলে ফেলে চটি পরল, ঘরের কোণ থেকে ঝাঁটা নিয়ে কাচগুলো জড়ো করে তুলল। তারপর সেগুলো ওয়েস্ট বাস্কেটে ফেলে দিল। ছবিটা মুছে দেরাজের ওপর রেখে দিল। তারপর আস্তে খুব আস্তে মোবাইলটা তুলে নিল।

    * * *

    সাড়ে ছটা মতো বাজে। অদিতি মুখ ধুয়ে নিয়েছে। চুলে একটু চিরুনি চালিয়ে হাউসকোটটা গলিয়ে নিয়েছে। বসবার ঘরে বসেছে, সামনে চায়ের পট, এখনও সে হাত দেয়নি। একবার ঘড়ি দেখল। এইবার বাজছে। বেল। শীলাদি বলল—বোসো বউমা, আমি খুলে দিচ্ছি।

    ঘরে এসে ঢুকল অনোহিতা। একটা জিনসের ওপর আলগা একটা টপ পরেছে। মুখে যেন এখনও জল চকচক করছে। খুব শান্ত মুখটা। কোনও ধার নেই। কেমন অবর্ণনীয়। দু’পাশ দিয়ে চুল ঝুলে আছে।

    —বোসো।

    —দিদি আমি মাসিকে খুন করেছি। আমি পুলিশের কাছে যাব। ধরা দেব।

    —কী বলছ?

    —হ্যাঁ এমন কথা মাসিকে বলেছি যে মাসি পাগল হয়ে গিয়েছিল। তার চোখ দিয়ে টপ টপ করে জল পড়ছে।

    —কী বলেছিলে অনোহিতা?

    —বলেছিলাম—তুমি মাকে খুন করেছ অক্সিজেন মাস্কটা খুলে, মা মরে গেলে আবার পরিয়ে দিয়েছিলে কিছুক্ষণ পর।

    চমকে অদিতি বলল—কোনও কারণ ছিল বলার? এ কথা কেন মনে হল তোমার?

    —একটা আক্রোশে বলেছি। টিভি. সিরিয়ালে দেখায় না? আমার মা অপারেশন টেবিলেই মারা যায়।

    —আক্রোশ? আক্রোশ কীসের?

    —আমি জানি না। আন্টিমাসিকে আমি খুব ভালবাসতাম। কিন্তু আমার বাবার পাশে—সহ্য করতে পারিনি। রাগ হত ভয়ানক।

    —মাকে পারতে? সহ্য করতে?

    —বোধহয় পারতাম না। ভাল লাগত না। বোধহয়।

    —তা উনি যখন জানেন কথাটা মিথ্যে এবং তুমি ওঁকে এত…ট্রাবল দিচ্ছ…দিয়েই তো যাচ্ছ… উনি ও রকম জ্ঞানহারা হয়ে গেলেন কেন?

    —আমি একেবারেই বুঝতে পারিনি…অমন হবে। আসলে মাসি মাকে যত ভালবাসত অমন আর কাউকে বাসত না। মা—ও তাই। অদ্ভুত একটা লয়্যালটি। আমি জ্ঞান হয়ে থেকে দেখছি।

    মুখ নিচু করল সে—একটু পরে মুখ তুলে বলল—মা আর মাসি যেন যমজ। মাসি খুব স্ট্রং ছিল। আমি বুঝিনি ওই কথায় মাসির…অমন লাগবে। আমি বুঝিনি…। আমার থানায় যেতে খুব ভয় করছে। আপনি একটু সঙ্গে যাবেন?

    —চা নাও। এক কাপ সে এগিয়ে দিল অনোহিতার দিকে।

    —নাও! বসে থেকো না।

    কাপটা তুলে নিল, আঙুলগুলো কাঁপছে। কোনওক্রমে মুখে ঠেকাল। তারপর নামিয়ে রাখল।

    —বাড়িতে এখন কে কে আছেন?

    —কেউ নেই। বাবা লন্ডনে চলে গেছে। আমাদের লোক পঞ্চমীদি চলে গেছে। ক’দিন সারারাত আমি বাড়িতে একা কাটিয়েছি। পঞ্চমীদি চলে গেল তো!

    —খাওনি?

    —হ্যাঁ, ফ্রিজে রুটিমাখন ছিল, আইসক্রিম—খেয়েছি।

    —তুমি রান্না করতে পারো না?

    —পারি। কিন্তু এখন পারছি না।

    —অনোহিতা, একা বাড়িতে ফিরে গিয়ে তোমার কাজ নেই। এখন। তুমি বরং বাবাকে ফোন করে জেনে নাও কবে আসবেন। ততদিন অন্য কোথাও—একটু হালকা সুরে বলল অদিতি।

    —বাবা আসবে না। আমাদের কাউকে না বলে চলে গেছে। আমার কেউ নেই কলকাতায়। বাবার খুড়তুতো ভাই থাকেন হুগলিতে। ওঁরা জানেনও না খবরটা।

    —আত্মীয়স্বজনকে খবর দাওনি?

    —কোথায় আত্মীয়? মামার বাড়িতে তো দাদু দিদা নেই। আন্টিমাসির কারা যেন থাকেন কোথায় কোন দেশের বাড়িতে। নদিয়ার দিকে। খুব অসুস্থও। ওঁদেরও কোনও খবর…এক যদি কাগজ দেখে।…

    —শোনো,—বাবাকে ফোন করো। যতদিন না আসেন আমার কাছে থাকো।

    —আমাকে থানায় যেতে হবে না?

    —না, ও কেস ক্লোজড হয়ে গেছে। শোনো তুমি একটু কিছু খাও, তারপর বাবাকে…

    —বাবাকে ফোন করার আমার সাহস নেই দিদি। তার গলা মৃদু, তাতে শীত লাগার কাঁপন।

    —আচ্ছা আমি যোগাযোগ করছি। আমাকে দাও নম্বরটা। শোনো, কিছু খাও। কী খাবে। বলো? আইসক্রিম?

    পুতুলের মতো ঘাড় নাড়ল মেয়েটি।

    সে আইসক্রিম কেটে এনে ওর সামনে রাখল।

    একটু একটু করে খেল। খেয়ে নিল।

    —এবার একটু ঘুমোও, হ্যাঁ!

    —ঘুমোব? এখন তো সকাল!

    —ঘুমোচ্ছ না তো কদিন, একটু ঘুম দরকার।

    —ওষুধ দেবেন? ঘুমের?

    —হ্যাঁ, দাঁড়াও…

    সে মাধুরীর ঘর থেকে ওষুধ নিয়ে এল।

    —তুমি দেখে নাও অনোহিতা কী দিচ্ছি। এই যে অ্যালজোলাম। মোটে .5। খেয়ে ঘুমোও। চলো। সে নিজের ঘরের একটা খাটে ওকে শুইয়ে দিল। পরদা টেনে অন্ধকার করে দিল ঘর। একটা সেতার চালিয়ে দিল বিলায়েৎ খানের। পাশে বসে রইল অনেকক্ষণ। যতক্ষণ না ঘুমিয়ে পড়ে।

    তারপর ঘর থেকে বেরিয়ে এসে তনিকাকে একটা ফোন করল।

    —তনিকা শোনো তোমার পুরুলিয়া যাওয়া হচ্ছে না। চলে এসো আমার এখানে। এখুনি।

    তারপর লন্ডনের নম্বরটা টিপল।

    এখন মাঝরাত, কিন্তু কী করা যাবে?

    —হ্যালো, কে বলছেন? ভারী, বিরক্ত কন্ঠ।

    —আমার নাম অদিতি সরকার, আমি সর্বাণীদির বন্ধু।

    —বলুন।

    —আপনার মেয়ে খুব অসুস্থ।

    —কী হয়েছে?

    —মানসিকভাবে। অনেকদিন ধরেই ওর এই মানসিক প্রবলেমটা—আপনারা কেউ কেন লক্ষ করেননি জানি না। কবে আসবেন জানান। যত শিগগির সম্ভব। ততদিন আমি রাখছি। আমার নম্বরটা নিন। কাইন্ডলি প্রতিদিন ফোন করবেন, যতদিন না আসছেন। নম্বর বলে সে ফোন নামিয়ে রাখল।

    এমনিতেই আজ ‘চিত্রভানু’ যাওয়ার ছিল না। ওরা নিমডি যাবে পুরুলিয়া এক্সপ্রেসে, বর্ষার দলমা দেখবে, আঁকবে। কোথায় একজন ডাক্তার পাওয়া যায় এক্ষুনি? একজন মনোবিদ! কুসুমজি একজনের কাছে কাউনসেলিংয়ের জন্য যেতেন। প্রথম প্রথম প্যারালাইজড হয়ে যাবার পর। এখনও বোধহয় মাঝে মাঝে যান। কাউনসেলিং। ঠিক ডাক্তার তো নয়। সে বুঝতে পারছে না, মনোবিদদের কাছে যেতে হবে কিনা। এঁদের আবার একটু ভয়ই করে। একগাদা ট্র্যাংকুইলাইজার… দিয়ে…দিয়ে…। তেমন রিসক সে নিতে পারে না ওর বাবা না আসা পর্যন্ত। দুঃখের বিষয়, ওর বাবার ওপরও তেমন ভরসা করা যায় না। যিনি একমাত্র মেয়েকে অমন ট্রমার মধ্যে ফেলে, কথা নয়, বার্তা নয়, বিদেশ চলে যেতে পারেন তিনি কতটা পরিণতমনস্ক, ঘোর সন্দেহ আছে। পুরো বাড়িটাতে একমাত্র ম্যাচুয়োরিটি ছিল সর্বাণীদির। তিনি হঠাৎ এমন লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়ে গেলেন? ওঁর উচিত ছিল এর গালে কষে একটা থাপ্পড় কষানো। উনি তো নিজে শিক্ষকও ছিলেন, ছোট্ট থেকে দেখে আসছেন ওর যা কিছু নষ্টামো। আপাতদৃষ্টিতে শান্ত, শক্ত, বলিষ্ঠ ব্যক্তিত্বের আড়ালে কোথায় ছিল এই দুর্বল চিত্ত? এ কেমন বন্ধুত্ব যা উটকো দোষারোপে এমন ক্ষিপ্ত হয়ে যায়। খুব জটিল—এ মনস্তত্ত্ব। সে সামান্য সংশয়ে ভোগে, কিন্তু স্থির আঙুল কিছুর ওপর রাখতে পারে না।

    —কী ব্যাপার দিদি? শৌনক ঢুকল প্রথমে। পেছনে পেছনে তনিকা।

    —আস্তে শৌনক, আস্তে।

    —খ খী ব্যাপার?—শৌনক ফিসফিস করে বলে আবার।

    —তনিকা, তুমি না ওর বন্ধু! ওকে একা ফেলে কী করে চলে এলে?

    —কেন? কী হয়েছে দিদি?—তনিকার চোখে উদ্বেগ।

    —হতে পারত। হতে পারত ভয়ানক কিছু। এখনও আমার ঘরে ঘুমোচ্ছে। থাক এখানে কিছুদিন, তুমি এক কাজ করো। ওর ব্যাগ থেকে বাড়ির চাবিটা নিয়ে চলে যাও। সব বন্ধটন্ধ করে চলে এসো। কেউ নেই ওখানে!

    —কেউ নেই? পঞ্চমীদি? বিশ্বেশ্বররদা?

    —পঞ্চমী মেয়েটি নেই, বিশ্বেশ্বরদা কী ভাবে থাকে আমার জানা নেই।

    —ও মেজানিনে থাকে দিদি। নিজেই রান্না করে খায়।

    —বিশ্বাসী?

    —তাই তো জানি।

    —ঠিক আছে তোমরা দু’জনে চলে যাও, সব ঠিকঠাক করে ওর কিছু জামাকাপড় চাবিটাবি নিয়ে চলে এসো।

    নিচু হয়ে অনোহিতার ব্যাগ থেকে চাবি নিতে গিয়ে, তনিকার ঝোলা থেকে একটা ব্রাউন রঙের শক্ত মলাটের ডায়েরি পড়ে যায়। তনিকা তুলে নিতে গেলে অদিতি বলল—থাক, ওটা থাক, অনোহিতার, না?

    —হ্যাঁ, মুখ নিচু করে রইল তনিকা, ইতস্তত করে অবশেষে বলেই ফেলল—দিদি আমি তো ওর বন্ধু, আমার কাছেই থাক না ওটা।

    —বন্ধু তো আমিও হতে পারি!

    —দিদি ওটা আপনি…পড়বেন…না।

    —সে আমি বুঝব। তোমরা চলে যাও।

    ডায়েরিটার দিকে ভীত করুণ চোখে চেয়ে চলে গেল তনিকা, পেছন পেছন শৌনক। অদিতি তুলে নিল ডায়েরিটা।

    দু’জনের আসা এবং চলে যাওয়ার ধরন দেখে কেমন মনে হল, ওদের মধ্যে একটা নতুন সম্পর্কের বীজ উপ্ত হয়েছে। কাছে আসুক, দুঃখে, বিপদে, নিজেদের যদি না—ও হয়, অন্যের। তবে হয়তো শক্ত হবে পরিচয়ের ভিত। কারও কারও চারপাশ অনেকে থাকে, অথচ সত্যিকার কেউ থাকে না। যেমন অনোহিতা। কারও আবার আশেপাশে কেউ না থাকলেও সম্পর্ক তৈরি হয়ে যেতে থাকে। একটা সমঝোতা। যেমন তনিকা।

    ডায়েরিটা সে ওলটায়। উলটেপালটে দেখে। এই মুহূর্তে কেউ নেই। কী এমন লেখে ও!

    * * *

    —আর এর সঙ্গে হলদিয়া গিয়েছিলাম। দারুণ কাটল। এই আমার প্রথম সেক্স। আরও অনেকবার চান্স এসেছে। হতে হতে হয়নি। আরমান দারুণ। আমি জিজ্ঞেস করলাম—অভিজ্ঞতা আছে নাকি রে?

    —তুইও যেমন—এসব ইনস্টিংট। অভিজ্ঞতা লাগে নাকি?

    —বাজে কথা ছাড়। যা জিজ্ঞেস করছি তার উত্তর দে। অভিজ্ঞতা আছে কি না? ইয়েস অর নো।

    —আমার তো মনে হচ্ছে তোরই অভিজ্ঞতা আছে।

    —উলটো চাপ দিচ্ছিস। তবে রে?

    আমাদের ঝগড়াটা অবশ্য আর একটায় শেষ হল। ও বলল—তোর মধ্যে থেকে তোদের ঠানদিরা কথা কয়ে উঠছে কেন? যদি অভিজ্ঞতা থাকে, তোর কি আমার, কী এসে যায়? মোদ্দা কথা আমরা পরস্পরকে এনজয় করছি কি না।

    ধুর—সো—কলড ঠানদি কিনা জানি না। আমার মুডটাই নষ্ট হয়ে গেল। আরমান আমার। অন্য কারও হবে কেন?

    * * *

    আসল মজা, মজার মতো মজা কাকুর সঙ্গে। হি ইজ ফান। এই দেখছ ছবি আঁকছে। ন্যুড হয়ে বোস তো। হ্যাঁ এইভাবে। পায়ের ওপর পা ক্রস কর। দু’হাতে পেছন দিকে ভর দে। আঁকার প্রথম স্কেচটা হয়ে গেলেই হামাগুড়ি দিয়ে এগিয়ে আসবে। বুড়ো একটা। কিন্তু দুর্ধর্ষ সেক্সি। তবে কাকু বোধহয় ইমপোটেন্ট। দুটো ধেড়ে ধেড়ে ছেলেমেয়ে আছে, ওর বউটা যা খেপি! মনে হয় ও ইমপোটেন্ট হয়ে গেছে ইদানীং। ব্যাড লাক।

    অদিতি ডায়েরিটা বন্ধ করল। ড্রয়ারের মধ্যে রেখে চাবি দিল।

    ঘুমন্ত মানুষকে বড় নিষ্পাপ দেখায়। তাকিয়ে তাকিয়ে দেখে। আঁটো জিনস পরেই ঘুমিয়ে পড়েছে। বালিশের ওপর মুখটা এক কাতে ঝুলে পড়েছে, তাতে দেখাচ্ছে আরও অসহায়। করুণা জাগায়। কে জানে, হয়তো এই রূপটাই সত্য। ঘুমের মধ্যে যা দেখায় তা—ই তার আসল পরিচয়। স্বপ্নে। ভয়ের, ভালবাসার, উদ্বেগের, কষ্টের এই অনুভূতিগুলোই মানুষের আসল। বাইরে অপরিচিত পৃথিবী তার জটিল সমাজ, প্রশাসন, পারিবারিক দাবি সমস্ত নিয়ে আক্রমণ করে। তখন আসল মানুষটা কুঁকড়ে যায়, বিকারগ্রস্ত হয়ে যায়। শুধু স্বপ্নে বাঁচে। সুস্বপ্নে এবং দুঃস্বপ্নে। সেই বাঁচা ফুটে ওঠে ঘুমন্ত মানুষের মুখের আদলে, শরীরের সমর্পিত শিথিলতায়।

    ওর একটা হাত ঝুলছিল। খুব সাবধানে তুলে দিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleট্রেকার্স – বাণী বসু
    Next Article জন্মভূমি মাতৃভূমি – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }