Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঝড়ের খেয়া – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প272 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঝড়ের খেয়া – ২০

    কুড়ি

    মেয়েটাকে বোঝবার একমাত্র চাবিকাঠি তা হলে কি এই ডায়েরিটা? সাইকিয়াট্রিস্ট বলেছেন এটা একটা পার্সন্যালিটি ডিজঅর্ডার। ওকে কতকগুলো সিটিং দিতে হবে অ্যানালিস্টের কাছে, যদিও এখন রেজিস্টার্ড অ্যানালিস্টের খুবই আকাল। ওর ভেতর থেকে লুকোনো কথাবার্তা অনুভূতি বাসনা কামনা সব নাকি বেরিয়ে আসবে, তাতেই সবচেয়ে উপকার। কিন্তু এই ডায়েরিতে তো ও সব প্রকাশ করে ফেলেইছে। খুবই ইনটারেস্টিং ডায়েরি। আঠারো বছর বয়স থেকে বোধহয় লিখছে। অনিয়মিত। যখন কোনও কিছু বলবার ইচ্ছে হচ্ছে, ডায়েরির সঙ্গে কথা বলছে। সে অনোহিতার ডায়েরিটা ড্রয়ারে কাগজপত্রের তলায় রেখে চাবি দিয়ে দিল। তারপর আর একটা ড্রয়ার খুলল। ছাত্রছাত্রীরা, ডাক্তার, ক্রেতারা নানা রকম টুকটাক জিনিস উপহার দিয়ে থাকেন। টেবিল ক্যালেন্ডার আর ডায়েরির তো পাহাড়। বেশিরভাগই সে বিলিয়ে দেয়। কিছু থাকে। একটা ভাল দেখে ডায়েরি সে বার করল। গাঢ় নেভি ব্লু মলাট। স্পঞ্জ দেওয়া। বেশ হ্যান্ডি। ঝোলার মধ্যে ঢুকিয়ে নেওয়াই যায়। ভেতরে লিখল—অনোহিতাকে—অদিতিদি, জন্মদিনে। খাটের পাশের সাইড টেবিলে রেখে দিল, পাশে নিজের একটা খুব ভাল পেন। এটা দিয়েছে আঁদ্রে। রেখেই মনে হল আঁদ্রের দেওয়া কলম সে উপহার দিয়ে দিল? তবে কি আঁদ্রের সম্পর্কে তার কোনও অধিকারবোধ নেই? অধিকারবোধ ছাড়া পৃথিবীর ভালবাসা দাঁড়ায়?

    কেন যে এ রকম হয়! এ রকম হচ্ছে কেন? যে বিশ্বাসের জায়গাটা আঁদ্রে হারিয়েছে, সেটা কিছুতেই ফিরে পাচ্ছে না কেন? তার ভেতরটা এত কেন ঠান্ডা? গতকাল খুব মুখ চুন করে সে চলে গেল। অদিতির বুক ফেটে যাচ্ছিল। আঁদ্রেকে সে এত বন্ধুত্বে পেল এ ক’মাস আর এর আগে পেয়েছে এত করুণায় যে আঁদ্রে ওদিত বলে এসে দাঁড়াবে না, তার দায়িত্ব এই মেয়ে দুটিকে নিয়ে ঠাট্টা—তামাশা, আলোচনা এসব করবে না, বেড়াতে যাবে না, ‘চিত্রভানু’তে তার ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে ওয়র্কশপ করবে না, প্যারিসের দীর্ঘদিনের সাঁল ঐতিহ্য, মঁমার্ত ঐতিহ্য, তার সঙ্গে জড়িত চিরায়ত সব শিল্পীদের বিশেষত্ব, তাঁদের জীবন নিয়ে দীর্ঘ দীর্ঘ সে সব সেশন। মাতিস দেখাতে এসে সে একমাসের জায়গায় আড়াই মাস কাটিয়ে গেল! এই ক’মাসে তার কত অজানা দিক অদিতি জেনেছে। যেমন সে অনেক অনেক পরিণত। অনেক শিখেছে। জীবিকার সঙ্গে তার সম্পর্ক এমন হয়ে দাঁড়িয়েছে যে সেখানে সে প্রায় জ্ঞানতপস্বী, বিশেষজ্ঞ, ভালবাসা ও সংরাগে সে ছবির জগৎকে দেখে। এবং জিফ—সুর—ইভেৎ—এ তার শাতো, তার আপেলবাগান, কমলাবাগান, তার বোর্দোর বিষয়সম্পত্তি, সবই এখন শিল্পের সেবায় নিযুক্ত।

    ওই বাগানে সেবার অতিরিক্ত ফলন হয়েছিল। তার মনে পড়ে। অদিতি, মনীষা গিয়েছিল। ছিলেন আঁদ্রের মা, বাবা আরও তার অনেক কাজিন। তখন তো আঁদ্রে শুধুই এক সদ্য—যুবক, প্যাংলা চেহারা, দাড়ি অল্পস্বল্প, ছাঁটে না, নীল চোখ দুটো একেবারে নিষ্পাপ। অদিতি মনীষা আরও ছোট। মনীষা ধারালো সুন্দরী। পাতলা শাণিত নাক, শাণিত চোক, পাতলা ঠোঁট, ও যেন কতকটা ইরানিদের মতো দেখতে ছিল। আর অদিতি? নিজেকে তো নিজে দেখা যায় না, সে ছিল শ্যামলা, ছিপছিপে, নেহাত কিশোরী—কিশোরী চেহারার। মাথায় তখন লম্বা চুল, একটা কিংবা দুটো বিনুনি করত। খুব সাজুনি ছিল বলেই আয়নায় নিজের ছায়াটা তার মোটামুটি মনে আছে। ফটোর সাহায্য লাগছে না। সে একটা ছোট্ট টিপ পরত। বিন্দুর মতো। সেটা তার ফরাসি বন্ধুদের খুব পছন্দ ছিল। নিজের মুখে আলাদা করে তেমন কোনও সৌন্দর্য সে দেখতে পেত না। লিপস্টিক লাগাবার সময়ে বুঝত ঠোঁট দুটো খুব করুণ, কেন কে জানে, এমন মনে হত। চোখে কাজল দেবার সময়ে দেখত সমঝদারি জ্বলজ্বল করছে তাতে, তীক্ষ্নতা ও অভিনিবেশ। ওরা বলত সে নাকি খুব ব্রাইট লুকিং, উজ্জ্বল, দীপ্ত কিন্তু সেই সঙ্গে মধুর। আঁদ্রেদের আপেলবাগানে সেবার সবাই মিলে আপেলগুলোর সদগতি করতে লেগে গিয়েছিল। কেননা ফ্রস্টে সব নষ্ট হয়ে যাবে। জ্যাম হচ্ছে, মোরব্বা হচ্ছে, সে এক কাণ্ড। সে খুব সাড়া জাগিয়েছিল, কেন তাও জানে না। আঁদ্রের এক মাসতুতো বোন বলেছিল—তোমার কী সুন্দর গায়ের রং, কী মখমল কোমল। আঁদ্রের মা—বাবাও খুব সুন্দর ব্যবহার করেছিলেন। বোঝা যাচ্ছিল খুব পছন্দ করছেন। সেই তাঁরাই…। যে সর্বাণীকে সে অত ভালবাসত—তাঁকেই মা হিসেবে একদম নিতে পারল না অনোহিতা। অধিকারবোধ যেমন ভালবাসার একটা বৈশিষ্ট্য, তেমন কি ঘৃণারও? অপছন্দেরও? সর্বাণী কি চলে গেলেন অনোহিতার সমস্ত বিকার, অসুস্থতা সঙ্গে নিয়ে? আঁদ্রের মা কি চলে গেলেন অদিতির পথ পরিষ্কার করে? আঁদ্রের মায়ের জন্যে বড্ড খারাপ লাগছে। মা—বাবাদের সঙ্গে সন্তানদের ব্যক্তিগত সুখের এত বিরোধ কেন? তার মা—বাবাও বড্ড কষ্ট পেয়েছিলেন। একমাত্র মেয়ে, বড় আদরের। সে বিদেশে বিদেশি বিয়ে করল মানেই সে নিজেও বিদেশি হয়ে যাবে, তার সন্তানরা হবে বিদেশি। বয়স হলেই মানুষ পরিচিতের গণ্ডির বাইরে দিশাহারা হয়ে যায়। সে বেশ দৃঢ়ভাবেই জানিয়ে দিয়েছিল সে আঁদ্রেকেই বিয়ে করবে। কত কষ্ট না জানি মা—বাবা পেয়েছিলেন। কিন্তু ধীরে ধীরে সয়ে যায়। আঁদ্রেকে নিয়ে সে যখন এক বছরের মাথায় এল, তার ব্যবহারে এবং অদিতির প্রতি তার ভালবাসায় বাবা—মা খুবই গলে গিয়েছিলেন। আঁদ্রে আবার মাকে সান্ত্বনা দেয়—আপনি মনে করেছেন এখানেই থাকবেন? তা হবে না—আপনাদের আমরা নিয়ে যাব, এখানেও থাকবেন, ওখানেও থাকবেন। আঁদ্রের সঙ্গে বিচ্ছেদের কথা সে মা—বাবাকে জানায়ইনি। তারপর রাজর্ষির সঙ্গে বিয়ের সময়ে অগত্যা জানাতেই হয়। কী যে মলিন হয়ে গিয়েছিল মা—বাবার মুখ। আর রাজর্ষির সঙ্গে ছাড়াছাড়ির সময়ে বাবা বেঁচে ছিলেন না। মা দারুণ ধাক্কা খেয়েছিলেন। মেয়ের জন্যে ভাবনা—কাতর হয়েই মারা গেলেন। বিশ্বাস করে গেলেন না মেয়ে একা জীবনের হাল ধরতে তৈরি। পারবে। কেন অমন গোঁ ধরলেন মঁসিয়ে ও মাদাম বোর্দো! ছেলের আনুগত্য পেলেন, ভালবাসা হারালেন।

    সে তার ছবিঘরে কোলের ওপর বোর্ড বসিয়ে—ছোট ছোট পেনসিল স্কেচ করে। ল্যান্ডস্কেপ, ফিগার, গ্রাম—জীবনের নানা দৃশ্য। একটা তিনখণ্ডের বইয়ের জন্য ছবি আঁকার অনুরোধ এসেছে। গবেষণামূলক বই। সেই শ্বশুরমশাইয়ের ‘বিষ্ণুপুর বৃত্তান্ত’র পর এই দ্বিতীয়বার বইয়ের ইলাস্ট্রেশন। মন অন্যত্র। কিন্তু হাত এখন মনের কাজটা অনেকটাই ধরে নিয়েছে। খসখস করে পেনসিল চলছে আপন খেয়ালে।

    বেল বাজছে। ওরা এল বোধহয়।

    গলার আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে। শৌনকের গলা না?

    —দিদি, ব্যস্ত আছ?

    —না, না আয়!

    শৌনকের ছবি বেশ বিক্রি হচ্ছে। কতকগুলো বরাত পাচ্ছে ভাল। একটা নিয়মিত রোজগারে এসে দাঁড়িয়েছে এখন। ওর মুখ—চোখের চেহারা এখন অনেক উজ্জ্বল। বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখতে লাগে। ওর সেই ক্রুশবিদ্ধ মহামানবদের ভাস্কর্যপ্রতিম ছবি বেশ সাড়া জাগিয়েছে। তথাকথিত বুদ্ধিজীবী শিল্প সমালোচকরা খুব খুশি নয়। কিন্তু দর্শকদের নজর কেড়েছে। আজকাল বলা হচ্ছে—শৌনক ভিভিয়ান বিশ্বাসের ছবি নাকি ‘পেন্টিং উইথ আ স্টেটমেন্ট।’ নানান শহরের টাউন হলে, প্রেক্ষাগৃহে, বিমানবন্দরে ওর এই স্টেটমেন্টমূলক ছবির চাহিদা বেশ। সবচেয়ে অদ্ভুত কথা—ও মঞ্চসজ্জার জন্য খুব ডাক পাচ্ছে এবং এই কাজটা ওর খুব ভাল লাগছে।

    —তোদের সেই ‘রৈভ’র ব্যানার রেডি হল?

    —তা তো হচ্ছে, প্রায়। কিন্তু দিদি আজ একটা পরামর্শ করতে এসেছি।

    —কী বল!—কালো! কফি দিয়ে যা…শৌনকদার জন্যে। —সে আঁকাজোকা সরিয়ে রাখল।

    —আঁদ্রেদা ফ্যাক্সে একটা ফর্ম পাঠিয়েছে। বলেই গিয়েছিল। ওদের ওখানে কোথায় একটা বিরাট ম্যুরাল হবে। বোধহয় কোনও থিয়েটার হলে। সেইটাতে কাজ করার জন্যে।

    —তো ভাল তো। ফিলঅ্যাপ করে পাঠিয়ে দে।

    —কিন্তু এদিকে একটা ভাল ফরমাশ পেয়েছি যে!

    —কী?

    —এই গঙ্গার ধার বিউটিফাই করবে পুরসভা। কিছু ভাস্কর্যের কথা ওরা ভাবছে। ওগুলো স্পনসর করবে কতকগুলো কর্পোরেট হাউজ। আমাকে প্রথমে একটা করতে বলছে। সেটা যদি পছন্দ হয়, তা হলে আরও কয়েকটা পেতে পারি।

    —ক্ল্যাশ করছে?

    —বুঝতে পারছি না। আঁদ্রেদার কাজটার কনট্র্যাক্ট ছ’মাসের। এদিকে এটাও মাস দু’য়েকের মধ্যে দিতেই হবে। তুমি তো জানো, স্কালপচার করতে পেলে আমি কী রকম আনন্দ পাই।

    —তুই এক কাজ কর না, একটা ছোট কাজ কর। ধর তিনফুট মতো। এমনিতেও তো ওটা স্ট্যান্ড। খুব বড় কিছু ভাল লাগবে না। তুই লম্বাটা বড় কর। অন্যগুলোর জন্যে দু একটা মাকেট করে দিয়ে যা। গিয়াসরা বড় করবে।

    —তা সত্ত্বেও প্যারিসের কাজটাতে আমি এখনই যোগ দিতে পারছি না। অথচ, বুঝতেই পারছ ওটা নিতেও আমার ভীষণ ইচ্ছে। প্যারিস যাবার সুযোগ। আঁদ্রেদা না হলে কি পেতাম?

    —তুই আঁদ্রেকে একটা ই—মেল করে দে। ও নিশ্চয় একটা ব্যবস্থা করতে পারবে।

    —আমি একটা ব্যবস্থার কথা ভেবেছি।

    —বল।

    —তুমি কি জানো, তনিকার কাজ দেখে উনি খুব ইমপ্রেসড? উনি তনিকাকে একটা স্কলারশিপ জোগাড় করে দেবেন বলেছেন। দেবেন যখন বলেছেন, তখন দেবেনই। কিন্তু একটু তো সময় লাগবে। ইতিমধ্যে যদি এই কাজটাতে ও—ও যোগ দেয়, আমি পরে গিয়ে জয়েন করি… অত বড় ম্যুরাল, আর্টিস্ট লাগবেও তো অনেক।

    —তুই বলে দ্যাখ!

    —উনি কিছু মনে করবেন না তো!

    —কী মনে করবেন?

    —এই তনিকাকে পুশ করছি।

    —সে তো করছিসই। অদিতি মিটিমিটি হেসে বলল—ছ’মাস প্যারিসে থাকবি, নির্বান্ধব দেশ, একজন কেউ, জাস্ট একজন সঙ্গে গেলে…। পুশ করাকে পুশ করা মনে করলে আপত্তি করলে চলবে? তবে কী জানিস, তোদের মতো সমসাময়িক শিল্পীরা কখনও একজন আরেকজনকে পুশ করে না। গুরুই শিষ্যকে সাহায্য করে না। যদি খুব ট্যালেন্টেড হয়! তুই করছিস, ব্যক্তিগত কারণেই হয়তো, তবু এটা সুন্দর।

    শৌনক ভিভিয়ানের মুখ লাল হয়ে গেছে।

    —শৌনক, দু’জনে এক প্রফেশনে থাকলে খুব প্রবলেম হয় রে! একটু সতর্ক হোস।

    —এক প্রফেশনে না থাকলেই কি হয় না, দিদি?

    ও কি অদিতিরই কথা বলছে! অদিতির জীবনের কার্যগুলো ওরা জানে। কারণগুলো জানে না।

    —তা অবশ্য হয়, আমি শুধু তোকে চেতাবনিটুকু দিয়ে রাখলুম। আজ আমাদের সঙ্গে খেয়ে যা। ওরা এক্ষুনি এসে যাবে।

    —বেশ। ততক্ষণ তোমার স্কেচগুলো দেখি। …কীসের ইলাস্ট্রেশন দিদি!

    —’পশ্চিমবঙ্গে গ্রাম : জীবন ও শিল্প’। গত একশো বছরের। এগুলো জেনারল স্কেচ। কিছু কিছু ল্যান্ডমার্কস ওরা ফটো পাঠিয়ে দেবে। সামান্য কিছু ফিল্ড ওয়ার্ক আমাকে করতে হবে, বুঝলি?

    —এতে ওদের যা খরচ হবে, পোষাবে? না তোমাকে দিয়ে মাগনা খাটিয়ে নেবে? ‘দিদি, দিদি, আপনারা যদি এত কমার্শিয়াল হন, আমরা কোথায় যাই…’ বলে কেঁদে পড়ল হৃষ্টপুষ্ট একটা দামড়া, অমনি তুমি গলে গেলে, সেবার সেই একটা ফিলমে যেমন করেছিল!

    —অত সোজা নয়। অদিতি সরকার কোনওদিনই ঘাসে মুখ দিয়ে চলে না, বুঝলি? তবে হ্যাঁ মাঝে মাঝে গুড কাজের জন্যে একটু বিবেচনা করতে হয়। দাঁড়া আমি মাকে একটু দেখে আসি।

    শৌনক বসে দাঁড়িয়ে ছবিগুলো দেখতে থাকে। রোল খুলে খুলে। তার মনটা এখন একটা অদ্ভুত মন খারাপে আক্রান্ত। সে চলে যাবে, তনিকা তো মিল হি গয়া। মিল গয়া। তনিকা উচ্ছৃঙ্খল নয়, কিন্তু ভীষণ স্বাধীন মনের মানুষ। তার ওপরে খুব কুয়াশাচ্ছন্ন, এখনও তনিকার তল সে খুঁজে পায়নি। এখন তাকে খুব পছন্দ করছে তনিকা। কিন্তু একদিন কী যেন একটা বলেছিল সে…অত রাত অবধি আড্ডা দিস না।

    —কত রাত?

    —এই ধর দশটা!

    —দশটায় না পৌঁছোলে মিসেস উইলিয়ামস আমায় ঢুকতে দেবেন না, তা জানিস? কাজেই দশটা অবধি আড্ডা দেওয়ার আমার উপায়ই নেই। না হলে একদিন উধাও হয়ে যেতাম।

    —উধাও! সর্বনাশ! কোথায়!

    —যেখানে ইচ্ছে! ধর হরিপাল, হুগলি জেলায়। লোকেদের ঘরের পাশে ধানখেত। অমন আমি কোথাও দেখিনি। ধানখেতের ধারে সারাদিন ছবি আঁকব, বকেরা বসে আছে ঠ্যাং তুলে। লম্বা পুকুরে কচুরিপানা, চিকচিক করে ব্যাঙাচি যাচ্ছে এদিক ওদিক। শালুক খুব দেখবি কলকাতা ছাড়ালেই। আর নিম, শিরীষ, এমনকী অশ্বথ, চিনতে পারবি না। কী বিরাট মহীরুহ এক একটা তেঁতুল। ইউক্যালিপটাসের মতো সাদা গুঁড়ি অশ্বত্থের। ইউক্যালিপ্টাসকে ওরা বলে সাহেব গাছ। ঘুরব, বসব, আঁকব, গাইব, কবিতা পড়ব। বাঁশের খুঁটির ওপর একচালা দোকান, সেখানে থেকে কড়া দুধ দেওয়া চা আর গাবদা মতো পাউরুটি খাব।

    —থাকবি কোথায়?

    —তা তো ভেবে দেখিনি!

    —এর আগেও এমন ঘুরেছিস নাকি!

    —শিয়োর!

    —একা একা!

    —না, ছিল একজন কুশল বলে, তারপর সুবীরটা, মহা বেরসিক তবু ওর সঙ্গে গেছি। কাউকে না পেলে একা একা যাব।

    —যাসনি ও রকম, তনিকা!

    —দ্যাখ, কর্তাত্বি ফলাবি না আমার ওপর। আমি আমি তুই তুই। এই তফাতটা মেনে বন্ধু হতে চাস ঠিক আছে।

    শৌনক ভিভিয়ান আরও অনেক গৃহস্থ স্বভাবের ছেলে। কাজ ভালবাসে, নিপুণ অভিনিবেশে করে, ভাবে, প্রচুর পড়ে, কিন্তু শৈশবে বাবা মারা যাওয়ায় মায়ের প্রতি তার একটা দায়িত্ব বর্তেছে। মা একটা ছোট বাচ্চাদের স্কুলে কাজ করেন বটে, কিন্তু তিনি শেষ পর্যন্ত শৌনকের দায়। মাকে গভীর ভালবাসে সে। দু’জনে দু’জনকে আঁকড়ে দিন কাটিয়েছে। জ্যাঠামশাই আছেন ভিন্ন বাড়িতে, একটু—আধটু দেখাশোনা সাহায্যও যে করেন না তা নয়। কিন্তু মায়ের শেষ ভরসা শৌনকই। সে তনিকার সঙ্গে তাল রাখতে পারবে তো? প্যারিসে যদি তারা দু’জনেই যেতে পারে তা হলে ওর সঙ্গে আরেকটু ঘনিষ্ঠতা হবে। আর একটু বুঝতে পারবে পরস্পরকে। আর একটা কথা। দিদি। অদিতিদি। সে জানে না এটা কী!! দিদির সম্পর্কে এমন একটা ফিলিং তার! একটা অন্য সম্পর্ক। দিদিও তার একটা দায়। দিদি হয়তো চান না। কিন্তু যে মুহূর্তে আর সবাইকে ছেড়ে তাকেই ডাকেন, তারই ওপর নির্ভর করেন, তার ভেতরটা কেমন একটা আনন্দে ফুলে ওঠে। দিদি যেন এক মানুষ—দেবী, মাতা মেরি বড় সূদূরের, তিনি শুধু শিশুকে স্তন্য দিতে পারেন, ক্রুশ থেকে বাঁচাতে পারেন না। কিন্তু এই দিদি…এই দিদি কী? কে? মা না দেবী? না দেবী—প্রেয়সী। সরস্বতীকে দুর্গাকে যে মন নিয়ে পুজো করে হিন্দুরা, সেই মন নিয়ে সে যেন দিবারাত্র দিদির ভক্ত হয়ে আছে। দিদির কাছ থেকে চিরবিচ্ছেদ সে কি সইতে পারবে? তনিকাও দিদি সম্পর্কে খুব মুগ্ধ। ও অল্প কথার মানুষ। উচ্ছ্বাসের মধ্যে নেই। কিন্তু দিদির কাছে ওর সমর্পণ দেখে মনে হয় ও—ও দিদির মধ্যে কিছু একটা দেখে, কিছু একটা পায় যার কোনও ব্যাখ্যা নেই, যাকে অস্বীকার করা তো যায়ই না। মোট কথা, দিদি হাতের কাছে না থাকলে তার বুকের মধ্যে কেমন একটা খামচে ধরবে। দিদিকে বাদ দিয়ে যে তনিকা নিরুদ্বেগ স্বভাবের, তাকে আয়ত্ত করতেও তাকে প্রচণ্ড বেগ পেতে হবে।

    * * *

    কোনও খবর দ্যাননি আগে। নবগোপাল সাহা রায় অদিতির বাড়িতে এসে নিশ্চুপ বসে আছেন। তনিকা নিজের ডেরায় চলে গেছে। তবুও অনোহিতাকে সময় দেয়। আজ ম্যাটিনিতে সিনেমা গেছে।

    —চা খাবেন?

    —হ্যাঁ…তা…দিন। …আপনাকে আমি আগে মানে হাসপাতাল, শ্মশানেরও আগে কোথায় যেন দেখেছি!

    —বলতে পারব না, আমার মনে পড়ছে না আপনাকে।

    —এতদিন আমার মেয়েকে রাখতে হয়েছে বলে কি আপনি খুবই…।

    —আমি খুবই…কিন্তু আপনার মেয়েকে রাখতে হয়েছে বলে নয়, আপনি ওকে ফেলে চলে গেছেন বলে।…ডোন্ট মাইন্ড…কী করে পারলেন?

    —শোক…মিস সরকার…আমি অত শোক…চুপ করে গেলেন ভদ্রলোক। মাঝারি লম্বা। একটু অ্যালকোহলিক ফ্যাট তো হয়েইছে। আবার অ্যালকোহল তার সঙ্গে রঙের, চেহারার একটা জেল্লাও দিয়েছে। মাথায় প্রচুর কাঁচাপাকা চুল। প্যান্ট আর একটা টি শার্ট পরে এসেছেন।

    নিজেকে সামলাচ্ছেন। —আপনি এতদিন ধরে ওকে…নিশ্চয়ই সব জানেন। সর্বাণী…সর্বাণী আমার কী ছিল আর কী ছিল না…আমি কাউকে বোঝাতে পারব না। —মানুষটা আমি খুব সহজ সরল নই…ও আমাকে বুঝত। কী যে হতাশা…আর ওই মেয়ে কী ট্রাবল যে দিয়েছে। সর্বাণীই ওকে সামলাত। যখন…মা ছিল না তখন থেকেই…! কী যে হল! খুব শক্ত ধাতের মানুষ ছিল সর্বাণী, পজিটিভ। অপটিমিস্টিক! কী এমন ঝগড়া হল, কী বলল মিমি… আমি কিছুতেই ওকে মাফ করতে পারছি না।

    —একটু পরেই ও আসবে। দেখুন মাফ করতে পারেন কিনা। ওর ভেতরে একটা শূন্যতা আছে। বাবা হয়ে একটু খেয়াল করলেন না? কিছুই নয়! সামান্য ব্যবহারের হেরফের একটু স্বাভাবিক ফ্যামিলি—লাইফ। পৃথিবীতে ওকে একা ছেড়ে দিলেন!

    —সর্বাণী তো ছিল, ওর মা ছিল!

    —সবাইকেই থাকতে হয় মিঃ সাহা রায়। সব্বাইকে। মন তো সকলের সমান হয় না। সবাই এই ভ্যাকুয়াম সইতে পারে না। ভ্যাকুয়াম অন্য কিছু দিয়ে ভরাতে চেষ্টা করে, সে চেষ্টাটা সব সময়ে সমাজের অনুমোদিত হয় না, শুভও হয় না!

    —আপনি কি মনোরোগের ডাক্তারও?

    —না, আমি সাইকিয়াট্রিস্টের সঙ্গে কথা বলেছি। পুরো হিস্ট্রি দিয়েছি। একবার ভদ্রলোককে বাড়িতে ডেকেও ছিলুম। বুঝতে না দিয়ে ওর সঙ্গে কথা বলেছেন।

    —ও কি তা হলে পাগল বা আধা—পাগল?

    —ও আধা—সিকি কোনও রকমের পাগলই নয়। তবে আপনাকে মানে বাবাকে সারা জীবন খুব মিস করেছে।

    চায়ের সঙ্গে শীলাদি কয়েক রকমের বাড়িতে তৈরি বিস্কুট দিয়েছে।

    অনোহিতা এসে ঢুকল। একটা গোলাপি বাটিকের সুতি সালোয়ার—কামিজ পরেছে। কাঁধ থেকে একটা ফোমের ব্যাগ ঝুলছে। সে ঢুকল, বাবার দিকে তাকাল, কিন্তু তার চোখে কোনও চমক ছিল না। নবগোপাল খুব সহজ হবার চেষ্টা করে বললেন—কাল এসেছি মিমি বুঝলি? লোক ডাকিয়ে বাড়ি পরিষ্কার করাই। ওঃ যা ধুলো হয়েছিল! হ্যাঁ আজ বিশ্বেশ্বর একজন কুক, আরও দু’জন কাজের লোক জোগাড় করেছে, ভাল বলেই তো মনে হচ্ছে। তুমি প্যাকট্যাক করে নাও, এবার তো যেতে হবে!

    —দিদি, আপনার কি খুব অসুবিধে হচ্ছে? অনোহিতা খুব শান্ত অনুৎসাহিত গলায় জিজ্ঞেস করল।

    —না, একেবারেই নয়, আমার খুব ভাল লাগছে। কিন্তু বাবা তো তোমাকে নিতে এসেছেন। তুমি না গেলে…

    —ফর দা রেস্ট অব মাই লাইফ আ’ল হ্যাভ নাথিং টু ডু উইথ মেন। বাবা অর নো বাবা।

    নবগোপাল বোকাটে ফ্যাকাশে মুখে তাকিয়ে রইলেন।

    —দিদি, আমার দুই মা আমাকে অনেক টাকা দিয়ে গেছেন। ফিল্ম অ্যাপ্রিসিয়েশন কোর্সটা শুরু করেছিলাম। ওটা শেষ করে, কোনও—না—কোনও কাজ পেয়ে যাব। অ্যাডের কোর্সটাও তো আমার করাই আছে। আমার কোনও অসুবিধে নেই। আপনার অসুবিধে হলে আমি কোনও পি.জি. অ্যাকমোডেশন নিয়ে নেব।

    —মিমি, তুই, তুই আমার ওপর এতটা রাগ করেছিস? আমার দিকে একবার ফিরে তাকা! আমার অবস্থাটা বোঝ। বোঝবার চেষ্টা কর।

    —রাগ করিনি বাবা, তোমার জীবনে আমি কোনওদিনই কোনও ফ্যাক্টর ছিলাম না। সেটা আমি বুঝতে পারিনি। তাই বোধহয়…। সে যা হোক, এখন আমি তোমাকে মুক্তি দিচ্ছি। তুমি লন্ডনে থাকো কি নিউ ইয়র্কে থাকো, তোমার সঙ্গী হোক ড্রিঙ্কস কি অন্য কিছু, অন্য কেউ। তুমি চিরকাল যেভাবে বেঁচে এসেছ, এখনও সেভাবেই বাঁচো। নিশ্চিন্তে। আমি রইলাম না। মা রইল না। মাসি রইল না। তুমি আরেকটা বিয়েও করতে পারো। যাই হোক, যেভাবে হোক। আমি তো বড় হয়ে গেছি। আমার জন্যে আর তোমায় ভাবতে হবে না। —তার কোনও কথার মধ্যেই বাড়তি উত্তেজনা নেই। অভিমান রাগ এসব নেই। অনোহিতা ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। অদিতি অবাক হয়ে বসে রইল।

    নবগোপালের মুখটা কালো হয়ে গেছে। উনি হাঁটুর ওপর কনুই রেখে মাথাটা দু’হাত দিয়ে আঁকড়ে বসে রইলেন।

    অদিতি একটু পরে নিচু গলায় বলল—মিঃ সাহা রায়, আপনি এতটা হতাশ হবেন না। এটা ওর ফার্স্ট রি—অ্যাকশন। ওকে এমন অবস্থায় আপনি একা ফেলে গিয়েছিলেন…। ইউ হ্যাভ টু উইন ইয়োর ডটার ব্যাক। ইতিমধ্যে, আপনি নিশ্চিন্ত থাকুন, ও আমার কাছে রইল। আর…আর ও যা বলছে আপনাকে নিজের মতো লাইফ কাটাবার স্বাধীনতা দিচ্ছে…সেটাও আপনি…মানে শি মিনস ইট। এখন আপনার বুদ্ধিবৃত্তি যা বলে!

    অনেকক্ষণ চুপ করে বসে রইলেন ভদ্রলোক। তারপর খুব মিয়োনো গলায় বললেন—ঠিকই… আমি ওকে তেমন… মানে আদর দিয়েছি খুব… টয়েজ, ড্রেসেজ, টাকাপয়সা…কিন্তু শি ইজ সো গ্রোন—আপ নাও। আমি এখন কী করি। আমার জবটাই তো এমনি। আমাকে ঘুরতে হবেই।

    অদিতি বলল—যতদিন আছেন রোজই রাতে আপনি আমাদের সঙ্গে খান। স্বাভাবিকভাবে কথা বলুন। ওকে একটু সময় দিন। আপনার ওপর ভরসাটা ওর একেবারে চলে গেছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleট্রেকার্স – বাণী বসু
    Next Article জন্মভূমি মাতৃভূমি – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }