Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঝড়ের খেয়া – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প272 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঝড়ের খেয়া – ৩

    তিন

    আনসারিং মেশিনে তিনটে মেসেজ পেল অদিতি। একটা অবধারিতভাবে রাজর্ষির। মাকে যোগাযোগে পাচ্ছে না, ই—মেল করেছে তাকে, তারও কোনও প্রতিক্রিয়া নেই। তাই সরাসরি ফোন। মায়ের খবর কী? ব্যবস্থা হল? বাবার মৃত্যুদিবস আগামী উনিশে, সে কি মনে করে একটা ইনসার্শন দেবে কাগজে! দিলে স্মরণকারীদের নামের মধ্যে যেন অদিতির নামটাও থাকে। অদিতিকে বাবা ভালবাসতেন।

    মজা মন্দ নয়, হঠাৎ কেমন রাগ চড়ে গেল মাথায়। অদিতিকে বাবা ভালবাসতেন! হুঁ! যদিও তাঁর ছেলে বাসে না। ইনসার্শনটাও তাকে দিতে হবে কেননা বাবা তাকে ভালবাসতেন। মায়ের অসুখ করলেই ছোটো বিষ্ণুপুর, নিয়ে এসে ভরতি করো নার্সিংহোমে। রোজ ফলমিষ্টি নিয়ে দেখা করতে যাও। তারপরে আবার তিনি নিজেকে সুস্থ মনে করলে বিষ্ণুপুরে ফিরিয়ে দিয়ে এসো। কেন? না তাঁকে দেখবার কেউ নেই, এবং ছাড়াছাড়ি হয়ে গেলেও অদিতি মানবিক মানুষ। তার মানবিকতাটাকে সমানে এক্সপ্লয়েট করে চলেছে লোকটা। চিরকাল।

    পরের মেসেজটা নাছোড়বান্দা মনীষা দেবীর। তিনি ই—মেলটা পেয়েছেন। কিন্তু পরবর্তী মেলের উত্তর পাচ্ছেন না। কী গণ্ডগোল আবার হল রে কম্প্যুটারটার? মনীষা দেবী কৃতজ্ঞ চিরদিনের অভিন্নহৃদয় বন্ধু অদিতির সুপরামর্শে। তিনি অর্থাৎ মনীষা দেবী মাঝে মাঝেই অমন অস্থির হয়ে যান। তখন তাঁকে স্টেডি করতে কাউকে দরকার। যতদিন না তিনি যোগ্য বান্ধব পাচ্ছেন, ততদিন অন্তত অদিতি যেন এমনি করে তাঁকে সাহায্য করে।

    যাক। বাঁচা গেল। মনীষা আসছে না। মনীষাকে ঠেকাতে অদিতি সবকিছু করতে পারে। সবচেয়ে ভাল হয় যদি ও দেশেই একটা বর/বান্ধব জুটিয়ে দিতে পারে। রাজর্ষিকে অনুরোধ করবে নাকি? এত কথা সে রাখছে লোকটার, তার একটা অনুরোধ কি আর ওর রাখা উচিত নয়? আবার মনীষা তো ওরই ক্লাস—মেট। তবে ভরতের আত্মীয় যত, সকলেই ভরতের মতো। রাজর্ষির সাঙ্গোপাঙ্গরাই বা কী হিসেবে বিশ্বাসযোগ্য হবে? মনীষাও খুব সুবিধের ব্যাপার নয়! সে যেমন মনীষাকে ভয় পায়, বহু লোকেরই তেমন ভয় পাওয়া সম্ভব। ওর সুবিধে হচ্ছে ও বড্ড সুন্দর। বান্ধব পেতে ওর অসুবিধে হওয়ার কথা নয়। কিন্তু বিউটি অ্যান্ড ব্রেন দুটোই এই মাত্রায় থাকলে বান্ধব যেমন তেমন, বিবাহিত বরই কি বেশিদিন সহ্য করবে? বিশেষত এত অ্যাডভান্টেজ থাকার যত মন্দ ফল সবই মনীষাতে বর্তেছে। অভিমান যা অহংকারেরই ও পিঠ তা পুরোপুরি বর্তমান। কোনও শারীরিক পরিশ্রম সে একেবারে ষোলোআনা বাধ্য না হলে করবে না। হাউসকিপিং, হোম—মেকিং ওসব ফুঃ ফুঃ। সে সেবা পেতে ভালবাসে। আদায় করে নেবার জন্যে যত খুশি নীচে নামতে পারে।

    তৃতীয় মেসেজটা অনোহিতার মায়ের। মিসেস সাহা রায়। অদিতি সোজা হয়ে বসল। থ্যাংকস জানিয়েছেন। কিন্তু তিনি অদিতির সঙ্গে কথা বলতে চান, মুখোমুখি, না বাড়িতে নয়, কোনও রেস্তোরাঁয় হতে পারে। অদিতি যেন রিং ব্যাক করে।

    কিন্তু আসল লোকটির কোনও খবর নেই। অর্থাৎ তনিকা ওরফে অনোহিতা। একটা খবর। চলে যাচ্ছে, অদিতি ঘুমোচ্ছে তাই জাগাচ্ছে না ইত্যাদি, একটা শুকনো ধন্যবাদ পর্যন্ত না। অথচ অদিতি ওকে নিজের বাথরোব ব্যবহার করতে দিয়েছে। না দিতেই পারত। কাউকে সে দেয় না। নিজের হাতে রান্না করে খিচুড়ি—ডিমভাজা খাওয়াল। খিচুড়িতে প্যাকেটের মটরশুঁটি যতটা ছিল সবটাই সে দেয়। তদুপরি ডিম ফেটাবার পরে কর্নফ্লেক্স গুঁড়িয়ে দেবার একটা কায়দা সে নিজে আবিষ্কার করেছে। খুব ফোলে। বড়ও হয়। সেইভাবে তৈরি ডবল ডিমের ডিমভাজা সে নিজে ভেজে গরম গরম ওকে খাইয়েছে।

    ভাবতে গেলে এটাই অবশ্য ওর চরিত্রের সঙ্গে খাপ খায়। নদী হতে চায়। বৃষ্টিতে উপুরচুপুর ভেজে। অচেনা মহিলার বাড়ি যেচে অতিথি হয়, অথচ তাকে নাম পর্যন্ত জিজ্ঞেস করে না। দিদি বলে ডাকা তো দূরের কথা। গুজগুজেমতো অথচ হঠাৎ হঠাৎ হেসে ওঠে। মেজাজ খারাপ বা গোপনীয়তার চিহ্নমাত্র নেই সে হাসিতে। দিব্যি কায়দা করে ড্রিংকটা চেয়ে নিল! প্রবলেম গার্ল। স্বভাবতই তার মা অদিতির সঙ্গে আড়ালে কথা বলতে চেয়েছেন।

    —ও কী শীলাদি। তুমি দাঁড়িয়ে আছ এখনও! বাকসটা রাখো! শীলাবতী দামি পুরনো চামড়ার সুটকেস হাতে বিস্ময়ের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে। এই বাড়ি! বাঁকুড়ার মতো ছড়ানো বাগানঅলা দোতলা এ নয়। একশো বছরের পুরনো জীর্ণ ভাঙাচোরা বাড়ি। অত বড় মানুষের ছেলের বউ। অত বড় মানুষের বিয়ে—করা শাস্তরের মন্তর—পড়া বউ! এর এই দশা? সে যতদূর শুনেছিল বউমাও মা—বাপের একমাত্র সন্তান। সম্পত্তি পেয়েছে। নিজেও কাজকর্ম করে ভাল! এ—ই?

    উঁচু চৌকাঠ পার হয়ে হাঁ করে কাঁচা উঠোন। তাতে বেড়ালের ঝগড়া, ছন্নছাড়া দুটো গাছ, শ্যাওলা, জায়গায় জায়গায় ব্লিচিং পাউডারের ছাপকা! কোলাপসিবলের তালা খুলে দরজা খুলে যখন ভেতরে ঢুকল, বসবার ঘরে নিয়ে গেল, তখন অবশ্য সে একটু সোয়াস্তির নিশ্বাস ফেলে। না ভেতরটা ভালই। তাদের ‘মাধুরী—প্রকাশ’ বাড়ির মেঝে চকচকে লাল সিমেন্টের। কিন্তু মাঝে মাঝে ফাটল ধরেছে। বউমার বাড়ি একেবারে রাজবাড়ির মতো রুইতন রুইতন সাদা—কালো মার্বেল দিয়ে মোড়া, দু’—দুটো বসার জায়গা আর দেওয়ালময় ছবি ছবি ছবি। ছবির সামনে থেকে আলো।

    —চলো তোমাকে ঘর দেখিয়ে দিই।

    আগে নিজের শোবার ঘরে ঢুকল অদিতি।—তোমার বাকসটা হাত থেকে নামাও! ঘরটা কালো একটু ঝেড়েঝুড়ে দিতে গেছে। বসো শীলাদি, ওই চেয়ারটাতে বসো।

    শীলাবতীর চোখে জল টলটল করছে। দেরাজের ওপর বউমা আর খোকার ছবি—বিয়ের আগের, বিয়ের সময়ের, বিয়ের পরেকার। একটাই ফ্রেমে বাঁধানো। চমৎকার ফ্রেমটা, বিলিতি বোধহয়। দেখে মনে হচ্ছে না সময় গেছে, অন্যায় অবিচার প্রেমহীনতা বিচ্ছেদ জীবন সব, সব বয়ে চলে গেছে সময় বেয়ে।

    একফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল। শীলাদি এগিয়ে গিয়ে ছবিটা তুলে নিয়ে নিজের আঁচল দিয়ে মুছল যত্ন করে।

    —বউমা! তার রুদ্ধ গলা।

    —শুধু শুধু কান্না খরচ করছ কেন শীলাদি! অদিতি নরম সুরে বলল।

    —এ রকম হয়। কত হয়। না বনলে এ রকম আলাদাই ভাল, বোঝবার চেষ্টা করো।

    —তা হলে এটা? ছবিটা বাড়িয়ে ধরল শীলাদি।

    —এবার? এবার কী করে বোঝাবে সে? এ যে অতি জটিল মনস্তত্ত্ব! এর গিঁট খুলতে সে অপরাগ। চেষ্টাও করে না। ছবিগুলো যখন তোলা হয়েছিল তখনকার আনন্দটা তো এখনও সময়ের পুটে কোথাও—না—কোথাও ধরা আছে! ধরা আছে তার অন্দরেও। ওই রাজ এক আলাদা মানুষ, তাকে অদিতি চেনে। গাঢ় আবেগে বন্ধুতায় আপ্লুত হয়ে ভালবাসে। এখনও তাকে স্বপ্নে দেখে সে। কখনও উৎকণ্ঠা, কখনও রোমান্টিক, কখনও একেবারে সরাসরি যৌন স্বপ্ন। আর্দ্র হয়ে যায়। ঘুম ভাঙলে বাস্তবে ফিরতে সময় লাগে। দারুণ বিপদের সময়ে তার কাঁধে মাথা রেখেছে। সে—ই ভুলিয়েছে। পুরাতন প্রেম ঢাকা পড়ে গেছে। এখনকার রাজর্ষি গুপ্তর সঙ্গে ওগুলোর কোনও সম্পর্ক নেই। সত্যিই নেই। এ রাজর্ষি জাস্ট পরিচিত মানুষ। তার বেশি কিছু নয়। এত কথা শীলাদিকে বোঝানো সম্ভব নয়। দরকারই বা কী! প্রত্যেক মানুষের নিজস্ব প্রতিক্রিয়ার জগৎ আছে। স্বতঃস্ফূর্ত। তার কোনও ঠিক বেঠিক নেই।

    সে হেসে বলল—রয়ে গেছে!

    ***

    ডক্টর রায়চৌধুরী বললেন—শুনুন মিস সরকার, সিচুয়েশন খুব ভাল নয়, আপনাকে ব্যাপারটা বুঝিয়ে দিই। —হার্ট ডাইলেটেড হয়ে গেলেই তার কাজটা মন্থর, কষ্টসাধ্য হয়ে যাবে। তার ওপর কোলেস্টেরেল হাই। আর্টারিগুলো থিক হয়ে গেছে। ব্লাডপ্রেশার হাই। সমস্ত অর্গ্যানগুলোর কাজগুলোই ক্রমশ ধীর হয়ে যাচ্ছে। আপনি সাবধানে রাখতে পারেন। নিয়ম করে মাপা খাওয়াদাওয়া, ওষুধ যা দেওয়া হল খাওয়া। হালকা চলাফেরা। প্রথম ক’দিন এখান থেকে গিয়ে বেড রেস্টে রাখবেন। কিন্তু ওই… যে—কোনও সময়ে…।

    কোনও উপায় নেই। পালাবার পথ নেই। স্নেহ, মমতা, ভালবাসা, কর্তব্যবোধের কথা ছেড়েই দাও…. একবার মানবিকতার জালে পড়েছ তো তুমি পঞ্চতন্ত্রের জালবদ্ধ মৃগ। কিছুতেই ছাড়া পাবে না। স্টিয়ারিংয়ে হাত, মনে অসীম বিরক্তি, সেই সঙ্গে নিরুপায় করুণা,—একেবারে অন্যমনস্ক হয়ে যায় অদিতি। আঁদ্রের সঙ্গে যখন ছাড়াছাড়ি হয়ে গেল! এই রকম, এই রকম একটা অনুভূতি হয়েছিল। অবিকল নয়, কিন্তু কাছাকাছি। অদিতিকে না ছাড়লে সে পিতৃসম্পত্তি পাবে না, অনেক সে সম্পদ। ওর বাবা ওকে মার্কেট ইকনমি অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট পড়তে পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু ছেলে ঘুরঘুর করত গ্যালারিতে গ্যালারিতে। ল্যুভ—এর ক্লাসে। আর্টিস্ট পাড়ায়। হয়ে গেল ডাকসাইটে শিল্পবোদ্ধা। দু’হাতে ছবি কেনে, ক্রমশ নিজস্ব গ্যালারি বা সালঁ করে ফেলল। যখন আর্টিস্ট পাড়ায় নীলচোখ—সোনালি চুল আর শ্যাম রং—কালো চোখের দেখা হত, নিছক উৎসাহে, উভয়ের আবেগের জিনিস শিল্পের সম্পর্কে কথা বলতে বলতে হঠাৎ হঠাৎ আঁদ্রের চোখ স্থির হয়ে যেত কালো চোখের ওপর। যেন প্রসঙ্গ ভুলে গেছে,—কী হল? কী যেন বলছিলে?

    —ও হ্যাঁ, না…অপ্রস্তুত নীরবতা।

    তারপর একদিন বলেই ফেলল—চলো আজ রাতটা আমরা একসঙ্গে কাটাই।

    অদিতি ততদিনে নীল চোখে সম্পূর্ণ ডুবে গেছে। কিন্তু ক্ষীণ, অতিক্ষীণ একটা সংস্কারের স্বর তার ভেতরে কথা বলছিল। বলে যাচ্ছিল। প্রেম নিবেদন নয়, দুটো রোমাঞ্চের কথা নয়, প্রথম পদক্ষেপেই যখন আঁদ্রে রাত কাটাতে চাইল, সে এত ক্ষুব্ধ, এত অপমানিত বোধ করেছিল যে ভাষায় তা প্রকাশ করা চলে না। সে কাঁপা কাঁপা হাতে তার ব্যাগটা তুলে নিয়ে, ছাইমাখা মুখে উঠে গিয়েছিল। আঁদ্রে পিছু ডেকেছিল, উঠে এসেছিল, সে শুধু একবার পিছু ফিরে বলেছিল—সিন ক্রিয়েট কোরো না।

    অন্তত সপ্তাহখানেক সে নেহাত প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে বেরোয়নি। একোলে বা মঁমার্তে যাওয়া তো দূরস্থান। সেই সময়টা অনেক ভাবনা—চিন্তা তাকে পেয়ে বসেছিল। ভেবে দেখতে গেলে আঁদ্রে কোনও অন্যায় করেনি, তাকে সস্তা মেয়েটেয়ে ভেবে কোনও অপমানও সম্ভবত না। এখানে এসব জলভাত। যখন—তখন যে—যার সঙ্গে ইচ্ছে থাকতে চলে যাচ্ছে। দীর্ঘদিন কেউ কারও সঙ্গে ধারাবাহিক থেকে গেলেও কোনও অধিকার জন্মায় না। আর তার দিক থেকে তো কোনও ভুল নেই—ই। সে ভারতীয়। আর্টিস্ট পাড়া সোজাসুজি এমন প্রস্তাব না দিলেও আকারে ইঙ্গিতে তো বহু দিয়েছেও। ল্যুভ—এ পিকাসো মিউজিয়ামে সব ক্ল্যাসিক স্টাডি করছে তারই মধ্যে। তার কঠিন মুখ, কিংবা প্রসঙ্গ পালটানোর ধরন দেখে ঘাবড়ে গেছে। আর এই ছেলেটা যে যখন—তখন তার চোখে হারিয়ে যায়, গালে এনে দেয় লাল, এই ছেলেটা, নিঃশেষে যার কাছে আত্মসমর্পণের জন্য সে প্রস্তুত, সে কিনা একবার হাতটা ধরল না, একবার ভালবাসার কথা বলল না, একটা চুম্বনের জন্যও কোনও আর্তি দেখাল না, যখন তাদের চারপাশে জোড়ায় জোড়ায় চুম্বনের স্রোত বয়ে চলেছে, মঁমার্তে, পোঁ দ্য লা কঁকর্দে, প্লাস দ্য ফ্রুস্তাবের ছোট্ট রেস্তোরাঁয়, একেবারে শয্যায় নিয়ে তোলবার কথা তুলে ফেলল। ইন টার্মস অব বেড! হ্যাঁ নিশ্চয়ই, ভারতীয় মনে ভালবাসার সঙ্গে আগে মিশে থাকে মন, তখন শরীর—মন আলাদা করে চেনা যায় না। পরে, সামান্য পরে শরীরী প্রেম শুরু। কিন্তু ইউরোপীয় মনে হয় দুটো আসে একসঙ্গে, নয় শরীর আগে মন পরে আসে আবার আসেও না। এরা দরকারও মনে করে না। মুহূর্তে বাঁচে, মুহূর্তে লয় পায়। প্রেমের তোয়াক্কা করে না। কিন্তু এতটুকু পূর্বরাগ ভাষায় ও ভঙ্গিতে ও প্রকাশ করতে পারল না। ধিক, ধিক তোমাকে আঁদ্রে, ধিক আমাকে।

    এমন করেই সে ভাবছিল, যখন ঝোড়ো কাকের মতো আঁদ্রের উদয় হল। দরজা খুলেই সে সাত হাত পিছিয়ে গেল আগে, কেননা ওর দেহভাষায় এমন এক প্রবল বেগ, প্রবলতর সংরাগ যেন সব বাধা ভেঙে দেবে এমন একটা ঝড় বইছে।

    —ভাল দার্জিলিং চা আছে, খাবে?

    হকচকিয়ে গেল আঁদ্রে। একেবারে। সে অন্য কিছু ভেবেছিল। অদিতিও ভাবেনি সে এই কথা বলবে। সে চলে প্রধানত ইনস্টিংটের বশে, কখনও বা ইনটুইশনে। এই ইনস্টিংটের ভেতরে এত গভীর মনস্তত্ত্ব জ্ঞান লুকিয়ে থাকে যে তা বিশ্লেষণ করলে বোধহয় অধ্যায়ের পর অধ্যায় লিখে ফেলা যাবে। সে নিজেই লিখে ফেলতে পারবে।

    আসলে ওই সহজ সুরে গতানুগতিক অতিথি ভাষা—আগুনের ওপর আছড়ে পড়া জল। পুরো পরিস্থিতির আগ্নেয়তা এক ঝাপটায় শেষ। আগের প্রসঙ্গ তোলা নয়, কোনও ক্ষমাপ্রার্থনার জায়গা ছেড়ে দেওয়া নয়, মান—অভিমান, ক্রোধ—অভিযোগ এসবের যে—কোনওটা ঘটাতে পারত অগ্ন্যুৎপাত। তাই তার বিধির ভেতর থেকে অমন সহজ বোধের সংকেত—ভাল দার্জিলিং চা আছে, খাবে?

    ঘাড় নেড়ে সম্মতি জানিয়ে আঁদ্রে ভেতরে ঢুকে এল।

    এই চা মা পাঠিয়েছে এবার। শ্রেষ্ঠ চা। দুটি পাতা একটি কুঁড়ি। সুগন্ধে ম’ ম’ করছে চারদিক। এই চা—য়ের সঙ্গে সত্যি কথা বলতে কি কিছু চলে না। বিস্কিট, কুকিজ, কিচ্ছু না—রসভঙ্গ হয়। কেননা প্রত্যেক খাবারের একটা নিজস্ব গন্ধ আছে, সেটা দার্জিলিং চায়ের সুরভির মধ্যে ছন্দপতনের মতো ঢুকে পড়ে। তবু চায়ের সঙ্গে কিছু দেশি ডালমুট পরিবেশন করল অদিতি। এইটা আঁদ্রে খুব ভালবাসে। শুধু আঁদ্রে কেন, অনেককেই সে ডালমুট ধরিয়েছে।

    একটু ডালমুট মুখে পুরে আঁদ্রে বলল—তা হলে তুমি মনে রেখেছ!

    —কী। একটু ভয়ে ভয়ে জিজ্ঞেস করল অদিতি।

    —এই…ডালমুট আমি ভালবাসি।

    —শুধু তুমি কেন, আমার সব ফরাসি, স্প্যানিশ, ইতালীয় বন্ধুরাই এটা ভালবাসে।

    আঁদ্রের মুখে ছায়া নামল।

    —কিন্তু আমি তোমাকে পরামর্শ দেব, আগে দু’—এক চুমুক চা খাও।

    —তাই?

    অদিতি নিজের কাপটা মুখের কাছে তুলল। সাদা ধ্বধবে টিউলিপ ফুলের মতো দেখতে কাপ। সাদা ছাড়া বস্তুত এই চায়ের হালকা রংটা খোলে না। এখন টিউলিপের গা দিয়ে আভা বেরোচ্ছে।

    —দারুণ। আশ্চর্য!—আঁদ্রে বলল—মের্সি,

    —কথা বোলো না, শুধু উপভোগ করো।

    খুব নীরবে চা—পান সমাপ্ত হল। আঁদ্রে খুব কোমল নম্র গলায় জিজ্ঞাসা করল।—জাপানিদের চা—পান অনুষ্ঠানের কথা পড়েছি। ভারতীয়দেরও আছে তা জানতাম না।

    ভেতরে ভেতরে অদিতির মজা লাগছিল। খুব সিরিয়াসলি বলছে। সত্যিই ভেবেছে এটা একটা রিচুয়্যাল।

    —কত জিনিসই তো আমরা জানি না, জানতে চাই না। যাক, কিছু নাকি পিকাসো এসেছে অকশনে। সত্যি!

    —হ্যাঁ গোড়ার দিকের আঁকিবুকি। কত তো এঁকে এখানে—সেখানে ফেলে দিত।

    —কিনছ নাকি?

    —নাঃ।

    —কেন? ভাল ইনভেস্টমেন্ট হত!

    —তুমি ভুলে যাচ্ছ অদিতি, আমি আর্টকে বিজনেস প্রপোজিশন বলে দেখি না।

    অদিতি চুপ করে রইল।

    একটু পরে আঁদ্রে বলল—তুমি কি ভুলে যেতে চাইছ, মনে রাখতে চাইছ না?

    এইবারে অদিতির মস্তিষ্কের মধ্যে কড়কড় করে বাজ ডেকে উঠল। সেই অশনিসংকেত বেরিয়ে এল গলা দিয়ে—ভুলে যাব! সম্ভব? জীবনে কোনওদিন ভুলে যাব না, একজন সহমর্মী বন্ধু যুবক আমাকে খুব সহজে, হেলাফেলায় কু—প্রস্তাব দিয়েছিল।

    —তোমরা প্রাচ্যদেশীয়রা খুব রক্ষণশীল আমি জানি, আঁদ্রের চোখে মিনতি।

    —তোমরা পশ্চিমারা খুব উচ্ছৃঙ্খল আমিও জানি, অদিতির উত্তর সঙ্গে সঙ্গে।

    —আমরা এভাবেই বড় হয়েছি। নিশ্চয় সেটা দোষ নয়।

    —আমরাও এভাবেই বড় হয়েছি। সেটাও নিশ্চয় দোষ নয়!

    —আমি…আমি তোমার জন্য কামনায় চুরমার, চুরমার হয়ে ভেঙে যাচ্ছি।

    —আমি…আমি তোমার প্রতি বিতৃষ্ণায় চুরমার হয়ে যাচ্ছি।

    —আমার এই ক্ষুধা…ক্ষুধাটাকে তুমি বুঝতে পারছ না। অদিতি তুমি না আমার বন্ধু?

    —ক্ষুধা মেটাতে তোমাদের এই প্যারী শহরে অনেক বন্ধু আছে, তাদের কাছে যাও না আঁদ্রে।

    বজ্রাহতের মতো বসে রইল আঁদ্রে। কাপ—প্লেটগুলো ট্রে—তে গুছিয়ে তুলে পেছন ফিরে রান্নাঘরের দিকে চলে যাচ্ছিল অদিতি। সে অনুভব করছিল একটা হতাশা, একটা সংরক্ত বিষাদ তাকে পেছন থেকে বিঁধছে।

    আঁদ্রে বলতে লাগল।

    —আমি…আমি স্বীকার করছি আমি ভার্জিন নই। শুধুমাত্র সেক্স হলে সেটা আমি মিটিয়ে নিতেই পারতাম। কিন্তু আমি যে প্রেমে আকণ্ঠ ডুবে গেছি ওদিৎ। আমার কী উপায় হবে, ভাবো…ভাবো একবার। আমি, আমি কি যথেষ্ট পুরুষ নই!

    কোথায় আঁদ্রের লেগেছে এবার ভাল করে বুঝতে পারল অদিতি। ঠিক কোন জায়গাটায়। তার দয়া হল না। বিতৃষ্ণা বেড়ে গেল। সে বাসনগুলো ধুয়ে মুছে অর্থাৎ বেশ সময় ব্যয় করে তবে আবার এসে লাউঞ্জে আঁদ্রের মুখোমুখি হল। ও তেমনই বসে আছে। কিছুক্ষণ পর বলল—আমার কথার জবাব দিলে না? আমি জানি প্রবল পুরুষ না হলে ভারতীয় নারীদের আকৃষ্ট করা শক্ত। আমার মতো এ রকম…মানে নরম…চেহারার একজন যুবক…

    এ ছেলেটাকে ভারতীয় নারী সম্পর্কে এত জ্ঞানগম্যি কে দিয়েছে? ভাবল অদিতি। সে যাই হোক, কীভাবে এগোলে সে সাড়া দিতে পারবে সে সম্বন্ধে এ একেবারে অজ্ঞ। কোনও চৈতন্যই নেই। সে কি সোজাসুজি বলবে, লাভ—মেকিং বলে তোমাদের যে কনসেপ্টটা আছে, আমাদের কাছে সেটার মানে কিন্তু কূজন। অনেক শব্দ—স্পর্শ—দর্শন—শ্রবণের ফোর—প্লে পার হয়ে প্রেম, অনেক প্রেম পার হয়ে তবে তোমাদের লাভ—মেকিং। অন্ততপক্ষে প্রথম প্রথম, পরবর্তী অধ্যায়গুলোতে কী হয় না হয় প্রত্যক্ষভাবে তার জানার কথা নয়। কিন্তু অনুমানে তো জানেই। চারদিকে যা দেখছে তার থেকেই জানে। সেসব ভবিষ্যতের কথা। ভেবে লাভ নেই। কিন্তু ওর ওই স্বীকারোক্তি! ভার্জিন নই! জানে তবু সে সেভাবে জানে না। পাশ্চাত্য সভ্যতায় তরুণ হওয়ামাত্র সদ্য—জাগা শারীরিক কামপ্রবৃত্তিকে তুষ্ট করতেই হবে। অন্তত কোনও বাধা নেই। যে সে কাজ করে না সেই বরং অপাংক্তেয় হয়ে যায় বন্ধুদের কাছে। এ এদের বহুদিনের ঐতিহ্য। রাশিয়ানরা মস্কোয় বা প্যারিসে পড়তে এসে রীতিমতো রক্ষিতা রাখত। না রাখলে তাদের আভিজাত্য প্রমাণ হত না। অনেকটা হুতোম প্যাঁচাদের কালের বঙ্গ যুবকদের মতো। এদের এখন আর রক্ষিতা রাখতে হয় না। তরুণী মেয়েদের মধ্যেও এখন ক্ষুধা—প্রকাশের একই তরিকা। সুতরাং কাম পেলেই শুয়ে পড়ো, কিংবা লিভ টুগেদার করো। প্রকৃতপক্ষে সেই সনাতন প্রস্তাবই তাকে দিচ্ছে ছেলেটি।

    —তোমার আর কিছু বলবার আছে?

    —এত, এত, যে কীভাবে শুরু করব, কোনখান থেকে শুরু করব বুঝতে পারছি না।

    —বোঝার কাজটা শুরু করে ফেলো, যখন গুছিয়ে উঠতে পারবে তখন এসো। এখন তুমি গেলেই আমি স্বস্তি বোধ করব।

    তার পরেও আঁদ্রে অনেকক্ষণ চুপ করে বসে রইল। বেশিরভাগটাই মাটির দিকে, কিংবা দেওয়ালময় নানান ক্লাসিকের প্রিন্টের দিকে চেয়ে। পোস্টারের দিকে। অদিতিরই করা। তারপরে মিয়োনো গলায় বলল—যাই তা হলে!

    —হ্যাঁ এবার যাও।

    এত বোকা লোকটা, এরপর তার কাছে বিয়ের সম্মানজনক প্রস্তাব নিয়ে এল। মানে বিছানায় তোলার অধিকার।

    অদিতি বলল—তুমি কি ভেবেছ আমি তোমাকে লাইসেন্স বার করতে বলেছি?

    —আমি জানি ভারতীয় মেয়েরা বিয়ে না হওয়া পর্যন্ত নিজেদের কৌমার্য রক্ষা করে।

    —এক কাজ করো আঁদ্রে তুমি বরং একটা বই লিখে ফেলো।

    —হঠাৎ?

    —এই সাবজেক্টটার ওপরে। ভারতীয় মেয়ে। তারা কী চায় না চায়, কী রক্ষা করে না করে।

    —তুমি কি আমাকে ভালবাসো না? আমার ধারণা ছিল—বাসো।

    —আমারও তো তাই ধারণা ছিল।

    —ছিল? মানে এখন নেই?

    —আমি তোমাকে, তোমার ধরনধারণকে পছন্দ করতে পারছি না আঁদ্রে।

    এতদিনে, এই এতদিনে বোধহয় আঁদ্রের সহজাত বোধে কিছু ধরা দিল। বন্ধুভাবে মেলামেশা করতে লাগল, বাড়িতে আসতে লাগল, এই বাসন ধুয়ে দিচ্ছে, এই দেওয়ালের ছবিগুলো ঠিক করে সাজিয়ে দিচ্ছে। ঘণ্টার—পর—ঘণ্টা আলোচনা চলছে দু’জনের—কবিতা, উপন্যাস, বালজাক, জোলা, আঁদ্রে জিদ, বদলেয়র, পিসারো, সেজান। ছবি আঁকছে অদিতি সে ধৈর্য ধরে ঠায় পাশে বসে। মোড়কে করে খাবার আনছে, যাতে অদিতিকে রান্না করতে না হয়। অনেক রাত। ফেরবার সময়ে আরক্ত মুখে একবার চায়, তারপর অদিতির হাতে চুমো রাখে, চলে যায়। কোনওদিন গালে বিদায়ী চুম্বন। একেক সময়ে তার বুকটা টনটন করে। নিকট হলেই ঘিরে ধরে একটা মোহ, মুগ্ধতা, ইচ্ছে করে ওর কাঁধে মাথা রাখে। আঁদ্রে খুব বেশি লম্বা নয়, অদিতি বেশ লম্বা। দু’জনের দৈর্ঘ্যের অনুপাতটা যেন আশ্লেষের জন্যই তৈরি। তবু তবু…

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleট্রেকার্স – বাণী বসু
    Next Article জন্মভূমি মাতৃভূমি – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }