Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঝড়ের খেয়া – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প272 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ঝড়ের খেয়া – ৯

    নয়

    সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে অদিতি ভাবল—আমি আছি। অসুবিধে হলে আমি আছি—এই বাক্যটা তার খুব চেনা—চেনা লাগছে। খুব চেনা। যেন অনেকবার শোনা। কে বলেছিল, কে? কাকে? তাকে কি? কিন্তু তার অসুবিধেতে তো কেউ ছিল না, কেউ নেই। তা হলে? তা হলে এই মিথ্যে প্রতিশ্রুতি কে দিয়েছিল? সুদ্ধু একটা কথার কথা? জাস্ট? ওঃ হো। কথাটা সে—ই অসংখ্যবার বলেছে। তারই মুখ দিয়ে বেরিয়ে আসে বাক্যটা। এইটাই তার সবচেয়ে স্বাভাবিক, স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়া। কথার কথা হিসেবেও বলা নয়। সাধ্যমতো সে কথাটা রাখতে চেষ্টা করে। সেটাও আবার তার স্বভাব। অস্তিত্বের ভেতরে কোথাও একটা নিজ প্রজাতি আপামর মনুষ্যসাধারণের কাছে একটা দায়বোধ। যেন নিজে টিকে থাকার জন্যও। সমস্ত প্রকৃতি জুড়ে যে মানুষের জ্ঞান, তার উচ্চাকাঙ্ক্ষা, প্রকৃতিবিরোধী হবার জন্য প্রচণ্ড প্রতিরোধ, তার ফলে নেমে আসে প্রকৃতির করাল প্রতিহিংসা। তার বিরুদ্ধে মানুষকে বেঁচে থাকতে হলে একটা পারস্পরিকতার সম্পর্ক চাই। এইটাই যেন জৈব মানুষকে ছাড়িয়ে ওঠা মনোময় মানুষের ভেতরের দায়। তারই ফলে একজন আরেকজনকে সাহায্য করে।

    কিন্তু এই কথা সে কতবার বলেছে? কত যে অদ্ভুত—অদ্ভুত পরিস্থিতিতে। আঁদ্রে তাকে, তার বিবাহিত স্ত্রীকে ছাড়তে চাইছে না। তার বাবাও পণ করেছেন—এই বিয়ে নাকচ না হলে আঁদ্রে তাঁর সম্পত্তি পাবে না। বাবা প্রায় মৃত্যুশয্যায়, সমস্ত চলে যাবে—ভাগনের হাতে আর চ্যারিটিতে। মা কাতর অনুনয় করছেন। মায়ের অনুনয়টা তার কাছেও পৌঁছেছিল। মধ্যযুগীয় প্রায়। তবে তাঁর প্রস্তাবটা ছিল আরও অদ্ভুত। আঁদ্রে তাকে ডিভোর্স করে বাবার কাছে জিফ—সুর—ইভেৎ—এ চলে যাক। বিষয় সম্পত্তির ব্যাপারটা চুকে যাক, বাবা মারা গেলে, ও আবার ফিরে এসে অদিতিকে বিয়ে করুক। মায়ের কোনও আপত্তিই নেই। একটা প্র্যাকটিক্যাল অ্যাপ্রোচ যাকে বলে। চালাকি? চালাকিই তো! ওর মায়ের কাছে ব্যাপারটা যত প্র্যাকটিক্যাল মনে হয়েছিল, আঁদ্রের অবশ্য তা হয়নি। সে ততদিনে অদিতিকে, তার মানবতার দায়গুলোকে বুঝতে শুরু করেছে। অদিতি শুধু বলেছিল—আমি তৈরি।

    —আমি তৈরি নই!

    —কিন্তু তুমি যদি আমার জন্যে এত মান সম্মান, বিষয়সম্পত্তি হারাও, একদিন না একদিন তোমার আমার ওপর রাগ হতে থাকবে আঁদ্রে।

    —আমার প্রকৃতির সবই কি তুমি জেনে গেছ?

    —তোমার নয়, সাধারণভাবে মানব প্রকৃতি। আমার সহজ বোধ। তোমার স্যাক্রিফাইসটা আমি বইতে পারব না আঁদ্রে।

    —তা হলে মা যা বলছেন তাতেই তুমি রাজি?

    —সে পরে দেখা যাবে। আগে তো ডিভোর্সটা করো।

    —মানে? তুমি কথা না দিলে আমি ওদিকে যাবই না।

    —আমি কোনও কথা দিতে পারছি না আঁদ্রে। আমি তোমার অবস্থাটা বুঝতে পারছি। তুমি টাকাপয়সার লোভ করছ না, আমি জানি, কিন্তু তোমার মা—বাবার জিনিস সব বাবার বোনের ছেলের হয়ে যাবে—এইটা মেনে নিতে পারছ না—কী ঠিক না?

    আঁদ্রে আর্দ্র গলায় বলেছিল—তোমার চেয়ে বেশি আমায় কেউ বোঝে না।

    —তা হলে ডিভোর্সটা নাও।

    —তুমি কথা দাও আগে।

    —পরে দেখা যাবে, বললুম তো, আমি তো আছি!

    আঁদ্রে কী বুঝল কে জানে। ‘আমি তো আছি’র ভরসায় ডিভোর্স করে চলে গেল। পরবর্তী দশ মাসের মধ্যে আসতে পারল না। মেট্রোতেই তো চলে আসা যেত। কতটুকুই বা দূর! বাবা তো তাঁর গ্রামের বাড়িতেই রোগশয্যায় ছিলেন। বোর্দোতে তো ছিলেন না! কতগুলো কাতর চিঠি এসেছিল সে সময়ে, কিন্তু অদিতি ততদিনে অন্য ঠিকানায় চলে গেছে। বুকের ভেতর কী পাথর! কী পাথর! সমস্ত বুঝেও! আঁদ্রের তার প্রতি আন্তরিক টান বুঝেও। কেউ বলেনি সে সময়ে আমি তো আছি। ভেতর থেকেও কোনও ভরসার স্বর শুনতে পায়নি। বাবা—মা তো দুঃখিত ছিলেনই। কোনওদিনই আঁদ্রের সঙ্গে বিয়েটা সেভাবে মেনে নিতে পারেননি। তাঁদের ডিভোর্সের খবর শুনিয়ে কষ্ট বাড়াতে সে চায়নি। এই অতি সাম্প্রতিক তাঁদের ফরাসি জামাই সম্পর্কে সহনশীলতাটুকু তৈরি হয়েছিল। এরই মধ্যে তাঁদের ধারণা সত্যি হয়ে গেল।

    বাবার মৃত্যুর পর খুঁজে খুঁজে অদিতির ঠিকানায় হাজির সে।

    —ঠিকানা বদলালে কেন?

    —ওখানে থাকতে আর ভাল লাগছিল না। তার সংক্ষিপ্ত সহজ উত্তর।

    চুপ করে মুখ নিচু করে রইল কিছুক্ষণ।

    —উনি ভাল আছেন?—সে জিজ্ঞেস করল।

    —কে?

    —তোমার বাবা!

    —কেন? তুমি কাগজে পড়োনি? উনি চলে গেছেন। একটু থেমে বলল—শেষ পর্যন্ত। দাঁতে দাঁত চেপে বলা শেষ কথাগুলো। কী করা যাবে? শুধু রক্তের সম্পর্কের খাতিরে কোনও শ্রদ্ধা, কোনও ভালবাসা জিইয়ে রাখা যায় না। তিনি যদি ছেলের সুখের পথে এমনি অনৈতিক ব্ল্যাকমেল খাড়া করে থাকেন তো এই দাঁতে দাঁত চাপা আক্রোশ, তাঁর মৃত্যুতে সন্তানের এই নিষ্কৃতি বোধ তাঁর পাওনা। কড়ায়গণ্ডায়।

    —অদিতি! আমি তা হলে নোটিশ দিই?

    —র’সো র’সো। আরে বাবা হুট বলতেই তো আর সব হয়ে যায় না।

    মুখটা রক্তহীন হয়ে গেল। এই ফরসা লোকেদের এইটাই মুশকিল। রক্তহীন হওয়া, রক্তবর্ণ হওয়া সমস্তই মুখের চামড়ায় ফুটে ওঠে। কিন্তু অদিতির দয়া হয়নি।

    —তাড়াতাড়ি করতে আপত্তি কোথায়?

    —তাড়াতাড়ির দরকারই বা কী?

    আরও চেপে ধরলে সে বলেছিল—তোমার বাবার শর্তটা কিন্তু অত হালকা ছিল না আঁদ্রে। বোঝবার চেষ্টা করো। তিনি বিদেশিনীকে পছন্দ করতে পারেননি, নিজের সম্পত্তির বিনিময়ে তিনি তো আমার থেকে তোমার মুক্তিই চেয়েছিলেন! তিনি যদি তোমাকে অবিশ্বাস করতেন, তা হলে কিন্তু শর্তটা আরও কড়া হত। কোনওদিনই আমাকে বা তাঁর অপছন্দের কাউকে বিয়ে না করার শর্তটাও লেখা থাকত। তিনি তোমাকে বিশ্বাস করেছিলেন। এক হিসেবে আমাকেও বিশ্বাস করেছিলেন।

    —আমিও তোমাকে বিশ্বাস করেছিলাম। আঁদ্রে ক্রোধে কষ্টে আরক্ত হয়ে বলেছিল।

    —আমি কি ভুল করেছিলাম তোমায় বিশ্বাস করে?

    —না, তা নয়, নিজের অস্বস্তি গোপন করতে সে ঠান্ডা করা হোয়াইট ওয়াইন এবং মেওয়া নিয়ে এল।

    কোনও কিছুই ছুঁল না আঁদ্রে।

    —মা—ও কিন্তু….

    —হ্যাঁ মা—ও। মা—ই। কী ভাববেন বলো তো আমাকে? সাগরপারের একটা নীতিজ্ঞানহীন মেয়ে যে তাঁর শ্বশুরবাড়ির সম্পত্তি ভোগ করার লোভে মুমূর্ষু মানুষের সঙ্গে একটা চালাকি খেলেছে।

    —মা তা ভাববেন না। আঁদ্রে ঘুঁষি মারল একটা টেবিলে। ছিটকে গেল কয়েকটা আখরোট। ছলকে গেল ওয়াইন।

    —এবং সত্যিই যদি তা ভাবেন, তাতেও আমার, আমাদের কিছু আসে যায় না। যেতে পারে না। জীবনটা আমাদের। ভালবাসাটা আমাদের। ওঁর, ওঁদের নয়। ওঁদের ভাবনার জন্যে আমি আমার জীবন নষ্ট করতে পারি না। পারি কি?

    —আঁদ্রে, তুমি জানো আমি কত অহংকারী। আমি যা নই, লোকে আমাকে তা ভাবলে আমার গায়ে ছ্যাঁকা লাগে।

    —তবে কি আমাকে মায়েরও মৃত্যুর জন্যে অপেক্ষা করতে হবে?

    অদিতি হতভম্ব।—তুমি বলছ কী? কী বলছ জানো?

    —জানি। মা—বাবা আমার অতীত, তুমি আমার বর্তমান।

    —কিন্তু ভবিষ্যৎ—ও কি? ওই কথা নিশ্চিত করে কেউ বলতে পারে না।

    —তুমি কিন্তু আমার সঙ্গে একটা কথার খেলা খেলে যাচ্ছ অদিতি। এটাও চালাকি। এটাই আসল চালাকি। অন্যটা ছিল ভীমরতি ধরা এক বৃদ্ধকে ছেলে—ভুলোনোর প্রশ্ন। এটা, তোমার এই চালাকিটা সম্পূর্ণ অন্য জিনিস। এটা একটা সুস্থ, সবল, প্রেমিক, স্বামীকে দূরে রাখবার চালাকি।

    —এ চালাকি আমি করব কেন? অদিতিও তেতে উঠতে শুরু করেছে।

    —কেন সেটা তুমিই ভাল বলতে পারবে। তবে শুনতে পাই রাজর্ষি গুপ্তার সঙ্গে তোমাকে খুব দেখা যাচ্ছে আজকাল।

    —মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে আঁদ্রে। রাজর্ষি আমার কলেজের বন্ধু।

    —জাহান্নমে যাক তোমার কলেজের বন্ধু! রাজর্ষি মালকে আমার চেনা আছে। কত রাত কাটিয়েছ ওর সঙ্গে?

    এক মুহূর্ত বজ্রাহতের মতো দাঁড়িয়েছিল অদিতি। তারপর খুব শান্ত গলায় বলেছিল, ইভেৎ নদীর ধারে ফিরে যাও কিংবা তোমাদের বোর্দোর রিফাইনারিতে বাবার সম্পত্তির অনেক বিলি ব্যবস্থা লাগবে, আমাকে আর বিরক্ত কোরো না।

    সে ঠান্ডা পায়ে নিজের শোবার ঘরের ভেতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়েছিল। আঁদ্রের শত প্রার্থনাতেও আর দরজা খোলেনি।

    কত ছোট ছোট কথায় কত বড় বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয় মানুষ! কথা, কথা, কথার হুল সাংঘাতিক। অসহ্য বেঁধে, কিছুতেই ভুলতে দেয় না। বিঁধেই থাকে।

    দরজা খুলে দিল শীলাদি। ঘুম চোখ।

    —যাও শীলাদি, ঘুমোতে যাও।

    —কারও কোনও বিপদ—আপদ তো নয়?

    —নাঃ।

    বিপদ—আপদ তো বটেই। কিন্তু শীলাদির তো জানবার দরকার নেই। এইসব সময়গুলোতে সামান্য বিরক্তি হয় তার। এই অনর্থক জানতে চাওয়া, এগুলো ভারতীয় অভ্যাস। তার মা হলে জানতে চাইতে পারতেন। কিন্তু শীলাদি কেন? ইশশ। লজ্জায় জিভ কামড়ে ফেলল অদিতি। রুক্ষ, রূঢ় শোনায়নি তো তার ‘নাঃ’ টা? রুক্ষ না হলেও রূঢ় তো বটেই। তোমার ব্যাপার নয়, তোমার শোনবার দরকার নেই। বিনা কারণে তো রাত দশটায় কেউ গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যায় না! এখানে!

    আমি কি একাচোরা, একালষেঁড়ে, দাম্ভিক প্রকৃতির হয়ে যাচ্ছি? নিজেকে শুধোয় সে। বিছানার আশ্রয়ে এমন একটা স্বপ্নহীন অথচ বিক্ষিপ্ত ঘুম আসে যা অনেকদিন আসেনি। ভুরু কুঁচকে আছে। ভেতরে অনেক প্রশ্ন, জবাব চাই, জবাব দাও। তুমি কে? কেমন? কোনটা তোমার প্রকৃত অন্বেষা? তুমি যা যা করেছ সবই কি অন্যের ব্যবহারের প্রেক্ষিতে? প্রতিক্রিয়ায়? তোমার নিজের কোনও দায় নেই? সত্যি কি তুমি আঁদ্রের প্রতি একটা কৃপামিশ্রিত ক্রোধ হতাশা পোষণ করোনি? যখন দেখতে আঁদ্রে তার বাবা বা মায়ের চিঠি নিয়ে বসে আছে। মাঝরাতে উঠে বারবার টয়লেট যাচ্ছে। একটা হুইস্কি নিয়ে বসল, হঠাৎ কথার জবাব দিল না, শুনতেই পায়নি, তখনই তো তুমি বুঝেছিলে সে চিন্তিত, ভীষণ। চিন্তার কারণ বই কী! কিন্তু তার স্ত্রীর যদি তার প্রথম চিন্তা হত তা হলে তো ওই মাঝরাতে হুইস্কি নিয়ে বসাটা হত না। দ্বন্দ্ব? দ্বন্দ্ব কেন থাকবে? আমি অনেক ভালবেসে, বেশ দুরূহ কোর্টশিপের সিঁড়ি পার হয়ে বিয়ে করেছি। কেউ যদি দাবি করে তুমি তাকে ত্যাগ না করলে তার সম্পত্তি পাবে না, তাতে তুমি ভাববে? ভাববার কী আছে এতে? সিদ্ধান্তই বা কী! এমন নয় যে আঁদ্রে বোর্দো তুমি দরিদ্র ছিলে। দিব্যি শিল্প ব্যবসা ফেঁদে বসেছিলে, কখন কোনটা বাজারে কাটে ভাল তা পর্যন্ত বুঝে ফেলতে শুরু করেছিলে। ‘ত্রোঁপ এস্প্রি’ অর্থাৎ মানসিক ধাপ্পা যাকে বলে। কে একটা ছোঁড়ার বুদ্ধি রোগা ও ব্রায়েন একটা ছোট ছেলেকে নানান তেল রং মাখিয়ে ক্যানভাসের ওপর দিয়ে টেনে নিচ্ছিল। সেটা যে বাজারে ধরবে তা তো তুমি বুঝে গিয়েছিলে, সে ছেলেটাকে কম তোলোনি। কাজেই তোমার অর্থকষ্ট ছিল না, আমি তখনও সেভাবে প্রতিষ্ঠিত নই, কিন্তু নিজেরটা তো নিজে চালিয়ে নিতে পারতুমই। মনে কেন দ্বন্দ্ব আসবে আদৌ?

    —এইটাই ভেতরে ভেতরে ওয়ার্নিং বেল হয়ে বেজেছিল। এ যে ভাবছে! অন্যমনস্ক হয়ে যাচ্ছে। বারবার চিঠিগুলো পড়ছে রে! উত্তর দিচ্ছে, অদিতিকে পড়েও শোনাচ্ছে আবার—বাবা, এভাবে রি—অ্যাক্ট করাটা তোমার ঠিক হচ্ছে না। অদিতি আমার বিবাহিত স্ত্রী। তোমার উত্তরাধিকার পাবার জন্য আমি তাকে ত্যাগ করব? তা হয় নাকি? তা ছাড়া, অদিতি কত ভাল মেয়ে তা তুমি জানো না।

    চিঠিটা তো এরকম হতে পারত : বাবা, অদিতি আমার স্ত্রী, তাকে কোনও কারণেই কখনও আমি ত্যাগ করব না। তোমার টাকা—পয়সা নিয়ে তুমি যা—খুশি করো গে যাও। মা?—ঠিক আছে, মা যদি আইনত কিছু না—ও পায়, আমি মাকে দেখতে পারব, কিন্তু আমি জানি—মা পাবেই। আর আমাকে এরকম চিঠি দ্বিতীয়বার লিখো না। মাকেও বারণ করে দিয়ো লিখতে।

    কিন্তু চিঠি তো এসেই যাচ্ছিল, এসেই যাচ্ছিল। ফোন আসছিল মা’র কাছ থেকে। দীর্ঘ, অনুনাসিক ফোন! ঠিক আছে আঁদ্রে তুমি আস্তে আস্তে পোড়—খাওয়া ব্যবসাদার হয়ে উঠছিলে। তুমি শ্যাম কুল দুটোই রাখতে চেয়েছিলে। হয় না।

    ব্যস সেই যে অদিতি তোমার মনের মধ্যে কাঁটা বিঁধল, ঘুরতে—ফিরতে খচখচ করত! দুধটা টকে গেল। হতে পারে অহংকার। কিন্তু এটুকু অহংকার তো যে—কোনও আর্থিক স্বাধীনতাসম্পন্ন চিন্তা—কল্পনা—মেধা সম্পন্ন মেয়ের থাকবেই। তুমি তাকে কথা দিয়েছিলে ‘তুমি তো আছ।’ সে কথাটার খেলাপ তো তুমি করোনি। আঁদ্রেকে দ্বিতীয়বার গ্রহণ করা তোমার পক্ষে আর সম্ভব ছিল না, কিন্তু অন্য সব রকম সাহায্য তো তুমি করেছ। তার সালঁ সাজানো, ছবি বাছা, অকশনে যাওয়া, মার্কেটিংয়ে সাহায্য করা, যা থেকে তুমি নিজেও আজ মার্কেটিংটা এত ভাল শিখেছ। আঁদ্রে তোমার ওপর থেকে যদি ভালবাসা হারিয়ে থাকি, তা হলে তা কিন্তু আমার কৃপণতা নয়। কোনওখানে দোকানদারি ঢুকে পড়লে ভালবাসা দোকানদারিকে জায়গা ছেড়ে দিয়ে চলে যায়। আর ফেরে না। তোমার মুখের কথা ছিল—’না’। কিন্তু মনে মনে যে তুমি দ্বিধায় কম্পমান তা বুঝতে কি অদিতির বাকি ছিল? কাজেই ওসব কথাটথা নয়, চালাকিও নয়। যা একেবারে অন্তর্গত সত্তার সত্য তাকেই আমি স্বীকার করেছি আঁদ্রে। নিজেকে ভোলাইনি, তোমাকেও ভোলাইনি। আমি এটুকু আজ পরিষ্কার উচ্চারণে বলতে পারি আঁদ্রে, তোমাকে ধরে রেখেও আমি বিয়েটা বাঁচাতে পারতুম না। তুমিই নিষ্কারণে হারাতে আমার ওপর থেকে তোমার আকর্ষণ। সেই দুর্ভাগ্যের মধ্যে পড়বার আগেই সরে এসেছি। আর পরে জোড়া লাগানো? আমার দ্বারা হল না আঁদ্রে। দুঃখিত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleট্রেকার্স – বাণী বসু
    Next Article জন্মভূমি মাতৃভূমি – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }