Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প208 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. বিনিয়োগ

    ষোড়শ পরিচ্ছেদ
    বিনিয়োগ

    পরদিন প্রভাতে শক্তিগড় যাত্রার কথা রাজসংসারে প্রচারিত হইল। চম্পা পূর্বাহে কিছু জানিত না, সংবাদ পাইয়া তাহার ভারি অভিমান হইল। যাত্রার আয়োজন সব ঠিকঠাক হইয়া গিয়াছে, আজই যাওয়া হইবে— অথচ সে কিছু জানে না! মুখ ভার করিয়া সে রাজার মহলের দিকে চলিল।

    দ্বারের সম্মুখে রুদ্ররূপ দাঁড়াইয়া আছে; তাহাকে দেখিয়া চম্পা ভঙ্গি করিয়া বলিল— রাজা আজ শক্তিগড়ে যাচ্ছেন, তুমি আগে থেকে জানতে?

    উদাসভাবে উৰ্ব্বদিকে তাকাইয়া রুদ্ররূপ বলিল–জানতাম।

    তবে আমাকে বলনি কেন?

    বক্ষ বাহুবদ্ধ করিয়া রুদ্ররূপ জবাব দিল–দরকার মনে করিনি।

    চম্পা রাগিয়া গিয়া বলিল— দরকার মনে করনি! তোমার কি কোনোদিন বুদ্ধি হবে না? এখন আমি এত কম সময়ের মধ্যে তৈরি হয়ে নেব কি করে বল দেখি!

    রুদ্ররূপ বিস্ময়ে ভু তুলিয়া বলিল–তুমি তৈরি হবে কি জন্যে?

    অধীরস্বরে চম্পা বলিল— বোকা কোথাকার! রাজার সঙ্গে আমাকে যেতে হবে না?

    রুদ্ররূপ যেন স্তম্ভিতভাবে বলিল— রাজার সঙ্গে তুমি যাবে? সে আবার কি? পথ ছাড়ো। তোমার সঙ্গে আমি বতে পারি না।

    রুদ্ররূপ রাজার ঘরের দরজা আগলাইয়া দাঁড়াইয়া বলিল—চম্পা, রাজার সঙ্গে তোমার যাওয়া হতে পারে না।

    চম্পা অবাক হইয়া গেল। কিছুক্ষণ রুদ্ররূপের মুখের পানে তাকাইয়া বলিল— তার মানে? রাজা কি কোনো হুকুম জারি করেছেন?

    না। কিন্তু তোমার যাওয়া চলবে না।

    কেন চলবে না শুনি?

    রাজা যে-কাজে যাচ্ছেন সে কাজে অনেক বিপদের সম্ভাবনা।

    বিপদের সম্ভাবনা! রাজা তো বেড়াতে যাচ্ছেন। আর, বিপদের সম্ভাবনা যদি থাকে, তবে তো আমি যাবই। আমি না গেলে তাঁর পরিচর্যা করবে কে?

    চম্পা, জিদ করো না, আমরা বড় ভয়ঙ্কর কাজে যাচ্ছি। মেয়েমানুষ সঙ্গে থাকলে সব ভেস্তে যাবে। তোমার যাওয়া কিছুতেই হতে পারে না।

    তোমার হুকুম নাকি?

    হ্যাঁ, আমার হুকুম।

    তোমার হুকুম আমি মানি না। তুমি আমার মালিক নও। বলিয়া চম্পা সগর্বে রুদ্ররূপকে সরাইয়া ভিতরে প্রবেশের উপক্রম করিল।

    চম্পাদেঈ!

    চম্পা চমকিয়া মুখ তুলিল। এমন দৃঢ় এত কঠিন স্বর রুদ্ররূপের সে কখনো শুনে নাই। দুইজনে কিছুক্ষণ পরস্পরের পানে চাহিয়া রহিল; তারপর আস্তে আস্তে চম্পার চোখ নত হইয়া পড়িল। ঠোট দুইটি ফুলিতে লাগিল, রুদ্ধ লোদনের কণ্ঠে সে বলিল–আমি তাহলে যেতে পাব না?

    রুদ্ররূপের কণ্ঠস্বরও কোমল হইল; সে বলিল— না, এবার নয়। এবার লক্ষ্মী মেয়ের মত ঘরে থাক। আমরা শীঘ্রই ফিরে আসব।

    চম্পা হেঁটমুখে দাঁড়াইয়া রহিল। হঠাৎ একমুহূর্তে অবস্থার সম্পূর্ণ পরিবর্তন হইয়া গিয়াছে। কোন্ ইন্দ্রজালে এমন হইল? এতদিন চম্পা রুদ্ররূপকে নাকে দড়ি দিয়া ঘুরাইয়াছে—আর আজ–

    বশীভূতা চম্পা একবার জল-ভরা চোখ দুইটি রুদ্ররূপের মুখের পানে তুলিল। দর্প তেজ খরশান কথা—আর কিছু নাই! বোধ হয় এতদিনে চম্পা প্রথম নারীত্ব লাভ করিল।

    স্খলিত অঞ্চল মাটিতে লুটাইতে লুটাইতে সে ফিরিয়া গেল। যতক্ষণ দেখা গেল, স্বত্বাধিকারী প্রভুর মত রুদ্ররূপ তাহার দিকে তাকাইয়া রহিল।

    .

    সিংগড় হইতে যে প্রাচীন পথ সিধা তীরের মত শক্তিগড়ের দিকে চলিয়া গিয়াছে, কিস্তা নদীটি চপলগতি সঙ্গীর মত প্রায় সর্বদাই তার পাশে পাশে চলিয়াছে। কখনো মোড় ফিরিয়া ঈষৎ দূরে চলিয়া গিয়াছে, আবার বাঁকিয়া পথের ঠিক পাশে আসিয়া উপস্থিত হইয়াছে। বেলা দ্বিপ্রহরে সেই পথ দিয়া গৌরী তাহার সওয়ারের দল লইয়া চলিয়াছিল। সবসুদ্ধ পঞ্চাশজন সওয়ার আগে পিছে। চলিয়াছে, মধ্যে গৌরী, সর্দার ধনঞ্জয় ও রুদ্ররূপ। সওয়ারদের কোমরে তরবারি, হাতে বশী। রুদ্ররূপের কোমরে তরবারি আছে; কিন্তু বর্শা নাই। ধনঞ্জয়ের কটিবন্ধে সদারের ভারী পিস্তল। গৌরী প্রায় নিরস্ত্র, তাহার কোমরে কেবল সেই সোনার মুঠযুক্ত ছোরাটি রহিয়াছে, ঝিন্দে আসার প্রাক্কালে শিবশঙ্কর যেটি তাহাকে দিয়াছিলেন। ঘোড়াগুলি মন্থর কদম চালে চলিয়াছে। দ্রুত যাইবার কোনো প্রয়োজন নাই; এই চালে চলিলে ঘণ্টা চারেকের মধ্যে শক্তিগড়ে পৌঁছানো যাইবে। একদল ভৃত্য তাম্বু ও অন্যান্য অবশ্য ব্যবহার্য দ্রব্যাদি লইয়া সকালেই যাত্ৰা করিয়াছে; তাহারা বাসস্থানাদি নির্মাণ করিয়া প্রস্তুত থাকিবে।

    হেমন্তের মাধ্যন্দিন সূর্য তেমন প্রখর নয়। মাঝে মাঝে পথের পাশে বৃদ্ধ শাখাপত্রবহুল পাহাড়ী বৃক্ষ একটু ছায়ারও ব্যবস্থা করিয়াছে। তাছাড়া কিস্তার জলস্পৃষ্ট বাতাস ভারি মোলায়েম ও স্নিগ্ধ। গৌরী এদিকে একবারও আসে নাই, এতদিন একপ্রকার রাজপ্রাসাদেই অন্তরীণ ছিল। এই মুক্ত দৃশ্যের ভিতর দিয়া যাইতে যাইতে তাহার মনে পড়িল সেইদিনের কথা যেদিন সে প্রথম ঝি স্টেশনে নামিয়া অশ্বপৃষ্ঠে সিংগড়ের পথ ধরিয়াছিল।

    বর্তমান দৃশ্যটা ঠিক তাহার অনুরূপ না হইলেও স্মৃতি-জাগানিয়া বটে! পথ ঋজু, কিন্তু সর্বদা সমতল নয়, সাগরের ঢেউয়ের মত তরঙ্গায়িত হইয়া গিয়াছে। বামপার্শ্বের বিস্তীর্ণ ভূখণ্ড কঙ্করপূর্ণ ও অমসৃণ। এখানে ওখানে দুই-চারিটি কঠিন-প্রাণ পাহাড়ী গাছের গুল্ম। দক্ষিণে বিসর্পিলগতি কিস্তা। সর্বশেষে সমস্ত পার্বত্য দৃশ্যটিকে ঘিরিয়া বলয়াকৃতি নীল পাহাড়ের রেখা।

    ঘোড়ার পিঠে বসিয়া গৌরী কেমন যেন স্বপ্নাবিষ্ট হইয়া পড়িয়াছিল। প্রস্তরময় পথের উপর ঘোড়ার ক্ষুরের সমবেত শব্দ, জিনের চামড়ার মসমস শব্দ, ঘোড়ার মুখে জিঞ্জিরের ঝিনঝিন শব্দ মিলিয়া একটি ছন্দের সৃষ্টি করিয়াছে— সেই ছন্দের তালে তালে গৌরীর মনটাও কোথাও উধাও হইয়া গিয়াছিল। বিশেষ কোনো চিন্তা মনের মধ্যে থাকে না অথচ অতি সুক্ষ্ম একটা লুতন্তু মস্তিষ্কের মধ্যে বিচিত্র আকৃতির ভঙ্গুর জাল বুনিতে থাকে— তাহার মানসিক অবস্থাটা সেইরূপ।

    সর্দার ধনঞ্জয়ের কণ্ঠস্বরে তাহার দিবাস্বপ্নের জাল ছিড়িয়া গেল। সে মুখ ফিরাইয়া দেখিল, রুদ্ররূপ কখন পিছাইয়া গিয়াছে— কেবল ধনঞ্জয় তাহার পাশে রহিয়াছেন।

    ধনঞ্জয় ভ্রূর উপর করতল রাখিয়া সম্মুখ দিকে দৃষ্টি প্রসারিত করিয়া দিলেন; তারপর মৃদুস্বরে কতকটা আত্মগতভাবে বলিলেন-আজ আমাদের অভিযান দেওয়ান কালীশঙ্করের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। কি আশ্চর্য যোগাযোগ! দেড়শ বছর আগে কে ভেবেছিল যে ঝিন্ রাজ্যের নাট্যশালায় তাঁর বংশধরেরাই একদিন প্রধান অভিনেতা হয়ে দাঁড়াবে? আশ্চর্য!

    গৌরী বলিল— এবার তোমার হেঁয়ালি ছেড়ে আসল গল্পটা আগাগোড়া বলতে হবে সর্দার। আমাকে কেবল ভ্যাবাচাকা খাইয়ে চুপ করে যাবে— সে হবে না। নাও, এখন তো তোমার কোনো কাজ নেই, এইবার কালীশঙ্করের কেচ্ছা আরম্ভ কর।

    ধনঞ্জয় একটু হাসিলেন; বলিলেন— বলছি। বলবার উপযুক্ত সময় উপস্থিত হয়েছে; কারণ যেকাজে আমরা চলেছি, তার ফলাফল যে কি হবে তা ভগবানই জানেন। হয়তো শেষ পর্যন্ত–

    শেষ পর্যন্ত তোমার গল্প শোবার জন্য আমি বেঁচে না থাকতে পারি?

    কিম্বা গল্প বলবার জন্য আমি বেঁচে না থাকতে পারি। সবই সম্ভব। হয়তো আমরা দুজনেই বেঁচে থাকব, অথচ এ গল্প আর বলা চলবে না। তার চেয়ে এই বেলা সেরে রাখা ভাল।

    গৌরী একটু ভাবিয়া বলিল— আমি এ গল্প শুনলে যদি কারুর অনিষ্টের সম্ভাবনা থাকে, তাহলে বলবার দরকার কি?

    ধনঞ্জয় গম্ভীরভাবে বলিলেন–আপনার পূর্বপুরুষ কালীশঙ্কর সম্বন্ধে একটা রহস্যের ইঙ্গিত দিয়ে আমি আপনাকে এখানে নিয়ে এসেছি; এমন কাজে আপনাকে ব্ৰতী করেছি যাতে জীবননাশের সম্ভাবনা। সুতরাং আমার কাছে আপনার একটা কৈফিয়ৎ প্রাপ্য। সে কৈফিয়ৎ যদি আমি না দিই, আপনি ভাবতে পারেন যে আমি আপনাকে ঠকিয়ে নিজের কাজ হাসিল করেছি।

    বেশ, তাহলে বল।

    আমি যে গল্প বলব তাতে শুধু এই কথাই প্রমাণ হবে যে আপনি এ পর্যন্ত অধিকারবহির্ভূত কোনো কাজ করেননি এবং শেষ পর্যন্ত যদি–

    ওকথা অনেকবারই শুনেছি। এবার গল্প আরম্ভ কর।

    ধনঞ্জয় বলিতে আরম্ভ করিলেন। গতিশীল সওয়ার দলের অশ্বক্ষুরধ্বনির ভিতর হইতে তাঁহার অনুচ্চ কণ্ঠস্বর গৌরীর কানে আসিতে লাগিল। সে সম্মুখ দিকে তাকাইয়া শুনিতে লাগিল।

    গল্প আরম্ভ করবার আগে এ কাহিনী আমি কি করে জানতে পারলাম তা বলা দরকার। রাজপরিবারের এই গুঢ় কাহিনী জনসাধারণের জানবার কথা নয়; বোধ হয় বর্তমানে আমি ছাড়া আর কেউ জানে না। শুধু দেওয়ান বজ্ৰপাণি জানেন, তাঁকে আমি বলেছি।

    জাতিতে বৈশ্য হলেও আমরা পুরুষানুক্রমে রাজার পার্শ্বচর ও দেহরক্ষী— একথা বোধ হয় আগে শুনেছেন। দেড়শ বছর আগে আমার উর্ধ্বতন পঞ্চম পুরুষ এই পদ প্রথম পেয়েছিলেন। তাঁর নাম ছিল শেঠ চন্দ্রকান্ত। তিনি কি করে তদানীন্তন মহারাজ ধূর্জটি সিংহের অনুগ্রহভাজন হয়ে ক্রমে তাঁর বন্ধু ও পার্শ্বচর হয়ে উঠেছিলেন সে কাহিনী এখানে অবান্তর। এইটুকু বললেই যথেষ্ট হবে যে তিনি। ধূর্জটি সিংহের দক্ষিণহস্তস্বরূপ ছিলেন।

    কিন্তু রাজার পার্শ্বচর হয়েও চন্দ্রকান্ত বেনিয়া স্বভাব ছাড়তে পারেননি। সে সময় বেনিয়া ছাড়া অন্য জাতের মধ্যে লেখাপড়ার রেওয়াজ ছিল না; হিসাব-কিতাব লেখার জন্য বেনিয়াদের লেখাপড়া শিখতে হত। চন্দ্রকান্ত হিসাব তো লিখতেনই, তার ওপর আর একটা জিনিস লিখতেন যা আজকের দিনে অমূল্য বলে পরিগণিত হতে পারে। সেটি হচ্ছে তদানীন্তন রাজ-দরবারের দৈনন্দিন রোজ-নাৰ্চা। রাজ-সংসারের খুঁটিনাটি, রাজ-অন্তঃপুরের জনশ্রুতি, দরবারের কেচ্ছা—সবই তাঁর গোপন দপ্তরে স্থান পেত। জীবনের শেষ পনের কুড়ি বছর তিনি নিয়মিত এই কার্যটি করেছিলেন।

    যাহোক, চন্দ্রকান্ত একদিন বৃদ্ধ বয়সে দেহরক্ষা করলেন। তাঁর দপ্তর অন্যান্য হিসাবের খাতার সঙ্গে রক্ষা করা হল। চন্দ্ৰকান্তের পর থেকে আমাদের বংশে লেখাপড়ার চর্চা কমে গিয়েছিল। যাদের রাজার পাশে থেকে অস্ত্র চালাতে হবে তাদের আবার বিদ্যাশিক্ষার দরকার কি? কাজেই গত চার পুরুষের মধ্যে চন্দ্ৰকান্তের দপ্তর কেউ খুলে পড়লে না।

    আমিই প্রথম এই দপ্তর উদ্ধার করি। তখন আমার বয়েস কম, কৌতূহল বেশী–চন্দ্ৰকান্তের রোজ-নাৰ্চা পড়তে আরম্ভ করলাম। পড়তে পড়তে মনে হল একটা উপন্যাস পড়ছি। সেই দপ্তরে দেওয়ান কালীশঙ্করের ইতিহাস পড়ি। পনের বছরের ইতিহাসের ভিতর থেকে কালীশঙ্করের জীবনকাহিনী জ্বলজ্বল করে ফুটে ওঠে। মনে হয়, চন্দ্রকান্ত যে কাহিনী লিখে গেছেন তার প্রধান নায়কই যেন কালীশঙ্কর।

    আর একটা জিনিস সেই দপ্তরের সঙ্গে পেয়েছিলাম। আপনি জানেন, হাতির দাঁতের ফলকের উপর ছবি আঁকার জন্য ঝি চিরদিন বিখ্যাত। এখন প্রতিকৃতি আঁকার শিল্প লোপ পেয়ে গেছে, কিন্তু সে সময় মোগল যুগের শেষ দিকে এই শিল্পের খুব প্রচার ছিল। চন্দ্ৰকান্তের দপ্তরের সঙ্গে একতাড়া ছবি আঁকার ফলকও পেয়েছিলাম। ফলকের পিছনে চিত্রার্পিত ব্যক্তির নাম লেখা ছিল। সে সময়ের অনেক বড় বড় লোকের ছবি ছিল। রাজা ধুর্জটি সিংয়ের ছবি ছিল। কালীশঙ্করের ছবিও ছিল।

    তাই, কালীশঙ্করের চেহারা আমার জানা ছিল এবং সেইজন্যই আপনাদের বাড়িতে তাঁর তৈলচিত্র দেখেই আমি বুঝতে পারি যে এ কালীশঙ্কর ছাড়া আর কেউ নয়। সেই তীক্ষ্ণ চোখ, সেই খড়ের মত নাক একবার যে দেখেছে সে কখনো ভুলবে না।

    এতক্ষণে আমার কৈফিয়ৎ শেষ হল। এবার গল্পটা শুনুন। গল্পটা রোজ-নাচার দেড় হাজার পাতার মধ্যে ছড়ানো আছে; আমি যথাসম্ভব সঙ্কুচিত করে বলছি।

    ধনঞ্জয় কিছুক্ষণ চুপ করিয়া বোধ করি গল্পটা মনে মনে গুছাইয়া লইলেন; তারপর আবার বলিতে আরম্ভ করিলেন—

    দপ্তরের দ্বিতীয় বছরে কালীশঙ্করের নাম প্রথম পাওয়া যায়। প্রথমে দেখি, রাজসভায় একজন বাঙালী লড়াক এসেছে; রাজাকে অনেক রকম অদ্ভুত অস্ত্রকৌশল দেখিয়ে মুগ্ধ করেছে। তারপর দেখি কালীশঙ্কর রাজ-ভ্রাতাদের অস্ত্রগুরু নিযুক্ত হয়েছেন। রাজা তখন বয়সে তরুণ, বংশধর জন্মগ্রহণ করেনি।

    ক্রমে তিন মাস যেতে না যেতেই দেখতে পাই কালীশঙ্কর রাজসভার প্রধান ওমরা হয়ে দাঁড়িয়েছেন। কি শিকারে, কি মন্ত্রণায়, কি বিলাস-ব্যসনে কালীশঙ্কর না হলে রাজার একদণ্ডও চলে না।

    কালীশঙ্করকে চন্দ্রকান্ত প্রথমে একটু ঈর্ষার চক্ষে দেখতেন, কিন্তু ক্রমে তিনিও কালীশঙ্করের সম্মোহন শক্তিতে বশীভূত হয়ে পড়লেন। দ্বিতীয় বৎসরের শেষাশেষি দেখি, চন্দ্রকান্ত তাঁর দপ্তরে ভাই কালীশঙ্কর লিখতে আরম্ভ করেছেন। তাঁরা দুজনে যেমন রাজার ডান হাত বাঁ হাত, তেমনি পরস্পর প্রাণপ্রতিম বন্ধু হয়ে উঠেছেন–কেউ কারুর কাছ থেকে কোনো কথা গোপন করেন না।

    চতুর্থ বর্ষে রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী মারা গেলেন। এইবার কালীশঙ্করের চরম উন্নতি হল— রাজা তাঁকে মন্ত্রী নিযুক্ত করলেন। রায় দেওয়ান কালীশঙ্কর রাজ্যের কর্ণধার হয়ে উঠলেন! একজন বিদেশীর এই উন্নতিতে অনেকের চোখ টাটালো বটে কিন্তু কার্যদক্ষতায় কূটবুদ্ধিতে রায় দেওয়ানের সমকক্ষ কেউ ছিল না তাই কেউ উচ্চবাচ্চ্য করতে পারল না। চন্দ্রকান্ত অবশ্য খুব খুশি হলেন। দুজনের মধ্যে বন্ধুত্ব এত প্রগাঢ় হয়ে উঠেছিল যে একজন অন্য জনের পরামর্শ না নিয়ে কোনো কাজ করতেন না।

    তারপর আরো দুবছর কেটে গেল। এই সময়ে কালীশঙ্করের শ্রেষ্ঠ কীর্তি— ঝিন্দের সঙ্গে ইংরাজ-সরকারের মিত্ৰতা-মূলক সন্ধি। তিনি এমন সুকৌশলে রাজার মর্যাদা রেখে এই কাজ সুসম্পন্ন করলেন যে, রাজা রাজ্যের বাহ্য ও আভ্যন্তরীণ সমস্ত শাসন পালনের ভার তাঁর হাতে তুলে দিয়ে। নিশ্চিন্ত আনন্দে দিন যাপন করতে লাগলেন। এইভাবে রাজ্য সুশৃঙ্খলায় চলতে লাগল, কোথাও কোনো গণ্ডগোল নেই। কেবল একটি বিষয়ে রাজা এবং প্রজারা একটু নিরানন্দ—পঁয়ত্রিশ বছর বয়স পর্যন্ত রাজার বংশধর জন্মগ্রহণ করল না। রাজার তিন রানী–তিনজনেই নিঃসন্তান।

    রাজা হোম যজ্ঞ দৈবকার্য অনেক করলেন; কিন্তু কিছুতেই কোনো ফল হল না। হতাশ হয়ে রাজা শেষে মহাপণ্ডিত রাজগুরুর শরণাপন্ন হলেন। রাজগুরু অনেক চিন্তার পর বললেন— একটিমাত্র উপায় আছে।

    এই পর্যন্ত বলিয়া ধনঞ্জয় থামিলেন।

    গৌরী সাগ্রহে বলিল— তারপর–?

    আরো কিছুক্ষণ নীরব থাকিয়া ধনঞ্জয় বলিলেন–প্রাচীনকালে নিয়োগ-প্রথা বলে একটা জিনিস ছিল জানেন?

    স্তম্ভিত হইয়া গৌরী বলিল— জানি–

    ধনঞ্জয় বলিতে লাগিলেন— ঝিন্দে পোষ্যপুত্র গ্রহণের বিধি নেই, কিন্তু অবস্থা বিশেষে নিয়োগ-প্রথা আবহমানকাল থেকে চলে আসছে। রাজবংশেই প্রায় দুশ বছর আগে ঐ রকম ব্যাপার করতে হয়েছিল। গুরু নজির দেখিয়ে রাজাকে সেই পথ অবলম্বন করতে উপদেশ দিলেন।

    ব্যাপারটা বোধ হয় এবার বুঝতে পেরেছেন?

    অস্ফুট স্বরে গৌরী বলিল— কালীশঙ্কর–?

    ধনঞ্জয় ঘাড় নাড়িলেন–প্রকাশ্যে এক মহা পুত্রেষ্টি যজ্ঞের আয়োজন হল, কিন্তু ভেতরে ভেতরে-যজ্ঞ টিকা পরলেন রায় দেওয়ান কালীশঙ্কর। রাজা, রাজগুরু আর স্বয়ং কালীশঙ্কর ছাড়া একথা আর কেউ জানল না। এমন কি রানী পর্যন্ত না। সেকালে অনেক রকম ওষুধ ছিল—

    যাহোক, যথাসময় পাটরানী পদ্মা দেবী এক কুমার প্রসব করলেন। রাজ্যে মহা সমারোহ পড়ে গেল; দেশ দেশান্তর থেকে অভিনন্দন এল। রাজা ধুর্জটি সিং কিন্তু উৎসবে যোগ দিতে পারলেন না; তিনি রাজপ্রাসাদে নিজেকে আবদ্ধ করে রাখলেন।

    ক্রমে যতই দিন যেতে লাগল, রাজার মুখ ততই অন্ধকার হতে লাগল। একটা অসূয়ামিশ্রিত অবসাদের ভাব তাঁর প্রসন্ন চিত্তকে গ্রাস করে নিলে। সর্বদাই ভ্রূকুটি করে থাকেন; সভায় হাসি মস্করার প্রসঙ্গ উঠলে ক্রুদ্ধ সন্দিগ্ধ হয়ে ওঠেন।

    রাজকুমারের বয়স বাড়তে লাগল। কিন্তু রাজা কুমারকে স্পর্শ করেন না— ঘৃণাভরে তাকে নিজের সুমুখ থেকে সরিয়ে দেন। ওদিকে কালীশঙ্করের সঙ্গে তাঁর সম্বন্ধ এমন হয়ে দাঁড়াল যে সাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে লাগল। আগে মুহূর্তের জন্য কেউ কাউকে ছেড়ে থাকতে পারতেন না, এখন কেবল রাজকার্য ব্যপদেশে দেখা হয়। যে দু-চারটে কথা হয় তাও রাজকীয় ব্যাপার সংক্রান্ত। বয়স্যের সম্পর্ক ক্রমে লুপ্ত হয়ে গেল।

    এইভাবে দিন কাটতে লাগল। রাজকুমার হরগৌরী সিং বড় হয়ে উঠতে লাগলেন। কুমারের বয়স যখন পাঁচ বছর তখন থেকে রাজসভায় কানাঘুষা আরম্ভ হল। কুমার যতই বড় হচ্ছেন, কালীশঙ্করের সঙ্গে তাঁর চেহারার সাদৃশ্য ততই স্পষ্ট হয়ে উঠছে। সকলেই তা লক্ষ্য করলে। আড়ালে ইশারা ইঙ্গিত চোখ ঠারাঠারি চলতে লাগল।

    রাজা তখন মদ ধরেছেন, অষ্টপ্রহর মদে ড়ুবে থাকেন। সভায় যখন আসেন তখন চারিদিকে কিছুই লক্ষ্য করেন না; সভাসা নানাভাবে তাঁকে প্রসন্ন করবার চেষ্টা করে, তিনি তাদের কথা শুনতে পান না; ভুকুটি-ভয়াল মুখে বসে থাকেন।

    আরো কয়েক বছর কেটে গেল। রাজা থেকেও নেই, তাই সভাসদদের স্পর্ধা ক্রমে বেড়ে গিয়েছিল। কুমারের যখন আট বছর বয়স তখন এক কাণ্ড হল। একজন নির্বোধ ওমরা রাজার সুমুখেই কুমারের চেহারা নিয়ে একটা বাঁকা ইঙ্গিত করলে, বললে—কুমারের চেহারা যেমন দেওয়ান কালীশঙ্করের মত, আশা করা যায়, বুদ্ধিতেও তিনি তেমনই প্রখর হবেন। রাজা অন্য সময় কিছুই শুনতে পান না, কিন্তু এ কথাগুলো তাঁর কানে গেল; এতদিনের রুদ্ধ গ্লানি অগ্ন্যুৎপাতের মত বেরিয়ে এল। তিনি সিংহাসন থেকে লাফিয়ে গিয়ে সেই ওমরার চুলের মুঠি ধরলেন, তারপর তলোয়ারের এক কোপে তার মাথা কেটে নিলেন।

    হুলস্থুল কাণ্ড! এই সময় কালীশঙ্কর দ্রুতপদে বাইরে থেকে এসে রাজার হাত ধরে বললেন— মহারাজ, ক্ষান্ত হোন।

    রাজা ধূর্জটি সিং কষায়িত চোখ কালীশঙ্করের দিকে ফেরালেন; তাঁর মুখ দেখে মনে হল, কালীশঙ্করকেও বুঝি তিনি হত্যা করবেন। কিন্তু কালীশঙ্করের চোখের দৃষ্টিতে কি সম্মোহন শক্তি ছিল জানি না, রাজা তাঁর গায়ে অস্ত্র তুলতে পারলেন না। শুধু রক্তে রাঙা তলোয়ারখানা দ্বারের দিকে দেখিয়ে বললেন— যাও।

    কালীশঙ্কর সভা থেকে ফিরে এলেন। সেই রাত্রে চন্দ্ৰকান্তের সঙ্গে গোপনে তাঁর মন্ত্রণা হল। কালীশঙ্কর কুশাগ্ৰধী লোক ছিলেন, অনেক আগে থেকেই তিনি এই দুর্যোগের দিন প্রতীক্ষা। করছিলেন তাই নিজের আজীবন সঞ্চিত টাকাকড়ি সব রাজ্যের বাইরে সরিয়ে ফেলেছিলেন। চন্দ্রকান্ত বললেন, কালীশঙ্করের পক্ষে আর এ রাজ্যে থাকা নিরাপদ নয়; রাজা নিজে তাঁকে হত্যা করতে পারেননি বটে, কিন্তু হত্যা করবার জন্য গুপ্তঘাতক নিযুক্ত হয়েছে— এ খবর তিনি পেয়েছেন। দুই বন্ধু সেই রাত্রে শেষ আলিঙ্গন করে নিলেন।

    পরদিন কালীশঙ্কর নিরুদ্দেশ হলেন। পনের বছর পরে ঝিন্দের রঙ্গমঞ্চে তাঁর অভিনয়ের উপর। যবনিকা পড়ে গেল।

    এর পরের যা ইতিহাস, তা আপনার বংশের ইতিহাস। আমার চেয়ে আপনিই তা বেশী জানেন?

    ধনঞ্জয় নীরব হইলেন। তাঁহার দৃষ্টি একবার গৌরীর কোমরের ছোরাটার উপর গিয়া পড়িল।

    একাগ্রভাবে শুনিতে শুনিতে গৌরীর চিবুক বুকের উপর নামিয়া পড়িয়াছিল। সে এইবার মুখ  তুলিল; তাহার মুখে একটা অদ্ভুত হাসি খেলিয়া গেল। সম্মুখে প্রায় দুই মাইল দূরে তখন শক্তিগড়ের পাষাণ চূড়া দেখা দিয়াছে, সেইদিকে তাকাইয়া সে যেন অন্যমনস্কভাবে বলিল— অর্থাৎ শঙ্কর সিং, উদিত আর আমি–আমরা সকলেই কালীশঙ্করের বংশধর, জ্ঞাতি ভাই। চমৎকার!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    মনচোরা – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }