Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প208 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২১. কাল রাত্রি

    একবিংশ পরিচ্ছেদ
    কাল রাত্রি

    রাত্রি শেষ হইয়া আসিতেছিল।

    কৃষ্ণার বিবাহ হইয়া গিয়াছে। কস্তুরী শ্রান্তদেহে দ্বিতলে নিজের শয্যাকক্ষে প্রবেশ করিয়া ভিতর হইতে দ্বার বন্ধ করিয়া দিয়াছিল। ঘরে তৈলের বাতি জ্বলিতেছে, তাহার স্নিগ্ধ আলোকে কস্তুরী একবার চারিদিকে চাহিল। বহুমূল্য আভরণে সজ্জিত কক্ষ, মধ্যস্থলে একটি মখমলে মোড়া পালঙ্ক। নিশ্বাস ফেলিয়া কস্তুরী ভাবিল, আর কৃষ্ণা তাহার শয়নসঙ্গিনী হইবে না।

    ক্লান্তিতে শরীর ভরিয়া গিয়াছে, তবু শয্যা আশ্রয় করিতে মন চাহিল না। কস্তুরী ধীরে ধীরে জানালার সম্মুখে গিয়া দাঁড়াইল। আজ কৃষ্ণার বিবাহের প্রত্যেকটি ঘটনা তাহার মনকে আন্দোলিত করিয়াছে; সে আন্দোলন এখনো থামে নাই।

    জানালার বাহিরে হৈমন্তী রাত্রির দেহও যেন ধীরে ধীরে হিম হইয়া আসিতেছে। উদ্যানে দুই-চারিটা আলো দূরে দূরে জ্বলিতেছে; গাছের শাখাপ্রশাখার ভিতর দিয়া একটা অপরিস্ফুট প্রভা অন্ধকারকে তরল করিয়া দিয়াছে। উদ্যানের পরেই দ্রুতবহমানা কিস্তা; ক্লান্তি নাই, সুপ্তি নাই, অধীর আগ্রহে প্রপাতের মুখে ছুটিয়া চলিয়াছে।

    কস্তুরী কিস্তার পরপারে অগাধ অন্ধকারের মধ্যে দৃষ্টি প্রেরণ করিল। ঐখানে কোথাও এক তাঁবুর মধ্যে তিনি ঘুমাইতেছেন। কেন তিনি একবার আসিলেন না? আসিলে কাজের খুব বেশী ক্ষতি হইত কি?

    আবার একটা নিশ্বাস ফেলিয়া কস্তুরী ঘরের দিকে ফিরিতেছিল, জানালার নীচে একটা শব্দ শুনিয়া চকিতে নীচের দিকে তাকাইল। যেন চাপা গলায় কে কথা কহিল।

    নীচে অন্ধকার; মনে হইল একটা লোক সেখানে দাঁড়াইয়া আছে। তাহার পাগড়ির জরির উপর ক্ষণেকের জন্য আলো প্রতিফলিত হইল।

    রানীজী!

    কণ্ঠস্বর অতি নিম্ন, কিন্তু সম্বোধনটা স্পষ্ট কস্তুরীর কানে আসিল। সে গলা বাড়াইয়া বিস্মিতস্বরে বলিল—কে?

    নীচ হইতে উত্তর আসিল—আমি রুদ্ররূপ।

    রুদ্ররূপ! কস্তুরীর মনে পড়িল, কৃষ্ণার মুখে শুনিয়াছে, রুদ্ররূপ মহারাজের পার্শ্বচর। কি চাও? তাহার গলা একটু কাঁপিয়া গেল।

    পূর্ববৎ চাপা গলায় আওয়াজ আসিল—রানীজী, মহারাজ এসেছেন, ঘাটে দাঁড়িয়ে আছেন-আপনার সঙ্গে একবার দেখা করতে চান।

    কস্তুরী জানালা হইতে একটু সরিয়া গিয়া দুই হাতে বুক চাপিয়া কিছুক্ষণ দাঁড়াইয়া রহিল। তিনি আসিয়াছেন! কিন্তু এই শেষ রাত্রে কেন? নির্জনে দেখা করিতে চান বলিয়াই কি আজ বিবাহ বাসরে আসেন নাই?

    সে আবার জানালা দিয়া মুখ বাড়াইল।

    পুনশ্চ স্বর শুনিতে পাইল—রানীজী, দোষ নেবেন না। মহারাজ আপনার সঙ্গে দেখা করেই চলে যাবেন। বড় জরুরী ব্যাপারে তাঁকে কালই চলে যেতে হবে, তাই একবার–

    কিছুক্ষণ নীরব। তারপর—

    আচ্ছা, আমি যাচ্ছি। তুমি দাঁড়াও। কস্তুরীর কথাগুলি শিউলি ফুলের মত অন্ধকারে ঝরিয়া পড়িল।

    ঘরের মধ্যস্থলে দাঁড়াইয়া সে একবার ভাবিল, কাহাকেও সঙ্গে লইবে? কিন্তু কৃষ্ণা ছাড়া আর তো কাহাকেও সঙ্গে লওয়া যায় না। অথচ কৃষ্ণাকে এখন ডাকা সম্ভব নয় কিন্তু প্রয়োজন কি? সে একাই যাইবে।

    ওড়না গায়ে জড়াইয়া সে নিঃশব্দে দ্বার খুলিল। কেহ কোথাও নাই; বৃহৎ প্রাসাদের অপরাংশে সকলে তখনও আমোদে মগ্ন। যে কয়জন দাসী রানীর পরিচর্যায় নিযুক্ত ছিল, রানী শয়নকক্ষে প্রবেশ করিবার পর তাহারাও চলিয়া গিয়াছে। লঘু পদে কস্তুরী নীচে নামিয়া গেল।

    সেই লোকটি জানালার নীচে অপেক্ষা করিতেছিল, একবার ভাল করিয়া তাহাকে দেখিয়া লইয়া আভূমি অবনত হইয়া অভিবাদন করিল। কস্তুরীও তাহার মুখ অস্পষ্ট দেখিতে পাইল। এই রুদ্ররূপ! সে রুদ্ররূপকে পূর্বে দেখে নাই।

    পুরুষ সসম্মানে কহিল—এইদিকে রানীজী, এইদিকে—

    তাহার অনুসরণ করিয়া কম্প্রবক্ষে কস্তুরী ঘাটের দিকে চলিল।

    .

    রাত্রি শেষ হইয়া আসিতেছে।

    গৌরী আর প্রহ্লাদ মুখোমুখি বসিয়া, তাহাদের মধ্যস্থলে লণ্ঠন। গৌরী স্থিরভাবে বসিয়া আছে বটে, কিন্তু তাহার নিষ্কম্প দেহটা দেখিয়া মনে হইতেছে যেন একটা অনলস্তম্ভ নিধুম শিখায় জ্বলিতেছে—যে-কোনো মুহূর্তে বারুদের স্তুপের মত প্রচণ্ড উন্মত্ততায় বিচ্ছুরিত হইয়া চারিদিকে দাবানল ছড়াইয়া দিবে।

    কস্তুরী! এই নরকের ক্লেদাক্ত সরীসৃপগুলা কস্তুরীকে বলপূর্বক হরণ করিয়া আনিবার অভিসন্ধি করিয়াছে। প্রহ্লাদের মুখে এই কথা শুনিবার পর ইহাদের গগনস্পর্শী ধৃষ্টতা গৌরীর মনটাকে ক্ষণকালের জন্য অসাড় করিয়া দিয়াছিল; প্রথমটা সে বিশ্বাস করিতে পারে নাই। কিন্তু সত্যই ইহা তো অসম্ভব নয়। উদিত মরীয়া হইয়া উঠিয়াছে। ভাইকে অন্ধকূপে আবদ্ধ করিয়া যে সিংহাসন গ্রাস করিবার চেষ্টা করে, তাহার অসাধ্য কি আছে? ঝিন্দের সিংহাসন পাইবার আশা হারাইয়া সে অবশেষে ঝড়োয়ার সিংহাসন দখল করিবার জন্য এই ক্রুর মতলব বাহির করিয়াছে। কস্তুরীকে বলপূর্বক বিবাহ করিবে; হিন্দুর বিবাহ, একবার সম্পাদিত হইলে আর নড়চড় হয় না–তখন ঝড়োয়া রাজ্যের উপর উদিতের দাবি কে অস্বীকার করিবে? Factum Valet… কি নৃশংস স্বার্থপরতা! কি পৈশাচিক রবুদ্ধি! এই ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত ময়ূরবাহন তাহাকে দিয়াছিল।

    প্রহ্লাদ কুণ্ঠিতস্বরে মৌনভঙ্গ করিল—ময়ূরবাহনের ফিরতে এখনো বোধ হয় দেরি আছে। ইতিমধ্যে রাজাকে—

    গৌরী অগ্নিগর্ভ চোখ তুলিল; কথা কহিল না। প্রহ্লাদ দেখিল, চোখের মধ্যে সর্বগ্রাসী একটি চিন্তাই প্রতিফলিত হইতেছে। রাজার স্থান সেখানে নাই, বোধ করি জগতের আর কিছুরই স্থান  নাই।

    প্রহ্লাদ একটু নীরব থাকিয়া আবার বলিল-ওদিকে দুর্গের সামনে আপনার সিপাহীরা এতক্ষণ নিশ্চয় পৌঁছে গেছে—দুর্গের সিংদরজা খুলে দেবার চেষ্টা করলে হত না? দুজন শাস্ত্রী পাহারায় আছে, আমি তাদের ভুলিয়ে ওখান থেকে সরিয়ে দিতে পারি। আপনার লোকেরা একবার ঢুকে পড়লে

    না, ওসব পরে হবে।

    আবার দীর্ঘকাল উভয়ে নীরব। লণ্ঠনের আলোক শিখা কাঁপিয়া কাঁপিয়া উঠিতেছে; রাত্রিশেষের শীতল বাতাস জোরে বহিতে আরম্ভ করিয়াছে।

    সহসা প্রহ্লাদ বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মত চমকিয়া দাঁড়াইয়া উঠিল; চাপা উত্তেজনায় বলিল—ওরা আসছে দাঁড়ের শব্দ পেয়েছি। আপনি এখন আলোর কাছ থেকে সরে যান। যেমন যেমন ঠিক হয়েছে তেমনি করবেন, যথাসময়ে আমি সঙ্কেত করব—

    গৌরীও চকিতে উঠিয়া দাঁড়াইল। ভূপতিত ছোরাটা তাহার পায়ে ঠেকিল, সেটা ক্ষিপ্রহস্তে তুলিয়া লইয়া সে সুড়ঙ্গের অভ্যন্তরের দিকে অন্ধকারে অন্তর্হিত হইয়া গেল। প্রহ্লাদ লণ্ঠন লইয়া গুপ্তঘারের মুখের কাছে দাঁড়াইল।

    দাঁড়ের মৃদু ছপ ছপ শব্দ, তারপর ময়ূরবাহনের হাসি শোনা গেল। নৌকার মুখ আসিয়া দ্বারের নীচে ঠেকিল।

    প্রহ্লাদ, দড়িটা ধর।

    ময়ূরবাহন লাফাইয়া প্রহ্লাদের পাশে দাঁড়াইল, নৌকার দিকে ফিরিয়া বলিল—এইবার রানীজীকে তুলে দাও। হুঁশিয়ার স্বরূপদাস, সবসুদ্ধ জলে পড়ে যেও না। আস্তে রানীজী—চঞ্চল হবেন না, কোনো ভয় নেই, আমরা আপনার অনুগত ভৃত্য–হা হা হা–

    ওড়না দিয়া মুখ ও সর্বাঙ্গ দড়ির মত করিয়া বাঁধা একটি বিদ্রোহী নারীমূর্তি ধরাধরি করিয়া নৌকা হইতে নামানো হইল। প্রহ্লাদ ও ময়ূরবাহন দেহটিকে সুড়ঙ্গের মধ্যে আনিয়া একপাশে শোয়াইয়া দিল। তারপর ময়ূরবাহন জলের দিকে ফিরিয়া বলিল–স্বরূপদাস, এবার তোমরা নেমে এস। ডিঙি ভেতরে তুলতে হবে।

    স্বরূপদাস নৌকা হইতে কাতরস্বরে বলিল-দাঁড় দুটো জলে পড়ে গিয়ে কোথায় ভেসে গেছে খুঁজে পাচ্ছি না।

    ময়ূরবাহন হাসিয়া উঠিয়া বলিল—তা যাক; আপাতত আর দাঁড়ের দরকার নেই। প্রহ্লাদ, তুমি আর আমি এবার রানীজীকে—

    তাহার কথা শেষ হইতে পাইল না। অকস্মাৎ পূর্ব নিরূপিত সমস্ত সঙ্কল্প উপেক্ষা করিয়া প্রহ্লাদের সঙ্কেতের অপেক্ষা না করিয়াই দুরন্ত ঝড়ের মত গৌরী অন্ধকারের ভিতর হইতে তাহাদের মাঝখানে আসিয়া পড়িল। কস্তুরীর ঠিক পাশে প্রহ্লাদ দাঁড়াইয়া ছিল, গৌরীর প্রথম ধাক্কাটা তাহাকেই গিয়া লাগিল। প্রহ্লাদ টাউরি খাইয়া ময়ূরবাহনের গায়ে পড়িল। ময়ূরবাহন আচমকা ঠেলা খাইয়া ঘুরপাক খাইতে খাইতে লণ্ঠনটা ডিঙাইয়া জলের কিনারা পর্যন্ত গিয়া কোনোমতে নিজেকে সামলাইয়া লইল। তারপর ক্রুদ্ধ বিস্ময়ে ফিরিয়াই নিমেষমধ্যে যেন পাথরে পরিণত হইয়া গেল।

    দৃশ্যটা নাটকীয় বটে। মেঝের উপর পীতাভ লণ্ঠন জ্বলিতেছে; তাহার অনতিদূরে প্রহ্লাদ ভূমি হইতে উঠিবার উদ্যোগ করিয়া নতজানু অবস্থাতেই ময়ূরবাহনের দিকে নিষ্পলক তাকাইয়া আছে; আর তাহার পশ্চাতে ভূলুণ্ঠিত নারী দেহের দুইদিকে পা রাখিয়া একটা নগ্নকায় দৈত্য দাঁড়াইয়া আছে। তাহার দুই চক্ষে জ্বলন্ত অঙ্গার, হাতে একটা ঝকঝকে বাঁকা ছোরা।

    ময়ুরবাহনের চক্ষু ক্রমশ কুঞ্চিত হইয়া আলোকের দুইটি বিন্দুতে পরিণত হইল। তারপর সে হাসিল; কোমর হইতে বিদ্যুৎদ্বেগে অসি বাহির হইয়া আসিল—

    আরে! বাংগালী নটুয়া! তুই এখানে?

    ময়ূরবাহনের হাসিতে পৈশাচিক উল্লাস ফুটিয়া উঠিল। সে তরবারি হস্তে একপদ অগ্রসর হইল।

    বাঘের গুহায় গলা বাড়িয়েছিস! হা হা হাবাংগালী নটুয়া। আজ তোকে কে রক্ষা করবে?

    প্রহ্লাদ ভয়ার্ত চোখে তাহার দীর্ঘ তরবারির দিকে চাহিয়া রহিল। গৌরীর হাতে কেবল ছোরা, অন্য অস্ত্র নাই।

    পিছন হইতে স্বরূপদাসের করুণ স্বর আসিল—দড়ি ছেড়ে দিলেন কেন? নৌকা যে ভেসে যাচ্ছে—

    কেহ কর্ণপাত করিল না; ময়ূরবাহন গৌরীর দিকে আর এক পদ অগ্রসর হইল।

    প্রহ্লাদ সহসা নতজানু অবস্থা হইতে লাফাইয়া উঠিয়া বিকৃতস্বরে চিৎকার করিয়া উঠিল—মহারাজ, পালান—

    ময়ূরবাহনের সাপের মত চোখ প্রহ্লাদের দিকে ফিরিল—তুই বেইমানি করেছিস! তোকেই আগে শেষ করি।

    প্রহ্লাদ তখনও ময়ূরবাহনের তরবারির নাগালের মধ্যে ছিল না, ময়ূরবাহন আর এক পা আগে আসিয়া তরবারি তুলিল।

    প্রয়াদের কানের পাশ দিয়া শাঁই করিয়া একটা শব্দ হইল; একটা আলোর রেখা যেন তাহার পিছন হইতে ছুটিয়া গিয়া ময়ূরবাহনের পঞ্জরের নীচে গাঁথিয়া গেল।

    ডান হাতে উখিত তরবারি, ময়ূরবাহন নিশ্চলভাবে কিছুক্ষণ দাঁড়াইয়া রহিল; তাহার অধরের রক্তিম হাসি ধীরে ধীরে ফ্যাকাসে হইয়া গেল। তারপর উত্থিত তরবারিটা ঝন্‌ ঝন্ শব্দে পাথরের মেঝেয় পড়িল।

    ময়ূরবাহন কিন্তু পড়িল না। একটা অর্ধচক্রাকৃতি পাক খাইয়া সে নিজেকে খাড়া করিয়া রাখিল। আমূলবিদ্ধ ছোরার মুঠ ধরিয়া সেটাকে নিজের দেহ হইতে টানিয়া বাহির করিবার নিষ্ফল চেষ্টা করিল। তাহার মুখ বুকের উপর নত হইয়া পড়িল, চোখে কাচের মত একটা দৃষ্টিহীন স্বচ্ছতার আবরণ পড়িয়া গেল। খলিত পদে গুহ্যদ্বারের কিনারা পর্যন্ত গিয়া যেন অসীম বলে সে নিজেকে রক্ষা করিবার চেষ্টা করিল, কিন্তু পারিল না; মাতালের মত দুইবার টলিয়া হঠাৎ কাৎ হইয়া জলের মধ্যে পড়িয়া গেল।

    প্রহ্লাদ এতক্ষণ জড়ের মত অনড় হইয়া দাঁড়াইয়া ছিল, এখন সচেতন হইয়া ব্যগ্র বিস্ফারিত নেত্রে গৌরীর পানে তাকাইল। গৌরী তেমনি দাঁড়াইয়া আছে, শুধু তাহার হাতে ছোরা নাই।

    প্রহ্লাদ ছুটিয়া জলের কিনারায় গিয়া উঁকি মারিল। ময়ূরবাহনের দেহ সেখানে নাই—হয়তো ড়ুবিয়া গিয়াছে। দাঁড়হীন নৌকাও দুইজন আরোহী লইয়া কোথায় ভাসিয়া গিয়াছে। স্থূলকায় স্টেশনমাস্টার স্বরূপদাস সাঁতার জানে না—অন্য লোকটাও–

    প্রহ্লাদ, আলো নাও—পথ দেখিয়ে ভিতরে নিয়ে চল।

    প্রহ্লাদ ফিরিয়া দেখিল, গৌরী কস্তুরীকে দুই হাতে বুকের কাছে তুলিয়া লইয়াছে।

    .

    রাত্রি শেষ হইতে আর বিলম্ব নাই।

    দুর্গের উপরিভাগে একটি কক্ষ। বোধ হয় অস্ত্রাগার; চারিদিকের দেয়ালে সেকালের প্রাচীন অস্ত্র—ঢাল, তলোয়ার, বল্লুম ইত্যাদি সজ্জিত রহিয়াছে। এতদ্ব্যতীত ঘরটি নিরাভরণ।

    এই ঘরের দ্বারের কাছে সেই লণ্ঠন আলো বিকীর্ণ করিতেছে; আর, ঘরের মধ্যস্থলে গৌরী ও কস্তুরী দাঁড়াইয়া আছে।

    আলোর পীতাভ অস্পষ্টতায় দুইজনকে পৃথকভাবে দেখা যাইতেছে না। কস্তুরীর দুই বাহু গৌরীর কণ্ঠে দৃঢ়বদ্ধ, মুখখানি ক্লান্ত মুদিত কুমুদের মত তাহার নগ্ন বক্ষে নামিয়া পড়িয়াছে। গৌরীর বাহুও এমনভাবে কস্তুরীকে বেষ্টন করিয়া আছে যেন সে-বন্ধন ইহজীবনে আর খুলিবে না।

    দুইজনেই নীরব; কেবল গৌরী মাঝে মাঝে অস্পষ্ট ক্ষুধিত স্বরে বলিতেছে—কস্তুরী-কস্তুরী-কস্তুরী–

    কস্তুরী সাড়া দিতেছে না। সে কি মূৰ্ছিতা? অথবা নিজের দুরবগাহ অনুভূতির অতলে ড়ুবিয়া গিয়াছে।

    রানী! গৌরী তাহার কানের কাছে মুখ লইয়া গিয়া ডাকিল।

    এবার কস্তুরী চোখ খুলিল। ধীরে ধীরে গৌরীর মুখের কাছে মুখ তুলিয়া ধরা-ধরা অস্ফুট স্বরে বলিল—রাজা!

    গৌরী মর্মছেঁড়া হাসি হাসিল—রাজা নয়। সব তো বলেছি কস্তুরী, আমি নগণ্য বিদেশী। এবার ছেড়ে দাও, কর্তব্য শেষ করে চলে যাই।

    কস্তুরীর হাত দুইটি ক্রমশ শিথিল হইয়া গৌরীর কণ্ঠ হইতে খসিয়া পড়িল। সে একটু সরিয়া দাঁড়াইল, কিন্তু তেমনি ধীর অচঞ্চল স্বরে বলিল—চলে যাবে?

    তাছাড়া আর তো পথ নেই কস্তুরী। তুমি ঝিন্দের বাগদত্তা রানী—

    বেশ-যাও। আমারও কিস্তা আছে।

    না না না, ওকথা নয় কস্তুরী। আমি মরি ক্ষতি নেই—কিন্তু তুমি—

    আমি ঝিন্দের রানী হবার জন্যে বেঁচে থাকব! অতি ক্ষীণ হাসি কস্তুরীর অধরপ্রান্তে দেখা দিয়াই মিলাইয়া গেল—তুমি যাও, তোমার কর্তব্য কর গিয়ে, আমার কর্তব্য আমি জানি।

    কস্তুরী, ভালবাসার কাছে আমাদের প্রাণ তুচ্ছ, সে আমি জানি। কিন্তু ইচ্ছে করে মরবে কেন? যদি বেঁচে থাকি—দূর থেকে দুজনে দুজনকে ভালবাসব। হলেই বা তুমি ঝিন্দের রানী, তোমার ভালবাসা তো চিরদিন আমার থাকবে–

    রাজা, তোমাকে যদি না পাই, আমার কিস্তা আছে।

    এই অচঞ্চল উত্তাপহীন দৃঢ়তার সম্মুখে গৌরীর সমস্ত যুক্তি ভাসিয়া গেল; সে যে মিথ্যা যুক্তি দিয়া নিজেকেই ঠকাইবার চেষ্টা করিতেছে, তাহাও বুঝিতে পারিল। একটা গভীর দীর্ঘশ্বাস ফেলিয়া বলিল—বেশ, তাই ভাল। আমি চললাম, রাত শেষ হয়ে গেছে, তুমি এখানেই থাক। যদি রাজাকে উদ্ধার করেও বেঁচে থাকি, তোমার কাছে ফিরে আসব। আর যদি না ফিরি, তখন যা-ইচ্ছে কোরো।

    কস্তুরী দুই বাহু বাড়াইয়া গৌরীর মুখের পানে চাহিল। আয়ত চোখ দুইটিতে ভালবাসা টলটল করিতেছে; লজ্জা নাই, নিজের মনের নিবিড়তম বাসনা গোপন করিয়া তিলমাত্র খর্ব করিবার চেষ্টা নাই। যে মৃত্যুর কিনারায় আসিয়া দাঁড়াইয়াছে, সে লজ্জা করিবে কাহাকে?

    দুঃসহ যন্ত্রণার আর্তস্বর গৌরীর কণ্ঠ পর্যন্ত ঠেলিয়া উঠিল। দুরন্ত আবেগে কস্তুরীর দেহ নিজ বাহুমধ্যে একবার নিষ্পেষিত করিয়া সে ছুটিয়া ঘর হইতে বাহির হইয়া গেল।

    .

    প্রহ্লাদ, একটা অস্ত্র আমাকে দাও।

    প্রহ্লাদ তলোয়ার দিল। সেটা হাতে লইয়া গৌরী হঠাৎ হাসিল, বলিল—চল, এবার উদিতের সঙ্গে দেখা করি; বাংগালী কুত্তার ওপর তার বড় রাগ। প্রহ্লাদ, এই তলোয়ার দিয়ে ঝিন্দের সমস্ত মানুষকে হত্যা করা যায় না? তুমি—আমি—উদিত–ধনঞ্জয়-রুদ্ররূপ–শত্রু-মিত্র কেউ বেঁচে থাকবে না।

    প্রহ্লাদ ভিতরের ব্যাপার বুঝিতে আরম্ভ করিয়াছিল, চুপ করিয়া রহিল। গৌরী বলিল—রাজার কোত-ঘরের পথ দেখিয়ে নিয়ে চল।

    লণ্ঠন হস্তে প্রহ্লাদ আগে আগে চলিল। কয়েক প্রস্থ অপরিসর সিঁড়ি নামিয়া তাহারা অবশেষে এক গোলকধাঁধার মত স্থানে উপস্থিত হইল; সুড়ঙ্গের মত একটা বদ্ধ সঙ্কীর্ণ গলি বাঁকা হইয়া কোথায় চলিয়া গিয়াছে, তাহার একপাশে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র লোহার দরজা। গৌরী বুঝিল, এগুলি দুর্গের প্রাচীন কারাকক্ষ, ইহাদেরই গবাক্ষ বাহির হইতে দেখা যায়।

    এই গলির একটা বাঁকের মুখে এক বদ্ধ দরজার সম্মুখে প্রহ্লাদ দাঁড়াইল; গৌরীকে একটা চোখের ইঙ্গিত জানাইয়া আস্তে আস্তে কবাটে টোকা মারিল।

    ভিতর হইতে শব্দ আসিল—কে?

    আমি প্রহ্লাদ। দরজা খুলুন, ময়ূরবাহন ফিরেছেন।

    দরজার জিঞ্জির খোলার শব্দ হইতে লাগিল। গৌরী প্রহ্লাদের কানে কানে বলিল—তুমি যাও—দুর্গের সিংদরজা খোলার ব্যবস্থা কর।

    প্রহ্লাদ আলো লইয়া দ্রুত অদৃশ্য হইয়া গেল।

    উদিত দরজা খুলিয়া দেখিল, গলিতে অন্ধকার। কক্ষের ভিতরে ক্ষীণ আলোকে তাহার চেহারার রেখা দেখা গেল।

    দরজার উপর দাঁড়াইয়া উদিত বলিল—প্রহ্লাদ, এ কি! আলো আনননি কেন? ময়ূরবাহন ফিরেছে? রানীকে এনেছে?

    সে দরজার বাহিরে আসিয়া দাঁড়াইল—প্রহ্লাদ, তুমি কোথায়? রানীকে এনেছে ময়ূরবাহন? তাহার কণ্ঠস্বরে একটা জঘন্য লুব্ধতা প্রকাশ পাইল।

    গৌরী তাহার দুই হাত দূরে দাঁড়াইয়াছিল, দাঁতে দাঁত চাপিয়া তলোয়ারখানা উদিতের বুকের মধ্যে প্রবেশ করাইয়া দিল। উদিতের কণ্ঠ হইতে একটা বিস্ময়সূচক শব্দ বাহির হইল। আর সে কথা কহিল না, নিঃশব্দে দরজার সম্মুখে পড়িয়া গেল।

    গৌরী তাহার মৃতদেহ লঙ্ঘন করিয়া কক্ষে প্রবেশ করিল।

    শঙ্কর সিং মলিন শয্যায় উঠিয়া বসিয়াছিল ধীরে ধীরে দাঁড়াইল। মোমবাতির আলোয় দুইজনে পরস্পর মুখের পানে চাহিল। শঙ্কর সিংয়ের দেহটাও উদিতের দেহের মতই নশ্বর, শুধু তলোয়ারের একটা আঘাতের ওয়াস্তা।

    তারপর অদ্ভুত হাসিয়া গৌরী বলিল—শঙ্কর সিং, তোমাকে উদ্ধার করতে এসেছি।

    .

    রাত্রি আর নাই; পূর্বাকাশে ঊষা ঝলমল করিতেছে।

    দুর্গপ্রাকারের পাশে দাঁড়াইয়া দুই শঙ্কর সিং অরুণায়মান কিস্তার পানে তাকাইয়া আছে। প্রাকারের কোলে কোলে তখনও রাত্রির নষ্টাবশেষ অন্ধকার জমা হইয়া আছে।

    পাশাপাশি দুই শঙ্কর সিং-চেহারা ও বেশভূষায় কোনো প্রভেদ নাই। দুইজনেই বক্ষ বাহুবদ্ধ করিয়া চিন্তা করিতেছে।

    একজন ভাবিতেছে ফুরাইয়া আসিল আমার ঝিন্দের খেলা। ঐ দুর্গের দ্বার খুলিল। ধনঞ্জয় আসিতেছে—আর দেরি নাই।

    আর একজন ভাবিতেছে—কি ভাবিতেছে সে নিজেই জানে না। বোধ করি সুসংলগ্ন চিন্তা করিবার শক্তিও তাহার নাই।

    প্রাকার-ক্রোড়ের অন্ধকারে কি একটা নড়িল। কেহ লক্ষ্য করিল না। উভয়ের দৃষ্টি দুর-বিন্যস্ত!

    ধনঞ্জয় ও রুদ্ররূপ দুর্গে প্রবেশ করিয়াছে। পাথরের অঙ্গনে তাহাদের জুতার কঠিন শব্দ শুনা যাইতেছে। প্রহ্লাদের গলার আওয়াজ ভাসিয়া আসিল; সে পথ নির্দেশ করিয়া লইয়া আসিতেছে।

    আবার অন্ধকার প্রাকারের ছায়ায় কি নড়িল। দুই শঙ্কর সিং নিশ্চল হইয়া দাঁড়াইয়া আছে।

    পিছনে অস্পষ্ট শব্দ শুনিয়া দুইজনেই ফিরিল।

    একটি নারীমূর্তি তাহাদের অদূরে আসিয়া দাঁড়াইয়াছে! কস্তুরী! দুই শঙ্কর সিং তেমনি দাঁড়াইয়া রহিল।

    সহসা পাংশু নারীমূর্তি অস্ফুট চিৎকার করিয়া তাহাদের কি বলিতে চাহিল। কিন্তু বলিবার পূর্বেই প্রাকারের ছায়াশ্রয় হইতে একটি মূর্তি বাহির হইয়া আসিল। মূর্তিটা টলিতেছে, সর্বাঙ্গ দিয়া জল ঝরিয়া পড়িতেছে, হাতে ছোরা।

    ছোরা একজন শঙ্কর সিংয়ের বুকে বিঁধিল—আমূল বিঁধিয়া গেল। শুধু সোনার কাজকরা মুঠ ঊষালোকে ঝিকমিক করিতে লাগিল।

    নিয়তির করাঙ্কচিহ্নিত ছোরা। এতদিনে বুঝি তাহার কাজ শেষ হইল।

    আততায়ী ও আহত একসঙ্গে পড়িয়া গেল। শঙ্কর সিং নিশ্চল; মহরণাহত ময়ূরবাহনের শেষ নিশ্বাসবায়ুর সঙ্গে একটা অস্ফুট হাসির শব্দ বাহির হইয়া আসিল।

    বিজয়ী বেপরোয়া বিদ্রোহী ময়ূরবাহন।

    ধনঞ্জয় ও রুদ্ররূপ মুক্ত তরবারি হস্তে প্রবেশ করিল।

    একজন শঙ্কর সিং তখনো স্থাণুর মত দাঁড়াইয়া আছে; আর তাহার অদূরে একটি পাংশু নারীমূর্তি ধীরে ধীরে সংজ্ঞা হারাইয়া মাটিতে লুটাইয়া পড়িবার উপক্রম করিতেছে।

    ধনঞ্জয় ক্ষিপ্রদৃষ্টিতে একবার সমস্ত দৃশ্যটা দেখিয়া লইলেন। তারপর কর্কশ কণ্ঠে হুকুম দিলেন—রুদ্ররূপ, এখানে আর কাউকে আসতে দিও না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    মনচোরা – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }