Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঝিন্দের বন্দী – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প208 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৩. অনুমতি

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ
    অনুমতি

    তারপর?

    ধনঞ্জয় বলিলেন— যখন সত্যই বুঝতে পারলাম ইনি শঙ্কর সিং নয়, তখন মন নিরাশায় ভরে গেল। শঙ্কর সিংকে ধরেছি মনে করে যেমন আনন্দ হয়েছিল, ঠিক অনুরূপ বিষাদে বুক অন্ধকার হয়ে গেল। সাতদিনের মধ্যে সারা ভারতবর্ষ খুঁজে একটি লোককে ধরবার চেষ্টা যে আমার কত বড় পাগলামি তা বুঝতে পারলাম। সত্যিই তো! শঙ্কর সিং যদি কলকাতায় না এসে দিল্লী কিম্বা বোম্বাই গিয়ে থাকেন? যদি তিনি অপেক্ষাকৃত অজ্ঞাত কোনো স্থানে লুকিয়ে থাকেন তাহলে তাকে ধরব কি করে? তিনি যে কলকাতায় এসেছেন এ খবর মিথ্যাও তো হতে পারে।

    কিন্তু এ কয়দিনের মধ্যে যদি কুমারকে খুঁজে না পাই তাহলে উপায়? হঠাৎ একটা চিন্তা আমার মাথায় খেলে গেল। কুমারকে যতদিন না পাই ততদিন আর কোনো লোককে শঙ্কর সিং সাজিয়ে কি কাজ চলে না? এই যে বাঙ্গালী যুবাপুরুষটি তলোয়ার খেলছেন এঁকে যদি বিদ্যুৎ চমকের মত এই চিন্তা আমার মাথায় জ্বলে উঠল।

    স্থির হয়ে ভাববার জন্য আমি সেক্রেটারি সাহেবের ঘরে এসে বসলাম। তিনি আমার বিচলিত অবস্থা দেখে যত্ন করে বসালেন এবং নানাপ্রকার আলাপে আমাকে শান্ত করবার চেষ্টা করতে লাগলেন। বাস্তবিক এই বাবুটির মত প্রকৃত সজ্জন আমি খুব কম দেখেছি।

    আমার মাথায় কিন্তু এই সর্বগ্রাসী চিন্তা আগুনের মত জ্বলতেই লাগল। কি উপায়! কি উপায়! শেষে উদিত সিংয়ের কূটবুদ্ধিই জয়ী হবে! আর আমি রাজার কাজে চুল পাকিয়ে শেষে এই চব্বিশ বছরের ছোঁড়ার কাছে বাজিমাৎ হয়ে মুখে কালি মেখে দেশে ফিরে যাব! দেশে ফিরে গিয়ে মুখ দেখাব কি করে? আর সব সহ্য হবে, কিন্তু উদিত সিং আর ময়ূরবাহনের বাঁকা বিদ্রূপভরা হাসি আমার সহ্য হবে না।

    ক্রমে সন্ধ্যা উত্তীর্ণ হয়ে গেল, আমি সেক্রেটারিবাবুর ঘরে বসে ভাবতেই লাগলাম। তিনিও আমায় নিজের চিন্তায় মগ্ন দেখে কাজকর্মে মন দিলেন। তারপর যখন ভেবে আর কোনো কূলকিনারা পাচ্ছি না, এমন সময় ইনি তলোয়ার খেলা শেষ করে অন্যান্য কয়েকজন লোকের সঙ্গে গল্প করতে করতে সামনে দিয়ে বেরিয়ে গেলেন।

    আর ভাবতে পারলাম না। মনে করলাম, নিয়তির মনে যা আছে তা যখন হবেই এবং ঝি রাজ্যটাকে বাজি ধরে যখন জুয়া খেলতেই বসেছি, তখন একবার ভাল করেই জুয়া খেলব। সর্বস্ব হারানোই যদি ভাগ্যে থাকে তবে খেলার উত্তেজনা থেকে বঞ্চিত হই কেন? না খেললেও সেই হারতেই হবে!–সেক্রেটারিবাবুর কাছ থেকে ওঁর ঠিকানা নিয়ে বেরিয়ে পড়লাম।

    তারপর এখানে এসে যখন এই ছবিখানার ওপর চোখ পড়ল তখন বুঝলাম যে আমি নিয়তির হাতের খেলার পুতুল মাত্র; আমি যদি না আসতাম নিয়তি কান ধরে আমাকে এখানে টেনে আনত। বাবুজি, এ দুনিয়াটা একটা সতরঞ্চের ছক, দেড় শতাব্দী আগে সুদূর মধ্যভারতের এক খেলোয়াড় যে চাল দিয়েছিলেন, আজ তার পাল্টা চাল দেবার জন্যে আপনার ডাক পড়েছে। এ ডাক অমান্য করবার উপায় নেই— এ খেলা খেলতেই হবে। এই নিয়তির বিধান।

    ধনঞ্জয় ক্ষেত্রী মৌন হইলেন। প্রায় পাঁচমিনিট কাল ঘরের মধ্যে স্তব্ধতা বিরাজ করিতে লাগিল। তারপর হঠাৎ গৌরীশঙ্কর উচ্চ হাসিয়া উঠিয়া দাঁড়াইল। বলিল— আমি রাজী। রাজা হবার সুযোগ জীবনে একবার বই দুবার আসে না, অতএব এ সুযোগ ছাড়া যেতে পারে না। ভগবান যখন রাজকুমারের মত চেহারাটা ভুল করে দিয়ে ফেলেছেন, তখন দিনকতক রাজত্ব করে নেওয়া যাক। দাদা, কি বল?

    শিবশঙ্কর বলিলেন— না ভেবে-চিন্তে কোনো কথা বলা ঠিক নয়। রাজা হবার বিপদও তো আছে। এই রকম একটা অদ্ভুত প্রস্তাবে খামকা রাজী না হয়ে অগ্রপশ্চাৎ ভেবে দেখা উচিত।

    গৌরী হাসিয়া বলিল— দাদা, কথাটা নেহাৎ লোলচর্ম বৃদ্ধের মত হল। মুর্তিমান রোমান্স আমাদের বাড়ি বয়ে এসে চেয়ারে আমাদের মুখ চেয়ে বসে আছেন, আর আমরা কিনা অগ্রপশ্চাৎ ভেবে সময় নষ্ট করব?

    —যৌবন রে, তুই কি রবি সুখের খাঁচাতে।
    তুই যে পারিস কাঁটাগাছের উচ্চ ডালের পরে পুচ্ছ নাচাতে!

    শিবশঙ্কর ঈষৎ অধীর কণ্ঠে বলিলেন–পুচ্ছ নাচাতে পারলেও সে কাজটা সব সময় শোভন এবং রুচিসঙ্গত নয়। গৌরী, তুই চুপ করে বস, আমি এঁকে গোটাকয়েক কথা জিজ্ঞাসা করি। ধনঞ্জয়ের দিকে ফিরিয়া বলিলেন–দেখুন, আমার ভাই রাজা-রাজড়ার চালচলন রীতিনীতি কিছু জানেন না, সুতরাং রাজা সাজতে গেলে তাঁর ধরা পড়বার সম্ভাবনা খুব বেশী।

    ধনঞ্জয় বলিলেন— সম্ভাবনা একেবারে নেই তা বলতে পারি না; তবে আমি যতক্ষণ সঙ্গে থাকব ততক্ষণ নেই।

    শিবশঙ্কর বলিলেন— দ্বিতীয়ত ঝি দেশের প্রচলিত ভাষা ওঁর জানা নেই। এ একটা মস্ত আপত্তি।

    ধনঞ্জয় বলিলেন— আমরা উপস্থিত যে ভাষায় কথা কইছি, তাই ঝিন্দের প্রচলিত ভাষা; এ ভাষায় আপনার ভাই তো চমৎকার কথা বলেন।

    শিবশঙ্কর বলিলেন–তা যেন হল। কিন্তু ধরুন, কোনো কারণে আমার ভাই যদি জাল রাজা বলে ধরা পড়েন, তখন তো তাঁর বিপদ হতে পারে।

    ধনঞ্জয় ঈষৎ চিন্তা করিয়া বলিলেন— বিপদের আশঙ্কা আছে অবশ্যই। কিন্তু বাবুসাব, বিপদের ভয়ে যদি চুপ করে বসে থাকতে হয় তাহলে তো কোনো কাজই করা চলে না।

    শিবশঙ্কর পুনশ্চ বলিলেন—প্রাণের আশঙ্কাও থাকতে পারে?

    ধনঞ্জয় ঘাড় নাড়িয়া ঈষৎ ব্যঙ্গের সুরে কহিলেন— তা থাকতে পারে বৈকি।

    আমি আমার ভাইকে যেতে দিতে পারি না।

    ধনঞ্জয় আস্তে আস্তে চেয়ার ছাড়িয়া উঠিয়া দাঁড়াইলেন। তাঁহার ওষ্ঠাধর বিদ্রূপের হাসিতে বাঁকা হইয়া উঠিল; বলিলেন–তবে কি বুঝব বাঙ্গালী জাতটা সত্যই ভীরু! এ নিন্দা আমি অনেকের মুখে শুনেছি বটে কিন্তু এতদিন বিশ্বাস করিনি।

    শিবশঙ্করের মুখ লাল হইয়া উঠিল, বলিলেন–সখ করে পরের বিপদ ঘাড়ে না নেওয়া ভীরুতা নয়।

    ধনঞ্জয় বলিলেন— সব বিপদ থেকে নিজের প্রাণটুকু সাবধানে বাঁচিয়ে চলা সুবুদ্ধির কাজ হতে পারে, সাহসের কাজ নয় বাবুজি।

    শিবশঙ্কর বলিলেন–আমি তর্ক করতে চাই না। আপনার এ প্রস্তাবে আমার মত নেই।

    ধনঞ্জয় গৌরীর দিকে ফিরিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন— আপনারও কি এই মত?

    গৌরী মিনতির চক্ষে একবার দাদার দিকে চাহিল— কোনো উত্তর দিল না।

    ধনঞ্জয় একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলিয়া বলিলেন—অন্য কোনো প্রদেশের—মারাঠী কি গুজরাটী যুবককে যদি এ প্রস্তাব করতাম, সে এক মুহূর্ত বিলম্ব করত না। আর আপনারা দেওয়ান কালীশঙ্করের বংশধর! যাক–আমার আর কিছু বলবার নেই।

    শিবশঙ্কর উঠিয়া ঘরময় পায়চারি করিতে লাগিলেন। তারপর ফিরিয়া আসিয়া ধনঞ্জয়ের সম্মুখে দাঁড়াইয়া বলিলেন–আমাদের পূর্বপুরুষ কালীশঙ্করের সম্বন্ধে আপনি অনেক কথা জানেন এই ইঙ্গিত কয়েকবার করেছেন। শেষ বয়সে তিনি খুন হয়েছিলেন এ খবর আপনার জানা আছে কি?

    খুন হয়েছিলেন?

    হ্যাঁ। আমার এখন সন্দেহ হচ্ছে আপনারই দেশের কোনো লোক তাঁকে খুন করিয়েছিল।

    তার কোনো প্রমাণ আছে কি?

    প্রমাণ কিছু নেই। শুধু একখানা ছোরা আছে যা দিয়ে তাঁকে খুন করা হয়েছিল।

    শুধু একখানা ছোরা?

    হ্যাঁ।

    ছোরাখানা একবার দেখতে পারি কি?

    চাবি দিয়া টেবলের দেরাজ খুলিয়া শিবশঙ্কর একটা গহনার বাক্সের মত চ্যাপ্টা ধরনের মখমলের বাক্স বাহির করিলেন। তারপর সেটা খুলিয়া মখমলের খাঁজকাটা আসনের উপর হইতে সাবধানে ছুরিখানা তুলিয়া ধনঞ্জয়ের হাতে দিলেন। ঝকঝকে ধারালো প্রায় পনের ইঞ্চি লম্বা ভোজালীর মত ঈষৎ বাঁকা বিচিত্র গঠনের ছুরি— কোথাও মলিনতা বা মরিচার একটু চিহ্ন নাই। সোনার মুঠ এবং ইস্পাতের ফলা যেন বিদ্যুতের আলোয় হাসিয়া উঠিল।

    ধনঞ্জয় গভীর মনঃসংযোগে ছোরাখানা উল্টাইয়া পাল্টাইয়া দেখিতে লাগিলেন। তাঁহার লোহার মত মুখ যেন আরো কঠিন হইয়া উঠিল। কিছুক্ষণ পরে গলাটা পরিষ্কার করিয়া তিনি নিম্নস্বরে বলিলেন–এতদিনে কালীশঙ্করের জীবনের ইতিহাস আমার কাছে সম্পূর্ণ হল। এই উপসংহারটুকুই আমি জানতাম না বাবুজি।

    তারপর ছোরাখানা তুলিয়া ধরিয়া বলিলেন–এ ছোরা কার জানেন? ঝিন্ রাজবংশের। বংশের আদিপুরুষ স্মরজিৎ সিংহের আমল থেকে এ ছুরি রাজবংশের দণ্ড মুকুটের মত মহামূল্য সম্পত্তি বলে চলে আসছিল। তারপর হঠাৎ শতবর্ষ পূর্বে ছুরিখানা আর খুঁজে পাওয়া যায় না। এ  ছুরি যে আপনার বংশে এসে আশ্রয় নিয়েছে তা বোধ হয় একজন ছাড়া আর কেউ জানত না। ছুরির মুঠের উপর কতকগুলি অক্ষর খোদাই করা আছে— পড়তে পারেন কি?

    শিবশঙ্কর বলিলেন— না, আমি অনেক চেষ্টা করেও পড়তে পারিনি।

    ধনঞ্জয় বলিলেন— এ অক্ষরগুলি প্রাচীন সৌরসেনী ভাষায় লেখা। এর অর্থ হচ্ছে যে আমার বংশে কলঙ্কারোপ করবে এই ছুরি তার জন্য।

    শিবশঙ্কর ছুরিখানা নিজের হাতে লইয়া লেখাগুলি পরীক্ষা করিতে করিতে অন্যমনস্কে বলিলেন— হতেও পারে— হতেও পারে। তারপর?

    ধনঞ্জয় বলিলেন–তারপর আর কিছু নেই। এই ছুরি একদিন যে রক্তে রাঙা হয়ে উঠেছিল, সেই রক্ত আপনাদের শরীরে বইছে। সেই রক্ত আজ আপনাদের ডাকছে ঝিন্দে যাবার জন্য। আপনারা শুনতে পাচ্ছেন না? আশ্চর্য!

    গৌরীশঙ্কর বলিয়া উঠিল— আমি শুনতে পাচ্ছি।–দাদা, অনুমতি দাও আমি যাব।

    শিবশঙ্কর অত্যন্ত বিচলিত হইয়া বলিলেন–কিন্তু কিন্তু-অজানা দেশ কতরকম বিপদ—

    গৌরী বলিল—আমি ছেলেমানুষ নই। তুমি মন খুলে অনুমতি দাও, কোনো বিপদ হবে না।

    শিবশঙ্কর বলিলেন— তা না হয়–কিন্তু—

    ধনঞ্জয়ের মুখের বাঁকা বিদ্রূপ আরও ক্ষুরধার হইয়া উঠিল। গৌরী ছুরিখানা টেবলের উপর হইতে তুলিয়া লইয়া তীক্ষকণ্ঠে বলিল–দাদা, ফের যদি সর্দার আমাদের ভীরু বলবার অবকাশ পায়, তাহলে এই ছুরি দিয়ে আমি একটা বিশ্রী কাণ্ড করে ফেলব। বারবার ভীরু অপবাদ আমার সহ্য হবে না।

    শিবশঙ্কর চেয়ারে বসিয়া পড়িলেন। কিছুক্ষণ মাথায় হাত দিয়া বসিয়া থাকিয়া হঠাৎ দাঁড়াইয়া উঠিয়া বলিলেন– আচ্ছা যা—আমি অনুমতি দিলাম। তারপর ধনঞ্জয়ের দিকে ফিরিয়া বলিলেন— দেখুন, আমরা এই বাঙালী জাতটা, যতক্ষণ মাথা ঠাণ্ডা থাকে ততক্ষণ সহজে ঘর থেকে বার হই না—পাছে রাস্তায় কুকুরে কামড়ায় কিম্বা গাড়ি চাপা পড়ি; কিন্তু একবার রক্ত গরম হলে আর রক্ষে নেই, তখন একলাফে একেবারে দুঃসাহসিকতার চরম সীমায় পৌঁছে যাই। ছুরিখানা গৌরীর হাত হইতে লইয়া বলিলেন–এর ওপর ঝিন্দের রাজার আর কোনো অধিকার নেই। রক্তের দাম দিয়ে আমাদের পূর্বপুরুষ একে কিনে নিয়েছেন; এ ছুরি আমাদের বংশের। সুতরাং আমি এ ছুরি হাতে নিয়ে বলতে পারি-যে আমার বংশে কলঙ্কারোপ করবে, এ ছুরি তার জন্য। সাবধান সদর ধনঞ্জয়! ভীরু বলে যেন আমার বংশে কলঙ্কারোপ করবেন না। বলিয়া সহাস্যে ধনঞ্জয়ের মুখের দিকে চাহিলেন।

    ধনঞ্জয় দ্রুত আসিয়া দুই হাতে দুই ভায়ের হাত ধরিলেন, উচ্ছ্বসিতকণ্ঠে বলিলেন— আমি জানতাম আমি জানতাম বাবুজি। কালীশঙ্কর রাওয়ের বংশধর কখনো ভীরু হতে পারে না।

    রাত্রে আহারাদির পর দুই ভাই এবং অচলা পুনরায় লাইব্রেরি ঘরে আসিয়া বসিলেন। গৌরী এবং শিবশঙ্কর দুইজনেই অন্যমনস্ক—অনেকক্ষণ কোনো কথা হইল না। শেষে অচলা বলিল— কি হল তোমাদের? মুখে একটি কথা নেই—এত ভাবছ কি?

    শিবশঙ্কর চেয়ারে নড়িয়া চড়িয়া বসিয়া বলিলেন—গৌরী কাল বিদেশে যাচ্ছে।

    অচলা বলিল——কৈ আগে তো কিছু শুনিনি, কখন ঠিক করলে?

    গৌরী বলিল— আজই। আবার কিছুদিন ঘুরে আসা যাক বৌদি।

    অচলা বলিল—সত্যিই ঘটকের ভয়ে পালাচ্ছ নাকি ঠাকুরপো?

    গৌরী হাসিয়া বলিল— না গো না। এবার দেখো না, তুমি যা চাও তাই একটা ধরে নিয়ে আসব। আর তা যদি নিতান্তই না পারি, অন্তত নিজে সশরীরে ফিরে আসবই।

    অচলা শঙ্কিত হইয়া বলিল–ও কি কথা ঠাকুরপো। কোথায় যাচ্ছ ঠিক করে বল।

    গৌরী বলিল— বলবার উপায় নেই বৌদি—প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ফিরে এসে যদি পারি বলব। ততদিন আমাদের ঘরের অচলা লক্ষ্মীটির মত ধৈর্য ধরে থেকো।

    অচলার চোখে জল আসিয়া পড়িল, সে চোখ মুছিয়া বলিল— কি কাজে যাচ্ছ তুমিই জান; আমার কিন্তু বড্ড ভয় করছে তোমাদের কথা শুনে।

    গৌরী বলিল— এই দেখ! একেবারে কান্না? এই জন্যই শাস্ত্রে বলেছে-নারী নদীবৎ— স্রেফ জল। তোমাদের নিংড়োলে কতখানি করে জল বেরোয় বল তো বৌদি?

    অচলা উত্তর দিল না। গৌরীর জোর করিয়া পরিহাসের চেষ্টা অন্য দুইজনের আশঙ্কা-ভারাক্রান্ত মনে কোথাও আশ্রয় না পাইয়া যেন ঘরের আবহাওয়াকে আরও মুহ্যমান করিয়া তুলিল।

    অনেকক্ষণ পরে একটা দীর্ঘনিশ্বাস ফেলিয়া শিবশঙ্কর বলিলেন–রাত হল, গৌরী, শুগে যা। কালীশঙ্করের ইতিহাস যদি কিছু পাস্-নোট করে নি। আর এই ছুরিখানাও তুই সঙ্গে রাখ। বলিয়া দেরাজ হইতে আবার ছোরাটা বাহির করিয়া গৌরীর হাতে দিলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    Related Articles

    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    কবিতাসংগ্রহ – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    দাদার কীর্তি – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিষের ধোঁয়া – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    রিমঝিম – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    ছায়াপথিক – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    মনচোরা – শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

    November 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }