Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    টয়লার্স অভ দ্য সী – ভিক্টর হুগো

    ভিক্টর হুগো এক পাতা গল্প122 Mins Read0
    ⤶

    ১৫. সাগরতীর থেকে

    পনেরো

    সাগরতীর থেকে খানিকটা ভেতরে, স্যামসনের এক প্রান্তে সেইন্ট পিটার গির্জা। নিয়মিত প্রার্থনাকারীদের কেউই আজ গির্জায় আসেনি গ্রাম ফাঁকা বলে।

    গ্রাম ফাঁকা কারণ গিলিয়াত নামের সেই হতচ্ছাড়া, ভবঘুরে ছেলেটা ভয়ঙ্কর ডোভার থেকে শেষ পর্যন্ত সত্যি সত্যি দূরান্দের এনজিন উদ্ধার করে নিয়ে এসেছে, এ খবর ছড়িয়ে পড়তে গ্রামের ছেলে-বুড়ো সবাই জাহাজ ঘাটে ছুটে গেছে।

    সকাল দশটায় গির্জায় এসে ঢুকল রেভারেন্ড কড্রে, দেরুশেত ও গিলিয়াত। ক্লান্ত দেহে রাত জাগার ফলে শুকনো মুখটা আরও শুকিয়ে এতটুকুন গেছে গিলিয়াতের! ভীষণ ক্লান্ত আর অন্যমনস্ক লাগছে ওকে। ওদিকে বর-কনের মুখে কথা নেই। জড়পিণ্ডের মত হাঁটছে ওরা।

    ভেতরে একটা টেবিল ঘিরে বসে আছে তিনজন লোক। সৌম্য চেহারার ফাদার, গির্জার সচিব ও বিয়ে রেজিস্ট্রি করানোর দায়িত্বে নিয়োজিত এক কর্মচারী। তাদেরই গির্জার এক রেভারেন্ডের সাথে মাদামোয়াজেল দেরুশেতের বিয়ে রেজিস্ট্রি করাতে হবে, তাই পাত্র-পাত্রী ও পাত্রীর অভিভাবকের অপেক্ষায় আছে লোকগুলো।

    বিয়ে সংক্রান্ত সমস্ত কাগজপত্র তৈরি করাই আছে, এখন শুধু বর-কনে কিছু ফাঁকা ঘর পূরণ করে স্বাক্ষর করে দিলেই হয়। কনেসহ বর রেভারেন্ড কড্রে ও গিলিয়াতকে ভেতরে ঢুকতে দেখে উঠে দাঁড়ালেন ফাদার ও অন্য তিনজন। ফাদারের সৌমা মুখে হাসি ফুটল।

    আসুন, আসুন! আমরা আপনাদের জন্যেই অপেক্ষা করছি। সব কিছু ঠিক করা আছে, অনুষ্ঠান শুরু করতে বিশেষ কোন বাধা নেই।

    একটু থামলেন তিনি। একে একে তাদের তিনজনকে দেখে নিয়ে বললেন, আপনাদের বিয়ে রেজিস্ট্রি করানোর আবেদন আরও আগে পেলে ভাল হতো, এত আড়াহুড়ো করতে হতো না। যাই হোক, সমস্ত আয়োজন সারা হয়ে গেছে।

    বরের পক্ষে বিয়ের সাক্ষী হবেন আমাদের গির্জার সচিব, কি কনের পক্ষে  কথা শেষ না করে প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে গিলিয়াতের দিকে তাকালেন ফাদার। তার অনুচ্চারিত প্রশ্নের জবাবে মাথা নাড়ল যুবক-কনের পক্ষে ও নিজে সাক্ষী হবে।

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বইয়ের
    বিনামূল্যে বই

     

    তাহলে আর কি! ফাদার মাথা নাড়লেন। ঠিকই আছে, আর বিশেষ কোন সমস্যা নেই।

    আড়চোখে এক পলক গিলিয়াতকে দেখল বর রেভারেন্ড কড়ে! লোকটার ডোভর অভিযানে যাওয়ার মূল প্রেরণার উৎস কি ছিল, সে কথা এখন আর অজানা নেই তার। কাজেই সঙ্কোচ বোধ করছে সে। ওদিকে দেশতও আড়ষ্ট হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ওদের বিয়ে দিতে গিলিয়াত এত ব্যগ্র কেন, তাই ভাবছে সকাল থেকে!

    না, একটু ভুল হলো, ক্ষমা প্রার্থনার দৃষ্টিতে কড্রের দিকে তাকালেন ফাদার। সমস্যা একটা এখনও আছে, গিলিয়াতকে নির্দেশ করলেন। আজ খুব ভোরে এই ভদ্রলোক এসে মাদামোয়াজেল দেরুশেতের বাবার হয়ে আপনাদের বিয়ের অনুমতির জন্যে লিখিত আবেদন করেছেন।

    এঁর মুখে শুনেছি, মঁশিয়ে লেতিয়ারি খুব জরুরি এক কাজে ব্যস্ত বলে বিয়েতে থাকতে পারবেন না। কিন্তু তিনি চান, বিয়েটা যেন আজ সকালের মধ্যেই হয়ে যায়। তার ইচ্ছের ব্যাপারে আমাদের সন্দেহ করার কিছু নেই।

    কিন্তু আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে মঁশিয়ে লেতিয়ারি স্বয়ং কনের বাবা ও অভিভাবক। এরকম ক্ষেত্রে আমাদের গির্জার আইনমতে কিছুটা সমস্যা আছে। তা হচ্ছে, কনের অভিভাবকের মৌখিক ইচ্ছেকেই যথেষ্ট বলে মনে করে না আমাদের আইন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা বই
    সাহিত্য পত্রিকা
    বইয়ের
    বাংলা কমিকস
    বাংলা সাহিত্য

     

    এ জন্যে লিখিত প্রয়োজন। মঁশিয়ে লেতিয়ারির নিজ হাতে লেখা একটা চিঠি বা ওরকম কিছু একটা হলে ভাল হয়, আবার ক্ষমা প্রার্থনার হাসি হাসলেন ফাদার। আপনারা নিশ্চই বুঝতে পারছেন …।

    নড়ে উঠল গিলিয়াত! পকেট থেকে এক টুকরো ভাজ করা কাগজ বের করে ফাদারের দিকে এগিয়ে দিয়ে বলল, এই নিন ফাদার, এ ব্যাপারে সঁশিয়ে লেতিয়ারির নিজ হাতে লেখা চিঠি। পড়ে দেখুন। আর তাড়াতাড়ি করুন দয়া করে। এ জন্যে দেরি করার প্রয়োজন দেখি না আমি।

    ভাঁজ খুলে কাগজটা দেখলেন ফাদার। ছোট্ট একটা চিঠি, ওই দিনের তারিখে লেখা।

    সেটা এরকম : ফাদারের কাছ থেকে বিয়ের অনুমতিপত্র চেয়ে নিয়ে এসো। আমি চাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তোমাদের বিয়েটা হয়ে যাক। আর একটুও দেরি করতে রাজি নই আমি।

    -লেতিয়ারি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বইয়ের
    বাংলা কবিতা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    চিরকুটটা ভাঁজ করে টেবিলে রেখে দিলেন ফাদার। মুখ তুলে প্রশ্নবোধক দৃষ্টিতে গিলিয়াতের দিকে তাকালেন।

    এতে কিন্তু কিছুই প্রমাণ হয় না, সঁশিয়ে। শিয়ে লেতিয়ারির সই থাকলেও এটা কাকে লেখা, বোঝা গেল না। কোন সমোধন বা সেরকম কিছুই নেই।

    চিঠিতে বিয়ের কথা আছে বটে, কিন্তু কার সঙ্গে কার বিয়ে, সে ব্যাপারেও কিছু লেখেননি মঁশিয়ে লেতিয়ারি। পড়ে তো আমার মনে হয়, পত্রবাহক যে-ই হোন, তার নিজের বিয়ের ব্যাপারে বলা হয়েছে এটায়।

    একটু থামলেন ফাদার। তবে ভদ্রলোক নিজেই যখন এ বিয়ের সাক্ষী হতে এসেছেন, নিজেই বলছেন এটা এই দুজনের বিয়ের ব্যাপারেই লিখেছেন মঁশিয়ে লেতিয়ারি, তখন চিঠিটাকে বিয়ের প্রধান দলিল হিসেবে গ্রহন করতে আমাদের আপত্তির কিছু থাকতে পারে না।

    আমাদের একজন সহকর্মীর বিয়ের ক্ষেত্রে এরচেয়ে বড় প্রমাণ আর দরকার নেই। এবার তাহলে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করে দেয়া যেতে পারে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    অনলাইন বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বুক শেল্ফ
    বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    ধীরে ধীরে বসলেন বৃদ্ধ ফাদার। কলমদানী থেকে কলম তুলে নিয়ে বিয়ের দলিলের শূন্য ঘরগুলো নিজেই একে একে পূরণ করতে লাগলেন।

    কাজটা শেষ হতে বর ও কনেকে কাছে ডাকলেন। হাত ধরাধরি করে ধীর পায়ে টেবিলটার দিকে এগোল কড্রে ও দেরুশেত। ওদের জীবনের এক পরম লগ্ন এটা, তাই দুজনেই মনে মনে উত্তেজিত। গিলিয়াত একটু দূরের এক পিলারের আড়ালে দাঁড়িয়ে আছে, দেরুশেতকে দেখছে একদৃষ্টে।

    চোখের সামনে বাইবেল মেলে ধরে বিয়ের গৎ বাঁধা শ্লোক আওড়ালেন ফাদার, তারপর মুখ তুলে অমুকের সঙ্গে তমুকের বিয়ে ঘোষণা করে জিজ্ঞেস করলেন, এই দুজনের বিয়েতে কারও কোনরকম আপত্তি বা বাধা আছে বলে জানা আছে। আপনাদের কারও?

    কেউ জবাব দিল না দেখে সন্তুষ্ট হলেন ফাদার। কনে সম্প্ৰদান কে করবেন?

    গিলিয়াত আড়াল থেকে বেরিয়ে এল। আমি, ফাদার।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ই-বুক রিডার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    পিডিএফ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা লাইব্রেরী

     

    অদ্ভুত এক নীরবতা নেমে এল গির্জার হলরুমে, আপনজনকে একান্ত করে পাওয়ার আনন্দের মাঝেও একটা অস্বস্তিকর অনুভুতি অনবরত খুঁচিয়ে চলেছে কড্রে ও দেরুশেতকে। কেউই গিলিয়াতের দিকে চোখ তুলে তাকাতে পারছে না।

    বিয়ের আংটি কোথায়? ফাদারের প্রশ্নে নীরবতা ভঙ্গ হলো। লজ্জায় পড়ে গেল কড্রে। অসহায়ের মত এদিক-ওদিক তাকাতে লাগল। হুড়োহুড়িতে কনের জন্যে আংটির ব্যবস্থা করা হয়ে ওঠেনি। কথাটা মনেই ছিল না। গিলিয়াত উদ্ধার করল তাকে। ওর নিজের হাতের একমাত্র আংটিটা খুলে নীরবে তার হাতে তুলে দিল।

    চরম বিব্রত চেহারায় ওটা নিল কড্রে, কোনমতে দেরুশেতের কম্পিত বাঁ হাতের অনামিকায় পরিয়ে দিয়ে ফাদারের সাথে গলা মিলিয়ে ওকে আমৃত্যু সহধর্মিনী হিসেবে গ্রহন করার ঘোষণা উচ্চারণ করল।

    ***

    জাহাজঘাটে বেজায় ভিড়। গোটা স্যামসন ভেঙে পড়েছে যেন দুরান্দের এনজিন দেখতে। ওদিকে লেতিয়ারি নিজের বিছানায় শুয়ে রয়েছে। ভীষণ আনমনা সে, গম্ভীর।

     

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

     

    কিছু ভাবছে। হয়তো গিলিয়াত আর দেরুশেতের কথাই ভাবছে। বেলা তো কম হলো না, এতক্ষণে ওদের বিয়ে হয়ে গেছে নিশ্চয়ই!

    সেই সকাল থেকে এ পর্যন্ত মেয়েকে দেখেনি লেতিয়ারি। কখন গিলিয়াতের সাথে গির্জায় চলে গেছে কে জানে! বিয়ের জন্যে এতই ব্যস্ত যে বুড়ো বাপের কথা একবারও মনেই পড়েনি হয়তো, ভাবছে সে।

    তা ব্যস্ত হওয়ারই কথা। যে নিজের জীবনের মায়া তুচ্ছ করে লেতিয়ারিকে তার মেয়েসহ পথে বসার হাত থেকে উদ্ধার করেছে, জন্ম-জন্মান্তরের জন্যে ঋণী করে ফেলেছে তাদেরকে, তার মত একজন বীরকে স্বামীত্বে বরণ করার মত সৌভাগ্য কজন মেয়ের হয়? হোক না সে হতচ্ছাড়া ভবঘুরে।

    এতক্ষণে নিশ্চয়ই বিয়ে হয়ে গেছে ওদের, ভাবল বৃদ্ধ। বলা যায় না, যে কোন মুহূর্তে তার আর্শীবাদ নিতে ফিরে আসবে ওরা! কথাটা মনে হতেই ধড়মড় করে উঠে বসল লেতিয়ারি।

    হায়! যদি জানত কি অকল্পনীয় নাটক চলছে তখন সেইন্ট পিটার গির্জায়। যদি জানত তার সমস্ত স্বপ্নসাধ ভেঙে খানখান হয়ে গেছে ততক্ষণে! কিছুই জানতে পারল না বৃদ্ধ। জান। কেবল নিষ্ঠুর বিধাতা।

     

    আরও দেখুন
    বইয়ের
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা উপন্যাস
    গ্রন্থাগার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    পিডিএফ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ই-বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    Library

     

    অন্তরীক্ষে বসে নির্বিকার চিত্তে সেই বিয়োগান্তক নাটক উপভোগ করছে সে প্রাণ ভরে।

    ***

    বিয়ে সেরে ওরা যখন গির্জা থেকে বের হলো, ঘাটে তখন কাশমিরের ছেড়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়া প্রায় শেষ। ওটায় করে আজ, এখনই সস্ত্রীক লন্ডনে চলে যাচ্ছে কড়ে।

    উপায় নেই, যেতেই হবে। নইলে মামার শেষকৃত্যে যোগ দিতে পারবে না সে।

    চলুন, চলুন! ওদের দেরি হয়ে যাচ্ছে দেখে ব্যস্ত হয়ে উঠল গিলিয়াত। জাহাজ ছাড়ার সময় হয়ে গেছে দেখছেন না!

    ওর দিকে চকিতে একপলক তাকিয়েই চোখ নামিয়ে নিল দেরুশেত। আজ ভোরবেলা থেকে তাদের দুজনের বিয়ে নিয়ে মানুষটা যে তৎপরতা দেখাল, ব্যাপারটা রীতিমত রহস্যময় লাগছে ওর। কিন্তু সে ভাবনা বেশিক্ষণ স্থায়ী হলো না মনে, ভবিষ্যতের রঙিন স্বপ্নে বিভোর হয়ে পড়ল দেরুশেত।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    ই-বুক রিডার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা লাইব্রেরী
    বই
    অনলাইন বুক
    PDF
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী

     

    জাহাজ ছাড়তে সত্যি আর দেরি নেই, এখন লেতিয়ারির সাথে দেখা করে তার আশীর্বাদ নিতে গেলে সমস্যা হয়ে যাবে। তাই ঠিক হলো, আজ আর তার সাথে দেখা করতে যাবে না বর-কনে। বরং লন্ডন থেকে একটা চিঠিতে বৃদ্ধকে এর কারণ পুলে জানাবে তারা। লেতিয়ারি যে এ বিয়েতে মত দিয়েছে, তাতে দেরুশেত বা কড্রের মনে কোন সন্দেহ নেই। কারণ অনুমতি দিয়ে লেখা তার চিঠি তো তারা দেখেছে। কাজেই বিশেষ কারণে দেখা করতে না পারার ক্রটি নিশ্চয়ই ক্ষমা করে দেবে সে।

    জোর পা চালিয়ে আগে আগে জাহাজ ঘাটের দিকে চলল দেরুশেত ও কড্রে, গিলিয়াত রয়েছে ওদের একটু পিছনে। উপযুক্ত জেটির অভাবে এখানে তীর থেকে সরাসরি জাহাজে চড়ার উপায় নেই, নৌকায় করে উঠতে হয়। তাই নৌকার দিকে এগোল ওরা।

    কড্রে আগে উঠল নৌকায়। দেরুশেত তাকে অনুসরণ করতে যাচ্ছিল, এই সময় পিছন থেকে গাউনে টান পড়তে ঘুরে তাকাল। দেখল গিলিয়াত ওর গাউনের প্রান্ত ধরে আছে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লাইব্রেরী
    বই পড়ুন
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    গ্রন্থাগার
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা গল্প
    সেবা প্রকাশনী বই

     

    কোনরকম প্রস্তুতি ছাড়াই হঠাৎ করে বিদেশে চলে যেতে হচ্ছে, চোখাচোখি হতে অপ্রস্তুতের মত হাসল যুবক, জামা কাপড় কিছুই তো নিয়ে যেতে পরলে না। কিন্তু ওসব ছাড়া চলবে কি করে? তাই জাহাজে তোমাদের কেবিনে একটা বড় বাক্স রেখে এসেছি আমি, ওর মধ্যে মেয়েদের কয়েক সেট পোশাক আছে। সব নতুন।

    একটু দ্বিধাগ্রস্থ দেখাল গিলিয়াতকে। ওগুলো আমার মা জমিয়ে রেখেছিলেন নিজের ছেলের বউ এলে তাকে দেবেন বলে। তুমি ওগুলো গ্রহন করলে আমি খুশি হবো!

    বলার মত কিছু খুঁজে পেল না দেরুশেত, কেবল ফ্যাল ফ্যাল করে ওর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকল।

    গিলিয়াত নিচু স্বরে বলে চলল, তোমাকে কোনদিন নিজের মনের কথা বলা হয়নি আমার। জীবনে আর কখনও হবেও না, তাই এই ফাঁকে কয়েকটা কথা বলে নিই।

    যেদিন দুরান্দের ডুবে যাওয়ার খবর আসে, সেদিন আরও অনেকের সাথে তুমিও ছিলে তোমাদের বৈঠকখানায়। তখন সাময়িক উত্তেজনাবশেই বোধহয় সেখানে একটা প্রতিজ্ঞা করে বসেছিলে তুমি।

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বই পড়ুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বুক শেল্ফ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    সেবা প্রকাশনীর বই

     

    এখন বুঝতে পারছি একটা কথার কথা ছিল সেটা। মঁশিয়ে লেতিয়ারিও ঈশ্বরের নামে শপথ করে একই ধরনের কথা বলেছিল সে সময়ে। কথাটা তোমার মনে নেই, বুঝতে পারছি। তা ভুলে যাওয়ারই কথা।

    এরকম প্রতিজ্ঞা তো আমরা কতই করে থাকি, সব কি আর মনে রাখা যায়? না রাখলেই তা পালন করা সম্ভব হয়? আর মঁশিয়ে লেতিয়ারির তো তখন দুরান্দ হারিয়ে পথে বসার দশা, মাথার ঠিক ছিল না। কি বলতে কি বলেছিল! সে কবেকার কথা, কে অতসব মনে করে বসে থাকে!

    একটু থামল যুবক। মুখে বিষণ্ণ হাসি। হাত তুলে দূরের বড়সড় একটা জটলা দেখাল দেরুশেতকে।

    ওই যে ওখানে ভিড় করে আছে মানুষ, কেন বলতে পারো? স্যামসনের সবাই দুরান্দের এনজিন দেখতে এসেছে। অনেক বলে-কয়েও যখন ওটাকে উদ্ধার করে আনতে কাউকে ডোভারে পাঠানো যাচ্ছিল না, নগদ টাকার কথা বলেও না, তখন আমি এক কথায় যেতে রাজি হয়েছিলাম। কোন কথার ওপর, আজ আর তার কোন মূল্য নেই। আর সে অনেক বছর আগের এক বড়দিনের কথা, স্যামসনের রাস্তা বরফের তলায় চাপা পড়ে ছিল সেদিন। তুমি গির্জা থেকে ফেরার সময় পথের ওপর কি যেন লিখেছিলে। কাছে গিয়ে দেখি সেটা আমারই নাম।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বই
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    সেবা প্রকাশনীর বই
    অনলাইন বই
    বিনামূল্যে বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা উপন্যাস

     

    শ্রাগ করল গিলিয়াত। কি জানি! সেদিন তো বেশ কুয়াশা ছিল, হয়তো ওর মধ্যে ভুলই দেখেছি! যাকগে, আর কথা বাড়িয়ে লাভ নেই। জাহাজ ছাড়ার সময় হয়ে গেছে।

    তোমাদের যাত্রা আজ ভালই হবে মনে হচ্ছে। কেমন পুবাল বাতাস বইছে দেখেছ? যাও তাহলে! বিদায়!

    একটা দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে একটু পিছিয়ে এসে দাঁড়ল গিলিয়াত। পনেরো মিনিটের মধ্যে জাহাজে উঠে পড়ল দেরুশেত ও কড্রে। একটু পর ঘণ্টী বাজাল কাশমির, ঘড়ঘড় শব্দে নোঙর তোলা হলো। ঘাট ছেড়ে পিছিয়ে গিয়ে অনেকখানি জায়গা নিয়ে ঘুরতে শুরু করল ওটা। ঘাড় কাত করে সেদিকে একভাবে তাকিয়ে থাকল যুবক।

    বুকের ভেতরে কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগছে ওর। জীবনে এই প্রথমবার মনে হলো, ঈশ্বর সৃষ্ট এতবড় পৃথিবীতে সে সত্যিই বড় একা। ভীষণ একা। জীবনটা যেন কেমন তার, আদি-অন্ত হীন নিরস, ধূ ধূ মরুভূমির মত। বসন্তের বাতাস বইল না সেখানে, ফুল ফুটি ফুটি করেও ফুটল না, পাখি ডাকল না।

    বেখেয়ালে এক চিলতে রাস্তাটা ধরে হাঁটতে হাঁটতে মহিষ পাহাড়ে এসে উঠল গিলিয়াত। পুবাল বাতাস পেয়ে সাগরের পানি যে হু হু করে বাড়ছে, সেদিকে মনে হলো খেয়ালই নেই।

    অন্যমনস্ক দৃষ্টিতে চারদিকে তাকিয়ে বেশ কিছু সময় ধরে কি যেন ভাবল ও। মনে হলো গুরুত্বপূর্ণ কোন সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। কিসের, তা সে-ই জানে। নিজের বাড়িটা এক পলক দেখে নিল ও, তারপর লেতিয়ারির বাড়ির দিকে তাকাল।

    গোটা স্যামসনের ওপর দিয়ে ঘুরিয়ে আনল বিষাদ মাখা অলস দৃষ্টি। তারপর আরেকবার দীর্ঘনিঃশ্বাস ছেড়ে সিংহাসনের ওপর বসে পড়ল পা ঝুলিয়ে। জোয়ার শুরু হয়ে গেছে আরও আগেই-পুবাল বাতাসের তাড়নায় ওর চারদিকের এ্যানিটের দেয়ালে ছলাৎ ছল শব্দে আছড়ে পড়ছে ইংলিশ চ্যানেল।

    কিন্তু গিলিয়াত নির্বিকার, যেন এ জগতে নেই। পানির শব্দ ছাপিয়ে দূর থেকে কাঠ কাটার শব্দ আসছে। লেতিয়ারি বোধহয় ওর নৌকা থেকে এনজিনটা নামানোর জন্যে লোক লাগিয়েছে।

    পশ্চিম দিকে তাকাল গিলিয়াত। এইমাত্র ঘোরা শেষ করেছে কাশমির, মহিষ পাহাড়ের কাছ ঘেঁষে মন্থর গতিতে গভীর সাগরের দিকে চলতে শুরু করে দিয়েছে।

    ডেকে বসা দেরুশেত ও কড্রের দিকে শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকল গিলিয়াত। ওরা দুজনও তীরের দিকে তাকিয়ে আছে একভাবে। কথা নেই কারও মুখে।

    হঠাৎ মহিষ পাহাড়ের ওপর চোখ পড়তে বিস্মিত হলো দেরুশেত। ব্যস্ত কণ্ঠে বলে উঠল, দেখো, দেখো! ওই পাহাড়ের চুড়োয় কে যেন বসে আছে! সাগরে তো জোয়ার এসে গেছে, তারপরও বসে আছে লোকটা! হুঁশ নেই নাকি?

    জবাবে কড়ে কি বলল জানা হলো না।

    কয়েক মিনিটের মধ্যে গিলিয়াতের পা ছুঁয়ে ফেলল পানি। তারপর দেখতে দেখতে হাঁটু পর্যন্ত উঠে এল। ও শুধু একবার নিচের দিকে তাকাল, পানি কতখানি উঠেছে দেখে নিয়ে আগের মত অপলক, সতৃষ্ণ দৃষ্টিতে দ্রুত বিলীয়মান জাহাজটার দিকে তাকিয়ে থাকল। অন্য কোনদিকে খেয়ালই নেই।

    অনুকুল বাতাস পেয়ে ভালই গতি লাভ করেছে কাশমির, ক্রমে দূরে সরে যাচ্ছে। এরই মধ্যে প্রায় দিগন্তে পৌঁছে গেছে। তবু গিলিয়াতের সেদিক থেকে নজর ফেরানোর কোন লক্ষণ নেই, চেয়ে আছে তো আছেই।

    এক ঘন্টা কেটে গেছে এর মধ্যে, পানি ওর কোমর পর্যন্ত উঠে এসেছে, তবু হুশ ফিরছে না। যেন দুচোখ মেলে পৃথিবীর শেষ সীমা অব্দি জাহাজটাকে অনুসরণ করতে না পারলে ফিরবেও না।

    আরও এক ঘণ্টা কাটল। আবছা ধোয়াটে দূর দিগন্তে কাশমিরকে দেখতে লাগছে ছোট একটা ম্যাচবাক্সের মত। ক্রমে আরও ছোট হয়ে আসছে। সূর্যের শেষ বিকেলের নিস্তেজ রশি চ্যানেলের বুকে অদ্ভুত মায়াবি এক রঙের মেলা বসিয়েছে।

    গিলিয়াতের চারদিকের লোনা পানি খল খল্ ছল্ ছল শব্দে প্রাণ খুলে হাসছে। জাহাজ ঘাটের কোলাহল জোয়ারের পানির ভয়াবহ শব্দের কাছে হার মেনে গেছে অনেক আগেই।

    ও বসে আছে ধ্যানমপ্নের মত। গলা পর্যন্ত উঠে এসেছে পানি, কোনমতে মাথাটা জেগে আছে কেবল, তবু গিলিয়াত মহিষ পাহাড়ের মত অবিচল, অনড়।

    মাথার ওপর গাঙচিল ও অন্যান্য সামুদ্রিক পাখি ঝাঁক বেঁধে উড়ে বেড়াচ্ছে, ডানা ঝাঁপটে আর অবিরাম চিৎকার করে বৃথাই বোকা লোকটাকে সতর্ক করার চেষ্টা করছে ওরা। কোন কাজ হচ্ছে না।

    কাশমির ততক্ষণে অনেক অ-নে-ক দূরে চলে গেছে। অল্প অল্প দেখা যাচ্ছে ওটাকে, একটা বিন্দুর মত। গিলিয়াতের দুচোখ এখনও একভাবে অনুসরণ করছে জাহাজটাকে। পৃথিবীর কোন কিছুর সাথেই তার সেই বিষাদ মাখা করুণ দৃষ্টির তুলনা চলে না।

    সেখানে ফুটে আছে সব হারানোর কঠিন মর্মবেদনার ছাপ। দীর্ঘদিন ধরে মনের রাজ্যে একটু একটু করে গড়ে তোলা কল্পনার রঙিন বাসর আচমকা ঝড় এসে ভেঙে গুঁড়িয়ে দিলে এমনই হয় বোধহয়।

    অপ্রত্যাশিত বেদনায় হৃদয় ক্ষত-বিক্ষত গিলিয়াতের, অথচ কারও বিরুদ্ধে তিল পরিমাণ অভিযোগ নেই। এক ফোঁটা চোখের পানিও ফেলেনি। মুখ বুজে জীবনের এতবড় ব্যর্থতাকে মেনে নিয়েছে। কিন্তু অন্তর সে কষ্ট সয়ে নিতে পারলেও চোখ দুটো পারেনি বোধহয়। তাই এত বিষাদ, এত বেদনা আর ব্যাকুলতা ফুটে আছে সেখানে।

    ধীরে ধীরে গোধুলির আবছা অন্ধকার নেমে আসছে স্যামসনে। গ্রামে থেকেও গ্রামছাড়া বাড়িটা খা খা করছে-মনে হচ্ছে মূল্যবান কিছু হারিয়ে ফেলেছে ওটা, কাকে যেন খুঁজছে ব্যাকুল হয়ে। আরেকদিকে লেতিয়ারির বিশাল বাড়িতে কিসের যেন হই-চই চলছে।

    বৃদ্ধ কি করছে এখন কে জানে! বোধহয় মেয়ে-জামাইয়ের ফিরে আসার অপেক্ষায় আছে অস্থির চিত্তে।

    ধরনী থেকে গোধুলির সামান্য আলোটুকুও মিলিয়ে গেছে এখন। কুয়াশায় পুরোপুরি ঝাপসা হয়ে গেছে দিগন্ত, তাই কাশমিরকে আর দেখা যাচ্ছে না।

    ওটার চিহ্ন মুছে গেছে ধরণীর বুক থেকে, একই সঙ্গে গিলিয়াতের মাথাটাও পানির নিচে তলিয়ে গেছে। আর উঠল না হতভাগ্য যুবক। মহিষ পাহাড়ের মাথায় বড় বড় ঢেউ হয়ে ভেঙে পড়তে লাগল ভরা জোয়ারের পানি, কিছুক্ষণের মধ্যে গোটা পাহাড় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল।

    সদ্য সন্তানহারা, বেদনাকাতর মায়ের মত কি এক অব্যক্ত আকুতি নিয়ে গিলিয়াতের বাড়ির পায়ের কাছে বারে বারে মাথা খুঁড়তে লাগল ইংলিশ চ্যানেল। উন্মাতাল বাতাস আর পানির মিলিত বোবা কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে সাঁঝের পরিবেশ।

    দিনের আলো মুছে গিয়ে আঁধারের রাজত্ব শুরু হয়েছে গেরানসি দ্বীপের স্যামসন গ্রামে। রাত নেমেছে। ব্যতিক্রমী এক রাত।

    গ্রামবাসীরা কেউ জানে না, আর কোনদিন গভীর নিশীথে ঘুম ভাঙলে সেই খেয়ালী বাঁশিওয়ালার মনকাড়া সুরের জাদু শুনতে পাবে না তারা।

    সারাদিন মাছ ধরে আর বাঁশি বাজিয়ে বেড়ানো সেই হতচ্ছাড়া, ভবঘুরে ছেলেটি চিরতরে হারিয়ে গেছে।

    ⤶
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো
    Next Article লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    Related Articles

    ভিক্টর হুগো

    লে মিজারেবল – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    ভিক্টর হুগো

    দ্য ম্যান হু লাফস – ভিক্টর হুগো

    November 6, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }