Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    টারজান রচনা সমগ্র – এডগার রাইস বারুজ

    মণীন্দ্র দত্ত এক পাতা গল্প1323 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    টারজান ও চ্যাম্পিয়ন (টারজান এ্যাণ্ড দি চ্যাম্পিয়ন)

    এক বিশাল প্রান্তরের এক প্রান্তে বনটা যেখানে থেমে গেছে সেখানে একটা মাল বোঝাই ভারী ট্রাক এগিয়ে যাচ্ছিল বনের দিকে।

    ট্রাকটা যেদিকে যাচ্ছিল তার উল্টো দিকে প্রান্তরের উপর দূরে একজন পথিক দাঁড়িয়ে ছিল। ট্রাকটা দেখে অবাক হয়ে গেল পথিকটি।

    হেলমেট মাথায় একজন শ্বেতাঙ্গ ট্রাকটা চালাচ্ছিল। তার পাশে বসে ছিল একজন নিগ্রো। ট্রাকের উপর যে সব মাল বোঝাই করা ছিল তার উপর আরো কয়েকজন নিগ্রো ছিল।

    পথিকটি ধীর গতিতে ট্রাকটা যেদিক থেকে আসছিল সেই দিকে এগোতে লাগল। তার পরনে পোশাক বলতে ছিল মাত্র একটা কৌপীন। হাতে ছিল আদিম যুগের অস্ত্র-একটা তীর ধনুক, তৃণ আর একটা বর্শা। তাঁর কাঁধের উপর ছিল একটা ছোট বাঁদর। লোকটি জাতিতে শ্বেতাঙ্গ হলেও আফ্রিকায় দীর্ঘকাল থাকার জন্য রোদে পুড়ে পুড়ে গায়ের চামড়াটা তামাটে হয়ে যায়। বাঁদরটা একটা হাত দিয়ে লোকটির ঘাড়টা জড়িয়ে ধরে বসেছিল তার কাঁধের উপর। বাদরটার নাম কিমা।

    ট্রাকের ড্রাইভার দূরে টারজানকে দেখতে পেয়ে আদিবাসী ভেবে পিস্তলটা খাপ থেকে বার করল। সে দেখল তার পাশে বসা যুবকটির হাতেও একটা রাইফেল রয়েছে।

    ড্রাইভার তার পাশের কৃষ্ণকায় নিগ্রো যুবকটিকে বলল, লোকটা কে?

    যুবকটি উত্তর করল, একজন শ্বেতাঙ্গ মালিক।

    টারজনের কাছে এসে ট্রাকটা থামাল শ্বেতাঙ্গ ড্রাইভার।

    টারজান ট্রাকটার পাশে দাঁড়িয়ে ড্রাইভারকে বলল, এখানে তোমরা কি করছ?

    মেলটন তার সামনে একজন নগ্ন লোককে দেখে তার এই প্রশ্নটাকে একটা বেয়াদবি বলে মনে করল।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বইয়ের
    বাংলা বই
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বাংলা ভাষা
    বই
    সাহিত্য পর্যালোচনা

     

    মেলটন বলল, দেখছ ত, একটা লরী চালাচ্ছি।

    টারজান এবার তীক্ষ্ণ-কণ্ঠে জিজ্ঞাসা করল, আমার প্রশ্নের উত্তর দাও। বলে টারজান তখন তার একটা হাত বাড়িয়ে মেলটনের হাতের কব্জিটা ধরে তাকে জোর করে নামাল ট্রাক থেকে। তারপর তার পিস্তলটা কেড়ে নিল।

    ট্রাকের উপরে যে সব নিগ্রো বসেছিল তারা হতবুদ্ধি হয়ে চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইল। তারা দেখল মেলটনকে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে তার ঘাড় ধরে ঝাঁকুনি দিতে লাগল লোকটা।

    মেলটনের গায়েও শক্তি ছিল। কিন্তু টারজনের সঙ্গে পেরে উঠল না সে। মেলটনের মনে হলো, কোন মানুষ নয়, সে যেন কোন বন্য জন্তুর কবলে পড়েছে।

    টারজান এবার মেলটনকে ছেড়ে রাইফেল হাতে নিগ্রো যুবকটার দিকে তাকিয়ে বলল, রাইফেল ফেলে দাও।

    যুবকটি ইতস্তত করছিল। মেলটন বলল, ফেলে দাও।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইন বই
    বাংলা অডিওবুক
    PDF
    বাংলা উপন্যাস

     

    মেলটন এরপর টারজানকে বলল, আমার কাছে কি জানতে চাও তুমি?

    আমি জানতে চাই তোমরা এখানে কি করছ?

    আমি কয়েকজন আমেরিকান লোককে খুঁজতে যাচ্ছি।

    তারা কোথায়?

    মেলটন বলল, ঈশ্বর জানেন। আজ সকালে তারা একটা ছোট গাড়িতে করে বেরিয়ে যায়। আমাকে বলেছিল বনটার প্রান্তে এসে অপেক্ষা করতে। সেখানে তাদের সঙ্গে আবার দেখা হবে দিনের শেষে। হয়ত তাদের কোন বিপদ ঘটেছে।

    এখানে কি করতে এসেছিল তারা?

    শিকার করতে।

     

    আরও দেখুন
    বই
    বাংলা গল্প
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা কমিকস
    বই পড়ুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন বুক
    বইয়ের
    অনলাইন বই

     

    এটা ত নিষিদ্ধ এলাকা। এদিকে কেন তারা এল?

    মুলারগান কোন কথা শুনবে না। সে নিজেকে সবজান্তা ভাবে। সে ভাবে সে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নামকরা হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন। এমন লোক জীবনে আমি দেখিনি কখনো। মুলারগানের ম্যানেজার লোকটা তত খারাপ নয়। কিন্তু লোকটা আধপাগলা, তার কথা শুনে হাসি পায়। সে শুধু নিউ ইয়র্কে ফিরে যেতে চায়। এখানে খুব ভয়ে ভয়ে আছে। ওরা দু’জনে নিউ ইয়র্কে চলে গেলে আমি বাঁচি।

    টারজান বলল, আর কেউ তাদের সঙ্গে সেই?

    না।

    তাহলে তাদের আশা ছেড়ে দিতে পার। এটা সিংহের রাজ্য।

    মেলটন বলল, তাহলেও আমার উপর যখন দায়িত্ব আছে তখন তাদের একবার খুঁজে দেখি, তুমি আবার বাধা দেবে না ত?

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা লাইব্রেরী
    সেবা প্রকাশনীর বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা গল্প
    বই পড়ুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    ই-বই ডাউনলোড

     

    না। যাও, খুঁজে দেখ। তবে বলবে তারা যেন এ অঞ্চল ছেড়ে চলে যায়।

    এই বলে টারজান বনের মধ্যে চলে গেল।

    মেলটন চীৎকার করে জিজ্ঞাসা করল, তুমি কে, পরিচয়টা দিলে না?

    টারজান বলল, আমার নাম টারজান।

    একটা সিংহের গর্জনে বিশাল প্রান্তরের নিস্তব্ধতাটা ভঙ্গ হলো। সিংহটা তখনো অবশ্য দূরে ছিল। কিন্তু গাড়িতে বসে থাকা মুলারগান ও তার ম্যানেজারের কানে আসতে লাগল গর্জনটা।

    মুলারগান বলল, ওটা কিসের শব্দ?

    মার্কস বলল, একটা শুয়োর।

     

    আরও দেখুন
    Library
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    PDF
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ই-বুক রিডার
    গ্রন্থাগার

     

    দিনের আলো থাকলে শুয়োরটাকে মারা যেত। এখন গোটাকতক শুয়োরের চপ হলে ভাল হত। এখন দেখছি ঐ ইংরেজটা ছাড়াই আমরা চালিয়ে নিতে পারব।

    মুলারগান বলল, তা অবশ্য বটে।

    হঠাৎ সামনে একটা আলো দেখতে পেয়ে মার্কস বলল, ঐ দেখ আলো। মনে হয় আমাদের ট্রাকটা।

    দুটো গাড়ি একজায়গায় হলে সকলে গাড়ি থেকে নেমে হাত পা ছড়িয়ে বসল। তারা সকলেই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল।

    মুলারগান ট্রাকের ড্রাইভারকে জিজ্ঞাসা করল, কোথায় ছিলে এতক্ষণ?

    মেলটন বলল, শিবির থেকে বেরিয়ে আমরা ত সোজা আসছি। আপনাদের হালকা গাড়ির মত এই ভারী ট্রাকটা এত খারাপ রাস্তায় তাড়াতাড়ি যেতে পারে না। যাই হোক, কোন শিকার পেলেন?

    না। আমার মনে হয় এখানে শিকারের মত কোন জীবজন্তু নেই।

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বই
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বইয়ের
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ভাষা
    পিডিএফ
    বাংলা উপন্যাস

     

    শিকার যথেষ্টই আছে। এখানকার কোন জায়গায় স্থায়ীভাবে শিবির স্থাপন করলে শিকার পাওয়া যাবে।

    মার্কস বলল, আমরা আজ কিছু বুনো মোষ দেখেছিলাম। কিন্তু মোষগুলো পালিয়ে গেল।

    মুলারগান বলল, আমি পায়ে হেঁটে কিছুদূর তাদের অনুসরণ করেছিলাম। কিন্তু তারা পালিয়ে যায়।

    আপনার ভাগ্য ভাল যে পালিয়ে গেছে।

    তার মানে?

    আপনি যদি তাদের একটাকে গুলি করতেন তাহলে আপনি নিজেই মারা পড়তেন।

    মুলারগান বলল, তুমি যা খুশি বলতে পার। কিন্তু আমি গবাদি জাতীয় কোন পশুর ভয়ে ভীত নই।

    মেলটন নিগ্রোদের সাহায্যে সেখানেই শিবির গড়তে লাগল। মুলারগান ও মার্কসকে বলল, আজকের মত এখানেই রাত কাটানো যাক। কাল সকালে ত ফিরে যেতেই হবে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    গ্রন্থাগার সেবা
    পিডিএফ
    বইয়ের

     

    মুলারগান চীৎকার করে বলল, ফিরে যাব মানে? এখানে আমি শিকার করতে এসেছি। শিকার করব।

    মেলটন বলল, আজ পথে একটা লোকের সঙ্গে আমার দেখা হলো। সে বলল এটা নিষিদ্ধ অঞ্চল। আমাদের চলে যেতে হবে।

    সে আমাদের চলে যেতে বলার কে? সে কে তা বলেছিল তোমায়?

    তার নাম টারজান।

    তাকে বলেছিলে আমি কে?

    হ্যাঁ, বলেছিলাম। কিন্তু সেটা সে গ্রাহ্য করেনি।

    সে কি ভাবে, আমাকে আফ্রিকা থেকে তাড়িয়ে দেবে সে।

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    PDF
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    Library
    গ্রন্থাগার সেবা
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ই-বই
    বাংলা কমিকস
    বাংলা সাহিত্য কোর্স

     

    মেলটন বলল, সে যখন বলেছে তখন চলে যাওয়া উচিত।

    মার্কস হেসে বলল, আমি এখনি চলে যাবার জন্য প্রস্তুত। এই জ্বর-সর্দি নিয়ে আফ্রিকায় থাকা উচিৎ নয়।

    মুলারগান বলল, আমি ভাল শিকার না পাওয়া পর্যন্ত যাব না।

    নিগ্রোরা ট্রাক থেকে মালপত্র নামাতে লাগল। একজন রাতের রান্নার জন্য আগুন জ্বালাল। অনেকে হাসিঠাট্টা ও গান করতে লাগল। একজন নিগ্রো মাথায় করে ভারী একটা বোঝা ট্রাক থেকে নামিয়ে শিবিরে ঢুকতে গিয়ে মুলারগানের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। মুলারগান পড়ে যায়। সে উঠে একটা চড় মারে। নিগ্রোটাকে।

    মেলটন এগিয়ে এসে মুলারগানকে বলল, আর তুমি কখনো ওদের গায়ে হাত দেবে না, আমি অনেক সহ্য করেছি এতদিন। আর কারো গায়ে হাত দেবে না।

    মুলারগান তখন রেগে গিয়ে বলল, তাহলে তোমারও একটা চড় খাবার মন হয়েছে।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    বাংলা সাহিত্য
    পিডিএফ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা কমিকস
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার
    Books
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ

     

    কিন্তু সে মেলটনকে চড় মারতে উদ্যত হতেই পিস্তল উঁচিয়ে ধরল মেলটন। বলল, বাঁচতে চাও ত দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চাও।

    মুলারগান মুখ ঘুরিয়ে চলে গিয়ে মার্কসকে বলল, ইংরেজরা রসিকতা বোঝে না।

    ওদের সকলের রাতের খাওয়া হয়ে গেলে একটা সিংহের গর্জন শুনতে পেল ওরা। মনে হলো। সিংহটা ওদের শিবিরের খুব কাছেই আছে।

    মুলারগান বলল, সেই শুয়োরটা।

    মেলটন বলল, কোথায় শুয়োর?

    শব্দ শুনতে পাচ্ছ না?

    মুলারগান ট্রাকের পাশে গিয়ে স্পটলাইট ঘোরাতেই দেখল একটা বড় সিংহ দাঁড়িয়ে রয়েছে। সিংহের চোখে জোর আলো পড়তে সে আস্তে আস্তে চলে গেল।

     

    আরও দেখুন
    Books
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা ভাষা
    Library
    বাংলা লাইব্রেরী
    অনলাইন বুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    PDF
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    আফ্রিকায় বাবাঙ্গো নামে এক ধরনের আদিবাসী আছে। তাদের দেহগুলো খুবই বলিষ্ঠ। মাথাগুলো কামানো। দাঁতগুলো খুব সাদা ঝকঝকে না হলেও তারা নরখাদক। অন্যান্য জীবজন্তুর থেকে মানুষের মাংস খেতে তাদের ভাল লাগে বলেই তারা মানুষ খায়। তারা জীবজন্তু শিকারের মতই খাবার জন্য মানুষ। শিকার করে। অন্য সব অঞ্চলের লোকেরা তাদের ভয় করে।

    সম্প্রতি টারজনের কাছে একটা খবর যায়, বাবাঙ্গোরা দখলিভুক্ত এক অঞ্চলের অধিবাসীদের আক্রমণ করেছে। টারজান তাই বহুদূর থেকে বহু পথ হেঁটে এ বিষয়ে তদন্ত করতে এসেছে। তার পিছনে। সর্দার মুভিরোর অধীনে একদল ওয়াজিরি যোদ্ধা আসছে।

    মেলটনের সঙ্গে টারজনের যেদিন দেখা হয় তার পরদিন সকালে টারজান সেই প্রান্তরের কাছাকাছি বনের ভিতর দিয়ে পথ হাঁটছিল সচকিতভাবে। পথের ঘাসের ভিতর বিষাক্ত পোকা, গাছের উপর ওৎ পেতে থাকা চিতা, কালো পিঁপড়ে প্রভৃতি সব কিছুর সামনে কড়া নজর রেখে চলেছিল সে।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন বই
    বাংলা বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা অডিওবুক
    পিডিএফ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ই-বই

     

    সহসা একটা মোটর গাড়ির শব্দ শুনতে পেল টারজান। তারপরই দেখল একদল জেব্রা ছুটে পালাচ্ছে আর একটা চলন্ত মোটরগাড়ি থেকে একটা লোক একটা সাব-মেশিনগান থেকে গুলি করছে। গুলি করতে করতে চলে গেল গাড়িটা। সেই গুলিতে অনেকগুলো জেব্রা মারা গেল, অনেকগুলো আহত হলো। কিন্তু অকারণে নিরীহ জন্তুগুলোকে মেরে চলে গেল গাড়িটার আরোহীরা। গাড়িটাতে ছিল মাত্র দু’জন লোক।

    গাড়িটা যেদিকে গেল সেইদিকেই এগিয়ে যেতে লাগল টারজান। সে ভাবল, ঘটনাক্রমে লোকদুটোর সঙ্গে দেখা তার হবেই। তখন দেখা যাবে।

    এদিকে মুলারগান তার মোটরগাড়িটা আরো কিছুদূর নিয়ে গিয়ে একটা খাদের কাছে থামল। তারপর মাকর্সকে বলল, যদি এমনি করে একদল সিংহের দেখা পেতাম জো, তাহলে কেমন মজা হত?

    মার্কস বলল, চমৎকার হয়েছে। তোমার লক্ষ্য ভাল। সব তাড়িয়ে দিয়েছ ঝাঁকের মধ্যে গুলি করে।

    খাদের কাছে এসে বনুটা থেমে গেছে। ওরা বসে কথা বলছিল। মুলারগান বলল, আমাদের এখন থামলে চলবে না। এমন সব জিনিস শিকার করে নিয়ে গিয়ে তার নমুনা দেখাতে হবে যা দেখে তাক লেগে যাবে সাংবাদিকদের।

    সহসা একটা হাতি দেখতে পেয়ে তার সাব-মেশিনগানটা তুলে নিল মুলারগান। সে গুলি করল। কিন্তু একটা নয়, পর পর অনেকগুলো হাতি এগিয়ে আসছে এই দিকে। গুলিটা কোন হাতির গায়ে লাগেনি।

    হাতিদের চোখ ছোট বলে তারা ওদের গাড়িটার কাছে এসে চারদিকে তাকাতে লাগল। বিপদটা কোনদিকে তা দেখতে কিছুটা সময় লেগে গেল হাতিগুলোর। এই অবসরে আবার গুলি ভরে গুলি করল মুলারগান। একটা হাতি পড়ে গেল। অন্যগুলো পালিয়ে গেল। কিন্তু একটা পুরুষ হাতি পাগলা হয়ে ছুটে এল। মুলারগান আর মার্কস গাড়িটার উল্টো দিকে চলে গেল। হাতিটা উল্টে দিল গাড়িটাকে। চাকাগুলো উল্টে গেল উপর দিকে।

    হাতিটা আগেই গুলি খেয়েছিল। এবার উল্টে পড়ে গেল।

    মুলারগান বলল, আমাদের হাতের পিস্তল ছাড়া আর সব অস্ত্র গাড়িটার মধ্যে চাপা পড়ে গেল।

    এদিকে টারজান বন্দুকের গুলির আওয়াজের সঙ্গে হাতিদের আর্তনাদ শুনতে পায়। সে বুঝতে পারল যে দু’জন শ্বেতাঙ্গ জেব্রাদের ঝাঁকে গুলি করেছে তারাই হাতিদেরও মারছে।

    এক প্রচণ্ড রাগে অভিভূত হয়ে সেই শব্দ ধরে এগিয়ে যেতে লাগল টারজান। খাদের কাছে গিয়ে সে থামতেই দেখতে পেল মুলারগান আর মার্কস।

    কিমা মারপিটের আশংকায় টারজনের কাঁধ থেকে একটা গাছের উপর বসে দেখতে লাগল কি হয়।

    টারজান তাদের কাছে গেলে মুলারগান তাকে বলল, কি চাও তুমি?

    মরা হাতিটাকে দেখিয়ে টারজান বলল, তোমরা এটাকে মেরেছ?

    মেরেছি ত কি হয়েছে?

    পিস্তলটা হাতে ধরে বলল মুলারগান।

    টারজানও তোমাদের মারবে।

    মুলারগান তার পিস্তল থেকে গুলি করতে না করতেই পা দিয়ে লাথি মেরে তার হাত থেকে পিস্তলটা ফেলে দিল টারজান। মার্কস-এর হাত থেকেও পিস্তলটা কেড়ে নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে দিল।

    মুলারগান বলল, তুমি টারজান না?

    এই বলে টারজনের মুখে একটা ঘুষি মারতে গেলে সরে গেল টারজান। তারপর মুরালগানের মাথার। পাশে এমন একটা চড় মারল যাতে সে পড়ে গেল মাটিতে।

    মার্কস ভয়ে লাফাতে লাফাতে চীৎকার করে মুলারগানকে বলতে লাগল, উঠে পড়। ওকে মেরে ফেল।

    মুলারগান আবার উঠে দাঁড়িয়ে টারজানকে ঘুষি মারতে লাগল। কিন্তু তাতে কিছুই হলো না তার। টারজান এবার মুলারগানকে ধরে উপরে উঠিয়ে মাটিতে জোরে ফেলে দিল। তারপর তার বুকের উপর বসে তার গলাটা দু’হাত দিয়ে টিপে ধরল।

    মুলারগান অস্পষ্টভাবে মার্কসকে বলতে লাগল, আমাকে বাঁচাও। আমাকে মেরে ফেলছে।

    এমন সময় কিমা চীৎকার করে উঠল অন্য কারণে। কিমা চীৎকার করে টারজনের দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করল। কিন্তু টারজান তখন একমনে লড়াই করাতে শুনতে পায়নি তা সময়ে।

    মার্কসও দেখতে পায়। কিন্তু তখন বড় দেরী হয়ে গেছে। খাদের ওপার থেকে প্রায় একশো জন। বাবাঙ্গো এসে কখন ওদের ঘিরে ফেলেছে তা বুঝতে পারেনি ওরা। বাবাঙ্গোরা ওদের জীবন্ত ধরে নিয়ে যেতে চাইল। তাই ওরা ওদের কোনরকম আঘাত না করেই বেঁধে ফেলল পিছন থেকে।

    টারজান কিছুটা লড়াই করল প্রথমে। কিন্তু সংখ্যায় ওরা অনেক বেশি ছিল বলে পেরে উঠল না। সেও বন্দী হলো।

    বন্দীদের পিছনে বর্শা দিয়ে খোঁচা দিতে দিতে বাবাঙ্গোরা তাদের গায়ে নিয়ে গেল তাদের। কিমা তখন হতাশ হয়ে বনের শেষে সেই প্রান্তরটার দিকে ছুটে গেল।

    বনের মধ্য দিয়ে একটা পায়ে চলা পথের উপর দিয়ে তিনজন শ্বেতাঙ্গ বন্দীকে তাদের গায়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল বাবাঙ্গোরা।

    মার্কস এক সময় ভয়ে ভয়ে মুলারগানকে জিজ্ঞাসা করল, ওরা আমাদের নিয়ে কি করবে?

    মুলারগান বলল, ঐ লম্বা চওড়া টারজান নামের লোকটাকে জিজ্ঞাসা করো।

    মার্কস বলল, লোকটা মানুষ নয়, পশু। ওর গর্জন শুনেছিলে? ও তোমাকে ফ্লাইওয়েটের মত তুলেছিল আর হেভিওয়েটের মত মাটিতে ফেলেছিল। খুব ভাগ্য ভাল যে বেঁচে গেছ।

    অবশেষে একটা ছোট নদী যেখানে একটা বড় নদীতে গিয়ে পড়েছে সেখানে এলোমেলোভাবে গড়ে ওঠা একটা অস্থায়ী শিবিরে গিয়ে থামল বাবাঙ্গোরা।

    শিবিরের সামনে গিয়ে ওরা দাঁড়াতেই অনেক নারী ও শিশু ছুটে এল চীৎকার করতে করতে। নারীরা থুথু ফেলতে লাগল বন্দীদের উপর আর ছেলেরা ছড়ি দিয়ে মারতে লাগল। তখন যোদ্ধারা তাদের সরিয়ে দিল।

    এরপর বন্দীদের গলায় দড়ি দিয়ে নিয়ে গিয়ে একটা গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হলো।

    মার্কস অতিশয় ক্লান্ত হয়ে পড়ায় মাটিতে শুয়ে পড়ল। মুলারগান ঠেস দিয়ে বসে রইল। টারজান দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে চারদিকের পরিবেশ খুঁটিয়ে দেখতে লাগল। সে এক মনে শুধু মুক্তির কথা চিন্তা করতে লাগল।

    সহসা কি একটা আর্তনাদ শুনে মার্কস তার সঙ্গীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করল। বলল, ওটা কিসের শব্দ? শুনতে পাচ্ছ?

    নদীর দিক থেকে একটা আর্তনাদ আসছিল। কিন্তু নদীর ধারে গাছপালা থাকার জন্য ওরা কিছু দেখতে পাচ্ছিল না।

    টারজান বলল, ওটা খাওয়ার থেকে আরও খারাপ। ওরা খাবার মাংসগুলোকে নরম করছে। যারা আর্তনাদ করছে তারা হলো কিছু নরনারী আর শিশু। তিন-চারদিন আগে ওদের হাত পা ভেঙ্গে দিয়েছে। ওদের মাথাগুলোকে বাঁশের লাঠির সঙ্গে বেঁধে এমনভাবে নদীর জলে ঝুলিয়ে রেখেছে যাতে ওরা ডুবে। না যায় বা আত্মহত্যা করতে না পারে। ওরা যন্ত্রণায় আর্তনাদ করছে। এইভাবে তিন চারদিন ওদের মৃত্যুযন্ত্রণার মধ্য দিয়ে বাঁচিয়ে রেখে তারপর ওদের কেটে সেই মাংস খাবে।

    একথা শুনে মুলারগানের মুখ সাদা হয়ে গেল। ভয়ে একেবারে ভেঙ্গে পড়ল মার্কস।

    টারজান বলল, তোমরা ভয় পেয়ে গেছ। কষ্টভোগ করতে চাও না। কিন্তু জেব্রা আর হাতিগুলো তোমাদের আঘাতে অনেক কষ্ট অনেক যন্ত্রণা ভোগ করেছে।

    মুলারগান বলল, ওরা পশু। কিন্তু আমরা মানুষ।

    টারজান বলল, তোমরাও একদিক দিয়ে জন্তু। আহত হলে জন্তুদের মতই তোমাদেরও কষ্ট হয়। বাবাঙ্গোরা তোমাদের খাবার জন্য তোমাদেরও কষ্ট দেবে-এতে আমি খুশি। তোমরা বাবাঙ্গোদের থেকেও খারাপ। হাতি ও জেব্রাগুলোকে মারার কোন কারণ ছিল না তোমাদের।

    এরপর তিনজনই চুপ করে রইল। সবাই ভাবতে লাগল। মার্কস ভয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল। মুলারগানও ভেঙ্গে পড়ল। সব সাহস হারিয়ে ফেলল।

    মুলারগান অবশেষে বলল, আমি তোমার কথাটি ভাবছি। সত্যিই আমরা জীবহত্যা করে আনন্দ পাই। এ কথাটা কোনদিন ভেবে দেখিনি। এখন বুঝেছি এ সব কাজ না করলেই ভাল হত।

    সে রাত্রিতে বন্দী তিনজনকে এক জায়গায় শুতে দেওয়া হলো। সে রাত্রিতে উৎসবে মেতে রইল বাবাঙ্গোরা। তাদের কথাবার্তা থেকে টারজান বুঝতে পারল পরদিন রাত্রিতে বন্দী শ্বেতাঙ্গাদের হাত পা ভেঙ্গে জলে ভাসিয়ে দেবে।

    টারজান মুলারগানকে বলল, আমি তোমার হাতের বাঁধন খুলে দেব প্রথমে। তার পর তুমি আমার বাঁধন খুলে দেবে।

    মুলারগান বলল, ঠিক আছে।

    বন্দীদের কাছে কোন প্রহরী ছিল না। টারজান জানত ওদের উন্মত্ত নাচগান বন্ধ হলেই ওরা পাহারার ব্যবস্থা করবে। সে প্রথমে মুলারগানের বাঁধনটা খুলে দিল। মুলারগান তারপর টারজনের হাতের বাঁধন খুলে দিল। মার্কস-এর বাঁধন আরো সহজে ভোলা হয়ে গেল।

    তিনজনই এইভাবে মুক্ত হলে টারজান চুপি চুপি তাদের বলল, আমার পিছু পিছু তোমরা বুকে হেঁটে এস। কোন গোলমাল করবে না।

    মুলারগান পশুহত্যার ব্যাপারে তার দোষ স্বীকার করায় টারজান তাদের একটা সুযোগ দিতে চায় তাদের মুক্ত করে।

    টারজান বুকে হেঁটে বনের দিকে ফাঁকা জায়গায়টার দিকে এগিয়ে গেল। সে একা ওদের সামনে দিয়ে ছুটে পালাতে পারত বনে। কারণ ওর গতিবেগ অবিশ্বাস্যভাবে দ্রুত। ওরা ধরতে পারত না ওকে। কিন্তু সঙ্গে আরও দু’জন লোক আছে। তাদের নিয়ে কোনরকমে ওদের অলক্ষ্যে অগোচরে বনের মধ্যে চলে যাওয়াই হলো ওর একমাত্র লক্ষ্য।

    ওরা এইভাবে প্রায় একশো ফুট যাওয়ার পর কয়েকবার হাঁটতে থাকে মার্কস। সেই শব্দে সচকিত হয়ে ওঠে বাবাঙ্গোরা।

    টারজান তখন ওদের বলে, এবার উঠে পড়ে বনের দিকে ছুটতে থাক।

    ওরা সবাই বনের দিকে ছুটতে থাকলে বাবাঙ্গোরাও ওদের ধরার জন্য ছুটতে থাকে। প্রথমে মার্কসকে ওরা সহজেই ধরে ফেলল। তারপর মুলারগানকে। টারজানকে ওরা ধরতে পারল না মুলারগানও হয়ত পালাতে পারত। কিন্তু সে মার্কসকে ফেলে রেখে উদারতার বশবর্তী হয়ে পালাতে চায়নি।

    মুলারগানকে ওরা ধরে ফেললেও সহজে কিন্তু ধরা দিতে চায়নি সে। সে পর পর ঘুষি চালিয়ে কয়েকজনকে মাটিতে ফেলে দেয়। কিন্তু পিছন থেকে একজন বাবাঙ্গো এসে বর্শার লম্বা বাটটা দিয়ে তার মাথায় এমনভাবে মারল যে সে পড়ে গেল মাটিতে।

    ফাঁকা জায়গাটার শেষ প্রান্ত থেকে বনটা শুরু হয়েছে। একটা গাছের উপরে উঠে টারজান দেখতে লাগল। মুলারগানের বীরত্ব ও সাহসের জন্য মনে মনে প্রশংসা না করে পারল না সে। একজনকে বাঁচাতে গিয়ে সে তার আত্মত্যাগ ভিত্তিক যে বীরত্বের পরিচয় দিল সে আজ সে বীরত্ব বনের পশুদের মধ্যে দেখাই যায় না।

    কিমা আবার প্রান্তর পার হচ্ছে। কিন্তু এবার একা একা নয় বা টারজনের কাঁধে চড়ে নয়, এবার সে ওয়াজিরি সর্দার মুভিয়োর কাঁধে চড়ে সেই প্রান্তরটার উপর দিয়ে যাচ্ছিল। টারজনের মত মুভিরোর কাঁধের উপর থাকলেও কিমার সাহস দারুণ বেড়ে যায়। তার হৃদয়টা হয়ে ওঠে সিংহের মত।

    মেলটন তার লরী নিয়ে মুলারগানদের দেখতে না পেয়ে বন থেকে ফিরে আসার পথে মুভিয়োর নেতৃত্বে ওয়াজিরিদলটাকে দেখতে পেল।

    সে তার বাইনোকুলার দিয়ে ভাল করে দেখল দলটাকে। তারা আদিবাসী যোদ্ধা হলেও তাদের হাবভাব মোটামুটি বন্ধুত্বপূর্ণ মনে হলো। তবু সে লরীর উপর বসে থাকা, নিগ্রোদের সব বাড়তি রাইফেলগুলোকে ঠিক করে রাখতে বলল।

    কিন্তু একজন নিগ্রো বলল, ওরা কিছু করবে না। ওদের গুলি করবেন না। তাহলে আমাদের সকলকে মেরে ফেলবে। ওরা হলো বিরাট যোদ্ধা, ওদের বলে ওয়াজিরি। এই অঞ্চলের কোন একটা জায়গা বাবাঙ্গোর আক্রমণ করছে তাই ওরা বাবাঙ্গোদের তাড়িয়ে দিতে যাচ্ছে। তবে ওরা আমাদের কোন ক্ষতি করবে না।

    মুভিরো ট্রাকের সামনে এসে হাত তুলে ট্রাক থামাল।

    মলটন গাড়ি থামাল। মুভিরো তাকে জিজ্ঞাসা করল, কোথা হতে আসছ?

    মেলটন খাদের কাছে আসার পথে জেব্রাদের মৃতদেহ দেখে বুঝতে পারল মুলারগানরা কোন্ পথে গেছে। আরো এগিয়ে গিয়ে একটা খাদের ধারে মুলারগানের মোটরটা উল্টোন অবস্থায় দেখে।

    মেলটন কাছে গিয়ে যা যা দেখেছিল এবং যাদের খোঁজে সে গিয়েছিল তা বলল সব।

    মুভিরো বলল, তোমাদের বন্ধু দু’জন ছাড়া আর কোন শ্বেতাঙ্গকে দেখেছিলে?

    গতকাল টারজান নামে এক শ্বেতাঙ্গকে দেখেছিলাম।

    তোমাদের লোকের সঙ্গে তিনিও কি ধরা পড়েছেন?

    মেলটন বলল, তা ত জানি না।

    মুভিরো বলল, আমাদের সঙ্গে এসে বনের প্রান্তে শিবির স্থাপন করো। তোমার বন্ধুরা যদি বেঁচে থাকে তাহলে তাদের আমরা ফিরিয়ে আনবই।

    যাই হোক, ওয়াজিরি যোদ্ধারা বেশ জোর কদমে চলতে লাগল। মেলটন তার ট্রাকটা ধীরে গতিতে চালিয়ে তাদের পিছু পিছু যেতে লাগল।

    এদিকে বাবাঙ্গোরা সারারাত উৎসবে মেতে থাকার পর গভীরভাবে সকলে ঘুমিয়ে পড়েছে। তারা দুপুরের আগে উঠবে না। তাদের একজন বন্দী পালিয়ে গেছে। তার উপর মুলারগানের আঘাতে তাদের কয়েকজনের চোয়াল আর নাক ভেঙ্গে গেছে।

    বাবাঙ্গোদের সঙ্গে লড়াইয়ে মুলারগানের মাথাটা ব্যথা করছিল। মার্কস-এর সর্বাঙ্গ ব্যথা করছিল। সে বলল, নোংরা লোকগুলো আমাদের দেহের তিন চার জায়গার হাড়গোড় ভেঙ্গে জলে তিন চার দিন। ডুবিয়ে রাখবে। তারপর খাবে।

    মুলারগান তাকে ধমক দিয়ে বলল, চুপ করো। আমি এসব কথা ভুলে যেতে চাইছি।

    টারজান ওয়াজিরিদের সন্ধানে বন পার হয়ে সেই প্রান্তরের কাছে গেল। কিন্তু তাদের দেখা না পেয়ে আবার সে বনের মধ্য দিয়ে গাছে গাছে বাবাঙ্গোদের বস্তির সামনে এসে হাজির হলো। সে বুঝতে পারল সে একা কখনো তাদের কবল থেকে বন্দী দু’জনকে মুক্ত করতে পারবে না।

    অন্য পথ দিয়ে সে শিবিরে পৌঁছল। সেই নদীটার ধারে এসে দেখল নদীর জলে ভিজিয়ে রাখা বন্দীরা তখনো তেমনিভাবে আছে। শিবিরের কাছে সে সিংহের গন্ধ পেল। গন্ধ শুঁকে সে বুঝল একটা সিংহ আর সিংহী ক্ষুধার্ত অবস্থায় শিকারের সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছে।

    প্রায় এক ডজন বাবাঙ্গো যোদ্ধা মুলারগান আর মার্কস-এর কাছে এসে তাদের বাঁধন কেটে দিল। তারপর তাদের দেহদুটোকে জোরে নাড়া দিয়ে তাদের দাঁড় করিয়ে দিল।

    এরপর তারা তাদের বস্তির মধ্যভাগে নিয়ে গেল। সেখানে একটা গাছের তলায় তাদের সর্দার আর যাদুকর ডাক্তার বসেছিল। যোদ্ধারা অর্ধবৃত্তাকারে তাদের সর্দারকে ঘিরে দাঁড়িয়েছিল। তাদের পিছনে ছিল নারী আর শিশুরা।

    তখন রাত্রিকাল বলে শিবিরের ধারে আগুন জ্বলছিল।

    বন্দী দু’জনকে মাটিতে চিৎ করে ফেলে দেয়া হলো। দু’জন যোদ্ধা তাদের প্রতিটি হাত পা ধরে ছিল।

    অদূরে একটা গাছের উপরে ঘন পাতার আড়াল থেকে সবকিছু লক্ষ্য করছিল এক নগ্নপ্রায় শ্বেতাঙ্গ। বন্দীদের উদ্ধার করার একটা সুযোগ খুঁজছিল সে সুযোগ না পেলে সে কিছুই করতে পারবে না। সে ওদের বাঁচাতে গিয়ে নিজের জীবন দিতে পারবে না।

    এদিকে জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডের কাছ থেকে দুটো সিংহ এক নিমেষহারা চোখে তাকিয়ে ছিল ঘটনাস্থলের দিকে। তাদের লেজদুটো নড়ছিল।

    এমন সময় নদী থেকে একটা আর্তনাদের শব্দ পেয়ে সিংহীটা সেইদিকে চলে গেল। কিন্তু সিংহটা লোলুপ দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল বাবাঙ্গোদের দিকে।

    যাদুকর ডাক্তার বন্দী দু’জনের দিকে এগিয়ে এল। তার এক হাতে ছিল একটা জেব্রার লেজ। সে লেজের উপর পালক লাগানো ছিল। আর এক হাতে ছিল একটা লাঠি।

    প্রার্থনার কথাগুলো স্মরণ করার চেষ্টা করল মুলারগান। তাদের দু’জনের উপর জেব্রার লেজটা বুলিয়ে তাদের দিকে ঘুরে ঘুরে নাচতে লাগল। সে আর কি সব বিড় বিড় করে বলতে লাগল।

    এরপর হঠাৎ এক সময় সে একটা লাফ দিয়ে মুলারগানের শায়িত দেহটার উপর তার লাঠিটা ঘোরাতে লাগল। দু’জন যোদ্ধা তাকে আলগা করে ধরে ছিল।

    যোদ্ধাদের হাতগুলো এক ঝটকায় সরিয়ে লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়াল মুলারগান। তারপর যাদুকর ডাক্তারের মুখের উপর এমন জোরে একটা ঘুষি মারল যার ফলে তার চোয়াল ভেঙ্গে গেল আর সে মাটিতে পড়ে গেল।

    সমবেত যোদ্ধারা চীৎকার করে ঘিরে ধরল মুরালগানকে।

    এদিকে সিংহীটা নদীর ধার থেকে তার ধারাল নখওয়ালা একটা থাবা বাড়িয়ে বাবাঙ্গোদের বলি একজন নারীর ভেসে থাকা মাথাটাকে ধরে ফেলল। মেয়েটি আর্তনাদ করে উঠতেই বাবাঙ্গোরা সেদিকে মনোযোগের সঙ্গে তাকাতেই সিংহটা তাদের আক্রমণ করল। তার ভয়ঙ্কর গর্জনে মাটি কাঁপতে লাগল।

    বাবাঙ্গোরা তখন বন্দী দু’জন আর আহত যাদুকর ডাক্তারকে ফেলে রেখে পালিয়ে গেল যেদিকে পারল।

    মুলারগান উঠে দাঁড়াবার আগে সিংহটা তার কাছে গিয়ে পড়ল। শায়িত লোকটির ভীত সন্ত্রস্ত চোখপানে তাকিয়ে রইল সিংহটা। মুলারগান তার নিঃশ্বাসের গন্ধ পাচ্ছিল। তার হলুদ চোয়াল আর দাঁত দেখতে পাচ্ছিল।

    এমন সময় একটা অদ্ভুত দৃশ্য দেখে আশ্চর্য হয়ে গেল মুলারগান। এ দৃশ্য সত্যিই অভূতপূর্ব।

    দেখল টারজান গাছ থেকে নেমে লাফিয়ে পড়ল সিংহটার উপর।

    দেখল টারজনের পাদুটো সিংহের ছোট ছোট পা দুটোকে জড়িয়ে ধরেছে। তার পেশীবহুল লৌহ কঠিন হাতদুটো সিংহের গলাটা জড়িয়ে ধরে আছে। টারজান তার দেহের সমস্ত ভার দিয়ে চেপে আছে সিংহটার পিঠে।

    সিংহটা তার পিছনের পায়ের উপর ভর দিয়ে খাড়া টারজনের দেহটাকে ফেলে দিতে চাইছে আর ভয়ঙ্করভাবে গর্জন করছে। কিন্তু কিছুতেই মুক্ত করতে পারছে না নিজেকে।

    মুলারগান দেখল সিংহটা এবার নিজে থেকে মাটিতে পড়ে টারজানকে ফেলে দেবার চেষ্টা করছে। কিন্তু তাও পারছে না।

    জীবনে বহু লড়াই, বহু কুন্তীর প্যাঁচ দেখেছে মুলারগান। কিন্তু সিংহ ও মানুষে এমন প্রাণপণে লড়াই জীবনে কখনো কোথাও দেখেনি বা তার কথা শোনেওনি।

    সিংহদের শক্তির অনুপাতে সহ্যশক্তি নেই। তাই কিছুক্ষণের মধ্যেই ক্লান্ত হয়ে পড়ল সিংহটা। সে এবার চারপায়ের উপর ভর দিয়ে কোনরকমে দাঁড়িয়ে হাঁপাতে লাগল।

    টারজান তখন একটা হাত সিংহটার ঘাড় থেকে ছাড়িয়ে খাপ থেকে তার শিকারের ছুরিটাকে বার করল। এই সুযোগে সিংহটা ঘুরে টারজনের হাতটাকে কামড়াতে গেল। কিন্তু টারজান তার ছুরিটা সিংহের ঘাড়ের উপর আমূল বসিয়ে দিল।

    সিংহটা বিকট গর্জন করতে করতে যতবার শূন্যে লাফ দিতে লাগল ততবারই তার ঘাড়ে ও পাঁজরে ছুরিটা সজোরে আমূল বসিয়ে দিতে লাগল টারজান।

    সিংহটা পড়ে গেল তার মৃতদেহের উপর একটা পা রেখে আকাশের পানে মুখ তুলে বিজীয় বাঁদর গোরিলাদের মত ভয়ঙ্করভাবে চীৎকার করে উঠল টারজান। তা শুনে মাটিতে বসে পড়ল মার্কস। মুলারগানের মাথার চুল খাড়া হয়ে উঠল। বাবাঙ্গোরা সিংহগর্জনের থেকে আরো ভয়ঙ্কর সেই অচেনা চীৎকার শুনে ছুটে আরো দূরে পালাতে লাগল।

    টারজান বন্দী দু’জনকে মুক্ত করে সেই নৈশ অন্ধকার বনের মধ্য দিয়ে সেই প্রান্তরের কাছটায় নিয়ে এল।

    পরদিন আপন আপন লোকদের সঙ্গে মিলন হলো সকলের। মুলারগান আর মার্কস মেলটনের সঙ্গে এক শিবিরে রইল। টারজান ওয়াজিরিদের সঙ্গে আলোচনা করতে লাগল। বাবাঙ্গোদের ঐ অঞ্চল হতে তাড়াবার জন্য প্রস্তুত হয়ে উঠতে লাগল তারা।

    যাবার আগে টারজান মুলারগান ও মার্কসকে বলল, আফ্রিকা থেকে সোজা আমেরিকায় চলে যাবে। আর কখনো আসবে না।

    মুলারগান বলল, কখনো না এ কথাটা কতদিন মনে রাখতে পারব তা জানি না।

    মার্কস টারজানকে বলল, শোন মিস্টার, তুমি যদি আমার হয়ে একবার কুস্তি লড়ো তাহলে তোমাকে একশো স্বর্ণমুদ্রা দেব।

    টারজান মুখ ঘুরিয়ে ওয়াজিরিদের সঙ্গে চলে গেল সেখান থেকে।

    মার্কস মুলারগানকে বলল, দেখলে, লোকটা একশো স্বর্ণমুদ্রা প্রত্যাখ্যান করে চলে গেল। তবে তোমার পক্ষে ভালই হয়েছে। কারণ ও একবার লড়াইয়ে নামলে এক রাউন্ডেই তোমার চ্যাম্পিয়নপদ কেড়ে নিত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমোতাহের হোসেন চৌধুরীর নির্বাচিত প্রবন্ধ সংকলন
    Next Article মার্ক টোয়েন গল্পসমগ্র

    Related Articles

    মণীন্দ্র দত্ত

    মার্ক টোয়েন গল্পসমগ্র

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }