Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    এ পি জে আবদুল কালাম এক পাতা গল্প151 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১০। দেশে-বিদেশে

    আমি একজন বিশ্ব নাগরিক,
    প্রত্যেক নাগরিক আমার আত্মীয়স্বজন।

    .

    আমার পেশাগত জীবনের পুরো কালপর্বে সদাসর্বদা জাতীয় কাজে ব্যস্ত থাকায় আমার হাতে বিদেশ ভ্রমণ করার সুযোগ হয় নি। যা হোক,দেশের ফার্স্ট সিটিজেন হিসাবে ভারতে আসা রাষ্ট্রপ্রধানদেরকে স্বাগত জানানো এবং তাদেরকে সরকারিভাবে সম্মানিত করাটাই নিয়ম। বিদেশি ডেলিগেটরা সফরে এলে তাদের প্রতি আতিথেয়তা প্রদর্শনের জন্য রাষ্ট্রপতিভবনের উদ্দীপনাময় টিমের কাজ বেড়ে যায়। আমাকেও তাদের সফর সম্বন্ধে সবচেয়ে সচেতন থাকতে হয়েছিল। আমাদের উপকারের জন্য আমাদের যোগ্যতাকে তাদের সামনে তুলে ধরা কর্তব্য। এজন্য ওয়ার্ল্ড নলেজ প্লাটফরম এর ধারণা অর্জন করার প্রয়োজন ছিল। আমি এই জ্ঞান অর্জনের জন্য বিশেষজ্ঞ ও উচ্চপদস্থ অফিসারদের সাথে আলোচনা করেছিলাম। আমরা সফরকারীদেরকে ভারতের আইটি, ই-গভার্ন্যান্স ও ফার্মাসিটিউক্যালের যোগ্যতা প্রদর্শন করতাম। আমি খুশি ছিলাম প্রত্যেকটা মিটিং এবং সফরে আমাদের দ্বিপাক্ষিক কিংবা বহুপাক্ষিক প্রকল্পের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে আলোচনা হয়েছিল।

    বিদেশে প্রত্যেকটা সফরই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। সুদান সফরকালে আমার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ছিল দেশটির দক্ষিণ ভাগ রাজধানী খাতুম থেকে একটা অয়েল পাইপলাইন স্থাপনের জন্য প্রায় এক বিলিয়ন ডলার মূল্যের চুক্তি সম্পর্কে। আজ সুদান থেকে পাইপলাইনের সাহায্যে তেল ভারতে আসছে। ইউক্রেনে একটা বড় ধরনের প্রোগ্রাম ছিল। এই সফরে মহাশূন্য সহায়তা সম্পর্কে আগাম কথাবার্তা হয়। যা হোক, আমি মাত্র কয়েকটা সফরের সংক্ষিপ্তসার এখানে তুলে ধরবো। আমি ২০০৪ এর সেপ্টেম্বর এ সাউথ আফ্রিকা সফরে যাই। প্রেসিডেন্ট থাবো এমবেকি আমাকে প্যান আফ্রিকান পার্লামেন্টে ভাষণ দেবার জন্য অনুরোধ করলেন। জোহান্সেবার্গে তিপান্নটি আফ্রিকান দেশ এখানে প্রতিনিধিত্ব করছিল। আমি আনন্দের সাথে তার অনুরোধ গ্রহণ করলাম। আমি আমার টিমের সাথে মিলিতভাবে আমার বক্তৃতার খসড়া করলাম। ওখানে তুলে ধরলাম ভারতের কোন কোন যোগ্যতার অংশীদার আফ্রিকান জাতিগুলোকে করতে পারি। ফলশ্রুতিতে আফ্রিকান জাতিগুলোর সাথে আমাদের একটা নেটওয়ার্ক গড়ে উঠলো। বারটা ইউনিভার্সিটি ও সতেরোটি বিশেষায়িত হাসপাতাল কে ভারত থেকে শিক্ষা, স্বাস্থ্য সেবা, এবং ই-গভার্নান্স সেবা গ্রহণের প্রস্তাব দিল। প্রাথমিকভাবে বিশেষজ্ঞরা ই-গভার্ন্যান্স নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার জন্য ৫০ মিলিয়ন থেকে ১০০ মিলিয়ন ডলার ব্যয়ের একটা এস্টিমেট প্রদান করলো। প্যান আফ্রিকান পার্লামেন্টে প্রস্তাব পাঠানোর আগে আমি প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এর কাছে ব্রিফ পেশ করলাম। তিনি অনুধাবন করলেন যে প্রস্তাবটাতে ভারত সম্পর্কে আফ্রিকায় একটা ফোকাস পড়বে এবং এর ফলে প্যান আফ্রিকান দেশগুলোর সাথে ভারতের গুরুত্বপূর্ণ সহযোগিতা প্রতিষ্ঠিত হবে।

    প্যান আফ্রিকান ই-নেটওয়ার্ক এখন একটা সুপ্রতিষ্ঠিত অর্জন। ভারত সরকার ২০০৯ এর ফেব্রুয়ারিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই সেবা উদ্বোধন করে। আজকের দিনে ই-নেটওয়ার্ক আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সামাজিক দায়িত্বশীল পরিসেবা হিসাবে বিবেচিত।

    .

    আমার মনে পড়ে ২০০৬ এ ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের প্রেসিডেন্ট জোসেপ বোরেল ফন্টলেস রাষ্ট্রপতিভবনে আমার সাথে মিলিত হন। আমাদের আলোচনার প্রাক্কালে বিষয়টা সম্বন্ধে দীর্ঘক্ষণ তিনি আমার সাথে কথাবার্তা বলেন। বিষয়টা আমার মনে ধরে। ওই আলোচনাটা নাগরিকদেরকে আলোকিত করে গড়ে তোলা বিষয়ক ছিল। আমার ওয়েবসাইট থেকে বিষয়টা সম্বন্ধে তিনি অবগত হন। বিষয়টির উপর আমাকে তিনি অসংখ্য প্রশ্ন জিজ্ঞেস করেন। তার প্রশ্নগুলো চিন্তাভাবনায় পূর্ণ, গভীর আর কাজের ছিল। আমাদের আলোচনা শেষে তিনি আমাকে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টে ভাষণ দিতে আহবান জানান। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সাতাশটি দেশের ৭৮৫ জন সদস্য এই পার্লামেন্টে প্রতিনিধিত্ব করছিলেন। তারা ছিলেন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সরাসরি নির্বাচিত সদস্য। তিনি আমাকে বললেন তার প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ২০০৬-এর ডিসেম্বরে শেষ হবে। একারণে তিনি ২০০৬ শেষ হবার আগেই বহু সংখ্যক কমিটমেন্ট রেখে যেতে চান। তিনি আরো জানালেন যে ২০০৭ এর এপ্রিল পর্যন্ত তিনি তার বক্তব্য শেষ করতে পারবেন না। ওই সময় ফন্টলেস এর কাছ থেকে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রেসিডেন্টের দায়িত্বভার গ্রহণ করলেন হান্স গার্ট পোট্টারিং।

    আমার ভাষণ টি ছিল বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। আমার সফরের আগেই অমি বিশেষভাবে প্রস্তুতি নিয়ে ছিলাম বন্ধুবান্ধব, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, বিজ্ঞানী এবং তরুণদের সাথে মতবিনিময় করে। আমি এই উপলক্ষ্যে আমার লেখা ‘ম্যাসেজ ফ্রম মাদার আর্থ’ কবিতাটিকেও আমার ভাষণের মধ্যে সংযোজিত করেছিলাম। কবিতাটিতে প্রতিফলিত হয়েছিল ইউরোপিয়ান জাতির কথা, যার মধ্যে তারা একে অপরের সঙ্গে অনেক নিষ্ঠুর লড়াইয়ের কথা উঠে এসেছিল। আর তারাই সকল সদস্য রাষ্ট্র অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সমৃদ্ধি, সুখ শান্তির মাধ্যমে এক সময় ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছে। এটা অবশ্যই ওই এলাকার অগ্রযাত্রায় অনুপ্রেরণা স্বরূপ ছিল।

    আমি ২৫ এপ্রিল সকালে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পার্লামেন্টে পৌঁছালে প্রেসিডেন্ট ও তার সহকর্মীরা আমাকে স্বাগত জানালেন। ৭৮৫ জন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রতিনিধি এবং কানায় কানায় ভরা ভিজিট’স গ্যালারী দেখে আমি আপ্লুত হলাম।

    আমার ভাষণের শিরোনাম ছিল ‘ডায়নামিকস অব ইউনিটি অব নেশনস’, যাতে সভ্যতার সাথে তাল মিলিয়ে চলার উপর গুরুত্ব দেবার কথা ছিল। সভ্যতার সংকটের পরিবর্তে ভারতের ঐতিহাসিক অভিজ্ঞতার কথা আমার ভাষণে আমি ব্যক্ত করেছিলাম। আমার ভাষণে তুলে ধরেছিলাম আলোকিত নাগরিকত্বের বিবর্তনের কথা, যার মধ্যে তিনটি উপাদান ছিল : মূল্যবোধ সম্মত শিক্ষা ব্যবস্থা, ধর্মকে আধ্যাত্মিক অনুষঙ্গে রূপান্তর, জাতীয় উন্নয়নের মাধ্যমে সামাজিকিকরণ। আমি আরো বলেছিলাম ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের উদ্দীপনার কথা। মাঝে মাঝে করতালি দিয়ে আমার বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছিলেন শ্রোতারা। আমার ভাষণের শেষে আমার লেখা ‘মাতৃভূমির বার্তা’কবিতাটি সমস্ত সদস্যের অনুমতি নিয়ে আবৃত্তি করেছিলাম।

    মাতৃভূমির বার্তা

    সুন্দর পরিবেশ চালিত হয়
    সুন্দর মনগুলোর দিকে;
    সুন্দর মনগুলো জন্ম দেয়
    সতেজতা আর সৃজনশীলতাকে।

    স্থল আর সমুদ্রের সৃজনকারী আবিষ্কারকরা
    সৃজিত মনগুলো নতুনকে আবিষ্কার করে
    সৃজিত মহান বৈজ্ঞানিক মনগুলো
    সৃজিত হয় যে কোনো স্থানে, কেন?

    জন্ম দেয় বহু আবিষ্কার
    একটা মহাদেশ আর অচেনা জমিন আবিষ্কৃত হয়,
    অপ্রত্যাশিত পথগুলো প্রকাশমান হয়,
    সৃজিত হয় চলার নতুন পথ

    উত্তম মনগুলোতে
    নিকৃষ্টতমেরও জন্ম হয়েছিল
    যুদ্ধ আর ঘৃণার বীজগুলোকে ছড়াতে
    শত শত বছরের যুদ্ধ আর রক্তে।

    লক্ষ লক্ষ আমাদের বিস্ময়কর শিশু,
    জীবন হারিয়েছিল জলে ও স্থলে;
    বহু বহু দেশ অশ্রুর বন্যায় ভেসেছিল,
    অনেকেই দুঃখের সাগরে ডুবে গিয়েছিল।
    তারপর, এক সময়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের রূপকল্প এলো,
    শপথ নিল,
    মানবিক জ্ঞান থেকে কখনো ফিরে যাওয়া আর নয়,
    আর নয় একে অপরের বা নিজেদের মধ্যে লড়াই।

    তাদের চিন্তাভাবনায় একতাবদ্ধতা
    কাজ আর কাজে ব্যাপৃত হওয়া।
    ইউরোপকে সমৃদ্ধ আর শান্তিময় করে গড়ে তুলতে
    ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের জন্ম।

    ওই সমস্ত আনন্দের সংবাদে মুগ্ধ
    সবখানের লোকজন।
    ওহ! ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, তোমাদের রূপকল্প
    ছড়িয়ে দাও সর্বত্র, আমাদের বাঁচিয়ে রাখো বাতাসকে ভালোবেসে।

    .

    কবিতা আবৃত্তি শেষ হবার পর পার্লামেন্টের প্রত্যেক সদস্য স্বতস্ফুর্তভাবে আমাকে অভিনন্দিত করায় আমার হৃদয় আপ্লুত হলো। তাদের প্রশংসা আমি আমার জনগণের উদ্দেশ্যে নিবেদন করলাম। তাদের অভিনন্দনের জবাবে আমি ভারতের কোটি কোটি জনগণের শুভেচ্ছা ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের দেশগুলোর নাগরিকদের উদ্দেশ্যে জ্ঞাপন করলাম। আমার ভাষণের পর প্রেসিডেন্ট পোট্টারিং যা বললেন তা এখানে উদ্ধৃত করছি।’মি.কালাম প্রেসিডেন্ট আব্দুল কালাম, ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের পক্ষ থেকে আমি আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্দীপনাময় ভাষণ দেবার জন্য। আমরা একজন রাষ্ট্রপ্রধান, বিজ্ঞানী আর একজন কবির কাছ থেকে এই অসাধারণ বক্তৃতা শুনতে পেলাম, যা চমৎকার। মহান দেশ ভারতকে শুভেচ্ছা। আমাদের আন্তরিক শুভেচ্ছা মহান দেশ ভারত আর ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতাকে। সর্বান্তকরণ থেকে মি. প্রেসিডেন্টকে শুভকামনা রইলো।’

    আমার ভাষণের পরে অনেক সদস্য আমার ভাষণে সুনির্দিষ্ট বিষয়ের উপর আমার সাথে আলাপ করতে চাইলেন। তাদের একটা সাধারণ ধারণা জন্মালো যে ভারত একটা মহান দেশ। মানবিক মূল্যবোধে দেশটি ঋদ্ধ।

    সারা পৃথিবীর মানুষের মনে ঐক্যের বাণী পৌঁছে দেবার লক্ষ্যে আমার বিবেচনায় ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের পার্লামেন্টে আমার ভাষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। অনেক দেশে আমার ভাষণ থেকে উদ্ধৃত করা হয়েছে। ইউটিউব সহ অসংখ্য ওয়েবসাইটস এর মাধ্যমে গ্লোবাল দর্শকদের কাছে আমার ভাষণ পৌঁছে যায়।

    ভারতে ফিরে আসার পর আমি পার্লামেন্টে ভাষণ দিয়ে আমাদের দেশের কিছু সংখ্যক মিশনে যেমন এনার্জি ইনডিপেনডেন্স ও বিল্ডিং নলেজের উপর ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কাজ করার ইচ্ছার কথা জানালাম, যাতে ভারত এই সমস্ত বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারে।

    .

    আমি গ্রিসে গিয়ে সক্রেটিস কেভ এ বিশেষ সফরে যেতে মনস্থ করলাম। লোকজন খুব কমই এই কেভ দেখতে যায় কারণ এটা একটা পার্বত্য এলাকার দুর্গম স্থানে অবস্থিত। আমার অনুরোধে, আমার সফরের আয়োজন করা হলো। আমি ওখানে গিয়ে ম্লান আলোতে গুহাটা দেখলাম। মাত্র কয়েক মিনিট ওখানে ছিলাম। আমার মনের মধ্যে এক ধরনের ধ্যানগম্ভীর ভাব বিরাজ করছিল। আমি ভেবে বিস্মিত হলাম বিশ্বের মহানতম চিন্তানায়কদের মধ্যে অন্যতম হয়েও কেন তাকে বিষ খায়িয়ে হত্যা করা হয়েছিল। আমার স্মরণ হলো তার জীবনের চেয়েও তার বাণী ছিল গুরুত্বপূর্ণ। হঠাৎ করে গুহাটাতে অন্ধকার নেমে এলেও যে কেউ তার রেখে যাওয়া আলো দেখতে পাবে যুগ যুগ ধরে।

    .

    ২০০৫ সালে আমি সুইজারল্যান্ড সফর করি। বিমানবন্দরে নামার পর একটা বিস্ময় আমার জন্য অপেক্ষা করছিল। বিমান বন্দরে ভাইস প্রেসিডেন্ট আমাকে অভ্যর্থনা জানিয়ে বললেন যে আমার সফর উপলক্ষে ২৬ মে ২০০৫ তারিখকে সায়েন্স ডে উদযাপন করার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। প্রকৃতপক্ষে এটা সুইস সরকারের অপ্রত্যাশিত একটা সিদ্ধান্ত। আমি প্রেসিডেন্টের সাথে দেখা করে এজন্য ধন্যবাদ জানালাম। তিনি আমাকে জানালেন যে আমার ‘ইগনাইটেড মাইন্ডস এবং ইন্ডিয়া ২০২০ এই দু’খানা বই পড়েছেন। তিনি তার ক্যাবিনেটকে স্পেস ও ডিফেন্স সায়েন্সে আমার অবদানের কথা জানালেন। সায়েন্স ডে ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে আমার সফরসূচি দীর্ঘতর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। আমি সেখানকার সায়েন্টিফিক ল্যাবরেটরিগুলো পরিদর্শন করার এবং রিচার্স স্টুডেন্ট ও শিক্ষাবিদদের সাথে মিলিত হবার সুযোগ পেলাম। আমি জুরিখের সুইস ফেডারেল ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতেও গেলাম, জার্মানি থেকে এসে ওখানেই আইনস্টাইন প্রথম পড়াশুনো করেন। আমি সেখানকার বোস আইনস্টাইন ল্যাবরেটরি দেখতে যাই। ওখানে ছয়জন ছাত্র বোস আইনস্টাইন থিওরির উপর কাজ করছিলেন। সেখানকার ফ্যাকাল্টি ও ছাত্রছাত্রীদের কাছে ভাষণ দেবার সুযোগ পেলাম। আমি সেখানে ‘টেকনোলজি এন্ড ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট’ এই টপিক এর উপর আমার বক্তব্য পেশ করলাম। আমি স্যার সি.ভি রামন-এর এক্সহোরটেশন টু স্টুডেন্টস-এর উপর বক্তব্য দিয়ে আমার কথা শেষ করি। ‘আমাদের প্রয়োজন বিজয় অর্জনের জন্য উদ্দীপনা। উদ্দীপনাই আমাদেরকে সঠিক স্থানে পৌছে দেবে। আমাদের সঠিক গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য উদ্দীপনার প্রয়োজন।’

    .

    আমি নেলসন ম্যান্ডেলার কথা বলা থেকে বিরত থাকলে ঠিক হবে না। ২০০৪ এ আমি নেলসন ম্যান্ডেলার সাথে দেখা করি। তার মতো ব্যক্তিত্বের কাছে আমি দুটো বড় ধরনের শিক্ষা লাভ করি। অদম্য উদ্দীপনার ও ক্ষমা করার গুণ।

    কেপ টাউন তার টেবল পর্বতের জন্য বিখ্যাত। তিনটা চূড়ার নাম টেবল পিক, ডেভিল পিক ও ফেক পিক। দিনের বেলা চূড়াগুলোর অপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা হয়। পাহাড় চূড়ায় ছেড়াছেড়া মেঘের আনাগোনা, মাঝে মাঝে কালো, মাঝে মধ্যে সাদা সাদা মেঘ। আমরা কেপ টাউন থেকে হেলিকপ্টারে চড়ে রোবেন দ্বীপ দেখতে গেলাম। দ্বীপটিতে পৌঁছিলে ড. ম্যান্ডেলার সাথের সহবন্দি সাউথ আফ্রিকার আহমেদ কাথার আমাকে স্বাগত জানালেন। আমি ছোট্ট রুমটি দেখে বিস্মিত হলাম। ড. ম্যান্ডেলার মতো ছয় ফুট লম্বা মানুষটি ছয় বছর ওই রুমটাতে কারাবন্দি থেকে সংগ্রাম চালিয়ে যান। তার জীবনের দীর্ঘ সময় ওই দ্বীপে কাটে। বস্তুতপক্ষে, তিনি বন্দিশালায় বসে তার বিখ্যাত বই লং ওয়াক টু ফ্রিডম বইটি রচনা করেন।

    তার সাথে দেখা করা আমার জন্য একটা বড় ঘটনা ছিল। তার সাথে করমর্দন করে আমি যেন একটা মহান আত্মার স্পর্শ অনুভব করলাম। তিনি উঠে দাঁড়িয়ে তার হাতের ছড়িটা ছেড়ে দিলেন। আমি তাকে হাত দিয়ে ধরলাম। আমি তার থেকে দুটো শিক্ষা অর্জন করলাম।

    .

    আমার ছোটবেলার স্মৃতি মনে পড়ে। ট্রেনের সাথে আমার সম্পৃক্ততা ছোটবেলা থেকেই। আমি ছোটবেলা ট্রেন থেকে সংবাদপত্র সংগ্রহ করে রামেশ্বরম শহরে বিলি করার ব্যবস্থা করতাম। দেশগ্রাম দেখা আর তার ঘ্রাণ নেবার জন্য ট্রেন ভ্রমণ অতি উত্তম। কুয়াশায় চারদিক ঢেকে থাকলে মাঠের প্রাকৃতিক দৃশ্যাবলী ও গ্রামগুলো যেন ট্রেনের কাছে চলে আসতো। আমার কাছে ট্রেন ভ্রমণ ছিল অতি প্রিয়। আমি প্রেসিডেন্টাল ট্রেন চালু করার সিদ্ধান্ত নিলাম।

    দুটো কোচের একজোড়া মিলিয়ে প্রেসিডেন্টাল সেলুন, যা রাষ্ট্রের প্রধানের জন্য সংরক্ষিত। কোচে একটা ডাইনিংরুম, একটা ভিজিটিংরুম, একটা লাউন্স রুম, একটা কনফারেন্সরুম আর প্রেসিডেন্টর জন্য একটা বেডরুম। সেখানে আরো ছিল একটা কিচেন আর প্রেসিডেন্টের সেক্রেটারি ও স্টাফদের জন্য চেম্বার। রেলওয়ে স্টাফদেরও থাকার ব্যবস্থা ছিল। কোচগুলো দামী আসবাবপত্র আর সিল্কের কুশন দিয়ে সুসজ্জিত করা হয়েছিল।

    কোচগুলো ১৯৬০ থেকে ১৯৭০ এর প্রথম পর্যন্ত চলতে দেখা গিয়েছিল। সে সময় একটা রীতি চালু হয়ে গিয়েছিল প্রেসিডেন্ট তার মেয়াদ শেষ করার পর দিল্লি থেকে যাত্রা করে তার ইচ্ছে মত যে কোন স্থানে যাত্রা করতেন। ১৯৭৭ এ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি এভাবে শেষ ট্রেন যাত্রা করেন। তারপর থেকে নিরাপত্তাজনিত কারণে কোচগুলোকে ব্যবহার করা না হলেও ট্রেনগুলোকে যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করার কাজ চলে আসছিল। আমি ছাব্বিশ বছর পর ২০০৩ এর ৩০ মে তে হরনাথ থেকে পাটনা পর্যন্ত ৬০ কিলোমিটার ট্রেন ভ্রমণ করি। কোচগুলোকে আধুনিক সরঞ্জামে সাজানো হয়। স্যাটেলাইট ভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থাও কোচগুলোতে সংযোজিত হয়।

    আমি আরো দুটো ট্রেন ভ্রমণ করেছিলাম। একটা ছিল ২০০৪ এ চন্ডিগড় থেকে দিল্লি পর্যন্ত। তৃতীয় ট্রেন ভ্রমণ যাত্রা ছিল ২০০৬ এ দিল্লি থেকে দেরাদুন পর্যন্ত। হরনাথ থেকে পাটনা পর্যন্ত ট্রেন যাত্রার বহুমুখী উদ্দেশ্য ছিল। আমি হরনাথে রেলের একটা ওয়ার্কসপের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করি। রেলওয়ে মিনিস্টার নিতিশ কুমার এতে খুবই খুশি হন। তার নিজের রাজ্যে রেলের অনেকগুলো কমপ্লেক্স স্থাপন করতে দেখে সকলেই হেসেছিল।

    আমি আমার ভাষণে হরনাথের শ্রোতাদের উদ্দেশ্যে বলেছিলাম যে আমি একটা প্রাচীন ঐতিহাসিক সাইট নালন্দা থেকে অনেক কিছু জানতে এসেছি। আমি আশা করেছিলাম বিহারের বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুনভাবে পুনোরুদ্ধার করা হবে, সেখান থেকে পৃথিবীতে ছড়িয়ে যাবে শান্তির বাণী।

    ওই ট্রেন জার্নিটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। বিহারের পনেরোটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরদের আমি ট্রেন ভ্রমণের আমন্ত্রণ জানিয়ে ছিলাম। তাদের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমস্যাদি নিয়ে এক ঘন্টা আলোচনা করেছিলাম। আমি তাদের কাছে জোর দিয়ে বলেছিলাম বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এমন কোর্স চালু করতে হবে যাতে রাজ্যগুলোর উন্নয়ন ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সমস্যা দূর করার জন্য বিহারের গভর্নর বিশেষ আগ্রহ দেখান। দু’বছর পরে আমি দেখতে পাই বিহারের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ক্যালেন্ডার ভিত্তিক পরীক্ষা চালু হয়েছে।

    ট্রেন ভ্রমণের একটা আনন্দদায়ক পাদটিকা। পাটনা রেলওয়ে স্টেশনে আমি রাষ্ট্রীয় জনতা দলের নেতা লালুপ্রসাদ যাদব এবং জনতাদল (ইউনাইটেড) এর নেতা নিতিশ কুমার কে দেখতে পেলাম, তারা আমাকে স্বাগত জানাতে এসেছেন। তারা উভয়ে আলাদা আলাদা পথের মানুষ। আমি ট্রেন থেকে নামামাত্র দুই রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীকে একসাথে দেখলাম। তাদেরকে পরস্পরের সাথে করমর্দন করতেও দেখলাম। স্টেশনে উৎফুল্ল জনতার জমায়েত চোখে পড়লো।

    ২০০৪ এর ৫ জানুয়ারি চিলড্রেন’স সায়েন্স কংগ্রেস উদ্বোধন করতে আমি চন্ডিগড় যাই। আমি ওখানকার সায়েন্টিফিক কমুনিটিতেও ভাষণ দেই। গুরুত্বপূর্ণ কাজ থাকায় ৬ জানুয়ারি আমি দিল্লিতে ফিরে আসি। অতি প্রত্যুষে কুয়াশার আশংকা থাকায় সঠিক সময়ে দিল্লিতে ফিরবার জন্য আমাকে ট্রেনে আসতে হয়। সায়েন্স কংগ্রেসের উদ্বোধন করায় আমি বিশেষভাবে আনন্দিত হই। দেশের সারা অংশ থেকে প্রায় এক হাজার ছাত্রছাত্রী তাদের প্রজেক্ট নিয়ে ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিল।

    ২০০৬ এ আমি তৃতীয়বার ট্রেনে ইন্ডিয়ান মিলিটারী একাডেমীর প্যারেড অনুষ্ঠানে সালাম গ্রহণ করার জন্য দেরাদুন যাই। সময়টা শীতকাল হওয়ায় সকালে কুয়াশা হলে সঠিক সময়ে পৌঁছানো অনিশ্চিত হতে পারে ভেবে বিমানে না গিয়ে ট্রেনে যেতে হয়। রাতেও বেশ কুয়াশা ছিল। ট্রেন সফদার জং স্টেশন থেকে কোথাও না থেমে দেরাদুন পৌঁছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ নিরাপত্তা বিধানের জন্য বেশ কয়েকটা চেকপোস্ট তৈরি করে।

    উৎফুল্ল স্নাতক উপাধিধারী অফিসারদের সাথে মিলিত হতে পেরে আমি আনন্দিত হলাম। অনেক স্নাতক অফিসার আমাকে প্রশ্ন করলেন প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত কি ধরনের অগ্রগতি করতে যাচ্ছে। সীমান্ত সংলগ্ন কয়েকটা নর্থদান ইউনিটস এ একটা সফরের সময় এক দল অফিসারদের সাথে আমি মিলিত হয়েছিলাম। সীমান্তের ওপারের পাকিস্তানী আর্মি পারসোনেল আমার এই সফরের প্রতি লক্ষ্য রেখেছিলেন। আমি সেখানে বিভিন্ন ইউনিটের দু’শত তরুণ অফিসারদের সামনে বক্তব্য রেখেছিলাম। আমার বক্তব্য দেবার পর বাদা খান্না এর উদ্দেশ্যে রওনা হবার আগে আমি তরুণ অফিসারদের কাছে একটা প্রশ্ন রেখেছিলাম। আমি বললাম, ‘প্রিয় তরুণ অফিসারবৃন্দ, তোমাদের সামনে সেনা বাহিনীর সার্ভিসের তিরিশ বছরের চেয়েও বেশি সময় পড়ে আছে, তোমরা কি আমাকে বলতে পার, তোমরা একজন অফিসার হিসাবে কোন অনুপম মিশন সম্পাদন করতে পছন্দ করো।’ সিনিয়র অফিসাররা নীরব ছিল কিন্তু তরুণ অফিসাররা হাত তুললো। আমি একজন অফিসারকে জবাব দেবার জন্য বেছে নিলাম। আমাকে সালাম জানিয়ে অফিসারটি বললো, ‘স্যার, আমার একটা স্বপ্ন আছে। সেই স্বপ্নটা হলো আমার জাতির যে সমস্ত জমিন অন্যেরা দখল করে রেখেছে সেইগুলো ফিরে পাওয়া।’ সবার মধ্যে যেন বিদ্যুত প্রবাহিত হয়ে গেল। প্রত্যেকেই তরুণ অফিসারটিকে অভিনন্দন জানালো। আমি স্নাতক উপাধি প্রাপ্ত তরুণ অফিসারদের কাছে সেই তরুণ অফিসারের দেওয়া উত্তরটার কথা জানালে সেখান থেকেও একই জবাব এলো। ‘আমরাও অবশ্যই ওইটাই করবো, স্যার।’ এইসব কারণে ট্রেন জার্নিটা আমার স্মৃতিতে গাঁথা হয়ে আছে।

    [আমি সুদানে সবচেয়ে সুন্দরতম একটা দৃশ্য দেখেছিলাম, যেখানে ব্লু নাইল আর হোয়াইট নাইল এক জায়গায় মিলিত হয়ে সঙ্গমস্থলে আলাদা একটা রঙে পৃথক নদীতে রূপান্তরিত হয়েছে। একই রকম থাকলেও লোকজনদের সাথে মিলিত হয়ে আমরাও পরিশুদ্ধ হই।]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম
    Next Article লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    Related Articles

    এ পি জে আবদুল কালাম

    উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Our Picks

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }