Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    এ পি জে আবদুল কালাম এক পাতা গল্প151 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩। বিতর্কমূলক সিদ্ধান্তসমূহ

    ১৩. বিতর্কমূলক সিদ্ধান্তসমূহ

    সচেতন আত্মার আলো

    .

    রাষ্ট্রপতি থাকাকালে এবং তার আগে পরে আমার চিন্তাভাবনা এবং কাজকে বিশ্লেষণ করা কষ্টকর। একজন ব্যক্তির তিনটি সময়কালের পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে অভিজ্ঞতার ধরন একেক রকম। সংঘটিত কাজগুলো যুক্তিতর্ক আর কার্যকারণের উপর ভিত্তি করে আমার ব্যক্তিগত আবেগের উপর প্রভাব বিস্তার করেছিল। বিহার অ্যাসেম্বলি ভেঙ্গে দেবার পরিপ্রেক্ষিতে আমার ব্যক্তিগত আবেগের উপর প্রথম প্রভাবটা পড়লো। আমি এই ইস্যু নিয়ে বহুবার আলোচনা করেছি। আমার আমলে আইটি সেক্টরে প্রভূত উন্নতি হয়েছিল। রাষ্ট্রপতিভবনের সাথে ইলেকট্রোনিক্যাল সংযোগ সুপ্রতিষ্ঠত হয়। যখনই প্রয়োজন তখনই আমি যেকোন স্থানের যে কোন ব্যক্তি কিংবা সংস্থার সাথে যোগাযোগ করতে পারি। তাৎক্ষণিক যোগাযোগের জন্য ইমেলেরও সুবিধা আছে। আমি মস্কো থাকাকালে মনমোহন সিং আমাকে ফোন করে জানালেন যে বিহার অ্যাসেম্বলি ভেঙ্গে দেবার সুপারিশ করে ক্যাবিনেট একটা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। আমি প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করলাম, হঠাৎ করে কিভাবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। প্রধানমন্ত্রী বললেন যে তিনি কল ব্যাক করছেন। মস্কো টাইম ১ টায় প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে দ্বিতীয় বার ফোন পেলাম। আমি তার সাথে আলোচনা করার পর এটা বললাম। আমি ক্যাবিনেটের সিদ্ধান্তের সাথে একমত না হলেও আমাকে রাজি করানো হবে। তাই আমি স্থির করেছি অ্যাসেম্বলি ভেঙ্গে দেবার

    এটা কোর্ট পর্যন্ত গড়ালো। বিহারের গভর্নর ভারতের রাষ্ট্রপতির কাছে দুটো রির্পোট পাঠিয়েছিল। একটা ২০০৫ এর ২৭ এপ্রিল আর একটা ২০০৫ এর ২১ মে। সংবিধানের ১৭৪ আর্টিকেলের ক্লজ ২ এর সাব ক্লজ (বি) এর বিধান মোতাবেক ২০০৫ এর ২৩ মে নোটিফিকেশন ইস্যু করা হয়। সংবিধানের ৩৫৬ আর্টিকেলের আওতাধীনে নোটিফিকেশন জিএসআর ১৬২ (ই) ২০০৫ এর ৭ মার্চ পঠিত হবার পর বিহার অ্যাসেম্বলি তাৎক্ষণিকভাবে ভেঙ্গে যায়। সুপ্রিমকোর্ট এই ইস্যুটির উপর অনেক যুক্তিতর্ক, মতামত আর আলোচনা শুরু করে। সুপ্রিম কোর্ট বিচারে এটাই নির্দেশিত করে যে ২০০৫ এর ২৩ মে তারিখের নোটিফিকেশন একটা চমৎকার মামলার অবতারণা করেছে। এই কোর্টে দাখিল করা আগের মামলাগুলোতে অ্যাসেম্বলি ভেঙ্গে দেবার বিধান জারি করা হয়েছিল যখনই ক্ষমতাশীল পাটি অ্যাসেম্বলি সংখ্যা গরিষ্ঠতা দেখাতে ব্যর্থ হয়েছিল। বর্তমান কেসটি হচ্ছে নিজস্ব ধারার। লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলির প্রথম মিটিং হবার আগেই অ্যাসেম্বলি ভেঙ্গে দেবার আদেশ জারী করা অবৈধ্য। এই ধারা অব্যাহত থাকলে সংবিধান লঙ্ঘিত হবে। কোর্ট চারটি প্রশ্ন করলো :

    ১. প্রথম মিটিং অনুষ্ঠিত না হবার আগেই সংবিধানের আর্টিকেল ১৭৪ (২)(বি) ধারা মতে লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি ভেঙ্গে দেওয়া কি বিধিসম্মত?

    ২. ২০০৫ এর ২৩ মে তারিখে বিহার লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি ভেঙ্গে দেবার ঘোষণা দেওয়া কি অবৈধ্য ও অসংবিধানিক নয়?

    ৩. যদি এই দুটি প্রশ্নের উত্তর ইতিবাচক হয় তবে কি ২০০৫ এর ৭ মার্চ কিংবা ২০০৫ এর ৪ মার্চের পূর্বাবস্থায় ফিরে যাওয়া উচিত নয়?

    ৪. আর্টিকেল ৩৬১ মতে গভর্নরের কি সুযোগ আছে লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলি ভেঙে দেবার?

    সুপ্রিম কোর্ট এই ইস্যুর উপর বিতর্ক শুরু করলে নানা মতামত উঠে এলো। আমি পিএম কে বললাম যে পদ্ধতিতে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে তা সুপ্রিম কোর্টে যথাযথভাবে উপস্থাপন করা হয় নি। এই কথাটা আমি তাকে একবার টেলিফোনে, আর একবার সামনাসামনিও বললাম। পিএম উল্লেখ করলেন যে তিনি আইনজীবীদেরকে বুঝিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি মস্কোতে থাকাকালে আমাদের অনেকবার আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টাতে রাষ্ট্রপতি সম্মতি দিয়েছিলেন। আমি আইনজীবীদের বুঝাতে পারলে ও তারা কিন্তু আমার বক্তব্যের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন নি। সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা বিধান লঙ্ঘনের জন্য গভর্নর তথা সরকারকেই দোষারোপ করলো। মোটের উপর এর সব দ্বায়দায়িত্ব আমার ও ক্যাবিনেটের উপর এসে বর্তালো।

    রায়টা জানা মাত্র আমি একটি পদত্যাগপত্র লিখে উপরাষ্ট্রপতি ভোইরো সিং শেখোয়াতের কাছে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত করে রাখলাম। তিনি একজন ঝানু রাজনীতিবিদ। আমি তার সাথে এ বিষয়ে আলাপ করে পদত্যাগপত্রটা তার হাতে দিতে চাইলাম। উপরাষ্ট্রপতি বাইরে ছিলেন। এক সময় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে পিএম আমার সাথে দেখা করতে চাইলেন। বিকেলের দিকে অফিসে আমরা মিলিত হলাম। আলোচনা শেষে আমি তাকে বললাম যে আমি রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাকে আমার লেখা পদত্যাগপত্রটাও দেখালাম। আমি উপরাষ্ট্রপতি ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করছি। প্রধানমন্ত্রী বিস্ময়ে চমকে উঠলেন।

    সে মুহূর্তে যে অভাবনীয় দৃশ্যের অবতারণা হলো তা আমি বর্ণনা করতে চাই না। প্রধানমন্ত্রী আমাকে বোঝালেন এই সংকটময় মুহূর্তে আমার পদত্যাগ করা উচিত নয়। তিনি আরো বললেন যে আমার পদত্যাগের ফলে এমন একটা ঘটনার উদ্ভব হবে যাতে সরকারেরও পতন ঘটে যেতে পারে। এই বিষয়ে আলোচনা করার মতো আর কেউ আমার নেই, শুধুমাত্র আমি আমার বিবেকের কাছেই বিষয়টা সম্বন্ধে জানাতে পারি। বিবেক হচ্ছে আত্মার আলো, আমাদের হৃদয়ের প্রকোষ্ঠে প্রকোষ্ঠে প্রজ্জ্বলিত থাকে। ওই রাতে আমি ঘুমাতে পারলাম না। আমি নিজেকে প্রশ্ন করলাম বিবেকই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না জাতি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। পরদিন সকাল সকাল বিছানা ছেড়ে রোজকার মতো নামাজ পড়লাম। তারপর আমি ঠিক করলাম পদত্যাগপত্র দাখিলের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের যাতে সরকার বিপন্ন অবস্থায় না পড়ে।

    দেশের খুব কম লোকই ই-গভর্ন্যান্স ব্যবহার সম্বন্ধে অবগত, যাকে আমি সীমান্তহীন জগত বলে মনে করি। আমি একে ভারত ও বিদেশের মধ্যে যোগসূত্র হিসাবে গড়ে তোলবার ইচ্ছে করেছিলাম। লোকজন ফাইল নিয়ে দৌড়াদৌড়ি না করে ই-গভর্ন্যান্স এর মাধ্যমে অফিস আদালতের কাজ সমাধা করবে সেইটাও ছিল আমার বাসনা। বিহার অ্যাসেম্বলি (তা পড়ে কার্যকর হয় না) ভেঙ্গে দেওয়ার কাজটি কি আমার বিবেকের সিদ্ধান্ত ছিল!

    .

    দান গ্রহণের বিরুদ্ধে মনু প্রত্যেক মানুষকে সতর্ক করে দিয়েছেন। দান গ্রহণ করলে গ্রহণকারীকে দাতার নিকট দায়বদ্ধ থাকতে হয়। তিনি বলেন, দান গ্ৰহণ করা খারাপ কাজের মধ্যে পড়ে।

    প্রসঙ্গক্রমে বলতে হয়, পার্লামেন্ট অ্যাক্ট ১৯৫৯ (অযোগ্যতা প্রতিরোধ) এ বলা হয়েছে সরকারের সঙ্গে সংশিষ্ট কেউ অফিস অব প্রোফিট গ্রহণ করতে পারবে না। তা পার্লামেন্টের সদস্যদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে। ২০০৬ এর মাঝামাঝি সাংসদদের কাছ থেকে আমি অভিযোগ পেলাম কতিপয় সদস্য অফিস অব প্রোফিট লাভ করছেন। আমাকে অভিযোগ সম্বন্ধে খোঁজ খবর নিতে হলো। প্রয়োজনীয় তদন্ত করার জন্য আমি এই বিষয়টি চিফ ইলেকশন কমিশনারের কাছে পাঠালাম। এ সম্বন্ধে দু’জন সদস্যের কাছ থেকে অভিযোগ পেলাম। একজন হচ্ছেন মিসেস জয়া বচ্চন আর একজন হলেন মিসেস সোনিয়া গান্ধী, বিপুল সংখ্যক সদস্য আমাকে জিজ্ঞেস করলেন কেন রাষ্ট্রপতি এই বিষয়ে তদন্ত করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। অনুমোদন প্রদানের জন্য এর মাঝে আমি অফিস অব প্রোফিট বিল পার্লামেন্ট থেকে পেলাম। আমি বিলটা পড়ে দেখলাম তার মধ্যে অনেক অস্বাভাবিকতা আছে। প্রস্তাবিত অফিস অব প্রোফিট বিল এ আমি খুঁজে পেলাম না কোন সিস্টেমেটিক অ্যাপ্রোচ যা থেকে বোঝা যায় অফিস অব প্রোফিট এর সংগা কী! শুধুমাত্র সাংসদের অধিকারে থাকা অফিসগুলো সম্বন্ধেই বলা হয়েছে। আমার সাথে সংশ্লিষ্ট সুপ্রিম কোর্টের তিন জন বিচারকের সাথে অফিস অব প্রোফিট বিলের অস্বাভাবিকতা সম্বন্ধে আলোচনা করলাম। আমি, আমার টিম ও ওই তিনজন বিচারকের সাথে পরামর্শ করে একটা পত্ৰ প্রস্তুত করলাম। আমি মতামত দিলাম এই বলে যে অফিস অব প্রোফিট সম্বন্ধে খোলামেলা আর গ্রহণযোগ্য স্বচ্ছ ও পরিষ্কার ধারণা থাকতে হবে। রাজ্য ও ইউনিয়ন টেরিটোরিগুলোর ক্ষেত্রেও অফিস অব প্রোফিট সম্পর্কে নীতি নির্ধারণ করতে হবে।

    তারপর প্রশ্ন উত্থাপিত হলো আমার পত্রের ভিত্তিতে অফিস অব প্রোফিট ক্যাবিনেট কিংবা পার্লামেন্টে উপস্থাপন করতে হবে কিনা। আমি সংবিধানের আর্টিকেল ১১১ তে দেখলাম পুনর্বিবেচনার জন্য কোন বিলকে পার্লামেন্টে ফেরত পাঠানো যেতে পারে। অফিস অব প্রোফিট বিল ক্যাবিনেটের দ্বারা আমার কাছে অনুমোদনের জন্য আসবে না। অনুমোদনের জন্য আসতে হবে পার্লামেন্ট থেকে। যা হোক, আমি বিলটি পার্লামেন্টের উভয় হাউস লোকসভা ও রাজ্যসভার সেক্রেটারি জেনারেলের কাছে পুনর্বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠালাম। এটাই ছিল পার্লামেন্ট কিংবা রাষ্ট্রপতিভবনের ইতিহাসে প্রথম রাষ্ট্রপতির কোন বিলকে পুনর্বিবেচনার জন্য পার্লামেন্টে ফেরত দেওয়া। অবশ্যই পরদিন আমার পত্র পার্লামেন্টে ফেরত দেওয়া সম্পর্কে ইলেকট্রোনিক আর প্রিন্ট মিডিয়াতে লিড নিউজ হিসাবে প্রকাশিত হলো। এটা গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্যবিষয় হিসাবে লোকের মুখে মুখে ফিরলো। আমি শুধুমাত্র মনু স্মৃতির ‘দান গ্রহণ করার ফলে একজন মানুষের স্বর্গীয় আলো প্রাপ্তির আশা নি:শেষ হয়ে যায়।’এই বাণীর আলোকে প্রোফিট কিংবা গিফট এর অর্থ অনুধাবন করতে পারলাম। একটা হাদিসে বলা হয়েছে, ‘যখন সর্বশক্তিমান একজন মানুষকে একটা অবস্থান দান করেন তখন তিনি তার প্রয়োজনের প্রতি লক্ষ্য রাখেন। যদি কোন লোক এর বিনিময়ে কোন কিছু গ্রহণ করে তবে তা অবৈধ অর্জন বলে বিবেচিত হবে।’

    অফিস অব প্রোফিটকে ফিরিয়ে দেওয়া আমার বিবেচনার বিষয়। বিলটি পুনর্বিবেচনা করে অনুমোদনের জন্য আমার কাছে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হলো। প্রধানমন্ত্রী আমার সাথে সাক্ষাৎ করেন। পরদিন আমি বিলটি স্বাভাবিকভাবে অনুমোদন করে ফেরত পাঠিয়ে দিলাম। আর কোন অজুহাত না দেখিয়ে বিলটিতে সহি করে পাঠিয়ে দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী বিস্মিত হলেন। আমি বললাম পার্লামেন্ট থেকেই কিছু করা প্রয়োজন। কোনকিছু করা হয়েছে কিনা তা আমি জানি না। প্রধানমন্ত্রী বললেন পার্লামেন্টে আমার মতামতের ভিত্তিতে অফিস অব প্রোফিট বিলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবার জন্য জয়েন্ট পার্লামেন্টারি কমিটি (জেপিসি) গঠন করেছে। অবশ্যই এই বিলের মিনিমাম রিকোয়ারমেন্ট পূরণ সাপেক্ষেই আমি অনুমোদন দিয়েছিলাম।

    এই ইস্যু সম্বন্ধে আলোচনা করার জন্য অনেক পার্টির প্রতিনিধিরা আমার সাথে দেখা করতে এলেন। আমি তখন উত্তর পূর্ব ভারত সফর করছিলাম। দিল্লির পথে কোহিমা থেকে বিমানে গৌহাটিতে পৌঁছিলাম। আমার সফরের প্রাক্কালে আমি অফিস অব প্রোফিট বিল পার্লামেন্টের অনুমোদনের জন্য জেপিসি গঠনের বার্তা পেলাম। কয়েক মাস পরে পার্লামেন্ট জেপিসি এর রিপোর্ট অনুমোদন করলো।

    সম্প্রতি আমরা দুনীতির বিরুদ্ধে দুটো অনশন আন্দোলন প্রত্যক্ষ করলাম। এতে অনেকেই দুর্নীতি প্রতিরোধের জন্য অনুপ্রাণিত হলো। আমি নিজেকে প্রশ্ন করলাম কেন আমাদের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এ ধরনের আন্দোলনের প্রয়োজন পড়লো। বস্তুতপক্ষে, দুর্নীতি প্রতিরোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া পার্লামেন্টের নিজেরই দায়িত্ব। আমি মতামত প্রকাশ করতে চাই যে পার্লামেন্টকে ওয়াক আউট ব্যাতিরেকে দুর্নীতি সম্পর্কিত ইস্যুর উপর কমপক্ষে দু’সপ্তাহ আলোচনা করে সময় নির্ধারণ পূর্বক এজেন্ডা গ্রহণ করে জনজীবন থেকে এই দুষ্টগ্রহকে নির্মূল করা উচিত। এরই অংশ হিসাবে সাংসদদের জন্য কোড অব কনডাক্ট প্রকাশ করা উচিত। যদি জনগণের প্রতিনিধিরা তাদের মিশন কার্যকর করতে ব্যর্থ হয় তবে জনগণ তাদের হতাশা ব্যক্ত করতে পারেই। প্রত্যেক রাজনৈতিক পার্টিকে নিজস্ব পন্থায় পার্লামেন্টের মাধ্যমে দুর্নীতি নির্মূল করতে হবে। পার্লামেন্টের উভয় হাউসের এগিয়ে আসার সময় এসেছে দুর্নীতি সম্পর্কিত ইস্যুগুলোকে সাংবিধানিক পদ্ধতিতে সমাধান করার। পার্লামেন্টের এই ধরনের পদক্ষেপের ফলে নাগরিকদের মধ্যে আস্থা গড়ে উঠবে এবং ফলশ্রুতিতে সমাজে শান্তি ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধি পাবে, তাতে জাতির উন্নতি ঘটবে।

    .

    রাষ্ট্রপতি হিসাবে আমার জন্য অধিকতর কঠিন কাজ ছিল আপিলের পরে কোর্টের দেওয়া সর্বোচ্চ শাস্তি প্রাপ্ত আসামীদের রাষ্ট্রপতির ক্ষমা ঘোষণা সম্পর্কিত। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কেস রাষ্ট্রপতিভবনে বেশ কয়েক বছর যাবত পেন্ডিং পড়ে আছে। উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত মামলাগুলোর ফয়সালা করা রাষ্ট্রপতিদের একটা দায়িত্ব, সেই দায়িত্ব পালন করতে কোন রাষ্ট্রপতিই খুশি ভাব দেখান নি। আমি ভাবলাম এই সমস্ত পেন্ডিং কেসগুলো সাধারণ নাগরিকের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে অপরাধ খতিয়ে দেখবো। সর্বোচ্চ শাস্তি প্রাপ্ত আসামীদের ব্যক্তিগত সামাজিক ও আর্থিক অবস্থা যাচাই করে দেখা যেতে পারে। আমি কেসগুলো স্টাডি করে দেখে বিস্মিত হলাম, অধিকাংশ পেন্ডিং পড়ে থাকা কেসই সামাজিক ও অর্থনৈতিক কলহের কারণে ঘটেছে। আমি অনুভব করলাম আমরা যে লোকটিকে শাস্তি দিতে যাচ্ছি সেই লোকটির প্রত্যক্ষভাবে ক্রাইম করার ইচ্ছে ছিল না। তবে একটা কেস দেখলাম, নি:সন্দেহে লোকটি মেয়েটিকে রেপ করে হত্যা করেছে। ওই কেসটিতে আমি দন্ডাদেশ বহাল রাখতে সম্মতি দিলাম।

    .

    রাষ্ট্রপতির দায়িত্বগুলোর মধ্যে আর একটা দায়িত্ব সাধারণ নির্বাচনের পর দেশের প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগদান করা। স্থিতিশীল সরকার গঠন করতে একক পার্টি কিংবা কোয়ালিশন পার্টিগুলোর ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সদস্যের দরকার হবে। একাধিক দল থেকে সরকার গঠনের দাবি উত্থাপন করলে রাষ্ট্রপতির পক্ষে তখন সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা কঠিন হয়ে পড়ে। ২০০৪ এর নির্বাচনটা ছিল একটা মজার ঘটনা। নির্বাচন শেষ হবার পর ফলাফল ঘোষিত হলো। কোন পার্টিই সরকার গঠনের জন্য সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেল না। কংগ্রেস দল সবচেয়ে বেশি সিট পেল। এটা সত্ত্বেও তিন দিন অতিবাহিত হয়ে গেল। কোন পার্টি কিংবা কোয়ালিশন সরকার গঠনের জন্য এগিয়ে এলো না। আমার কাছে বিষয়টা বিব্রতকর হয়ে উঠলো। আমি আমার সেক্রেটারিদেরকে বৃহত্তম দলের নেতার কাছে একটা পত্র পাঠাতে বললাম। এক্ষেত্রে কংগ্রেস এগিয়ে এসে সরকার গঠনের জন্য দাবি জানালো।

    আমাকে বলা হলো যে সোনিয়া গান্ধী ১৮ মে ১২.১৫ টায় আমার সাথে সাক্ষাৎ করতে আসবেন। তিনি যথাসময়ে আসলেন, কিন্তু তিনি একা না এসে ড. মনমোহন সিংকে সাথে নিয়ে আসলেন। আমার সঙ্গে সাক্ষাতের পর বিভিন্ন পার্টির সমর্থনের পত্রগুলো আমাকে দেখালেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে আমি তাদেরকে ধন্যবাদ জানালাম। আপনাদের পছন্দ মত সময়ে আমি শপথ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করতে পারি। সোনিয়া গান্ধী আমাকে বললেন ১৯৯১ এর অর্থনৈতিক সংস্কারের স্থপতি ড. মনমোহন সিংকে প্রধানমন্ত্রী পদে মনোনয়ন দান করছি। নিশ্চিতভাবে এটা ছিল আমার কাছে অবাক করা ব্যাপার। রাষ্ট্রপতিভবনের সেক্রেটারিয়েট প্রধানমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগপত্র দেবার জন্য আবার কাজ শুরু করলো। তাকে নতুন সরকার গঠনের জন্য আমন্ত্রণ জানানো হলো।

    পরিশেষে, ২২ মে তারিখে সুসজ্জিত অশোকা হলে ড. মনমোহন সিং এবং ছিষট্টি জন মিনিস্টারের শপথ অনুষ্ঠান হলো।

    গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সুসম্পন্ন করতে পেরে আমি হাঁফ ছাড়লাম। সত্যি সত্যি তিন দিনের মধ্যে কোন পার্টি সরকার গঠনের দাবি না জানানোর জন্য আমি উদ্বিগ্ন ছিলাম।

    //আমার আমলে আমি কঠিন কঠিন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলাম। লিগ্যাল ও সাংবিধানিক বিশেষজ্ঞদের মতামতের পরিপ্রেক্ষিতে আমি আমার মনকে পুরোপুরি দৃঢ় অবস্থায় রাখতে সমর্থ হয়েছিলাম। আমার সিদ্ধান্তগুলোর প্রাথমিক লক্ষ্য ছিল আমাদের সংবিধানকে সমুন্নত রাখা।//

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম
    Next Article লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    Related Articles

    এ পি জে আবদুল কালাম

    উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }