Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    এ পি জে আবদুল কালাম এক পাতা গল্প151 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫। আমি জাতিকে কী দিতে পারি?

    ভিশন জাতির বুদ্ধিবৃত্তিকে জাগ্রত করতে পারে

    .

    আমি জাতিকে কী দিতে পারি? অন্যান্য দেশের কাছে আমাদের দেশের সম্মান ও মর্যাদা আছে। আমাদের দেশের কোটি কোটি নারী পুরুষের মুখে হাসি। শুধুমাত্র দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন আর শিক্ষা প্রসারের মাধ্যমে এটা সম্ভব। সম্মান অর্জনের শ্রেষ্ঠ পথ শিক্ষা অর্জন। সৎ কাজের প্রতি শ্রদ্ধাবোধই আমাদের জনগণকে উন্নয়নের মূলধারায় চালিত করা যায়।

    স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে রাষ্ট্রপতিকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবার সুযোগ আছে। এই দুটো উৎসবের দিনে রাষ্ট্রপতি দেশের উন্নয়নের সম্বন্ধে বক্তব্য পেশ করেন। ইংরেজি ভাষায় ভাষণের পর হিন্দিতে ভাষণ দেওয়া হয়। যা হোক, প্রত্যেক ভাষণের শেষে আমি প্রথমে শুরু করা শুভেচ্ছা বাণী আবারও বলতাম। হিন্দি ভাষণে সারাংশটাই বলতাম। হিন্দির জ্ঞান আমার প্রাথমিক স্তরের। প্রজাতন্ত্র দিবসের ভাষণে সর্বদাই একটা থিম ছিল। আগে থেকেই একটা প্রস্তুতি নেওয়া হতো। আগে থেকেই কয়েকটা ড্রাফট করা হতো। তা দশটা কিংবা তারও বেশি অস্বাভাবিক ছিল না। ২০০৪-এর আর ডে এর বক্তৃতার ড্রাফট দশটা করা হয়েছিল। ২০০৫ এর ১৪ আগস্টের থিমটা ছিল উদ্দীপনাময়। ওই দিনকার ভাষণের ড্রাফ্‌ট করা হয় ১৫ টা। ২০০৭ এর ২৫ এপ্রিলে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের ভাষণের সবচেয়ে বেশি ড্রাফট করা হয়। ৩৫ টা ড্রাফট করা হয়। আমার দায়িত্ব পালনকালে আমি দশটা জাতীয় পর্যায়ের ভাষণ প্রদান করি। ভাষণের বিষয়গুলো ছিল বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাতে মিশনের বক্তব্যেরই প্রতিফলন ছিল। আমার দেওয়া ভাষণগুলোতে আমি ভারতের উন্নয়নের কথাই ব্যক্ত করেছিলাম। আমার বক্তব্যের বিষয়গুলোতে সর্বজনগ্রাহ্য আইডিয়া জনগণের সামনে তুলে ধরেছিলাম, যাতে পেশাজীবী মানুষেরা স্ব স্ব ক্ষেত্রে উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত গতিতে বৃদ্ধি করতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ, উন্নয়নের জন্য দেশে জাত্রোফা চাষের জন্য জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করেছিলাম। উল্লেখযোগ্য সংখ্যক রাজ্য জাত্রোফা চাষ করে লাভবান হয়েছে। তাছাড়া জাত্রোফা চাষে বিশেষজ্ঞরা জাত্রোফা চাষে প্রসারকৃত আফ্রিকার দেশগুলো থেকে জ্ঞান আহোরণ করে আমাদের চাষিদেরকে প্রশিক্ষণ দিয়েছিল। বায়োফুয়েল উৎপাদনের জন্য তারা জাত্রোফা চাষ করেছিল। এটা পতিত জমিতেই ভালো ফলে। একবার চাষ করলে এক নাগাড়ে পঞ্চাশ বছর এই গাছ বেঁচে থাকে। প্রতি বছর যে ফল দেয় তার বীজ থেকে তেল পাওয়া যায়।

    শিক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ছাত্রছাত্রীদেরকে যাচাই বাছাই করে তাদের উপযোগী শিক্ষা কার্যক্রমের কথা আমি তুলে ধরেছিলাম। সেন্ট্রাল বোর্ড অব এডুকেশন মার্কিং এর পরিবর্তে গ্রেডিং প্রথা চালু করার পরামর্শ দিয়েছিলাম, যাতে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে সুস্থ প্রতিযোগিতা শুরু হয়।

    নিজস্ব এনার্জি এর জন্য আমি একটা রূপরেখা তুলে ধরেছিলাম। আমি ২০২০ এর মধ্যে ৫৫,০০০ এম ওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন সৌর শক্তি প্ল্যান্ট গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়েছিলাম। ভারতের এনার্জির চিত্রটা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। ভারত শুধুমাত্র এনার্জি চাহিদার শতকরা ৮০ ভাগ মিটাতে সক্ষম। অন্যদিকে, প্রতিবছর বিদ্যুতের চাহিদা শতকরা ৫ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কয়লার উৎপাদন মাত্র শতকরা ১ ভাগ বেড়েছে। সারাদেশের অনেক রাজ্যে দিনে আট ঘন্টা বিদ্যুত বিচ্ছিন্ন থাকে। এই পরিপ্রেক্ষিতে বিকল্প বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা একান্ত জরুরি।

    আমাদের পরিবেশকেও নিয়ন্ত্রণে রাখা প্রয়োজন। কয়লা, তেল এবং গ্যাস ভিত্তিক পাওয়ার প্লান্টের সংখ্যা হ্রাস করা প্রয়োজন। বিদ্যুত উৎপাদনের জন্য সূর্য,বাতাস,আনবিক শক্তি ও হাইড্রো পদ্ধতির উপর জোর দিতে হবে। ২০২০ এর মধ্যে বাস্তবায়ন যোগ্য ২০.০০০ এম.ওয়াট শক্তির সোলার মিশন গ্রহণ করতে হবে। সৌরশক্তির উন্নয়নের জন্য অন্যান্য পদক্ষেপও নিতে হবে। উদাহরণ স্বরূপ, ফটোভোল্টিক সেলের ক্ষমতা ১৫ পার্সেন্ট থেকে কম পক্ষে ৫০ পার্সেন্টে উন্নিত করতে হবে। দিনের বেলার জন্য সৌর শক্তি আর রাতের জন্য বায়োফুয়েলের ব্যবস্থা করতে হবে। ফলশ্রুতিতে এনার্জি ধারাবাহিকভাবেই সহজলভ্য হবে। গুজরাটে প্রাইভেট সেক্টরের সাথে যৌথ উদ্দ্যোগে ৬০০ এম.ওয়াট সৌর শক্তি প্লান্ট চালু করা হয়েছে। প্রতিদিন তিন মিলিয়ন ইউনিট বিদ্যুত ব্যবহার করা হয় প্রতি ইউনিট ১৫ রুপি হিসাবে।

    আজ রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের একটাই ভিশন ভারতকে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত জাতিতে পরিণত করা। এই সমস্ত উদাহরণের দ্বারা যে কেউ দেখতে পাবে যে রাষ্ট্রপতি সরাসরি নাগরিকদের সাথে সম্পৃক্ত যা থেকে জাতি উপকৃত হয়। আমি পার্লামেন্টে যে ভাষণগুলো দিয়েছিলাম তা আসলে জনগণের জন্যই। ১৯৯৯, ২০০০, ২০০১, আর ২০০২ এবং ২১ মার্চ ২০০৫- এ পার্লামেন্টে দেওয়া আমার ভাষণে আমি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের উপর বক্তব্য পেশ করেছিলাম।

    আমি বললাম, ভারতের কৃষ্টি সভ্যতার সমন্বিত ধারা স্বাধীনতা আর গণতন্ত্রের মধ্যে নিহিত। প্রকৃতপক্ষে আমাদেরকে ফিরে যেতে হয় প্রাচীন যুগে। সেযুগে সভা আর সমিতি আমাদের গ্রামগুলোর শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান হিসাবে বিবেচিত হতো। আজ আমাদের প্রজাতন্ত্রে একই ধরনের প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের মধ্যে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারা বর্তমান ছিল। আর এই ধারা প্রতিধ্বনিত হয় ভারতের সংস্কৃতিতে। ভারত পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে বৃহত্তম সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হওয়ায় আমরা বিশেষভাবে গর্বিত। বহুধর্ম, বহুভাষা, বহু সংস্কৃতির দেশ ভারত। রাজনীতির দুটো ধারা আছে। আমরা জানি স্বাধীনতা আন্দোলনের লগ্নে লড়াই করা রাজনৈতিক দলগুলোর লড়াইয়ের কথা। যা হোক, আজ দেখতে হবে ভারতের জন্য কী প্রয়োজন? ২৬০ মিলিয়ন লোক দারিদ্রসীমার নিচে, শিক্ষিতের হার ৩৪ পার্সেন্ট, ৩৬ মিলিয়ন তরুণ-তরুণী চাকরি খুঁজছে। আমাদের মিশন ভারতকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করা যাতে জনগণ দারিদ্রতা, নিরক্ষরতা আর বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পায়। এই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য প্রয়োজন উন্নয়নকামী রাজনীতির।

    আমি দেখতে পছন্দ করি এমন একটা অবস্থা যাতে আমাদের দেশে উন্নয়নকামী রাজনীতির চর্চা হয়। তাদের মেনোফেস্টোতে প্রতিফলিত হবে উন্নয়নের প্রতিদ্বন্দিতামূলক রাজনৈতিক ভিশন। আর তা কেমন হবে সেটাই আমি ব্যক্ত করতে চাই।

    ১. মনে করুন পার্টি এ বলে, পনেরো বছরের মধ্যে আমরা ভারতকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবো। প্রত্যেক পাঁচ বছরের জন্য একটা ডেভেলপমেন্ট গ্রোথ অর্জন করতে সক্ষম হবে। পার্টি বি বলে, একটা স্বচ্ছ পরিকল্পনার মাধ্যমে আমরা ভারতকে বিশ বছরের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করবো। পার্টি সি বিভিন্ন দিকদর্শন আর ধ্যানধারণার মাধ্যমে জাতিকে উন্নত করবো গ্লোবাল এরিয়ায় আমাদের ভূমিকায়। এতে একটা রোড ম্যাপ অবশ্যই থাকবে যাতে ভারত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হতে পারবে একটা সময় কালের মধ্যে।

    ২. আমার অভিপ্রায় দুটো, এ পার্টি বলে, আমরা একটা নেশন সৃষ্টি করবো যেখানে কোন বেকার থাকবে না। তারা পরামর্শ দেবে চাকরি প্রার্থীর চেয়ে চাকরি দাতার সংখ্যা হবে বেশি। পার্টি বি বলবে আমরা চাকরির নিশ্চয়তা দেব প্রশাসনযন্ত্র কোর্টে কোন মামলা পেন্ডিং রাখবে না আর আইনশৃঙ্খলার নিশ্চয়তা বিধান করা হবে। সমস্যা মুক্ত পরিবেশে জনগণ সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে শান্তিতে বসবাস করবে। পাটি সি বলে যে কোন ভারতীয় অভুক্ত অবস্থায় ঘুমাতে যাবে না। এর মাঝে একটা ভিশন আছে যা নিশ্চয়তা বিধান করবে যে পৃথিবীর সমস্ত রাষ্ট্র ভারতের দিকে তাকিয়ে দেখবে। তারা বুদ্ধিদীপ্ত নেতৃত্ব দান করবে সারা পৃথিবীতে। ভারত বসবাসের জন্য শান্তি, স্থিতিশীল সুন্দর স্থান হিসাবে বিবেচিত হবে।

    ৩. তৃতীয় দৃশ্যপটে, পার্টি এ বলবে, আমরা দশ বছরের মধ্যে প্রতিবেশি রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে লেগে থাকা সীমান্ত সংক্রান্ত বিবাদ মিটিয়ে ফেলার নিশ্চয়তা বিধান করছি। পার্টি বি বলবে, আমরা পাঁচ বছরের মধ্যে প্রতিবেশি রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে লেগে থাকা সীমান্ত সংক্রান্ত বিবাদ মিটিয়ে ফেলার নিশ্চয়তা বিধান করছি। পার্টি সি বলবে যে সীমান্ত বাণিজ্য জোরদার করার লক্ষ্যে আমরা বর্ডারলেস সীমান্ত বাণিজ্য চালু করবো। ব্যবসা বাণিজ্যের প্রসারের সাথে সাথে শান্তিও প্রতিষ্ঠিত হবে।

    জনগণ নির্দিষ্ট পার্টিকে সুযোগ দিলে তাদের উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য তখনই সমস্ত সদস্য বাস্তবতাকে উপলব্ধি করতে পারে। দেশ এবং জনগণ মহান পার্লামেন্টের দ্বারা প্রশংসিত হবে। গণতন্ত্র উন্নত জীবনযাপনের জন্য প্রত্যেককে সুযোগ দান করে। উন্নত জীবনযাপনের সুযোগ লাভ করলে জনগণ বুঝতে পারবে জাতির ভিশন কী। প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক আর জ্ঞান নির্ভর পৃথিবীতে সুন্দরভাবে টিকে থাকার জন্য আমাদের সমস্ত জনগণের মাঝ থেকে সম্পূর্ণভাবে দারিদ্রতাকে নির্মূল করা অত্যন্ত জরুরি। আজকের জটিল পৃথিবীতে আমাদের জনগণের আর জাতির নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাও একান্ত প্রয়োজন। ‘রাজনৈতিক’ রাজনীতি থেকে উন্নয়নের রাজনীতিতে উত্তরণের মাধ্যমে বহুবিধ অভাব নিরসন করা সম্ভব।

    পার্টির ভাবাদর্শকে মোকাবিলা করে জাতীয় ইস্যুগুলোকে সামনে নিয়ে আসা উচিত। ভারতকে উন্নত জাতিতে পরিণত করার লক্ষ্যে সামনে এগিয়ে যাওয়া দরকার। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের জন্য বিশুদ্ধ পানি, সহজলভ্য বিদ্যুত, স্বাস্থ্যসেবা, আশ্রায়নের ব্যবস্থা করা সরকারের দায়িত্ব। তাছাড়া, যোগাযোগ ও কম্পিউটার ব্যবস্থাকে জনগণের হাতের কাছে পৌঁছে দেওয়াও সরকারের দায়িত্ব। জাতিকে সামনের কাতারে এগিয়ে নেবার জন্য পার্লামেন্টের ভূমিকা অপরিসীম। যে সমস্ত পুরুষ ও মহিলা সাংসদ হিসাবে নির্বাচিত, তাদের মধ্যে দেশের উন্নয়নের জন্য আদর্শগত আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন অবশ্যই থাকতে হবে। আমি সাংসদদেরকে বলেছিলাম আমরা জেনেও এমন কিছু সত্যকে অস্বীকার করে থাকি। সেই সব কথা আপনাদের কাছে বলতে আমার দ্বিধা নেই। কারণ আমি আপনাদেরই একটা অংশ। আমি আপনাদের সবার মতোই পালামেন্টের একজন হয়ে আপনাদের মতোই সংসদীয় ব্যবস্থার সাফল্য কামনা করি। আমাদের নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্যে অস্বাভাবিকতা আছে। আসুন আমরা নিজেরাই সৎ হই। কিছু আসনে অগণতান্ত্রিক পদ্ধতির প্রয়োগের অভিযোগ আছে। এর ফলে জনগণের মনে নির্বাচন সম্পর্কে বিরুপ প্রতিক্রিয়া হওয়া অসম্ভব নয়। রাজনীতি যখন কানাগলিতে রুদ্ধ হয়ে যায় তখনই তা আর সুষ্ঠ রাজনীত থাকে না। আসুন আমরা কোন প্রকার ঝুকির মধ্যে না গিয়ে আমাদের সংবিধানকে সমুন্নত রাখি, যাতে ভারত টেকসইভাবে সুস্থ গতিশীল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসাবে বেড়ে উঠতে পারে। ভারতীয় সভ্যতার আলোকে জনগণের জীবনধারা সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে যেন আবর্তীত হয়। পার্লামেন্ট সঠিক রাজনীতির মাধ্যমে সঠিক কাজকর্মের দ্বারা জনগণের মুখে হাসি ফুটাতে পারে। জনগণের মধ্যে আস্থা আর বিশ্বাসের বাতাবরণ সৃষ্টি করতে হবে। ভারতীয় জনগণ অতীতে কাজের দ্বারা বহুবিধ অর্জন করেছে, তার নজির ভুরি ভুরি আছে। পার্লামেন্টের একটা মিশন থাকা প্রয়োজন যার উদ্দেশ্য হবে যেসব পুরনো আইন অর্থনীতির গতিকে বাঁধাগ্রস্ত করে সেইগুলোকে চিহ্নিত করা এবং সেইগুলিকে বাতিল করার ব্যবস্থা নেওয়া। এর ফলে জনগণের বৃহত্তর অংশের মনে ভালো কাজে উদ্বুদ্ধ হবার আশা জাগবে। ভারত অবশ্যই আস্থা ভিত্তিক পদ্ধতির মাধ্যমে অগ্রগতির পথে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। আমাদের মহান পার্লামেন্টের সদস্যরাই এই পরিবর্তন আনতে পারেন। আমি তাদের প্রতি এজন্য উদাত্ত আহ্বান জানাই।

    আমাদের মিশনকে সফল করার লক্ষ্যে পাঁচটি মূল লক্ষ্য স্থির করতে হবে। সেই লক্ষগুলো হলো ১) কৃষি ও ফল প্রক্রিয়াকরণ ২) শিক্ষা ও স্বাস্থ সেবা ৩) অবকাঠামো উন্নয়ন : নির্ভরযোগ্য আর গুণগতসম্পন্ন বিদ্যুত ব্যবস্থা, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং দেশের সমস্ত অংশের অন্যান্য ক্ষেত্রের অবকাঠামো উন্নয়ন। ৪) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি এবং জটিল প্রযুক্তি সম্পর্কে আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা।

    এই পাঁচটি ক্ষেত্র পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত। যদি সমন্বিত পন্থায় উন্নয়ন করতে হয়, তবে খাদ্য,অর্থ আর জাতীয় নিরাপত্তার প্রয়োজন। গ্রামীণ উন্নয়ন নিশ্চিতকরণের জন্য অবকাঠামোকে শক্তিশালী করা প্রয়োজন। গ্রামীণ এলাকার উন্নয়নের জন্য ব্যবহারিক,ইলেক্ট্রোনিক ও জ্ঞান এই তিনটির সাথে সম্পৃক্ততা বজায় রাখতে হবে। আর্থিক সচ্ছলতার প্রতিও নজর দেবার প্রয়োজন পড়বে। গ্রামের উন্নয়নের জন্য প্রোভাইডিং আরবান অ্যামেনিটিস ইন রুরাল এরিয়া (পিইউআরএ) এর আওতায় আনতে হবে। সারাদেশে পিইউআরএ এর ক্লাস্টারের সংখ্যা হবে ৭০০০।

    আমাদের জিডিপি বছরে ৯ পার্সেন্টে পৌঁছালে আমরা খুশি। কিন্তু বাস্তবে এর দ্বারা এটাই প্রমাণ করে না গ্রামীন এলাকা এমন কি পৌর এলাকার বৃহত্তর জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা এখানে তুলে ধরতে পারি ন্যাশনাল প্রোসপারিটি ইনডেক্স (এনডিআই) কী? এটা হচ্ছে এ) বাৎসরিক জিডিপি,বি) দারিদ্র্যসীমার নিচে অবস্থিত মানুষের জীবনযাত্রার গুণগত মানোন্নয়ন,সি) মানুষের জীবনের সর্বক্ষেত্রে ভারতের চমৎকার সভ্যতাভিত্তিক উত্তরাধিকার থেকে আসা মূল্যবোধের অবলম্বন এর সারসংক্ষেপ। তাহলে এনডিআই এ+বি+সি। প্রকৃতপক্ষে, ‘বি’ এর অন্তর্ভুক্ত বাসস্থানের সহজলভ্যতা, নিরাপদ পানি, পুষ্টি, স্বাস্থ্যসম্মত সেনিটেশন, মানসম্মত শিক্ষা, মানসম্মত স্বাস্থসেবা, চাকরির সুব্যবস্থা, আর ‘সি’এর কাজ যৌথপরিবার গঠন করতে উদ্বুদ্ধকরণ, সম্মিলিতভাবে কাজ করার স্পৃহা সৃষ্টি, সুস্থ জীবনযাপনে উদ্বুদ্ধকরণ, সামাজিক বৈশম্য দূরীকরণ সর্বোপরি সংঘাত মুক্ত সৌহাদপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা। ফলশ্রুতিতে পরিবার ও সমাজে দুর্নীতির মাত্রা হ্রাস পাবে। কোর্টের মামলা মকদ্দমার সংখ্যা হ্রাস পেতে থাকবে। শিশু ও মহিলাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসও কমে আসবে। সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা হ্রাস পাবে। ২০২০ এ দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী লোকের সংখ্যা শূন্যের কোটায় গিয়ে দাঁড়াবে। ন্যাশনাল প্রোসপারিটি ইনডেক্স উন্নত পর্যায়ে পৌছা তখনই সম্ভব হবে, যখন আমাদের সমস্ত প্রকারের প্রচেষ্টার মাধ্যমে জাতির অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধিত হবে।

    কেমন ভাবে আমরা আমাদের এই ভিশনকে উপলব্ধি করতে পারবো? এই ভিশন বোঝার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে কী পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন?

    আপনাদের অনেকের সাথে আলাপ আলোচনা করে এবং কেন্দ্রীয় ও রাজ্য পর্যায়ের নানা প্রোগ্রাম, প্রাইভেট ও বেসরকারি সংস্থার নানা সভাসমিতিতে নানা জনের সাথে মতবিনিময় করে আমার মধ্যে আস্থা জন্মেছে যে আমাদের সমাজ এইসব মিশনে কাজ করতে প্রস্তুত। আমি আপনাদেরকে পরামর্শ দিতে পারি এই বলে যে আপনারা দুটো গুরুত্বপূর্ণ মিশনে সম্মিলিতভাবে কাজ করুন।

    ১. এনার্জি ইন্ডিপেনডেন্স বিল প্রস্তুতকরণ : এনার্জি সম্পর্কে তিনটা দিক নির্দেশনা থাকবে যে গুলো থেকে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিতকরণ সম্ভব হবে।

    ২. ভিশন ২০২০ : একটা সিদ্ধান্ত প্রয়োগ যাতে ভারত রূপান্তরিত হবে একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধশালী, সুখী আর আর্থিকভাবে স্বচ্ছল দেশে, যা ন্যাশনাল প্রোসপারিটি ইনডেক্স (এনপিআই) দ্বারা পরিমাপ যোগ্য হবে।

    সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে এই সমস্ত বিলের বাস্তবতা গুরুত্ব সহকারে অনুধাবন করতে আপনারা আমার সাথে একমত হবেন।

    এই ইস্যুগুলোকে আমি গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে আমি আমার বক্তৃতায় তুলে ধরেছি এবং পরে তা বইয়ে গ্রন্থিত করেছি।

    রাষ্ট্রপতিভবনে থেকে আমি চমৎকার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছিলাম। যখনই আমি কোন নির্দিষ্ট রাজ্য কিংবা মন্ত্রণালয় ও সরকারি বিভাগের কোন ইস্টিটিউট এ কিংবা প্লানিং কমিশন কিংবা রাজ্য সরকারের কাছে সর্বশেষ তথ্য উপাত্ত চাইতাম তখনই তা রাষ্ট্রপতির সেক্রেটারিয়েটে সরবরাহ করা হতো। এইসব তথ্য উপাত্ত থেকে আমার ভাষণের খসড়া তৈরি করা সহজ সাধ্য হতো। পার্লামেন্ট এবং বিভিন্ন রাজ্যের অ্যাসেম্বলিতে, পাবলিক ও প্রাইভেট সেক্টরে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তৃতায় আমি সেই সব তথ্য উপাত্তকে উপস্থাপন করেছিলাম। আমি রাষ্ট্রপতি হবার আগে এই সুযোগ পাই নি।

    রাষ্ট্রপতিভবনে আমার অবস্থান কালে আমি বারটা স্টেট অ্যাসেম্বলিতে ভাষণ দিয়েছিলাম। সেই সব ভাষণে আমি দেশের সমৃদ্ধির জন্য আমার ভিশনের কথা ব্যক্ত করেছিলাম। তথ্যাদি সংগ্রহ করে বিচার বিশ্লেষণ করতে এক মাসের মধ্যে পনরো দিন লেগে যেত। এই প্রস্তুতির জন্য ভার্চুয়াল কনফারেন্স রাষ্ট্রপতি ভবনের মালটিমিডিয়া ফ্যাকাল্টি থেকে পরিচালিত হতো। আলোচনার জন্য যখন বিশেষজ্ঞদেরকে পাওয়া যেত তখন এই কাজ চলতো সন্ধ্যা ৮টা থেকে মাঝরাত পর্যন্ত। রাজ্যগুলো ছিল : জম্মু ও কাশ্মির, হিমাচলপ্রদেশ, গোয়া, বিহার, মধ্যপ্রদেশ, কর্ণাটক, কেরালা, অন্ধ্রপ্রদেশ, মিজোরাম, মেঘালয়, সিকিম এবং পন্ডিচেরি।

    রাজ্যগুলোর আর্থসামাজিক অবস্থা যাচাই করে এই রাজ্যগুলোকে নির্ধারণ করা হয়েছিল। রাজ্যগুলো নির্ধারণের ক্ষেত্রে পারক্যাপিটাল ইনকাম, লিটারেসি লেভেল, বেকারত্বের হার, দারিদ্র্যসীমার জনসংখ্যার হার, মাতৃত্ব আর মৃত্যুরহার, কৃষি, শিল্প আর চাকরির হার ইত্যাদি ফ্যাক্টরকে যাচাই-বাচাই করা হয়েছিল। উদাহরণস্বরূপ মিশন বিহারকে নির্ধারণ ‘করেছিল এইসব তথ্য উপাত্তের উপর ভিত্তি করে। ১) কৃষি আর উৎপাদিত ফসলের মূল্যের উপর ভিত্তি করে, ২) এডুকেশন ও উদ্যোগবিনিয়োগকারী, ৩) মানবসম্পদ, ৪) নালন্দা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ৫) হেল্থ কেয়ার মিশন, ৬) বন্যার পানির ব্যবস্থাপনা,৭) টুরিজম, ৮) অবকাঠামো, ৯) এক্সক্লুসিভ ইকোনোমিক জোন, ১০) ই-গভর্নেন্স। এই দশটা মিশন বাস্তবায়নের ফলে বিহারের পারক্যাপিটাল ইনকাম রুপি ৬৩০০ (২০০৫-০৬) থেকে রুপি ৩৫০০০ তে বৃদ্ধি পায় ২০১০ সালে। বন্ধুসুলভ পরিবেশের জন্য ২০০৫ এর ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ১০ মিলিয়ন বেকার / আধা বেকারের মাঝ থেকে বিপুল সংখ্যককে চাকরি দেওয়া সম্ভব

    হয়েছিল। বিহার সরকার ২০১৫ এর মধ্যে শিক্ষা আর চাকরির ক্ষেত্রে লক্ষ্যমাত্র ধার্য করে এক শত পার্সেন্ট। সরকার বহু স্কিম গ্রহণ করেছিল। আজকের দিনে বিহার উন্নতিতে শীর্ষে থাকায় আমি খুশি হয়েছিলাম। রাজ্য অ্যাসেম্বলির সদস্যরা এই রাজ্যের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রেখেছিলেন। আমি বিহার অ্যাসেম্বলিতে ভাষণ দেবার পর রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভাইস চ্যান্সেলরদের উদ্দেশ্যে ভাষণ দিয়েছিলাম। তাছাড়াও বিহার রাজ্যের চেম্বার অব কমার্সে এই থিমের উপর বক্তব্য পেশ করেছিলাম।

    কেরালাতে মালইয়ালা মনোরমাতে কেরালার সমৃদ্ধির জন্য মিশনের কথাগুলোকে মালয়ালম ভাষায় অনুবাদ করে প্রকাশ করা হয়েছিল। জেলা পর্যায়ের ওয়ার্কসপগুলো পরিচালিত হয়েছিল মিশন যে সমস্ত বিষয় বাস্তবায়ন করতে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল তার আলোকে। ওয়ার্কসপগুলোর সিদ্ধান্তগুলো সুপারিশের আকারে রাজ্য অ্যাসেম্বলিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। অন্য রাজ্যগুলোর উন্নয়ন সম্পর্কে মিডিয়া সুন্দর কভারেজ করেছিল। আমি রাজ্যগুলোর বিভিন্ন সংস্থা থেকে অনেক অনেক ফিড ব্যাক পেয়েছিলাম।

    [একই কৃষ্টি আর মূল্যবোধের সুতোয় কোটি কোটি লোককে সম্পৃক্ত করাই আমার স্বপ্ন ছিল। আমাদের মহাকাব্যগুলো আমাদেরকে মনে করিয়ে দেয় আমাদের গৌরবময় অতীতের কথা। আর সেই ধারায়ই আমাদের সুন্দর ভবিষ্যত রচিত হবে।]

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম
    Next Article লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    Related Articles

    এ পি জে আবদুল কালাম

    উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }