Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ট্রেইটরস ইন দ্য শ্যাডোস : এম্পায়ার অব দ্য মোগল -অ্যালেক্স রাদারফোর্ড

    লেখক এক পাতা গল্প453 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. বেগম পাদিশাহ

    রুপা আর ফিরোজা দিয়ে বাঁধানো কুরআনটি নামিয়ে রেখে রওশনআরার দিকে তাকিয়ে আওরঙ্গজেব বললেন, কি ব্যাপার বোন? রওশনআরা তখনও হাঁপাচ্ছিলেন, মনে হচ্ছিল যেন তিনি ছুটতে ছুটতে হেরেম থেকে আওরঙ্গজেবের খাসকামরায় এসেছেন কোনোমতে কেবল এতটুকু বলতে পারলেন, দুজন কাসিদ-বার্তাবাহক–আগ্রা থেকে এসেছে। ওরা জাহানারার কাছ থেকে আমার জন্য একটি বার্তা নিয়ে এসেছে।

    জাহানারা? উনি তো অসুস্থ ছিলেন, তাই না?

    না…জাহানারা নন, আমাদের বাবা অসুস্থ। তিনি জানিয়েছেন, বাবা এখন মৃত্যুশয্যায়। তিনি অনুরোধ করেছেন, আমি যেন তোমাকে রাজি করিয়ে তার কাছে নিয়ে যাই। বাবা তোমাকে কিছু বলতে চাচ্ছেন।

    আওরঙ্গজেব উঠে দাঁড়ালেন, কি বলবেন?

    জাহানারা কিছু বলেন নি, তবে বেশ জোর দিয়ে এটা জানিয়েছেন তুমি যদি এখুনি না যাও তাহলে খুব দেরি হয়ে যাবে।

    দেরি হবে, কার জন্য? আমার না বাবার?

    রওশনআরা চোখ পিটপিট করলেন। অনেকসময় আওরঙ্গজেবের মন বোঝা খুব কঠিন হয়। তারপর সাহস করে বললেন, হয়তো তোমাদের দুজনের জন্য।

    তিনি বহুদিন আগে আমার শ্রদ্ধা হারিয়েছেন। তাছাড়া এখন আমরা একজন আরেকজনের সাথে কি কথা বলবো? তিনি আমাকে ভর্ৎসনা করবেন। আর আমি তাকে বলবো, আমি যা করেছি তা সাম্রাজ্যের ভালোর জন্য করেছি। এতে আমাদের দুজনের কি লাভ হবে?

    রওশনআরার চোখে পানি এল। তার খুব ইচ্ছে হচ্ছিল, আওরঙ্গজেব তাকে দুহাতে জড়িয়ে ধরবেন, কিন্তু তা হবার নয়। মুখ স্থির করে তিনি সোজা সামনের দিকে তাকিয়ে রইলেন, তার মুখ দেখে কিছুই বোঝার উপায় নেই। রওশনআরা বললেন, তোমার মনে আছে যখন আমি একেবারে ছোট ছিলাম তখন বাবা আমাকে একবার কিভাবে নদী থেকে উদ্ধার করেছিলেন? আমার অবশ্য এঘটনার কিছুই মনে নেই। অবশ্য তখন তো আমি খুব ছোট ছিলাম– জাহানারার কিন্তু ঠিক মনে আছে। যখন আমরা বড় হচ্ছিলাম তখন তিনি আমাকে প্রায়ই বলতেন কিভাবে আমাদের ঘোড়ার গাড়িটা উল্টে পানিতে পড়তেই আমি মায়ের হাত থেকে ছিটকে পানিতে পড়ে গিয়ে প্রায় ভেসে যাচ্ছিলাম, কিন্তু বাবা আমাকে উদ্ধার করেন। শুধু তার কারণেই আজ আমি বেঁচে আছি।

    এই কাহিনী আমি বহুবার শুনেছি। আর যখন আমাদের মা বেঁচে ছিলেন, তখনকার সময়ের বাবার অনেক স্মৃতি আমার নিজেরও মনে আছে। তবে আমরা দুজনেই জানি মা মারা যাবার পরের বছরগুলোতে সবকিছু কিরকম বদলে গিয়েছিল। আমাদের বেশি আবেগপ্রবণ হওয়া উচিত নয়। বিশেষত একজন সম্রাট হিসেবে আমি চাই না কোনো ধরনের আবেগ আমার বিচারবুদ্ধিকে ঘোলা করে দিক।

    তবে অনেকসময় আমার কি মনে হয় জানো, আমরা হয়তো সঠিকভাবে তাঁকে বিচার করতে পারিনি। মনে হয় তিনি আমাদের জন্য যা ভালো ভেবেছিলেন, তাই করছিলেন।

    আওরঙ্গজেব তার বোনের দুহাত ধরে বললেন, এটা খুবই স্বাভাবিক যে এরকম একটি মুহূর্তে আমরা সেই বন্ধনের কথা ভাবি, যা আমাদেরকে পরিবারকে একসাথে বেঁধে রেখেছিল। তবে আমরা নিজেদের সাথেই প্রতারণা করবো, যদি আমরা ভাবি যে, আমরা যা করেছি তা ভুল ছিল। তাছাড়া কি করতে হবে সে সিদ্ধান্ত তুমি নাওনি। সেটা আমার নিজের ভালোর জন্য কিংবা সুবিধার জন্য ছিল না, সেটা করা হয়েছিল সাম্রাজ্যের স্বার্থে। দুনিয়া এবং আল্লাহর সামনে এর সম্পূর্ণ দায়িত্ব আমি নিজে নিয়েছি। তোমার মনে রাখা উচিত, তখন আমি যদি সাথে সাথে কিছু না করতাম, তাহলে কি হতে পারতো? দারা শিকোহ শুধু খারেজি ছিলেন না, তিনি তাঁর ভাইদেরকে ঘৃণা করতেন। তিনি খুব দুর্বল চিত্তের মানুষ ছিলেন। যার জন্য আমাদের পূর্বপুরুষরা লড়াই করেছিলেন, হাতে সময় পেলে তিনি তার অধিকাংশই ধ্বংস করে ফেলতেন। আর এদিকে আমাদের বাবার তাঁর প্রিয়পুত্রের কোনো দোষই চোখে পড়ে না। যেন একজন মানুষ ভরদুপুরের সূর্যের দিকে খোশমেজাজে তাকিয়ে রয়েছেন।

    রওশনআরা মাথা নাড়লেন। তাঁর ভাই হয়তো ঠিকই বলেছেন–সাধারণত তিনি তাই বলেন। সেই যখন থেকে শাহজাহানের হাত থেকে সিংহাসন ছিনিয়ে নিয়ে আওরঙ্গজেব তার বড় বোন জাহানারার জায়গায় তাকে সাম্রাজ্যের প্রধান সম্রাজ্ঞী করেছিলেন, তারপর এতোবছর ওরা এসব বিষয় নিয়ে কখনও কোনো কথা বলেন নি। আর তিনি এতেই সন্তুষ্ট ছিলেন। মসৃণগতিতে আর বেশ আনন্দে তাঁর জীবন কেটে যাচ্ছিল, পদবি, সম্পদ…এদুনিয়ার জীবনে যা তিনি চেয়েছেন তার অধিকাংশ এখন তাঁর হয়েছে। তিনি হেরেম শাসন করেন। যদিও মাঝে মাঝে এমনভাবে নিজের ইচ্ছাপূরণ করেন, যা তিনি জানেন তার ভাই অনুমোদন করবেন না, তবে এসব বিষয়ে তিনি খুবই সতর্ক থাকেন। তিনি একজন ভালো সম্রাজ্ঞী ছিলেন, ঠিক যেরকম একজন ভালো কন্যাও ছিলেন। তারপর একসময় বুঝতে পারলেন দারা শিকোহ এবং জাহানারার তুলনায় তার বাবার কাছে তিনি কিছুই না। তবে এজন্য তাঁর অবশ্যই অপরাধ বোধ করা উচিত নয়। হাতের পিঠে চোখের পানি মুছে তিনি জিজ্ঞেস করলেন, তাহলে এখন তুমি কি করবে আরওরঙ্গজেব? তুমি কি আগ্রা যাবে?

    আওরঙ্গজেব ধীরে ধীরে তাঁর বোনের হাত ছেড়ে দিয়ে বললেন, জানি না।

    তিনি বুঝতে পারলেন তাঁকে এখন সাবধানে ভাবতে হবে। তাঁর বাবার অসুস্থতার খবরটি অপ্রত্যাশিত নয়। আর তা হবেই বা কেন? শাহজাহান বৃদ্ধ হয়েছেন, আর কারাধ্যক্ষ নিয়মিত তাকে যে খবর জানাতো, তাতে বোঝা যাচ্ছিল সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিনি আরো দুর্বল হয়ে পড়ছিলেন। যদি আওরঙ্গজেব সম্ভবে চিন্তা করেন আর নিজের মনের সত্যিকার অনুভূতি নিজের কাছে না লুকান, তাহলে এটা ঠিক যে, সেই যখন তিনি তার বাবাকে সিংহাসনচ্যুত করে তাকে বন্দী করেছিলেন, তখন থেকেই গত ছয় বছরে তিনি বেশ কয়েকবার তাঁর বাবার মৃত্যু কামনা করেছিলেন। অন্তত আন্তরিকভাবে এটাও ভাবতেন যে….

    কিন্তু এখন যেহেতু তাঁর বাবার শেষ সময় আসলেই ঘনিয়ে এসেছে, তখন তিনি ঠিক বুঝতে পারছেন না কি করবেন। রওশনআরাকে যাই বলুন না কেন, শাহজাহানকে বন্দী করে তিনি কি একটু অপরাধ বোধ করছেন না? কেন একবারও তাকে দেখতে কারাগারে যাননি? এটা কি এ কারণে যে, তিনি নিজেকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না, যদি তাঁর বাবা তাকে ক্ষমা করে দেন, তার প্রতি ভালোবাসা দেখান আর এতে বাবার প্রতি তাঁর মন নরম হয়ে যায়? কিন্তু দুজনে মিটমাট করে ফেললে তার পরিণতিটা কি হবে? শাহজাহান আবার সিংহাসনে ফিরে আসবেন নাকি তার ভাই দারা শিকোর জীবিত পুত্র বসবে? না, সাম্রাজ্যের স্বার্থে এটা কখনও তিনি হতে দেবেন না। কিংবা এটা হয়তো অন্যকিছু : তার ভয় হচ্ছে শাহজাহানের চোখে না জানি কি দেখতে পাবেন। শুধু ঘৃণাই দেখতে পাবেন, ভালোবাসা নয়, যা তিনি ছোটবেলায় একজন পিতার কাছ থেকে আশা করতেন। অথচ তার বাবা তার সমস্ত ভালোবাসা তার খারেজি জ্যেষ্ঠ পুত্রের জন্য সংরক্ষণ করে রেখেছিলেন।

    এমনকি যখন তিনি দিল্লি থেকে বজরায় যমুনা নদীর উপর দিয়ে তাজমহলে যেতেন প্রার্থনা করতে, যেখানে রত্নখচিত সাদা মার্বেল পাথরের কবরে তার মা শুয়ে আছেন, তখনও তিনি একবারও চোখ তুলে আগ্রা দুর্গের দিকে তাকাননি। দুর্গের লাল বেলেপাথরের দেয়ালের ছায়ার নিচ দিয়ে যাওয়ার সময়, সচেতন হয়ে ভাবতেন যে, শাহজাহান হয়তো দুর্গের প্রকারবেষ্টিত সমতল ছাদের উপরে তাঁর কারাগারের অষ্টকোণ টাওয়ারের ভেতর থেকে নিচের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। এমন একটি মাস যায়নি যে, শাহজাহান তাকে চিঠি লিখে আদেশ করেছেন কিংবা অনেক সময় মিনতিও করেছেন অন্তত একবারও তাকে দেখতে যেতে। কিন্তু তিনি নিজেকে সংযত রেখেছেন, কোনো উত্তর দেননি। দুই-একদিন এই বিষয়টি নিয়ে একবারও ভাবার চেষ্টা করেননি। তিনি নিজেকে বুঝাতেন এই চিঠিগুলো একধরনের ফন্দি, যাতে তিনি নিজেকে অপরাধী ভাবেন। তাঁকে দেখার জন্য বাবার মোটেই কোনো আকুলতা নেই।

    সুতরাং তিনি কোনোদিন তার বাবাকে দেখতে যাননি। আর একজন সন্তান হিসেবে এখন করুণা দেখাবার জন্যইবা কেন যাবেন? আর বাবার মৃত্যুশয্যায় এখন উপস্থিত হলে কি উদ্দেশ্য সাধন হবে? শুধু আবার জেগে উঠবে সন্দেহের অনুভূতি, কিংবা হয়তো অপরাধ বোধ, যা ইতিমধ্যেই তার মনে জেগে উঠছে আর সেই সাথে সম্ভবত সত্যিকার দুঃখ বোধ। একটু আগেই অতিরিক্ত ভাবাবেগ সম্পর্কে রওশনআরাকে কি সাবধান করেননি? স্বভাব সুলভভাবে চোখ বুজে চিন্তা করার পর তিনি একটি দীর্ঘশ্বাস নিলেন। মনে হয় উপায় একটা খুঁজে পাওয়া গেছে।

    শাহজাদা মুয়াজ্জমকে একটা চিঠি লেখো। সে আগ্রা থেকে কেবল বিশ মাইল দূরে শিবির স্থাপন করেছে। তাকে বলো ঘোড়ায় চড়ে দুর্গে যেতে, সেখানে গিয়ে পিতামহকে দেখার পর ফিরে এসে আমাকে জানাবে তিনি কেমন আছেন। আমার ছেলেকে সেখানে পাঠিয়ে আমি আমার বাবার প্রতি সম্মান ও শ্রদ্ধা দুটোই প্রদর্শন করবো। আর এই ফাঁকে একটু চিন্তা করার সুযোগ পাবো যে, সেখানে আমি নিজে যাবো কি যাবো না।

    আওরঙ্গজেব যে তার উপর আস্থা রেখেছেন এই কথাটি ভেবে রওশনআরা কৃতজ্ঞ বোধ করলেন। তিনি সাথে সাথে বললেন, এখনই লিখছি। এই কথাটি বলে তার খাড়া রেশমি ঘাগড়ার খসখস শব্দ করে ঘুরে চলে গেলেন।

    একা হওয়ার পর আওরঙ্গজেব আবার কুরআন শরিফ তুলে নিলেন। পাতা খুলে সূরার দিকে তাকালেও পবিত্র আয়াতের দিকে মনোযোগ দিতে পারলেন না। পিতার সাথে দেখা করার সিদ্ধান্তটি আপাতত স্থগিত করার কারণে মনে হয় তাঁকে আর হয়তো জীবিত দেখতে পারবেন না। আর সেই সাথে একটি মুখোমুখি অবস্থা এড়াতে পেরেছেন, যেখানে তিনি হয়তো তাঁর আবেগ সামলাতে পারতেন না, পরিণতি তো দূরের কথা। একমুহূর্তের জন্য চোখ বুজতেই অন্ধকারের বদলে পরিষ্কার তাঁর সবচেয়ে বড় বোন জাহানারার মুখটা দেখতে পেলেন, যেন তিনি এখানেই ছিলেন। জাহানারা তাঁর বাবার সাথে স্বেচ্ছায় কারাবরণ করেছিলেন আর তাই তার বিদ্রোহের সময় থেকেই আওরঙ্গজেব তাঁর বড় বোনকে দেখতে পারেননি। এখন তার মনের অবস্থা কি কে জানে আর তাঁকেই বা কিভাবে তিনি বিচার করবেন?

    *

    তিন সপ্তাহ পর শোকের শাদা পোশাক পরে আওরঙ্গজেব ঘোড়ায় চড়ে ধীরে ধীরে বাঁকা ঢাল বেয়ে উপরের দিকে উঠে তীক্ষ্ণ কীলক বসানো আগ্রা দুর্গের বিশাল প্রথম ফটকের ভেতর দিয়ে এগোলেন। শেষ যখন তিনি এখানে এসেছিলেন, তারপর অনেক বছর পার হয়ে গেছে, তারপরও সবকিছু চেনা মনে হচ্ছে। লাল বেলেপাথরের দুর্গ, উঠান আর বাগান সবকিছু সেই আগের মতোই আছে। সিংহাসনে বসার পর যখন তাঁর বাবা নতুন পরিবার নিয়ে এখানে বসবাস করতেন ঠিক তখনকার মতো। ঐ থামগুলোর মাঝে আওরঙ্গজেব তার ভাইদের সাথে তরোয়াল নিয়ে খেলতেন…আর তাঁদের অপরূপ সুন্দর প্রিয় মা গোলাপ সুরভিত কামরায় বসে সারাক্ষণ তাঁদের জন্য অপেক্ষা করতেন…?

    মমতাজের মৃদু হাসির কথা মনে পড়তেই আওরঙ্গজেব ভ্রু কুঁচকালেন। তার স্মৃতি ছিল অম্ল-মধুর। তাজমহল থেকে মাত্র আসার পর এখন তা আরো বেশি মনে পড়ছে, যেখানে এখন তাঁর বাবা তাঁর মায়ের পাশে শুয়ে রয়েছেন। সমাধির পাশে বসে তিনি একা কেঁদেছিলেন, সেটা কি মমতাজের জন্য এবং তাঁর মৃত্যুর পর তিনি যে একাকীত্বে ভুগছেন সে জন্য, নাকি শাহজাহানের জন্য অথবা তার নিজের জন্য, তা নিশ্চিত নয়।

    আওরঙ্গজেব চিবুক তুললেন। কেউ যেন তার চেহারায় একজন সম্রাটের উপযুক্ত গাম্ভীর্য ছাড়া আর কিছুই না দেখতে পায়, যিনি তাঁর বাবার মৃত্যুতে শোক পালন করছেন। চারপাশে তাকিয়ে দেখলেন, সবকিছু ঠিকঠাক আছে। যেরকম তিনি নির্দেশ দিয়েছিলেন; যখন একজন বার্তাবাহক মুয়াজ্জমের কাছ থেকে খবর নিয়ে এসেছিল যে, সে আগ্রা পৌঁছে দেখে শাহজাহান ইতিমধ্যেই মারা গেছেন। দুর্গের উপরে সবুজের জায়গায় সাদা পতাকা উড়ছে। ফোয়ারাগুলো স্ত ব্ধ। এমনকি গোলাপঝাড় থেকে সমস্ত ফোঁটাফুল কেটে ফেলা হয়েছে। কেউ যেন বলতে না পারে যে, তিনি তাঁর বাবার প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা দেখান নি, যিনি শুধু তাঁর বাবাই নন, তিনি এককালে মোগল সম্রাটও ছিলেন।

    বহু স্তম্ভ শোভিত দেওয়ান-ই-আমে পৌঁছার পর তিনি ঘোড়ার পিঠ থেকে নামলেন। সেখানে সাদা পোশাক পরা সভাসদ ও সেনাপতির একটি দল নীরবে তাঁকে অভ্যর্থনা করার জন্য অপেক্ষা করছিল। ঘোড়া থেকে নেমে তিনি ডানে-বাঁয়ে তাকাতে তাকাতে অপেক্ষমাণ দলটির সারির মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে হেঁটে চললেন। ওরা সবাই বুকে ডানহাত রেখে মাথা ঝুঁকিয়ে তাঁর প্রতি আনুগত্য ও বাধ্যতা প্রকাশ করছিল। মার্বেল পাথরের মঞ্চের কাছে পৌঁছে আওরঙ্গজেব ধীরে ধীরে সিঁড়ির তিনটি ধাপ বেয়ে মঞ্চে উঠে ঘুরে তাকালেন। আওরঙ্গজেব দিল্লিতে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগে এই মঞ্চেই ময়ূর সিংহাসনটি ছিল। তিনি দুই হাত তুলে শুধু বললেন, আজকের এই বিষাদময় দিনে আমার কাছে, আপনাদের সম্রাটের কাছে আসার জন্য আমি আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আজ রাতে যখন আপনারা প্রার্থনা করবেন, আমি অনুরোধ করবো তখন এই কথাটি মনে রাখবেন, যেরকম আমিও স্মরণ করবো যে, এই পার্থিব জীবন ক্ষণস্থায়ী এবং আমরা এখন যেরকম আছি তার জন্য সবাই মহাপরাক্রমশালী আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ এবং আমরা যে অবস্থানেই থাকি না কেন, সকলকে তাঁর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। তারপর আওরঙ্গজেব পেছন ফিরতেই একজন ভৃত্য–কোরচি দরজা মেলে ধরতেই তিনি ভেতরে খাসমহলের দিকে এগিয়ে চললেন।

    বার্নিশ করা চকচকে সোনালি শামিয়ানার নিচে সাদা মার্বেল পাথরের কামরাটি ম্লান আলোয় মৃদু দীপ্তি ছড়াচ্ছে। একটি মুহূর্ত তার মনে হল যেন, তাঁর মায়ের সুন্দর মূর্তিটি একটি ধনুকাকৃতি খিলানের নিচে দাঁড়িয়ে তার স্বামী আর সন্তানদের জন্য অপেক্ষা করছেন, যেন সবাই একসাথে নৈশ আহার করতে পারেন।

    তারপর তিনি কামরায় ঢুকে তার জন্য পেতে রাখা একটি নিচু, নরম আসনে বসে একটি রেশমি বালিশে হেলান দিলেন। দেয়ালে আয়না বসানো কুলুঙ্গিতে মোমবাতির শিখা কেঁপে কেঁপে উঠছে। খানসামারা তাঁর সামনে একটি সাদা কাপড় বিছিয়ে তার উপর খাবারের থালা সাজিয়ে রাখতে শুরু করলো। ভোর থেকে তিনি কিছুই খান নি, তারপরও তার মোটেই খিদে পায় নি। কেবল সামান্য সাদা ভাত, ডাল আর তন্দুরি থেকে মুরগির মাংস নিলেন। তারপর যমুনা থেকে আনা বরফ-শীতল পানি খেলেন। কোরচি তাঁর নিজস্ব পেয়ালায় পানি ঢেলে দিল। এই পেয়ালাটি তিনি যেখানে যান সেখানেই তাঁর কোরচি সাথে বয়ে নিয়ে যায়। আলোকভেদ্য কিন্তু অস্বচ্ছ একটি জেড পাথর কেটে গোলাপের আকৃতি দেওয়া হয়েছিল। পানিতে বিষ থাকলে সাথে সাথে এটি বিবর্ণ হয়ে যাবে।

    খাওয়া শেষ করে আওরঙ্গজেব বেলকনিতে গেলেন। যমুনা নদীর বাঁকের উপরে পূর্ণিমার চাঁদ উঠছে। তাজমহলের মুক্তার মতো গম্বুজ রূপালি আলোয় ভরে গেল। কয়েকমুহূর্ত আওরঙ্গজেব এই দৃশ্যটির দিকে তাকিয়ে রইলেন… ভাষায় বর্ণনা করা যায় না এমন একটি বিষণ্ণ অথচ অপরূপ দৃশ্য। তারপর পেছন ফিরলেন। এখন তিনি সাক্ষাৎকারটি করতে চাচ্ছেন তা আর দেরি করা যায় না আবার তার ভীষণ ভয়ও করছিল। একবার হাততালি দিলেন।

    মসলিনের পর্দা সরিয়ে কোরচি বেলকনিতে ঢুকে বললো, জাঁহাপনা?

    আমার বোন শাহজাদি জাহানারার কাছে যাও। আমার তরফ থেকে সালাম। জানিয়ে তাকে এখানে আসতে বল।

    অপেক্ষা করতে করতে আওরঙ্গজেব বেলকনিতে পায়চারি করতে লাগলেন আর সেই সাথে তার লম্বা আঙুল দিয়ে সবুজ জেড পাথরের তসবিহ জপ করতে লাগলেন। এটা সবসময় তাঁর কোমরবন্ধ থেকে ঝুলে থাকে। সেই সাথে তাঁর বুকও ঢিপঢিপ করছিল যেন এখুনি কোনো যুদ্ধে ছুটবেন। একটুপরই পেছনে মানুষের পায়ের শব্দ শোনা গেল আর কোরচি বলে উঠলো, জাঁহাপনা, তিনি এসেছেন।

    ঠিক আছে। তুমি এখন যাও আর দ্যাখো কেউ যেন আমাদের বিরক্ত না করে।

    তিনি ঘুরে দেখলেন সাদা মসলিন পোশাক পরা শীর্ণ একটি মূর্তি, মাথা সাদা শালের ঘোমটায় ঢাকা, ছায়ায় মুখ দেখা যাচ্ছে না। ভাই, বোন, একে অপরের দিকে তাকিয়ে রইলেন, তারপর আওরঙ্গজেব নীরবতা ভঙ্গ করে বললেন, আপনি কেমন আছেন জাহানারা? একটু কাছে আসুন আপনাকে দেখি।

    তাঁর বোন কয়েক পা সামনে এগিয়ে ধীরে ধীরে মাথার ঘোমটা নামিয়ে দিলেন। শেষ যখন আওরঙ্গজেব তাঁকে দেখেছিলেন, তারপর এই সাত বছরে তার বয়স বেশ বেড়ে গেছে মনে হল। তাঁর একান্ন বছর বয়স থেকেও তাকে আরো বয়স্ক মনে হচ্ছিল। মোটা বেনি করা চুল প্রায় সাদা হয়ে গেছে আর চিবুক চামড়া থেকে ঠেলে উঠেছে। বাম গালে আর গলায় এখনও আগুনে পোড়ার দাগগুলো রয়েছে। অল্পবয়সে সেই আগুনে তিনি প্রায় পুড়ে মরছিলেন। চোখের নিচে কালি। আওরঙ্গজেব কি বলবেন, তা মনে মনে ঠিক করে রেখেছিলেন, কিন্তু তার এই জীর্ণশীর্ণ মূর্তিটির দিকে তাকিয়ে তাঁর মুখ থেকে কোনো কথা বের হল না। তাঁকে ইতস্তত করতে দেখে জাহানারা আরো কাছে এগিয়ে মাথা ঝুঁকিয়ে একজন সম্রাটের উপযুক্ত সম্মান দেখাতে শুরু করলেন।

    আওরঙ্গজেব তাঁকে কাছে টেনে নিয়ে বললেন, না? তিনি বাধা দিলেন না, আর যখন তাঁকে ছাড়লেন তখন আওরঙ্গজেব দেখলেন তার চোখের পানি গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়ছে। আর এটা দেখে তাঁর নিজের চোখের পাতাও খচখচ করে উঠলো, তিনি বহু কষ্টে তা সামলিয়ে বললেন, এখানে এসে আমার পাশে বসুন। অনেকদিন হল আপনি আমার পাশে বসেন না। তাঁকে আবেগে ভেসে গেলে চলবে না। জাহানারা স্বেচ্ছায় তার বাবার সাথে কারাবরণ বেছে নিয়েছিলেন, অথচ তিনি এখানে ম্রাজ্ঞী হতে পারতেন। আর তার চেয়ে বেশি খারেজি দারাকে ভালোবাসতেন… আর এই কথাটাই তার সবসময় মনে পড়তো, যখনই তিনি জাহানারার কথা ভাবতেন। আর এটাই তাকে শক্তি যোগাতো এই কথাটি ভুলে যেতে যে, যতকিছুই হোক তার বড় বোন তাঁর কাছে মায়ের মতো ছিলেন আর তিনি সব ব্যাপারে তার সম্মতি চাইতে পারতেন।

    জাহানারা মৃদুকণ্ঠে বললেন, আমি খুশি যে, শেষ পর্যন্ত আমাদের বাবা, আমাদের মায়ের পাশেই শান্তিতে শুয়ে রয়েছেন। যা যা করার দরকার সবকিছুই আমি করেছি–মোল্লারা সারাদিনরাত তাঁর আত্মার শান্তির জন্য মঙ্গল কামনা করে দোয়া করেছেন।

    ধন্যবাদ।

    শেষ মুহূর্তে তিনি আমাকে বলেছিলেন, যে তোমার বিরুদ্ধে তাঁর কোনো অভিযোগ নেই… তিনি তোমাকে ক্ষমা করেছেন।

    একথাটি শোনার পর আওরঙ্গজেব সমুচিত জবাব দিয়ে বলতে চাচ্ছিলেন : কি জন্য তিনি আমাকে ক্ষমা করবেন? তাঁর অযোগ্য হাত থেকে সাম্রাজ্য রক্ষা করার জন্য আর আমার ধর্মভ্রষ্ট ভাইয়ের হাত থেকে বাঁচাবার জন্য, যিনি এটা ধ্বংস করে দিতেন? আমি তাঁকে ক্ষমা করি নি…তিনি কখনও আমার কাজের প্রশংসা করেন নি।

    কিন্তু তিনি এই কথাগুলো উচ্চারণ না করে বরং জিজ্ঞেস করলেন, আর কিছু বলেছেন?

    তিনি আমাকে বলেছেন, আমি যেন তোমাকে অনুরোধ করি, যেকোনো উপায়েই হোক তুমি যেন তোমার ছেলেদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখো আর ছেলেদেরকে পরস্পরের সাথে লড়াই করতে অনুমতি দিও না। তিনি তখত ইয়া তক্তা–সিংহাসন কিংবা শবাধার–একজন যোদ্ধার এই গোপন নীতিমালা বা সংকেত লিপির কথা বলেছেন, যা আমরা তৃণভূমিতে আমাদের পুরোনো দেশ থেকে নিয়ে এসেছি। তিনি বলেছেন যখন আমরা হিন্দুস্তানে প্রবেশ করেছি তখন থেকেই এটা আমাদের বংশের বিপর্যয়ের হেতু হয়ে দাঁড়িয়েছে। একেবারে শেষ নিশ্বাস নেওয়ার সময় তিনি ফিসফিস করে আমাকে বললেন যে, আমাদের রাজবংশের সবচেয়ে বড় হুমকিটা সবসময় ভেতর থেকে এসেছে। যদি আমরা সাবধান না হই, তাহলে আমরা নিজেরাই নিজেদেরকে ধ্বংস করবো আর আমাদের শত্রুদের কিছুই করতে হবে না, ওরা কেবল আমাদের একদা বিশাল সাম্রাজ্য থেকে লুটের ভাগ নিয়ে যাবে। তিনি বললেন, তিনি চেষ্টা করেছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বিতা থামাতে, তবে ব্যর্থ হয়েছেন। তিনি কি শুধু এ বিষয় নিয়েই নিজেকে ভর্ৎসনা করেছেন?

    না। তিনি উদ্বিগ্ন ছিলেন যে, জীবনে তিনি ভুল করেছেন…অবশ্য আমরা সবাই তাই করি।

    আওরঙ্গজেব অনুভব করলেন জাহানারা তাঁর দুহাতের মাঝে তার হাতটা ধরেছেন। তিনি জিজ্ঞেস করলেন, আপনার কি মনে হয়, আমি যা করেছি তা ভুল ছিল?

    তুমি জানো আমি তাই মনে করি। একজন পুত্র এবং একজন ভাই হিসেবে তুমি তোমার দায়িত্ব পালন করনি। তুমি দারাকে তোমার শত্রু বানিয়েছ, মিত্র বানাও নি। তারপর যখন তাঁকে পরাজিত করলে, তখন তাঁকে আর তাঁর ছেলেকে মেরে ফেলার দরকার ছিল না। কিংবা অন্য ভাইদের বিরুদ্ধে না গেলেও পারতে। কথাগুলো বলার সময় তিনি হয়তো অনুভব করতে পারছিলেন যে, তাঁর দুহাতের মধ্যে আওরঙ্গজেবের হাতটি শক্ত হয়ে গেছে, তাই তিনি আরো জোরে তার হাতটা চেপে ধরে বললেন, কিন্তু আওরঙ্গজেব, যা হবার হয়েছে। যে বাবার সাথে তুমি এত অন্যায় করেছে, তিনি যদি তোমাকে ক্ষমা করতে পারেন, আমারও তা করা উচিত। আমরাতো এখনও ভাই আর বোন, তাই না? তোমার প্রতি আমার ভালোবাসা কখনও কমে যায় নি। যদিও আমি বাবার সাথে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম। আমি এটা করেছি, কেননা আমি মনে করেছিলাম এটাই আমার জন্য ঠিক–একজন কন্যা হিসেবে এটা আমার দায়িত্ব ছিল।

    আওরঙ্গজেব তার মাথা এমনভাবে নিচু করলেন, যাতে জাহানারা তাঁর মুখটা দেখতে না পারেন। যে বোনকে তিনি সবসময় ভালোবাসতেন, তার সাথে আবার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ফিরে পেয়ে তিনি আনন্দে আত্মহারা হয়ে বললেন, আপনি এখুনি আমার সাথে দিল্লিতে আমার দরবারে চলুন। আমাদের মায়ের মৃত্যুর পর বাবা যেমন আপনাকে সম্রাজ্ঞী করেছিলেন, এখন আপনি আবার এই সাম্রাজ্যের সম্রাজ্ঞী হবেন। আমি আপনাকে পাদিশাহ বেগম–শাহজাদিদের রানি করবো। ইচ্ছে করলে আপনি আপনার নিজের জন্য আলাদা মহল…দাসিচাকর… আমার ধনভাণ্ডারের সর্বশ্রেষ্ঠ রত্ন, সব নিতে পারেন।

    জাহানারা মৃদু হাসলেন, যে হাসির কথা আওরঙ্গজেবের ভালো মনে আছে। তিনি বললেন, উপাধি কিংবা বিলাসিতা নয়, সবচেয়ে ভালো হয় যদি তুমি কথা দাও যে, সাম্রাজ্যের মঙ্গল করবে আর পরিবারের বাকি আমরা যারা আছি তাদের দিকে খেয়াল রাখবে। হে আল্লাহ, এটাই হবে আমাদের বংশের নতুন সূচনা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য সাইলেন্ট পেশেন্ট – অ্যালেক্স মাইকেলিডিস
    Next Article এম্পায়ার অভ দ্য মোগল : দ্য সার্পেন্টস্ টুথ – অ্যালেক্স রাদারফোর্ড

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }