Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ট্রেকার্স – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প209 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ট্রেকার্স – ১৪

    ১৪

    ঝুমঝুম করে সন্ধে নামতে থাকে। চতুর্দিকে হাওয়া বয়, দখিনা পবন। হাওয়ার সঙ্গে চারিদিকে ছুটে যায় পরিমল। গাছের ও ফুলের। এত ভাল লাগার জন্য তাঁর নিজেকে কেমন ধিক্কার দিতে ইচ্ছে করল। এই ছেলেমেয়েগুলি এমন বিপদে পড়েছে, তিনি উপভোগ করছেন বসন্ত! উঠে পড়ে তিনি ঝরাপাতা আর শুকনো রেণুর ওড়াউড়ির মধ্য দিয়ে বড় রাস্তায় প্রদীপের মতো জ্বলে ওঠা বাতিগুলোর দিকে বিমুগ্ধের মতো তাকাতে-তাকাতে হাঁটতে লাগলেন। কত বসন্ত মনে পড়ে যাচ্ছে, কত গ্রীষ্ম, কত শীত, কত বর্ষাও। কেননা প্রত্যেকটা ঋতুর আরম্ভই ওইরকম অদ্ভুত মুগ্ধকর। সংযুক্তা ঠিকই বলেছে, এখন কি ইয়ং জেনারেশনের আর এ সব অনুভূতি হয় না? প্রকৃতির সঙ্গে মানুষের যোগ কি ছিন্ন হবার মুখে এইসব শহরে? ক্রিকেটারদের সেঞ্চুরি করে আকাশের দিকে তাকাতে দেখা যায়। আর কাউকে তো দেখেন না। কাচের বাইরে থেকে তাদের আড্ডারত দেখা যায় সচ্ছল কফিখানায়। টেলিস্কোপ নিয়ে আকাশ দেখেন কেউ কেউ। জগিং করতে দেখেন অনেককে। ছুটছে, হাঁটছে, খেলছে, কম্পিউটার নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে আছে। প্রকৃতি হল ট্যুরিজম, পিকনিক বা আউটিং-এর ক্ষেত্র। অনন্তের সংবাদ বহন করে আনা তো দূরের কথা, অকারণ পুলকে কাঁপিয়ে দেওয়া, কাঁদিয়ে দেওয়া এসবও আর বোধহয়….

    এরকম একটা সিদ্ধান্তেই বা তিনি চট করে পৌঁছোচ্ছেন কী করে? তাঁর একটা ছেলেমেয়ে থাকলে হয়তো এই জেনারেশনের মনের কথাটা তিনি টের পেতেন। নেই বলেই তাই পাচ্ছেন না। তাঁরাই কি কাউকে ডেকে ডেকে বলতে গিয়েছেন?… আজ প্রথম দুমদাম করে কালবৈশাখী এসে গেল! এখন কীরকম আমের মুকুলের গন্ধ ভরা ঠান্ডা হাওয়া বইছে! মনটা অদ্ভুত ভাল লাগছে… বাঃ! দূর দিগন্তে একটা কালো হাতি ক্রমশই বড় হতে-হতে আকাশ ছেয়ে ফেলছে, দেখতে-দেখতে আশ্রয়ের খোঁজে তাড়াতাড়ি পা চালান। কিন্তু বারবার দেখা, মনের মধ্যে প্রথম আষাঢ়ের সজল মেঘ ঢুকে যাওয়া এই অনুভূতি কি তিনি কারও কাছে কখনও বলেছেন? না। কবিতা পড়েছেন, শুনেছেন, ভেতরে-ভেতরে বুঁদ হয়ে থেকেছেন এই পর্যন্ত। এরাও হয়তো অনুভব করে, কিন্তু বলে না। জীবনযাপনের ভেতর দিয়েই ওইসব আমেজ, খ্যাপামি প্রকাশ পায়। তিনি ডেটার অভাবে কোনও সিদ্ধান্তে পৌঁছোতে পারলেন না।

    আস্তে-আস্তে বাড়ি ফিরলেন ধ্রুবজ্যোতি। মনটা ভালও, আবার খারাপও। দুটো সম্পূর্ণ বিপরীত বোধ তাঁর ভিতরে পরস্পরের মধ্যে অনুপ্রবেশ করছে। ধাক্কাধাক্কি বা কোনও দ্বন্দ্ব নয়। দুটোই আছে এবং ক্রমশ কলের ধোঁয়ার সঙ্গে উনুনের ধোঁয়ার মতো মিশে যাচ্ছে। এখন যদি কেউ তাঁকে কথার কথা জিজ্ঞেস করে, তিনি সোজাসুজি ভাল আছি বা ভাল নেই বলতে পারবেন না। সত্যি কথা বলতে হলে তাঁকে বলতে হবে, ভাল-খারাপ আছি।

     

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    PDF বই
    PDF
    Books
    গ্রন্থাগার
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    পিডিএফ
    বই পড়ুন
    বাংলা সাহিত্য

     

    সাংসারিক দিক থেকে তিনি সেই শতকরা পাঁচজনের একজন, যার কোনও বিকট বা ঘ্যানঘেনে সমস্যা নেই। সংযুক্তা মাটিতে পা রেখে চলা খুব সহজ মেয়ে। তিনি হয়তো তা ছিলেন না, কিন্তু নিজের প্রতি সুবিচার করলে তাঁকে বলতেই হয় যে, সংযুক্তার ইতিবাচক প্রভাবটা তাঁর খুব কাজে লেগেছে। কর্মসূত্রে প্রথম জীবনে কাছাকাছি থাকতে পারতেন না। কে জানে হয়তো সেই জন্যেই তাঁদের মধ্যে প্রণয় জিনিসটা অনেক দিন জাগ্রত ছিল। এখন বন্ধুত্ব। বন্ধুত্বও কি প্রেম নয়? তাঁর শয্যা-জীবন তিনি কোনও বাইরের লোকের সঙ্গে আলোচনা করেন না। যারা করে, তাদের পছন্দ করেন না। কিন্তু সেখানেও প্রণয় টিকে আছে। সন্তান যখন হচ্ছিল না, তাঁরা উদ্বিগ্ন হননি। দু’জনে দু’জায়গায় থাকেন বলেও তো সমস্যা। সেগুলো একা সামলাতে হবে সংযুক্তাকেই। কিন্তু তারপর একদিন এল যখন তাঁরা ডাক্তারের কাছে গেলেন, বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাক্তারের রায় হল, না হওয়ার কোনও কারণ নেই। যে কোনওদিন কতকগুলো নিয়ম ফলো করলেই হয়ে যাবে। কিন্তু হল না। তাতে মেয়েরাই আগে ভেঙে পড়ে। কিন্তু ওই যে, সংযুক্তা অত্যন্ত প্র্যাকটিক্যাল মেয়ে। সে বলল, এ নিয়ে মাথা ঘামাবার কী আছে? আমরা কিছু অলরেডি জন্মানো শিশুর ভার নিতে পারি। তবে কী জানো, কাঁথা-কানি, আর সইবে না। ওই সময়ে তাঁরা নানা সূত্রে অসহায়, দরিদ্র মেয়েদের সন্ধান করে করে প্রথম শীলুকে আনেন। সে তখন বারো বছরের মেয়ে। বোঝবার বয়স হয়েছে, বয়ঃসন্ধি এল বলে। শীলুকে ওঁরা এনেছিলেন সরকারি হোম থেকে। বহু কদর্য অভিজ্ঞতা তখনই হয়ে গিয়েছে মেয়েটির। তাঁদের বাড়িতে আশ্রয় পেয়ে প্রথমে অনেকদিন বিশ্বাসই করতে পারেনি যে, এঁরা কোনও বদ উদ্দেশ্যে তাকে নিয়ে আসেনি। কুঁকড়ে থাকত, এই বুঝি মার খেল। সংযুক্তা ওকে আস্তে আস্তে তৈরি করতে লাগলেন। ধ্রুবজ্যোতির সহযোগিতা থাকত, কিন্তু প্রধান সংযুক্তা। তাকে স্কুলে ভর্তি করা, পড়ানো, স্বাভাবিক মানুষের সঙ্গে মেলামেশা, এ সবের কৃতিত্ব সংযুক্তারই পাওনা। শীলু যেন বাড়ির আশ্রিত মেয়ে, কাজকর্ম লেখাপড়া সবই করে। কোনও বাড়াবাড়ি ওঁরা করেননি কখনও। উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে কম্পিউটার স্কুলে ট্রেনিং শেষ করে তার যখন চাকরি হল, তাঁদের তিনজনেরই একটা অদ্ভুত আনন্দ হয়েছিল। বাড়িতে সেদিন খাওয়া-দাওয়া হয়। শীলুর বন্ধুবান্ধব আসে। প্রথম কয়েক মাস এখান থেকেই সে যাতায়াত করত। তারপর একটু দূর পড়ে গেল ওর কর্মক্ষেত্র। কয়েকজনের সঙ্গে মেস করে থাকতে শুরু করল। এখন তো দুই বন্ধু মিলে একটা ফ্ল্যাটে থাকে। মাঝে মাঝে আসে। খুব সংযত, বুদ্ধিমতী এবং বাস্তব বুদ্ধিসম্পন্ন মেয়ে। শীলু থাকাকালীনই বিলু এবং মিলু এসে গিয়েছে। বিলু এসেছিল গ্রাম থেকে, একেবারে বাড়ির কাজের জন্যই। তাঁদের একটি পরিচিত পরিবার বলেছিল ওর কথা, অনাথ মেয়ে, কাকা-কাকির কাছে খুব কষ্টে আছে। কাজ পারে খুব ভাল, পড়াশোনাতেও মাথা আছে। বিলু যখন এল দেখলেন, বেশ শ্যামশ্রী মেয়েটি। চোখদুটো নিচু করে রাখে। কিন্তু তুললে টের পাওয়া যেত, তাতে ঝিলিক আছে। গোড়া থেকেই অঙ্কে খুব মাথা। গ্রামে ন’ক্লাস পর্যন্ত পড়ে এসেছিল। একটু ঘষে-মেজে নিতে বেশ ভাল হয়ে গেল। ওর উপর ধ্রুবজ্যোতির খুব আশা হয়েছিল। কাজকর্ম করত একেবারে নিখুঁত করে, আর অত বুদ্ধি। মাধ্যমিকে অঙ্কে একশো পেল, সংস্কৃতে নব্বুই, ইংরেজি, বাংলায় ভাল না। কিন্তু বিজ্ঞানের প্রত্যেকটাতেই ষাটের উপরে। চার বছর পড়িয়ে তবে পরীক্ষা দিইয়েছিলেন উচ্চমাধ্যমিক। সেটা দিয়ে ছুটিতে ও গ্রামে গিয়ে আর ফিরল না। সেটাতেও ওই একই রকম আশ্চর্য-করা রেজাল্ট। খুবই ক্রুদ্ধ, ক্ষুব্ধ, ব্যথিত হয়েছিলেন সংযুক্তা। খুব ভাল পরীক্ষা দিয়ে যদি শোনা যায় খাতা হারিয়ে গিয়েছে, তা হলে যেরকম নিজের হাত পা কামড়াতে ইচ্ছে করে, মাথায় বাড়ি মেরে মরে যেতে ইচ্ছে করে, তেমন। সংযুক্তা অন্তত তাই বলেছিলেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা সাহিত্য
    বুক শেল্ফ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বইয়ের
    অনলাইনে বই
    ডিকশনারি
    ডিজিটাল বই

     

    তাঁদের রাগ-ঝাল-কান্না সবই যখন মিইয়ে এসেছে, তখন একদিন স-স্বামীক বিলুসুন্দরী দেখা করে গেলেন। গ্রামের মাখাসন্দেশ হাঁড়িতে করে আর পুকুরের বড়-বড় কই। চেহারায় খুশি-খুশি ভাব, বেশ ছলছলে লাবণ্যময়ী। তার বরটিকে সত্যিই কেউ পঁচিশ-ছাব্বিশের বেশি বলবে না। পেটা সরল গড়ন, মাথায় কদমছাঁট চুল, শার্ট-প্যান্ট পরা। গ্রাম্য জবুথবু ভাব বা মস্তানি কোনওটাই নেই। ছেলেটি মুদির দোকান বাড়িয়ে ডিপার্টমেন্টাল স্টোর করেছে। নিজের ঘর পাকা করেছে, দু’বিঘের বাগান, বড় পুকুর জমির মধ্যে। নিজের জেনারেটর পর্যন্ত আছে। ব্যাবসাঅন্ত প্রাণ। দেখা গেল, বিলুরও তাই। মাত্র এই ক’মাসেই সে কত সঞ্চয় করে সার্টিফিকেট কিনেছে নিজের নামে দেখাল। সংযুক্তাকে বলে গেল, এখুনি বাচ্চাকাচ্চার প্ল্যান নেই ওদের। সংযুক্তা তাকে ওপ্ন ইউনিভার্সিটির কোর্স নিতে বললেন। সে-ও নাকি তাই ভাবছিল।

    ভাল করে খাওয়া-দাওয়ার পর বিদায়ের সময়ে ধ্রুবজ্যোতি বললেন, “আমরা কিন্তু তোমার ব্যাপারে হাত ধুয়ে ফেলেছি বেলা। কোনওদিন বিপদে পড়ে আমাদের শরণাপন্ন হলে, আর পেরে উঠব না। নিজের ব্যবস্থা কী করছ?”

    তখনই বিলু বলে, “তিন মাস অন্তর একটা করে সার্টিফিকেট কিনে রাখছি বাবা, নিজের নামে।” বেচারাম বলল, “ওর নামে ব্যাঙ্কে আলাদা অ্যাকাউন্ট করে দিয়েছি বাবু। ও তো আমার অ্যাকাউন্ট্যান্ট, অ্যাসিস্ট্যান্ট সব কিছুরই কাজ করে। মাস-মাইনে দিই। আপনাদের শিক্ষার গুণে এমন লক্ষ্মীমন্ত বউ পেয়েছি মা,” লজ্জায় মুখ নিচু করল ছেলেটি। সে-ও নাকি মাধ্যমিক পাশ।

     

    আরও দেখুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা অডিওবুক
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাইশে শ্রাবণ
    ডিজিটাল বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ

     

    চলে গেলে নিভৃতে নিজেদের মধ্যে তাঁরা বলাবলি করেছিলেন, সবদিক দিয়ে তো ভালই হল, মেয়েটা সুখী হয়েছে। বুদ্ধি বার করেছে মগজ থেকে। সে-ও বাঁচল। তাঁরাও বাঁচলেন। একটা উঠতি বয়সের মেয়ের দায়িত্ব যতই হোক, মাথার থেকে নামল। ভিন্ন সংস্কৃতির কোনও ব্যক্তিকে কি শেষ পর্যন্ত মানিয়ে নেওয়া যায়!

    ওঠবার স্টেপে জুতোর তলা ঘষে ভেতরে ঢুকলেন ধ্রুবজ্যোতি। সংযুক্তার কোনও মিটিং-টিটিং আছে। এখনও বাড়ি ফেরেনি। চাবি দিয়ে দরজা খুলে ঢুকলেন, একতলা শুনশান। এ মেয়েটা গেল কোথায়? রান্নাঘরে, ওর নিজের ঘরে সর্বত্র খুঁজলেন। তারপর দোতলায় উঠলেন। বাইরে থেকে চাবি দেওয়া। সে তো বেরিয়ে গিয়েছে এমন হতে পারে না! তাঁর হঠাৎ কেমন ভয় হল। কোনও দুর্ঘটনা ঘটল না তো, মেয়েটা চাপা। কিছু ঘটাল না তো? তিনি পা টিপে-টিপে তেতলায় উঠলেন। ছাতে একটা চিলেকোঠা আছে শুধু, বাকিটা ছাত। খোলা। দাঁড়ালেন, এদিক ওদিক চেয়ে চোখে পড়ল একটা মনুষ্য আকৃতি পাঁচিলের কাছে গালে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বটে, আর একটু এগিয়ে দেখলেন মিলু হাঁ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছে। চোখে তারার আলো পড়েছে। মুখটা জ্যোৎস্নায় ধুয়ে যাচ্ছে। আর একটু কাছে এগিয়ে শুনলেন মৃদুস্বরে গান গাইছে মিলু, ‘…সূর্য তারা দলে দলে কোথায় বসে বাজাও বেণু, চরাও মহাগগনতলে,… এই যে তোমার আলোকধেনু।’

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    Library
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    কৌতুক সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    লেখকের বই
    বই
    অনলাইনে বই
    ডিকশনারি

     

    তিনি পা টিপে-টিপে ফিরে আসছিলেন, মিলু টের পেয়ে গেল। একটু ছুটে এসে বলল, “বাবা, তুমি ফিরেছ? চলো চা করে দিই।”

    “না, না তোকে চা করতে হবে না। ও আমি একটু করে নিতে পারব।”

    “রাগ করছ কেন? আজ ছাতে কাপড় তুলতে এসে এমন হয়ে গেল।”

    “রাগ করিনি। তুই গান গাইছিলি, ডিসটার্ব করতে চাই না।”

    মিলু তরতর করে তাঁর আগে-আগে দু’চার সিঁড়ি টপকে-টপকে নীচে নেমে গেল। তিনি একটু চেঁচিয়ে বললেন, “সাবুর পাঁপড় আনবি। তোরও আনবি, বারান্দায় বসলাম।”

    টেবিলে তাঁরা একসঙ্গেই খাওয়া-দাওয়া করেন। সকালের দিকে প্রত্যেকে আলাদা-আলাদা। কিন্তু রাত্রে মোটের উপর একসঙ্গেই। ওদের বেশ কিছুদিন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, কিছুটা সহবত শেখাবার পরই ওঁরা এটা করেছিলেন। কিন্তু ওরা সংকুচিত হয়ে থাকত অনেক দিন। বিলু তো বটেই, মিলুও অনেকদিন পর্যন্ত পরে খাব, পরে খাব করে একসঙ্গে বসাটা এড়াতে চাইত। তাঁরা কোনও জোর করেননি। শীলু যখন চাকরি পেয়ে এল, আসতে থাকল, খাবার টেবিলে ওঁদের সঙ্গে অনেক কথা হত ওর। অফিস নিয়ে, কলিগ নিয়ে, কাজ নিয়ে। খুব সহজ হয়ে গিয়েছিল ব্যাপারটা। তবু ওঁদের দু’জনকে একসঙ্গে খাওয়ার সুযোগ দিয়ে বিলু-মিলু এই আসছি-এই আসছি করে কাটিয়ে দিত।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বই ডাউনলোড
    লাইব্রেরি
    বাইশে শ্রাবণ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    লেখকের বই
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    কৌতুক সংগ্রহ

     

    বারান্দার চায়ের আসর একেবারে যুগলের। মিলু চা পাঁপড়ভাজা নিয়ে এসে বসল। বলল, “আমি কিন্তু টোস্ট খেয়েছি, পেয়ারা খেয়েছি। আর কিছু খেতে পারব না, তুমি খাও।”

    “চা, চা-ও খাবি না?”

    “চা তো আমি খাই না বাবা।”

    “ঠিক আছে, না-ই খেলি। বোস।” কুড়মুড়-কুড়মুড় শব্দ হয় পাঁপড় খাওয়ার। চায়ে চুমুক দিয়ে ধ্রুব বলেন, “সন্ধেটা বেশ, না?”

    মিলু বলল, “অপরূপ। কেমন হাওয়া সাঁতার দিচ্ছে অন্ধকারের মধ্যে দিয়ে, অন্ধকারটা আর অন্ধকার থাকছে না।”

    “আমারও তাই মনে হচ্ছিল। তোর গাঁয়ের সন্ধে রাতের কথা মনে আছে?”

    মিলু থেমে-থেমে বলল, “আজ খুব মনে পড়ছিল। ওখানে যেমন বেশি মশা তেমনি বেশি তারাও। আকাশটা এরকম ভ্যাসকা নয়, একটু কালচে নীল রঙের বিরাট, জীবন্ত আকাশ। খাটুনি, মার, খেতে না পাওয়া সব না বাবা সয়ে যেত, ওই আকাশটা দেখতে পেতুম বলে।” অনেকখানি বলে ফেলে যেন লজ্জা পেয়ে চুপ করে গেল মিলু।

     

    আরও দেখুন
    PDF বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বইয়ের
    উপন্যাস সংগ্রহ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বই
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বইয়ের

     

    মিলুর ইতিহাস খুব ভয়ংকর। সে কথা আজকাল অসাবধানেও উল্লেখ করেন না তাঁরা। মাতৃহীন মেয়েটিকে দশ এগারো বছর বয়সে বাংলাদেশের বরিশালের কোনও গাঁ থেকে পাচার করা হয় পশ্চিমবঙ্গে। সম্ভবত তার সৎমা ও বাবাই বেচে তাকে। ইন্ডিয়ায় কাজ পাবে, এ-কথা বলায় সে বাড়ির অত্যাচার থেকে বাঁচবে মনে করে চলে আসে। হাসনাবাদে এক ব্রথেলে প্রথম রাখা হয় তাকে, পরে হয়তো মুম্বই কি দুবাই পাঠানো হত, কিন্তু সেখানেই ধর্ষিত হতে-হতে একজনের দু’চোখে আঙুল ঢুকিয়ে সে পালায়। দুদ্দাড় পালায়। তখন রাত, রাস্তাঘাট শুনশান। বহুদূর ছুটে একটা ট্রাক থামায়। ট্রাক ড্রাইভার তাকে থানায় নিয়ে যাবার আশা দিয়ে মদ খাওয়াতে চেষ্টা করে, অত্যাচার চালায়। ভোরের দিকে লোকটা যখন নেশার ঘোরে ঘুমোচ্ছে, তখনই সে পালায়। এবার কাউকে বিশ্বাস করে না, কাছাকাছি থানায় গিয়ে সব ঘটনা বলে। দারোগাবাবু তাকে নিজের বাড়িতে স্থান দেন। সেখানে অজস্র খাটুনি এবং প্রহার জোটে। সেখান থেকে পালিয়ে সে কীভাবে সংযুক্তাদের এনজিওর এক ভদ্রমহিলার কাছে পৌঁছোয়, সে এক ইতিহাস। ও নিজেই সংযুক্তার কাছে থাকতে চায়।

    তিনি বললেন, “যে-গানটা গাইছিলি, গা না।”

     

    আরও দেখুন
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা বই
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বইয়ের তালিকা
    গ্রন্থাগার
    ডিজিটাল বই
    অনলাইনে বই
    রেসিপি বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি

     

    “ভাল করে জানি না, শুনে-শুনে তোলা বাবা।”

    “তা হোক।”

    অন্ধকার এখন গাঢ় সবুজ শাড়ি পরা মিলুকে প্রায় ঢেকে ফেলেছে। সেই অনামা অন্ধকার থেকে সে গেয়ে উঠল, ‘চরাও মহাগগনতলে… এই যে তোমার আলোকধেনু/ সূর্য তারা দলে দলে—কোথায় বসে বাজাও বেণু…’

    ধ্রুবজ্যোতি আস্তে ধরিয়ে দিলেন, ‘তৃণের সারি তুলছে মাথা, তরুর শাখে শ্যামল পাতা— আলোয়-চরা ধেনু এরা ভিড় করেছে ফুলে ফলে’

    ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে এইটুকুই বারবার গাইল মিলু। তারপরে দু’জনেই চুপ করে বসে রইল। ধ্রুব আসলে মিলুর গানে খুব বিচলিত বোধ করছিলেন। খুব সুরেলা গলা, ভাবগভীর।

    “বাবা, ভগবান আছেন, না?” মিলু ক্ষীণ স্বরে প্রশ্ন করল।

     

    আরও দেখুন
    নতুন বই
    বাংলা কৌতুক বই
    গ্রন্থাগার
    ই-বই পড়ুন
    বই পড়ুন
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বইয়ের
    লাইব্রেরি
    বাংলা অডিওবুক

     

    এ মেয়েটি জীবনকে কাঁচাখেকো হিসেবে দেখেছে, একে তিনি কী উত্তর দেবেন?

    বেশ কিছুক্ষণ পরে বললেন, “ইটস নট রাইট টু টেক গড ফর গ্রান্টেড।”

    “মানে?”

    “ভগবান আছেনই তিনি আমায় উদ্ধার করবেন, এরকম ভাবনা ঠিক নয়। তুই তো নিজেকেই নিজে উদ্ধার করতে পেরেছিলি।”

    “তোমাদের কে মিলিয়ে দিল?”

    “মিলু, তোর মাকে কিন্তু তুই-ই খুঁজে নিয়েছিলি। প্রথম কয়েকবার ঠকতে-ঠকতে তোর চোখ তৈরি হয়ে গিয়েছিল। তুই যে মাকে খুঁজে নিলি, অ্যাপিল করলি, এতে আমি কোনও ভগবান খুঁজে পাচ্ছি না।”

    “তুমি কি ভগবানে বিশ্বাস কর না?”

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    লেখকের বই
    বইয়ের তালিকা
    কৌতুক সংগ্রহ
    রেসিপি বই
    বই পড়ুন
    বাংলা কৌতুক বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

     

    “ক্রিয়েশনে বিশ্বাস করলে ক্রিয়েটরকে বিশ্বাস করতেই হয়। সেটা কথা না। কথা হচ্ছে, আমরা আমাদের আগে-পিছে কিছুই জানি না। এর মধ্যে নিজের বুদ্ধি, বোধ এগুলোতে শান দিতে হয়। নিজের লক্ষ্য স্থির করতে হয়। লেগে থাকতে হয়, আবার সুখী হবার ক্ষমতাও আয়ত্তে আনতে হয়। আমাদের লক্ষ্য উন্নততর মানুষ হওয়া, ভগবান অনেক দূরের ব্যাপার।”

    “আমার কিন্তু সত্যি মনে হয়, কেউ এইসব তারা-সূর্য-চাঁদ সবাইকে চরাচ্ছে। শুধু মানুষের বেলাই আর পেরে উঠছে না, বা করছে না। কিন্তু খুব ডাকলে সাড়া পাওয়া যায়। গাঁয়ে যখন থাকতুম নিজেকে নিয়ে কিচ্ছু ভাবতুম না, দিনের দিন জীবন কেটে যেত। তারপর যখন বিপদে পড়লুম সত্যি বলছি বাবা, ‘ত্রাহি মধুসূদন’ ছাড়া আর কিছু ভাবিনি। এখনও আমি প্রতিদিন সর্বক্ষণ…”

    “ভাল করিস, প্রেয়ার খুব ভাল জিনিস।”

    মিলু উঠে গেল। আলো জ্বেলে দিল ঘরের, দালানের, সিঁড়ির। ঘরের আলো জ্বালিয়ে দিতেই দেখল, সংযুক্তা শুয়ে রয়েছেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    উপন্যাস সংগ্রহ
    ডিকশনারি
    Books
    অনলাইন বুকস্টোর
    লেখকের বই
    PDF বই
    বাইশে শ্রাবণ
    বুক শেল্ফ
    বাংলা বই

     

    “ও মা! তুমি কখন এসেছ?”

    “মিনিট দশেক।”

    “ডাকোনি কেন?”

    “বেশ তো কথা বলছিলি, শুধু-শুধু ডিসটার্ব করব কেন?”

    কথাবার্তার আওয়াজ পেয়ে ধ্রুবজ্যোতি ভেতরে এলেন, “ওহ, তুমি ফিরেছ!”

    মিলু বলল, “মা, চা খাবে?”

    “না, অনেক চা কফি খাওয়া হয়েছে আজকে, ম্যারাথন মিটিং চলছে তো চলছেই। রাত্রের রান্নাটা করে নিতে পারবি?”

    “কেন পারব না?” মিলু চলে গেল।

     

    আরও দেখুন
    কৌতুক সংগ্রহ
    বই পড়ুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা অডিওবুক
    Library
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    লেখকের বই
    বইয়ের
    বাংলা সাহিত্য
    উপন্যাস সংগ্রহ

     

    ধ্রুবজ্যোতি হেসে বললেন, “তুমি কি ঘাপটি মেরে আমাদের কথা শুনছিলে?”

    “শুনছিলুম,” সংযুক্তা ক্লান্ত গলায় স্বীকার করলেন।

    “কী বুঝলে?”

    “ভাল লাগছিল। মেয়েটা এত কথা ভাবছে। তবে ধ্রুব সত্যিই বলছি সমস্ত বাড়ি অন্ধকার, বারান্দায় অন্ধকারে তোমরা দু’জনে, আমার মনটা ছ্যাঁত করে উঠেছিল। হঠাৎ যেন সেই ঔরঙ্গাবাদ ফোর্টের অন্ধকার কুয়োয় পড়ে গিয়েছি।”

    “কত দিন এরকম পরীক্ষা দিতে হয় মানুষকে?” একটু থেমে ধ্রুব বললেন।

    “আজ বুঝলাম, আমরণ,” সংযুক্তা বললেন। “শুধু তোমাকে নয়, আমাকেও, মিলুকেও। সব মানুষকেই পরীক্ষা দিয়ে যেতে হয়। এটাতে এতদিনেও আমি তোমাকে বুঝলাম না, এ জাতীয় অভিমান কোরো না। কেননা, অনুরূপ সিচুয়েশনে তোমারও এমন হত।”

    একটু পরে সংযুক্তা বললেন, “আমি চান-টান করে আসি। এতক্ষণ গোয়েন্দাগিরি করতে গিয়ে পা ধোওয়া পর্যন্ত হয়নি।” তিনি চলে গেলেন।

    ধ্রুবজ্যোতির মনটা কেমন খারাপ হয়ে গেল। আসলে তিনি গোড়া থেকেই স্ত্রীজাতির শ্রেণি বিভাগটা অনুভব করেন। ওইভাবেই তৈরি হয়েছেন, সংস্কারটা ওই রকমই। ব্যক্তি হিসেবে নিজের মধ্যেও এই রকমই তিনি। দিদিমা-ঠাকুমা, মা-কাকিমা, মাসি-পিসি, স্ত্রী-বান্ধবী, কন্যা-পৌত্রী। আজকাল চতুর্দিকে যা দেখা যায়, নাতনির বয়সি একটা মেয়ের সঙ্গে আদ্দামড়া বুড়ো প্রেম করছে। লিঙ্গ ‘স্ত্রী’ হলেই তার সঙ্গে যৌন সংসর্গে লিপ্ত হচ্ছে মানুষ। এগুলো তাঁর মধ্যে বিবমিষার উদ্রেক করে। একটি ষোলো-সতেরো বছরের মেয়ের সঙ্গে তিনি পঁয়ষট্টি কোনও কাম সম্পর্কে হঠাৎ জড়িয়ে পড়লেন অন্ধকার আর নির্জনতার সুযোগ নিয়ে, এ জিনিস তাঁর কল্পনার বাইরে। তাঁর যদি মেয়ে থাকত, নাতনি থাকত, তা হলে তাঁর সামাজিক অবস্থানটা হয়তো আরও স্পষ্ট হত। তিনি একটি দাদু শ্রেণির মানুষ হতেন। যেহেতু তা হননি, শরীরটাকে রেখেছেন সুস্থ, সবল, সুঠাম তাই হয়তো তাঁকে স্পষ্ট করে চেনা যায় না, কিন্তু মনের দিক থেকে মানুষের যে বছরে-বছরে পরিণততর হওয়ার কথা, সেটা তিনি হয়েছেন। কিন্তু তিনি সংযুক্তার উপর রাগ-অভিমান করতে পারলেন না। শুধু বুঝলেন, সহজ মানুষ হওয়া সহজ নয়, একেবারেই সহজ নয়। সংযুক্তা তো একেবারেই খোলাখুলি স্বীকার করে গেল, পরিস্থিতিটা সন্দেহজনক। সে গোয়েন্দাগিরি করেছিল, করে নিশ্চিন্ত হয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিমির বিদার – বাণী বসু
    Next Article ঝড়ের খেয়া – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Our Picks

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }