Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ট্রেকার্স – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প209 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ট্রেকার্স – ২

    ২

    অনেকক্ষণ থেকে বেলটা বেজে যাচ্ছে। কী হল বিলুর? ধ্রুবজ্যোতি উঠে গিয়ে খুলে দিলেন। সংযুক্তা গলদঘর্ম। বলল, “একটা ট্যাক্সি নিলাম, যা ভিড়। বিলুটা কোথায় গেল?”

    “কী জানি, ঢুকে তো পড়ো আগে।”

    “আগে একটু চান করে আসি, বুঝলে? বিলুকে বলো একটু যদি উপ্‌মা করতে পারে। চা-টা আমি বেরোলে… জানো, ওই দিয়া মেয়েটা না আমাদের কলেজের।”

    “তুমি চিনতে না?”

    “হু, ওরা বলতে মনে পড়ল, স্যাড। মেয়েটার মা-বাবা বিচ্ছিন্ন, মা-র কাছে থাকে। তিনি তো বিশাল কাজ করেন, ম্যানেজেরিয়াল জব।” বলতে-বলতে সংযুক্তা চলে গেলেন। ধ্রুবজ্যোতি বিলুর খোঁজে গেলেন। ঘুমিয়ে পড়েছিল। উঠে বসল, “আগে ডাকোনি কেন বাবা?”

    “দরকার হয়নি, ঘুমোচ্ছিলি খুব।”

    উচ্চমাধ্যমিক দিয়েছে মেয়েটা। রেজাল্ট বেরোবার সময় হয়ে এল। দু’-তিনটি মেয়েকে ওঁরা আশ্রয় দেন। লেখাপড়া শেখান। যত্নে থাকে, যত্ন করতেও শেখে। বিলুর মর্নিং স্কুল, মিলুর ডে। সে-ও এখুনি এসে যাবে। এদের মধ্যে সবচেয়ে বড় ছিল শীলু। সে ট্রেনিং নিয়ে কম্পিউটার শিখে এখন কলসেন্টারে কাজ করে। একঘরের ফ্ল্যাট নিয়ে থাকে ওর অফিসের কাছাকাছি সল্ট লেকে। এখন বিলু কী করতে পারে দেখা যাক!

    বিকেলে আজ একাই হন্টনে বেরোলেন ধ্রুবজ্যোতি। পায়ে স্নিকার্স, শর্টস, সাদা টি শার্ট। শরৎ ব্যানার্জি রোড থেকে বেরিয়ে সাদার্ন অ্যাভিনিউ পার হয়ে লেক। ত্রিপাঠী দম্পতি জোরে হাঁটছেন। মনু দীক্ষিত ওঁকে দেখে দাঁড়িয়ে পড়লেন, “এক চক্কর হেঁটে আসুন, একটা কথা বলব দাদা,” তিনি স্পিড দিলেন।

    দিয়ার বিষাদের কারণ তা হলে এই, ব্রোকেন হোম? যেন এক ফ্যাশন হয়েছে আজকাল। ডিভোর্স না করতে পারলে আর মডার্ন থাকা যাচ্ছে না। অত্যাচার, নির্যাতন, দুশ্চরিত্রতা, এসবের কথা আলাদা। কিন্তু শিক্ষিত মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত মানুষ, বিয়ে করেছে, সন্তান হয়েছে, কোনওমতেই মানিয়ে থাকতে পারবে না—এ তিনি বিশ্বাস করেন না। এ সব এক ধরণের আঁতলামো।

    “মা যেদিন প্রথম বলল, দিয়া, আমি আর তোর বাবা একসঙ্গে আর থাকব না। তোকে ঠিক করতে হবে তুই কার সঙ্গে থাকবি, সত্যি বলছি জেঠু, আমি একেবারে যাকে বলে অ-বাক হয়ে যাই। একদম বাকরোধ। কেননা এরকম কিছু ঘটতে চলেছে, আমি ঘুণাক্ষরেও কল্পনা করতে পারিনি। একটা এইটুকুনি ফ্যামিলিতে মা আর বাবার মধ্যে কী চলছে, তাদের বছর চোদ্দোর একমাত্র সন্তানের বোঝার কথা। কিন্তু অন গড জেঠু আমি বুঝতে পারিনি। মা-বাবা দু’জনেই বড় পোস্টে কাজ করে, অনেক দায়িত্ব। আরও ছোটবেলায় আমার দিদাই ছিল, মলিনাদি ছিল, ছিল আমার নিজস্ব ঘর। এখনও রয়েছে আমার ক্লাব, খেলাধুলো, বন্ধুবান্ধবের বিরাট দল। কোনও জিনিসের অভাব কী আমি তো কোনওদিনই বুঝিনি। আমি জানতামই বাবা অর্ধেক দিনই অনেক রাত করে বাড়ি আসবে, মা তার চেয়ে আগে। তবুও রোববার ছাড়া আমাদের একসঙ্গে খাওয়ার কোনও ব্যাপারই ছিল না। আমি তো ঘুমিয়েই পড়তাম, রাতে বাবা আসার আগে। আমি তো জানতামই, বাবা-মা সকালে দু’জনে দুটো গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে যাবে। বাবার তখন খেয়ালই থাকবে না, আমি কোথায় কী করছি। ল্যাপটপ খুলে বসে ব্রেকফাস্ট খাবে, খেতে-খেতে অন্যমনস্ক ভাবে হুঁ হাঁ করে মা-র কথার, আমার কথার জবাব দেবে। মা বরং বলবে, দিউ, আমার সঙ্গেই খেয়ে নে। ডায়েরি হারাস না, টাস্কগুলো ঠিকঠাক টুকে আনিস। বড় হয়ে যাওয়ার পর বলত, আই ট্রাস্ট ইউ দিয়া। সব সময়ে মনে রাখবি। যে-স্বাধীনতা দিয়েছি বা দিতে বাধ্য হয়েছি, প্রুভ দ্যাট ইউ ডিজার্ভ ইট। কাগজ পড়িস তো? চারদিকে কত বিপদ, কত যে ফাঁদ। খুব বুঝে-সুজে চলিস। গাড়িটা ব্যবহার করিস না কেন? নিজের গাড়ি একটা সেফটি মেজার। বাবা রবিবারে গল্প করত। ছোটবেলার ছেলেমানুষি গল্প, বড়বেলায় অ্যামবিশনের গল্প। আমাকে কেম্ব্রিজে পাঠাবে, না হাভার্ডে। আমি এই করব, তাই করব। খবরদার, আই টি লাইনে আসিস না। লাইফ বলে আর কিছু থাকবে না। এর মধ্যে বাবা-মা’র যে দূরত্ব, সেটা পেশাগত কারণে অনৈচ্ছিক দূরত্ব। ভিতরে-ভিতরে সত্যিকারের দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল, বুঝিনি তো একবারও! এত হাঁদা আমি? তোকে বোধহয় আগে থেকেই প্রস্তুত করা উচিত ছিল আমাদের, আমার বাকরোধ দেখে মায়ের প্রতিক্রিয়া। মা বলল, আসলে আমিও তো, আমরাও তো, প্রস্তুত ছিলাম না।

    দপ করে মাথার মধ্যে প্রশ্নটা লাফিয়ে উঠল, হোয়াট ওয়েন্ট রং, তৃতীয় ব্যক্তি? নিশ্চয়ই তৃতীয় ব্যক্তি। কার, মায়ের? বাবার? দু’জনেরই? চোখের মধ্যে প্রশ্নটা রেখে আমি সোজা মায়ের চোখের দিকে চাই, কথার পিঠে কথা থাকলে উত্তর দিতে সুবিধে হয়। আমার কোনও কথা ছিল না, তাই মায়ের অসুবিধে হচ্ছিল।

    বলল, আসলে কোনও দিনই আমাদের মধ্যে ঠিক যাকে বলে, মানে… ছিল না।

    কী যে ছিল না, মা পরিষ্কার করে বলতে পারল না। হঠাৎ কেমন ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে উঠল, দিউ, মনে করিসনি আমরা তোকে ভালবাসি না। আমরা দু’জনে শুধু তোর ব্যাপারেই খুব কাছাকাছি, খুব। ওইজন্যেই… এবার আমায় বলতে হল, আমি তো এখনও আছি। আমার প্রশ্নটাও স্পষ্ট নয়, তবু একজন মায়ের বা বাবার বোঝা উচিত।

    ভুল বুঝিসনি। তুই আমাদের আছিস, থাকবি চিরকাল। কিন্তু আমরা পরস্পরের সঙ্গে আর থাকতে পারছি না।

    কেন?

    বলা খুব শক্ত।

    তুমি বা বাবা কি আবার আর একজনকে?

    না না। আমি তো নই-ই। ডোন্ট মেক আ মিসটেক দিয়া। অন্য কাউকে, কোনও পুরুষকে বিয়ে-টিয়ে করা আমার পক্ষে অসম্ভব। তোর বাবারও আপাতত তেমন কোনও ইচ্ছে আছে বলে জানি না।

    কতক্ষণ তোমরা বাড়ি থাকো মা? আমার জন্য মাত্র এইটুকু সময়ও একসঙ্গে থাকতে পারবে না? আমার জন্য? আমার জন্য?

    তখন মা এসে আমায় জড়িয়ে ধরল। আমার চোখের গরম জল মায়ের গায়ের উপর, খোলা হাতের উপর পড়তে লাগল। সেইজন্যেই তো ছিলাম, এখনও থাকতে চাই। কিন্তু তোর বাবাই আর থাকতে চাইছে না।

    অথচ বাবার আর কেউ নেই! এটা তুমি আমায় বিশ্বাস করতে বলছ?

    যতদূর জানি কেউ নেই। যদি থাকেও, আই জাস্ট ডোন্ট কেয়ার দিয়া, আমার কাছে ওর আর কোনও ইম্পর্ট্যান্স নেই। কেন বুঝতে হলে, তোকে বড় হতে হবে।

    আমাকে তোমরা কেউই চাও না। আমি আসলে তোমাদের কাছে একটা ভার।

    ভুল, একদম ভুল। আমরা দু’জনেই তোকে চাই। একমাত্র তোর মধ্যে দিয়েই আমরা স্বাভাবিক পৃথিবীতে বাঁচি, দিয়া।

    তা হলে বললে কেন, আমি যার কাছে ইচ্ছে থাকতে পারি?

    কী করব বল, সেটাই যে আইন। তোকে ঠিক করতে হবে।

    মা, কোনও ছেলে-মেয়ে এটা ঠিক করতে পারে, তুমিই বলো?

    একটু চুপ করে রইল মা। তারপর বলল, তবে তোকে সরাসরি বলছি, তুই কোর্টে বলিস মায়ের কাছে থাকবি। তুই মেয়ে দিয়া, বাবার কাছে থাকলে তোর খুব অসুবিধে হবে। জেঠু, তুমি কিছু বুঝলে?”

    ধ্রুবজ্যোতি চমকে উঠলেন। আনমনে বললেন, “নাঃ।”

    দিয়া বলল, “রাতে বাবার সঙ্গে যা হল সে আরও দুর্বোধ্য নাটক। বাবা টাইটা খুলতে খুলতে বলল, দিয়া, তোর মায়ের কাছ থেকে সব শুনেছিস তো?

    শুনেছি। কিন্তু বুঝিওনি, মানতেও পারছি না। বাবা, দিদাই আর দাদা কি তোমাকে ফেলে চলে গিয়েছিল কেউ?

    তা তো গিয়েছিলই। তোর দাদাই তো আমার চব্বিশ বছর বয়সে চলে গেলেন।

    মৃত্যুর উপর কার হাত?

    কিন্তু তোকে তো আমি ফেলে যাচ্ছি না, তুই তো অবশ্য আমার সঙ্গে যাচ্ছিস। বাড়ি নয়, বিশাল ফ্ল্যাট একখানা। কোনও কিছু ভাবতে হবে না, সব ইন-বিল্ট।

    মা-ও, ওখানে মা-ও থাকবে? ইন-বিল্ট?

    কী মুশকিল! এখন তো তুই বড় হয়ে গিয়েছিস, মায়ের আর দরকার কী?

    মা-বাবা বুঝি দরকারের জিনিস? যেমন দুধের বোতল? যেমন ওয়াকার?

    ওহ দিয়া, তুই তো খুব ইন্টেলিজেন্টলি কথা বলতে শিখেছিস। তুই আমার কাছে থাকবি, আমরা দু’জনে কত মজা করব।

    বাজে কথা বোলো না বাবা, মজা করার সময় তোমাদের কারওই নেই। বাবা প্লিজ, তোমরা এক বাড়িতে আমাকে নিয়ে থাকো। কতটুকু সময় তোমাদের দেখা হয়! না হয় তোমার একটা ঘর, মায়ের একটা ঘর… আমার জন্যে। শুধু আমার জন্যে, লক্ষ্মী বাবা।

    বাবা খুব গম্ভীর মুখে বলল, তাই তো ছিলাম, এখনও রাজি আছি। কিন্তু তোর মা-ই আর থাকতে চাইছে না।

    এক মুহূর্তে থমকে গিয়েছিলাম আমি। কে সত্যি বলছে, কে মিথ্যে বলছে? আমি ছুটে মা’র কাছে যাই, মা, মা, বাবা আমার জন্য এক বাড়িতে থাকতে রাজি হয়েছে।

    মা প্লেট মুছতে-মুছতে ঠান্ডা গলায় বলল, বাবা মিথ্যে কথা বলছে। জিজ্ঞেস কর, সেক্টর ফাইভের কাছে বাবার ফ্ল্যাট কেনা, সাজানো স-ব হয়ে গিয়েছে। ও পারলে এখুনি চলে যায়।

    মাকে টানতে টানতে বাবার ঘরে নিয়ে আসি আমি। তোমরা বলো, আমার জন্যে বাবা-মা হয়ে তোমরা এক বাড়িতে থাকবে। বলো, প্লিজ বলো। তোমাদের তো আর কেউ নেই, কেন তোমরা থাকতে পারছ না? আমি জানি না, যদি বলবার মতো কিছু থাকে তো বলো। আমি বুঝব, বোঝবার চেষ্টা করব, কথা দিচ্ছি।

    বাবা-মা দুজনেই শূন্যের দিকে চেয়ে রইল। তখন আমি মায়ের হাত ছেড়ে দিলাম। বাবার হাত ছেড়ে দিলাম। আমার ঘরে চলে এলাম। শুয়ে পড়লাম। কিন্তু কাঁদতে পারলাম না। কান্নাটা আটকাতে থাকল চকোলেটের মধ্যে লিকিওরের মতো। সারা জীবন এই কান্নাটা আমার মধ্যে টলটল করবে বুঝে গেলাম।”

    মনু দীক্ষিতের সঙ্গে ধ্রুবজ্যোতির প্রায় ঠোকাঠুকি হয়ে গেল।

    “সমানে আপনাকে থামতে বলছি, শুনতে পাচ্ছিলেন না? কী এত ভাবছিলেন?”

    মনুর মাথায় বয়কাট চুল, পাক ধরেছে। কান দুটো কুলোর মতো চিতিয়ে থাকে। চোখ দুটো অস্বাভাবিক বড়। ঠোঁট দুটি আশ্চর্য সুন্দর। ছোট্ট নাক, এমন কিছু মোটা নয়। সুগার হয়েছে, ডাক্তার বলেছেন হাঁটতে।

    ধ্রুব বললেন, “কিছুই ভাবিনি। কী ব্যাপার বলো।”

    “আজকাল লেকে হাঁটা নুইস্যান্স হয়ে যাচ্ছে। আপনারা কিছু করুন।”

    “কীরকম?”

    “আশপাশে তাকান, তা হলেই বুঝতে পারবেন। প্রকাশ্যে এইরকম নেকিং, কিসিং আগে দেখেছেন? এদের তো ‘লভ’ সম্পর্কে কোনও পবিত্রতাবোধও নেই। দিস ইজ স্যাক্রিলিজ্যাস!”

    ধ্রুব বললেন, “পাখি বা কুকুর, ছাগল এরা কি তোমাকে, আমাকে তোয়াক্কা করে মিস দীক্ষিত?”

    “ওরা ওই স্তরে নেমে গিয়েছেন বলছেন?”

    ধ্রুব মৃদু হেসে বললেন, “না। ওরাই আমাদের আর ওদের মতো ‘মানুষ’ বলে মনে করছে না। পশুপাখির সামনে আর মানুষের লজ্জা কী? দে থিঙ্ক, উই এজেড পিপল আর আ ডিফরেন্ট স্পিসিজ।”

    মনু চোখ আরও বড় বড় করে বললেন, “ধ্রুবদা, হাউ ক্যান ইউ বি সো ক্রুয়েল, সো শকিং?”

    “শকিং আমি হলাম মনু? যা সত্যি, তাই বললাম। দেখে শুনে এটাই আমার মনে হচ্ছে। স্যরি, ইফ আই হ্যাভ হার্ট ইউ।”

    “বাবা-মা বা আত্মীয়-স্বজন হলে কিন্তু কেলেঙ্কারি হবে,” সুজিত বোস কখন পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। “এরা সব আমাদের ছেলেমেয়ে নয়, বুঝলে মনু? আমাদের ছেলেমেয়েরা অন্য কোনও সেফ ভেনু খুঁজে নিচ্ছে।”

    “তবু ভাল,” বলে মনু আর দাঁড়ালেন না। জোর কদমে হাঁটতে হাঁটতে চলে গেলেন।

    সুজিত বোস বললেন, “আসলে মনু চাইছে, আমাদের অ্যাসোসিয়েশন কিছু করে। এখন ধ্রুব বলো, এ নিয়ে কোনও মিটিংফিটিং করা যায় কি না।”

    ধ্রুবজ্যোতি বললেন, “ভাবুন আপনারা, আমি আছি।”

    তিনি তাড়াতাড়ি পা চালালেন, কেননা ছেলেটি চাপা রাগে গজরাতে গজরাতে বলছে, “বাড়ি ইকোয়ালস টু জাহান্নম, পাড়া মানে নরকে ছয় ঋতু, কলেজ ইজ অনন্ত বোরডম, বন্ধু-বান্ধব আহাম্মক। হাতে রইল, যন্তর।”

    ক্রুদ্ধ চোখে তাঁর দিকে চাইল, “কাল থেকে বলে রেখেছি দশটায় বেরোব। এখন মাই জেঠিমা দ্য গ্রেট বলছেন, ‘এই তো কলির সন্ধে, সবে জলখাবারের পাট চুকল। রোববারের বাজার, ভাতে জল দিয়েছি। একটু সবুর কর।’ হোয়াট দ্য হেল ডু দে ডু ফ্রম মর্নিং টিল নাইট? দিবারাত্র রান্নাঘরে ঘুসঘুস করছে। নো রেজাল্ট? নো প্রোডাক্ট?”

    ওদিক থেকে মন্তব্য এল, “অত ইংরেজি বলছিস কেন? বলছি তো, একটু দেরি হবে। ধর, মিনিট কুড়ি, যাবি কোথায়?”

    “বুন্দেলখণ্ড।”

    বাপস। ফায়ার হয়ে আছে। এখনকার সব ইয়ংম্যানই কি এইরকম? অ্যাংরি এবং হাংরি? তবে এ ছেলেটি সেরকম বক্সার টাইপ চেহারার নয়। ন্যাদনেদেও নয় তাই বলে। একটা স্ট্রাকচার আছে, তারুণ্যের কমনীয়তার তলায় একটা ইস্পাতের আস্তর। ঠোঁট দুটো চেপে বেরিয়ে যাচ্ছে। পেছনে বোধহয় ওর জেঠিমা ডাকছেন, “ও কী রে। চললি কেন? মিনিট কুড়ি অপেক্ষা করতে পারিস না? কী এমন কাজ তোর?”

    ছেলেটি ততক্ষণে বাসস্টপে। একটা ‘টু’তে উঠে পড়েছে। ভিড়ভাড়, জ্যামট্যাম ঠেলে বাসটা ঘণ্টা দেড়েকের মধ্যে বালিগঞ্জ স্টেশনে ঢুকে যাবে। ক’টা লালবাতি খাবে, সেই যা ভাবনা। হিতেন সারকে আজ ধরতেই হবে। কোথাও একটা পাও-ভাজিটাজি মেরে দেব। চার ঘণ্টার মতো নিশ্চিন্ত। খাওয়া-ফাওয়া ব্যাপারগুলো নিয়ে এরা এমন একটা করে না, যেন খেতেই এসেছে পৃথিবীতে। চব্বিশ ঘণ্টা দেখো, আশপাশে মানুষ গাঁউ গাঁউ করে গিলছে। গিলে যাচ্ছে। ডালপুরি, তেলেভাজা, ধোসা, চাউমিন, বিরিয়ানি গিলেই যাচ্ছে। কোনও নির্দিষ্ট টাইম নেই। অল টাইম ইজ গবলিং টাইম। আর যাই করো। যে-দেশি পদই পাতে দাও, ফুড়ুৎ হয়ে যাচ্ছে দেখতে না দেখতে। দা গ্রেট ইন্ডিয়ান ইটিং সার্কাস। মেডিক্যালের স্টপ থেকে আরিয়ান উঠল, “হাই রূপ্‌স।”

    “হাই আরি!”

    “চললি কোথায়, ক্লাস নেই?”

    চোখ নাচাল আরিয়ান। মেডিক্যালটা মেরে দিয়েছে গত বছর, ক্যালি আছে। প্রথম বছরটা মিস করল কেন, কে জানে! আসলে সবটাই সেই আননোন এক্স ফ্যাক্টর। বিশাল একটা জটিল ছক কাটা রয়েছে প্রত্যেকের জীবনে। ছকটা অন্যদের জীবন। ভূ-গোলক তার অক্ষাংশ, দ্রাঘিমা, তার অতীত, ভবিষ্যৎ, এই সমস্ত নিয়ে কাটাকুটি খেলতে-খেলতে চলেছে। কোথায় কেন কী হল না, আর কোথায় হঠাৎ কী হয়ে গেল, তা সেই ছকই জানে। কোনওটারই আপাতদৃষ্টিতে কোনও কার্যকারণ নেই। একটা পয়েন্টে যদি একশোটা গাড়ি ক্রস করে এক মুহূর্তে, কোনটা প্রথম যাবে, কোনটা কোনটার সঙ্গে ধাক্কা লাগাবে, কোনটার পেছনে পুলিশ লাগবে, তুমি বলতে পারবে? এ সেইরকম।

    “কী রে আরি! এখন তো তোর অ্যানাটমি পড়ার কথা।”

    আবার চোখ নাচাল আরিয়ান। নিচু গলায় বলল, “ট্যাটু ক্লাসে যাচ্ছি।”

    “মিন্‌স?”

    “রীতিমতো অ্যাপয়েন্টমেন্ট করতে হয় ইয়ার।”

    “হঠাৎ ট্যাটু!”

    “ইন-থিং!”

    “তুই আবার কবে থেকে ইন-আউট করতে লেগেছিস?”

    “আপকামিং ক্লাস চড়চড় করে মই বেয়ে উঠছে ইয়ার। শুদ্‌দু ডান হাতের ফোরআর্মে একখানা ড্র্যাগন। যখনই হাত তুলব, নজরে পড়বে। আর দেখতে হবে না। দাম চড়ে যাবে এক লাফে।”

    “ফান্টু!”

    “ওল্ড ভ্যালুজ নিয়ে থেকে যা মেছোবাজারে,” আরিয়ান ভিড় ঠেলে সামনের দিকে এগিয়ে যায়।

    এইটা শুনলে তার ফাটাফাটি রাগ হয়ে যায়, ধ্রুব জানেন। এই সাউথের ছেলেগুলো উত্তর কলকাতা মানেই মেছোবাজার বুঝে চলেছে। কোথায় থাকিস? মেছোবাজারে। কোথায় যাচ্ছিস? মেছোবাজারে। সংযুক্তা গল্প করেছিলেন, “জানো লোরেটোতে পড়তে গিয়েছি, একটা মেয়েকে বেশ ভাল লাগল। জিজ্ঞেস করি, কোথায় থাকো, না বালিগঞ্জ প্লেস।”

    আমি বললাম, “ও বালিগঞ্জ?”

    মেয়েটা সঙ্গে সঙ্গে বলল কী জানো, “তা কি মেছোবাজারে থাকব?” বলতে বলতে সংযুক্তা হেসেছিল।

    “তুমি তো বাবা সেই বালিগঞ্জের মক্কেল, অমনি আপস্টার্ট নাকি? আমি তো প্রথমে না-ই করে দিয়েছিলাম।”

    রূপরাজ ছেলেটি বলল, “আমার নিজের যে নর্থ পছন্দ, তা মোটেই নয়। কিন্তু গোয়াবাগানের ছেলে অত সহজে কিল খেয়ে, কিল হজম করার পাত্র আমি নই। তুই যা গেছোবাজারে,” চেঁচিয়ে বলি। আশপাশের দু’-চারজন মিচকি হাসে। “আরে বাবা, এই নর্থ ক্যালকাটাই আসল কলকাতা। এখানেই রেনেশাঁস। রবীন্দ্রনাথ থেকে সত্যেন বোস। কী সাহিত্য, কী বিজ্ঞান, এখানকারই কোণ-কানাচ থেকে বেরিয়েছে, তবে না দাঁড়িয়ে আছিস! নইলে কোথায় দাঁড়াতিস দাঁড়কাক? চললেন ট্যাটু করতে, নাকি ইন-থিং! পত্রপত্রিকা, বোকা বাক্স যা খাওয়াচ্ছে, খেয়ে যাচ্ছে। খা বাবা, বোকা বন। তেরি লাইফ, তেরি চয়েস।”

    আমার কতকগুলো প্রিন্সিপল আছে। প্রিন্সিপল ছাড়া কোনও অ্যাডাল্ট হয় আমি মানি না। প্রথম কথা, সব লোকে যা করছে জাস্ট দলে পড়ে, আমি তা করব না। যত প্রেশার দিবি, আমার কুকার তত চড়ে যাবে। ফার্স্ট ইয়ারেও কেউ আমাকে সিগারেট খাওয়াতে পারেনি। ঘুরতে-ফিরতে ঠাট্টা, ইয়ার্কি। আমি খাইনি। ইচ্ছে হলে স্মোক করব, মেরি মর্জি। ফ্যাশন বলে, ম্যাচো বলে, ইন-থিং বলে আমার ওপরে চাপিয়ে দিতে পারবি না কেউ কিছু। এখন খাচ্ছি, টেনশন হলে, ভাল দেখায় বলে, অনেক সময়েই সিগারেট ঝুলিয়ে রাখি ঠোঁটে।

    উত্তর কলকাতা পুরনো, ঘিঞ্জি, সেকেলে। বেশ, কিন্তু এখানেই জন্মেছি, বড় হয়েছি এবং এই জায়গাটার একটা লম্বা ইতিহাস আছে। বিপ্লবও সেই ইতিহাসের অংশ। এখন এই জায়গাটাকে তাচ্ছিল্য করলে তো নিজেকেই তাচ্ছিল্য করা হয়, নিজের জন্মমাটির ইতিহাসকে তাচ্ছিল্য করতে হয়। নিজেকে তুচ্ছ করে কেউ কোনওদিন বড় হতে পারে? অন প্রিন্সিপল, আমি উত্তর কলকাতার হয়ে লড়ে যাই। আমি বলি বিবেকানন্দ। আমি বলি, পাথুরিয়াঘাটা, জোড়াসাঁকো। আমি বলি, চিতপুরের যাত্রা পাড়া, হিন্দু কলেজ, বেথুন কলেজ, এবং বলি, নকশাল। এই রে, হাজরার মোড় থেকে জ্যাঠামশাই উঠলেন, হয়ে গেল আজ! একেবারে কোণ ঘেঁষে বসে পড়ি। বই খুলে পড়তে থাকি। জ্যাঠামশাই এখানে কী করছেন, এই বুড়োগুলো কি মন্তরে চলে নাকি? হেদুয়ার জ্যাঠামশাই, হাজরায়?

    জ্যাঠামশাইটি আমার নিজের নয়। নিজেরও অবশ্য আছে, বহাল তবিয়তে আছে। তবে সেটিকে আমি গোয়াবাগানের বাড়িতে জুতো পালিশ করতে দেখে এসেছি। তিনি পালিশ-বিশারদ। এবং সক্কালবেলায় বাড়ির সব্বার জুতো ঝকঝকে করে পালিশ করাই এঁর বাতিক। তবে আপাতত বাসের অন্দরে যে জ্যাঠামশাইটিকে দেখে আঁতকে উঠেছি, তিনি সর্বজনীন। সবচেয়ে মজার কথা এঁকে আমি একা নই, প্রত্যেকে পরস্পরের সঙ্গে কনসাল্ট না করে ওই একই নাম দিয়েছে। অর্থাৎ ওঁর জ্যাঠামশাইত্ব একেবারে স্বপ্রকাশ। ওই যে শুরু করে দিয়েছেন, ‘আসলে কী জানেন, দি সিক্রেট অব সার্ভাইভ্যাল ইজ মেন্টাল স্ট্রেংথ। আর হাসবার ক্ষমতা। আজকাল সব লাফিং ক্লাব হয়েছে, আস্তে আস্তে ব্যাপারটা ধরতে পারছে সকলে। তবে কী জানেন, হাসিটা যখন ভেতর থেকে অটোম্যাটিক্যালি আসে, তখনই সেটা আসল হাসি। উঁ হুঁহুঁ হল না, সেভেনটিএইট। সব্বাই এই ভুলটাই করে। এখনও রেগুলার ব্যায়াম করি। ধাঁ করে ঘরের এদিক থেকে ওদিক পিছলে চলে যাব ভাই শিঙি মাছের মতো, এমন বডি ফিট। আজ্ঞে কী বললেন, থামব? অ্যাঁ, শিয়োর। থামতেই তো এসেছি। আমিও থামব, আপনিও থামবেন। কেউই চিরদিন… যাক।’

    কেউ স্নাবিং দিয়েছে আর কী! প্রায়ই স্নাবিংটা খান উনি। কে আর অত ভ্যাজর ভ্যাজর শোনে! তবু জ্যাঠামশায়ের শিক্ষা হয় না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleতিমির বিদার – বাণী বসু
    Next Article ঝড়ের খেয়া – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }