Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ট্রেন টু পাকিস্তান – খুশবন্ত সিং

    খুশবন্ত সিং এক পাতা গল্প260 Mins Read0
    ⤷

    ১.০১ ডাকাতি

    ডাকাতি

    উনিশ শ সাতচল্লিশ সালের গ্রীষ্মকাল। ভারতের এই গ্রীষ্মকালটা ছিল অন্যান্য বছরের তুলনায় কিছুটা ভিন্ন। এমন কি ঐ বছরে ভারতের আবহাওয়ার অনুভূতিও ছিল কিছুটা অন্য রকম। স্বাভাবিকের তুলনায় সময়টা ছিল গরম, শুষ্ক ও ধূলিময়। গ্ৰীষ্মকাল যেন শেষই হতে চায় না। কেউ স্মরণ করতে পারল না, কোন বছরে বর্ষাকাল আসতে এত দেরি হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে বিক্ষিপ্ত মেঘ শুধু ছায়াই বিস্তার করল। কিন্তু বৃষ্টি হলো না। লোকেরা বলাবলি করতে শুরু করল, আল্লাহ্ তাদের পাপের শান্তি দিচ্ছে।

    তাদের অনেকের বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ ছিল যে, তারা পাপ করেছে। ঐ গ্ৰীষ্মের আগে দ্রুত খবর রুটে গেল যে, দেশটা হিন্দু ভারত ও মুসলিম পাকিস্তানে ভাগাভাগি হয়ে যাচ্ছে। ফলে কলকাতায় শুরু হলো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। কয়েক মাসের মধ্যে এই দাঙ্গার শিকার হলো কয়েক হাজার মানুষ। মুসলমানরা বলল, হিন্দুরা পরিকল্পনা মোতাবেক হত্যাযজ্ঞ শুরু করেছে। হিন্দুরা বলল, মুসলমানরাই এজন্য দায়ী। আসল কথা হলো, দুপক্ষের লোকই দাঙ্গার শিকার। উভয় পক্ষই গুলি করেছে, ছোরা মেরেছে, তীর ছুড়েছে, লাঠালাঠি করেছে। উভয় পক্ষের লোকই ভোগ করেছে। যন্ত্রণা, মেয়েরা হারিয়েছে সতীত্ব। কলকাতা থেকে ঐ দাঙ্গা ছড়িয়ে পড়ল। উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম এলাকার জনপদে। পূর্ব বাংলার নোয়াখালীতে মুসলমানরা খুন করল হিন্দুদের। বিহারে হিন্দুরা খুন করল মুসলমানদের। বিহারে নিহত মুসলমানদের বাক্স ভর্তি মাথার খুলি নিয়ে মোল্লারা ঘুরে বেড়াল পাঞ্জাব ও সীমান্ত প্রদেশে। উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত এলাকায় কয়েক শতাব্দী ধরে যেসব হিন্দু ও শিখ বাস করছিল, তারা তাদের বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয় নিল পূর্বাঞ্চলে প্রধানত হিন্দু ও শিখবসতি এলাকায়। তারা চলে গেল পায়ে হেঁটে, গরুর গাড়িতে, লরিতে গাদাগাদি করে, ট্রেনের পাশে ঝুলে ও ছাদের ওপর বসে। হেঁটে নদী পার হওয়ার সময়, রাস্তার চৌমাথায়, রেল স্টেশনে তারা মুখোমুখি হলো পশ্চিমাঞ্চলের নিরাপদ স্থানে পলায়নপর ভীতসন্ত্রস্ত মুসলমানদের সাথে। সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা তাদের ছিন্নভিন্ন করে দিল। ১৯৪৭ সালের গ্ৰীষ্মকাল পর্যন্ত অর্থাৎ নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়ার সময় পর্যন্ত এক কোটি লোক-হিন্দু, মুসলমান, শিখ পালিয়ে বেড়ালো। এ সময় শুরু হলো বর্ষ। তাদের মধ্যে প্রায় দশ লাখ লোক নিহত হলো। সমগ্ৰ উত্তর ভারত প্রত্যক্ষ করল অস্ত্রের ঝনঝনানি। ভীতির শিকার হলো এক কোটি লোক, তারা পালিয়ে রইল। প্রসারিত সীমান্তের দূরবতী এলাকার কয়েকটি বিক্ষিপ্ত ছোট গ্রামই শান্তির মরূদ্যান হিসাবে টিকে রইল। এর মধ্যে একটা গ্রামের নাম মানো মাজরা।

    মানো মাজরা গ্রামটি খুবই ছোট। এখানে মাত্র তিনটি দালান বাড়ি আছে। এর মধ্যে একটা বাড়ি মহাজন লালা রাম লালের। অপর দু’টো দালানের মধ্যে একটা শিখ মন্দির এবং অন্যটা মসজিদ। এই তিনটি দালান একই স্থানের তিন কোণায় অবস্থিত। মাঝখানে একটা প্ৰকাণ্ড পিপুল গাছ। এছাড়া গ্রামের অন্য সব বাড়ি মাটির তৈরী, তাদের ছাদ সমান্তরাল। সামান্য উঁচু মাটির দেয়াল দিয়ে ঘেরা আঙ্গিনা। বাড়ির সামনে সরু গলিপথ, আঙ্গিনার কেন্দ্ৰস্থল থেকে ঐ গলিপথে যাওয়া যায়। গলিপথ মিশে গেছে পায়ে হাঁটা পথের সাথে এবং ঐ পায়ে হাঁটা পথ হারিয়ে গেছে। আশপাশের ক্ষেতি জমিতে। গ্রামের পশ্চিম দিকের শেষ প্রান্তে আছে একটি পুকুর। পুকুরের চতুর্দিকে রয়েছে কিকার গাছ। মানো মাজরা গ্রামে প্রায় সত্তরটি পরিবার বাস করে। এর মধ্যে লাল রামলালের পরিবারই কেবল হিন্দু। অন্যরা শিখ ও মুসলমান, প্রায় আধাআধি। গ্রামের আশপাশের সব জমির মালিক শিখ, মুসলমানরা হলো রায়ত এবং তারা মালিকের জমি চাষ করে ফসলের ভাগ পায়। ঝাড়ুদারদের কয়েকটি পরিবার আছে। কিন্তু তারা কোন ধর্মের লোক, তা নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। মুসলমানরা দাবি করে যে, তারা তাদের সম্প্রদায়ভুক্ত। কিন্তু যখন মার্কিন মিশনারীরা মানো মাজরা গ্রামে আসত, তখন তারা মাথায় খাকি সোলার টুপি পরে হারমোনিয়াম বাজাতো এবং তাদের মেয়েদের সাথে ধর্ম সঙ্গীতে যোগ দিত। কোন কোন সময় তারা শিখ মন্দিরেও যায়। কিন্তু মানো মাজরাবাসী, এমন কি লালা রামলালও একটা বস্তুকে শ্রদ্ধা করে। বস্তুটি হলো তিন ফুট বিশিষ্ট বেলে পাথরের একটা খণ্ড। ঐ পাথর খণ্ডটি আছে পুকুর পাড়ে কিকার গাছের নিচে। এই পাথর খণ্ডটি হলো স্থানীয় দেব বা দেবী। হিন্দু, শিখ, মুসলমান বা নামধারী খ্ৰীষ্টান-গ্রামের সবাই বিশেষ প্রয়োজনে ঐ দেব বা দেবীর আশীৰ্বাদ প্রার্থনা করে।

    মানো মাজরা শত্রুঘ্ন নদীর তীরে অবস্থিত, একথা বলা হলেও প্রকৃতপক্ষে নদীতীর থেকে আধ মাইল দূরে তার অবস্থান। ভারতে নদী তীরের নিকটবর্তী স্থানে কোন গ্রামের স্থায়ীভাবে অবস্থান সম্ভব নয়। কারণ বিভিন্ন ঋতুতে নদীর আকৃতি বদলে যায় এবং সতর্ক না করেই এসব নদী গতিপথ বদলায়। শত্রুঘ্ন পাঞ্জাবের বৃহত্তম নদী। বর্ষাকালে এর পানি বেড়ে যায় এবং তা দুকূলের ব্যাপক বালুময় তীরে ছড়িয়ে পড়ে। এর ঢেউ আছড়ে পড়ে মাটির তৈরী বাঁধের ওপর। এ সময় শত্রুঘ্ন ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করে এবং এর আকৃতি প্রশস্ত হয় প্রায় মাইলের ওপর। বর্ষার পর এর স্রোতধারা ক্ষীণ হয়ে আসে এবং ঐ স্রোতের গতিও হয়ে পড়ে মন্থর। জলাভূমির মধ্য দিয়ে ক্ষীণ ধারায় নদীর পানি গাড়িয়ে যায়। মানো মাজরা থেকে এক মাইল উত্তরে শত্রুঘ্ন নদীর ওপর একটা রেলওয়ে ব্রিজ আছে। ব্রিজটি বেশ সুন্দর। এর আঠারোটি প্রকাণ্ড খিলান। এক পিলপা থেকে অন্য পিলপা পর্যন্ত দেখতে অনেকটা নদীর পানির ঢেউয়ের মত। প্রতিটি খিলানের শেষে রয়েছে পাথরের ঢালাই, রেলের লাইন সংযুক্ত করার জন্য। পূর্ব দিকের শেষ প্রান্তে ঐ বাঁধ বিস্তারিত হয়েছে গ্রামের ক্টেশন পর্যন্ত।

    রেল ষ্টেশনের জন্য মানো মাজরা গ্রামটি আগে থেকেই বেশ পরিচিত। ব্রিজের ওপর একটা লাইন থাকায় ঐ স্টেশনে রয়েছে একাধিক লাইন। উদ্দেশ্য, জরুরী ট্রেন ব্রিজ পার হওয়ার সময় যেন অন্য ট্রেন স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকতে পারে।

    ট্রেনযাত্রীদের প্রয়োজনীয় খাদ্য, পান, সিগারেট, চা, বিস্কুট, মিষ্টি সরবরাহের জন্য স্টেশনের চারপাশে গড়ে উঠেছে দোকানদার ও হকারদের একটা ছোট কলোনী। এতে স্টেশনের নিত্য কর্মব্যস্ততা চোখে পড়ে। স্টেশনের কর্মচারীদের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা একটু বেশি করেই প্রতিভাত হয়। আসলে স্টেশন মাস্টার নিজেই তাঁর অফিসের পায়রার খোপের মতো স্থান দিয়ে টিকিট বিক্রি করেন, দরজার পাশে বাইরে যাওয়ার পথে দাঁড়িয়ে যাত্রীর কাছ থেকে টিকিট সংগ্রহ করেন এবং তাঁর টেবিলের ওপর রাখা মেশিনের সাহায্যে সংবাদ গ্রহণ ও প্রেরণ করেন। যেসব ট্রেন ঐ ক্টেশনে থামে না, সেসব ট্রেন আসার সময় তাঁকে সবুজ ফ্লািগ হাতে নিয়ে প্লাটফরমে দেখা যায়। তাঁর একমাত্র সহকারী প্লাটফরমের কাছে কাচে ঘেরা কেবিনে সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণের জন্য ভারোত্তোলন দণ্ড পরিচালনা করে, এক লাইন থেকে অন্য লাইনে যাওয়ার জন্য শান্টিং ইঞ্জিনকে সাহায্য করে। সন্ধ্যায়। সে প্লাটফরমে বাতি জ্বলায়। সিগন্যালের কাছে সে নিয়ে যায়। ভারী এলুমিনিয়ামের বাতি এবং লাল ও সবুজ কাচে লাগিয়ে দেয় পটি। সকালে সে এলুমিনিয়ামের বাতি ফেরৎ নিয়ে আসে এবং প্লাটফরমের সব বাতি নিভিয়ে দেয়।

    মানো মাজরায় বেশি ট্রেন থামে না। এক্সপ্রেস ট্রেন তো থামেই না। লোকাল ট্রেনের মধ্যে মাত্র দু’টো ট্রেন থামে। সকালে দিল্লী থেকে লাহোর এবং সন্ধ্যায় লাহোর থেকে দিল্লীগামী ট্রেন এই স্টেশনে মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য থামে।   অন্যান্য ট্রেন থামে আটকে পড়ার কারণে। একমাত্র মাল ট্রেনই এই স্টেশনে নিয়মিত থামে। মানো মাজরা থেকে কোন মাল প্রায় গ্রহণ বা প্রেরণ করা হয় না। তবু এর বাড়তি লাইনগুলোতে প্ৰায় সব সময় ওয়াগন থাকে একাধিক। প্রতিটি চলমান মাল ট্রেন এখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে কিছু ওয়াগন রেখে যায় আবার কিছু ওয়াগন নিয়ে যায়। সন্ধ্যার পর স্টেশনের বাইরে নীরবতা নেমে এলেও স্টেশনে ইঞ্জিনের হুশি হুশ ও হুইসেলের শব্দ, ইঞ্জিনের সাথে ওয়াগন সংযুক্ত হওয়ার শব্দ বা দুই ওয়াগন সংযুক্ত হওয়ার শব্দ সারা রাত ধরেই শোনা যায়।

    এসব কারণে মানো মাজরা ট্রেনের ব্যাপারে বেশ সচেতন। দিন শুরু হওয়ার আগেই লাহোরগামী মেল ট্রেনটি ছুটে যায়। ব্রিজের কাছে পৌঁছার সময় ট্রেন চালক নিশ্চিতভাবে দুবার দীর্ঘ হুইসেল বাজাবে। ঐ হুইসেলের শব্দে মানো মাজরা হঠাৎ জেগে ওঠে। কিকার গাছে থাকা কাকের ক-ক করে ডেকে ওঠে। একের পর এক বাদুড়গুলো উড়ে এসে পিপুল গাছের ওপর বসে এবং নিজেদের স্থান করে নেয়ার জন্য পরস্পরের মধ্যে ঝগড়া শুরু করে দেয়। মসজিদের মোল্লা জানেন যে, সময়টা ফজর নামাজের। তিনি ওজু করে কেবলমুখী হয়ে দাঁড়ান এবং দুই কানে আঙ্গুল দিয়ে দীর্ঘ স্বরে বলেন আল্লাহু আকবর। আজান শেষ না হওয়া পর্যন্ত শিখ মন্দিরের গুরু বিছানায় শুয়ে থাকেন। তারপর তিনি বিছানা ছেড়ে ওঠেন, মন্দির প্রাঙ্গণের কুয়া থেকে এক বালতি পানি তুলে নিজের শরীরের ওপর ঢেলে দেন। অতঃপর তিনি প্রার্থনা শুরু করেন। একই স্বরে, ক্ৰমাগত উচ্চারিত মন্ত্র পাঠের মাধ্যমে।

    এরপর সকাল সাড়ে দশটার প্যাসেঞ্জার ট্রেন দিল্লী থেকে এসে মানো মাজরায় থামলে নীরব মানো-মাজরায় প্রাণের স্পন্দন দেখা দেয়। এটা নিত্যদিনের ঘটনা। পুরুষরা মাঠের কাজে এবং মেয়েরা বাড়ির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। নদীর ধারে গরু চরানোর জন্য শিশুরাও বেরিয়ে পড়ে। আটা বা গম ভাঙ্গানোর কলের চারদিকে চক্রাকারে গরু ঘোরে, চাকার কিচ কিচ শব্দ শোনা যায়। ঠোঁটে ছোট ছোট কাঠি নিয়ে চড়ুই পাখি বাড়ির ছাদের চারপাশে উড়ে বেড়ায়। উঁচু মাটির দেয়ালের ছায়ায় রাস্তার কুকুর আশ্রয় খোঁজে। বাদুড়ের ঝগড়া থেমে যায়, ডানা ভাঁজ করে তারা ঘুমিয়ে পড়ে।

    দুপুরের এক্সপ্রেস ট্রেন চলে যাওয়ার পর মানো মাজরা বিশ্রামের জন্য তৈরি হয়। পুরুষ ও শিশুরা বাড়ি ফিরে মধ্যাহ্ন ভোজ শেষে ঘুমিয়ে পড়ে। অতঃপর পুরুষরা জমায়েত হয় পিপুল গাছের ছায়ায় এবং গাছতলায় পাতা তক্তার ওপর বসে গল্প-গুজবে মেতে ওঠে। ছেলেরা মহিষের পিঠে চড়ে পুকুরে নামে এবং তারপর পিঠের ওপর থেকে ঝাঁপ দিয়ে পুকুরের কাদা পানিতে লাফালাফি করে। মেয়েরা গাছের নিচে খেলা করে। মহিলারা পরস্পরের চুলে তেল মাখায়, তাদের ছেলে-মেয়েদের মাথা থেকে উকুন বাছে এবং গল্প করে। তাদের গল্পের মধ্যে জন্ম, বিবাহ ও মৃত্যুই বেশি সময় জুড়ে থাকে।

    সন্ধ্যার সময় লাহোর থেকে প্যাসেঞ্জার ট্রেন আসার পর সবাই আবার কাজ শুরু করে। পশুগুলোকে একত্র করে বাড়িতে ফেরত আনা হয় এবং গাভীর দুধ দোহন করা হয়। অতঃপর তাদের একটা ঘরে সারা রাতের জন্য তালাবদ্ধ করে রাখা হয়। মেয়েরা রান্না করে রাতের খাবার। তারপর পরিবারের সবাই যায় ছাদের ওপর। গ্ৰীষ্মকালে তাদের প্রায় সবাই ছাদের ওপর ঘুমায়। খাটিয়ার ওপর বসে তারা চাপাতি ও সবজি দিয়ে রাতের খাবার খায় এবং পিতলের বড় গ্লাসে করে সরপড়া গাঢ় দুধ পান করে। ঘুম না। আসা পর্যন্ত তারা অলসভাবেই সময় কাটায়। মাল ট্রেন আসার শব্দ শোনার পর তারা নিজেরা বলাবলি করে; ঐ মাল ট্রেন এলো। এ কথা বলার অর্থ যেন সকলকে শুভ রাত্রি জানিয়ে ঘুমিয়ে পড়া। মসজিদের মৌলবী আবার বিশ্বাসীদের আহবান জানান নামাজ পড়ার। উচ্চ স্বরে তিনি বলেন, আল্লাহ্ মহান। বিশ্বাসীরা ছাদের ওপর থেকেই মাথা নত করে আমিন বলে। ঘুমে আচ্ছন্ন বৃদ্ধ পুরুষ ও মহিলার অর্ধবৃত্ত সমাবেশে শিখ-ধর্মযাজক সন্ধা প্রার্থনার মন্ত্র পাঠ করেন। কিকার গাছের ওপর কাক ডাকে নরম স্বরে। ছোট ছোট বাদুড় সন্ধ্যার আঁধারে চারদিকে চঞ্চলভাবে উড়ে বেড়ায়, বড় বাদুড়গুলো ওপরে ওঠে গান্তীর্যপূর্ণ দৃষ্টিতে সব কিছু নিরীক্ষণ করে। মাল ট্রেনটি দীর্ঘ সময় ধরে স্টেশনে অবস্থান করে। এক লাইন থেকে অন্য লাইনে গিয়ে ওয়াগন বদলায়। ট্রেনটি যখন স্টেশন ত্যাগ করে, তখন ছেলেমেয়েরা সব ঘুমিয়ে পড়ে। বৃদ্ধ লোেকরা অপেক্ষা করে ব্রিজের ওপর দিয়ে ট্রেন যাওয়ার শব্দ শোনার জন্য। ঐ শব্দই যেন তাদের ঘুম পাড়িয়ে দেয়। এরপর মানো মাজরার জীবন থেমে যায়। শুধু জেগে থাকে। কয়েকটা কুকুর। রাতের ট্রেন অতিক্রম করার সময় তারা কেবল ঘেউ ঘেউ করে তাদের অস্তিত্ব জানিয়ে দেয়।

    উনিশ শ সাতচল্লিশ সালের গ্ৰীষ্মকাল পর্যন্ত এ অবস্থার কোন পরিবর্তন হয়নি।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনোরা – হেনরিক ইবসেন
    Next Article পাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }