Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ট্রেন টু পাকিস্তান – খুশবন্ত সিং

    খুশবন্ত সিং এক পাতা গল্প260 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.১১ ইকবাল ও জুয়াকে টাঙ্গায় করে

    ইকবাল ও জুয়াকে টাঙ্গায় করে চন্দননগর থানায় নিয়ে যাওয়া হলো। ইকবালকে বেশ সম্মানই দেয়া হলো। তাকে সামনের সিটের মাঝখানে বসানো হলো। কোচোয়ান তার নিজের সিট ছেড়ে ঘোড়ার পাশে কাঠের ওপর বসল। জুগ্‌গাত্ব সিং বসিল পিছনের সিটে, দুই পুলিশের মাঝখানে। রেল রাস্তার ধার দিয়ে দীর্ঘ এই রাস্তাটি ছিল কাঁচা। এই ভ্ৰমণে একমাত্র জুগারই কোন কষ্ট হচ্ছিল না। সে পুলিশদের চেনে, পুলিশরাও তাকে চেনে। তাছাড়া এ ধরনের পরিস্থিতি তার কাছে নতুন নয়।

    থানায় বোধ হয় এখন অনেক বন্দী আছে? জুগ্‌গা কথা শুরু করল।

    না, একজনও নেই, একজন কনষ্ট্রেবল উত্তর দিল। আমরা দাঙ্গাকারীদের গ্রেফতার করি না। তাদেরকে আমরা কেবল ছত্রভঙ্গ করি। অন্যান্য অপরাধ নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় আমাদের নেই। গত সাত দিনে এই প্রথম আমরা দুজন লোককে গ্রেফতার করলাম। থানার দু’টো কামরাই খালি। পুরো একটা কামরায় তোমরা একজন থাকতে পারবে।

    বাবুজীর এ ব্যবস্থা পছন্দ হবে। তাই না বাবুজী? জুগ্‌গা জিজ্ঞাসা করল।

    ইকবাল এ কথার কোন জবাব দিল না। জবাব না পাওয়ায় জুগ্‌গা কিছুটা আহত হলো। তবু সে হতোদাম হলো না। সে আলোচনার বিষয় পরিবর্তন করল।

    হিন্দুস্তান-পাকিস্তান নিয়ে যা চলছে তা নিয়ে তোমাদের অনেক কাজ করতে হচ্ছে, তাই না? একজন কনষ্টেবলের দিকে তাকিয়ে সে বলল।

    হ্যাঁ, সব দিকে কেবল খুন। আবার পুলিশ বাহিনীর সদস্যও কমিয়ে অর্ধেক করা হয়েছে।

    কেন, তারা কি পাকিস্তানে যোগ দিয়েছে?

    তারা ওপারে যোগ দিয়েছে কি না। আমরা জানি না। তারা শুধু প্রতিবাদ করছে যে, তারা ওপারে যেতেই চায় না। স্বাধীনতার দিন সুপারিনটেন্ডেন্ট সাহেব সব মুসলমান পুলিশকে অস্ত্ৰহীন করেন। এরপর তারা পালিয়ে গেছে। তাদের উদ্দেশ্য খারাপ ছিল। মুসলমানদের কাজই এ রকম। তাদের বিশ্বাস করা কঠিন।

    হ্যাঁ, অন্য কনষ্টেবলটি এ কথার সমর্থন জানিয়ে বলল, মুসলমান পুলিশরা এক পক্ষ সমর্থন করায় দাঙ্গার চেহারা বদলে গেছে। লাহোরের হিন্দু ছেলেরা মুসলমানদের নাজেহাল করতে পারত। কিন্তু পুলিশের জন্য পারেনি। তারা অনেক অত্যাচার করেছে।

    তাদের সেনাবাহিনীও ঐ রকম। যে সব এলাকায় শিখ বা গুর্খা সেনাদলের ছাউনিতে আশ্রয় নেয়ার সুযোগ নেই, সেসব এলাকায় বেলুচ সৈন্যরা লোককে গুলি করে মারছে।

    তারা খোদার হাত থেকে বাঁচতে পারবে না। খোদার হাত থেকে কেউ বাঁচতে পারে না, জুগ্‌গা বেশ আস্থার সাথেই বলল। সবাই যেন একটু অবাক হলো। এমন কি ইকবালও মাথা ঘুরিয়ে পরখ করে নিল যে, ঐ কথা জুগ্‌গার মুখ দিয়ে বেরিয়েছে।

    তাই না বাবুজী? আপনি চালাক মানুষ। আপনিই বলুন। খোদার গজব থেকে কেউ পালিয়ে যেতে পারে?

    ইকবাল কিছুই বললেন না।

    না, কেউ পারে না, জুগ্‌গা নিজেই উত্তর দিল। মিত সিং আমাকে যা বলেছিল, তার কিছু আপনাকে বলছি। খুব মূল্যবান কথা বাবুজী। ষোলো আনা খাঁটি কথা।

    জুগ্‌গার কথায় ইকবাল কোন আগ্রহ দেখাল না।

    জুগ্‌গা কিন্তু থামল না। ভাইজী আমাকে বলেন : এক ট্রাক ভর্তি বেলুচ সৈন্য অমৃতসর থেকে লাহোর যাচ্ছিল। পাকিস্তান সীমান্তের কাছে এসে তারা রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়া শিখদের ওপর বেয়নেট দিয়ে আঘাত করে। কোন সাইকেল আরোহী বা পায়ে হাটা লোককে দেখলে গাড়ির ড্রাইভার গতি কমিয়ে দেয়। আর দরজার কাছে দাঁড়ানো সৈন্যরা তাদের পিছন দিক থেকে ছুরিকাঘাত করে। এরপর ড্রাইভার গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেয়। এভাবে তারা বহু লোককে মারে। তারা যতই পাকিস্তানের নিকটবর্তী হচ্ছিল ততই তারা আনন্দে আত্মহারা হয়ে উঠছিল। তারা সীমান্তের এক মাইলের মধ্যে এসে জোরে গাড়ী চালাচ্ছিল। তারপর তাদের কি হলো কেউ চিন্তা করতে পার?

    কি হলো? একজন কনস্টেবল জিজ্ঞাসা করল। ইকবাল ছাড়া সবাই তার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনছিল। এমন কি কোচোয়ানও ঘোড়াকে চাবুক মারা থামিয়ে পিছনের দিকে তাকিয়ে রইল।

    শুনুন বাবুজী, খুবই দামী কথা। একটা পথের কুকুর রাস্তা পার হওয়ার জন্য দৌড় দিল। যে ড্রাইভারটি এতগুলো লোকের খুনের সাথে জড়িত সেই ড্রাইভারই কুকুরটাকে বাঁচাবার জন্য গাড়ির স্টিয়ারিং ডানদিকে কাটাল। গাড়িটি ধাক্কা খেল একটা গাছের সাথে। ড্রাইভার আর দুজন সৈন্য নিহত হলো সেখানেই। মারাত্মকভাবে জখম হলো অন্য সবাই। এ ঘটনার ব্যাপারে তোমরা কি বলবো?

    পুলিশরা গুঞ্জন করে তাদের মতামত জানাল। ইকবাল বিরক্ত হলেন।

    এই দুৰ্ঘটনা কে ঘটাল, কুকুর না খোদা? বেশ উত্তেজিত হয়েই সে জিজ্ঞাসা করল।

    নিশ্চয়ই খোদা, একজন পুলিশ উত্তর দিল। যে ড্রাইভার মানুষ মারতে আনন্দ পেয়েছে সে কেন একটা রাস্তার কুকুরকে গাড়ির তলায় চাপা দিতে পারল না?

    তোমরাই বল, ইকবাল ঠাণ্ডা মেজাজে বললেন। জুগ্‌গা ছাড়া সবাইকে লক্ষ্য করে তিনি ঐ কথা বললেন। জুগ্‌গা যে অদম্য তা তিনি বুঝতে পেরেছেন। জুগ্‌গা টাঙ্গার কোচোয়ানের দিকে তাকাল। কোচোয়ান ঘোড়ার পিঠে আবার চাবুক মারতে শুরু করল।

    ভোলা, তোমার কি খোদার ভয় নেই, ঘোড়াটাকে এমন নির্দয়ভাবে মারছ?

    ভোলা চাবুক মারা বন্ধ করল। কিন্তু তার চোখে-মুখে বিরক্তির ভাব প্রকাশ পেল। যেন সে প্রকাশ করতে চাইল, এটা তার ঘোড়া-এটা নিয়ে সে যা ইচ্ছা তাই করতে পারে।

    ভোলিয়া, ব্যবসা কেমন চলছে এখন? জুগ্‌গা জিজ্ঞাসা করল। তার মনের চাপা ক্ষোভ কিছুটা মিটানোর জন্য।

    খোদা দয়ালু, কোচোয়ান তার চাবুক আকাশের দিকে উঁচু করে বলল। তারপর সে যোগ করল, ইন্সপেক্টর সাহেবও খুব দয়ালু। আমরা বেঁচে আছি। কোন রকমে খাবার যোগাড় করছি।

    যে সব লোক পাকিস্তান যেতে চাচ্ছে তাদের কাছ থেকে তুমি টাকা কামোচ্ছ না? টাকার জন্য কি জান দেব? ভোলা রাগ করেই জবাব দিল। না, তোমাকে ধন্যবাদ ভাই। তুমি যে পরামর্শ দিলে তা তুমি নিজের জন্যই রাখ। উন্মত্ত লোকগুলো যখন আক্রমণ করে তখন তারা কে হিন্দু আর কে মুসলমান দেখে না। তারা শুধু হত্যা করে। এই তো সেদিন চারজন শিখ সরদার জীপ গাড়িতে চড়ে একদল মুসলমান উদ্বাস্তুকে রাস্তা দিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। সতর্ক না করেই তারা তাদের স্টেনগান থেকে গুলি ছুঁড়ল। চারটে স্টেন গান। একমাত্র খোদাই জানে তারা কয় জনকে হত্যা করেছে। আমার টাঙ্গায় যদি মুসলমান থাকত। আর উন্মত্ত জনতা যদি আক্রমণ চালাত, তাহলে কি হতো? তারা প্রথমে আমাকে খুন করত এবং পরে অন্যদের দেখত।

    জীপের তলায় একটা কুকুর গিয়ে তা উল্টে দিল না কেন? ইকবাল রসিকতা করে জিজ্ঞাসা করল।

    সবাই হঠাৎ চুপ হয়ে গেল। খিটখিটে স্বভাবের এই বাবুকে কি বলবে তা কেউ বুঝতে পারল না। জুগ্‌গা সহজভাবে বলল,

    বাবুজি, আপনি কি বিশ্বাস করেন না, খারাপ কাজের ফল খারাপ হয়? এটা কর্মের ফল। একথা ভাইজি প্রায়ই বলতেন। পবিত্র ধর্মগ্রন্থে গুরু একই কথা বলেছেন।

    হ্যাঁ, ষোল আনা ঠিক কথা, ইকবাল উপহাস করে বললেন।

    ঠিক আছে। আপনি যে রকম মনে করেন, হাসতে হাসতে জুগ্‌গা বলল, আপনি সাধারণ লোকের সাথে একমত হবেন না। সে কোচোয়ানের দিকে লক্ষ্য করে বলল, আমি শুনেছি, অনেক মহিলাকে ধরে নিয়ে সস্তায় বিক্রি করা হচ্ছে। তুমি নিজের জন্য একটা বউ যোগাড় করে নিতে পারতে।

    কেন সর্দার, তুমি তো বিনা পয়সায় একটা মুসলমান মেয়েকে পেয়েছ। আমি কেমন মরদ যে, একটা লুঠের মেয়েকে গ্ৰহণ করব? ভোলা জবাব দিল।

    জুগ্‌গা অবাক হলো। তার রাগ বেড়ে চলল। ভোলার কথায় পুলিশরা চাপা হাসি হাসলেও জুগ্‌গাত্ সিং-এর দিকে তাকিয়ে তারা ঘাবড়ে গেল। ভোলা তার ভুলের জন্য ক্ষমা চাইল।

    কেন জুগিয়া, সে স্বাভাবিকভাবে বলল। তুমি অন্যকে নিয়ে ঠাট্টা করছি, অথচ কেউ তার জবাব দিলে তুমি রাগ করছ।

    আমার হাতে হাতকড়া ও পায়ে বেড়ি না থাকলে তোমার শরীরের সব হাড় টুকরা টুকরা করে দিতাম, জুগ্‌গা বলল ক্রুদ্ধভাবে। তোমার কপাল ভালো যে, আমার হাত থেকে রেহাই পেলে। কিন্তু একথা তোমার মুখ থেকে দ্বিতীয়বার শুনলে আমি তোমার মুখ থেকে জিহ্বা টেনে ছিড়ে ফেলব। জুগ্‌গা শব্দ করে থুথু নিক্ষেপ করল।

    ভোলা রীতিমত ভয় পেল। রাগ করো না। আমি কি …

    বেজন্মা কোথাকার!

    আলোচনার সমাপ্তি ঘটল। এখানেই। টাঙ্গায় সবাই নীরবে বসে রইল। ঘোড়াকে উদ্দেশ করে ভোলা যে সব কথা বলছিল, তা-ই কেবল নিস্তব্ধ নীরবতাকে ভেদ করে বেরিয়ে আসছিল। জুগ্‌গা ডুবে ছিল ক্রুদ্ধ চিন্তায়। সে অবাক হলো যে, তার গোপন অভিসার সাধারণ লোকের অগোচরে নেই। কেউ হয়ত তাকে দেখে ফেলেছে অথবা নূরান হয়ত এ নিয়ে কারও সাথে আলাপ করেছে। গুজবের সূত্রপাত হয়ত ওটাই। চন্দননগরের টাঙ্গা চালক যা জানে, মানো মাজরার সব লোক তা না জানার কোন কারণ নেই। যাদের নিয়ে এই গুজব, তারাই এ সম্পর্কে কিছু জানে না। সম্ভবত গ্রামে একমাত্র ইমাম বখশ ও তার মেয়ে নূরান এই গুজব সম্পর্কে কিছুই জানে না।

    চন্দননগরে ঐ দলটি পৌঁছাল দুপুরের পরে। থানা চত্বরের বাইরে টাঙ্গা থামল। শহর থেকে কয়েক ফার্লং দূরে থানার অবস্থান। একটা গেটের নিচে দিয়ে রক্ষীরা বন্দীদের নিয়ে গেল। ঐ গেটের ওপর বড় বড় অক্ষরে লেখা-স্বাগতম। তাদের প্রথম নিয়ে যাওয়া হলো রিপোর্টিং রুমে। হেড কনস্টেবল একটা মোটা রেজিস্ট্রার খুলে বিভিন্ন পৃষ্ঠায় ঐ দিনের ঘটনাবলী লিপিবদ্ধ করলেন। টেবিলের সামান্য ওপরে দেওয়ালে টাঙ্গানো সম্রাট জর্জ (ষষ্ঠ)-এর ছবি। তার নিচে উরদুতে লেখা ঘুষ গ্রহণ অপরাধ। অন্য দেওয়ালে গান্ধীর একটা রঙিন ছবি, ক্যালেন্ডার থেকে কেটে নেয়া। এর নীচে লেখা একটি আদর্শের কথা সততাই উত্তম নীতি। দেওয়ালে আরও অনেকের ছবি আছে। এরা হলো পলাতক অসৎ চরিত্রের লোক এবং নিখোঁজ ব্যক্তি।

    দৈনন্দিন ডায়েরিতে সব কিছু লিপিবদ্ধ করার পর বন্দীদের আঙ্গিনা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হলো সেল-এর কাছে। ঐ থানায় মাত্র দু’টো সেল। এই সেলের আঙ্গিনা পুলিশ ব্যারাকের দিকে।

    জুগ্‌গার উপস্থিতিতে থানায় যেন আনন্দের ঢেউ বয়ে গেল! ও জুগ্‌গা, তুমি আবার এলে। তুমি কি মনে কর, এটা তোমার শ্বশুরবাড়ি? ব্যারাক থেকে একজন কনস্টেবল বলল।

    হ্যাঁ, তাই। পুলিশের কন্যা সন্তানের সংখ্যা দেখে এটা ঠিক করেছি, জুগ্‌গাত্ সিং চিৎকার করে জবাব দিল।

    বদমায়েশ কোথাকার! তুমি তোমার বদমায়েশি ছাড়লে না। আসুক ইনন্সপেক্টর সাহেব। তিনি তোমার এ কথা শুনলে তোমার পাছায় শুকনা ঝালের গুড়া ঢেলে দেবেন।

    জামাইয়ের সাথে তোমরা এ কাজ করতে পারবে না।

    ইকবালের ব্যাপারে ঘটনা অন্য রকম। ক্ষমা চেয়ে তার হাতকড়া খুলে নেয়া হলো। তাঁর সেলে একটা চেয়ার, একটা টেবিল ও একটা খাটিয়া দেয়া হলো। হেড কনস্ট্রেবল উর্দু ও ইংরেজী সব সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিন যোগাড় করে ইকবালের সেলে পাঠিয়ে দিলেন। পিতলের থালায় ইকবালের খাবার দেয়া হলো। একটা কলসি ও একটা গ্লাস দেয়া হলো তাঁর সেলে। জুল্লার সেলে কোন আসবাব দেয়া হলো না। সত্যি কথা বলতে কি, তার খাবার ছুড়ে দেয়া হলো। রুটি সে হাতে নিয়েই খেল। লোহার বেষ্টনীর মধ্য থেকে সে হাত বাড়িয়ে দিলে একজন কনস্টেবল তাতে পানি ঢেলে দিল। সেই পানি খেয়ে সে তৃঞ্চ মেটাল। জুল্লার বিছানা হলো সিমেন্টের শক্ত মেঝে।

    দু’জনের ক্ষেত্রে আচরণের এই বিভিন্নতায় ইকবাল বিস্মিত হলো না। যে দেশ কয়েক শতাব্দী ধরে জাতিভেদ প্রথা গ্ৰহণ করে নিয়েছে, সে দেশে সাম্যহীনতা একটা জন্মগত ধারণা। জাতিভেদ প্রথা আইন করে তুলে দেয়া হলেও শ্রেণী বৈষম্যের আবরণে ঐ প্রথা চালু থাকবে। পশ্চিমা ভাবধারায় সৃষ্ট দিল্লীর সেক্রেটারিয়েটে সরকারী কর্মকর্তাদের গাড়ি রাখার জায়গাও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে করা হয়। অনেক অফিসে প্রবেশ পথ শুধু উচ্চপদস্থ কর্মকতাঁর জন্য নির্দিষ্ট করে রাখা হয়। প্রক্ষালণ কক্ষও তেমনিভাবে সিনিয়ার অফিসার, জুনিয়ার অফিসার, ক্লার্ক, স্টেনোগ্রাফার বা অন্যান্য পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত। শ্ৰেণীভিত্তিক এই মানসিক প্রস্তুতির কারণে একই অপরাধে অপরাধী বা দোষী সাব্যস্তদের মর্যাদা দান বেখাপ্পা মনে হয় না। ইকবালকে দেয়া হলো প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা। আর জুগ্‌গাকে দেয়া হলো সবচেয়ে নিচের তৃতীয় শ্রেণীর মর্যাদা।

    দুপুরের খাবারের পর ইকবাল চারপায়ের ওপর শুয়ে পড়লেন। জুগ্‌গার সেল থেকে নাক ডাকার শব্দ পেলেন। কিন্তু তিনি নিজে ঘুমাতে পারলেন না। তাঁর মনে বিক্ষোভের ঝড় বইতে লাগল। তাঁর মনটা যেন কোন ঘড়ির সূক্ষ্ম ম্পিং-এর মতো, যা একবার স্পর্শ করলে কয়েক ঘণ্টা ধরে কম্পিত হতে থাকে। তিনি উঠে বসলেন। হেড কনস্টেবল যে সংবাদপত্র ও ম্যাগাজিন রেখে গেছেন তা নাড়াচাড়া করলেন। সব পত্রিকাই যেন একই রকম। একই সংবাদ, একই বিবৃতি, একই সম্পাদকীয়। কেবল শিরোনামের শব্দের বিভিন্নতা ছাড়া সব কিছুই যেন একই লোকের লেখা বলে মনে হয়, এমন কি ছবিগুলোও একই রকম। হতাশ হয়ে তিনি পাত্রপাস্ত্রীর বিজ্ঞাপন দেখতে শুরু করলেন। এতে অনেক সময় চিত্তবিনোদনকারী কিছু থাকে। কিন্তু পাঞ্জাবের যুবকরাও যেন সংবাদপত্রের সংবাদের মতো একঘেয়েমিপূর্ণ। তারা ভাবী স্ত্রীর যে গুণ কামনা করে তা বৈচিত্র্যহীন। সবাই চায় কুমারী মেয়ে। যারা একটু উদার, তাদের অবশ্য বিধবাকে বিয়ে করতে আপত্তি নেই। তবে শর্ত হলো, নিঃসন্তান হতে হবে। প্রত্যেকে এমন মেয়ের জন্য বিজ্ঞাপন দেয় যে হবে লম্বা ও আকর্ষণীয় অথবা গৃহকৰ্মে নিপুণ। যারা একটু আধুনিক ও উদার, তাদের অবশ্য

    জাতি বা যৌতুক কোন প্রতিবন্ধক নয়। ভাবী স্ত্রীর ফটো অনেকে চায় না। সৌন্দৰ্য বলতে তারা ফর্সা দেহকেই বোঝায়। অনেকে আবার ঠিকুজিসহ যোগাযোগ করতে বলে। জ্যোতিষী সামঞ্জস্য দেখে সুখ-শান্তি নিশ্চিত করে। ইকবাল পত্রিকাগুলো ছুড়ে ফেললেন। সংবাদপত্রের মতো খারাপ আর কিছু নেই। অজন্তা গুহার প্রাচীর চিত্র নিয়ে একটা নিবন্ধ অবশ্যই থাকতে হবে। ইন্ডিয়ান ব্যালো নিয়ে কিছু একটা লেখা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে একটা কিছু থাকা দরকার। প্রেম চাঁদের গল্প নিয়ে একটা নিবন্ধ। সিনেমা তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একাধিক লেখা। সব কিছু ছেড়ে দিয়ে ইকবাল আবার শুয়ে পড়লেন। সব কিছুতে তিনি হতাশা বোধ করলেন। তিন দিন তিনি ভালমতো ঘুমাতে পারেন নি। এটাকে আত্মত্যাগ বলে অভিহিত করা যায় কি না ভাবলেন। এমন চিন্তা অবাস্তব কিছু নয়। পাটিকে খবর পাঠানোর একটা উপায় তিনি অবশ্যই বের করবেন। তারপর সম্ভবত… তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন। স্বপ্নে দেখলেন তাঁর গ্রেফতারের খবর ব্যানার হেড লাইনে সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর মুক্তির খবরও প্রকাশিত হয়েছে। তিনি যে একজন বিজয়ী নেতা হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছেন-একথাও ঐ রিপোটে লেখা হয়েছে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনোরা – হেনরিক ইবসেন
    Next Article পাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }