Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ট্রেন টু পাকিস্তান – খুশবন্ত সিং

    খুশবন্ত সিং এক পাতা গল্প260 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.২ দুঃখজনক ঘটনার ছায়া

    দিনের ঐ দুঃখজনক ঘটনার ছায়া রেক্ট হাউসেও রেখাপাত করল। সকাল থেকেই মিঃ হুকুম চাঁদ বাইরে ছিলেন। দুপুরের দিকে তাঁর আরদালি যখন ষ্টেশন থেকে রেক্ট হাউসে এসেছিল। চা-এর ফ্ল্যাক্স ও স্যাণ্ডুইস নিতে, তখন সে ষ্টশনে দাঁড়ানো ট্রেনের কথা বেয়ারা ও সুইপারকে বলেছিল। সন্ধ্যার দিকে তারা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা দূরে গাছের ওপরে অগ্নিশিখা দেখেছিল। ঐ অগ্নিশিখার আবছা! আভা ডাকবাংলোর খাকী রঙের দেয়ালেও দেখা গিয়েছিল।

    দিনের কাজে হুকুম চাঁদ খুবই ক্লান্ত হয়ে পড়েন। তাঁর এই ক্লান্তি দৈহিক ছিল না। অসংখ্য লাশের দৃশ্য দেখে তিনি যেন বোবা হয়ে যান। কয়েক ঘণ্টা তাঁর সব অনুভূতি যেন একেবারে নিস্তেজ হয়ে গেছে। তিনি দেখলেন, একের পর এক লাশ। পুরুষ, মহিলা ও শিশুরা। ট্রেন থেকে তাদের বের করে নেয়া হচ্ছে কোন রকম সতর্কতা অবলম্বন না করেই, যেন বিছানাপত্ৰ নামানো হচ্ছে। সন্ধ্যার দিকে তিনি নিজেকে হতভাগ্য মনে করতে শুরু করলেন। দুঃখিতও হলেন। গাড়ি থেকে নামার পর তাঁকে মনে হলো তিনি বিষাদগ্ৰস্ত ও উদভ্ৰান্ত। বেয়ারা, সুইপার ও তাদের পরিবারের সদস্যরা তখনও ছাদের ওপর দাঁড়িয়ে আগুনের লেলিহান শিখা দেখছিল। ছাদ থেকে নেমে বেয়ারা দরজা না খোলা পর্যন্ত তাকে অপেক্ষা করতে হলো। তাঁর গোসলের পানি দেয়া হয়নি। হুকুম চাঁদ নিজেকে অবহেলিত মনে করলেন। তাঁকে আরও বেশি হতাশাগ্ৰস্ত মনে হলো। চাকর-বাকরের সামনেই তিনি বিছানায় গা এলিয়ে দিলেন। একজন তাঁর জুতা খুলে দিয়ে পা টিপতে লাগল। অন্য একজন বালতিতে করে পানি এনে বাথটাব, ভরে দিল। আকস্মিকভাবে ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব বিছানা থেকে উঠে গোসলখানায় গেলেন।

    গোসল ও কাপড় বদলের পর হুকুম চাঁদ যেন নতুন করে শক্তি ফিরে পেলেন। পাখীর মৃদু বাতাস বেশ ঠাণ্ডা ও আরামদায়ক মনে হলো তাঁর। তিনি চোখের ওপর হাত রেখে আবার শুয়ে পড়লেন। বন্ধ চোখের সামনে ভেসে আসতে লাগিল ঐ দিনকার ঘটনার চিত্র একের পর এক। চোখ রগড়ে তিনি ঐ ঘটনার চিত্র মুছে ফেলতে চাইলেন। মানুষের চেহারা তাঁর দৃষ্টিতে প্রথমে কালো এবং পরে লাল হলো। কিন্তু চেহারাগুলো মিলিয়ে গেল না, তারা আবার ভেসে এলো তাঁর দৃষ্টিতে। একজন লোক নাড়ী-ভূড়ি ধরে আছে দু’হাত দিয়ে। তার চোখের ভাষায় ফুটে উঠেছে, দেখ, আমি কি পেয়েছি! ট্রেনের কামরার এক কোণে কয়েকজন মহিলা ও শিশু পরস্পরকে জড়িয়ে ধরে আছে। ভয়ে ভীত চিহ্ন তাদের চেখের দৃষ্টিতে। তাদের মুখ খোলা। মনে হলো, তাদের প্রবল চিৎকার তখনই থেমে গেছে। অনেকের দেহে কোন আঁচড়ের দাগও নেই। কামরার আর এক পাশে বেশ কয়েকটা লাশ জানালার ধার ঘেষে পড়ে রয়েছে। তাদের চোখেও বিভীষিকার চিহ্ন। খোলা জানোলা দিয়ে হয়ত তাদের ওপরে এসে পড়েছে গুলি, বর্শা বা বড় পেরেক। ট্রেনের প্রক্ষালন কক্ষে বেশ কয়েকজন সবল যুবকের মৃতদেহ। তারা হয়ত নিরাপদ আশ্রয়ে বাঁচতে চেয়েছিল। গলিত লাশ, প্ৰস্ৰাব-পায়খানার গন্ধে বমির উদ্রেক করে। এই চিন্তা হুকুম চাঁদের হওয়ায় তাঁরও বমির ভাব হলো।

    তাঁর দৃষ্টিতে স্পষ্ট হয়ে উঠল। লম্বা সাদা দাড়িওয়ালা একজন বৃদ্ধ কৃষকের ছবি। তাকে মৃত বলেই মনে হচ্ছিল না। সে বিছানাপত্র রাখার র্যাকের ওপর শুয়েছিল। নিচে কি ঘটছে তা যেন সে গভীর মনোযোগের সাথে দেখছিল। তার কান থেকে দাড়ি পর্যন্ত জমাট বাঁধা রক্তের ধারার চিহ্ন দেখা গেল। হুকুম চাঁদ তার ঘাড় ধরে ঝাঁকি দিয়ে বললেন, বাবা, বাবা তাঁর ধারণা ছিল সে বেঁচে আছে। সে বেঁচেই ছিল। তার শীতল হাত অদ্ভুতভাবে এগিয়ে এসে ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেবের ডান পা জড়িয়ে ধরল। হুকুম চাঁদের দেহ থেকে যেন ঠাণ্ডা ঘাম বেরিয়ে এলো। তিনি চিৎকার করতে চাইলেন। পারলেন না। শুধু মুখ খুলতে সক্ষম হলেন। হাতটা পায়ের পাতা থেকে গোড়ালি এবং গোড়ালি থেকে হাঁটুতে এসে থামল। হাতটা জড়িয়ে ধরে আছে ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেবের পা। হুকুম চাঁদ আবার চিৎকার করতে চাইলেন। তাঁর চিৎকার গলায় এসে আটকে গেল। হাতটা ক্রমেই ওপরের দিকে এগিয়ে আসছে। তাঁর মাংসল উরুর কাছে এসেই হাতটা হঠাৎ চিলে হয়ে পড়ল।

    হুকুম চাঁদ গোঙাতে লাগলেন। তাঁর দেহটা যেন প্রচণ্ড একটা ধাক্কা খেলা। তিনি ভয়ে চিৎকার করে উঠলেন। তার দুঃস্বপ্ন ভেঙ্গে গেল। তিনি বিছানার ওপর উঠে বসলেন। তাঁর চোখে-মুখে ভয়ের ছাপ স্পষ্টভাবে দেখা গেল।

    তাঁর পাশে একজন বেয়ারা দাঁড়িয়ে ছিল। তাকেও ভীতিবিহ্বল মনে হলো।

    আমি মনে করলাম সাহেব খুব ক্লান্ত, এ সময় তার পা টিপে দেয়া দরকার।

    হুকুম চাঁদ কথা বলতে পারলেন না। তিনি তাঁর কপাল থেকে ঘাম মুছে বালিশের ওপর শুয়ে পড়লেন। বিস্ময়ভরা কণ্ঠে তিনি বললেন, হায় রাম, হায় রাম। তাঁর দুর্বলতা প্রকাশ পেল এবং তিনি আরও ভীত হয়ে পড়লেন। তিনি নিজেকে খুব দুর্বল ও নির্বোধ মনে করলেন। কিছুক্ষণ পর মনে হলো, একটা শান্ত সমাহিত ভাব তার মধ্যে বিরাজ করছে।

    হুইস্কি নিয়ে এসো।

    বেয়ারা একটা ট্রের ওপর হুইস্কি, সোডা ও একটা গ্লাস নিয়ে এলো। মধুর রঙের মতো ঐ তরল পদাৰ্থ দিয়ে হুকুম চাঁদ গ্লাসের চার ভাগের এক ভাগ ভরে দিলেন। গ্লাসের বাকি খালি অংশটা বেয়ারা সোড়া পানি দিয়ে ভরে দিল। ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব প্রায় এক চুমুকেই গ্লাসের অর্ধেকটা পান করে বিছানার ওপর চিৎ হয়ে শুয়ে পড়লেন। পেটে হুইস্কি পড়ার পর তাঁর শ্রান্ত স্নায়ুতন্ত্ৰ যেন আবার প্রাণ ফিরে পেল। বেয়ারাটা আবার তাঁর পা টিপতে শুরু করল। তিনি কড়ি কাঠের দিকে তাকিয়ে দেহটাকে একেবারে শিথিল করে দিলেন। তাঁর ক্লান্তি আনন্দঘন হয়ে উঠল। সুইপারটা বিভিন্ন কামরায় আলো জ্বলিয়ে দিল। হুকুম চাঁদের বিছানার পাশেই টেবিলের ওপর সে একটা ল্যাম্প রেখে দিল। একটা পতঙ্গ ল্যাম্পের কাচের চারদিকে ঘুরপাক দিয়ে কড়ি কাঠের দিকে উড়ে গেল। কয়েকটা টিকটিকি দেয়ালের অপর পাশ থেকে দেয়াল ঘেঁষে এগিয়ে এলো। পতঙ্গটি টিকটিকির নাগালের বাইরে দেয়ালে আঘাত খেয়ে আবার চিমনির কাছে ফিরে এলো। টিকটিকিগুলো তাদের উজ্জ্বল কালো চোখ দিয়ে তা প্রত্যক্ষ করল। পতঙ্গটি বার বার ওঠানামা করতে লাগল। হুকুম চাঁদ জানতেন যে, পতঙ্গটি কড়ি কাঠের কোন এক স্থানে এক সেকেন্ডের জন্য বসলেও টিকটিকিগুলো তাদের ছোট কুমিরের মতো চোয়ালের মধ্যে তাকে পুরে নেবে। সম্ভবত সেটাই তার পরিণতি। প্রত্যেকের পরিণতিই এই রকম। কেউ হাসপাতালে, কেউ বা ট্রেনে, আবার কেউ বা সরীসৃপের মুখে এই পরিণতির শিকার হয়। যেখানেই সে মরুক না কেন, পরিণতি সবার ক্ষেত্রে একই রকম। কেউ আবার বিছানায় থেকেও মৃত্যুবরণ করতে পারে। অনেকের ক্ষেত্রে আবার দেখা যায়, চারদিকে দুৰ্গন্ধ ছড়িয়ে না পড়া পর্যন্ত এবং চোখের পাতায় পোকা ওঠানামা ও মুখের ওপর টিকটিকি তাদের পাতলা চটচটে পেট নিয়ে ঘোরাফেরা না করা পর্যন্ত টেরই পাওয়া যায় না যে, সে মারা গেছে। হুকুম চাঁদ তাঁর দু’হাত দিয়ে চোখ-মুখ ঘষে নিলেন। নিজের মন থেকে কে কবে পালাতে পেরেছে। তিনি গ্লাসের বাকি অংশ এক ঢেকে গিলে রূপান্তরিত হলেন অন্য এক মানুষে।

    হুকুম চাঁদের কাছে মৃত্যু একটা বৃদ্ধ সংস্কার হিসাবেই চিহ্নিত হয়েছে সব সময়। একটা মৃত সন্তান জন্ম দেয়ার পর তিনি তাঁর চাচিকে মারা যেতে দেখেছেন। তাঁর চাচির পুরো শরীরটাই যেন বিষাক্ত হয়ে গিয়েছিল। কয়েকদিন ধরে তাকে দেখা যায় মতিভ্রম অবস্থায়। তার পায়ের কাছে বিছানার পাশের দিকে লক্ষ্য করে তাকে পাগলের মতো হাত নাড়াতে দেখা গেছে। যেন মৃত্যুকে সে দূরে সরে যেতে বলছিল। মৃত্যুর আগে সে ভয়ে চিৎকার করে উঠেছিল। মৃত্যুর পর দেখা গেল তার দৃষ্টি দেয়ালের দিকে নিবদ্ধ। এ দৃশ্য হুকুম চাঁদের মন থেকে কোনদিন মুছে যায়নি। যুবক বয়সে তিনি বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের বাইরে শবদাহ। মাঠে ঘন্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করেছেন। তিনি দেখেছেন, ঐ মাঠে অমসৃণ বাঁশের খাটিয়ায় করে বিলাপ করতে করতে যুবক ও বৃদ্ধিকে আনতে। তারপর তাদের জেগেছে। মৃত্যুর তাৎক্ষণিক ভয়কে তিনি জয় করতে পারলেও মানুষের চূড়ান্ত পরিণতি যে মৃত্যু, এই ভাবনা তাঁর মনে স্থায়ী হয়ে আছে। এই ভাবনাই তাঁকে করে তুলেছে। দয়ালু, পরোপকারী ও সহনশীল। প্রতিকূল পরিবেশে প্রফুল্ল থাকার শিক্ষাও তিনি এই ভাবনা থেকে পেয়েছেন। শান্ত চিত্তে তিনি সন্তানের মৃত্যুকে গ্ৰহণ করেছেন। তিনি তাঁর অশিক্ষিত অনাকর্ষণীয় স্ত্রীকেও গ্রহণ করেছেন কোন অভিযোগ ছাড়াই। সব কিছুই তিনি মনে করেছেন যে, মানুষের মৃত্যুই হলো একমাত্র পরম ও চরম সত্য। অন্য সব কিছু, যেমন ভালবাসা, উচ্চাশা, গর্ব, সব ধরনের মূল্যবোধ ইত্যাদিকে গ্ৰহণ করা উচিত জীবনকে উপভোগ করার জন্য। এসব তিনি করেছেন স্পষ্ট চেতনা নিয়ে। তিনি উপহার গ্রহণ করেন এবং বন্ধুদের বিপদে তাদের সাহায্য করেন। কিন্তু তিনি দুনীতিপরায়ণ নন। তিনি মাঝে মাঝে পার্টিতে যোগ দেন, গান ও নাচের আয়োজন করেন। কোন কোন সময় যৌন মিলনের আয়োজনও করেন। কিন্তু তিনি কামুক বা নীতিহীন নন। এসব কিছুর পরিণতি কি? এটাই হুকুম চীদের জীবন দর্শন এবং এটা নিয়েই তিনি সুন্দরভাবে বেঁচে আছেন।

    কিন্তু ট্রেন ভর্তি লাশ। অদৃষ্টবাদী হুকুম চাঁদের জন্য এটা সহ্যের বাইরে। মৃত্যুর অনিবাৰ্যতা সম্পর্কে তাঁর যে ধারণা তার সাথে তিনি বেপরোয়া হত্যাকাণ্ডের কোন সম্পর্ক খুঁজে পেলেন না। যে প্রচণ্ডতা নিয়ে এই ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে তা স্মরণ করে তিনি ভীতসন্ত্রস্ত হলেন। তার চাচির জিহবা কামড়ানো এবং মুখ দিয়ে রক্তক্ষরণ, শূন্যের দিকে তাকিয়ে থাকা ইত্যাদি দৃশ্য তাঁর চোখের সামনে ভেসে এলো ভয়ঙ্কর ভীতির ইঙ্গিত নিয়ে। হুইস্কির উত্তেজক ক্রিয়া তাঁকে এই ভয় থেকে মুক্তি দিতে সহায়ক হলো না।

    কামরাটি হঠাৎ করে গাড়ির হেড লাইটের আলোয় আলোকিত হয়ে পুনরায় আগের মতো অন্ধকার হয়ে গেল। গাড়িটাকে সম্ভবত গ্যারেজে নিয়ে যাওয়া হলো। হুকুম চাঁদ রাতের আগমনে বেশ সচেতন হয়ে উঠলেন। চাকর-বাকর সবাই শীঘ্ৰ তাদের কোয়ার্টারে ফিরে গিয়ে স্ত্রী-পুত্র-কন্যার সাথে রাতে নাক ডাকিয়ে ঘুমাবে। বাংলোয় তিনি একাই থাকবেন। শূন্য কামরায় আরও থাকবে তাঁর সৃষ্ট মানুষের অপচ্ছায়া। না! না! তিনি তাঁর বেয়ারাকে ধারে কাছে কোথাও শুতে বলবেন। বারান্দায় থাকতে বলবেন? এতে তারা কি ধারণা করবে। তিনি ভয় পেয়েছেন? তিনি তাদের বলবেন যে, রাতে হয়ত তাদের প্রয়োজন হতে পারে। তাই তাদের ধারে কাছে থাকা দরকার। এতে তাদের ধারণার পরিবর্তন হতে পারে।

    বেয়ারা!

    সাহেব, তার দিয়ে তৈরী দরজা ঠেলে বেয়ারা এসে উপস্থিত হলো।

    আজ রাতে আমার শোয়ার বিছানা কোথায় করলে?

    সাহেবের বিছানা এখনও করা হয়নি। বেশ মেঘ আছে আকাশে, রাতে বৃষ্টিও হতে পারে। হুজুর কি বারান্দায় শোবেন আজ?

    না, আজ আমি কামরায় শোব। ঘর ঠাণ্ডা না হওয়া পর্যন্ত ছেলেটা এক-দুই ঘণ্টা পাখা টানবে। আরদালিদের বারান্দায় ঘুমাতে বল। রাতে তাদের জরুরী কাজে প্রয়োজন হতে পারে। হুকুম চাঁদ তাদের দিকে না তাকিয়েই কথা শেষ করলেন।

    আচ্ছা সাহেব। তারা শুতে যাওয়ার আগেই আমি তাদের বলে দেব। এখন কি রাতের খাবার এনে দেব?

    হুকুম চাঁদ খাওয়ার কথা ভুলে গিয়েছিলেন।

    না। আমি রাতে খাব না। শুধু আরদালিদের বলে দাও তারা যেন রাতে বারান্দায় ঘুমায়। ওখানে ড্রাইভারকেও থাকতে বলে। বারান্দায় যদি জায়গা না হয় তাহলে তাদের পাশের কামরায় ঘুমাতে বলবে।

    বেয়ারা বাইরে চলে গেলে হুকুম চাঁদ নিজেকে কিছুটা হালকা মনে করলেন। তিনি যে ভয় পেয়েছেন একথা কাউকে তিনি আঁচ করতে দেননি। তাঁর চারপাশে কথাবার্তা শুনতে পেলেন। তারা বারান্দায় স্থান নির্বাচন নিয়ে তর্ক করছে, দরজার কাছে বিছানা পাতা, পাশের কামরা থেকে ল্যাম্প আনা, খটিয়া পাতার জন্য অন্য আসবাব সরানো ইত্যাদি কর্মচাঞ্চল্য হুকুম চাঁদকে আশ্বস্ত করল।

    ঘরের মধ্যে আবার গাড়ির হেড লাইটের আলো চমকে উঠল। বারান্দার পাশেই গাড়ি থেমে গেল। হুকুম চাঁদ পুরুষ ও মহিলার গলা শুনতে পেলেন। এরপরই তিনি শুনতে পেলেন দরজায় ঘন্টাধ্বনি। তিনি বিছানার ওপর বসে তারের দরজা দিয়ে তাকিয়ে দেখলেন। দেখলেন সেই গায়িকার দলকে। একজন বৃদ্ধ মহিলা এবং অপরজন এক তরুণী। তাদের কথা তিনি ভুলেই গিয়েছিলেন।

    বেয়ারা।

    হুজুর।

    ড্রাইভারকে বলো, সে যেন গায়িকার দলকে ফেরত পাঠিয়ে দেয়। চাকরবাকরদের বলো তাদের কোয়ার্টারে ঘুমাতে। দরকার হলে তাদের ডেকে পাঠাব।

    এভাবে ধরা পড়ার জন্য হুকুম চাঁদ নিজেকে নির্বোধ ভাবলেন। চাকররা এ ঘটনায় নিশ্চয় হাসাহাসি করবে। কিন্তু এতে তাঁর কিছু যায়-আসে না। তিনি গ্লাসে নিজেই কিছুটা হুইস্কি ঢেলে নিলেন।

    বেয়ারা আসার আগেই তারা বাল্লান্দা ত্যাগ করতে শুরু করল। অন্য কামরার ল্যাম্পটাও সরিয়ে দেয়া হলো। ড্রাইভার গাড়িতে স্টার্ট দিল। গাড়ির হেড লাইটও জ্বালালো। কিন্তু পরীক্ষণেই সুইচ অফ করে দিল। বৃদ্ধা মহিলাটি গাড়িতে না উঠে বেয়ারার সাথে তর্ক করতে শুরু করল। মহিলার গলা ক্রমইে বেড়ে চলল এবং তা যুক্তির সীমানা অতিক্রম করল। ঘরে গিয়ে সে ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবকেই উদ্দেশ করে বলল:

    খোদাবন্দ, আপনার জয় হোক!

    হুকুম চাঁদ তাঁর ধৈর্য হারিয়ে ফেললেন। যাও, তিনি চিৎকার করে বললেন। গত দিনের দেনা তোমাকে শোধ করতে হবে। যাও! বেয়ারা, ওকে তাড়িয়ে দাও!

    মহিলার কণ্ঠ আর শোনা গেল না। সে দ্রুত গাড়ির মধ্যে এসে উঠল। গাড়ি যাত্রা শুরু করল। হুকুম চাঁদের বিছানার কাছে রইল কেবল একটা ল্যাম্প। তিনি উঠে ল্যাম্প ও টেবিলটা নিয়ে দরজার কোণায় রাখলেন। কয়েকটা পতঙ্গ ল্যাম্পের চিমনির চারপাশে ঘুরপাক খেল, কয়েকবার দেয়ালেও আঘাত খেলা। দেয়ালের ওপর থেকে টিকটিকি দেয়াল বেয়ে নেমে এলো ল্যাম্পের কাছে। একটা টিকটিকি গোপনে কিছু না জানার ভান করে লুকিয়ে ছিল। সুযোগ বুঝে সে পতঙ্গটাকে গালের মধ্যে পুরে নিল অতি সহজে। হুকুম চাঁদ পুরো ঘটনাটা দেখলেন উদাসীনভাবে।

    দরজাটা মৃদুভাবে খুলে গেলো এবং বন্ধ হলো। একটা ছোট কালো মূর্তি কামরার মধ্যে প্রবেশ করল। মেয়েটির শাড়িতে রূপোর কাজ ছিল। ল্যাম্পের আলোয় তা ঝিকমিক করে উঠল এবং দেয়ালের ওপর একাধিক আলোর চিহ্ন দেখা গেল। হুকুম চাঁদ ফিরে তাকে দেখলেন। মেয়েটি তাঁর বড় বড় কালো চোখ দিয়ে তাঁকেই দেখছিল। তার নাকে একটা মুক্তা ছিল। সেটাও ঝিকমিক করে উঠল। সে খুব ভীত হয়ে পড়েছে মনে হলো।

    এসেছ, ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব তার হাত ধরে ডাকলেন। নিজের পাশে তার বসারও জায়গা করে দিলেন।

    তাঁর হাত দিয়ে মেয়েটির কোমর জড়িয়ে ধরলেন। তিনি তার উরু ও পেটে হাত বুলিয়ে দিলেন এবং অফুটন্ত স্তন নিয়ে খেলা করলেন। মেয়েটির কোন আবেগ দেখা গেল না। শক্ত হয়েই সে বসে রইল। হুকুম চাঁদ মেয়েটিকে একটু সরিয়ে দিয়ে ঘুম চোখে অস্পষ্টভাবে বললেন, এসো, শুয়ে পড়ি। ম্যাজিস্ট্রেটের পাশে মেয়েটি সোজাভাবে শুয়ে পড়ল। শাড়ির ঝিকিমিকি আলো তার মুখেও প্রতিবিম্বিত হলো। শুদ্ধ মাটিতে পানি ছিটালে যে গন্ধ পাওয়া যায় তেমনি একটা সুগন্ধের পারফিউম সে ব্যবহার করেছিল। তার নিঃশ্বাসে ছিল এলাচির গন্ধ, বক্ষে মধু! হুকুম চাঁদ তার দেহের সাথে নিজেকে শিশুর মতো আটকিয়ে গভীর ঘুমে নিমগ্ন হলেন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনোরা – হেনরিক ইবসেন
    Next Article পাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }