Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ট্রেন টু পাকিস্তান – খুশবন্ত সিং

    খুশবন্ত সিং এক পাতা গল্প260 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.৫ ইকবালকে তাঁর সেলে নিঃসঙ্গ অবস্থায় রাখা হয়েছিল

    এক সপ্তাহ ধরে ইকবালকে তাঁর সেলে নিঃসঙ্গ অবস্থায় রাখা হয়েছিল। তাঁর একমাত্র সঙ্গী ছিল স্তুপীকৃত খবরের কাগজ ও ম্যাগাজিন। তাঁর সেলে আলোর ব্যবস্থা ছিল না, তাঁকে কোন বাতিও সরবরাহ করা হয়নি। অসহ্য গরমের মধ্যে তাঁকে শুয়ে রাতের শব্দ শুনতে হয়-নাক ডাকা, মাঝে মাঝে গুলির আওয়াজ এবং গভীর রাতে প্ৰচণ্ড নাক ডাকার শব্দ। বৃষ্টি শুরু হলে থানাকে মনে হয় আগের চেয়ে আরও বেশি নীরব। ক্রমাগত বৃষ্টি পতন ছাড়া আর কিছুই দেখা যায় না। মাঝে মাঝে দেখা যায় রিপোর্টিং রুম ও ব্যারাকের মধ্যে একজন কনস্টেবলকে দৌড়ে যেতে। একঘেয়েমিপূর্ণ বৃষ্টির ফোঁটার শব্দ ও মেঘের ডাক ছাড়া আর কিছু শোনা যায় না। পাশের সেলে আছে জুগ্‌গা। কিন্তু তার দেখা পাওয়া যায় কদাচিৎ। প্রথম ঘণ্টাখানেক পরেই তারা তাকে ফিরিয়ে আনে। জুগ্‌গাকে নিয়ে কনস্টেবলরা কি করে তা ইকবাল জানতে পারেন নি। তিনিও জিজ্ঞাসা করেন নি। আর জুড়াও তাঁকে কিছু বলেনি। তবে পুলিশের সাথে তার রসিকতা আরও কদৰ্য এবং তাদের সাথে তার যোগাযোগ আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।

    একদিন সকালে পাঁচজন লোককে পুলিশ হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে এলো। তাদের দেখামাত্রই জুগ্‌গার মেজাজ বিগড়ে গেল। সে তাদের গালি-গালাজ করল। জুল্লার আচরণের প্রতিবাদ করে তারা রিপোর্টিং রুমের বারান্দা ত্যাগ করতে অস্বীকার করল। নতুন এই বন্দী কারা, তা নিয়ে ইকবালের বিস্ময়ের সীমা রইল না। তাদের কথাবার্তা শুনে ইকবালের মনে হলো, তারা সবাই মাতলামি, হত্যা ও লুণ্ঠনের অপরাধে গ্রেফতার হয়েছে। থানার কয়েক গজ দূরেই চন্দননগর। সেখানেও মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। ইকবাল আগুনের লেলিহান শিখা দেখেছে, শুনেছে মানুষের আর্ত চিৎকার। কিন্তু পুলিশ সেখানে কাউকে গ্রেফতার করেনি। বন্দীরা নিশ্চয়ই সাধারণের চেয়ে ব্যতিক্রম। নতুন বন্দীদের তিনি যখন চেনার চেষ্টা করছিলেন, সেই সময় তাঁর সেলের তালা খুলে দেয়া হলো। জুয়া ও একজন কনস্টেবল তাঁর সেলে প্রবেশ করল। জুগ্‌গার মেজাজ বেশ ভালই দেখা গেল।

    সুপ্ৰভাত বাবুজি, সে বলল, আমি আপনার ভৃত্য হতে চলেছি। আমি আপনার কাছ থেকে শিখতে পারব।

    ইকবাল সাহেব কনস্টেবলটি জুগ্‌গার কথার জের টেনে তালা বন্ধ করতে করতে বলল, সোজা ও সরল পথে কিভাবে চলতে হয় তা এই বদমায়েশটাকে শিখিয়ে দিন।

    ওর কথা ছেড়ে দিন, জুগ্‌গা বলল, বাবুজি জানে যে, তোমার সরকারই আমাকে বদমায়েশ বানিয়েছে। তাই নয়। কি, বাবুজি?

    ইকবাল ওর কথার উত্তর দিলেন না। তিনি বাড়তি একটা চেয়ারের ওপর পা রেখে কাগজের স্তুপের দিকে তাকিয়ে রইলেন। জুগ্‌গা চেয়ার থেকে তাঁর পা দু’টো সরিয়ে তার বড় দু’টো হাত দিয়ে টিপতে শুরু করল।

    বাবুজি, অবশেষে আমার কিসমত খুলে গেছে। আপনি যদি আমাকে কিছুটা ইংরেজী শিখিয়ে দেন, তাহলে আমি আপনার সেবা করব। মাত্র কয়েকটা বাক্য শিখিয়ে দিন, ঐ দিয়েই আমি গিট মিট করতে পারব।

    পাশের সেলে কার জায়গা হলো?

    জুগ্‌গা ইকবাল সাহেবের পা টিপতে টিপতে বলল, আমি জানিনে। ওরা বলল, ওরা রামলালের খুনীদের গ্রেফতার করেছে।

    আমার ধারণা ছিল, ঐ খুনের জন্য। ওরা তোমাকেই ধরেছে, ইকবাল বললেন।

    আমাকেও ধরেছে, জুগ্‌গা হাসলো। তার সাদা সমান্তরাল দাঁতগুলো বেরিয়ে পড়ল। সোনা দিয়ে বাঁধানো একটা দাঁতের অংশও দেখা গেল। মানো মাজরায় কোন অঘটন ঘটলে ওরা আমাকেই ধরে। আপনি তো জানেন আমি একটা বদমায়েশ।

    তুমি কি রাম লালকে খুন করনি?

    জুগ্‌গা পা টেপা বন্ধ করল। দু’হাত দিয়ে সে নিজের কান দু’টো ধরে জিহবায় কামড় দিল। তৌবা; তৌবা! নিজের গ্রামের মহাজনকে খুন? যে মুরগি ডিম দেয় তাকে কে মারে বাবুজি? তাছাড়া আমার পিতা যখন জেলে ছিল তখন রামলাল উকিলকে টাকা দিয়েছিল। আমি জারজ ছেলের মতো কাজ করিনে।

    আমার মনে হয় ওরা এখন তোমাকে ছেড়ে দেবে।

    পুলিশ হলো দেশের রাজা। দয়া হলে তারা আমাকে ছেড়ে দেবে। আবার যদি আটকে রাখতে চায় তাহলে লাইসেন্স ছাড়া বর্শা রাখার দায়ে বা অনুমতি ছাড়া গ্রামের বাইরে যাওয়ার কারণে অথবা শুধু কিছুর কারণে ওরা আমাকে আটকে রাখবে।

    কিন্তু তুমি তো ঐ রাতে গ্রামের বাইরে ছিলো। ছিলে না?

    জুগ্‌গা মেঝের ওপর বসল। ইকবালের পা দু’টো নিজের কোলের ওপর টেনে নিয়ে পায়ের পাতার নিচের অংশে হাত বুলাতে লাগল।

    আমি গ্রামের বাইরে ছিলাম, সে উত্তর দিল। তার চোখে দুষ্টমিভরা চাহনি খেলে গেল। আমি কাউকে খুন করতে যাইনি। আমি নিজেই খুন হয়েছি।

    ইকবাল তার ঐ বক্তব্যের সাথে পরিচিত। ফলে তিনি ঐ বিষয়ে বিস্তারিত বলার জন্য জুগ্‌গাকে উৎসাহিত করলেন না। কিন্তু আলোচনা যখন একবার শুরু হয়েছে তখন জুগ্‌গাকে আর ফেরানো সম্ভব বলে মনে হলো না। আরও আগ্রহভরে জুগ্‌গা তাঁর পা টিপতে শুরু করল।

    আপনি তো অনেক বছর বিলেতে কাটিয়েছেন, জুগ্ন আস্তে আস্তে জিজ্ঞাসা করল।

    হ্যাঁ, অনেক বছর, ইকবাল বললেন। যা ঘটতে যাচ্ছে এমন একটা অবশ্যম্ভাবী। বক্তব্য এড়াতে তিনি বৃথাই চেষ্টা করলেন।

    তাহলে বাবুজি, জুগ্‌গা আরও আস্তে জিজ্ঞাসা করল, আপনি অনেক মেম সাহেবের সাথে রাত কাটিয়েছেন। তাই না?

    ইকবাল অস্বস্তি বোধ করলেন। যৌন বিষয়ক আলোচনা থেকে ভারতীয়দের বেশি সময় সরিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এটা তাদের মনের সাথে পুরোপুরি মিশে আছে। এটা তাদের কলা, সাহিত্য ও ধর্মে প্রকাশমান। সাইনবোর্ডগুলোতে কামোদ্দীপক বস্তু ও হস্তমৈথুনজনিত কুফল থেকে রক্ষার উপায় সম্বলিত বিজ্ঞাপন দৃশ্যমান। আদালত ও বাজার এলাকায় দেখা যায় হকাররা বিক্রি করছে নির্জীব পুরুষাঙ্গকে সতেজ, মোটা ও লম্বা করার জন্য গিরগিটির চামড়া থেকে নিঃসৃত তেল। নিঃসন্তান মহিলাকে সন্তান ধারণের এবং ছেলে হওয়ার জন্য ওষুধের আবিষ্কারক হাতুড়ে চিকিৎসকের দাবি সম্বলিত বিজ্ঞাপনও দেখা যায়। প্রায় সব সময়ই মানুষ এসব শোনে। যৌনাচার বিকৃতি ভারতীয়দের কাছে যতটা স্বাভাবিক অন্যদের কাছে ততটা নয়। শালা (স্ত্রীর ভাই) [আমি তোমার বোনের সাথে ঘুমাতে চাই] এবং শ্বশুর (আমি তোমার মেয়ের সাথে ঘুমাতে চাই) কথাগুলো আত্মীয়-বন্ধুদের সাথে বলা হলে যেমন আদরের হয়, তেমনি শক্রদের উদ্দেশ করে বলা হলে তা হয় রাগের প্রকাশ। রাজনীতি, দর্শন খেলাধুলা নিয়ে যতই আলোচনা হোক না কেন, ঐ আলোচনা যৌন আলোচনায় এসে থামবে। চাপা হাসি ও হাততালির মাধ্যমে সবাই উপভোগ করে শেষোক্ত এই আলোচনা।

    হ্যাঁ কাটিয়েছি, সাধারণভাবে ইকবাল বললেন, বহু মেম সাহেবের সাথে।

    বাঃ বাঃ, জুগ্‌গা যেন চিৎকার করে উঠল। ইকবালের পা টেপায় তার উৎসাহ ও উদ্দীপনা বেড়ে গেল। বাঃ বাবুজি, বাঃ।। আপনি নিশ্চয়ই দারুণ আনন্দ উপভোগ করেছেন। মেম সাহেবরা হলো বেহেশতের হুরির মতো। সাদা, নরম, একদম সিল্কের মতো। আমাদের এখানে যারা আছে তারা হলো কালো মোষ।

    মহিলা মহিলাই, এদের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। সত্যি কথা বলতে কি, সাদা চামড়ার মহিলাদের উত্তেজনা কম। তুমি কি বিয়ে করেছ?

    না বাবুজি। একটা বদমায়েশের কাছে কে তার মেয়েকে দেবে? যেখানে পাই সেখানেই আমি যৌন ক্ষুধা মেটাই।

    সব সময় পাও নাকি?

    মাঝে মাঝে …। মামলার শুনানির দিন পিরোজপুর গিয়ে যদি উকিল ও তার কেরানিদের কাছ থেকে টাকা বাঁচাতে পারি। তাহলে আমার সময় কাটে খুব আনন্দে। সারা রাতের মতো আমি আগে ভাগেই ওদের সাথে কথা বলে নেই। অন্য লোকের মতো। ওরা আমাকেও সমান চোখে দেখে। ওদের ধারণা, দুবার বা সবচেয়ে বেশি হলে তিনবার। জুগ্‌গা তার মোচে তা দিয়ে বলল, কিন্তু জুগ্‌গাত্‌ সিং যখন ওদের কাছে যায় ওরা হায় হায় করে চিৎকার করে, নিজের কান ধরে বলে, তৌবা তৌবা। ভগবানের নামে দোহাই দিয়ে ওদের ছেড়ে আসার কথা বলে এবং টাকাও ফেরত দিয়ে দেয়।

    ইকবাল জানে এটা মিথ্যা কথা। প্রায় সব যুবক ঐ ধরনের কথা বলে।

    বিয়ে করলে তুমি তোমার বউকে তোমার প্রতিযোগী হিসাবে পাবে, ইকবাল বললেন, সে সময় তুমি তোমার কান ধরে তৌবা তৌবা বলবে।

    বিয়েতে কোন মজা নেই বাবুজি। মজা করার সময় বা জায়গা কোথায়? গরমের দিনে সবাই বাইরে খোলা জায়গায় ঘুমায়। চুপি চুপি সামান্য সময়ের জন্য বউয়ের কাছে যাওয়া যায়। কেউ দেখে ফেলে এই আশঙ্কা সব সময় থাকে। শীতকালে পুরুষ ও মহিলারা আলাদাভাবে ঘুমায়। রাতে স্বামী-স্ত্রী দুজনকেই একই সময় প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেয়ার ভান করে বাইরে এসে মিলতে হয়।

    বিয়ে না করেও তুমি এ সম্পর্কে অনেক কিছু জানো দেখছি।

    জুগ্‌গা হাসল। আমি আমার চোখ বন্ধ করে থাকি না। তাছাড়া বিয়ে না করলেও আমাকে একজন বিবাহিত লোকের মতোই কাজ করতে হয়।

    তুমিও আয়োজন করে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দাও?

    জুগ্‌গা বেশ জোরে হাসল। হ্যাঁ বাবুজি। এ কাজ আমি করি। ঐ কারণেই আজ আমি হাজতে। কিন্তু আমি মনে মনে বলি; ঐ রাতে যদি আমি বাইরে না যেতাম, তাহলে আপনার সাথে সাক্ষাতের সুযোগ আমার হতো না বাবুজি। আপনার কাছ থেকে আমার ইংরেজী শেখার সুযোগও হতো না। গুড মর্নিং-এর মতো কিছু গিট-মিট আমাকে শিখিয়ে দিন। দেবেন না বাবুজি?

    ইংরেজী শিখে তুমি কি করবে? ইকবাল জিজ্ঞাসা করলেন। সাহেবরা দেশ থেকে চলে গেছে। তোমার উচিত মাতৃভাষা শেখা।

    এই উপদেশে জুগ্‌গা খুশি হলো না। তার কাছে শিক্ষা মানে ইংরেজী শেখা। যেসব কেরানী ও পত্ৰলেখক উর্দু বা শুরুমুখী ভাষায় লেখে তারা লেখাপড়া জানে, কিন্তু শিক্ষিত নয়।

    ওটা আমি যে কোন লোকের কাছ থেকে শিখতে পারব। ভাই মিত সিং আমাকে গুরুমুখী শিখিয়ে দেবেন বলে কথা দিয়েছেন। কিন্তু আমি এখনও ওটা শুরু করিনি। বাবুজি, আপনি কোন ক্লাস পর্যন্ত পড়েছেন? আপনি নিশ্চয়ই দশ ক্লাস পাস করেছেন?

    হ্যাঁ, দশ ক্লাস আমি পাস করেছি। আমি আসলে পাস করেছি। ষোল ক্লাস।

    ষোল! বাহ বাহ। ষোল ক্লাস পাস করা কোন লোকের দেখা আমি পাইনি। আমাদের গ্রামে শুধু রামলালই পাস করেছিলেন চার ক্লাস। এখন সে মৃত। এখন একমাত্র মিত সিং-ই কেবল পড়তে পারে। প্রতিবেশী কয়েকটি গ্রামে কোন ভাই নেই। আমাদের ইন্সপেক্টর সাহেব সাত আর ডেপুটি সাহেব দশ ক্লাস পর্যন্ত পড়েছেন। ষোল! বাপরে। আপনার নিশ্চয়ই খুব বুদ্ধি।

    অতি প্ৰশংসায় ইকবাল অস্বস্তিবোধ করলেন।

    তুমি কিছু লিখতে বা পড়তে পার, তিনি জিজ্ঞাসা করলেন।

    আমি? না, আমার চাচার ছেলে স্কুলে সামান্য যা কিছু শিখেছিল, সে আমাকে তাই শেখায়। ওটা ছিল আধা ইংরেজী, আধা হিন্দুস্থানী:

    পিজন মানে – কবুতর
    ফ্লাই মানে – উড়ান
    লুক মানে – দেখো
    স্কাই মানে – আসমান।

    আপনি এসব জানেন?

    না। সে তোমাকে কোন অক্ষর শেখায় নি?

    এবিসি? সে নিজেই এটা জানত না। আমি যা জানি, সে তাই-ই জানত:

    এ বি সি তুমি কোথায়?
    এডওয়ার্ড মারা গেছে,
    আমি দুঃখ করতে চাই।
    আপনি নিশ্চয়ই এটা জানেন?
    না, আমি এটাও জানিনে।
    ভাল কথা, আপনি আমাকে ইংরেজীতে কিছু বলুন।

    ইকবাল খুশি হলেন। গুড মর্নিং, গুড নাইট কিভাবে বলতে হয় ইকবাল তাকে শিখালেন। মানুষের জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি মূল কাজের ইংরেজী জুগ্‌গা জানতে চাইলে ইকবাল ধৈর্যহীন হয়ে পড়লেন। ঠিক ঐ সময় নতুন গ্রেফতারকৃত পাঁচজন লোককে পাশের সেলে আনা হলো। এ দৃশ্য দেখে জুগ্‌গার হাস্যোজুল মুখটা আকস্মিকভাবে অন্তৰ্হিত হলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনোরা – হেনরিক ইবসেন
    Next Article পাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }