Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ট্রেন টু পাকিস্তান – খুশবন্ত সিং

    খুশবন্ত সিং এক পাতা গল্প260 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২.৬ বৃষ্টির ধারা কমে গিয়ে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি

    বেলা এগারোটার দিকে বৃষ্টির ধারা কমে গিয়ে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি শুরু হলো। দিনটিও আলোকোজ্জ্বল হলো আগের চেয়ে। সাব-ইন্সপেক্টর সাহেব তার সাইকেলের সিটে বসে বাইরের দিকে তাকিয়ে দেখলেন। মেঘের ফাঁক দিয়ে দূরে নীলাকাশ দেখা গেল। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টির মধ্য দিয়ে সূর্যের আলো ঠিকরে পড়ল। জাফরানী রঙের আলোকচ্ছটার খিলান বর্ষণসিক্ত মাটির ওপর যেন ঢেউ খেলতে লাগল। দিগন্ত আকাশে রামধনু দেখা গেল। মনে হলো, সমস্ত চন্দননগর শহরটা যেন বিবিধ রঙ দিয়ে বাঁধিয়ে দেয়া হয়েছে।

    সাব-ইন্সপেক্টর সাহেব বেশ দ্রুত সাইকেল চালালেন। তাঁর হেড কনষ্টেবল মাল্লির গ্রেফতার সম্পর্কে থানা রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করার পূর্বেই তিনি থানার পৌঁছাতে চান। থানা ডায়রির পাতা ছিড়ে ফেলা এবং উকিলের নানা ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হওয়া খুবই অস্বস্তিকর। হেড কনস্টেবল লোকটা বেশ অভিজ্ঞ। কিন্তু ইকবাল ও জুয়ার গ্রেফতারের পর ঐ লোকটার ওপর ইন্সপেক্টর সাহেবের আস্থা কিছুটা শিথিল হয়ে পড়েছে। রুটিন মাফিক ছাড়া অন্য কোন পরিস্থিতি সামাল দেয়ার কাজে তাকে আর বিশ্বাস করা যায় না। বন্দীদের কোথায় আটকে রাখতে হবে, সে কি তা জানে? সে ছিল একজন চাষী। সে কারণেই মধ্যবিত্ত শিক্ষিত শ্রেণীর ব্যাপারে তার একটা ভীতি আছে। ইকবালকে বিরক্ত করার সাহস তার নেই (ওর সেলে সে একটা চারপাই, একটা টেবিল ও একটা চেয়ার রেখেছে)। সে যদি জুগ্‌গা ও মাল্লিকে ইতোমধ্যে অন্য একটা সেলে রেখে দিয়ে থাকে তাহলে ওরা দুজন হত্যা ও ডাকাতি নিয়ে আলোচনা করে একে অপরকে সাহায্য করার সিদ্ধান্ত নেবে।

    সাইকেল চালিয়ে ইন্সপেক্টর সাহেব যখন থানায় ঢুকলেন, তখন থানার বারান্দা বেঞ্চিতে বসা, কয়েকজন পুলিশ দাঁড়িয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানোল। একজন তাঁর সাইকেল ধরল, একজন তাঁকে তাঁর রেইন কোট খুলতে সাহায্য করল। বর্ষার মধ্যে বাইরে যেতে হওয়ায় ইন্সপেক্টর সাহেবের মুখ দিয়ে কয়েকটা কথা বেরিয়ে এলো।

    ডিউটি, ইন্সপেক্টর সাহেব গভীরভাবে বললেন, ডিউটি। বৃষ্টি কোন বাধা নয়। এমন কি ভূমিকম্প হলেও প্রথমে ডিউটি করতে হবে। হেড কনস্টেবল ফিরে এসেছে?

    হ্যাঁ স্যার। কয়েক মিনিট আগে তিনি মাল্লির দলের লোকদেরকে ধরে এনেছেন। তিনি তাঁর বাসায় গেছেন চা খেতে।

    দৈনন্দিন ডায়রিতে তিনি ওদের নাম লিপিবদ্ধ করেছেন?

    না স্যার। তিনি বললেন, আপনার আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। সাব-ইন্সপেক্টর সাহেব আশ্বস্ত হলেন। তিনি রিপোর্ট রুমে গিয়ে পাগড়িটা বুলিয়ে রেখে একটা চেয়ারে বসলেন। টেবিলে সব ধরনের রেজিস্টার সাজানো ছিল। বিভিন্ন কলামবিশিষ্ট হলুদ পাতাযুক্ত একটা বড় রেজিস্টার টেবিলের ওপরে খোলা ছিল। মানো মাজরা ব্লেষ্ট হাউজ থেকে ঐ দিন সকালে ফিরে আসার কথা লেখা আছে ঐ অন্তর্ভুক্তিতে।

    উত্তম, দু’হাত ঘষে তিনি চীৎকার করে উঠলেন। উরুতে চাপড় দিলেন দু’হাত দিয়ে, দু’হাত কপালে ঠেকালেন এবং চুলে হাত বুলালেন। ঠিক আছে, তিনি যেন নিজেকেই বললেন ঠিক আছে।

    একজন কনষ্টেবল তার জন্য এক কাপ চা নিয়ে এলো চামচ দিয়ে নাড়াতে নাড়াতে।

    আপনার কাপড়-চোপড় নিশ্চয় ভিজে গেছে। কনষ্টেবিলটি ঐ কথা বলতে বলতে কাপটি টেবিলের ওপর রাখল। চা-এ শেষবারের মতো একটা নাড়া দিয়ে।

    কনষ্টেবলের দিকে না তাকিয়ে ইন্সপেক্টর সাহেব চায়ের কাপটি তুলে নিলেন।

    জুগ্‌গা যে সেলে আছে, সেই সেলে কি মাল্লির দলকে আটকে রেখেছ?

    তৌবা! তৌবা! কনষ্টেবলটি তার দু’হাত কাঁধ পর্যন্ত তুলে বলল। স্যার, থানায় একটা খুন হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। আমরা যখন মাল্লিকে এখানে আনি, জুগ্‌গা ওকে দেখে প্রায় পাগল হয়ে ওঠে। এমন গালিগালাজ আমি আর কখনও শুনিনি। মা, বোন, মেয়ে—কাউকে সে রেহাই দিয়ে কথা বলেনি। ওরা ঘাবড়ে না। যাওয়া পর্যন্ত সে এমনভাবে লোহার দরজা ঝাঁকাতে থাকে যে, আমরা মনে করলাম, কবৃজা থেকে না দরজাই খুলে যায়। ঐ সেলে মাল্লিকে রাখার কোন প্রশ্নই ওঠে না। আর মাল্লিও ঐ সেলে যেত না। সিংহের খাঁচায় মেষ শাবক কি যেতে চায়?

    ইন্সপেক্টর সাহেব বললেন, জুগ্‌গার কথায় মাল্লি গালিগালাজ করেনি?

    না। তাকে ভীতিসন্ত্রস্ত মনে হচ্ছিল। মানো মাজরা ডাকাতির ব্যাপারে তার কিছুই করার নেই, এ কথাই সে বার বার বলছিল। অথচ জুগ্‌গা তাকে বলে যে, সে তাকে নিজের চোখে দেখেছে। একবার সে বাইরে বেরুতে পারলে সবার সাথেই হিসাব মিটিয়ে নেবে এবং তাদের মা, বোন ও মেয়েদের দেখে নেবে। জবাবে মাল্লি তাকে জানিয়ে দিয়েছে যে, সে আর এখন জুল্লাকে ভয় পায় না। কারণ জুগ্‌গা এখন ঐ তাঁতী মেয়েটার সাথে ঘুমানো ছাড়া আর কিছুই করতে পারবে না। ঐ সময় জুয়া আচরণ করে পশুর মতো। মাল্লির কথায় জুগ্‌গার চোখ দু’টো লাল হয়ে উঠে। মুখে হাত রেখে সে গোংক্লাতে থাকে। বুক চাপড়ায় কয়েকবার। লোহার দরজায় বার বার আঘাত করে সে ঘোষণা করে যে, সে মাল্লির অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ টুকরা টুকরা করে ফেলবে। মানুষকে এমনভাবে রাগতে আমি কখনও দেখিনি। আমরা কোন কুঁকি নিতে সাহস পাইনি। তাই জুগ্‌গার রাগ না কমা পর্যন্ত আমরা মাল্লিকে রিপোটিং রুমেই রেখে দেই। এরপর আমরা জুগ্‌গাকে বাবুর সেলে পাঠিয়ে মাল্লির দলকে জুগ্‌গার সেলে ঢুকিয়ে দেই।

    বেশ ভালই তামাশা হয়েছে দেখছি, বিকৃত হাসি দিয়ে ইন্সপেক্টর সাহেব বললেন, আরও তামাশা দেখতে পাব আমরা। মাল্লির লোকজনকে আমি ছেড়ে দিচ্ছি।

    কনষ্টেবলটি হতবুদ্ধি হয়ে গেল। কোন কিছু জিজ্ঞাসা করার আগেই সাবইন্সপেক্টর সাহেব রাজকীয় কায়দায় হাত নাড়িয়ে তাকে নিবৃত্ত করলেন।

    নীতি, তুমি জান! আমি যতদিন চাকরি করছি ততদিন চাকরি করলে তুমি বুঝতে পারবে। যাও, গিয়ে দেখা হেড কনস্টেবলের চা খাওয়া হয়েছে কিনা। বলবে, খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।

    কিছুক্ষণ বাদেই হেড কনস্টেবল এসে উপস্থিত হলো। ঢেকুর তুলে সে তার পরিতৃপ্তির কথা প্রকাশ করল। তার যোগ্যতা নিয়ে কারও প্রশংসার বিরুদ্ধে কেউ কথা বললে সে সহ্য করতে পারে না। ইন্সপেক্টর সাহেব তার বিনম্র হাসিকে উপেক্ষা করে তাকে দরজা বন্ধ করে বসতে বললেন। হেড কনষ্টেবলের প্রকাশভঙ্গি পরিতৃপ্তি থেকে উদ্বিগ্নতায় এসে উপনীত হলো। সে দরজা বন্ধ করে টেবিলের অপর দিকে দাঁড়িয়ে বলল, হ্যাঁ, স্যার কি আদেশ?

    বসুন বসুন, সাব-ইন্সপেক্টর সাহেব বললেন শান্তভাবে। তাড়াহুড়ার কিছু নেই।

    হেড কনষ্টেবল বসল। সাব-ইন্সপেক্টর সাহেব কাঠ পেন্সিলের সূচালো অংশটা সন্তৰ্পণে কানের মধ্যে ঢুকিয়ে ঘুরাতে লাগলেন। কিছুক্ষণ ঘোরানোর পর পেন্সিলটা বের করে তিনি সঁচালো অংশে লেগে থাকা বাদামী রঙের খৈল পরখ করতে লাগলেন। পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে তিনি ম্যাচ বাক্সের ওপর কয়েকবার টোকা দিয়ে জ্বালালেন। বেশ শব্দ করেই তিনি সিগারেটে টান দিলেন। নাক দিয়ে নিঃসৃত ধোঁয়া টেবিলের ওপর আঘাত পেয়ে সারা ঘরে ছড়িয়ে পড়ল।

    হেড কনস্টেবল সাহেব, জিহ্বায় লেগে থাকা তামাকের ছোট একটা টুকরা সরিয়ে তিনি বললেন, আজ অনেক কাজ করতে হবে। সব কোজ আপনি নিজে করবেন, এটাই আমার ইচ্ছা।

    বেশ গুরুত্ব দিয়েই হেড কনস্টেবল বলল, জি স্যার।

    মাল্লি ও তার দলের লোকদের মানো মাজরায় নিয়ে যান। সেখানে গিয়ে তাদের এমন এক জায়গায় ছেড়ে দিন যেন গ্রামের লোক দেখতে পায় যে, তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। মন্দিরের কাছেই তাদের ছেড়ে দেয়া সম্ভবত উত্তম হবে। গ্রামের লোকদের কাছে এমনি এমনি জিজ্ঞাসা করবেন, তারা সুনতানা বা তাদের লোকদের কাউকে দেখেছে। কিনা। কেন? সে সম্পর্কে তাদের কিছু বলবেন না। এমনি এমনি জিজ্ঞাসা করবেন।

    কিন্তু স্যার, সুলতানা ও তার দলবল তো পাকিস্তানে চলে গিয়েছে। সবাই তো একথা জানে।

    সাব-ইন্সপেক্টর সাহেব পেন্সিলের সূচাগ্র পুনরায় ক্যানের মধ্যে ঢুকিয়ে খৈল বের করে টেবিলের ওপর ঘষে দিলেন। সিগারেটে একটা জোরে টান দিয়ে অবজ্ঞা ভরে ঠোঁট উল্টালেন। এরপর দ্রুত ধোঁয়া ছাড়লেন এক রাশ। টেবিলের ওপর রক্ষিত রেজিস্টারে বাধা পেয়ে ঐ ধোঁয়া গিয়ে লাগল হেড কনন্টেবলের মুখে।

    আমি জানি না যে, সুলতানা পাকিস্তানে চলে গেছে। ধরে নিলাম, মানো মাজরায় ডাকাতির পর সে চলে গেছে। কখন সে চলে গেছে তা গ্রামবাসীদের কাছে জানতে চাওয়া তো দোষের কিছু নয়। না দোষ আছে কিছু?

    হেড কনন্টেবলের মুখমণ্ডল উদ্ভাসিত হলো।

    আমি বুঝেছি স্যার। আর কোন আদেশ?

    হ্যাঁ। গ্রামবাসীদের আরও জিজ্ঞাসা করবেন, মুসলিম লীগ কামী ইকবাল যখন মানো মাজরায় ছিলেন, তখন কোন অঘটন সম্পর্কে তারা কিছু জানে কিনা।

    হেড কনষ্টেবলকে আর একবার বিমর্ষ দেখাল।

    স্যার, বাবুর নাম তো ইকবাল সিং। তিনি শিখ। তিনি বসবাস করতেন ইংল্যান্ডে এবং এ কারণে তার চুল ছোট করে কাটা।

    সাব-ইন্সপেক্টর সাহেব হেড কনস্টেবলের দিকে এক দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ তাকিয়ে মুচকি হাসলেন। ইকবাল নামের অনেকেই আছেন। আমি বলছি মোহাম্মদ ইকবালের কথা, আর আপনি ভাবছেন ইকবাল সিং-এর কথা। মোহাম্মদ ইকবাল মুসলিম লীগের কর্মী হতে পারে।

    বুঝতে পেরেছি। স্যার, একই কথা পুনরুক্তি করল হেড কনস্টেবল। কিন্তু সতি্যু সত্যি সে কিছুই বুঝতে পারেনি। সে ধারণা করল, নির্দিষ্ট সময়ে সে প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারবে। আপনার আদেশ পালিত হবে স্যার।

    আরও একটা বিষয়, চেয়ার থেকে দাঁড়িয়ে ইন্সপেক্টর সাহেব বললেন, একজন কনস্টেবলকে বলবেন, আমার কাছ তাহকে একটা চিঠি নিয়ে মুসলমান উদ্বাস্তু ক্যাম্পের কমান্ডারকে দিতে। আগামীকাল পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্যরা মুসলমান গ্রাম থেকে মুসলমানদের সরিয়ে নেয়ার সময় মানো মাজরায় কিছু কনষ্টেবল পাঠাতে হবে। একথা আমাকে স্মরণ করিয়ে দেবেন।

    হেড কনস্টেবল অনুধাবন করল যে, এ কথার অর্থ পরিকল্পনা মোতাবেক তাঁর কাজে সাহায্য করতে হবে। এজন্য সে মানসিক প্রস্তুতি নিল, দ্বিতীয়বার তাঁকে সালাম দিল এবং সালামের সমর্থনে বুটের আওয়াজ শোনা গেল। হ্যাঁ স্যার, সে একথা বলে স্থান ত্যাগ করল।

    সাব-ইন্সপেক্টর সাহেব তার পাগড়ি মাথায় পরলেন। খোলা এক দরজার কাছে গিয়ে তিনি রেল ষ্টেশনের প্লাটফর্মের দিকে তাকালেন। প্লাটফর্মের দেয়ালে যে লতা বেয়ে বেয়ে ওপরের দিকে উঠছিল, তা বৃষ্টির পানিতে ধুয়ে গেছে। পড়ে থাকা পাতাগুলো সূর্যের আলোয় ঝলমল করে উঠেছে। বাঁ দিকে পুলিশদের থাকার জায়গা। ওখানে দেখা গেল, চারপাই-এর ওপর পরিচ্ছন্নভাবে বিছানাপত্র গুটানো। পুলিশদের থাকার জায়গার ঠিক উল্টো দিকে রয়েছে থানার দু’টো কামরা। অতি সাধারণ দু’টো কামরা। কামরা দু’টোর সামনে ইটের দেয়ালের পরিবর্তে আছে লোহার রেলিং। থানার বারান্দা থেকে কামরা দুটিতে কি আছে তা সব দেখা যায়। কাছের কামরাটিতে দেখা গেল, ইকবাল একটি চেয়ারে বসে, তার পা দু’টো চারপাই-এর ওপর। ম্যাগাজিন পড়ছেন তিনি। মেঝেতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে একাধিক পত্রিকা। জুগ্‌গা সিং বসে আছে মেঝের ওপর। হাত দু’টো রেলিং-এর মাঝে। অলসভাবে সে তাকিয়ে আছে পুলিশদের কোয়াটারের দিকে। অন্য সেলটিতে মাল্লি ও তার লোকজন এলোমেলোভাবে বসে গল্প করছে। হেড কনষ্টেবল ও তিনজন পুলিশকে রাইফেল ও হাতকড়া নিয়ে আসতে দেখে তারা উঠে দাঁড়াল। পাশের সেলে পুলিশের আগমন জ্বল্পা লক্ষ্যই করল না। সে মনে করল, মাল্লিকে কোর্টে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে শুনানির জন্য।

    জুগ্‌গাত্ সিং-এর আক্রমণাত্মক চেহারা দেখে মাল্লি ভয় পেয়ে যায়। জুগ্‌গাকে দেখে সে এতটাই ঘাবড়ে যায় যে, গোলমালের ভয়ে সে যে কোন শর্তে শান্তি স্থাপনের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেয়। সে জানে, ঐ জেলায় জুগ্‌গার মতো ভয়ঙ্কর লোক আর কেউ নেই। কিন্তু জুগ্‌গার গালাগালি তাকেও অসহিষ্ণু করে তোলে। মাল্লি তার নিজের দলের নেতা। সে মনে করে যে, জুগার ঐ অপমানের জবাবে তার কিছু করা দরকার, অন্তত নিজের লোকদের কাছে তার মান-মর্যাদা অক্ষুন্ন রাখার তাগিদে। যদি সে অনুমান করতে পারত যে, তার বন্ধুত্বসুলভ আচরণে জুগ্‌গা একই আচরণ করবে, তাহলে সে মানহানিকর মন্তব্য থেকে বিরত থাকত। সে অপেক্ষায় রইল, আবার একটা সুযোগের আশায়। তখন প্রচণ্ডতার জবাব প্রচণ্ডতার মাধ্যমেই দেয়া যাবে। লোহার দরজা তাদের শান্ত করল। তাছাড়া রাইফেল হাতে পুলিশও তো ছিল।

    পুলিশরা মাল্লি, ও তার দলের লোকদের হাতকড়া লাগিয়ে একটা লম্বা শিকলের সাথে সংযুক্ত করল। শিকলের এক প্রান্ত রইল। একজন কনষ্টেবলের কোমরবন্ধের সাথে। হেড কনষ্টেবল তাদের অগ্রযাত্রায় নেতৃত্ব দিল। দুজন কনস্টেবল রাইফেল হাতে পিছনে রইল। তারা যখন সেলের বাইরে এলো, জুগ্‌গা একবার মাল্লির দিকে তাকিয়ে দেখল। তারপর সে কোন কথা না বলেই অন্যদিকে দৃষ্টি নিক্ষেপ করল।

    তুমি পুরানো বন্ধুত্বের কথা ভুলে গিয়েছ, মেকি বন্ধুত্বসুলভ কণ্ঠে মাল্লি বলল, এমন কি তুমি আমাদের দিকে ফিরেও তাকালে না। আমরা তোমার আসার অপেক্ষায় রইলাম।

    ওর সাথীরা হাসল। ওকে থাকতে দাও, ও ওখানে থাকুক।

    জুগ্‌গা বসে রইল নিথর পাথরের মতো। ওর দৃষ্টি মেঝের ওপর নিবদ্ধ।

    তুমি এত রাগ করেছ কেন বন্ধু! কিসের দুঃখ তোমার? কারও ভালবাসা কি তোমার দিলকে উত্থালপাথাল করছে?

    এসো এসো, চলে এসো, পুলিশ বলল অনিচ্ছা সত্ত্বেও। তারাও দৃশ্যটা। উপভোগ করছিল।

    আমাদের পুরানো বন্ধুকে কি আমরা শুভ বিদায় বলে যেতে পারব না? শুভ বিদায় সর্দার জুগ্ধা সিংজি। তোমার কি কারও কাছে কোন সংবাদ দেয়ার আছে? তাঁতীর ঐ মেয়েটার কাছে ভালবাসার কোন কথা?

    লোহার দরজার ফাঁক দিয়ে জুয়া এমনভাবে তাকিয়ে রইল যেন সে কিছুই শুনতে পায়নি। ক্ৰোধে তার চেহারা রক্তিম হয়ে উঠল। দেহের সব রক্ত যেন তার মুখে এসে জমা হলো। লোহার দরজার মধ্যে তার হাতের পেশী দৃঢ় হলো।

    মাল্লি তার বন্ধুদের দিকে তাকাল। ওরা তখন মুচকি হাসছিল। সর্দার জুয়াত্ সিংকে আজ কিছুটা উতলা মনে হচ্ছে। আমাদের বিদায়ের জবাব সে আজ দেবে না। এজন্য অবশ্য আমরা কিছু মনে করি না। তার প্রতি রইল আমাদের শুভবিদায় বার্তা।

    মাল্লি দু’হাত করজোড়ে লোহার দরজার কাছে মাথা নোয়াল। চিৎকার করে সে বলতে শুরু করল, শুভ বিদায় …।

    আকস্মিকভাবে জুগ্ধ তার একটা হাত লোহার দরজার ফাঁক দিয়ে মাল্লির পাগড়ির পিছনের অংশের চুল ধরল। মাল্লির পাগড়ি খুলে পড়ল। শিকারী কুকুর যেমন এক খণ্ড কম্বলকে একদিক থেকে অন্যদিকে নাড়া দেয়, তেমনিভাবে সে মাল্লির মাথাটা বার বার সামনে পিছনে করে লোহার রডের সাথে ঠকতে লাগল। প্রতিটি আঘাতের সাথে তার মুখ থেকে বেরিয়ে আসতে থাকল অশ্রাব্য গালি, এবার তোকে মাকে… এবার তোর বোনকে… এবার তোর মেয়েকে… এবার তোর মাকে আবার… এবার তোর বোনকে আবার…।

    ইকবাল সব কিছুই প্রত্যক্ষ করছিলেন চেয়ারে বসে। ঘটনার প্রচণ্ডতা লক্ষ্য করে তিনি চেয়ার ছেড়ে দরজার ধারে এসে পুলিশকে লক্ষ্য করে বললেন, তোমরা চুপ করে আছ কেন? দেখছি না লোকটাকে ও মেরে ফেলবে?

    পুলিশ গর্জে উঠল। একজন তার রাইফেলের বট দিয়ে জুগ্‌গার মুখে গুতো মারল। কিন্তু মুখ সরিয়ে জুগ্‌গা আঘাত থেকে রক্ষা পেল। মাল্লির সারা মাথা তখন রক্তে ভরা। তার মাথার খুলি ও কপাল থেতলে গেছে। সে আর্তচিৎকার করছিল। সাব-ইন্সপেক্টর সাহেব একদম সেলের কাছে গিয়ে তাঁর দম্ভের প্রতীক লাঠি দিয়ে জুগ্‌গার হাতে আঘাত করলেন একাধিকবার। কিন্তু জুগ্‌গা মাল্লির মাথা ছাড়ল না। এবার তিনি কোমরবন্ধ থেকে রিভলবার বের করে জুগ্‌গার দিকে তাক করে বললেন, শুয়োর কোথাকার! হাত ছাড় নইলে গুলি করব।

    দু’হাত দিয়ে মাল্লির মাথা উঁচু করে জুগ্‌গা ওর মুখে থুথু নিক্ষেপ করল। সেই সাথে জুড়ে দিল কিছু অশ্রাব্য গালি। এরপর জোরে একটা ধাক্কা দিয়ে সে মাল্লিকে ছেড়ে দিল। মাল্লি মাটিতে পড়ে গেল। তার চুলে ঢেকে গেল মুখ ও কাঁধ। তার সাথীরা তাকে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করল, রক্ত মুছে দিল, পাগড়ি দিয়ে মুখ মুছে দিল। শিশুর মতো কাঁদতে কাঁদতে মাল্লি অভিশাপ দিল, তোর মায়ের মৃত্যু হোক, তুই একটা শুয়োরের বাচ্চা…তোকে আমি দেখে নেব …। মাল্লি ও দলের লোকেরা এগিয়ে গেল। বেশ দূর থেকে তখনও মাল্লির কান্নার শব্দ শোনা গেল।

    রেগে যাওয়ার আগে জুগ্‌গা যে অবস্থায় ছিল, ঠিক সেই অবস্থায় ফিরে এলো।

    ইন্সপেক্টর সাহেবের লাঠির আঘাতের চিহ্ন সে হাতের উল্টো দিকে দেখতে লাগল।

    ইকবাল আগের মতো তখনও চিৎকার করছিলেন। জুগ্‌গা ক্রোধান্বিত হয়ে বলল, চুপ করুন। বাবু! আমি আপনার কি করেছি যে, আপনি এত কথা বলছেন।

    ইকবালের সাথে এত কৰ্কশভাবে জুগ্‌গা আগে আর কখনও কথা বলেনি। এতে ইকবালও কিছুটা ঘাবড়ে গেলেন।

    ইন্সপেক্টর সাহেব, এখন তো পাশের সেলটা খালি। ওখানে কি আমাকে রাখা যায়?

    তিনি অনুনয় করে বললেন।

    ইন্সপেক্টর সাহেব মুচকি হোসলেন।

    নিশ্চয়ই ইকবাল সাহেব। আপনার সুবিধার জন্য যা আমাদের পক্ষে করা সম্ভব তাই করব। টেবিল-চেয়ার দেয়া হবে। সম্ভব হলে একটা বৈদ্যুতিক পাখাও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনোরা – হেনরিক ইবসেন
    Next Article পাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }