Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ট্রেন টু পাকিস্তান – খুশবন্ত সিং

    খুশবন্ত সিং এক পাতা গল্প260 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১.০৫ গাড়িটা বাংলো ত্যাগ করার সময়

    গাড়িটা বাংলো ত্যাগ করার সময় গাড়ির শব্দে হুকুম চাঁদের ঘুম ভাঙলো। বারান্দায় ঝুলানো চিক তখন গুটিয়ে ছাদের কলামের সাথে বেঁধে রাখা হয়েছে। চুনকাম করা সাদা বারান্দায় তখন সূর্যাস্তের আলতো আভা মিশে অপরূপ দৃশ্যের অবতারণা করেছে। জমাদার ছেলেটা হাতে টানা পাখার দড়ি নিয়ে মেঝের ওপর দলা পাকিয়ে শুয়ে ছিল। তার পিতা বাংলোর চারপাশে পানি ছিটিয়ে দিচ্ছিল। মাটির স্যাঁতসেঁতে গন্ধের সাথে তারের জাল দিয়ে ঘেরা দরজা দিয়ে ভেসে আসছিল জুই ফুলের সুগন্ধ। বাড়ির সামনে ভৃত্যরা পেতে দিয়েছিল একটা বড় মাদুর এবং তার ওপর একটা কাৰ্পেট। কার্পেটের এক পাশে পাতা ছিল একটা বড় বেতের চেয়ার, একটা টেবিলের ওপর এক বোতল হুইস্কি, কয়েকটা মনোরম পানপত্র ও প্লেট। টেবিলের নিচে সারি দিয়ে রাখা ছিল বেশ কয়েকটা সোডা পানির বোতল।

    হুকুম চাঁদ ভৃত্যকে ডেকে গোসলের পানি দিতে বললেন এবং দাড়ি কামাবার তাকিয়ে রইলেন অপলক দৃষ্টিতে। তাঁর মাথার ওপর তখন দু’টো টিকটিকি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তার হামাগুড়ি দিয়ে পরস্পরের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় তাদের মুখ থেকে মৃদু হুংকার ধ্বনি শোনা যাচ্ছিল। দু’টো প্রাণীর মধ্যে আধা ইঞ্চি ব্যবধান থাকার সময় তারা থেমে গেল, তাদের লেজ নড়তে লাগল। মনে হলো, তারা একে অপরকে ভয় দেখাচ্ছে। এরপর শুরু হলো সম্মুখ যুদ্ধ। হুকুম চাঁদ সরে যাওয়ার আগে তারা পড়ে গেল তার বালিশের ওপর। ধপাস করে একটা শব্দ হলো। তাঁর মনে হলো, তাঁর দেহের ওপর ঠাণ্ডা আঁঠাল কিছু একটা লেগে গেছে। তিনি আঁতকে উঠে শোয়া থেকে বিছানায় বসলেন এবং টিকটিকি দু’টোর দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। টিকটিকি দু’টো, মনে হলো, তাঁর দিকে তাকিয়ে আছে। তখনও তারা পরস্পরকে দাঁত দিয়ে কামড়ে ছিল, যেন উভয়ে ছিল চুম্বনরত। বেয়ারার পদধ্বনি শোনা গেল। টিকটিকি দু’টোর দিকে ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেবের এবং ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবের দিকে টিকটিকি দু’টোর যে সম্মোহনী দৃষ্টি আবদ্ধ ছিল তা ভেঙে গেল। তারা বিছানা থেকে নেমে এসে দেয়াল বেয়ে আবার উঠে গেল ছাদের নিচের অংশে। হুকুম চাঁদের মনে হলো, তিনি যেন টিকটিকির গায়ে হাত দিয়েছেন। তাঁর হাত দু’টো যেন তারা ময়লা করে দিয়েছে। কিন্তু হাতের ময়লা এমন ছিল না যা মুছে বা পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করা যায়।

    বেয়ারা এক মগ গরম পানি ও সেভিং-এর জিনিসপত্র ড্রেসিং টেবিলের ওপর রাখল। একটা চেয়ারের ওপর সে রেখে দিল তার প্রভুর কাপড়াচোপড়। একটা পাতলা মসলিনের জামা, এক জোড়া পাজামা। ময়ূরের মতো নীল রংয়ের মধ্যে রূপালী সাদা সূতায় পাকানো পাজামার দড়ি। ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবের কালো জুতা জোড়া চকচকে না হওয়া পর্যন্ত সে ব্রাশ করল। পরে জুতা জোড়া সে সযত্নে রেখে দিল চেয়ারের পাশে।

    হুকুম চাঁদ শেভ ও গোসল করলেন বেশ যত্ন নিয়ে। গোসলের পর তিনি মুখমণ্ডল ও দুই বাহুতে স্কিন লোশন লাগালেন এবং সুগন্ধি ট্যালকম পাউডার ছড়িয়ে দিলেন দেহের বিভিন্ন অংগে। এ্যাডুকোলন দিয়ে হাতের আঙ্গুলগুলো ভিজিয়ে নিলেন। চুলের জন্য ব্যবহৃত তেল জাতীয় প্রসাধনী মাখার ফলে তাঁর চুল ছিল নরম ও ভেজা ভেজা। কিন্তু চুলের গোড়া যে সাদা হয়ে গিয়েছিল তা স্পষ্টভাবে দেখা যায়। গত এক পক্ষ কাল তিনি চুলে রং করতে পারেন নি। তিনি তাঁর মোটা গোঁফে হাত বুললেন, পাঁক দিয়ে গোঁফের শেষাংশ সুচাল করে তুললেন। গোঁফের গোড়াও সাদা হয়ে গেছে। তিনি গায়ে চড়ালেন ফিনিফিনে মসলিনের জামা। জামার ওপর দিয়ে আবছা হলেও দেখা যাচ্ছিল দেহের বিভিন্ন অংশ। পাজামা পরার পর ইন্ত্রি করার ভাঁজ স্পষ্ট হয়ে উঠল কয়েকটি স্থানে। জামার বিভিন্ন অংশে তুলোয় করে তিনি লাগিয়ে দিলেন সুগন্ধি আন্তর। সব কিছু শেষ হলে তিনি দৃষ্টি ফেরালেন। ছাদের নিচের অংশে। দেখলেন, টিকটিকি দু’টোর উজ্জ্বল কালো চোখ আপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে তার দিকে।

    মার্কিন দেশে তৈরি গাড়িখানা ফিরে এসে পাড়ি বারান্দায় থামল। হুকুম চাঁদ তারের জালিবিশিষ্ট দরজার কাছে এসে উকি দিয়ে দেখলেন। তখনও গোঁফে তা দিচ্ছিলেন তিনি। দুজন লোক এবং দুজন মহিলা গাড়ি থেকে নামল। ঐ দুজন লোকের একজনের কাছে ছিল একটা হারমোনিয়াম এবং অন্য জনের কাছে ছিল দু’টো তবলা। দুজন মহিলার মধ্যে একজন বয়স্ক, মাথায় সাদা চুলে কমলা রং মাখানো। অন্য জন যুবতী। মুখে পান। চওড়া নাকের এক পাশে উজ্জ্বল হীরার অলংকার চকচক্‌ করছে। তার কাছে ছিল একটা পুটুল। আকারে ছোট। সে যখন গাড়ি থেকে নামল তখন পুটুলিটা ঝনঝনি করে বেজে উঠল। তারা সবাই ঘরে গিয়ে কার্পেটের ওপর বসল।

    হুকুম চাঁদ আয়নায় নিজেকে ভাল করে দেখলেন। মাথার চুলের গোঁড়ার সাদা অংশ বেশ স্পষ্ট করে দেখা যাচ্ছিল। আঙ্গুল দিয়ে চুলগুলো তিনি নাড়াচাড়া করলেন। একটা সিগারেট ধরালেন। এরপর আগের মতোই তিনি সিগারেটের টিনের বাক্সের ওপর দেশলাই বাক্সটি রেখে এক সাথে দু’টোই হাতে নিলেন। তারের জালি দেয়া দরজা অর্ধেক খুলে তিনি বেয়ারাকে হুইস্কি আনার নির্দেশ। দিলেন। হুইস্কির বোতল আগেই টেবিলে রাখা ছিল, এ কথা তিনি জানতেন। তবু বেয়ারাকে তিনি ঐ নির্দেশ দিলেন এ কারণে যে, ঘরে যারা বসে আছে তারা যেন তাঁর আগমন বার্তা পায়। তিনি দরজাটা বন্ধ করলেন একটু শব্দ করেই। ধীরে অথচ দৃঢ় পদক্ষেপে হাঁটার জন্য জুতোর মচমচে শব্দ হলো। তিনি সোজা বেতের চেয়ারটায় গিয়ে বসলেন।

    যারা বসে ছিল তারা উঠে দাঁড়াল। ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবকে তারা সসম্মানে অভিবাদন জানোল। বাদক দুজন মাথা নত করে তাঁকে সালাম জানোল। দন্তবিহীন মহিলা প্রশংসার বান দুটালো: আপনার যশ-সম্মান বাড়ুক, খোদাবন্দ আপনার জয় হোক। যুবতী মেয়েটি শুধু তাঁর দিকে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইল। চোখ দু’টো তার বড়, কাজলমাখা। ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব হাতের ইশারায় তাদের বসতে বললেন। বৃদ্ধা মহিলার একঘেয়েমি চিৎকার স্তিমিত হলো। তারা চারজনেই কার্পেটের ওপর বসে পড়ল।

    বেয়ারা তার প্রভুর গ্লাসে মদ ও সোডা ঢেলে দিল। হুকুম চাঁদ একটা বড় ব্লকমের হাই তুলে হাতের পিছন দিক দিয়ে মুখগহ্বর থেকে গোঁফ সরিয়ে দিলেন। অলস মেজাজে তিনি গোঁফে তা দিতে লাগলেন। মেয়েটি তার পুটুলি খুলে পায়ে ঘুঙুর বাধল। হারমোনিয়াম বাদক তার হারমোনিয়ামে একটা সুর তুলল। তবলা বাদক তবলার উপরিভাগের চারপাশে চামড়ার দড়ি দিয়ে বাঁধা গিরে ঢ়িলে বা শক্ত করে বাঁধার চেষ্টা করল ছোট হাতুড়ির আঘাত দিয়ে। হারমোনিয়ামের সুরের সাথে তবলার শব্দ মধুময় না হওয়া পর্যন্ত সে তবলার উপরিভাগের সাদা অংশে আঙ্গুল দিয়ে চাটি মারুল। এভাবেই শেষ হল তাদের প্রস্তুতি।

    যুবতী মেয়েটি মুখ থেকে পানের পিক্‌ ফেলে দিল, খুব খুকু করে কেশে কফি ফেলে গলা পরিষ্কার করে নিল। বৃদ্ধ মহিলাটি বলল:

    খোদাবন্দ। আপনি কি শুনতে ভালবাসেন? পুরোনো গান, পুককা না ফ্লিমের গান?

    না, পুককা না। কিছু সিনেমার গান শোনাও, ভাল সিনেমার গান, বিশেষ করে পাঞ্জাবী গান।

    যুবতী মেয়েটি সালাম করল। বলল, আপনি যা হুকুম করেন।

    যন্ত্রী দুজন নিকটবর্তী হয়ে কি যেন বলাবলি করল। অতঃপর তারা মেয়েটির সাথে সামান্য কথা বলে বাজনা শুরু করল। তবলা ও হারমোনিয়াম এক সাথে বেজে ওঠার পরও মেয়েটিকে নীরবে কিছুটা অস্বস্তি ও উদাসভাবে বসে থাকতে দেখা গেল। তাদের প্রাথমিক বাজনা শেষ হলে মেয়েটি তার নাক ঝাড়ল এবং পুনরায় গলা পরিষ্কার করে নিল। সে তার বাম হাত কানের কাছে রেখে অন্য হাতটি ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবের দিকে প্রসারিত করে তাকেই লক্ষ্য করে কৃত্রিম চড়া স্বরে গাইল:

    ওহে আমার প্রিয়, যে চলে গেছে
    আমি বেঁচে আছি, কিন্তু মরে যাওয়াই ভাল ছিল।
    ঝরা আশ্রুজল আমি দেখি না।
    আমি শ্বাস নেইনা, দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলি।
    আলোর শিখাকে পোকা ভালবাসে
    সেই শিখাই তার মৃত্যুর কারণ হয়
    আমি আমার মাঝে অগ্নিশিখা জ্বালিয়েছি
    সেই শিখা আমার শ্বাস হরণ করেছে
    রাত কাটাই আমি আকাশের তারা গুণে।
    দিন কটাই সুদিনের স্বপ্ন দেখে।
    তুমি কখন ফিরে আসবে
    আমি দেখব আবার
    তোমার সেই চাঁদ মুখখানি।

    মেয়েটি থামল। বাদকরা এমনভাবে বাজনা বাজাল যেন মেয়েটি তার গানের শেষাংশ শুরু করতে পারে।

    এই পত্রের কথা আমার প্রিয়াকে জানাবে
    পৃথক থাকার জ্বালা কিভাবে পোড়ায়।

    মেয়েটির গান শেষ হলে হুকুম চাঁদ পাঁচ টাকার একটি নোট কার্পেটের ওপর জুড়ে দিলেন। মেয়েটি ও দুই যন্ত্রী তাদের মাথা নত করে কৃতজ্ঞতা জানাল। বৃদ্ধা মহিলাটি টাকাটা তুলে নিয়ে বলল, খোদাবন্দ, আপনার জয় হোক।

    আবার গান শুরু হলো। হুকুম চাঁদ এবার নিজেই এক পেগ মদ ঢেলে এক ঢোকে গিলে ফেললেন। হাত দিয়ে মুখ থেকে গোঁফ সরিয়ে দিলেন। মেয়েটির দিকে ভাল করে তাকানোর অবস্থা তাঁর ছিল না। মেয়েটি যে গানটি গাচ্ছিল, তা হুকুম চাঁদের কাছে খুবই পরিচিত মনে হলো। ঐ গানটি তিনি তাঁর মেয়েকে গাইতে শুনেছেন।

    মৃদুমন্দ বায়ুতে
    আমার মসলিনের
    লাল উড়নাখানি উড়ছে।
    হো স্যার, হো স্যার।

    হুকুম চাঁদ অস্বস্তি বোধ করলেন। তিনি আর এক পেগী হুইস্কি পান করে বিবেকের তাড়না থেকে মুক্তি পেতে চাইলেন। মানুষের জীবন অতি সংক্ষিপ্ত। এর মধ্যে অত বিবেকের তাড়না না থাকাই ভাল। তিনি হো স্যার, হো স্যার কথার তালে তালে আঙ্গুলো তুড়ি এবং উরুর ওপর চাপড় দিতে শুরু করলেন।

    গোধূলির রক্তিম আভা মিলিয়ে যাওয়ার পর চন্দ্রবিহীন রাতের অন্ধকার বিস্তৃত হলো চারদিকে। নদীর ধারের জলাভূমিতে ব্যাঙ ডেকে উঠল। নল খাগড়ার বনে কিচমিচ করে উঠল পতঙ্গের দল। বেয়ারা স্ফটিকাবৎ একটা বাতি নিয়ে এল। ঐ বাতি থেকে বিছুরিত হচ্ছিল নীলাভ আলো। বাতির ফ্রেমের মধ্য থেকে আবছা! আলো হুকুম চাঁদ-এর গায়ে গিয়ে পড়ল। আলো থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখার চেষ্টায় রত মেয়েটির দিকে তিনি অপালক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন। মেয়েটি নেহায়েত শিশু এবং খুব বেশি সুন্দরীও নয়। তবে সে যুবতী ও মাসুম। তার স্তন দু’টোও খুব স্বীত হয়নি। ঐ স্তনে এখনও কোন পুরুষের হাত পড়েনি বলেই মনে হয়। মেয়েটি বোধ হয় তাঁর নিজের মেয়ের চেয়েও বয়সে ছোট। এই ধারণা তাঁর মনে উদয় হতেই হুকুম চাঁদ আর এক পেগ হুইস্কি ঢেলে নিলেন। এটাই জীবন। জীবনকে গ্রহণ করে নাও যখন যেভাবে আসে, অসঙ্গত প্রথা ও মূল্যবোধকে দূরে রেখে মৌখিক ভদ্রতাকে স্বাগত জানাও। মেয়েটি হুকুম চাঁদ-এর টাকা চায় আর হুকুম চাঁদ চায়… ব্যস। সব কিছুই যখন বলা হয়েছে যে, মেয়েটি পতিতা এবং সেইভাবে তাকে দেখা হয়েছে। ফলে মূল্যবোধ অবাস্তর। মেয়েটির কালো রঙের শাড়ির পাড়ের রূপালী পাতা ঝলমল করে উঠল। নাকে লাগানো হীরা তারার মতো চিকচিক করে উঠল। সব সন্দেহ দূর করার জন্য হুকুম চাঁদ আর এক চুমুক মদ গলায় ঢেলে দিলেন। এ সময় হুকুম চাঁদ তাঁর গোঁফ মুছে নিলেন সিল্কের রুমাল দিয়ে। তিনি বেশ জোরেই অফুট শব্দ করতে শুরু করলেন এবং কটা কট করে হাতের আঙ্গুল ফোটালেন।

    হুকুম চাঁদ যেসব সিনেমার গান জানতেন তার সবই গাওয়া শেষ হলো।

    রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতার স্বরে হুকুম চাঁদ হুকুম করলেন, তুমি যা জান তাই গাও, নতুন ও আনন্দঘন গান।

    মেয়েটি এমন একটা গান শুরু করল। যার মধ্যে ইংরেজী শব্দ ছিল একাধিক :

    সানডে আফটার সানডে,
    এই আমার জীবন।

    হুকুম চাঁদ উল্লাসে ফেটে পড়লেন। তাঁর মুখ দিয়ে প্রশংসাসূচক ধ্বনি বাহ বাহু বেরিয়ে এল। মেয়েটি তার গান শেষ করলে তিনি তার দিকে পাঁচ টাকার নোট জুড়ে দিলেন না। তাকে তাঁর কাছে এসে তাঁর হাত থেকে টাকা নিতে বললেন। বৃদ্ধা মহিলাটি তাকে তাঁর কাছে যেতে বলল, যাও, হুজুর তোমাকে ডেকে পাঠিয়েছেন।

    মেয়েটি উঠে দাঁড়াল এবং টেবিলের কাছে গেল। টাকার নোটটি নেয়ার জন্য সে হাত বাড়ােল; হুকুম চাঁদ তাঁর হাত সরিয়ে নিলেন এবং নোটখানা তাঁর বুকের মধ্যে রাখলেন। তিনি দাঁত বের করে হাসলেন কামাসক্তভাবে। মেয়েটি তার সাথীদের দিকে তাকাল সাহায্যের আশায়। হুকুম চাঁদ এবার নোটটা রাখলেন টেবিলের ওপর। মেয়েটি তা নেয়ার আগেই তিনি তা তুলে নিয়ে পুনরায় বুকের মাঝে লুকিয়ে রাখলেন। তাঁর ব্যাপক কামাসক্ত হাসিতে দাঁত বেরিয়ে পড়ল। মেয়েটি তার সাথীদের কাছে ফিরে যাওয়ার জন্য ঘুরে দাঁড়াল। হুকুম চাঁদ তৃতীয় বারের মতো নোটটি তুলে ধরলেন।

    হুজুরের কাছে যাও, বৃদ্ধা মহিলাটি অনুরোধ করল। মেয়েটি আজ্ঞাবাহের মতো ঘুরে দাঁড়াল এবং ধীর পদক্ষেপে ম্যাজিস্ট্রেট সাহেবের কাছে গেল। হুকুম চাঁদ তার কোমর জড়িয়ে ধরে বললেন: তুমি গাও ভাল।

    মেয়েটি তার সাথীদের দিকে বিস্ময়ে তাকাল।

    হুজুর তোমার সাথে কথা বলছেন, তুমি তাঁর কথার জবাব দিচ্ছ না কেন? বুদ্ধা মহিলাটি তাকে গালাগাল করল। হুকুম চাঁদকে সে ব্যাখ্যা করে বলল, খোদাবন্দ, মেয়েটির বয়স কম এবং খুব লাজুক। আস্তে আস্তে সে সব কিছু শিখে যাবে।

    হুকুম চাঁদ মেয়েটির ওষ্ঠে হুইস্কি ভরা গ্লাসটি ধরে অনুনয় করে বললেন, সামান্য একটু পান কর। আমার খাতিরে মাত্র একবার খাও।

    মুখ না খুলেই মেয়েটি উদাসীনভাবে উঠে দাঁড়াল।

    বৃদ্ধা মহিলাটি অনুনয় করে বলল খোদাবন্দ, মদ পান সম্পর্কে সে কিছুই জানে না। তার বয়স ষোল হবে না এবং সে একেবারেই সরল। এর আগে সে কোনদিন কোন পুরুষের কাছে যায়নি। আমি আপনার সম্মানেই তাকে যোগাড় করে এনেছি।

    হুজুম চাঁদ বললেন, সে যদি মদ পান না করে তাহলে অন্য কিছু খাবে। তিনি বৃদ্ধা মহিলার কথার শেষাংশ উপেক্ষা করাই শ্ৰেয় মনে করলেন। তিনি প্লেট থেকে একটা গোসতের টুকরা তুলে নিয়ে তার মুখে পুরে দেয়ার চেষ্টা করলেন। মেয়েটি টুকরাটি হাতে নিয়ে নিজেই খেয়ে নিল।

    হুকুম চাঁদ মেয়েটিকে টেনে নিজের কোলের ওপর বসিয়ে তার চুল নাড়াচাড়া করতে লাগলো। মেয়েটির চুল ছিল তৈলাক্ত এবং ক্লিপ দিয়ে বাঁধা। তিনি কয়েকটা ক্লিপ খুলে মেয়েটির চুলের বাঁধন খুলে দিলেন। খোলা চুল মেয়েটির ঘাড়ের ওপর এসে পড়ল।

    বৃদ্ধা মহিলা ও বাদ্যযন্ত্রীরা উঠে দাঁড়াল।

    দয়া করে আমাদের যাওয়ার অনুমতি দিন।

    হ্যাঁ, যাও। ড্রাইভার তোমাদের বাড়িতে পৌঁছিয়ে দেবে।

    বৃদ্ধা মহিলাটি আবার একঘেয়েমি চিৎকার শুরু করে দিল খোদাবন্দ, আপনার জয় হোক। আপনার বিচার প্রতিভার সুনাম ছড়িয়ে পড়ুক সর্বত্র।

    হুকুম চাঁদ এক তোড়া টাকার নোট টেবিলের ওপর রাখলেন বৃদ্ধা মহিলার জন্য। টাকা নিয়ে তারা গাড়িতে গিয়ে উঠল। মেয়েটি বসে রইল ম্যাজিস্ট্রেটের কোলের ওপর। বেয়ারাটি অপেক্ষা করে রইল। পরবর্তী আদেশের অপেক্ষায়।

    রাতের খাবার দেব, স্যার। বেয়ারা জিজ্ঞাসা করল।

    না। টেবিলের ওপর খাবার রেখে যাও। আমরা খেয়ে নেব। তুমি যাও।

    বেয়ারাটি টেবিলের ওপর খাবার রেখে নিজের কোয়ার্টারে চলে গেল।

    হুকুম চাঁদ হাত বাড়িয়ে স্ফটিকবৎ ল্যাম্পটি নিভিয়ে দিলেন। একটা শব্দ করে ল্যাম্পটি নিভে গেল। ঘরটা অন্ধকারে আচ্ছন্ন হলেও দরজার ফাঁক দিয়ে আসা শোয়ার ঘরের জ্বলন্ত বাতির কিছুটা আভা দেখা যাচ্ছিল। হুকুম চাঁদ দরজার বাইরে থাকার সিদ্ধান্ত নিলেন।

    মালগাড়িটা তখন মানো মাজরায় ওয়াগন রেখে চলে যাচ্ছিল ব্রিজের দিকে। বেশ শব্দ করেই ওটা এগুচ্ছল। ইঞ্জিন থেকে নির্গত ধোঁয়ার পরিমাণ দেখে গাড়ির গতিবেগ আন্দাজ করা যাচ্ছিল। গাড়ির লোকেরা অগ্নিকুণ্ডে কয়লা ভরছিল। উজ্জ্বল লাল ও হলুদ আলো ব্রিজের খিলানের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ব্রিজের অপর পারের জঙ্গলের মধ্যে হারিয়ে যাচ্ছিল। ট্রেনের শব্দ আস্তে আস্তে মিলিয়ে গেল। ট্রেনটি চলে যাওয়ার পর ব্যক্তিগত অন্তরঙ্গতার পরিবেশ অনুভূত হলো।

    হুকুম চাঁদ আর এক পেগ হুইস্কি ঢেলে নিয়ে নিজেকে যেন সংহত করলেন। মেয়েটি তখনও তার কোলে বসেছিল শক্ত ও অনড় হয়ে।

    তুমি কি আমার ওপর রাগ করেছ? তুমি কি আমার সাথে কথা বলবে না? মেয়েটিকে আরও নিজের দিকে টেনে এনে হুকুম চাঁদ জিজ্ঞাসা করলেন। মেয়েটি সে কথার জবাব দিল না বা তাঁর দিকে ফিরেও তাকাল না।

    ম্যাজিস্ট্রেট সাহেব মেয়েটির প্রতিক্রিয়ার ব্যাপারে খুব বেশি আগ্রহী ছিলেন না। সব কিছুর জন্য তিনি আগেই টাকা দিয়েছেন। তিনি মেয়েটির মুখটা নিজের দিকে টেনে তার গলা ও কানে চুম্বন দিলেন। তিনি মালগাড়ির শব্দ আর শুনতে পাচ্ছিলেন না। মালগাড়িটা তখন নির্জন প্রত্যন্ত এলাকায় চলে গিয়েছিল। হুকুম চাঁদ তাঁর নিজের দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দই শুনতে পাচ্ছিলেন। তিনি মেয়েটির অন্তর্বাসের হুক খুলে দিলেন।

    রাতের নিস্তব্ধতা একটা গুলির শব্দে প্রকম্পিত হলো। মেয়েটি নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল।

    একটা গুলির শব্দ শুনেছ?

    মেয়েটি মাথা নাড়াল। হতে পারে একজন শিকারী। মেয়েটি জবাব দিল। এই প্রথম সে হুকুম চাঁদের সাথে কথা বলল। ইতিমধ্যে সে অন্তর্বাসের হুক লাগিয়ে দিল।

    এই অন্ধকার রাতে কোন শিকারী হতে পারে না।

    দুজন কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে রইল। হুকুম চাঁদের মনে কিছু একটা আশঙ্কা ছিল; মেয়েটা মুক্ত হলো মদ, তামাক ও মুখে দুৰ্গন্ধভরা প্রেমিকের বন্ধন থেকে। কিন্তু এরপর কিছুক্ষণ নীরবতা হুকুম চাঁদকে নিশ্চিন্তু করল যে, সব কিছু ঠিক আছে। এই নিশ্চিন্ততাকে আরও নিশ্চিত করার জন্য তিনি আর এক পেগী হুইস্কি নিলেন। মেয়েটি অনুধাবন করল যে, তার পলায়নের কোন পথ নেই।

    এটা নিশ্চয় পটকার আওয়াজ। কেউ হয়ত বিয়ে করতে যাচ্ছে বা অন্য কিছু, হুকুম চাঁদ মেয়েটিকে দুই হাতে জড়িয়ে ধরলেন। তিনি তার নাকে চুমু খেলেন। তারপর হাসতে হাসতে বললেন, চল আমরাও বিয়ে করি।

    মেয়েটি কোন উত্তর দিল না। সিগারেটের ছাই, গোশতের টুকরা ও প্লেট ভর্তি টেবিলের ওপর হুকুম চাঁদ যখন তাকে নিয়ে যেতে চাইলেন, তখনও সে কোন বাধা দিল না। হুকুম চাঁদ হাত দিয়ে টেবিলের ওপর সব কিছু ঠেলে ফেলে দিলেন এবং শুরু করলেন আদিম মিলনের প্রক্রিয়া। দুই হাতে তিনি চেপে ধরলেন মেয়েটির প্রস্ফুটিত যৌবন। তাঁর আদিম থাবায় মেয়েটি ক্ষত-বিক্ষত হলেও কোন বাধা দিল না। তিনি মেয়েটিকে টেবিলের ওপর থেকে নামিয়ে কার্পেটের ওপর শুইয়ে দিলেন। মেয়েটি তার শাড়ির আঁচল দিয়ে মুখ ঢেকে নিল এবং মুখটা এক পাশে সরিয়ে নিল হুকুম চাঁদ-এর মুখের দুৰ্গন্ধ থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য।

    হুকুম চাঁদ শুরু করলেন মেয়েটির বিন্যস্ত পোশাক অবিন্যস্ত করতে।

     

    মানো মাজরা থেকে মানুষের চিৎকার ও উত্তেজিত কুকুরের ডাক শোনা গেল। হুকুম চাঁদ শব্দ লক্ষ্য করে কান পেতে রইলেন। আবার দু’টো গুলির শব্দ হল এবং সাথে সাথেই থেমে গেল মানুষের চিৎকার আর কুকুরের ডাক। ধুৎতরি ধরনের শব্দ উচ্চারণ করে হুকুম চাঁদ মেয়েটিকে ছেড়ে দিলেন। মেয়েটি উঠে দাঁড়িয়ে তার চুল আঁচড়ালো, পোশাক ঠিক করল। সার্ভেন্ট কোয়ার্টার থেকে বেয়ারা ও জমাদার হারিকেন নিয়ে ছুটে এল। তাদের আলোচনায় উত্তেজনা প্রকাশ পাচ্ছিল। একটু পরে ড্রাইভার গাড়ি বারান্দায় গাড়ি থামাল। গাড়ির হেড লাইটে বাংলো আলোকিত হলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleনোরা – হেনরিক ইবসেন
    Next Article পাঞ্চজন্য – গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }